মাদ্রাসাতুল মাদীনাহ্ কাজিরগাঁও ও এতিমখানা

  • Home
  • Bangladesh
  • Cumilla
  • মাদ্রাসাতুল মাদীনাহ্ কাজিরগাঁও ও এতিমখানা

মাদ্রাসাতুল মাদীনাহ্ কাজিরগাঁও ও এতিমখানা Education & Islamic research centre.


♥️ لا اله الا الله محمد رسول الله♥️

28/08/2026

আল্লাহ তাআলা পরিবারকে মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় নেয়ামতগুলোর একটি হিসেবে দান করেছেন। স্ত্রী ও সন্তান কেবল পার্থিব সুখের উপকরণ নয়; তারা আল্লাহর পক্ষ থেকে অর্পিত একটি আমানত। তাই তাদের ভরণ-পোষণের পাশাপাশি সময় দেওয়া, ভালোবাসা প্রকাশ করা, দ্বীনের শিক্ষা দেওয়া এবং উত্তম চরিত্র গঠনে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করা প্রত্যেক মুসলিমের দায়িত্ব। একজন মুমিনের সফলতা তখনই পূর্ণতা লাভ করে, যখন তিনি আল্লাহর হক আদায়ের পাশাপাশি পরিবারের হকও যথাযথভাবে আদায় করেন।

১. পরিবার আল্লাহর দেওয়া আমানত

স্ত্রী ও সন্তান আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাদের কাছে অর্পিত আমানত। এই আমানতের হক আদায় করা ঈমানদার ব্যক্তির অন্যতম দায়িত্ব। কিয়ামতের দিন প্রত্যেক অভিভাবককে তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। তাই ব্যস্ততার অজুহাতে পরিবারের অধিকার অবহেলা করা উচিত নয়।

২. সময় দেওয়া ইবাদতও, দায়িত্বও

যদি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে স্ত্রী ও সন্তানের অধিকার আদায় করা হয়, তবে তা শুধু পারিবারিক দায়িত্ব নয়; বরং ইবাদত এবং সওয়াবের কাজও। পরিবারের প্রতি আন্তরিকতা ইসলামের সৌন্দর্যেরই অংশ।

৩. রাসূল ﷺ ছিলেন পরিবারের সর্বোত্তম আদর্শ

রাসূলুল্লাহ ﷺ উম্মতের নেতা হয়েও পরিবারের জন্য সময় বের করতেন। তিনি স্ত্রীদের সঙ্গে সুন্দর আচরণ করতেন, শিশুদের ভালোবাসতেন, তাদের সঙ্গে কথা বলতেন, কোলে নিতেন, খেলতেন এবং স্নেহ প্রকাশ করতেন। তাঁর জীবনই মুসলিম পরিবারের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ।

৪. সন্তানের ঈমান ও চরিত্র গঠনের শ্রেষ্ঠ সময় শৈশব

শৈশব হলো চরিত্র গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। শিশুর মন কোমল জমিনের মতো; এ সময় যে শিক্ষা দেওয়া হয়, সেটিই ভবিষ্যতের ভিত্তি হয়ে দাঁড়ায়। তাই তাওহীদ, সালাত, কুরআন, উত্তম আখলাক ও ইসলামী মূল্যবোধ শেখাতে বাবা-মায়ের নিয়মিত সময় দেওয়া প্রয়োজন।

৫. সন্তানকে সময় না দিলে অন্যরা তার চিন্তা গড়ে দেবে

যখন বাবা-মা সন্তানের জন্য সময় বের করতে পারেন না, তখন মোবাইল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বন্ধু কিংবা সমাজ তার চিন্তা-চেতনা গঠনে বড় ভূমিকা নেয়। ফলে সে ইসলামী মূল্যবোধ থেকে দূরে সরে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

৬. স্ত্রী ও সন্তানের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন আপনার উপস্থিতি

অর্থ, দামী উপহার বা উন্নত সুযোগ-সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ হলেও এগুলোর বিকল্প কখনোই বাবা-মা বা জীবনসঙ্গীর আন্তরিক উপস্থিতি হতে পারে না। স্ত্রী চান স্বামীর সময়, মনোযোগ ও আন্তরিকতা। সন্তান চায় বাবা-মায়ের সান্নিধ্য, ভালোবাসা ও দিকনির্দেশনা।

৭. সময় দিলে ভালোবাসা, আস্থা ও সম্পর্ক দৃঢ় হয়

যে পরিবারে একে অপরের জন্য সময় থাকে, সেখানে পারস্পরিক বিশ্বাস ও ভালোবাসা বৃদ্ধি পায়। সন্তান সহজেই নিজের সমস্যা, ভয় ও স্বপ্ন বাবা-মায়ের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে পারে। একইভাবে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কেও প্রশান্তি ও বোঝাপড়া বৃদ্ধি পায়।

৮. একসাথে ইবাদত ঘরে বরকত নিয়ে আসে

পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কুরআন তিলাওয়াত করা, ইসলামী আলোচনা করা, একসাথে সালাত আদায় করা কিংবা আল্লাহর স্মরণে সময় কাটানো ঘরে ঈমানি পরিবেশ সৃষ্টি করে এবং পারিবারিক বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করে।

৯. সময় দেওয়া মানে শুধু পাশে বসে থাকা নয়

পরিবারকে সময় দেওয়ার অর্থ শুধু একই ঘরে থাকা নয়। একসাথে খাওয়া, গল্প করা, সন্তানদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা, তাদের নিয়ে মসজিদে যাওয়া, কুরআন শেখানো, স্ত্রীকে সময় দেওয়া, তার অনুভূতির মূল্য দেওয়া এবং পরিবারের সুখ-দুঃখে পাশে থাকাই প্রকৃত সময় দেওয়া।

১০. ব্যস্ততা যেন সম্পর্ক নষ্ট না করে

অনেক মানুষ পরিবারের সুখের জন্য অর্থ উপার্জন করতে গিয়ে পরিবার থেকেই দূরে সরে যান। অথচ পরিবার শুধু অর্থ নয়, আন্তরিক সময়ও চায়। যে সময় একবার চলে যায়, তা আর কখনো ফিরে আসে না।

১১. আজকের সময়ই আগামী দিনের সুন্দর স্মৃতি

আজ সন্তানের সঙ্গে কাটানো কয়েকটি মুহূর্ত, পরিবারের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া কিছু হাসি কিংবা একসাথে ইবাদতের সময়—এসবই ভবিষ্যতে তাদের হৃদয়ের সবচেয়ে মূল্যবান স্মৃতি হয়ে থাকবে।

১২. সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হলো নেক পরিবার গড়ে তোলা

দুনিয়ার সম্পদ একদিন শেষ হয়ে যাবে, কিন্তু নেক, দ্বীনদার ও দায়িত্বশীল স্ত্রী-সন্তান দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জীবনেই কল্যাণের কারণ হবে। পরিবারকে ইসলামের আলোয় গড়ে তোলাই একজন মুমিনের সবচেয়ে সফল বিনিয়োগ।

25/08/2026

ত্রিভুবনের প্রিয় মোহাম্মদ এলরে দুনিয়ায়,আয়রে সাগর আকাশ বাতাস, দেখবি যদি আয়...

25/08/2026

লাখো দরুদ ও সালাম হে প্রিয় নবী (সা:)
صلى الله عليه وسلم

21/08/2026

স্বামীর হৃদয় জয় করতে বড় কিছু নয়, দরকার ছোট ছোট ভালোবাসার ছোঁয়া

দাম্পত্য জীবন শুধু দায়িত্ব পালন বা একসঙ্গে বসবাসের নাম নয়; এটি ভালোবাসা, মমতা, সম্মান ও আন্তরিক যত্নের এক সুন্দর বন্ধন। অনেক সময় আমরা মনে করি, সম্পর্ককে গভীর করতে বড় কোনো আয়োজনের প্রয়োজন। অথচ বাস্তবতা হলো—প্রতিদিনের ছোট ছোট যত্ন, কোমল আচরণ, আন্তরিক স্পর্শ এবং সুন্দর কথাগুলোই হৃদয়ের দূরত্ব কমিয়ে আনে।

একজন স্ত্রী তার ভালোবাসা ও কোমল ব্যবহারের মাধ্যমে স্বামীর ক্লান্ত মনকে শান্ত করতে পারেন, তার হৃদয়ে নিরাপত্তা ও প্রশান্তির অনুভূতি জাগিয়ে তুলতে পারেন। সম্পর্ককে আরও উষ্ণ ও গভীর করার জন্য নিচের বিষয়গুলো হতে পারে কার্যকর অনুশীলন—

• সুযোগ পেলেই স্বামীকে আন্তরিকভাবে জড়িয়ে ধরুন। ভালোবাসার একটি আলিঙ্গন অনেক অপ্রকাশিত অনুভূতির ভাষা হয়ে উঠতে পারে।

• তিনি বিশ্রাম নিলে তার পাশে বসুন, স্নেহভরে বলুন—"তোমার এই উষ্ণ সান্নিধ্য আমার খুব ভালো লাগে।"

• দুই হাত দিয়ে তার মুখ আলতো করে ধরে কপালে একটি ভালোবাসার চুম্বন দিন এবং তার জন্য আন্তরিক দোয়া করুন। দোয়া ভালোবাসাকে আরও বরকতময় করে।

• কখনো তাকে মাথা আপনার কোলে রাখতে বলুন। আলতো করে তার চুলে হাত বুলিয়ে দিন, মুখে স্নেহের স্পর্শ রাখুন। এতে মানসিক প্রশান্তি তৈরি হয়।

• ভালোবাসা ও মুগ্ধতা নিয়ে তার দিকে তাকান। যদি জিজ্ঞেস করেন কেন তাকিয়ে আছেন, হাসিমুখে বলুন—"তোমাকে দেখতে আমার খুব ভালো লাগে।"

• মাঝে মাঝে তার কাঁধে বা পিঠে আলতো করে হাত রাখুন। এমন ছোট ছোট স্পর্শ একজন মানুষকে প্রিয়জনের সান্নিধ্যের নিরাপত্তা অনুভব করায়।

• সুযোগ পেলেই তার হাতটি নিজের হাতে নিন। কোমলভাবে হাত চেপে ধরুন, যাতে তিনি বুঝতে পারেন—আপনি তার পাশে আছেন।

• কোনো সুস্বাদু খাবার বা মিষ্টি খাওয়ার সময় নিজের হাতে তাকে একটু খাইয়ে দিন। একটি আন্তরিক হাসি মুহূর্তটিকে আরও সুন্দর করে তুলতে পারে।

• তিনি সুন্দর সুগন্ধি ব্যবহার করলে তার প্রশংসা করুন। আন্তরিক প্রশংসা মানুষকে আনন্দ দেয় এবং সম্পর্ককে প্রাণবন্ত রাখে।

• বাইরে যাওয়ার আগে তার পোশাক বা কলার আলতো করে ঠিক করে দিন। এই ছোট্ট যত্নও ভালোবাসার এক নীরব প্রকাশ।

• নিজের হাতেও হালকা সুগন্ধি ব্যবহার করুন। তারপর স্নেহভরে তার পোশাক ঠিক করে দিয়ে বলুন—"এখন তোমাকে আরও সুন্দর লাগছে।"

• সন্তানদের সামনে বাবার প্রশংসা করুন। বলুন—"তুমি বাবার মতোই দয়ালু, স্নেহশীল ও বুদ্ধিমান।" এতে সন্তানের মনে বাবার প্রতি শ্রদ্ধা বাড়ে এবং স্বামীও সম্মানিত অনুভব করেন।

• মনে রাখুন, সুন্দর কথা ও সুন্দর আচরণ—দুটোই সদকার অন্তর্ভুক্ত। তাই আপনার ভাষা ও ব্যবহার হোক কোমল, সম্মানজনক এবং ভালোবাসায় ভরা।

এই ছোট ছোট যত্ন, আন্তরিক স্পর্শ, সুন্দর কথা এবং ভালোবাসার প্রকাশ ধীরে ধীরে দাম্পত্য সম্পর্কে গভীর মমতা, বিশ্বাস ও আবেগের বন্ধন তৈরি করে। অনেক পুরুষ সহজে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে পারেন না। তাই আপনি যদি ভালোবাসার ভাষা দিয়ে সম্পর্ককে সমৃদ্ধ করেন, তবে একসময় তিনিও সেই ভালোবাসার প্রতিদান দিতে শিখবেন। ভালোবাসা শেখানোর সবচেয়ে সুন্দর উপায় হলো—নিজে আগে ভালোবাসতে শেখা।

--- আইন উদ্দিন আইনী

19/08/2026

▫️একজন সম্মানিত স্ত্রীর জন্য কিছু আন্তরিক পরামর্শ

▪️১. পরিপূর্ণ মানুষ খুঁজবেন না
বিয়ের আগেই জেনে রাখুন, পৃথিবীতে কোনো পুরুষই নিখুঁত নয়; যেমন কোনো নারীও নিখুঁত নন। তাই একে অপরের ত্রুটি মেনে নিয়ে গুণগুলোর মূল্যায়ন করাই সুখী দাম্পত্যের ভিত্তি।

▪️২. স্বামীর স্বভাব বোঝার চেষ্টা করুন
তার ব্যক্তিত্ব, অনুভূতি ও মানসিকতার প্রতি সম্মান দেখান। জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে তার সহযোগী ও বিশ্বস্ত সঙ্গী হয়ে থাকুন।

▪️৩. বেশি শুনুন, কম রাগ করুন
মনোযোগ দিয়ে কথা শুনুন। মতভেদ হলে উচ্চস্বরে নয়, বরং শান্ত, ভদ্র ও প্রজ্ঞাপূর্ণ ভাষায় নিজের কথা বলুন।

▪️৪. সংসারকে প্রতিযোগিতার মাঠ বানাবেন না
দাম্পত্য জীবনের উদ্দেশ্য কে জিতল তা প্রমাণ করা নয়; বরং দু'জনে মিলে একটি শান্তিপূর্ণ ও সুন্দর পরিবার গড়ে তোলা।

▪️৫. সম্মানকে অগ্রাধিকার দিন
পারস্পরিক সম্মান ছাড়া ভালোবাসাও দীর্ঘস্থায়ী হয় না। মতের অমিল থাকলেও সম্মান যেন অটুট থাকে।

▪️৬. ভুল হলে ক্ষমা চাইতে দ্বিধা করবেন না
ক্ষমা চাওয়া দুর্বলতার নয়, বরং মহৎ চরিত্রের পরিচয়। আন্তরিক একটি "দুঃখিত" অনেক বড় বিরোধ মিটিয়ে দিতে পারে।

▪️৭. ঈর্ষায় ভারসাম্য বজায় রাখুন
অতিরিক্ত সন্দেহ ও অহেতুক কল্পনা সম্পর্কের শান্তি নষ্ট করে। বিশ্বাসই দাম্পত্য জীবনের অন্যতম শক্তিশালী ভিত্তি।

▪️৮. সর্বদা সত্যবাদী ও বিশ্বস্ত থাকুন
সত্য, আমানতদারিতা ও বিশ্বস্ততা একটি সম্পর্ককে নিরাপদ ও শক্তিশালী করে তোলে।

▪️৯. সংসারের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে পরামর্শ করুন
ঘরের সিদ্ধান্ত, অর্থনৈতিক পরিকল্পনা কিংবা বাইরে যাওয়ার বিষয়—এসব পারস্পরিক আলোচনা ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে হলে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়।

▪️১০. স্বামীর পছন্দ-অপছন্দকে গুরুত্ব দিন
তিনি কোন খাবার পছন্দ করেন, কোন বিষয় তাকে আনন্দ দেয়—সেগুলোর প্রতি যত্নশীল হওয়া ভালোবাসারই প্রকাশ।

▪️১১. সংসারের বাজেট পরিকল্পনা করুন
আয়-ব্যয়ের হিসাব একসঙ্গে করলে অনেক অপ্রয়োজনীয় চাপ ও ভুল বোঝাবুঝি এড়ানো যায়।

▪️১২. উপদেশ দিন কোমলভাবে
অতিরিক্ত সমালোচনা নয়; ভালোবাসা ও সৌজন্যের সঙ্গে ভুল ধরিয়ে দিলে তা সহজে গ্রহণযোগ্য হয়।

▪️১৩. মনে রাখুন, আপনারা একে অপরের সহযাত্রী
স্বামী-স্ত্রী প্রতিদ্বন্দ্বী নন; বরং একে অপরের শক্তি, আশ্রয় ও সহায়ক।

▪️১৪. পিতামাতার ভালো শিক্ষা কাজে লাগান
শৈশবে শেখা সুন্দর মূল্যবোধ ও আদব-আখলাক সংসার জীবনে বাস্তবায়নের চেষ্টা করুন।

▪️১৫. সন্তান এলেও স্বামীকে ভুলে যাবেন না
সন্তান আল্লাহর নিয়ামত। তবে সন্তানদের প্রতি ভালোবাসা যেন স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক অধিকার ও সম্পর্ককে দুর্বল না করে।

▪️১৬. হাসিমুখে স্বামীকে গ্রহণ করুন
একটি আন্তরিক হাসি ক্লান্ত মনকে প্রশান্তি দেয় এবং ভালোবাসা আরও গভীর করে।

▪️১৭. বিদায় ও অভ্যর্থনায় আন্তরিকতা রাখুন
বের হওয়ার সময় দোয়া ও শুভকামনা, ফিরে এলে হাসিমুখে অভ্যর্থনা—এসব ছোট ছোট বিষয় সম্পর্ককে উষ্ণ রাখে।

▪️১৮. তার আরাম-আয়েশের প্রতি যত্নবান হোন
সাধ্যমতো খাবার, বিশ্রাম ও প্রয়োজনীয় যত্ন নেওয়া পারস্পরিক ভালোবাসারই অংশ।

▪️১৯. রাগের মুহূর্তে ধৈর্য ধরুন
রাগের সময় তর্ক না বাড়িয়ে, পরিস্থিতি শান্ত হলে আলোচনা করুন।

▪️২০. ঘর-সংসার পরিচ্ছন্ন রাখুন
পরিচ্ছন্ন ও গোছানো পরিবেশ মানসিক প্রশান্তি বাড়ায়, বিশেষ করে শয়নকক্ষ।

▪️২১. নিজের পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যের প্রতিও যত্ন নিন
পরিপাটি ও পরিচ্ছন্ন থাকা দাম্পত্য সম্পর্কে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

▪️২২. রোমান্সকে জীবিত রাখুন
ভালোবাসা প্রকাশের ছোট ছোট মুহূর্ত, সুন্দর কথা ও আন্তরিক আচরণ সম্পর্ককে সতেজ রাখে।

▪️২৩. শ্বশুরবাড়ির মানুষের সঙ্গে সুন্দর আচরণ করুন
যেমন আপনি চান আপনার পরিবারের সঙ্গে ভালো আচরণ করা হোক, তেমনি আপনিও স্বামীর পরিবারকে সম্মান ও সদাচরণ করুন।

▪️২৪. আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখতে উৎসাহ দিন
স্বামীর আত্মীয়দের খোঁজ নেওয়া ও সম্পর্ক বজায় রাখতে সহযোগিতা করা উত্তম চরিত্রের পরিচয়।

▪️২৫. ইবাদতকে দাম্পত্য জীবনের অংশ বানান
একসঙ্গে সালাত, কুরআন তিলাওয়াত, দোয়া ও আল্লাহর আনুগত্য দাম্পত্য জীবনে বরকত ও হৃদয়ের প্রশান্তি এনে দেয়।

▪️২৬. অন্যের সংসারের সঙ্গে নিজের সংসারের তুলনা করবেন না
প্রকৃত সুখ অন্যের জীবন দেখে নয়; বরং আল্লাহর দেওয়া নিয়ামতের প্রতি সন্তুষ্টি, ভালোবাসা, দয়া ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার মধ্যেই নিহিত।

আলহামদুলিল্লাহ, মাদ্রাসার স্থায়ী জায়গায় বালু ভরাটের পর, বালু রক্ষার জন্য আরছিছি পিলার সহ ডাবল ইটের ওয়াল, টয়লেট,গোসল...
02/08/2026

আলহামদুলিল্লাহ, মাদ্রাসার স্থায়ী জায়গায় বালু ভরাটের পর, বালু রক্ষার জন্য আরছিছি পিলার সহ ডাবল ইটের ওয়াল, টয়লেট,গোসলখানা,ওজুখানা। আল্লাহর দ্বীনের কাজ আল্লাহ করিয়েই নিবেন।
আল্লাহ ভরসা, হাসবুনাল্লাহ,,,,

11/02/2026

"ভোট"সাক্ষ্য ,সুপারিশ ও প্রতিনিধিত্বের ক্ষমতা প্রদান যা একটি পবিত্র আমানত।
ভোট হোক সন্ত্রাস চাঁদাবাজ দুর্নীতিবাজের বিরুদ্ধে।
সৎ যোগ্য দেশপ্রেমিকের পক্ষে যারা শুধুমাত্র নিজেদের উন্নয়ন ও শক্তিশালী না করে দেশ ও ইসলামের উন্নয়ন এবং দেশকে শক্তিশালী করতে নিজেকে উৎসর্গ করবে।

29/08/2025

এক জঙ্গলে দুটি সিংহ বসবাস করতো। একটি বৃদ্ধ আর অন্যটি যুবক। তাদের দুজনের মধ্যে খুব ভালোবাসা ছিলো। দুজন সবসময় একসাথে থাকতো। তাদের একতার কারণে বনের অন্যসব জানোয়ার তাদেরকে সমীহ করে চলতো। হঠাৎ কিছু ভুল বোঝাবুঝির কারনে তাদের মধ্যে শত্রুতা তৈরী হয়ে গেলো। ফলে একে অপর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলো। এ সুযোগে একদিন অনেক কুকুর একসাথ হয়ে দুর্বল বৃদ্ধ সিংহের উপর আক্রমন করে তাকে ক্ষতবিক্ষত করতে লাগলো। দূর থেকে এ দৃশ্য যুবক সিংহ দেখে কুকুরের পালের উপর আক্রমন করে সব কুকুর তাড়িয়ে দিলো। বৃদ্ধ সিংহ অবাক হয়ে বললো, "আমার সাথে তোমার দুশমনি, তবুও আমাকে বাঁচালে কেন?"
যুবক সিংহ বললো, "নিজেদের দুরত্ব আর অনৈক্য এতো বেশি হওয়া উচিত নয়, যা থেকে কুকুরের দল ফায়দা নেয়"!

____সাময়িক পোস্ট কাজিরগাঁও মাদ্রাসা___ইতিমধ্যেই  সকলে হয়তো অবগত হয়েছেন যে, কাজির গাঁও মাদ্রাসার (স্থায়ী কাজ) মাটি ভর...
10/08/2025

____সাময়িক পোস্ট কাজিরগাঁও মাদ্রাসা___
ইতিমধ্যেই সকলে হয়তো অবগত হয়েছেন যে, কাজির গাঁও মাদ্রাসার (স্থায়ী কাজ) মাটি ভরাট চলমান। উক্ত স্থায়ী প্রকল্পে আপনার "হালাল উপার্জিত টাকা" থেকে ডোনেট করে কাজির গাঁও মাদ্রাসার উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে আপনিও সম্মানজনক 'অবদান' রাখতে পারেন। উক্ত প্রকল্পের ফান্ড আশা করি অচিরেই ক্লোজ হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ।
____মাআস সালামাহ্__

Address

Cumilla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মাদ্রাসাতুল মাদীনাহ্ কাজিরগাঁও ও এতিমখানা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category