ডাঃ দেলোয়ার হোসেন- মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

  • Home
  • Bangladesh
  • Cumilla
  • ডাঃ দেলোয়ার হোসেন- মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

ডাঃ দেলোয়ার হোসেন- মেডিসিন বিশেষজ্ঞ সঠিক সময়ে,সঠিক চিকিৎসা, রোগের তীব্রতা কমিয়ে দেয়।

ডাঃ দেলোয়ার হোসেন, ১৯৯৩ সালে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল থেকে এমবিবিএস পাশ করেন।এরপর ২০০২ সালে মেডিসিনে উচ্চতর ডিগ্রী এফসিপিএস(মেডিসিন) পাশ করেন।
এছাড়াও তিনি দেশ ও বিদেশ থেকে মেডিসিন এ উচ্চতর প্রশিক্ষন লাভ করেন।
তিনি বর্তমানে , শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে মেডিসিন বিভাগে অধ্যাপক ও প্রধান (ইউনিট) হিসেবে কর্মরত আছেন।

""আল্লাহুম্মা বারিক লাহুম ফিমা রাযাক্বতাহুম ওয়াগফিরলাহুম, ওয়ারহামহুম"" �

28/07/2026
দরূদ শরীফের মারাত্মক উপকারিতা 🌙✨💫 দরূদ কী এবং কেন এত শক্তিশালী?**দরূদ** মানে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ ﷺ–এর ওপর আ...
23/07/2026

দরূদ শরীফের মারাত্মক উপকারিতা 🌙✨

💫 দরূদ কী এবং কেন এত শক্তিশালী?

**দরূদ** মানে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ ﷺ–এর ওপর আল্লাহর রহমত ও সালাম প্রার্থনা করা।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা নিজে বলেছেন, তিনি এবং তাঁর ফেরেশতারা নবীর ওপর দরূদ পাঠান এবং মুমিনদেরও নবীর ওপর দরূদ ও সালাম পাঠাতে নির্দেশ দিয়েছেন। (সূরা আহযাব ৩৩:৫৬)

# # # 🎁 রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

**"যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরূদ পাঠ করে, আল্লাহ তাকে দশবার রহমত দান করেন, তার দশটি গুনাহ ক্ষমা করেন এবং তার মর্যাদা দশ ধাপ উঁচু করেন।"**

মাত্র একবার দরূদে এত বিশাল প্রতিদান! ভাবুন তো, ১০০ বার পড়লে কত সওয়াব!

# # 🕌 ইসলামি দৃষ্টিতে দরূদের অসাধারণ ফজিলত

# # # ১. আল্লাহর রহমতের বৃষ্টি ☔

একবার দরূদ = দশবার আল্লাহর রহমত + দশটি গুনাহ মাফ + দশ ধাপ মর্যাদা বৃদ্ধি!
এটা কোনো গল্প নয়, সহিহ হাদিসের প্রতিশ্রুতি। বেশি বেশি দরূদ মানে আপনার জীবনে আল্লাহর রহমতের দরজা খুলে দেওয়া।

# # # ২. জান্নাতে নবীর ﷺ সান্নিধ্য লাভ 🌹

হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি বেশি বেশি দরূদ পড়ে, কিয়ামতের দিন সে রাসুলুল্লাহ ﷺ–এর সবচেয়ে কাছে থাকবে। এর চেয়ে বড় সম্মান আর কী হতে পারে?

# # # ৩. নামাজ পূর্ণ হওয়ার শর্ত ✅

তাশাহহুদের পর দরূদ ইব্রাহিম ছাড়া নামাজই পূর্ণ হয় না! অর্থাৎ দরূদ শুধু সুন্নাত নয়, আমাদের প্রতিদিনের ইবাদতের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

# # # ৪. দুনিয়ার সব সমস্যার সমাধান 🔑

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, "যে ব্যক্তি তার সব দোয়া দরূদ পড়ায় ব্যয় করবে, আল্লাহ তার সব চিন্তার সমাধান করে দেবেন এবং তার সব গুনাহ মাফ করে দেবেন।"

দরূদ পড়লে:
✔️ রিজকে বরকত হয়
✔️ কাজ সহজ হয়ে যায়
✔️ বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়
✔️ দোয়া কবুল হয়
✔️ মনের শান্তি আসে

---

# # 🧠 বিজ্ঞান কী বলে? দরূদের মানসিক ও শারীরিক উপকারিতা

আধুনিক বিজ্ঞান এখন প্রমাণ করছে যা আমাদের দ্বীন ১৪০০ বছর আগেই বলে গেছে!

# # # ১. মস্তিষ্কে "সুখের হরমোন" বৃদ্ধি 😊

যখন আপনি মনোযোগ দিয়ে দরূদ পড়েন, তখন আপনার মস্তিষ্কে **সেরোটোনিন** ও **ডোপামিন** (সুখ ও প্রশান্তির নিউরোট্রান্সমিটার) নিঃসরণ বাড়ে। এগুলোকে বলা হয় "হ্যাপিনেস কেমিক্যাল"।

ফলাফল?
✨ মেজাজ ভালো থাকে
✨ আশাবাদী মনোভাব তৈরি হয়
✨ মানসিক প্রশান্তি আসে
✨ ডিপ্রেশন কমে

# # # ২. স্ট্রেস ও দুশ্চিন্তা উধাও! 🧘‍♂️

গবেষণায় প্রমাণিত, কোরআন তেলাওয়াত ও যিকির:
🔹 স্ট্রেস হরমোন **কর্টিসল** কমায়
🔹 রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে
🔹 উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তা দূর করে
🔹 হৃদস্পন্দন ও শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক করে

দরূদ পড়া একটি **রিদমিক ও ধ্যানময় জিকির**—যা আপনার পুরো স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করে দেয়। এটা প্রাকৃতিক মেডিটেশন!

# # # ৩. মেমরি ও মনোযোগ শক্তি বাড়ে 🎯

নিয়মিত দরূদ পড়লে:
✅ মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়ে
✅ স্মৃতিশক্তি উন্নত হয়
✅ মানসিক শৃঙ্খলা তৈরি হয়
✅ কগনিটিভ ফাংশন শক্তিশালী হয়

# # # ৪. মস্তিষ্কের নিউরোপ্লাস্টিসিটি বাড়ায় 🧬

নিয়মিত প্রার্থনা ও ধ্যান মস্তিষ্কে নতুন স্নায়ুপথ তৈরি করে। দরূদ পড়ার সময় যে পজিটিভ আবেগ (নবীর ﷺ ভালোবাসা, আল্লাহর রহমতের আশা, কৃতজ্ঞতা) অনুভব করেন, তা আপনার মস্তিষ্কে স্থায়ী ইতিবাচক পরিবর্তন আনে।

ফলে আপনি হয়ে উঠবেন:
💚 আরও শান্ত
💚 আরও ধৈর্যশীল
💚 আরও আশাবাদী
💚 আরও মানসিকভাবে শক্তিশালী

# # 🌟 বাস্তব জীবনে দরূদের ম্যাজিক—কীভাবে শুরু করবেন?

# # # 📿 সহজ ৫টি টিপস:

**১. নির্দিষ্ট সময় ঠিক করুন**
ফজরের পর ১০০ বার, অফিসে বিরতিতে ৩৩ বার, ঘুমানোর আগে ১০০ বার—যেকোনো একটা রুটিন বানান।

**২. ধীরে ধীরে, অর্থ বুঝে পড়ুন**
তাড়াহুড়ো নয়। প্রতিটি শব্দের অর্থ মনে মনে অনুভব করুন।

**৩. মোবাইল দূরে রাখুন 📵**
চোখ বন্ধ করে, গভীর শ্বাস নিয়ে, মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। এটাই আসল ধ্যান।

**৪. তাসবিহ ব্যবহার করুন**
সংখ্যা গুনতে সুবিধা হয়, মনোযোগও থাকে।

**৫. পরিবার-বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন 💬**
একসাথে দরূদ পড়ুন। এতে অনুপ্রেরণা বাড়ে এবং সওয়াবও বেশি।

# # 💎 দরূদের কিছু জনপ্রিয় ফর্ম

# # # দরূদ ইব্রাহিম (নামাজে পড়া):
**"আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিন ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ, কামা সাল্লাইতা আলা ইব্রাহিমা ওয়া আলা আলি ইব্রাহিম, ইন্নাকা হামিদুম মাজিদ..."**

# # # সংক্ষিপ্ত দরূদ (যেকোনো সময়):
**"সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম"** ﷺ

# # # দরূদে তাজ (খুবই ফজিলতপূর্ণ):
**"আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা সাইয়িদিনা মুহাম্মাদিন সালাতান তুনজিনা বিহা মিন জামিয়িল আহওয়ালি ওয়াল আফাত...

🌙 শেষ কথা: আপনার জীবন বদলে দিন আজই!

দরূদ শুধু একটা আমল নয়—এটা **জীবন বদলানোর চাবিকাঠি**।

🔹 আখিরাতে জান্নাত ও নবীর সান্নিধ্য
🔹 দুনিয়ায় শান্তি, বরকত ও সুখ
🔹 মস্তিষ্ক ও মনের জন্য প্রাকৃতিক থেরাপি

আজ থেকেই শুরু করুন। প্রতিদিন অন্তত ১০০ বার দরূদ পড়ার চ্যালেঞ্জ নিন। দেখবেন, এক সপ্তাহেই আপনার জীবনে পরিবর্তন আসতে শুরু করবে।

**বেশি বেশি দরূদ পড়ুন, নবীর ﷺ ভালোবাসা হৃদয়ে জাগিয়ে তুলুন, আর নিজের মস্তিষ্ক ও মনকে দিন এক প্রাকৃতিক, হালাল "মুড বুস্টার"।**

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে দরূদ, কোরআন তিলাওয়াত ও যিকিরের মজবুত অভ্যাস করার তাওফিক দান করুন—**আমীন।**

💬 শেয়ার করুন, অন্যদেরও জানান!

এই পোস্টটি যদি উপকারী মনে হয়, শেয়ার করুন। হয়তো আপনার শেয়ারের কারণে কেউ দরূদ পড়া শুরু করবে, আর সেই সওয়াব আপনিও পাবেন ইনশাআল্লাহ! 🤲

** #দরূদশরীফ #ইসলাম #মানসিকশান্তি #বৈজ্ঞানিকইসলাম #নবীরভালোবাসা**

12/07/2026

ঢাকা মেডিকেল থেকে শাহবাগ রিকশাভাড়া ১০০ টাকা!!!
বৃষ্টির দিন বলে কথা 🙂

"মানবিক" শুধু ডাক্তারদের হতে হবে।

11/06/2026

কিছুদিন আগে রাতে বসে কোরআন পড়তেছিলাম।
একটা ঘোরের মধ্যে ছিলাম, হঠাৎ ফ্লো ভেঙে যায় তিরিশ পারার একদম শেষের দিকের একটা ছোট সূরা, সূরা তাকাসুরে এসে।
প্রথম দুইটা আয়াত পড়েই আমি রীতিমতো ভ্যাবাচেকা খাইছি!

আল্লাহ বলতেছেন,
"অধিক পাওয়ার প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে ভুলিয়ে রেখেছে (গাফলতির মধ্যে ফেলে রেখেছে)।"
"যতক্ষণ না তোমরা কবরে উপস্থিত হও।" (সূরা তাকাসুর: ১-২)

আয়াত দুইটা পড়ে আমার মাথা কিছুক্ষণের জন্য পুরা ব্ল্যাংক হয়ে গেছিলো।
আমি আয়াতটার আরবি শব্দগুলো আবার দেখলাম- "হাত্তা যুরতুমুল মাক্বাবির"।
এখানে আল্লাহ 'যুরতুম' শব্দটা ব্যবহার করেছেন।
'যুরতুম' মানে হলো জিয়ারত করা, ভিজিট করা বা বেড়াতে যাওয়া।

আমার মাইন্ড ব্লো হয়ে গেছে ঠিক এই জায়গাটাতেই!
আমি পুরা জিনিসটা আবার রিয়েলাইজ করার চেষ্টা করলাম।
আল্লাহ বলতে চাইতেছেন কি?!
মানুষ মারা গেলে কবরে যায়, সেখানে মাটি চাপা দেওয়া হয়।
কিন্তু আল্লাহ বলছেন, তোমরা কবরে "ভিজিট" করতে যাও!
ভিজিট তো মানুষ কিছুক্ষণের জন্য করে, পার্মানেন্টলি থাকার জন্য তো কেউ ভিজিট করতে যায় না!!!

আমি সাথে সাথে তাফসির সার্চ দিলাম। তাফসিরে ইবনে কাসির আর অন্যান্য কয়েকটা গ্রন্থ পড়লাম। তারপর আমার রিয়েলাইজেশনে যা আসলো, তা হলো:
কবর মানুষের শেষ গন্তব্য না!
কবর হচ্ছে জাস্ট একটা "ওয়েটিং রুম" বা ট্রানজিট লাউঞ্জ।
যেমন এয়ারপোর্টে মানুষ কিছুক্ষণ ওয়েট করে আসল ফ্লাইটে ওঠার জন্য, কবরটাও ঠিক তেমন।
আর আমরা বোকা মানুষরা দুনিয়াতে ভাবি, এই বুঝি সব শেষ!

এরপর আমি প্রথম আয়াতের "তাকাসুর" (التكاثر) শব্দটার তাফসির পড়লাম। আল্লাহ এখানে বলেন নাই যে "টাকা" তোমাদের ভুলিয়ে রেখেছে। আল্লাহ বলছেন "তাকাসুর" তোমাদের ভুলিয়ে রেখেছে। তাকাসুর মানে কী?
তাকাসুর মানে হলো- "ওর চেয়ে আমার বেশি লাগবে।"
এইটা কোনো বস্তুর নাম না, এইটা একটা মেন্টালিটি। একটা অসুস্থ মানসিক প্রতিযোগিতা।

আমার একটা ফোন আছে, কিন্তু ফ্রেন্ডের আইফোন প্রো ম্যাক্স দেখলে আমারও ওটা লাগবে।
আমার একটা ডিগ্রি আছে, কিন্তু অন্যের আরেকটা ভালো ডিগ্রি দেখলে আমারও সেটা লাগবে। ব্যাংকে টাকা আছে, কিন্তু আরেকজনের বেশি থাকলে আমার আরো লাগবে।
ক্যারিয়ার, স্ট্যাটাস, স্যালারি- এই "আরো চাই, আরো চাই" করতে করতে আমাদের জীবনের আসল ফোকাসটাই আমরা হারিয়ে ফেলি।

এই সূরা শুরুই হইছে একটা সাইকোলজিক্যাল ওয়ার্নিং দিয়ে।
আল্লাহ মানুষকে বলতেছে, দেখো, একটা পশু শুধু ততটুকুই খায় যতটুকু তার ক্ষুধা মেটায়।
কিন্তু তুমি মানুষ, তোমার পেট ভরার পরও তুমি জমা করো, কারণ তুমি অন্যের চেয়ে নিজেকে বড় দেখাতে চাও।
এইটা কোনো সাধারণ কথা না, এইটা আমাদের অস্তিত্বের সবচেয়ে বড় crisis।

তাফসিরে বলা হয়েছে, "আলহাকুম" মানে এমন কোনো খেলা বা বিনোদন যা তোমাকে তোমার আসল ইমার্জেন্সি কাজ ভুলিয়ে দেয়।
ধরেন, আপনার কালকে ফাইনাল এক্সাম বা বিশাল কোনো প্রেজেন্টেশন, আর আপনি আজকে রাতে বসে নেটফ্লিক্সে সিরিজ দেখতেছেন।
এই সিরিজ দেখাটা হলো "আলহাকুম"।
আল্লাহ বলছেন, এই দুনিয়ার ক্যারিয়ার, ব্যাংক ব্যালেন্স, আর সেটেল হওয়ার টেনশন তোমাদেরকে আখেরাতের ফাইনাল এক্সামের কথা ভুলিয়ে দিয়েছে!

সবচেয়ে ভয়ংকর আয়াত আসে এরপর:
"কক্ষনো নয়, তোমরা শীঘ্রই জানতে পারবে।... সেদিন তোমাদেরকে অবশ্যই নেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।" (সূরা তাকাসুর: ৩, ৮)
এখানে আল্লাহ আমাদের অভিযুক্ত করতেছেন না, আল্লাহ আমাদের বাস্তবতা দেখাচ্ছেন।
আমরা ভাবি আমাদের সমস্যা হচ্ছে আমাদের টাকা নাই, আমাদের ভালো জব নাই, আমাদের অমুক জিনিসটা নাই।
কিন্তু সবচেয়ে গভীর Realisation, এই আয়াত আসলে বলতেছে: তোমার সবচেয়ে বড় সমস্যা তোমার অভাব না। তোমার সমস্যা হচ্ছে তুমি এক অলীক প্রতিযোগিতায় দৌড়াচ্ছো।
তুমি এমন একটা গন্তব্যের জন্য জিনিসপত্র প্যাকিং করতেছো, যেখানে তুমি থাকবাই না!

ফ্লো টা দেখেন:
১. মানুষ "আরো লাগবে" প্রতিযোগিতায় অন্ধ হয়ে দৌড়াচ্ছে।
২. সে আসল উদ্দেশ্য ভুলে গেছে।
৩. দৌড়াতে দৌড়াতে হঠাৎ একদিন সে কবরে গিয়ে ব্রেক কষে (ভিজিট করে)।
৪. কবরে যাওয়ার পর তার ঘোর কাটে, কিন্তু তখন আর ফিরে আসার সময় থাকে না।
৫. শেষমেশ তাকে আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে হয় হিসাব দেওয়ার জন্য।

আমরা কেন রবকে ভুলে যাই?
কারণ আমাদের মস্তিষ্ক already occupied।
আমরা সারাদিন হিসাব করি কীভাবে আরো দুই টাকা বেশি কামানো যায়, কীভাবে সিভিটা আরো ভারি করা যায়, কীভাবে অন্যের চেয়ে একটু বেটার লাইফ লিড করা যায়।
এই ইঁদুর দৌড়ে আমরা আমাদের যৌবন শেষ করি, পরিবারকে সময় দিই না, নিজের আত্মার যত্ন নিই না।
সমস্যা এই না যে মানুষ পরিশ্রম করে।
ইসলাম তো পরিশ্রম করতে উৎসাহিত করে।
সমস্যা হইতেছে, মানুষ ভুল ট্র্যাকে দৌড়ায়।
আপনি একটা ট্রেনের টিকিট কেটেছেন চিটাগাং যাওয়ার জন্য, কিন্তু আপনি ভুলে উঠেছেন সিলেটের ট্রেনে।
এখন সেই ট্রেনের এসি বগিতে বসে আপনি যতই কমফোর্ট ফিল করেন না কেন, আপনি তো আপনার আসল গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন না!

সবচেয়ে বড় ভয় হইতেছে এইটাই যে, জীবনের এই পুরো সময়টা আমরা যে স্ট্যাটাস, যে টাকা, যে ক্যারিয়ারের জন্য দৌড়ালাম, কবরের ওই ওয়েটিং রুমে ঢোকার সাথে সাথেই সেই সবকিছুর ভ্যালু জিরো হয়ে যাবে।
জিরো!
সেদিন আল্লাহ জিজ্ঞেস করবেন, "আমি তোমাকে যেই সময়, যেই এনার্জি আর যেই নেয়ামত দিয়েছিলাম, সেটার শুকরিয়া কোথায়?"
আমরা সারা জীবন "সেটেল" হওয়ার স্বপ্ন দেখি।
কিন্তু সূরা তাকাসুর আমাদের একটা ভয়ংকর সত্য মনে করিয়ে দেয় - দুনিয়াতে কেউ কখনো সেটেল হতে পারে না, যতক্ষণ না সে কবরের ওই ট্রানজিট লাউঞ্জে গিয়ে পৌঁছায়। 🙂

~ Towhidul Mansur

গরুগুলোর চোখে মরিচের গুঁড়ো দিয়ে দেয়া হয়েছে, আর জিহ্বায় ডলে দেয়া হয়েছে, চুলকানি পাতা। তাতেও হয়নি, পেটের নিচে আঁড়াআঁড়িভাব...
26/05/2026

গরুগুলোর চোখে মরিচের গুঁড়ো দিয়ে দেয়া হয়েছে, আর জিহ্বায় ডলে দেয়া হয়েছে, চুলকানি পাতা। তাতেও হয়নি, পেটের নিচে আঁড়াআঁড়িভাবে দেয়া হয়েছে বাঁশ, চোয়ালে বাঁধা হয়েছে ঊর্ধ্বমুখী রশি।

এ সব কিছু করা হয়েছে, ঢাকায় আনার পথে দীর্ঘ দুইদিনের যাত্রায় গরুগুলো যেন বসে না পড়ে, তা নিশ্চিত করা। যন্ত্রণায় সে ছটফট করতে করতেই চলে যাবে দুইদিন।

হাটে যখন তোলা হয়েছে, তাতেও কি মিলেছে স্বস্তি? না, মাথা যথাসম্ভব ঊর্ধ্বমুখী রেখে ছোট করে এভাবে রশি বাঁধা হয়েছে, যেন কোনোভাবেই বসতে না পারে, বসলে ক্রেতাদের দেখানো যাবেনা। ক্রেতারা আকৃষ্ট হবে না।

যতদিন অবিক্রীত অবস্থায় থাকবে, ততদিনই সয়ে নিতে হবে কষ্টের এই সুতীব্র যাতনা।

অন্যদিকে ছাগলের গলায় পাইপ ঢুকিয়ে দিয়ে কল ছেড়ে দেয়ার দৃশ্যও দেখা যাচ্ছে অন্যত্র। পাঁচ কেজি পানি পেটে পুড়ে দিলেই বেড়ে যাচ্ছে দুই থেকে তিন হাজার টাকা।

অবলা এসব প্রাণীদের ওপর এমনসব অমানবিক জুলুমের সাক্ষী আমি নিজেই। হাটে হাটে ছোটবেলা থেকে প্রচুর ঘুরি, এবারও ঘুরেছি। ব্যাপারীদের সাথে একসাথে বসে ভাতও খেয়েছি। এরকম অসহনীয় বহু জুলুমের কথা ওরাই আমাকে অকপটে বলেছে৷

এতসব ধাপ পেরিয়ে যাবীহাগুলো যখন আপনার হাতে কুরবানি হওয়ার জন্য আপনার গ্যারেজে বা দরজায় অপেক্ষমাণ, তখন কি এই প্রাণীদের প্রতি একটুও মায়া কাজ করছে আপনার? কিছু খাচ্ছেনা দেখে, কীভাবে একটু খাওয়ানো যায়, এ ভেবে বেচাইন হচ্ছে আপনার মন?

একটু গোসল করিয়ে দেয়া, বসার জায়গাটা পরিস্কার করে দেয়া, সুযোগ পেলে আদর করা, এসব কিছুই যদি আপনার ইচ্ছে না করে, সুনিশ্চিতভাবেই বলা যায় কুরবানির প্রধানতম একটি মাকসাদ লঙ্ঘিত হচ্ছে আপনার অজান্তেই।

অথচ কুরবানির মাকাসিদের প্রধানতম মাকসাদ কিন্তু এটাই যে, আল্লাহ আপনার ত্যাগ দেখতে চান, যেমন দেখতে চেয়েছিলেন হযরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামের কাছ থেকে। আল্লাহর আদেশে তিনি নিজ সন্তানকে পর্যন্ত উৎসর্গ করে দিতে প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিলেন।

আল্লাহ আপনার জন্য সহজ করে দিয়েছেন। প্রিয় জিনিসটি আল্লাহর জন্য উৎসর্গ করে দেয়ার পরীক্ষায় আল্লাহ আপনাকে দিয়েছেন বিকল্প পথ। কিন্তু মাকসাদ কিন্তু অভিন্নই আছে; আল্লাহর জন্য 'প্রিয়' জিনিসের ত্যাগ ও কুরবানি।

কিন্তু কুরবানি তখনই তো কুরবানি, যখন যাবীহা আপনার 'প্রিয়' হয়ে উঠবে। কুরবানি হয়ে যাওয়া যাবিহার জন্য আপনার ভেতরটা লুকিয়ে রাখা বিষণ্ণতায় ভরেই যদি না উঠলো, শুধু ভোজনের আনন্দ মনে কিলবিল করতে থাকল, সে আর কুরবানি কী থাকলো?

যত্ন নিন আপনার যাবীহার। আদর করুন। মমতাভরে পেতে দিন আপনার সব ভালোবাসা, যেন ওরা দু'দিনেই ভুলে যায় ফেলে আসা যাতনার সব ব্যথা, ক্লেশ এবং ক্লান্তি...

#সংগ্রহিত #ঈদমুবারক

20/05/2026

আল্লাহুম্মা বারিক আলাইহি

Address

DH Hospital(ডি এইচ হসপিটাল) টমছমব্রীজ , কুমিল্লা শহর।
Cumilla
3500

Telephone

+8801820113365

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডাঃ দেলোয়ার হোসেন- মেডিসিন বিশেষজ্ঞ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share