Dwellers of Dhaka-DhakaBashi

Dwellers of Dhaka-DhakaBashi Stories, streets, food & memories of the city that never sleeps. From Old Dhaka’s heritage to modern city vibes — feel the heartbeat of Dhaka with us.

"সুস্থ জীবন, সুন্দর আগামীর অঙ্গীকার: জনসচেতনতাই প্রথম হাতিয়ার"আসসালামু আলাইকুম/নমস্কার!স্বাস্থ্যই সব সুখের মূল – ছোটবেলা...
04/08/2026

"সুস্থ জীবন, সুন্দর আগামীর অঙ্গীকার: জনসচেতনতাই প্রথম হাতিয়ার"

আসসালামু আলাইকুম/নমস্কার!
স্বাস্থ্যই সব সুখের মূল – ছোটবেলা থেকেই আমরা এটা শুনে আসছি। কিন্তু আমরা কি আসলেই আমাদের স্বাস্থ্যের প্রতি যথেষ্ট সচেতন?

আজকের দ্রুতগতির জীবনে আমরা অনেক সময়ই নিজেদের অবহেলা করি। সামান্য অস্বস্তি বা উপসর্গকে এড়িয়ে যাওয়া ভবিষ্যতে বড় কোনো রোগের কারণ হতে পারে। সচেতনতাই পারে আমাদের সুস্থ ও নিরাপদ রাখতে।

আসুন আমরা সবাই মিলে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হই:

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা: বছরে অন্তত একবার পুরো শরীর চেকআপ (Full Body Checkup) করান। অনেক রোগ প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে সহজে নিরাময় সম্ভব।

সুষম খাবার ও ব্যায়াম: সুস্থ থাকতে প্রতিদিনের তালিকায় পুষ্টিকর খাবার এবং অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটাচলা বা হালকা ব্যায়াম অত্যন্ত জরুরি।

পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি: ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা এবং চারপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা অনেক রোগের হাত থেকে রক্ষা করে।

ভুল ধারণা ও কুসংস্কার বর্জন: স্বাস্থ্য নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা ও কুসংস্কার এড়িয়ে চলুন। সঠিক তথ্যের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মানসিক স্বাস্থ্য: শারীরিক স্বাস্থ্যের মতো মানসিক স্বাস্থ্যের যত্নও সমভাবে গুরুত্বপূর্ণ। মানসিক চাপ বা বিষণ্নতা দেখা দিলে অবহেলা করবেন না।

ভ্যাকসিন ও টিকাদান: সময়মতো সঠিক ভ্যাকসিন এবং টিকাদান আপনাকে এবং আপনার পরিবারকে অনেক সংক্রামক রোগ থেকে নিরাপদ রাখতে পারে।

জরুরি মনে রাখবেন:

আপনার সামান্য সচেতনতা শুধু আপনার জীবনই নয়, আপনার পরিবার ও সমাজের জন্যও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। চলুন, আমরা নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নেই এবং অন্যদেরও সচেতন হতে উৎসাহিত করি। সুস্থ সমাজ গড়তে আমাদের সবার অংশগ্রহণ অপরিহার্য।

আসুন সচেতন হই, সুস্থ থাকি, সুন্দর সমাজ গড়ে তুলি!

''Healthy Life, Brighter Tomorrow: Awareness is the First Step ''

"Health is wealth"—we’ve heard this since childhood, but are we truly taking care of ourselves?

In today’s fast-paced world, it’s easy to ignore minor discomforts or symptoms. However, staying proactive and aware can prevent major health issues before they start.

Let’s commit to these simple steps for a healthier lifestyle:
Regular Health Checkups: Get a full-body checkup at least once a year. Early detection makes treatment much easier.

Balanced Diet & Exercise: Eat nutritious meals and aim for at least 30 minutes of daily physical activity or walking.

Hygiene & Cleanliness: Keeping ourselves and our surroundings clean shields us from many infectious diseases.

Say No to Myths: Avoid health misconceptions and always seek advice from certified medical professionals.

Mental Well-being: Mental health is just as important as physical health. Never ignore stress or anxiety.

Stay Vaccinated: Timely vaccinations protect both you and your loved ones from preventable illnesses.

"A small habit of health today leads to a happier, disease-free tomorrow."

Stay with Dwellers of Dhaka-DhakaBashi PMO Bangladesh - প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় Tarique Rahman AbdelFattah Elsisi - عبد الفتاح السيسي Ministry of Health and Family Welfare

#স্বাস্থ্য #জনসচেতনতা #সুস্থজীবন #নিরাপদআগামী #স্বাস্থ্যসেবা #স্বাস্থ্যবিধি #সচেতনতা #চিকিৎসা #ভ্যাকসিন #সুস্বাস্থ্য

জন্মদিনের শুভেচ্ছা, আধুনিক মালয়েশিয়ার জাদুকর! “দেশের জন্য আমি অনেক কিছুই অর্জন করতে পারিনি...” — নিজের জীবনের এতগুলো ব...
26/07/2026

জন্মদিনের শুভেচ্ছা, আধুনিক মালয়েশিয়ার জাদুকর!

“দেশের জন্য আমি অনেক কিছুই অর্জন করতে পারিনি...” — নিজের জীবনের এতগুলো বসন্ত পেরিয়েও যার কণ্ঠে এমন চরম বিনয়, তিনি আর কেউ নন, আধুনিক মালয়েশিয়ার স্থপতি তুন ডা. মাহাথির মোহাম্মদ। আজ তাঁর জন্মদিনে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।

তাঁর এই বিনম্র উক্তি হয়তো তাঁর বিশাল হৃদয়ের পরিচয় দেয়, কিন্তু ইতিহাস বলে ভিন্ন কথা—তিনি মালয়েশিয়ার জন্য যা করেছেন, তা এক কথায় অবিশ্বাস্য! একটি সাধারণ কৃষিভিত্তিক দেশকে অল্প সময়ের মধ্যে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ও আধুনিক অর্থনীতিতে রূপান্তর করার জাদুকরী নেতৃত্ব তিনিই দিয়েছেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য কিছু ঐতিহাসিক অর্জন:

🎯 ভিশন ২০২০ (Vision 2020): মালয়েশিয়াকে উন্নত রাষ্ট্র বানানোর ঐতিহাসিক নীল নকশা।

🏙️ আইকনিক ল্যান্ডমার্ক: পেট্রোনাস টুইন টাওয়ারস এবং কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (KLIA)।

🚗 জাতীয় গাড়ি 'প্রোটন' (Proton): মালয়েশিয়াকে অটোমোবাইল শিল্পে স্বাবলম্বী করা।

বিশ্বমঞ্চে সাহসী কণ্ঠ: আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সবসময় সাহসের সাথে নিজের দেশের ও মুসলিম উম্মাহর স্বার্থ রক্ষা করা।

আমরা তাঁর দীর্ঘায়ু এবং সুস্বাস্থ্য কামনা করি।

শুভ জন্মদিন, তুন ডা. মাহাথির মোহাম্মদ!

মালয় সংস্করণ (Bahasa Melayu Version)
Tajuk: Selamat Hari Lahir, Bapa Pemodenan Malaysia!

"Saya tidak mencapai banyak perkara untuk negara..." — Biarpun melakar sejarah gergasi, kerendahan hati tokoh agung ini, Tun Dr. Mahathir Mohamad, sentiasa menyentuh hati kita semua. Hari ini, kami mengucapkan Selamat Hari Lahir kepada arkitek Malaysia moden!

Kata-kata beliau mungkin mencerminkan sifat tawaduknya, namun sejarah menjadi saksi betapa besarnya jasa beliau. Di bawah kepimpinan beliau, Malaysia telah bertukar daripada sebuah negara berasaskan pertanian kepada antara kuasa ekonomi industri yang paling disegani di pentas dunia.

Antara Pencapaian Hebat Beliau:

🎯 Wawasan 2020: Pelan induk yang memacu Malaysia ke arah status negara maju.

🏙️ Pembangunan Ikonik: Menara Berkembar Petronas dan Lapangan Terbang Antarabangsa Kuala Lumpur (KLIA).

🚗 Kereta Nasional 'Proton': Memajukan industri automotif tempatan ke peringkat antarabangsa.

🗣️ Suara Tegas di Persada Dunia: Sentiasa berani menyuarakan hak dan kebenaran untuk negara serta umat global.

Kami mendoakan agar Tun sentiasa dikurniakan kesihatan yang baik, umur yang panjang, dan kebahagiaan berpanjangan. Kepimpinan dan wawasan Tun akan sentiasa menjadi inspirasi buat generasi muda.

Selamat Hari Lahir, Tun Dr. Mahathir Mohamad!

Stay with Dwellers of Dhaka-DhakaBashi
Dr. Mahathir bin Mohamad PMO Bangladesh - প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় Tarique Rahman
#শুভজন্মদিন #মাহাথিরমোহাম্মদ #

জুলাইয়ের এই মুখগুলো এখন কোথায়??দুই বছর পর তাঁদের জীবন অনেকটাই স্বাভাবিক ছন্দে ফিরেছে।ঝুম বৃষ্টি হচ্ছে, কিন্তু ভ্রুক্ষেপ ...
19/07/2026

জুলাইয়ের এই মুখগুলো এখন কোথায়??

দুই বছর পর তাঁদের জীবন অনেকটাই স্বাভাবিক ছন্দে ফিরেছে।ঝুম বৃষ্টি হচ্ছে, কিন্তু ভ্রুক্ষেপ নেই কারও। সবার সম্মিলিত কণ্ঠের স্নোগান বরং বৃষ্টির শব্দ ছাপিয়ে ছড়িয়ে পড়ছে চারদিক—‘আমার ভাই মরল কেন, প্রশাসন জবাব চাই।’

দিনটি ছিল ২০২৪ সালের ২ আগস্ট, স্থান রাজধানীর উত্তরার রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ প্রাঙ্গণ। চলমান আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কলেজের এক শিক্ষার্থীকে আটকসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্বিচার গুলি–খুনের প্রতিবাদে স্বতঃস্ফূর্ত ওই বিক্ষোভ। এতে যোগ দেন বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা; ছিলেন শিক্ষক ও অভিভাবকেরাও।

ওই দিনের বিক্ষোভে ছিলেন রাজউক কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী শায়লা আক্তার শশী। বৃষ্টির মধ্যে রিকশায় বসে তাঁর স্লোগান দেওয়ার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের অন্যতম প্রতীকী ছবিতে পরিণত হয় সেটি।
শায়লা এখন বেসরকারি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। পড়াশোনায় ফিরে গেলেও আন্দোলনের সেই স্মৃতি এখনো তাঁর কাছে উজ্জ্বল। ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই থেকে আন্দোলনে শরিক হয়েছিলেন তিনি।

চলতি মাসের ৯ তারিখ রাজধানীর আফতাবনগরে কথা হয় শায়লার সঙ্গে। ভাইরাল ছবিটির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মানববন্ধনে মানুষের অংশগ্রহণ দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ি। আমার সব ভয় কেটে যায়, বিশেষ করে শিক্ষক ও অভিভাবকদের অংশগ্রহণ আমার মনের ভেতর এক অদ্ভুত অনুভূতি তৈরি করে। পুরো কলেজ প্রাঙ্গণ স্লোগানে মুখর এবং তার মধ্যে ঝুম বৃষ্টি। আমি এ রকম দৃশ্য আগে দেখিনি। তখন স্লোগানের মধ্যে এমনভাবে নিমজ্জিত হয়ে যাই, কেউ আমার ছবি তুলছে, তা টের পাইনি।’

অন্যায়ের প্রতিবাদ করতেই দাঁড়িয়েছিলাম। এরপর কী হবে, ভাবার সময় ছিল না।
নুসরাত জাহান, শিক্ষার্থী, স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়
সেদিনের বিক্ষোভে শামিল হওয়ার কথা মনে পড়লে এখনো গর্ব হয় শায়লার, সঙ্গে আফসোসও হয়। তাঁর ভাষ্য, যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে মানুষ জীবন দিয়েছিল, সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। রাজনৈতিক দলগুলো এখনো নিজেদের স্বার্থ নিয়েই ব্যস্ত। জুলাইয়ের শহীদদের যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি, অনেক আহত ব্যক্তিকে নিজের খরচে চিকিৎসা করাতে হচ্ছে। শায়লার ভাষায়, ‘একজন জুলাই যোদ্ধা হিসেবে আমি আজকের দেশ দেখে আশাহত এবং খুবই লজ্জিত। এ রকম দেশের জন্য আবু সাঈদ, মুগ্ধরা জীবন দেননি। যে সিস্টেম (ব্যবস্থা) বদলানোর জন্য এত আত্মত্যাগ, আজও সেই একই সিস্টেমের মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছি। কোনো পরিবর্তনই আমি দেখি না! পরিবর্তন হলো শুধু দল। জুলাই শুধুই একটা নাম এখন। এর প্রকৃত মূল্যায়ন কেউ করেনি।’

শুধু শায়লা নন, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় নানাভাবে ভাইরাল হওয়া আরও ছয়জনের সঙ্গে কথা বলেছে প্রথম আলো। তাঁদের কেউ পুলিশের গুলির সামনে দাঁড়িয়েছিলেন, কেউ আহত অবস্থায় উদ্ধার হয়েছিলেন, কেউবা শহীদ ভাইয়ের মরদেহ কাঁধে নিয়ে মিছিল করেছিলেন। দুই বছর পর তাঁদের সবার জীবন আবার অনেকটাই স্বাভাবিক ছন্দে ফিরেছে। তবে গণ–অভ্যুত্থানপরবর্তী পরিস্থিতি মূল্যায়নে তাঁরা প্রায় একই ধরনের হতাশার কথা জানালেন।

এই ব্যক্তিদের অধিকাংশের মতে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ও ভোটাধিকার ফিরে পাওয়া বড় অর্জন হলেও রাষ্ট্র সংস্কার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, গণহত্যার বিচার, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি দমনে প্রত্যাশিত অগ্রগতি হয়নি। তবে কেউ কেউ মনে করেন, সংস্কার একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া; সরকারকে পর্যাপ্ত সময় দিলে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সম্ভব।

একজন জুলাই যোদ্ধা হিসেবে আমি আজকের দেশ দেখে আশাহত এবং খুবই লজ্জিত। এ রকম দেশের জন্য আবু সাঈদ, মুগ্ধরা জীবন দেননি। যে সিস্টেম (ব্যবস্থা) বদলানোর জন্য এত আত্মত্যাগ, আজও সেই একই সিস্টেমের মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছি। কোনো পরিবর্তনই আমি দেখি না!
শায়লা আক্তার, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী
টিনের ‘ঢাল’ হাতে নাসিরের প্রতিরোধ

আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আগের দিন ৪ আগস্ট রাজধানীর কারওয়ান বাজারে টিনের তৈরি ঢাল নিয়ে পুলিশের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন স্যানিটারি মিস্ত্রি মো. নাসির খান। তাঁর সেই ছবিও আন্দোলনের প্রতীক হয়ে ওঠে। যদিও তিনি আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন আরও আগে, জুলাইয়ের ২২ তারিখে।

মতিঝিল এলাকায় চলতি মাসের ৯ তারিখ নাসিরের সঙ্গে কথা হয়। তিনি প্রথম আলোকে জানান, সেদিন সোনারগাঁও হোটেলের পাশে একটি অস্থায়ী বেড়া থেকে একটি টিন খুলে নিয়ে দুই টুকরা করেন। এর একটি দিয়ে ‘ঢাল’ বানান তিনি। সেটি নিয়ে অন্য আন্দোলনকারীদের পেছনে ফেলে পুলিশের সামনে চলে যান। একপর্যায়ে তাঁর কপালে ও হাতে ছররা গুলি লাগে। তাঁর পাশের আরেকজন আন্দোলনকারী গুলিবিদ্ধ হন। তখন আর টিনটা ধরে রাখতে পারেননি তিনি।

নাসির বলেন, ‘কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করেছিল। পরে যখন দেখলাম, সরকার পাখির মতো গুলি করে দেশের মানুষকে হত্যা করছে, তখন বিবেকের তাড়নায় আমিও রাস্তায় নেমে এসেছিলাম। সেদিন আন্দোলনে না নামলে আক্ষেপ থেকে যেত।’ তাঁর মতে, সংস্কারের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অন্তর্বর্তী সরকার তা কাজে লাগাতে পারেনি। একই সঙ্গে আহত যোদ্ধাদের তালিকায় নিজের নাম না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য বর্তমান সরকারকে পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে বলে মনে করেন নাসির।

কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করেছিল। পরে যখন দেখলাম, সরকার পাখির মতো গুলি করে দেশের মানুষকে হত্যা করছে, তখন বিবেকের তাড়নায় আমিও রাস্তায় নেমে এসেছিলাম। সেদিন আন্দোলনে না নামলে আক্ষেপ থেকে যেত।
স্যানিটারি মিস্ত্রি মো. নাসির খান

মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা রায়হান

আন্দোলনে উত্তাল ১৯ জুলাই তারিখে উত্তরা পূর্ব থানার সামনে পুলিশের গুলিতে আহত হয়েছিলেন রায়হান মোল্লা। আহত অবস্থায় তাঁর সড়ক বিভাজকের আড়ালে আশ্রয় নেওয়ার সময়ের একটি ছবি ওই সময় তুমুল আলোচিত হয়। তিনি রাজপথে নেমেছিলেন ১৬ জুলাই।

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় কলেজ অব অ্যাভিয়েশন টেকনোলজিতে অধ্যয়নরত রায়হান এখন ব্যবসা করছেন। পাশাপাশি তিনি জুলাই গণ–অভ্যুত্থান নিয়ে তথ্য–উপাত্ত সংরক্ষণের কাজ করছেন।

রায়হান বলেন, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, দুর্নীতি ও বৈষম্য কমানো এবং সবার সমান অধিকার নিশ্চিত হলেই গণ–অভ্যুত্থানের চেতনার বাস্তবায়িত হবে।
১০ জুলাই কারওয়ান বাজার এলাকায় কথা হয় রায়হানের সঙ্গে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘সেদিন সকালে বন্ধুবান্ধব একত্র হয়ে ঢাকা–ময়মনসিংহ রোডের যান চলাচল বন্ধ করে দিই। ছাত্র–জনতার প্রতিনিধি হয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে গেলে আমাকে মিথ্যা প্ররোচনা দিয়ে আন্দোলনরত সবাইকে নিয়ে চলে যেতে বলে। আমরা চলে যেতে না চাইলে প্রথমে জীবননাশের হুমকি দেয় এবং পরে সরাসরি গুলি ছোড়ে। প্রথম গুলিটা করে আমার দিকে। সঙ্গে সঙ্গে আমার হাত থেকে মাইকটা পড়ে যায় এবং আমি মাটিতে লুটিয়ে পড়ি। পরে সড়ক বিভাজকের পাশে আশ্রয় নিই।’

শারীরিক ক্ষত অনেকটাই সেরে গেলেও সেদিনের গুলির শব্দ, মানুষের আর্তনাদ আর হারিয়ে যাওয়া মুখগুলো আজও রায়হানকে তাড়া করে। তাঁর মতে, জুলাইয়ের লক্ষ্য ছিল বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠন। কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন এলেও সেই লক্ষ্য এখনো অর্জিত হয়নি। রায়হান বলেন, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, দুর্নীতি ও বৈষম্য কমানো এবং সবার সমান অধিকার নিশ্চিত হলেই গণ–অভ্যুত্থানের চেতনার বাস্তবায়িত হবে।
মুখ চেপে ধরা সেই ছবির নাহিদুল

আন্দোলন তখন তুঙ্গে। ৩১ জুলাই ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়া মো. নাহিদুল ইসলামকে হাইকোর্ট এলাকার মাজার গেটের সামনে আটক করে পুলিশ। আটকের সময় তাঁর মুখ চেপে ধরার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত হয়। নাহিদুল বৈষম্যহীন দেশ গঠনের স্বপ্ন নিয়ে আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন ১০ জুলাই।

নাহিদুল ধানমন্ডির নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক পরীক্ষা দিয়েছেন। এখনো ফল প্রকাশ হয়নি। বর্তমানে সহকারী পরিচালক হিসেবে নাটক নির্মাণে সম্পৃক্ত আছেন।

৯ জুলাই নাহিদুলের সঙ্গে তাঁর কলেজ প্রাঙ্গণে কথা হয়। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি কর্মসূচিতে পুলিশ মারমুখী আচরণ শুরু করে। এর প্রতিবাদ করতে গেলে এক পুলিশ কর্মকর্তা আমাকে বলে, “তোকে মেরে ফেলব।” আমি তখন বলেছিলাম, “আর কত গুম-খুন করলে আপনাদের মনে শান্তি আসবে?” তখন আমার মুখ চেপে ধরা হয়। পরবর্তী সময়ে আইনজীবীদের সহযোগিতায় হাইকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে আমাকে ছাড়ানো হয়।’

গণ–অভ্যুত্থানের দুই বছর পর তাঁর মূল্যায়ন হলো মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু ও ‘জয় বাংলা’কে আওয়ামী লীগ নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ করেছিল বলেই তাদের পতন শুরু হয়েছিল। একইভাবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকেও একটি গোষ্ঠী কুক্ষিগত করায় অভ্যুত্থান ব্যর্থ হয়েছে।

সরকারকে সতর্ক করে নাহিদুল বলেন, তরুণ প্রজন্মকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সহযোগিতা না করলে পরবর্তী প্রজন্মও আগের প্রজন্মকেই অনুসরণ করবে।

গণ–অভ্যুত্থানের দুই বছর পর তাঁর মূল্যায়ন হলো মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু ও ‘জয় বাংলা’কে আওয়ামী লীগ নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ করেছিল বলেই তাদের পতন শুরু হয়েছিল। একইভাবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকেও একটি গোষ্ঠী কুক্ষিগত করায় অভ্যুত্থান ব্যর্থ হয়েছে।
পুলিশের গাড়ির সামনে ‘মানবঢাল’ নুসরাত

নাহিদুলের মতো মার্চ ফর জাস্টিস কর্মসূচিতে গিয়েছিলেন স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান। ওই কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভাই নূর আলমকে আটক করতে গেলে পুলিশের গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানান নুসরাত। তাঁর সেই প্রতিবাদের ছবি আন্দোলনের অন্যতম আলোচিত ‘মুহূর্ত’ হয়ে ওঠে। এর আগে ১৮ জুলাই থেকে রাজপথে ছিলেন তিনি।

ডেমরা এলাকায় ৯ জুলাই নুসরাত প্রথম আলোকে বলেন, ‘অন্যায়ের প্রতিবাদ করতেই দাঁড়িয়েছিলাম। এরপর কী হবে, ভাবার সময় ছিল না।’ সেদিনের ঘটনার স্মৃতিচারণা করে তিনি বলেন, ‘মার্চ ফর জাস্টিস কর্মসূচিতে হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে পুলিশ শিক্ষার্থীদের ওপর অতর্কিত হামলা করে। সেখান থেকে শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তার করা শুরু করে। নূর আলম ভাইয়াকে যখন গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাচ্ছিল, তখন আমার জায়গা থেকে যতটুকু প্রতিবাদ করা দরকার, সেটি করেছি। জুলাইয়ের আগে আমি জানতামই না, আমার মধ্যে এত সাহস আছে! সেই সাহস আমাকে এখনো অনুপ্রাণিত করে।’

নুসরাতের মতে, শেখ হাসিনা সরকারের পতন ও ভোটাধিকার ফিরে পাওয়া ছাড়া অভ্যুত্থানের অনেক প্রত্যাশাই এখনো পূরণ হয়নি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, নারীর নিরাপত্তা ও জুলাই সনদের বাস্তবায়নে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি। তিনি মনে করেন, এখন সবচেয়ে জরুরি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা।

তখন আমার জায়গা থেকে যতটুকু প্রতিবাদ করা দরকার, সেটি করেছি। জুলাইয়ের আগে আমি জানতামই না, আমার মধ্যে এত সাহস আছে! সেই সাহস আমাকে এখনো অনুপ্রাণিত করে।
স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান
ভাইয়ের লাশ কাঁধে মিমের মিছিল

আওয়ামী লীগ সরকার পতনের দিন ৫ আগস্ট বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গ থেকে নিহত ইসমাইল হোসেন রাব্বির মরদেহ কাঁধে নিয়ে চানখাঁরপুলে মিছিল করেন দুই বোন মিতু আক্তার ও মিম আক্তার। সেই ছবি আন্দোলনের অন্যতম স্মরণীয় প্রতীক হয়ে আছে।

দুই বোনের মধ্যে মিতু ছিলেন গৃহিণী। আর মিম তখন কবি নজরুল সরকারি কলেজের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী। তিনি ৩ আগস্ট থেকে আন্দোলনে ছিলেন।

বর্তমানে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনে কর্মরত মিমের সঙ্গে ৯ জুলাই রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় কথা হয়। দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন খুব বেশি ভাবেন না উল্লেখ করে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, তবে নির্বাচিত সরকারের কাছে তাঁর প্রত্যাশা, শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়াবে এবং মব ও চাঁদাবাজি দমনে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

ঢাবিতে ছাত্রলীগের হামলার শিকার লামিয়া

আন্দোলন দিন দিন আরও বিস্তৃত ও ব্যাপক আকার ধারণ করছিল। এ পরিস্থিতিতে ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালান ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা। ওই সময় ভিসি চত্বর থেকে আরেক নারী শিক্ষার্থীর হাত ধরে দৌড় দেন লামিয়া রায়হান। এরপরও ছাত্রলীগের একজন লাঠি হাতে তাঁদের ওপর চড়াও হন। ওই সময়ের একটি ছবি ব্যাপক ভাইরাল হয়।

লামিয়া ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী। ৭ জুলাই থেকে আন্দোলনে সরব ছিলেন তিনি।

একটা আক্ষেপ রয়েছে লামিয়ার। জানালেন, গত দুই বছরে জুলাই নিয়ে নানা কর্মসূচিতে তাঁর ভাইরাল ছবি ব্যবহার করা হলেও তাঁকে কখনো আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
আজিমপুর এলাকায় ৯ জুলাই কথা হয় লামিয়ার সঙ্গে। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘সেদিন ছাত্রলীগের হামলার সময় একজন মেয়ে আমার মতোই কী করবে বুঝে উঠতে না পেরে এদিকে-সেদিক তাকাচ্ছিল। তখন ওর হাত ধরে বলি, চলো, আমরা এদিক দিয়ে দৌড় দিই। আমরা যখন দৌড়াচ্ছিলাম, তখন ছাত্রলীগের কয়েকজন আমাদের মারতে তেড়ে আসে। এ রকমই একটি ছবি সে সময় ভাইরাল হয়, যা আমরা পরে জানতে পারি।’

লামিয়া বলেন, ছবিটি অনেককে আন্দোলনে অনুপ্রাণিত করেছে জেনে ভালো লাগে। তবে বৈষম্য, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন ছিল, তার বড় অংশই এখনো অপূর্ণ। তাঁর অভিযোগ, একটি গোষ্ঠী জুলাই গণ–অভ্যুত্থানকে নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ করায় এ অভ্যুত্থান নিয়ে মানুষের আগ্রহ কমে গেছে।

একটা আক্ষেপ রয়েছে লামিয়ার। জানালেন, গত দুই বছরে জুলাই নিয়ে নানা কর্মসূচিতে তাঁর ভাইরাল ছবি ব্যবহার করা হলেও তাঁকে কখনো আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় ভিন্ন ভিন্ন পরিস্থিতিতে এই সাতজন বিক্ষোভে অংশ নেন, প্রতিবাদ জানান। তবে তাঁদের চাওয়া ছিল অভিন্ন—বৈষম্যহীন বাংলাদেশের বিনির্মাণ। শেখ হাসিনা সরকারের পতনকে তাঁরা ঐতিহাসিক অর্জন হিসেবে দেখেন। কিন্তু নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন নিয়ে মানুষ রাজপথে নেমেছিল, তার বাস্তবায়নে এখনো অনেক দূর যেতে হবে মনে করেন তাঁরা। তাঁদের প্রত্যাশা, শহীদদের আত্মত্যাগের প্রকৃত মূল্যায়ন হবে তখনই, যখন আইনের শাসন, জবাবদিহি ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে।

Stay with Dwellers of Dhaka-DhakaBashi
PMO Bangladesh - প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
Tarique Rahman

#জুলাইয়ের_মুখগুলো #আন্দোলনের_মুখগুলো #স্মৃতিতে_জুলাই #বৈষম্যবিরোধী_ছাত্র_আন্দোলন

শহরের বুকে কৃত্রিম বন্যা: ঢাকার জলাবদ্ধতা সংকট এবং আমাদের করণীয়! প্রতি বছর বর্ষা এলেই সামান্য বৃষ্টিতে ঢাকা শহর যেন এক এ...
13/07/2026

শহরের বুকে কৃত্রিম বন্যা: ঢাকার জলাবদ্ধতা সংকট এবং আমাদের করণীয়!

প্রতি বছর বর্ষা এলেই সামান্য বৃষ্টিতে ঢাকা শহর যেন এক একটি ভাসমান দ্বীপে পরিণত হয়। এই তীব্র জলাবদ্ধতা কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়, বরং আমাদের কিছু ভুল এবং অপরিকল্পিত ব্যবস্থার ফল।

কেন ডুবছে ঢাকা? (মূল কারণসমূহ):
১️⃣ খাল ও জলাশয় ভরাট: একসময়ের অর্ধশতাধিক খালের সিংহভাগই আজ উধাও। পুকুর, ডোবা ও নিচু জমি বালু দিয়ে ভরাট করে আবাসন গড়ে তোলায় পানি জমার প্রাকৃতিক জায়গা নেই।
২️⃣ অপরিকল্পিত ড্রেনেজ: সরু ড্রেন এবং বিভিন্ন সরকারি সংস্থার (ওয়াসা, সিটি কর্পোরেশন, রাজউক) সমন্বয়হীনতার অভাব।
৩️⃣ প্লাস্টিক ও বর্জ্যের বাধা: আমাদের ফেলে দেওয়া পলিথিন ও প্লাস্টিক বোতল ড্রেনের মুখ পুরোপুরি বন্ধ করে দিচ্ছে।
৪️⃣ মাটি ঢেকে যাওয়া: পুরো শহর কংক্রিটে ঢাকা পরায় বৃষ্টির পানি মাটির নিচে চুইয়ে যাওয়ার (Infiltration) কোনো সুযোগ পাচ্ছে না।
৫️⃣ নদীর নাব্যতা সংকট: বুড়িগঙ্গা, তুরাগ বা বালু নদীর তলদেশ ভরাট হওয়ায় শহরের পানি নদীতে নামতে পারছে না, উল্টো ব্যাক ফ্লো করছে।

এই নরকযন্ত্রণা থেকে মুক্তির উপায় কী? (প্রতিকারের পদক্ষেপ):
✅ খাল উদ্ধার ও খনন: দখল হয়ে যাওয়া সব খাল উদ্ধার করে সেগুলোর প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে।
✅ সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান: ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কারে সব সেবা সংস্থাকে একসাথে কাজ করতে হবে এবং বক্স কালভার্ট নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।
✅ বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সচেতনতা: যত্রতত্র প্লাস্টিক ও পলিথিন ফেলা বন্ধ করতে হবে। ডাস্টবিন ব্যবহারের অভ্যাস ড্রেনগুলোকে সচল রাখবে।
✅ স্পঞ্জ সিটি (Sponge City) ধারণা: শহরের কিছু অংশ কাঁচা মাটি, ঘাস ও পার্কের জন্য রাখতে হবে যাতে পানি সহজে মাটিতে শোষিত হতে পারে।
✅ নদীর তলদেশ ড্রেজিং: ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে নিয়মিত ড্রেজিং বা খনন কাজ জরুরি।

ঢাকা আমাদের শহর। একে বাঁচাতে হলে যেমন প্রয়োজন সুদূরপ্রসারী সরকারি উদ্যোগ, তেমনই প্রয়োজন আমাদের নাগরিক সচেতনতা। আসুন, সচেতন হই এবং শহরকে বাঁচাই!

Stay with Dwellers of Dhaka-DhakaBashi
PMO Bangladesh - প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় Tarique Rahman

''শেষ আষাঢ়ের বৃষ্টিতে ডুবল ঢাকার সড়ক-অলিগলি''আষাঢ়ের শেষ সময়ে এসে গতকাল গভীর রাত থেকে রাজধানীতে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ...
12/07/2026

''শেষ আষাঢ়ের বৃষ্টিতে ডুবল ঢাকার সড়ক-অলিগলি''

আষাঢ়ের শেষ সময়ে এসে গতকাল গভীর রাত থেকে রাজধানীতে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ভোরের দিকে বৃষ্টির পরিমাণ ছিল অনেক বেশি। বিরতিহীন এই বৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক-অলিগলিতে পানি জমে গেছে। কোথাও হাঁটু সমান, আবার কোথাও কোমর সমান পানি জমেছে।
বৃষ্টিতে সড়ক যোগাযোগ মারাত্মক বিঘ্নিত হচ্ছে। অনেক জায়গায় বেশি পানিতে ডুবে গাড়ির ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বহু অটোরিকশা ও সিএনজি রাস্তার মাঝে আটকে গেছে।

বৃষ্টির পানি জমে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের কিছু অংশ, মেরুল বাড্ডা, ডিআইটি প্রজেক্ট এলাকা, মোহাম্মদপুর, ইসিবি, মালিবাগ, শান্তিনগর, সায়াদাবাদ,আগারগাঁও থেকে জাহাঙ্গীর গেট যেতে নতুন রাস্তা, খামারবাড়ি থেকে ফার্মগেট, ফার্মগেট-তেজগাঁও ট্রাক স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকা, শনির আখড়া, পুরান ঢাকা, বংশাল, নাজিমুদ্দিন রোড, ধানমন্ডি, মিরপুর ১৩, কালশী, হাতিরঝিলের কিছু অংশ, গুলশান লেকপাড়, কাঁলাচাদপুর, বারিধারা এলাকার সংযোগ সড়কসহ বিভিন্ন সড়ক ও অলগলিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, রাজধানীতে সর্বশেষ ছয় ঘণ্টায় ৭৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। চলতি মাসে এই পরিমাণ বৃষ্টি আগে হয়নি। আর সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ৯৭ মিলিমিটার। আজ সারাদিন রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে আরও ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টিতে অবর্ণনীয় দুর্ভোগে পড়েছেন অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী ও সাধারণ পথচারীরা। কোথাও হাঁটু সমান, কোথাও আবার কোমর সমান পানি জমে থাকায় স্বাভাবিক যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে পৌঁছাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে হাজারো মানুষকে।

বৃষ্টির কারণে বাইরে বের হওয়া মানুষের সংখ্যা যদিও খুবই কম, সঙ্গে গণপরিবহনও ছিল প্রায় অনুপস্থিত। জরুরি প্রয়োজনে যারা বের হয়েছেন, তাদের একজন আব্দুস সালাম। কারওয়ান বাজার থেকে জরুরি একটি কাজে গুলশানের উদ্দেশে রওনা হওয়া আব্দুস সালাম জানান, ভোর থেকেই ঝুম বৃষ্টি চলছিল, রাস্তায় মানুষ ও যানবাহন দুটোই ছিল খুব কম। কারওয়ান বাজার থেকে গুলশান আসার পথে একাধিক এলাকায় সড়কে পানি জমে থাকতে দেখেছি, যা স্বাভাবিক যাতায়াতকে রীতিমতো চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। বিজয় সরণি, তেজগাঁও হয়ে হাতিরঝিলের দিকে আসা সিএনজিচালক আনোয়ার হোসেনও একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানান। তিনি বলেন, আসার পথে একাধিক সড়ক ও অলিগলি পুরোপুরি পানিতে তলিয়ে থাকতে দেখেছি। আর জমে থাকা সেই পানিতে দু-একটি সিএনজির ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চালকদের ঠেলে নিয়ে যেতে দেখেছি। তবে সড়কে যানবাহনের চাপ, মানুষের ভিড় তেমন দেখা যায়নি। যারা বেরিয়েছেন তাদের প্রায় প্রত্যেককেই জলাবদ্ধতার ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। এদিকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে জানানো হয়, রাতব্যাপী ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে রাজধানীর কাজীপাড়া মেট্রো স্টেশনের উভয় পাশে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। নাগরিক দুর্ভোগ কমাতে সড়কে জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণে কাজ করছে ডিএনসিসি।
Stay with Dwellers of Dhaka-DhakaBashi
PMO Bangladesh - প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
Ministry of Health and Family Welfare

#নিশ্বাসেরজন্যগাছ

"সবুজে ফিরুক আমাদের তিলোত্তমা ঢাকা! ইটের পর ইট, তার মাঝে মানুষ আমরা—এই চেনা কংক্রিটের ঢাকাকে আবার প্রাণবন্ত আর অক্সিজেন-...
09/07/2026

"সবুজে ফিরুক আমাদের তিলোত্তমা ঢাকা!

ইটের পর ইট, তার মাঝে মানুষ আমরা—এই চেনা কংক্রিটের ঢাকাকে আবার প্রাণবন্ত আর অক্সিজেন-পূর্ণ করে তুলতে আমাদের সবার একটুখানি অবদানই যথেষ্ট। অতিরিক্ত গরম আর দূষণ থেকে আমাদের প্রাণের শহরকে বাঁচাতে এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন গাছ লাগানো।

আসুন, আমরা যে যেখানে আছি—নিজেদের ছাদ, বারান্দা কিংবা আশেপাশের খালি জায়গায় অন্তত একটি করে গাছ লাগাই। আমাদের আজকের এই ছোট উদ্যোগই আগামী প্রজন্মের জন্য গড়ে তুলবে একটি সুস্থ ও বাসযোগ্য সবুজ ঢাকা।

আপনার লাগানো গাছের সাথে একটি ছবি তুলে আমাদের কমেন্ট বক্সে শেয়ার করুন আর অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করুন! আপনি আজ কোন গাছটি লাগাচ্ছেন?

Stay connect with Dwellers of Dhaka-DhakaBashi
PMO Bangladesh - প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
Tarique Rahman Ministry of Education, Bangladesh Ministry of Health and Family Welfare Ministry of Power, Energy & Mineral Resources, Bangladesh Environmental Defense Fund

#সবুজঢাকা #বৃক্ষরোপণঅভিযান #গাছলাগানপরিবেশবাঁচান #নিশ্বাসেরজন্যগাছ

ইআইইউ (EIU) বাসযোগ্যতার সূচকে উদ্বেগজনক চিত্রসাম্প্রতিক Economist Intelligence Unit (EIU)-এর বাসযোগ্যতার সূচকে বিশ্বের স...
07/07/2026

ইআইইউ (EIU) বাসযোগ্যতার সূচকে উদ্বেগজনক চিত্র

সাম্প্রতিক Economist Intelligence Unit (EIU)-এর বাসযোগ্যতার সূচকে বিশ্বের সবচেয়ে কম বাসযোগ্য শহরগুলোর তালিকায় যুদ্ধবিধ্বস্ত দামেস্ক ও ত্রিপোলি-র পরেই উঠে এসেছে ঢাকার নাম।

এটি আমাদের জন্য শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়—বরং নগর পরিকল্পনা, যানজট, বায়ুদূষণ, স্বাস্থ্যসেবা, অবকাঠামো, পরিবেশ এবং নাগরিক সেবার মান উন্নয়নে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।

ঢাকা আমাদের প্রিয় শহর। তাই সমালোচনার পাশাপাশি প্রয়োজন বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা, দায়িত্বশীল নাগরিক আচরণ এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টা, যাতে ভবিষ্যতে বাসযোগ্যতার সূচকে আরও ভালো অবস্থান অর্জন করতে পারে।

আপনার মতে, ঢাকাকে আরও বাসযোগ্য করতে সবচেয়ে জরুরি কোন পরিবর্তনটি প্রয়োজন?

Stay with Dwellers of Dhaka-DhakaBashi
PMO Bangladesh - প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
Tarique Rahman

১০৫ বছরের গৌরবময় যাত্রায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। জ্ঞান, গবেষণা, সংস্কৃতি, মুক্তচিন্তা ও নেতৃত্বে...
01/07/2026

১০৫ বছরের গৌরবময় যাত্রায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।

জ্ঞান, গবেষণা, সংস্কৃতি, মুক্তচিন্তা ও নেতৃত্বের এক অনন্য আলোকবর্তিকা—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে এই প্রাঙ্গণ গড়ে তুলেছে অসংখ্য শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী, সাহিত্যিক, শিল্পী, প্রশাসক এবং দেশপ্রেমিক, যারা বাংলাদেশের ইতিহাস ও অগ্রযাত্রায় রেখে গেছেন অমলিন অবদান।

ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে দাঁড়িয়ে থাকা এই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ শুধু একটি বিশ্ববিদ্যালয় নয়, এটি আমাদের ইতিহাস, গৌরব এবং আত্মপরিচয়ের অংশ।

গৌরবময় ১০৫ বছর পূর্তিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং শুভানুধ্যায়ীদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

শুভ জন্মদিন, প্রাচ্যের অক্সফোর্ড!
Stay with Dwellers of Dhaka-DhakaBashi
Ministry of Education, Bangladesh
#ঢাকা_বিশ্ববিদ্যালয় াবি #ঢাকার_গর্ব #ঢাকা

১০ শিল্পীর শিল্পকর্ম নিয়ে উত্তরায় ‘পারসিসটেন্স’ প্রদর্শনী'''সৃজনশীলতা কেবল একটি শিল্পচর্চা নয়; এটি এমন এক অপরিহার্য শক্ত...
21/06/2026

১০ শিল্পীর শিল্পকর্ম নিয়ে উত্তরায় ‘পারসিসটেন্স’ প্রদর্শনী'''

সৃজনশীলতা কেবল একটি শিল্পচর্চা নয়; এটি এমন এক অপরিহার্য শক্তি, যা সহমর্মিতা, সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি এবং সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতাকে লালন করে। সৃজনশীলতার অবক্ষয় ঘটলে সমাজ সেই মৌলিক গুণাবলি হারানোর ঝুঁকিতে পড়বে। এই পরিপ্রেক্ষিতে শিল্পীসত্তার অবিচল পথচলা এবং সৃজনশীল চিন্তাশক্তি প্রকাশের এক দৃঢ় প্রত্যয় হিসেবে দেশের ১০ জন স্বনামধন্য ও প্রতিভাবান শিল্পীর শিল্পকর্ম নিয়ে রাজধানীর উত্তরায় শুরু হয়েছে ‘পারসিসটেন্স’ শীর্ষক দলীয় চিত্রপ্রদর্শনী। গতকাল শনিবার ভূমি গ্যালারির সেন্টার পয়েন্ট শাখায় প্রদর্শনীটির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। সেখানে চিত্রশিল্পী তরুণ ঘোষ, ফরিদা জামান, মোহাম্মদ ইউনুস, জামাল আহমেদ, আহমেদ সামসুদ্দোহা, রোকেয়া সুলতানা, কনকচাঁপা চাকমা, মোহাম্মদ ইকবাল, শহিদ কাজী ও আবদুল্লাহ আল বশিরের ক্যানভাস, মিশ্র মাধ্যম ও জলরঙে আঁকা সর্বমোট ৬৬টি চিত্রকর্ম স্থান পেয়েছে। আগামী ২৫ জুলাই পর্যন্ত প্রদর্শনীটি প্রতিদিন বেলা ২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

Address

Dhaka
1229

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dwellers of Dhaka-DhakaBashi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category