✊🏾শ্রমিক-কৃষক, খেটে খাওয়া, নিপীড়িত ও প্রান্তিক মানুষের ন্যায্য হিস্যা চাই
📢বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ, অধিকার ও মর্যাদার বাংলাদেশ, জনগণের বাংলাদেশ
🤝🏾মুক্তিকামী সামাজিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের জন্য ঐক্যবদ্ধ হোন গণসংহতি আন্দোলন-জিএসএ বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক দল।
২০০২ সালের ২৯ আগস্ট জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে বেশ কয়েকটি গণসংগঠনের ঐক্
যবদ্ধ রাজনৈতিক মঞ্চ হিসেবে গণসংহতি আন্দোলন যাত্রা শুরু করে। এরপর থেকে বাংলাদেশের মানুষের প্রতিটি গণতান্ত্রিক সংগ্রামে, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সম্পদ রক্ষার লড়াইয়ে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে গণসংহতি আন্দোলন। 'পরিবর্তন সম্ভব,পরিবর্তন চাই' স্লোগানের মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্র ও শাসনব্যবস্থার পরিবর্তনকামী প্রগতিশীল রাজনৈতিক শক্তি সমূহের ঐক্য গড়ে তুলতে সচেষ্ট আছে গণসংহতি আন্দোলন-জিএসএ।
২০১৫ সালের ২৭-২৯ নভেম্বর তৃতীয় জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলন থেকে জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তির নেতৃত্বশীল দল হিসেবে গণসংহতি আন্দোলন রাজনৈতিক দল আকারে আত্মপ্রকাশ করে।
বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে একইসাথে তাত্ত্বিক ও মাঠের রাজনীতিতে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছে জিএসএ। জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা, জাতীয় সনদ প্রস্তাবনা, নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্র মঞ্চ প্রতিষ্ঠা ও ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনের ডাক দেওয়া ও সংগঠিত করার ক্ষেত্রে নেতৃত্বশীল ভূমিকা পালন করে দলটি। যার ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ৫ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনে অকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়ে এবং একইসাথে সরাসরি ফ্যাসিবাদ পতনের আন্দোলনকে সংগঠিত করে দলের সকল স্তরের নেতাকর্মীবৃন্দ।
৫ আগস্ট সফল গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী হাসিনার পতনের পর জাতীয় ঐক্য বজায় রাখা এবং বিচার, সংস্কার, নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য জনগণকে সাথে নিয়ে সক্রিয় থেকেছে গণসংহতি আন্দোলন - জিএসএ। বর্তমানে জাতীয় পুনর্গঠনের মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দিয়ে মুক্তিকামী সামাজিক গণতন্ত্রের আলোকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের সংগ্রামে দেশের মানুষ্কে সংগঠিত করার কাজ করে চলেছে দলটি।
নিবন্ধনের যাবতীয় শর্ত পূরণ করে এবং নিবন্ধন প্রদানের জন্য আদালতের নির্দেশ পেয়েও, ফ্যাসিবাদী সরকারের ষড়যন্ত্র ও প্রতিহিংসামূলক আচরণের শিকার হয়ে দীর্ঘ প্রায় ৭ বছর নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন থেকে বঞ্চিত ছিল গণসংহতি আন্দোলন। অবশেষে ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন পায় দলটি। গণসংহতি আন্দোলনের নিবন্ধন ক্রম-০৫৩ এবং নির্বাচনী প্রতীক মাথাল।
২০২৫ সালের ৩১ অক্টোবর, ১ ও ২ নভেম্বর ৫ম জাতীয় সম্মেলনের মধ্য দিয়ে গণসংহতি আন্দোলনের ৫৫ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি নির্বাচিত হয়। ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যুগপৎ জোটের প্রার্থী হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচনে জয়লাভ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর, দলীয় প্রধান ও সরকারের মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব একই সঙ্গে পালন না করার নীতিগত জায়গা থেকে প্রধান সমন্বয়কারীর পদ ছাড়েন জোনায়েদ সাকি। পরবর্তীতে ৭-৮ মে ২০২৬ বিশেষ সাংগঠনিক সম্মেলনে দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রধান সমন্বয়কারী (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে নির্বাচিত হন প্রখ্যাত কৃষকনেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু এবং নির্বাহী সমন্বয়কারী হিসেবে নির্বাচিত হন আবুল হাসান রুবেল।
গণসংহতি আন্দোলন-জিএসএর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি:
প্রধান সমন্বয়কারী (ভারপ্রাপ্ত): বীর মুক্তিযোদ্ধা দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু
নির্বাহী সমন্বয়কারী: আবুল হাসান রুবেল
রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য:
- জোনায়েদ সাকি
- ফিরোজ আহমেদ
- তাসলিমা আখতার
- হাসান মারুফ রুমী
- মনির উদ্দীন পাপ্পু
সম্পাদকমণ্ডলী:
- ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক: জুলহাসনাইন বাবু
- কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক: অঞ্জন দাস
- চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক: শহীদ শিমুল
- রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক: জুয়েল রানা
- রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক: সাদিক রেজা
- খুলনা ও বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক: জাহিদ সুজন
- প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক: বাচ্চু ভূঁইয়া
- শ্রম খাত বিষয়ক সম্পাদক: আলিফ দেওয়ান
- আন্তর্জাতিক সম্পাদক: ড. নাসির উদ্দীন
- আইন, বিচার ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাড. মুরাদ মোর্শেদ
- শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক: দীপক কুমার রায়
- রাজনৈতিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক: তরিকুল ইসলাম সুজন
- জাতিগত বৈচিত্র্য বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাড. উবাথোয়াই মারমা
- পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক: তৌহিদুর রহমান
- অর্থ সম্পাদক: অপরাজিতা চন্দ
- কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক সম্পাদক: আবদুল আলিম
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক: আবদুল্লাহ নাদভী
- জনস্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সম্পাদক: রেক্সোনা পারভীন সুমি
- জেন্ডার বিষয়ক সম্পাদক: পপি রানী সরকার
- দপ্তর সম্পাদক: গোলাম মোস্তফা
- গণমাধ্যম ও ডিজিটাল বিষয়ক সম্পাদক: তাহসিন মাহমুদ
কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য:
মুন্নী মৃ, মুনীর চৌধুরী সোহেল, ইখতিয়ার উদ্দিন বিপা, মনিরুল হুদা বাবন, নুরুন নেছা মুন্নী, আমজাদ হোসেন, লুভানা তাবাসসুম, মাহবুব রতন, আরিফুর রহমান মিরাজ, মুফাখখারুল ইসলাম মুন, রুবিনা ইয়াসমিন, মো. বিপ্লব খাঁন, লুৎফুন্নাহার সুমনা, বেনু আক্তার, জাহিদুল আলম আল জাহিদ, আবু রায়হান খান, রোকনুজ্জামান মনি, সাইফুল্লাহ সিদ্দিক রুমন।
উপদেষ্টা পরিষদ:
নাজার আহমেদ, ফিরোজ আহসান, কেরামত আলী, নূরুল আলম শাহীন।
কেন্দ্রীয় পরামর্শক পরিষদ:
শ্যামলী শীল, ইমরাদ জুলকারনাইন, সৈকত মল্লিক, ড. সায়েমা খাতুন, প্রকৌশলী জাকারিয়া নেওয়াজ, গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব.) মো. খালিদ হোসাইন।