Ridwan Khan Riyad

Ridwan Khan Riyad স্বপ্নচারী Islami Chhatra Andolan Bangladesh is the real Islamic political Student Organization in Bangladesh. Estd. in 23 August 1991.

It's Founded by Maulana Fazlul Karim (Ex-Shayekh of Charmonai). It's a student branch of Islami Andolan Bangladesh. We want to establish Islamic Rules and it's a Farz work for all Muslims.

কয়েকদিন আগে একজন ভাই আমার সঙ্গে তার জীবনের একটি ঘটনা শেয়ার করেছিলেন। কথাটা বলতে বলতে তিনি বলছিলেন, ভাই, আমি তখন এতটাই ...
26/08/2026

কয়েকদিন আগে একজন ভাই আমার সঙ্গে তার জীবনের একটি ঘটনা শেয়ার করেছিলেন। কথাটা বলতে বলতে তিনি বলছিলেন, ভাই, আমি তখন এতটাই অসহায় ছিলাম যে, কাউকে কিছু বলতে পারতাম না। শুধু আল্লাহর কাছেই কাঁদতাম।

তার অনেকদিনের একটি নেক আশা ছিল। কিন্তু যত চেষ্টা করছিলেন, কোনোভাবেই সেটি পূরণ হচ্ছিল না। এক রাতে তাহাজ্জুদ পড়ে দীর্ঘ সময় সিজদায় থেকে তিনি আল্লাহর কাছে নিজের মনের কথাগুলো বললেন। তারপর হঠাৎ মনে হলো—আমি তো প্রতিদিন নিজের চাওয়ার কথা বলছি, কিন্তু নিজের গুনাহের জন্য কতটা ক্ষমা চাইছি?

সেদিন থেকেই তিনি নিয়ম করে বেশি বেশি ইস্তেগফার পড়তে শুরু করলেন— أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ
উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতূবু ইলাইহি। প্রতিদিন ইস্তেগফার করার পর তিনি শুধু বলতেন, হে আল্লাহ, আমার গুনাহগুলো ক্ষমা করুন। আমার এই চাওয়ার মধ্যে যদি কল্যাণ থাকে, তাহলে আপনার রহমতে তা সহজ করে দিন।

কয়েকদিন পর হঠাৎ এমন একটি সুযোগ তার সামনে এসে গেল, যেটা তিনি অনেকদিন ধরে অপেক্ষা করছিলেন। খবরটি পাওয়ার পর তিনি কিছুক্ষণ চুপ করে ছিলেন। তারপর চোখের পানি ধরে রাখতে না পেরে বলেছিলেন,
“আমি তো শুধু দোয়া করেছিলাম। আল্লাহ আমার জন্য এমন একটা রাস্তা খুলে দিলেন, যেটা আমি নিজেই কল্পনা করিনি।

তবে তিনি আমাকে একটি কথা বিশেষভাবে বলেছিলেন—
ইস্তেগফারকে আমি কোনো জাদুর আমল মনে করি না। আমার দোয়া কখন এবং কীভাবে কবুল হবে, সেটা আল্লাহই জানেন। কিন্তু ইস্তেগফার আমাকে আল্লাহর আরও কাছে নিয়ে গেছে—এটাই আমার সবচেয়ে বড় পাওয়া।
আল্লাহ তাআলা বলেন—তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল।
(সূরা নূহ: ১০)

হয়তো আপনার দোয়ার উত্তরও আসবে, তবে আপনার নির্ধারিত সময়ে নয়—আল্লাহর নির্ধারিত সময়ে। তাই দোয়া করতে করতে ক্লান্ত হয়ে যাবেন না। নামাজ ধরে রাখুন, ইস্তেগফার করুন, হালাল পথে চেষ্টা করুন এবং আল্লাহর ওপর ভরসা রাখুন। কারণ আপনি জানেন না কোন দরজা দিয়ে আপনার দোয়ার উত্তর আসবে, কিন্তু আল্লাহ জানেন।

অতিরিক্ত ইস্তিগফার মানুষকে দ্রুত সফলতার দিকে নিয়ে যায়, জানেন কেন?অনেক মানুষ সফলতার জন্য রাত দিন পরিশ্রম করে, কিন্তু এম...
26/08/2026

অতিরিক্ত ইস্তিগফার মানুষকে দ্রুত সফলতার দিকে নিয়ে যায়, জানেন কেন?

অনেক মানুষ সফলতার জন্য রাত দিন পরিশ্রম করে, কিন্তু এমন একটি আমলকে অবহেলা করে, যা মানুষকে আল্লাহর রহমত ও বরকতের আরও কাছাকাছি নিয়ে যায়। সেই আমলটি হলো বেশি বেশি ইস্তিগফার করা।

হযরত নূহ (আ.) তাঁর জাতিকে বলেছিলেন
فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا ۝ يُرْسِلِ السَّمَاءَ عَلَيْكُم مِّدْرَارًا ۝ وَيُمْدِدْكُم بِأَمْوَالٍ وَبَنِينَ

অর্থ: তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের ওপর প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন এবং ধন সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দ্বারা তোমাদের সাহায্য করবেন। (সূরা নূহ: ১০–১২)

রাসূলুল্লাহ (সা.) নিজেও প্রতিদিন বহুবার আল্লাহর কাছে ইস্তিগফার করতেন, যদিও তাঁর পূর্বাপর সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছিল। তাহলে আমরা, যারা প্রতিনিয়ত ভুল করি, আমাদের কত বেশি ইস্তিগফার করা উচিত!

أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ
উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতূবু ইলাইহি।
অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাঁর কাছেই তাওবা করি।

মনে রাখবেন, ইস্তিগফার কোনো শর্টকাট নয় যে পড়লেই সঙ্গে সঙ্গে দুনিয়ার সফলতা নিশ্চিত হয়ে যাবে। তবে এটি আল্লাহর ক্ষমা, রহমত, অন্তরের প্রশান্তি এবং জীবনের বরকত লাভের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। আর আল্লাহর বরকতই অনেক সময় মানুষের সফলতার পথকে সহজ করে দেন।

আজ থেকেই একটি অভ্যাস গড়ে তুলুন—প্রতিদিন অন্তত ১০০ বার ইস্তিগফার পড়ুন। হয়তো এই ছোট্ট আমলই আপনাকে আল্লাহর আরও কাছে নিয়ে যাবে এবং আপনার জীবনকে বরকতময় করে তুলবে। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে বেশি বেশি ইস্তিগফার করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

বিখ্যাত তাবেয়ী হযরত হাসান বসরি (রহ.)-এর হাতে 'আব্বাস' নামের এক যুবক তওবা করেছিল। কিন্তু সে ছিল দুর্বলচিত্তের। সে তওবা কর...
23/08/2026

বিখ্যাত তাবেয়ী হযরত হাসান বসরি (রহ.)-এর হাতে 'আব্বাস' নামের এক যুবক তওবা করেছিল। কিন্তু সে ছিল দুর্বলচিত্তের। সে তওবা করত, আবার গুনাহে লিপ্ত হতো। এভাবে সে সত্তর বারের অধিক তওবা করেছে এবং প্রতিবারই তা ভঙ্গ করেছে।

জীবনের শেষ মুহূর্তে যখন তার মৃত্যু ঘনিয়ে এল, সে তার মাকে বলল,

"মা! দয়া করে হযরত হাসান বসরি রহ. এর কাছে যাও।

তাকে আমার কাছে নিয়ে এসো, যাতে আমি শেষবারের মতো তার হাতে তওবা করতে পারি। হয়তো আল্লাহ আমাকে মাফ করবেন।"

বৃদ্ধা মা হাসান বসরি রহ. এর কাছে গেলেন এবং সালাম দিয়ে বললেন, "আমি আব্বাসের মা। আমার ছেলে মুমূর্ষু অবস্থায় আছে। সে আপনার হাতে তওবা নবায়ন করতে চায়।"

হযরত হাসান বসরি (রহ.) ভাবলেন, বারবার তওবা ভাঙলে মানুষের মনে পাপের প্রতি ভয় কমে যায়। তাই তিনি তাকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য এবং তার মনে সত্যিকার অনুশোচনা জাগানোর জন্য কঠোরতা দেখালেন। তিনি বললেন: "যাও, এমন লোকের আমার কোনো প্রয়োজন নেই, যে বারবার তওবা করে আর তা ভাঙে।"

মা কাঁদতে কাঁদতে ফিরে এসে ছেলেকে জানালেন: "বাবা! তোমার খারাপ কাজের কারণে শায়খ আসতে রাজি হননি।"

এ কথা শুনে আব্বাস আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করল, "হে আমার ইলাহ! হে আমার মাওলা! শায়খ (হযরত হাসান বসরি রহ.) আমাকে তাড়িয়ে দিয়েছেন, কিন্তু তুমি আমাকে তাড়িয়ে দিও না। তুমি আমার আশা ভেঙো না।"

সে মাকে বলল: "মা! আমি মারা গেলে তুমি আমার কপালে পা রেখো এবং আমার গলায় রশি বেঁধে আমাকে বাজারের রাস্তায় টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যেও। আর বলবে, 'যে আল্লাহর অবাধ্য হয়, তার শাস্তি এটাই।' হয়তো আল্লাহ আমার এই অপমান দেখে দয়া করবেন।" এ কথা বলেই আব্বাস ইন্তেকাল করল।

মা যখন তার কপালে পা রাখতে উদ্যত হলেন, তখন তিনি যেন একটি আওয়াজ শুনতে পেলেন, "থামো! সিজদার জায়গায় (কপালে) পা রেখো না। জেনে রেখো, আল্লাহ তা'আলা তাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়েছেন।" মা খুশি হয়ে তাকে গোসল দিয়ে দাফন করলেন।

সেদিন রাতে হযরত হাসান বসরি (রহ.) এক আশ্চর্য স্বপ্ন দেখলেন। কেউ তাঁকে বলছেন,

"হে হাসান! তোমাকে কিসে বাধ্য করল আমার বান্দাকে আমার রহমত থেকে নিরাশ করতে? আমিই তো তাকে সৃষ্টি করেছি এবং আমার রহমত সব কিছুকে ঘিরে আছে। আমার ইজ্জতের কসম! ভবিষ্যতে আর কখনো এমন করলে তোমাকেও ছাড় দেয়া হবে না।"

আল্লাহর রহমত মানুষের ধারণার চেয়েও বিশাল। কোনো পাপী বারবার তওবা ভাঙলেও তাকে নিরাশ করা উচিত নয়। আল্লাহ আমাদের সকলের গুনাহ ক্ষমা করে দিন। আমিন

[সূত্র: আয যাহরুল ফাতিহ- ইবনুল জাওযি রহ.]

সিজদায় ইস্তিগফার পাঠ করার ফজিলত সম্পর্কে জানলে অবাক হবেন।মানুষের জীবনে এমন অনেক ভুল ও গুনাহ হয়ে যায়,যা সে প্রকাশ করতে...
22/08/2026

সিজদায় ইস্তিগফার পাঠ করার ফজিলত সম্পর্কে জানলে অবাক হবেন।

মানুষের জীবনে এমন অনেক ভুল ও গুনাহ হয়ে যায়,যা সে প্রকাশ করতে পারে না।কিন্তু একজন মুমিন জানে আল্লাহর কাছে নিজের দুর্বলতা স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়ার সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্তগুলোর একটি হলো সিজদা।

কারণ সিজদার অবস্থায় বান্দা আল্লাহর সবচেয়ে নিকটবর্তী থাকে।রাসূল (সা.)বলেছেন,বান্দা তার রবের সবচেয়ে নিকটবর্তী হয় সিজদার অবস্থায়। অতএব তোমরা সিজদায় বেশি বেশি দোয়া করো।(সহিহ মুসলিম)

সিজদা শুধু নামাজের একটি অংশ নয়,এটি হলো বান্দার বিনয়ের চরম প্রকাশ।যখন একজন মানুষ তার মাথা আল্লাহর সামনে মাটিতে রেখে বলে,হে আমার রব,আমি ভুল করেছি,আমাকে ক্ষমা করুন,তখন এটি আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয় আমল।

সিজদায় পড়ার জন্য একটি সুন্দর ইস্তিগফার:
أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ رَبِّي مِنْ كُلِّ ذَنْبٍ وَأَتُوبُ إِلَيْه
উচ্চারণ:
আস্তাগফিরুল্লাহা রাব্বি মিন কুল্লি যাম্বিও ওয়া আতুবু ইলাইহি।অর্থ:আমি আমার রব আল্লাহর কাছে আমার সকল গুনাহের জন্য ক্ষমা চাই এবং তাঁর কাছেই তওবা করি।আরও একটি দোয়া যা রাসূল(সা.)সিজদায় বেশি পড়তেন
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ، اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي
উচ্চারণ: সুবহানাকাল্লাহুম্মা রাব্বানা ওয়া বিহামদিকা,আল্লাহুম্মাগফিরলি।

অর্থ:হে আল্লাহ!আপনি পবিত্র,হে আমাদের রব! আপনার প্রশংসাসহ আমি আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি।হে আল্লাহ!আমাকে ক্ষমা করুন।

সিজদায় ইস্তিগফারের মাধ্যমে বান্দা শুধু গুনাহ মাফ চায় না,বরং নিজের হৃদয়কেও পরিষ্কার করে।দুশ্চিন্তা,অশান্তি এবং অন্তরের ভার ধীরে ধীরে হালকা হয়ে আসে।

অনেক সময় আমরা জীবনের সমস্যার সমাধান মানুষের কাছে খুঁজি,অথচ যিনি সব সমস্যার মালিক তিনি হলেন আল্লাহ।সিজদায় চোখের পানি ফেলে করা একটি দোয়া কখনো কখনো মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে।তবে মনে রাখতে হবে,ইস্তিগফার শুধু মুখের শব্দ নয়। এর সঙ্গে থাকতে হবে গুনাহ ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা, আল্লাহর দিকে ফিরে আসা এবং অন্তর থেকে অনুতপ্ত হওয়া।

উপসংহার:
যখন পৃথিবীর সবাই থেকে দূরে সরে যাওয়ার মতো মনে হয়,তখন সিজদায় চলে যান।কারণ সেখানে এমন একজন রব আছেন,যিনি বান্দার কান্না শোনেন,গোপন কষ্ট জানেন এবং ক্ষমা করতে ভালোবাসেন।

আজ থেকেই সিজদাকে শুধু নামাজের একটি অংশ নয়,বরং আল্লাহর সঙ্গে নিজের একান্ত কথোপকথনের সময় বানিয়ো

✒️✒️✒️
HM Ridwan Khan Riyad

20/07/2026

পুরো লেখাটা পড়ে মন্তব্য করার অনুরোধ রইল।

গোটা দুনিয়ার প্রচুর প্রো-প্যালেস্টাইন অ্যাক্টিভিস্টদের ফলো করি টুইটার এবং ফেইসবুকে। তাদের সবাইকেই দেখলাম, গত রাতের ফাইনাল ম্যাচে স্পেনকে সমর্থন করেছে এবং স্পেনের বিজয়ে আনন্দোৎসব করেছে।

এমন নয় যে তারা ক্রীড়াপ্রেমী।
এমন নয় যে তারা সত্যিকার স্পেন সমর্থক।

তারা এটা করেছে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে। এবারের বিশ্বকাপকে ঘিরে প্রচুর রাজনীতি করেছে জাYo কমিউনিটি। বিশ্বকাপের শুরুতে বেশকিছু খেলোয়াড় আর রেফারিকে আমেরিকায় প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি সিকিউরিটি ইস্যু দেখিয়ে।

আর, একদিকে ছিল স্পেন সরকার আর খেলোয়াড়দের জাYo বিরোধি এবং প্রো-প্যালেস্টাইন মুখী স্ট্যান্ড, অন্যদিকে শয়তানিয়াহু ও আর্জেন্টিনা সরকারের ছিল জাYo মুখী স্ট্যান্ড। শয়তানিয়াহু তো সরাসরিই সমর্থন জানিয়েছিল আর্জেন্টিনাকে এবং সেই সমর্থন নিছক ক্রীড়াপ্রেমের জায়গা থেকে নয়, রাজনৈতিক জায়গা থেকে।

আজ যদি আর্জেন্টিনা জিতে যেতো, শয়তানিয়াহুর দেশে নিশ্চয় আনন্দ মিছিল হতো। তাদের রাজনীতিটা সফল হতো। শয়তানিয়াহুর অনেক পলিটিক্যাল ন্যারেটিভ প্রাণ পেত।

কিন্তু জিতল স্পেন। আমি দেখলাম, দুনিয়ার প্রায় সকল প্রো-প্যালেস্টাইন অ্যাক্টিভিস্টেরা আনন্দিত। স্রেফ ক্রীড়া জয়ের আনন্দ না, শয়তানিয়াহুর পলিটিক্যাল ন্যারেটিভ ভেঙেচুরে পড়ায় তারা আনন্দিত। স্পেনের খেলোয়াড়েরা প্যালেস্টাইনের পতাকা গায়ে জড়াল, স্পেনের রাস্তায় রাস্তায় স্প্যানিশরা চিৎকার করে বলতে লাগল—ফ্রি ফ্রি প্যালেস্টাইন।

দুনিয়ার অধিকাংশ লোকের কাছেই এইসব ফুটবল আর ক্রিকেট এখনও অরাজনৈতিক, বিনোদন আর অবসর উদযাপনের ঘটনা হয়ত। কিন্তু এইসব ক্রীড়ার ক্রীড়নক যারা, তাদের রয়েছে নিজস্ব রাজনৈতিক স্ট্যান্ড। ফলে, আজ হোক আর কাল হোক, এসব জায়গাও রাজনৈতির মধ্যে বিলীন হতে বাধ্য। ইনফ্যাক্ট, গোটা দুনিয়াটাই সেভাবে রি-শেইপড হবে।

আমি বলছি না যে, যারা আর্জেন্টিনা সমর্থন করেন তারা Jayoনীজম কেও সমর্থন করেন। অধিকাংশই খেলাধুলাকে রাজনীতির বাইরেই রাখেন। যে বাস্তবতায় দুনিয়া ঢুকে যাচ্ছে, সেই বাস্তবতার কথাটাই বললাম কেবল।

28/06/2026

আনারকলি ফল, কারো লাগলে যোগাযোগ করুন whatsapp নাম্বারে
01712835083

26/06/2026

আনারকলি ফল কারো পাইকারি ও খুচরা লাগলে যোগাযোগ করুন whatsapp নাম্বারে 01712-835083

22/06/2026

১০০% ফরমালিনমুক্ত আম্রপালি ও হাঁড়িভাঙ্গা লাগলে যোগাযোগ করুন whatsapp নাম্বারে 01712835083

#আমেরবাড়ি #আম

এই প্রিমিয়াম কোয়ালিটির ১০০%ফরমালিনমুক্ত আম্রপালি, সরাসরি বাগান থেকে সরবরাহ করি।যদি কারো লাগে যোগাযোগ করেন হোয়াটসঅ্যাপ...
21/06/2026

এই প্রিমিয়াম কোয়ালিটির ১০০%ফরমালিনমুক্ত আম্রপালি, সরাসরি বাগান থেকে সরবরাহ করি।
যদি কারো লাগে যোগাযোগ করেন হোয়াটসঅ্যাপ, 01712-835083

10/02/2026

বাকেরগঞ্জের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় মিছিল 🔥✌️

বাকেরগঞ্জের মাটি, হাতপাখার ঘাঁটি! ইতিহাসের সাক্ষী হলো আজকের এই জনসমুদ্র। আজ বাকেরগঞ্জের রাজপথে হাতপাখারা জনশক্তি নিজেদের সামর্থ্য জানান দিল!

১২ তারিখ সারাদিন বাকেরগঞ্জে হাতপাখা মার্কায় ভোট দিন!

Address

Muradpur Madrasha Road Dhaka
Dhaka
1204

Telephone

+8801821346161

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ridwan Khan Riyad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Ridwan Khan Riyad:

Shortcuts

Share