শাহবাগ - চত্বর

শাহবাগ - চত্বর Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from শাহবাগ - চত্বর, Public & Government Service, শাহবাগ, Dhaka.

12/04/2026
‘দ্য পেপার ট্রেইল’: হাসিনা সরকারকে সরাতে ৩২ কোটি ডলার খরচ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন সংবাদমাধ্যমএকনজরে সংবাদের মূল পয়ে...
12/04/2026

‘দ্য পেপার ট্রেইল’:

হাসিনা সরকারকে সরাতে ৩২ কোটি ডলার খরচ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন সংবাদমাধ্যম

একনজরে সংবাদের মূল পয়েন্ট:

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘সিএসবি নিউজ ইউএসএ’-তে এই চাঞ্চল্যকর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

২০২৪ সালের আগস্টে হাসিনা সরকারের পতনের নেপথ্যে ওয়াশিংটনের ৩২৫ মিলিয়ন (৩২ কোটি ৫০ লাখ) ডলার ব্যয়ের দাবি।

বিভিন্ন গ্র্যান্ট ডাটাবেজ, কংগ্রেসনাল টেস্টিমনি এবং উন্মুক্ত হওয়া নথিপত্র বিশ্লেষণ করে এই হিসাব দেওয়া হয়েছে।

নথি অনুযায়ী, অভ্যুত্থানের কয়েক মাস আগে থেকেই নির্দিষ্ট কিছু খাতে অর্থের প্রবাহ নাটকীয়ভাবে বাড়ানো হয়েছিল।

প্রতিবেদনে এই পরিবর্তনকে ‘গণতান্ত্রিক অভ্যুত্থান’ নয় বরং একটি ‘পরিকল্পিত অর্থায়িত প্রকল্প’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের নেপথ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল অঙ্কের অর্থ ব্যয়ের এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম 'সিএসবি নিউজ ইউএসএ' (CSB News USA) তাদের এক বিশেষ প্রতিবেদনে দাবি করেছে, বাংলাদেশে নির্বাচিত সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্য অর্জনে ওয়াশিংটন ৩২৫ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ ব্যয় করেছে।

‘দ্য পেপার ট্রেইল: হাউ ওয়াশিংটন স্পেন্ট ওভার ৩২৫ মিলিয়ন ডিসম্যান্টলিং বাংলাদেশ’স ইলেক্টেড গভর্নমেন্ট’ শীর্ষক এই প্রতিবেদনটি শুক্রবার (১০ এপ্রিল) প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নথিপত্রের যে ‘কাগজে প্রমাণ’ (Paper Trail) পাওয়া গেছে, তা কোনো মিথ্যা বলে না।

নথিপত্রে যা পাওয়া গেছে
সিএসবি নিউজ দাবি করেছে, তারা বিভিন্ন মার্কিন গ্র্যান্ট ডাটাবেজ, কংগ্রেসনাল টেস্টিমনি (কংগ্রেসের সাক্ষ্য) এবং ডিক্লাসিফাইড বা উন্মুক্ত করা প্রোগ্রাম রিভিউ বিশ্লেষণ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে সংবাদমাধ্যমগুলো যখন বাংলাদেশে ২০২৪-এর আগস্টের ঘটনাপ্রবাহকে ‘গণতান্ত্রিক অভ্যুত্থান’ হিসেবে প্রচার করছিল, তখন পর্দার আড়ালে যুক্তরাষ্ট্রের গ্র্যান্ট বা অনুদানগুলো একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যপানে এগোচ্ছিল।

টাকা খরচ হয়েছে যেসব খাতে
অনুসন্ধানী ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এই বিশাল পরিমাণ অর্থের একটি বড় অংশ ব্যয় করা হয়েছে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা (এনজিও), নির্দিষ্ট কিছু নাগরিক সমাজ (সিভিল সোসাইটি) এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে বাংলাদেশে অর্থ প্রবাহের গতি অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়। ডিজিটাল ক্যাম্পেইন পরিচালনা এবং সাংগঠনিক সক্ষমতা বাড়ানোর নামে এই অর্থ স্থানীয় বিভিন্ন গোষ্ঠীর হাতে পৌঁছানো হয়।

ভিন্ন এক আখ্যান
প্রতিবেদনে বলা হয়, "এটি কেবল একটি স্বতঃস্ফূর্ত গণআন্দোলন ছিল না। বরং এটি ছিল দীর্ঘমেয়াদী এবং সুপরিকল্পিতভাবে অর্থায়ন করা একটি প্রকল্প।" সিএসবি নিউজ দাবি করছে, নথিপত্রগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ওয়াশিংটনের এই বিনিয়োগ সরাসরি তৎকালীন নির্বাচিত সরকারকে অস্থিতিশীল করার প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিল।

প্রতিক্রিয়া
এই প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। ২০২৪ সালের পরিবর্তনকে ‘জেনারেশন জেড’-এর বিপ্লব হিসেবে অভিহিত করা হলেও নতুন এই তথ্য সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। তবে এই প্রতিবেদনের বিষয়ে এখন পর্যন্ত ওয়াশিংটন বা বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যদি এই ৩২৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ের নথিপত্র সঠিক হয়, তবে তা দক্ষিণ এশিয়ায় মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির হস্তক্ষেপ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করবে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেন। পরবর্তীতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে দেশটিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়। সেই ঘটনার প্রায় দেড় বছর পর মার্কিন সংবাদমাধ্যমটি এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আনল।

Address

শাহবাগ
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শাহবাগ - চত্বর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share