আমাদের বাংলাদেশ

আমাদের বাংলাদেশ Bangladesh our Country. Everyone have equal rights.
(201)

৩১৩ প্রকল্পের দায়িত্বে ১৩ জন সুন্দরী বিবি
24/08/2026

৩১৩ প্রকল্পের দায়িত্বে ১৩ জন সুন্দরী বিবি

ইশারত মঞ্জিল যেভাবে ‘মধুর ক্যান্টিন’ হয়ে গেল!!ইতিহাস কখনো শুধু ইট-পাথরের কোনো ভবনের গল্প নয়। ইতিহাস হলো ক্ষমতা, পরিচয়, স...
23/08/2026

ইশারত মঞ্জিল যেভাবে ‘মধুর ক্যান্টিন’ হয়ে গেল!!

ইতিহাস কখনো শুধু ইট-পাথরের কোনো ভবনের গল্প নয়। ইতিহাস হলো ক্ষমতা, পরিচয়, স্মৃতি ও বয়ানের গল্প। ঢাকার শাহবাগের ইশারত মঞ্জিল তার একটি অসাধারণ উদাহরণ।

আজ যে জায়গাটি ‘মধুর ক্যান্টিন’ নামে পরিচিত, একসময় সেটি ছিল ঢাকা নবাব পরিবারের শাহবাগ বাগানবাড়ির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই ভবনেই ১৯০৬ সালে সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলনের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় এবং সেখান থেকেই অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত আসে। অর্থাৎ যে স্থান আজ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ‘মধুর ক্যান্টিন’ নামে পরিচিত, তার ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শুরু হয়েছিল মুসলিম রাজনৈতিক জাগরণকে কেন্দ্র করে।

কিন্তু এই ইতিহাসের আগে আরও একটি বড় ইতিহাস আছে, বাংলার মুসলমানদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক পতনের ইতিহাস।

ইংরেজ আসার আগে বাংলার মুসলিম সমাজের নিজস্ব একটি অর্থনৈতিক ইকোসিস্টেম ছিল।

রাষ্ট্রীয় প্রশাসন, আদালত-কাচারি ও বিভিন্ন পেশায় মুসলিমদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি ছিল। এই শ্রেণির একটি অংশ মাদ্রাসা, মসজিদ, খানকা ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানে অর্থ দিত। ফলে সম্পদ শুধু অভিজাতদের হাতে আটকে থাকত না; ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান হয়ে তা সমাজের অপেক্ষাকৃত দরিদ্র মানুষের কাছেও পৌঁছাত।

অর্থাৎ, রাষ্ট্র → মধ্যবিত্ত → মাদ্রাসা/খানকা → দরিদ্র মুসলিম সমাজ।
এই সামাজিক অর্থনৈতিক কাঠামোই ছিল মুসলিম সমাজের শক্তির অন্যতম ভিত্তি।

ঔপনিবেশিক শাসন সেই কাঠামোকে ভেঙে দেয়।

চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত, ভূমি-রাজস্ব ব্যবস্থা, ওয়াক্‌ফ ও লাখেরাজ সম্পত্তির ওপর ঔপনিবেশিক হস্তক্ষেপ এবং প্রশাসনিক ভাষার পরিবর্তনের ফলে বাংলার পুরনো মুসলিম অভিজাত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি ভয়াবহ সংকটে পড়ে।

বিশেষ করে প্রশাসন ও শিক্ষায় ইংরেজির প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর নতুন শিক্ষিত শ্রেণি দ্রুত সরকারি চাকরি ও প্রশাসনে জায়গা করে নেয়। মুসলিম সমাজ তখন শিক্ষাগত ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়তে থাকে।

এর ফল ছিল ভয়াবহ, ক্ষমতা হারাল মুসলমান, সম্পদ হারাল মুসলমান, চাকরি হারাল মুসলমান; আর ধীরে ধীরে তৈরি হলো নতুন সামাজিক শ্রেণিবিন্যাস।

অর্থনৈতিক ক্ষমতার সঙ্গে সামাজিক ক্ষমতাও বদলে গেল।

জমিদার, নায়েব, কেরানি, আইনজীবী, ব্যবসায়ী, নতুন অর্থনৈতিক কাঠামোর বিভিন্ন স্তরে যারা উঠে এল, তাদের বড় একটি অংশ ছিল হিন্দুরা।

ফলে অর্থের প্রবাহের একটি বড় অংশ একই সামাজিক নেটওয়ার্কের ভেতরে ঘুরতে থাকল। অন্যদিকে মুসলিম সমাজ ক্রমে গ্রামীণ, দরিদ্র ও প্রান্তিক হয়ে পড়ল।

এটা শুধু অর্থনীতির পরিবর্তন ছিল না; এটা ছিল একটি সমাজের ক্ষমতার কাঠামো বদলে যাওয়ার ইতিহাস।

১৮৫৭-এর পর মুসলিম নেতৃত্ব নতুন বাস্তবতা বুঝতে শুরু করে।

সামরিক প্রতিরোধ দিয়ে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যকে পরাজিত করা সহজ নয়, এই বাস্তবতা মুসলিম নেতৃত্বের একটি বড় অংশ উপলব্ধি করে। তাই মুসলিম সমাজের সামনে তখন দুটি জরুরি কাজ দাঁড়ায়:

শিক্ষায় এগিয়ে যাওয়া এবং রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।

একদিকে আলিগড় আন্দোলন মুসলমানদের আধুনিক শিক্ষার দিকে এগিয়ে নেয়। অন্যদিকে দেওবন্দের আলেমসমাজ ধর্মীয় শিক্ষা ও ঔপনিবেশিক বিরোধী চেতনার নিজস্ব ধারাকে শক্তিশালী করে।

অর্থাৎ মুসলিম সমাজ তখন একসঙ্গে শিক্ষা, ধর্মীয় পরিচয় ও রাজনৈতিক অধিকার, তিনটি ক্ষেত্রেই নিজেদের পুনর্গঠনের চেষ্টা করছিল।

এরই মধ্যে বঙ্গভঙ্গ নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি করল।

১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ববঙ্গ(মুসলিমবঙ্গ) ও আসামকে নিয়ে নতুন প্রদেশ গঠিত হয়। পূর্ববঙ্গের মুসলমানরা এটিকে স্বাগত জানায়, কারণ নতুন প্রশাসনিক কাঠামোর ফলে পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের শিক্ষা, চাকরি ও প্রশাসনে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি হয়েছিল।

অন্যদিকে কলকাতাকেন্দ্রিক প্রভাবশালী হিন্দু শ্রেণির একটি বড় অংশ বঙ্গভঙ্গের তীব্র বিরোধিতা করে। ক্ষুদিরাম, সূর্যসেনের মত জ'ঙ্গিরা বোমাবাজি শুরু করে। ক্ষুদিরাম বড় লাটকে লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালায়। হিন্দুদের জ'ঙ্গি হামলার প্রেক্ষাপটে পূর্ব বঙ্গ প্রদেশের ভাগ্য অনিশ্চিত হয়ে যায়। আর হিন্দু জ'ঙ্গিদের গডফাদার রবি ঠাকুর তো মুসলমানদের বিরুদ্ধে লেগেই ছিল।

আর এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই ঢাকার মুসলিম নেতৃত্ব সর্বভারতীয় মুসলিম রাজনীতির প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে।

ঢাকার নবাব খাজা সলিমুল্লাহ মুসলমানদের রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষার জন্য সর্বভারতীয় একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের প্রয়োজন অনুভব করেন। ১৯০৬ সালের ডিসেম্বরে ঢাকার শাহবাগে অনুষ্ঠিত সর্বভারতীয় মুহাম্মদান এডুকেশনাল কনফারেন্সের পর মুসলিম নেতারা একটি রাজনৈতিক সংগঠন গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।

সেই সিদ্ধান্ত থেকেই জন্ম নেয় অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ।

আর এই ঘটনাটিই ঘটেছিল আজকের মধুর ক্যান্টিনের স্থাপত্যিক পরিসরের সঙ্গে যুক্ত সেই ইশারত মঞ্জিলে।

পরবর্তী চার দশকে মুসলিম লীগ ভারতীয় মুসলমানদের রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রধান প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয় এবং শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

অথচ আজকের প্রজন্মের কাছে সেই জায়গাটির প্রধান পরিচয় কী?

‘মধুর ক্যান্টিন’।

৭১ এর পরে ক্ষুদিরামদের উত্তরসুরীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো থেকে কোরআনের আয়াত বাদ দেয়। জিন্নাহ হলের নাম বদলিয়ে রাখা হয় সূর্য সেন হল, আল্লামা ইকবাল হলের নাম বদলিয়ে রাখা হয় জহুরুল হক হল, আর ইশারত মঞ্জিলের নাম বদলিয়ে রাখা হয় মুধুর ক্যান্টিন।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, ইশারত মঞ্জিলের ইতিহাস আমরা কতটা মনে রেখেছি?

যে স্থানে মুসলিম রাজনৈতিক জাগরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় রচিত হয়েছিল, সেই স্থানের সেই পরিচয় আজ কতজন জানে?

ইতিহাস মুছে ফেলার সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি সবসময় কোনো বই পুড়িয়ে ফেলা নয়।

কখনো কখনো শুধু নামটা বদলে দিলেই হয়।

একটি স্থানের নাম বদলে যায়, তারপর প্রজন্ম বদলায়, তারপর স্মৃতি বদলায়, একসময় মানুষ ভুলেই যায়, ওই জায়গায় একদিন কী ঘটেছিল।

তাই মধুর ক্যান্টিনকে শুধু মধুর ক্যান্টিন হিসেবে দেখলে ইতিহাসের একটি বড় অধ্যায় অদৃশ্য থেকে যায়।

ইশারত মঞ্জিলের ইতিহাস বাংলার মুসলমানদের রাজনৈতিক আত্মপরিচয় ও সংগঠিত হওয়ার ইতিহাস।

ইতিহাসের প্রতি ন্যায়বিচার করতে হলে ইশারত মঞ্জিলকে মনে রাখতে হবে।

কারণ একটি জাতির ইতিহাস শুধু বিজয়ের গল্প নয়;
কীভাবে তার পরিচয়, ক্ষমতা ও স্মৃতির ওপর দিয়ে সময়ের স্রোত বয়ে গেছে, সেটাও তার ইতিহাস।।

28/07/2026

৫ আগস্ট যাহা বিদায় নিয়েছে;
১২ ফেব্রুয়ারি তাহাই আসিয়াছে

আমারা নিকৃষ্ট দেশের পক্ষে নই।
19/07/2026

আমারা নিকৃষ্ট দেশের পক্ষে নই।

06/07/2026
আপনারা চোখ বন্ধ করুন আমরা CDI মানে চু'দলিংপং করবো....
04/07/2026

আপনারা চোখ বন্ধ করুন
আমরা CDI মানে চু'দলিংপং করবো....

শেখ মুজিবের বর্বরতা....প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান তার বাংলাদেশ বেতারের চাকরিটি খেয়ে দিলেন! ‘অপরাধ’?কবি ১৯৪৭ সালে দ...
27/06/2026

শেখ মুজিবের বর্বরতা....

প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান তার বাংলাদেশ বেতারের চাকরিটি খেয়ে দিলেন! ‘অপরাধ’?কবি ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পুর্বে পাকিস্তান আন্দোলনের সমর্থক ছিলেন।
অথচ মুজিব স্বয়ং পাকিস্তান আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী ও নেতা ছিলেন।

কবি ফররুখ আহমেদের ছেলেটির আর ডাক্তারি পড়া হলো না।মাঝপথেই অর্থাভাবে পড়ালেখা ইতি টানতে হল!
এগারো জন ছেলেমেয়ে নিয়ে কবি একেবারে পথে বসে গেলেন!সরকারি বাসা ছাড়ারও নোটিশ এসে গেছে!
যেই পাকিস্তান আন্দোলন নিয়ে কবি ফররুখ আহমেদের চাকরি চলে গেল; সেই পাকিস্তান আন্দোলন নিয়ে শেখ মুজিব তাঁর অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে লেখেন-“পাকিস্তান আনতে না পারলে পড়ালেখা শিখে কি করব”?

অন্য পৃষ্ঠায় লেখেন-”অখন্ড ভারতে যে মুসলমানদের অস্তিত্ব থাকবে না এটা আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করতাম”!
পাকিস্তান আন্দোলনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখা শেখ মুজিবুর রহমান সেই একই ভূমিকার জন্য কবি ফররুখ আহমেদকে চাকরিচ্যুত করেন। এ যেন এক যাত্রায় দুই ফল! একজন আন্দোলন করে স্বাধীন দেশের প্রাইম মিনিস্টার-আরেকজন চাকরি হারিয়ে রাস্তার ক্রাইং মিনিস্টার!

পাকিস্তান আন্দোলনের কর্মীদের উপর শেখ মুজিবের এই যে গোস্বা-এই গোস্বা মোটেও মুজিবের গোস্বা না!এটা ইন্ডিয়ার গোস্বা মুজিবের হাত দিয়া মিটাইছে! তারা ভারত ভেঙ্গে পাকিস্তান হোক এটা চায় নাই!অখন্ড ভারত তাদের স্বপ্ন ছিল,সেই অখন্ড ভারতে মুসলমানরা আজকের দিনের মত লাত্থি উষ্টা খাইয়া থাকব এইটা তাদের আহ্লাদ ছিল!
জিন্নাহ তাদের সেই স্বপ্ন আহ্লাদ ভেঙ্গে খানখান করে দিছে।তাই ভারত,পাকিস্তান আন্দোলনে যারাই জড়িত ছিল তাদের উপর বেজায় ক্ষ্যাপা! এমন হাজারো ইন্ডিয়ান গোস্বা আছে যা ইন্ডিয়ান ন্যারেটিভ হিসাবে এই দেশের মানুষকে গিলতে বাধ্য করা হইছে!

আহমদ ছফা জনকন্ঠে লিখেন- “কবি সুফিয়া কামালের পাকিস্তান এবং জিন্নাহর ওপর নানা সময়ে লেখা কবিতাগুলো,জড়ো করলে ‘সঞ্চয়িতা’র মত একখানা গ্রন্থ দাঁড়াবে বলেই আমার ধারণা। অথচ ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস কবি সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি হয়ে- মস্কো-ভারত ইত্যাদি দেশ সফর করে বেড়াচ্ছেন,আর ফররুখ আহমদ রুদ্ধদ্বার কক্ষে বসে অপমানে লাঞ্ছনায় মৃত্যুর দিন গুনছেন"!

ফররুখ আহমেদ বায়ান্নর রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী। আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে ছদ্মনামে তাঁর লেখা কবিতার সংখ্যা ১৯। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের একজন কবি অথচ তাকেই স্বাধীন দেশে চাকরি খোয়াতে হলো?
ফররুখ আহমেদের আরেকটি ‘অপরাধ’হলো রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে বিবৃতিতে চল্লিশজন স্বাক্ষরকারীর তিনিও একজন।
এই দোষে যদি তিনি দুষ্ট হন তাহলে বাকি স্বাক্ষরকারীরা ক্যামনে বহাল তবিয়তে চাকরিতে রইলেন? বিবৃতিতে স্বাক্ষর নিয়ে আরেকটা ঘটনা মনে পড়লো। কবি তালিম হোসেন লিখেন-”আমরা একসঙ্গে যারা পাকিস্তানের গোলামী করলাম, বেতন নিলাম তাদের কেউ কেউ মরে শহীদ হলো আর আমরা বেঁচে থেকে হলাম দালাল"।

১৯৭১-এ মুক্তিযুদ্ধের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকার বুদ্ধিজীবীদের দেওয়া বিবৃতির তালিকার এক নম্বরে থাকা মুনীর চৌধুরী হয়েছিল শহীদ! আর একত্রিশ নম্বরে থাকা তালিম হোসেন হয়েছিল দালাল আইনে গ্রেফতার-হাহাহা!
ফররুখ আহমেদ কিংবা তালিম হোসেনের সাথে যা ঘটেছিল তা মুলত ইসলাম আর সেকুলারিজমের দ্বন্দের কারণেই হয়েছিল। ফররুখ আহমেদ ছিলেন অধঃপতিত মুসলিম সমাজের রেনেসাঁ বা পুনর্জাগরণের বাতিঘর।মুসলমানরা কবে জেগে উঠবে তার জন্য তিনি লিখেছিলেন,

“রাত পোহাবার কত দেরি,পাঞ্জেরী?
এখনো তোমার আসমানভরা মেঘ?
সেতারা-হেলাল এখনো উঠেনি জেগে?
তুমি মাস্তুলে,আমি দাঁড় টানি ভুলে,
অসীম কুয়াশায় আজ শূন্যতা ঘেরি”।

বাংলায় সর্বাধিক সনেট রচয়িতা এই কবি,বাংলা একাডেমি,একুশে পদক, স্বাধীনতা পদকসহ আরও অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন। দুর্ভিক্ষ নিয়ে তিনি লিখেন,

"সেখানে পথের পাশে মুখ গুঁজে পড়ে আছে জমিনের পর-
সন্ধ্যার জনতা জানি কোনোদিন রাখে না সে মৃতের খবর"।

একাধিক রাষ্ট্রীয় পুরস্কারে ভূষিত নিপীড়িত মানবতার কবি ফররুখ আহমেদ ১৯৭৪ সালে ১৯ শে অক্টোবর মাত্র ৫৬ বছর বয়সে ঢাকায় পরলোক গমন করেন। কবিকে কবর দেওয়ার জন্য শেখ মুজিবের সরকার রাষ্ট্রীয় কোন গোরস্থানে এক চিলতে জায়গা দিতে সম্মত হলো না।
অবশেষে ঢাকার শাহজাহানপুরে কবি বন্ধু বেনজির আহমেদের দয়ায় তার পারিবারিক কবরস্থানে কবিকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়!

23/06/2026

পলাশীর যুদ্ধের পর ভাইস অ্যাডমিরাল ওয়াটসন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে একটা চিঠি লেখেন। এটা ছিল পলাশীর যুদ্ধের পর কলকাতা টু লন্ডন প্রথম চিঠি। কিন্তু তিনি চিঠিটা পাঠাতে পারেন নাই। অসুস্থ হয়ে পড়ায় কালা জ্বরে ৩০ দিন পরে মারা যান।

নতুন ভাইস অ্যাডমিরাল পোকক এই চিঠি লন্ডনে পোস্ট করেন। লর্ড ক্লাইভ ও মীর জাফরের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির ধারাগুলো এই চিঠিতে আছে। যা নিম্নরূপ:

"ভাইস অ্যাডমিরাল পোকক প্রেরিত পত্র, তারিখ, ২০ আগষ্ট ১৭৫৭ ঈসায়ী, কলিকাতার অদূরে হুগলি নদীতে নোঙরকৃত টাইগারনাম্নী জাহাজ হইতে, ভাইস অ্যাডমিরাল ওয়াটসনের মৃত্যুর সংবাদ সম্বলিত, যিনি জ্বরে আক্রান্ত হইয়া তৎোল্লিখিত মাসের ১৬ তারিখে ইন্তেকাল করিয়াছেন।

এবং ইহার সহিত সংযুক্ত করিতেছি উক্ত প্রয়াত ভাইস অ্যাডমিরাল ওয়াটসনের একটি পত্রের প্রতিলিপি, যাহার তারিখ ১৬ জুলাই, ১৭৫৭ ঈসায়ী, কলিকাতার অদূরে কেন্টনাম্নী জাহাজ হইতে লিখিত, যাহাতে নিম্নলিখিত সংবাদসমূহ বিবৃত হইয়াছে। [এতদ্দ্বারা গেজেটভুক্ত]

কিংস ফিশারনাম্নী জাহাজের কাপিতান টবির মারফত, আমি ২৪ এপ্রিল তারিখের একটি পত্রে আপনাদিগকে সণ্ডন নগুরের শহর ও দুর্গের আত্মসমর্পণের কথা জানাইয়াছিলাম (দ্রষ্টব্য খণ্ড ২৭, পৃষ্ঠা ৪২৯), এবং সেই পত্রেই আমি উল্লেখ করিয়াছিলাম যে নবাব সোরাজা উদ দাউলা শান্তিচুক্তির শর্তাবলী পালনে কতটা অনীহা প্রকাশ করিয়াছিলেন।

যাহার ফলে নবাবের দরবারের নেতৃস্থানীয় আমলাগণ বুঝিতে পারিয়াছিলেন যে তিনি ক্ষমতায় থাকাকালীন শান্তিচুক্তি তাহাদের দেশে কখনোই প্রতিষ্ঠিত হইবে না, এবং তাই তাহারা তাহাকে (নবুবকে) ক্ষমতাচ্যুত করিবার নিমিত্ত একটি জোট গঠনের প্রস্তাব করিয়াছিলেন।

প্রমুখের মধ্যে ছিলেন মীর জাফিয়ের আলি কাউন, তাহার একজন প্রধান সেনাপতি, যিনি অত্যন্ত অসন্তুষ্ট হইয়া তাহাকে ক্ষমতাচ্যুত করিতে প্রবলভাবে উদগ্রীব হইয়া ওঠেন এবং এই পরিকল্পনার কথা কোম্পানি বাহাদুরের কাউন্সিলের দ্বিতীয় সচিব মিষ্টার ওয়াটসকে জানান; যাহার লিখিত ২৫ ও ২৮ এপ্রিলের পত্রের মারফত কোম্পানি বাহাদুরের কমিটি এই বিষয়ে অবগত হয়, যাহা যথাসাধ্য মনোযোগসহকারে আলোচনা করা হয়।

এবং নবাবের আচরণ সম্পর্কে পরিপূর্ণভাবে পর্যালোচনা করিবার পর, যিনি শান্তি চুক্তির শর্তাবলী পালনে এতটাই ব্যর্থ হইয়াছিলেন যাহা তিনি এত গাম্ভীর্যপূর্ণভাবে শপথ নিয়াছিলেন যে পালন করিবেন, যে তিনি আমাদের কাশিমবাজারে একটি সেনাচৌকি স্থাপন করতে পর্যন্ত অনুমতি প্রদান করেন নাই।

এবং কড়া নির্দেশ দিয়াছিলেন যাহাতে এক পাউন্ড বারুদ বা গোলাও নদী দিয়ে উজানে যাইতে না পারে। এহেন গুরুতর পরিস্থিতির সহিত যুক্ত হয় তাহার গোলকুন্ডা প্রদেশের ফরাসি সেনাপতি মসিয়ে বুসিকে তাহার সর্বাধিক সংখ্যক সৈন্য লইয়া তাহার সহিত যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানোর নিশ্চিত সংবাদ।

যাহা আমাদের এই বিশ্বাস করার সামান্যতম কারণও দেয় নাই যে তিনি আমাদের সহিত শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখিবার কোনো অভিপ্রায় পোষণ করেন, যতদিন না তিনি মনে করেন যে তিনি আমাদিগের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নিযুক্ত হইতে অক্ষম।

তাই এটি সিদ্ধান্ত লওয়া হয় যে মীর জাফিয়ের আলি কাউনের সহিত আমাদিগের সৈন্যবাহিনী যুক্ত করা সর্বোত্তম হইবে, এই পদক্ষেপটিই দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার এবং ইংরাজদিগের একটি সুদৃঢ় ও স্থায়ী ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করিবার সর্বাধিক কার্যকর উপায় হিসেবে প্রতীত হয়।

এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ার পর, আমাদিগের সেনাবাহিনী গত মাসের ১৩ তারিখে সণ্ডন নোগুর হইতে কসিম বাজার অভিমুখে যাত্রা করে; এবং কর্নেল রবার্ট ক্লাইভের সহিত যত বেশি সম্ভব ইউরোপীয় সৈন্য রাখিবার লক্ষ্যে, আমি চন্দননগরে সেনাচৌকি স্থাপন করিতে এবং তাহার সহিত এই অভিযানে একজন লেফটেন্যান্ট, ৭ জন মিডশিপম্যান এবং ৫০ জন নাবিককে গোলন্দাজ হিসেবে কাজ করিবার জন্য পাঠাইতে সম্মত হই।

আমি ২০-কামান বিশিষ্ট জাহাজটিকে হুগলির উপরে নোঙর করার নির্দেশও দিই, যাহাতে আমাদিগের যোগাযোগ ব্যবস্থা অবিচ্ছিন্ন থাকে।

১৯ জুন, কাটোয়া দুর্গ ও শহর, যাহা নদীর এই পারে অবস্থিত এবং কসিমবাজারের নিকট একটি দ্বীপের উপরিভাগে প্রতিষ্ঠিত, একটি বিশেষ বাহিনী দ্বারা দখল করিয়া লওয়া হয়। সে স্থলে সেনাবাহিনী মীর জাফিয়ের আলি কাউনের নিকট হইতে সংবাদের জন্য দুই-তিন দিন অবস্থান করে।

কাউনকে নবাবের বিরোধী জোটের সকলে সম্মত হইয়া নয়া নবাবী পদে অভিষিক্ত করিবার সিদ্ধান্ত লয়, কারণ তিনি একটি সম্মানিত বংশের লোক এবং সকল শ্রেণির মানুষের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত।

২২ তারিখে তাহারা নদী পার হন, এবং পরদিন ২৩ জুন সোরাজা উদ দাউলার সহিত এক চূড়ান্ত যুদ্ধ সংঘটিত হয়, যেখানে আমাদিগের সৈন্যবাহিনী এক সম্পূর্ণ বিজয় অর্জন করে, তাহার সেনাবাহিনীকে পলায়নে বাধ্য করে এবং তাহার শিবির দখল করে, সাথে ৫০-এর অধিক কামান ও তার সমস্ত মালপত্র দখলে লয়।

তাহার সহিত ৫০ জন ফরাসি সৈন্যও যোগ দিয়াছিল, যাহারা তাহার গোলন্দাজ বাহিনীকে পরিচালনা করিতেছিল; এবং সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য হিসাব অনুযায়ী, মীর জাফিয়ের আলি কাউন এবং রায় দুর্লভ প্রমুখ ইংরাজ মিত্রের নেতৃত্বাধীন সৈন্য ছাড়াই, নবাব বাহিনীর সৈন্যবাহিনীর সংখ্যা ছিল প্রায় ২০,০০০ পদাতিক।

শত্রু শিবিরে নিহতের সংখ্যা কম ছিল, কারণ তারা শুধু গোলাবর্ষণের মুখে দাঁড়াইয়াছিল। আমাদিগের পক্ষে প্রায় ১৯ জন ইউরোপীয় নিহত ও আহত হয়, এবং ৩০ জন কালো (নেটিভ) সিপাহী নিহত হয়। পরাজয়ের পর সোরাজা উদ দাউলা গোপনে সরিয়া পড়েন; তাহার সহিত তাহার প্রধানমন্ত্রী মন্টোলি এবং তার এক সেনাপতি মানিক চাঁন্দও পলায়ন করেন।

২৬ জুন, মীর জাফিয়ের আলি কাউন মুরসেডাবাড শহরে প্রবেশ করেন; এবং ৩৯তম রেজিমেন্টের কর্নেলের একটি পত্র হইতে আমরা অবগত হই যে তিনি মীর জাফিয়ের আলি কাউনকে এই প্রদেশের নবাবদের সুপ্রাচীন সিংহাসনে অধিষ্ঠিত করিয়াছেন; এবং বাঙ্গালাহ, বাহার ও ওরিক্সা প্রদেশের সোবেডার হিসেবে সকল শ্রেণির মানুষের পক্ষ হইতে তাহাকে যথারীতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হইয়াছে।

৩০ তারিখে, গভীর রাতে, কর্নেল ক্লাইভের লিখিত একটি পত্র আসে, যাহাতে জানানো হয় যে সোরাজা উদ দাউলাকে বন্দি করা হইয়াছে; এবং, এ মাসের ৪ তারিখে, তিনি কমিটিকে জানান যে মীর জাফিয়ের আলি কাউনের পুত্র ও তাহার দলবল কর্তৃক তাহাকে গোপনে হত্যা করা হইয়াছে।

নবাবের কোষাগার, পরীক্ষা করিয়া দেখা যায়, প্রত্যাশার তুলনায় ধন সম্পত্তি অনেক কম ছিল; তবে কর্নেল ক্লাইভ ইতিমধ্যে নিম্নোক্ত চুক্তিতে নির্ধারিত অর্থের এক-তৃতীয়াংশ পাঠাইয়া দিয়াছেন; এবং বলা হইতেছে যে আরও তৎ পরিমাণ অর্থ শীঘ্রই আসিবে যাহাতে মোট অর্ধেক পরিমাণ অর্থ ইংরাজদের নিকট হস্তান্তর সম্পন্ন হয়। বাকি অর্ধেক তিন বছরে, তিনটি বার্ষিক কিস্তিতে পরিশোধ করা হইবে।

কয়েক দিবস আগে মার্লবরো ইন্ডিয়াম্যান জাহাজ বিশাখাপত্তনম হইতে এখানে আসিয়া পৌঁছায়, এবং সংবাদ লইয়া আসে যে বিশাখাপত্তনম ২৬ জুন ফরাসিদের কাছে আত্মসমর্পণ করিয়াছে। সেথায় সেনাচৌকিতে ছিল ১৩০ জন ইউরোপীয় এবং ২০০ জন সিপাহী; এবং ফরাসিরা ৮৫০ জন ইউরোপীয় এবং ৬,০০০ সিপাহী, এবং একটি ছোট অশ্বারোহী দল লইয়া দূর্গ অবরোধ শুরু করিয়াছিল।

এক্ষণে অ্যাডমিরাল ওয়াটসন, কর্নেল লর্ড ক্লাইভ, গভর্নর ড্রেক, মিস্টার ওয়াটস এবং কমিটির সাথে নয়া নবাব মীর জাফিয়ের আলী কাউনের সম্পাদিত সন্ধি উল্লেখ করিতেছি। ইহাতে মীর জাফিয়ের আলী কাউন স্বীকার করিয়াছেন:

১. নবাব সোরাজা উদ দাউলার সহিত কোম্পানি বাহাদুরের সম্পাদিত চুক্তি ও সন্ধি, আমি স্বীকার ও গ্রহণ করি।

২. ইংরেজদের শত্রুরাই আমাদিগের শত্রু, তাহারা ইউরোপীয় হোক বা অন্য কেহ।

৩. বাঙ্গালাহ, বাহার ও ওরিক্সা প্রদেশে ফরাসিদের যে সকল পণ্য ও কুঠি আছে, তাহা ইংরাজদের হাতে অর্পণ করা হইবে, এবং এই প্রদেশসমূহে ফরাসিদের আর কখনো কুঠি বা বসতি স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হইবে না।

৪. কলিকাতা দখলের কারণে কোম্পানির যে ক্ষতি হইয়াছে এবং তাহাদের কুঠিগুলো পুনরুদ্ধারের জন্য যে ব্যয় হইয়াছে, তাহা পূরণের নিমিত্ত আমি এক কোটি রুপি প্রদান করিব।

৫. কলিকাতা দখলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ইংরাজ অধিবাসীদের ক্ষতি পূরণের নিমিত্ত আমি ৫০ লক্ষ রুপি প্রদান করিব।

৬. জেন্টু (হিন্দু), মুসলমান প্রভৃতির যে ক্ষতি হইয়াছে, তাহা পূরণের নিমিত্ত আমি ২০ লক্ষ রুপি প্রদান করিব।

৭. কলিকাতার আর্মেনিয়ান অধিবাসীদিগের যে ক্ষতি হইয়াছে, তাহা পূরণের নিমিত্ত আমি ৭ লক্ষ রুপি প্রদান করিব। এই অনুদানের বণ্টন অ্যাডমিরাল, কর্নেল ও কমিটির সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করিবে।

৮. কলিকাতার চারিপ্বার্শে মারাঠা খাল-এর অভ্যন্তরে অবস্থিত ভূমি (যাহা বর্তমানে অন্য জমিদারদিগের অধিকারে রহিয়াছে), এবং খালের বাহিরে চারিপ্বার্শে ৬০০ গজ পর্যন্ত ভূমি, আমি সম্পূর্ণরূপে কোম্পানিকে অর্পণ করিব।

৯. কলিকাতার দক্ষিণে কুলপি পর্যন্ত বিস্তৃত ভূমির জমিদারি কোম্পানি বাহাদুরের হাতে এবং তাহাদের শাসন ও আদেশের অধীনে থাকিবে। তৎ অঞ্চলের প্রতিটি জেলার প্রচলিত খাজনা ইংরাজদিগের মাধ্যমে রাজকোষে পরিশোধ করা হইবে।

১০. যখনই আমি কোন কারণে কোম্পানি বাহাদুরের সৈন্যবাহিনীর সহায়তা প্রার্থনা করিব, তাহাদের বেতন ও ব্যয় আমার দ্বারা পরিশোধ করা হইবে।

১১. হুগলি হইতে নিম্নাঞ্চলে, আমি নদীর তীরে কোনো নতুন দুর্গ নির্মাণ করিব না।

১২. যত দ্রুত আমি তিন প্রদেশের সুবাহডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হব, আমি অবিলম্বে উপরোক্ত শর্তাবলী পালন করব।

রমজান মাসের চাঁন্দের ১৫ তারিখ, বর্তমান সম্রাটের রাজত্বের চতুর্থ বছরে স্বাক্ষরিত।

স্বহস্তে লিখিত:
"আল্লাহ ও তাহার নবীকে স্বাক্ষ্য রাখিয়া, আমি শপথ করিতেছি, যতদিন আমার দেহে প্রাণ আছে - আমি এহি চুক্তির শর্তাবলী পালন করিব।"

— মীর মাহমুদ জাফিয়ের কাউন বাহাদুর,
সম্রাট দ্বিতীয় আলমগীর মোঘলের গোলাম।

গুম হয়ে শিলং থেকেও সম্পদ লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে শিলং শালা উদ্দিনের
11/06/2026

গুম হয়ে শিলং থেকেও সম্পদ লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে শিলং শালা উদ্দিনের

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আমাদের বাংলাদেশ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category