25/06/2026
মুজাহিদ বলেন শুক্রবার দুপুরে সানজিদাকে রাস্তায় একা দেখতে পায় মোবাইলে ভিডিও দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে তাকে তিস্তা সেচ ক্যানেলের পাশে নিয়ে যায়। সেখানে বসে প্রথমে তাকে একটি অ/শ্লী/ল ভিডিও দেখায়। পরে কৌশলে পাশের একটি পাটখেতে নিয়ে গিয়ে জো/র/পূর্বক ধ/র্ষ/ণ করে।
ধ/র্ষ/ণে/র পর সানজিদা কান্নাকাটি করতে থাকে এবং বাড়িতে গিয়ে ঘটনাটি সবাইকে জানিয়ে দেওয়ার কথা বলে। এতে মুজাহিদ ভ/য় পেয়ে যায়। নিজেকে বাঁ'চা'নো'র উদ্দেশ্যে সে সানজিদার বু'কে'র ওপর বসে দুই হাত দিয়ে গ'লা চে'পে হ/ত্যা করে। এরপর তার দুই চোখ ক্ষ/তিগ্র/স্ত করে ঘটনাস্থল থেকে পা'লি'য়ে যায়।
স্থানীয় কৃষক কাদের আলী জানান, ঘটনার দিন শুক্রবার দুপুরে তিনি তিস্তা সেচ ক্যানেলের পাশে মুজাহিদকে দেখেছিলেন এবং দ্রুত মসজিদে যাওয়ার জন্য বলেছিলেন। পরে জানা যায়, এই যুবকই সানজিদা ধ/র্ষ/ণ ও হ/ত্যা/র ঘটনায় জড়িত। আশ্চর্যের বিষয় হলো, শনিবার দুপুরে শি"শুটির ম/র/দে/হ উদ্ধারের সময়ও মুজাহিদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল।
কাদের আলী আরও বলেন, “মুজাহিদ একজন হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী এবং তার বাবা একজন মসজিদের ইমাম একটি ধর্মীয় ও পর্দাশীল পরিবারের সন্তান হয়েও সে এমন জ/ঘ/ন্য অপরাধ করেছে। এই ন/র/পি/শা/চের সর্বোচ্চ শা*স্তি হওয়া উচিত।
শি"শু সানজিদার বাবা সাইদুল ইসলাম বলেন,মুজাহিদ আমাদের প্রতিবেশী। আমার মেয়ে তাকে ‘চাচা’ বলে ডাকত। সে আমার নিষ্পাপ শি"শুকন্যাকে ধ/র্ষ/ণ করে নি'র্ম'ম'ভাবে হ/ত্যা করেছে। আমি এই ঘটনার সর্বোচ্চ শা*স্তি, মৃ/ত্যু/দ/ণ্ড, দাবি করছি। ঘটনাটি ঘটেছে রংপুর তারাগঞ্জ উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুর কোরানীপাড়া গ্রামে।