Integrated Dropout Foundation

Integrated Dropout Foundation Dropout Foundation Works for all Kinds of Dropout

20/10/2024

We have all been dropouts somewhere in life. Do you remember when you first dropped out?

এই ছবিগুলো ফেক বা এআই জেনারেটেড হতে পারে। কিন্তু বিশ্বাস করেন, যেখান থেকে মানুষ ও প্রাণী স্রোতে ভেসে গিয়েছে।সেখানে শিশুদ...
23/08/2024

এই ছবিগুলো ফেক বা এআই জেনারেটেড হতে পারে।
কিন্তু বিশ্বাস করেন, যেখান থেকে মানুষ ও প্রাণী স্রোতে ভেসে গিয়েছে।
সেখানে শিশুদের চেহারা আরো ভীত সন্ত্রস্থ ছিল। যারা প্রাণ হারিয়েছে তাদের সমেয়ের আকুতি মাখা ছবি তোলার জন্য কেউ ছিলো না।
সেগুলো আরো বেশী ভয়াবহ। আর সেগুলো আমরা কখনো দেখতে পাবো না।

ফেনী নোয়াখালী চাঁদুপর কুমিল্লার বন্যা। ধারণার চেয়ে খারাপ অবস্থা। এমনকি ৭০ সালের বন্যার চেয়ে বেশী মারাত্মক। বিশেষ করে ৮৮ ...
22/08/2024

ফেনী নোয়াখালী চাঁদুপর কুমিল্লার বন্যা। ধারণার চেয়ে খারাপ অবস্থা। এমনকি ৭০ সালের বন্যার চেয়ে বেশী মারাত্মক। বিশেষ করে ৮৮ ও ৯৮ এর বন্যার তুলনায় কিছুই না।
ইতোমধ্যে আমরা অনেকে অনেকভাবে সহযোগিতা করছি। মানবিক বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেতে দলমত নির্বিশেষে সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
প্রথম ধাপ: সকলকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে আসা ও লাইফ জ্যাকেট সংগ্রহ।
দ্বিতীয় ধাপ: খাবার, পানি ও প্লাস্টিক চাউনি।
তৃতীয় ধাপ: প্রয়োজণীয় পোশাক ও ঔষধ সাথে মেডিক্যাল ক্যাম্প
চতুর্থ ধাপ: বাস্তু পূণর্বাসন

উৎসর্গ: অজি উল্যাহ স্যারকে   আমাদের স্কুলের লাইব্রেরীতে নতুন পুরাতন মিলে হাজার দুয়েক বই ছিলো। ৫ বছরে যেগুলোর একটা বড়ো অং...
12/03/2024

উৎসর্গ: অজি উল্যাহ স্যারকে
আমাদের স্কুলের লাইব্রেরীতে নতুন পুরাতন মিলে হাজার দুয়েক বই ছিলো। ৫ বছরে যেগুলোর একটা বড়ো অংশ আমি পড়েছি। পরীক্ষার সময় ছাড়া অন্য সময়ে আমি বই নিতে গেলে স্যার কখনো বিরক্ত হতেন না। লাইব্রেরীটা স্যারের দায়িত্বে ছিল। শেষে একবার আমি কিছু বই হারিয়ে ফেলেছিলাম। পরে তার পরিবর্তে সমমানের আমাকে অন্য বই দিতে হয়েছে। বইয়ের ব্যাপারে স্যারের সহযোগিতা এবং কঠোরতা এই দুটোকেই আমি সম্মান করি।
স্যারকে ‘‘ বই নির্বাচন’’ বইটি উৎসর্গ করতে পেরে আমি নিজেই সম্মানিত বোধ করছি। একজন আদর্শ শিক্ষকের ও একজন ভাল মানুষের সব গুনাবলী স্যারের মধ্যে ছিলো।
আমাদের ভুগোল পড়াতেন। স্যার দেয়ালে মানচিত্র ঝুলিয়ে রেখে সামনের দিকে তাকিয়ে হাতের বেত দিয়ে পেছনে না তাকিয়ে বলতে পারতেন তিনি বেতের মাথা কোন দেশের বা কো ন জেলার উপর রেখেছেন। এভাবে নানা প্রশ্ন করতেন। স্যার এখন অবসরপ্রাপ্ত। গত সপ্তাহে স্যারের বাসায় গিয়ে আমার ২টি বই উপহার দিয়েছি। ২৫/২৬ বছর পরও কোনো ছাত্র এভাবে স্যারকে মনে রেখেছে এবং সম্মান করছে তাতে স্যার বেশ আনন্দিত হয়েছেন।
হয়তো একজন শিক্ষক কিছুই আশা করেন না। তবুও এটুকু পাওয়াকে স্যার বড়ো করে দেখেছেন। আমার স্বার্থকতাতো মাত্র এটাই। একজন শিক্ষকের ঋণতো শোধ করা যায় না। একটু কৃতজ্ঞতা জানানোর সুযোগটাই বা মন্দ কি?
ছবি: Md Belal Hossain

তাজুল ইসলাম স্যার আর নেই(জাজাকাল্লাহু খাইরুন)স্যারকে শিক্ষক হিসেবে কিছুদিন পেয়েছি। তারপর পেয়েছি ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্য...
02/03/2024

তাজুল ইসলাম স্যার আর নেই
(জাজাকাল্লাহু খাইরুন)
স্যারকে শিক্ষক হিসেবে কিছুদিন পেয়েছি। তারপর পেয়েছি ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান হিসেবে। সর্বশেষ একজন অবসরপ্রাপ্ত নাগরিক ছিলেন। সকালে একটা রিকশা নিতেন সারাদিনের জন্য আর দাগনভূঞা থেকে বসুরহাট। কিংবা কুতুবের হাট থেকে চৌধুরী হাট ৩ উপজেলার মোটামোটি ১৫/২০ বর্গকিলোমিটার এলাকা চষে বেড়াতেন। আর লোকেদের সাথে কথা বলতেন। বসতেন, চা খেতেন আড্ডা দিতেন। যতদিন চলতশক্তি ছিল ততদিন এই অভ্যাস বজায় ছিল।
চেয়ারম্যান ও শিক্ষক হিসেবে স্যারের সততার গল্প অনেকের মুখে মুখে থাকবে। আমি অন্য একটি বিষয় বলবো।
স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে ভালো বাগ্নি (বক্তা) ছিলেন। সব সময় সাধারণ মানুষের সাথে সমানভাবে মিশতেন। আর ছিলো অসাধারণ স্মৃতিশক্তি।
ক্লাস সিক্সে প্রথম দিন আমাকে মায়ের নাম, বাবার নাম, নানার নাম, নানির নাম, দাদার নাম আর দাদির নাম জিজ্ঞেস করেছেন। কিন্তু ২৫/৩০ বছরেও তিনি তা আর ভোলেন নি। যখন দেখা হতো তখনি আবার নামগুলো আমাকে শোনাতেন। শোনাতেন আরো নানা গল্প। কারণ তিনি আবার আশপাশের কয়েকটা ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষকে ও তার পরিবারকে চিনতেন এবং জানতেন তাদের জীবনের নানা ঘটনা।
অবসর গ্রহণের পর বেশ কয়েকবার স্যারের খপ্পরে পড়েছিলাম। মানে স্যার যখন রিজার্ভ রিকসা নিয়ে এ বাজার থেকে ও বাজার এ থানা থেকে ও থানায় ঘুরে বেড়াতেন। মাঝে মধ্যে ২/১ জন পাকড়াও করে সাথে নিয়ে যেতেন। কথা বলার সঙ্গীর হিসেবে। দেশ বিদেশের নানা গল্প করতেন। আমি ৪/৫ বার এরকম পাকড়াও হয়ে গিয়েছিলাম। একবার পাকড়াও হয়ে নোয়াখালীর চরাঞ্চলে চলে গিয়েছিলাম। রিকসায় করে বহুদূর যাওয়ার একটা অভিজ্ঞতা হলো সেদিন। জায়গাটার নাম মনে নেই। আমাদের এলাকার অনেকে হয়তো চিনবেন। একজন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার মৃত্যুর খবর শুনে তাদের বাড়িতে চলে গিয়েছিলেন। এতটা সামাজিক ছিলেন এতটা বহিমূখী ছিলেন। আর মানুষের সাথে মিশতে পছন্দ করতেন যে, তার সারামাসের রিকসাভাড়া আসতো বেশ অনেক টাকা। তবুও তিনি এটা বেশ পছন্দ করতেন। আরেকবার ধরে নিয়ে গিয়েছিলেন নূরনবী স্যারের বাড়িতে।
আমার মনে আছে। আমি যখন ২০০৩ সালের দিকে মোবাইল ফোন কিনি। তখন স্যারকে খুঁজে পাওয়ার জন্য অনেকের কাছে আমার ফোন নাম্বার দিয়ে রাখতেন। স্যারের খবর দেয়া আমার জন্য কঠিন ছিল। স্যারের বাড়ি বাদামতলী। সেদিকটায় আমাদের তেমন একটা যাওয়া হতো না। কিন্তু স্যার ঠিকই ২/৪ দিন পর পর আমার কাছে চলে আসতেন।
কালকে স্যারের মৃত্যু সংবাদ দেখে মনটা দু:খ ভারাক্রান্ত হয়ে গেল। এ সপ্তাহ গ্রামে যাওয়ার ছিল। কেন যে গেলাম না। সেটা ভেবে বেশ আফসোস হচ্ছে।
স্যার আজ নেই। এই স্মৃতিটা আমি চারণ করলাম।

আপনি যদি বাংলাদেশের নাগরিক হোন তাহলে জীবনের মূল্য দিয়ে সব কিছু পেতে হবে। * কয়েক হাজার মানুষ মারা যাওয়ার পর জানা যাবে লঞ্...
02/03/2024

আপনি যদি বাংলাদেশের নাগরিক হোন তাহলে জীবনের মূল্য দিয়ে সব কিছু পেতে হবে।
* কয়েক হাজার মানুষ মারা যাওয়ার পর জানা যাবে লঞ্চগুলো নিরাপদ ছিলো না।?
* হাজার মানুষের জীবনের বিনিময়ে জানা যাবে গার্মেন্টস ভবন নিরাপদ ছিলো না।
* সড়কে গড়ে বছরে ৪ হাজার মানুষ মারা যায় তাদের জীবনের কোনো দামই নেই। সেটা আর না বলি। তারা ঘর থেকে বের হয় কেন এটাই তাদের অপরাধ। বহু দেশে যদ্ধাবস্থায়ও এত মানুষ মারা যায় না। সড়কে যত লোক প্রাণ হারায়। এই প্রাণহানিরে কোনো প্রতিকার নেই, মাথাব্যথা নেই। তাতে মনে হয় তারা আসলে যুদ্ধে মারা যাচ্ছেন। জীবন যুদ্ধে। এই দেশে জীবন যুদ্ধে মারা গেলেও আপনি যোদ্ধা। ( হয়তো শহীদও বটে)
* কয়েকজন মানুষের প্রাণের বিনিময়ে গেল বছর জানাগেল মার্কেটগুলো নিরাপদ নয়।
* কয়টি পরিবারের স্বজন হারানোর বিনিময়ে জানা গিয়েছিল নিমতলীর মতো আবাসিক এলাকায় দাহ্য ক্যামিকেল রাখা হয়। যার কোনো নিয়ম নেই।
* সর্বশেষ ৪৫ জন মানুষের জীবনের বিনিময়ে জানা গেল রেস্টুরেন্ট এর বিল্ডিং কোড ঠিক নেই। আরো নানা অনিয়ম।
এবার চিন্তা করুন দেশে যতগুলো সমস্যা আছে সব সমস্যার জন্য এভাবে প্রাণবলী দিতে গেলে অবস্থা কোথায় দাঁড়াবে।
মনে হয়না প্রাণ বলি ছাড়া আমাদের আর নিস্তার আছে।
দূর্ঘটনা আর পরিকল্পনা ও অনিয়মের মাধ্যমে হত্যাকান্ড কখনো এক হতে পারে না।
* কি হবে রাজউক কর্মকর্তা ও ভবনের স্থপতি ও মালিকদের? উত্তর: কিছুেইনা। বড়জোর ভবন মালিককে আদালতের বারান্দায় দৌড়িয়ে কিছু পয়সা খসানো হবে।
* কি হবে ‘‘ফুড ইন্সপেক্টরদের? উত্তর হলো কিছুই না? কেউ জানবেও না ওই এলাকায় এ সংক্রান্ত ইন্সপেকশনে কে দায়িত্বে ছিল।
কারণ এদেশের মানুষের জীবনের চেয়ে তাদের নাম পরিচয় আরো অনেক বেশী মূল্যবান। কারণ তারা কোটি কোটি টাকা উপরি কামাই করেন।
*** যেকোনো জাতির খারাপ সময় থাকতে পারে। কিন্তু কোথাও না কোথাও একটা আলোর রেখা থাকা দরকার।

ছবি: প্রতীকী

Address

Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Integrated Dropout Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share