গণসংহতি আন্দোলন- GSA

গণসংহতি আন্দোলন- GSA Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from গণসংহতি আন্দোলন- GSA, Political Party, 305-306 Rose View Plaza, 185 Bir Uttam CR Dutta Road, Hatirpool, Dhaka.

✊🏾শ্রমিক-কৃষক, খেটে খাওয়া, নিপীড়িত ও প্রান্তিক মানুষের ন্যায্য হিস্যা চাই
📢বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ, অধিকার ও মর্যাদার বাংলাদেশ, জনগণের বাংলাদেশ
🤝🏾মুক্তিকামী সামাজিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের জন্য ঐক্যবদ্ধ হোন গণসংহতি আন্দোলন-জিএসএ বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক দল।

২০০২ সালের ২৯ আগস্ট জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে বেশ কয়েকটি গণসংগঠনের ঐক্

যবদ্ধ রাজনৈতিক মঞ্চ হিসেবে গণসংহতি আন্দোলন যাত্রা শুরু করে। এরপর থেকে বাংলাদেশের মানুষের প্রতিটি গণতান্ত্রিক সংগ্রামে, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সম্পদ রক্ষার লড়াইয়ে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে গণসংহতি আন্দোলন। 'পরিবর্তন সম্ভব,পরিবর্তন চাই' স্লোগানের মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্র ও শাসনব্যবস্থার পরিবর্তনকামী প্রগতিশীল রাজনৈতিক শক্তি সমূহের ঐক্য গড়ে তুলতে সচেষ্ট আছে গণসংহতি আন্দোলন-জিএসএ।

২০১৫ সালের ২৭-২৯ নভেম্বর তৃতীয় জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলন থেকে জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তির নেতৃত্বশীল দল হিসেবে গণসংহতি আন্দোলন রাজনৈতিক দল আকারে আত্মপ্রকাশ করে।

বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে একইসাথে তাত্ত্বিক ও মাঠের রাজনীতিতে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছে জিএসএ। জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা, জাতীয় সনদ প্রস্তাবনা, নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্র মঞ্চ প্রতিষ্ঠা ও ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনের ডাক দেওয়া ও সংগঠিত করার ক্ষেত্রে নেতৃত্বশীল ভূমিকা পালন করে দলটি। যার ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ৫ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনে অকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়ে এবং একইসাথে সরাসরি ফ্যাসিবাদ পতনের আন্দোলনকে সংগঠিত করে দলের সকল স্তরের নেতাকর্মীবৃন্দ।

৫ আগস্ট সফল গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী হাসিনার পতনের পর জাতীয় ঐক্য বজায় রাখা এবং বিচার, সংস্কার, নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য জনগণকে সাথে নিয়ে সক্রিয় থেকেছে গণসংহতি আন্দোলন - জিএসএ। বর্তমানে জাতীয় পুনর্গঠনের মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দিয়ে মুক্তিকামী সামাজিক গণতন্ত্রের আলোকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের সংগ্রামে দেশের মানুষ্কে সংগঠিত করার কাজ করে চলেছে দলটি।

নিবন্ধনের যাবতীয় শর্ত পূরণ করে এবং নিবন্ধন প্রদানের জন্য আদালতের নির্দেশ পেয়েও, ফ্যাসিবাদী সরকারের ষড়যন্ত্র ও প্রতিহিংসামূলক আচরণের শিকার হয়ে দীর্ঘ প্রায় ৭ বছর নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন থেকে বঞ্চিত ছিল গণসংহতি আন্দোলন। অবশেষে ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন পায় দলটি। গণসংহতি আন্দোলনের নিবন্ধন ক্রম-০৫৩ এবং নির্বাচনী প্রতীক মাথাল।

২০২৫ সালের ৩১ অক্টোবর, ১ ও ২ নভেম্বর ৫ম জাতীয় সম্মেলনের মধ্য দিয়ে গণসংহতি আন্দোলনের ৫৫ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি নির্বাচিত হয়। ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যুগপৎ জোটের প্রার্থী হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচনে জয়লাভ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর, দলীয় প্রধান ও সরকারের মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব একই সঙ্গে পালন না করার নীতিগত জায়গা থেকে প্রধান সমন্বয়কারীর পদ ছাড়েন জোনায়েদ সাকি। পরবর্তীতে ৭-৮ মে ২০২৬ বিশেষ সাংগঠনিক সম্মেলনে দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রধান সমন্বয়কারী (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে নির্বাচিত হন প্রখ্যাত কৃষকনেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু এবং নির্বাহী সমন্বয়কারী হিসেবে নির্বাচিত হন আবুল হাসান রুবেল।

গণসংহতি আন্দোলন-জিএসএর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি:

প্রধান সমন্বয়কারী (ভারপ্রাপ্ত): বীর মুক্তিযোদ্ধা দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু

নির্বাহী সমন্বয়কারী: আবুল হাসান রুবেল

রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য:
- জোনায়েদ সাকি
- ফিরোজ আহমেদ
- তাসলিমা আখতার
- হাসান মারুফ রুমী
- মনির উদ্দীন পাপ্পু

সম্পাদকমণ্ডলী:
- ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক: জুলহাসনাইন বাবু
- কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক: অঞ্জন দাস
- চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক: শহীদ শিমুল
- রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক: জুয়েল রানা
- রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক: সাদিক রেজা
- খুলনা ও বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক: জাহিদ সুজন
- প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক: বাচ্চু ভূঁইয়া
- শ্রম খাত বিষয়ক সম্পাদক: আলিফ দেওয়ান
- আন্তর্জাতিক সম্পাদক: ড. নাসির উদ্দীন
- আইন, বিচার ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাড. মুরাদ মোর্শেদ
- শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক: দীপক কুমার রায়
- রাজনৈতিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক: তরিকুল ইসলাম সুজন
- জাতিগত বৈচিত্র্য বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাড. উবাথোয়াই মারমা
- পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক: তৌহিদুর রহমান
- অর্থ সম্পাদক: অপরাজিতা চন্দ
- কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক সম্পাদক: আবদুল আলিম
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক: আবদুল্লাহ নাদভী
- জনস্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সম্পাদক: রেক্সোনা পারভীন সুমি
- জেন্ডার বিষয়ক সম্পাদক: পপি রানী সরকার
- দপ্তর সম্পাদক: গোলাম মোস্তফা
- গণমাধ্যম ও ডিজিটাল বিষয়ক সম্পাদক: তাহসিন মাহমুদ

কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য:
মুন্নী মৃ, মুনীর চৌধুরী সোহেল, ইখতিয়ার উদ্দিন বিপা, মনিরুল হুদা বাবন, নুরুন নেছা মুন্নী, আমজাদ হোসেন, লুভানা তাবাসসুম, মাহবুব রতন, আরিফুর রহমান মিরাজ, মুফাখখারুল ইসলাম মুন, রুবিনা ইয়াসমিন, মো. বিপ্লব খাঁন, লুৎফুন্নাহার সুমনা, বেনু আক্তার, জাহিদুল আলম আল জাহিদ, আবু রায়হান খান, রোকনুজ্জামান মনি, সাইফুল্লাহ সিদ্দিক রুমন।

উপদেষ্টা পরিষদ:
নাজার আহমেদ, ফিরোজ আহসান, কেরামত আলী, নূরুল আলম শাহীন।

কেন্দ্রীয় পরামর্শক পরিষদ:
শ্যামলী শীল, ইমরাদ জুলকারনাইন, সৈকত মল্লিক, ড. সায়েমা খাতুন, প্রকৌশলী জাকারিয়া নেওয়াজ, গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব.) মো. খালিদ হোসাইন।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিরসনে সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবিতে গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত​আজ ০...
03/09/2026

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিরসনে সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবিতে গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত

আজ ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, বিকাল ৪ ঘটিকায় দেওয়ানহাট মোড়ে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিরসনে সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবিতে এক গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। গণসংহতি আন্দোলন, ডবলমুরিং থানা, চট্টগ্রাম-এর উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

​গণসংহতি আন্দোলন, ডবলমুরিং থানা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নুরুন্নেছা মুন্নীর সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

​এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন গণসংহতি আন্দোলনের চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ম সমন্বয়কারী শহীদ শিমুল, ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব (চট্টগ্রাম দক্ষিণ) মো. ওবায়দুল্লাহ, যুগ্ম সমন্বয়কারী (চট্টগ্রাম উত্তর) মোহাম্মদ ওসমান, সদস্য (চট্টগ্রাম মহানগর) মো. জাহিদ হাসান, সদস্য (ডবলমুরিং থানা) সাজিদ সামী চৌধুরী, গণসংহতি আন্দোলন ডবলমুরিং থানা কমিটির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য মো. আলাউদ্দিন, ছাত্রনেতা সাকিব মাহতাব রামি ও ডবলমুরিং থানা সদস্য মোছাম্মৎ ফারজানা।

​সমাবেশ থেকে অবিলম্বে দ্রব্যমূল্য কমানো এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান স্বাভাবিক রাখতে জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জোরালো দাবি জানানো হয়। সরকারকে জনগণের কাতারে নেমে এসে নাগরিক অধিকারের বাণিজ্যিকীকরণ বন্ধ করে সিন্ডিকেট নির্মূলীকরণ এর মাধ্যমে প্রকৃত অর্থে জনগণের সরকার হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

সরকারি দামে সার সরবরাহের দাবিতে নীলফামারীতে কৃষক-মজুর সংহতির মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদানসরকারি নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদে...
03/09/2026

সরকারি দামে সার সরবরাহের দাবিতে নীলফামারীতে কৃষক-মজুর সংহতির মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

সরকারি নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের জন্য সার সরবরাহ নিশ্চিত, ডিলার পর্যায়ের অনিয়ম বন্ধ এবং সুষ্ঠু সার বিতরণ ব্যবস্থার দাবিতে নীলফামারীতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ কৃষক-মজুর সংহতি।

বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে শহরতলীর চৌরঙ্গী মোড়ে সংগঠনটির নীলফামারী জেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। পরে নীলফামারী জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

মানববন্ধনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক সাহাবুল ইসলাম বলেন, আমন ধানসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদনের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে জেলার কৃষকেরা প্রয়োজনীয় সার সংগ্রহ করতে গিয়ে সমস্যার মুখে পড়ছেন। সরকার দেশে সারের সংকট নেই বললেও মাঠপর্যায়ে কৃষকদের অভিযোগ, অনুমোদিত ডিলারের দোকানে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে সার পাওয়া যাচ্ছে না। তবে বেশি দাম দিলে খোলাবাজারে সার পাওয়া যাচ্ছে।

সংগঠনের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক প্রত্যয়ী মিজান বলেন, সম্প্রতি কুড়িগ্রামে ডিলারের গুদামে সার না পেয়ে কৃষকদের জোটবদ্ধ হয়ে গুদাম থেকে সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ধরনের ঘটনা কৃষকের অসহায়ত্ব এবং সার বিতরণ ব্যবস্থার প্রতি আস্থার সংকটের ইঙ্গিত দেয়। চাষাবাদের ভরা মৌসুমে এমন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে না।

কর্মসূচি থেকে সংগঠনটি কৃষকের প্রয়োজন অনুযায়ী সময়মতো সরকারি মূল্যে সার সরবরাহ, ডিলারদের বরাদ্দ, মজুত ও বিক্রির তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ ও পর্যবেক্ষণ এবং গুদামে সার রেখে দোকানে ‘সার নেই’ বলার অভিযোগ তদন্তের দাবি জানায়।

এ ছাড়া বেশি দামে সার বিক্রি, মজুতদারি বা কৃত্রিম সংকট তৈরির প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা, সার বিক্রির সময় কৃষককে বাধ্যতামূলক রসিদ প্রদান, কোনো ডিলারের মজুত শেষ হলে অন্য অনুমোদিত ডিলারের কাছ থেকে সরকারি মূল্যে সার কেনার সুযোগ এবং নিয়মিত বাজার ও গুদাম মনিটরিংয়ের দাবি জানানো হয়।

কৃষকদের অভিযোগ জানানোর জন্য ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে কার্যকর হটলাইন বা অভিযোগ কেন্দ্র চালু এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িত সরকারি কর্মকর্তা ও ডিলারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সার বিতরণ ব্যবস্থায় সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণেরও দাবি জানায় সংগঠনটি।

সাহাবুল ইসলাম বলেন, চলতি কৃষি বাজেটে সারের আমদানি ও ভর্তুকি বাবদ সরকার ২৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব করেছে। রাষ্ট্রীয় এই ভর্তুকির অর্থ যাতে দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে অপচয় না হয়ে প্রকৃত কৃষকের কাজে আসে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচিতে বাংলাদেশ কিষাণী সভার আহবায়ক মোছাম্মত বেগম, কৃষক সংগঠক ইউনুস আলী, রওশনারা বেগম, কিশোরীগঞ্জ উপজেলার আজিমুল ইসলাম, জাহিমা বেগম, সদর উপজেলার মমতা বেগম, ছিদ্দিক, খালেদা আক্তার, মহেছেনা বেগমসহ বিভিন্ন উপজেলার নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

চা শ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণ করতেই হবে। ন্যূনতম মজুরি ৫০০ টাকা করতে হবে। আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন যারা, তাদের এক-দুইজনক...
03/09/2026

চা শ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণ করতেই হবে। ন্যূনতম মজুরি ৫০০ টাকা করতে হবে। আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন যারা, তাদের এক-দুইজনকে গ্রেফতার করে, ভয় দেখানোর অপরাজনীতি করবেন তো ভবিষ্যৎ খারাপ আছে। জুলুমের পুরনো বন্দোবস্ত চলবে না।

- গোলাম মোস্তফা
দপ্তর সম্পাদক, গণসংহতি আন্দোলন-জিএসএ

কুড়িগ্রামে সরকারি মূল্যে সার সরবরাহ নিশ্চিত ও ডিলারদের অনিয়ম বন্ধের দাবিসার বিতরণে কৃষক প্রতিনিধিদের যুক্ত করে কার্যকর ম...
03/09/2026

কুড়িগ্রামে সরকারি মূল্যে সার সরবরাহ নিশ্চিত ও ডিলারদের অনিয়ম বন্ধের দাবি

সার বিতরণে কৃষক প্রতিনিধিদের যুক্ত করে কার্যকর মনিটরিং ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান

কুড়িগ্রামে আমনসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদনের মৌসুমে কৃষকের জন্য সরকারি নির্ধারিত মূল্যে পর্যাপ্ত সার সরবরাহ, ডিলার পর্যায়ের অনিয়ম বন্ধ এবং সুষ্ঠু বিতরণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবিতে জেলা প্রশাসক ও জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতির কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ কৃষক-মজুর সংহতি।

আজ ২ সেপ্টেম্বর সংগঠনের কার্যনির্বাহী সদস্য সাইফুর রহমান দুলাল স্মারকলিপি প্রদান করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কুড়িগ্রাম জেলার সংগঠক মাসুদ হোসেন বিপ্লব, জাহাঙ্গীর মিয়া, ছামিউল ইসলাম, আহম্মদ আলীসহ নেতৃবৃন্দ।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, সরকারের পক্ষ থেকে দেশে সারের সংকট নেই বলা হলেও কুড়িগ্রামের মাঠপর্যায়ে কৃষকেরা সরকারি নির্ধারিত মূল্যে সার না পাওয়ার অভিযোগ করছেন। অনুমোদিত ডিলারের দোকানে সার না মিললেও বেশি দামে খোলাবাজারে সার পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি ডিলারের গুদামে সার না পেয়ে কৃষকদের জোটবদ্ধ হয়ে গুদাম থেকে সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এ পরিস্থিতি সার বিতরণ ব্যবস্থার দুর্বলতা ও কৃষকের আস্থার সংকটকে স্পষ্ট করে।

বাংলাদেশ কৃষক-মজুর সংহতি বলেছে, রাষ্ট্রীয় ভর্তুকিতে সরবরাহ করা সার যাতে মজুতদারি, কালোবাজারি বা ডিলার পর্যায়ের অনিয়মের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকের নাগালের বাইরে চলে না যায়, তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
সংগঠনের দাবিগুলো হলো:

১. কৃষকের প্রয়োজন অনুযায়ী সময়মতো সরকারি মূল্যে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।
২. ডিলারভিত্তিক সার বরাদ্দ, মজুত ও বিক্রির তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ ও নিয়মিত প্রকাশের ব্যবস্থা করতে হবে।
৩. ডিলারের গুদামে সার মজুত রেখে ‘সার নেই’ বলা, অতিরিক্ত দামে বিক্রি ও মজুতদারির অভিযোগ দ্রুত তদন্ত করে প্রমাণিত হলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
৪. সার বিক্রির সময় কৃষককে বাধ্যতামূলক রসিদ দিতে হবে এবং কোনো ডিলারের মজুত শেষ হলে নিকটবর্তী অন্য অনুমোদিত ডিলারের কাছ থেকে সরকারি মূল্যে সার কেনার সুযোগ দিতে হবে।
৫. উপজেলা কৃষি অফিস, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে নিয়মিত গুদাম ও বাজার মনিটরিং করতে হবে এবং ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে কার্যকর অভিযোগ কেন্দ্র চালু করতে হবে।
৬. সার বিতরণ ব্যবস্থায় সিন্ডিকেট ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ডিলার বা সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

সংগঠনটি আরও বলেছে, চলতি কৃষিবাজেটে সারের আমদানি ও ভর্তুকি বাবদ প্রস্তাবিত ২৭ হাজার কোটি টাকা যেন প্রকৃত কৃষকের স্বার্থে ব্যয় হয়, তা নিশ্চিত করা জরুরি। কৃষকের উৎপাদন ব্যাহত করে এমন সার সংকট, কৃত্রিম সংকট বা অতিরিক্ত দামে বিক্রির সুযোগ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

রক্তে লেখা ফুলবাড়ী চুক্তি লঙ্ঘন করে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা তুলতে এলে জনগণও তার জবাব দেবে।
02/09/2026

রক্তে লেখা ফুলবাড়ী চুক্তি লঙ্ঘন করে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা তুলতে এলে জনগণও তার জবাব দেবে।

02/09/2026

ঘর থেকে সংসদ নারীর নাগরিক মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন গণসংহতি আন্দোলন-জিএসএর কেন্দ্রীয় সদস্য উম্মে হাবিবা বেনজির৷

২৮ আগস্ট ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বেপার্জিত চত্বর।

ভূমি প্রশাসন ম্যানুয়াল অনুযায়ী সরকারি খাস জমির মালিক ভূমিহীন জনগণ। কিন্তু প্রকৃত ভুমিহীনদের রেখে নামে বেনামে প্রভাবশালী ...
02/09/2026

ভূমি প্রশাসন ম্যানুয়াল অনুযায়ী সরকারি খাস জমির মালিক ভূমিহীন জনগণ। কিন্তু প্রকৃত ভুমিহীনদের রেখে নামে বেনামে প্রভাবশালী গোষ্ঠীর নামে বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। আমরা দীর্ঘদিন ভূমির জন্য আন্দোলন করে যাচ্ছি। কিন্তু সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি আমলে নিচ্ছে না। আমরা অবিলম্বে ভূমিহীনদের মাঝে খাস জমি বন্দোবস্ত দেয়ার দাবি জানাই।

প্রভাবশালী ভূমিদস্যুদের অবৈধ দখলে থাকা হাজার হাজার একর সরকারি কৃষি ও অকৃষি খাস জমি অবিলম্বে উদ্ধার করে প্রকৃত ভূমিহীন ও প্রান্তিক চাষী পরিবারগুলোর মধ্যে সম্পূর্ণ বন্দোবস্ত দিতে হবে। একই সাথে, শিল্পায়ন বা বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের নামে কৃষিজমি এবং তিন ফসলি জমি অধিগ্রহণ সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে।

দেশের কোথায় কতটুকু খাস জমি ফাঁকা রয়েছে তার একটি স্বচ্ছ ও ডিজিটাল তালিকা জনসম্মুখে প্রকাশের পাশাপাশি চরের জমি ও জলাশয়গুলো লিজ দেওয়ার ক্ষেত্রে অসাধু ব্যবসায়ীদের বাদ দিয়ে প্রকৃত মৎস্যজীবী ও কৃষকদের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। স্থানীয় ভূমি অফিসের ঘুষ-দুর্নীতি ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করে নদীভাঙন ও উচ্ছেদের শিকার হওয়া গৃহহীন পরিবারগুলোকে দ্রুত খাস জমিতে স্থায়ী আবাসন বা গুচ্ছগ্রাম তৈরি করে পুনর্বাসন করার উদ্যোগ নিতে হবে।

- দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু
প্রধান সমন্বয়কারী (ভারপ্রাপ্ত), গণসংহতি আন্দোলন-জিএসএ

সরকারি খাস জমির মালিক ভূমিহীন জনগণ: দেওয়ান নীলুভুমিহীনদের মাঝে খাস জমি বন্দোবস্ত দেয়ার দাবিতে  ভূমিমন্ত্রী বরাবর স্মারকল...
02/09/2026

সরকারি খাস জমির মালিক ভূমিহীন জনগণ: দেওয়ান নীলু

ভুমিহীনদের মাঝে খাস জমি বন্দোবস্ত দেয়ার দাবিতে ভূমিমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান

আজ ২ সেপ্টেম্বর বুধবার সকাল ১০:৩০টায় বরিশালের অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে গণসংহতি আন্দোলন-জিএসএর আয়োজনে ভূমিহীনদের খাস জমি বন্দোবস্তের দাবিতে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ভূমিমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

গণসংহতি আন্দোলন-জিএসএ বরিশাল জেলার নির্বাহী সমন্বয়কারী আরিফুর রহমান মিরাজের সভাপতিত্বে উক্ত মানববন্ধনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী (ভারপ্রাপ্ত) দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু বলেন, ভূমি প্রশাসন ম্যানুয়াল অনুযায়ী সরকারি খাস জমির মালিক ভূমিহীন জনগণ। কিন্তু প্রকৃত ভুমিহীনদের রেখে নামে বেনামে প্রভাবশালী গোষ্ঠীর নামে বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। আমরা দীর্ঘদিন ভূমির জন্য আন্দোলন করে যাচ্ছি। কিন্তু সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি আমলে নিচ্ছে না। আমরা অবিলম্বে ভূমিহীনদের মাঝে খাস জমি বন্দোবস্ত দেয়ার দাবি জানাই।

তিনি আরো বলেন, প্রভাবশালী ভূমিদস্যুদের অবৈধ দখলে থাকা হাজার হাজার একর সরকারি কৃষি ও অকৃষি খাস জমি অবিলম্বে উদ্ধার করে প্রকৃত ভূমিহীন ও প্রান্তিক চাষী পরিবারগুলোর মধ্যে সম্পূর্ণ বন্দোবস্ত দিতে হবে। একই সাথে, শিল্পায়ন বা বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের নামে কৃষিজমি এবং তিন ফসলি জমি অধিগ্রহণ সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে। দেশের কোথায় কতটুকু খাস জমি ফাঁকা রয়েছে তার একটি স্বচ্ছ ও ডিজিটাল তালিকা জনসম্মুখে প্রকাশের পাশাপাশি চরের জমি ও জলাশয়গুলো লিজ দেওয়ার ক্ষেত্রে অসাধু ব্যবসায়ীদের বাদ দিয়ে প্রকৃত মৎস্যজীবী ও কৃষকদের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। স্থানীয় ভূমি অফিসের ঘুষ-দুর্নীতি ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করে নদীভাঙন ও উচ্ছেদের শিকার হওয়া গৃহহীন পরিবারগুলোকে দ্রুত খাস জমিতে স্থায়ী আবাসন বা গুচ্ছগ্রাম তৈরি করে পুনর্বাসন করার উদ্যোগ নিতে হবে।

স্মারকলিপি প্রদানে অংশ নেন বরিশাল জেলার সহ-নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হোসেন মারুফ, অর্থ সম্পাদক ইয়াসমিন সুলতানা, সদস্য রুমা আক্তার, শ্যামলী আক্তার, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন বরিশাল জেলার সভাপতি সাকিবুল ইসলাম সাফিন, সাধারণ সম্পাদক রাইদুল ইসলাম সাকিব সহ গণসংহতি আন্দোলন ও ছাত্র ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ।

Address

305-306 Rose View Plaza, 185 Bir Uttam CR Dutta Road, Hatirpool
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গণসংহতি আন্দোলন- GSA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to গণসংহতি আন্দোলন- GSA:

Shortcuts

Share