Travel With Rashid

Travel With Rashid Lets travel Together

25/08/2026

Takeoff From Chittagong.
Anyone guess the aircraft model ??

21/08/2026
13/08/2026

আজকাল আমাদের বেশিরভাগ ঘরের অবস্থা।

ড. ইউনূস বিদায় নিয়েছেন ৫ মাস আগে। বিদায় নেয়ার সময় তিনি দেশের রিজার্ভ রেখে গিয়েছিলেন ৩৩ বিলিয়ন ডলার। সাথে দেশবাসীর জন্যে ...
05/08/2026

ড. ইউনূস বিদায় নিয়েছেন ৫ মাস আগে। বিদায় নেয়ার সময় তিনি দেশের রিজার্ভ রেখে গিয়েছিলেন ৩৩ বিলিয়ন ডলার। সাথে দেশবাসীর জন্যে ছয় মাসের মজুদকৃত খাদ্যও রেখে গিয়েছিলেন।

অথচ ক্ষমতা গ্রহণের সময় দেশের রিজার্ভ ছিল মাত্র ১৯ বিলিয়ন ডলার। দেশটা নেতিয়ে পড়া দুর্বা ঘাসের মতো বিধ্বস্ত ছিল।

ইউনূস সরকার সেই বিধ্বস্ত দেশের রিজার্ভটাকে টেনে তুলতে চেয়েছিলেন। টানতে টানতে সেই রিজার্ভ নিয়ে এসেছিলেন ৩৩ বিলিয়নে।

তিনি রিজার্ভ বাড়িয়েছিলেন ১৪ বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ ১,৬৮০,০০০,০০০,০০০ টাকা। সংখ্যাটা কত বিশাল তাই না?

এই বিশাল অঙ্কের রিজার্ভ তার সরকার মিলে বাড়িয়েছিল মাত্র দেড় বছরে। আই রিপিট মাত্র দেড় বছরে!

এই রিজার্ভ আরও বাড়াতে পারতেন। কিন্তু পারেননি কারণ হাসিনার রেখে যাওয়া ২১,০০,০০০,০০,০০,০০০
টাকার ঋণও দিতে হয়েছে ইউনূস সরকারকে।

এই সংখ্যাটাও পড়তে কষ্ট হচ্ছে তাই না? এত বিশাল অঙ্কের ঋণও ইউনূস সরকার পরিশোধ করেছেন মাত্র দেড় বছরেই।

হাসিনা আগে বাইরের দেশ থেকে ঋণ আনতো তারপর তার এমপি-মন্ত্রীরা সেই রিজার্ভ নিজেদের পকেটে ঢুকিয়ে বিদেশে আলিশান বাড়ি করতো, গাড়ি কিনতো।

সেই ঋণের বোঝা অসহায়ের মতো টানতে হয়েছে ইউনূস সরকারকে।

পাশাপাশি জনগণের ভালো করতে গিয়ে, দ্রব্যমূল্যের দাম কমাতে গিয়ে কোটি কোটি টাকা ভর্তুকিও দিতে হয়েছে।

ইউনূস সরকার চেয়েছিলেন দেশের সাধারণ মানুষগুলো, খেটে খাওয়া লোকগুলো একটু ভালোমন্দ খেতে পারুক। তাই রোজার মধ্যে জিনিসপত্রের দাম যাতে না বাড়ে সেই ব্যবস্থা করেছিলেন।

শুধু রোজাতেই না, গত দেড়টা বছর তীক্ষ্ণ নজর রেখেছিলেন কোন চাঁদাবাজ যাতে দাম বাড়াতে না পারে।তাছাড়া সবসময় কারেন্ট দেয়ার চেষ্টা করতো, গ্যাস দিতো, স্বস্তি দিতো।

ইউনূস সরকার জনগণকে ২ টা সুন্দর ঈদও উপহার দিয়েছিলেন। সেই দুই ঈদে মানুষ কম দামে ব্যাগভর্গি বাজার করেছিল, হাসিমুখে বাঁচতে শিখেছিল।

সবাই খুশিতে বলেছিল- স্যার, আরও ৫ টা বছর থাকেন।

বিএনপির লোকেরা এই কথাটাকেই ধরে নিয়েছিল ইউনূস সরকার নির্বাচন দিবে না। তারপর কথায় কথায় ইউনূসকে গালি দিতো, আন্দোলন করতো।

ইউনূস সরকারের মাত্র দেড় বছরেই ১২৩৭ টার মতো আন্দোলন হয়েছে ,ভয়াবহ বন্যা হয়েছে, বিমান দূর্ঘটনা হয়েছে, আরও কতশত অযাচিত ঘটনা ঘটেছে।

তারমধ্যে সেনাপ্রধান কমান্ড চেইন মানেনি ,পুলিশরা নিরাপত্তা দিতে পারেনি, বিএনপি কথা শুনেনি, হাসিনার রয়ে যাওয়া আমলারাও কাজ করেনি।

এতসব বাঁধা বিপত্তি পেরিয়েও ড. ইউনূস দেশটাকে গুছিয়ে দিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। বিডিআর হ*ত্যাকান্ডের মামলাটাও নতুন করে তদন্ত করা শুরু করেছিলেন।

তারপর শিরদাঁড়া উঁচু করে ভারতের কাছ থেকে তুলা আনা বাদ দিয়েছিলেন, আমেরিকার শূল্ক কমিয়েছিলেন, জাপানে ১১০০ পণ্যের শূল্ক ছাড়াই রপ্তানি করার পথটা তৈরি করে দিয়ে গেছেন।

আর সবশেষে নির্বাচনটা দিয়েছিলেন।

অথচ আজকে নির্বাচনের পর ইউনূসের গুছানো জিনিসগুলোও বিএনপি সরকার নষ্ট করে ফেলেছে। ব্যাংকের গভর্নর পরিবর্তন করে দেশের রিজার্ভ ধ্বংস করে ফেলতেছে।

মানুষের বাসায় গ্যাস নাই, বিদ্যুৎ নাই, পানি নাই। জিনিসপত্রের দামও আকাশচুম্বী।

এসবের প্রতিবাদ করার সুযোগও নাই। প্রতিবাদ করলেই বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় থেকে পোস্ট করে হুমকি পর্যন্ত দেয়া হচ্ছে।

সন্ত্রাসীরা আগে অপরাধ করতো গোপনে। অথচ এখন ওপেনেই খু*নখারাপি চলে, চাঁদাবাজি চলে, টেন্ডারবাজি চলে। বিদ্যুৎ বিলের নাম করে গরিব জনগণের পকেট কাটা চলে।

আগে বলা হতো নির্বাচিত সরকার আসলেই সব ঠিক হয়ে যাবে কিন্তু কিচ্ছু ঠিক হয় নাই। জনগণ উল্টো অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছে।

অথচ জনগণরা নির্বাচিত সরকারের কাছে কোন টাকাপয়সা চায় নাই, বাড়ি গাড়ি চায় নাই। খেয়ে পড়ে একটু বাঁচতে চেয়েছিল শুধু।

ইউনূস সরকার চেয়েছিল দেশের সেনাবাহিনী, রাজনৈতিক দল, সচিব, জনগণরা মিলে দেশটাকে সংস্কার করবে আর ড. ইউনূস জনপ্রিয়তা দিয়ে বাইরের দেশ থেকে বিনিয়োগ আনবেন, বাইরের দেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখবেন।

কিন্তু বাইরের দেশের সফরে গেলেই দেখা যেত দেশে কোন্দল লেগে গেছে, আন্দোলন হচ্ছে, চাঁদাবাজি করছে, লোকজন খু*ন হচ্ছে। বাহিনীরাও নেতাদের প্রভাবে হার্ড লাইনে যেতে পারেনি।

এতসব অস্থিতিশীলর ভীড়ে ইউনূস সরকার তার মনমতো কাজ করার সুযোগ পান নাই, নিজের দক্ষতাগুলোও দেখাতে পারেন নাই।

তিনি চেয়েছিলেন যুদ্ধবিধ্বস্ত একটা দেশের মতো হয়ে যাওয়া বাংলাদেশটাকে একটু ঠিকঠাক করতে। কিন্তু দিনশেষে একরাশ কষ্ট আর আফসোস নিয়েই ফিরে গেছেন পুরনো ঠিকানায়।

তার বিরুদ্ধে হয়তো হাজারটা অভিযোগ আছে, সমালোচনা আছে কিন্তু তার চলে যাওয়াতে আমাদের আক্ষেপ করারও আছে।

নিজেদের মা*রামারি আর অসভ্যতামির কারণে একটা লোককে ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পারিনি আমরা।

এখন তাকে তেমন কিছু মনে হচ্ছে না, হয়তো হবেও না।
কিন্তু কোন একদিন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি আর গ্যাস-বিদ্যুতের বাড়তি দামের কারণে আমরা যখন তিলে তিলে কষ্ট পেয়ে মরব তখন মনে পড়বে আমাদের একজন ড. ইউনূস ছিলেন

28/07/2026

এই আযান শুধুমাত্র মাসজিদুল হারাম এবং মাসজিদুল নববীতে দিয়ে থাকে ,
এই আযানটি ফযরের আযানের এক ঘন্টা আগে দিয়ে থাকে কিয়ামের শেষ সময়ে ,এবং ফজরের আগে।

আসসালামু আলাইকুম।
ভিডিওটি শেয়ার করে দেন বেশি বেশি করে।
জাজাকাল্লাহ খাইরান।

Address

Patenga
Chittagong
4205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Travel With Rashid posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Travel With Rashid:

Shortcuts

Share