A B Waqf Estate

A B Waqf Estate একটি ইসলামিক দাতব্য (ওয়াকফ ) প্রতিষ্ঠান ( স্থাপিত ১৯১১)

ভিশন
এবি ওয়াক্ফ এস্টেট এর মুল লক্ষ্য মানবতার কল্যানে ইসলামীক অর্থনীতির সম্পৃক্ততায় ইসলামীক শরীয়া মোতাবেক সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচন সহ কর্মসংস্থান গড়ে তোলা এবং এতিম, অসহায়, দুস্থ ও চিকিৎসা বঞ্চিতদের সুবিধা প্রদান সহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় সহায়ক ভুমিকা পালন করা।


ভিশন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে
এবি ওয়াক্ফ এস্টেট এর মিশন
ঈমান বা বিশ্বাস

কালেমা শাহাদাত এর

অর্থ আপনাকে কালেমায় শাহাদাত মুখে বলা এবং অন্তরেবিশ্বাস করা এর আরেক অর্থ হল ঈমান। ঈমান বা বিশ্বাস হল ইসলাম ধর্মের প্রথম স্তম্ব। বিশ্বের একমাত্র সৃস্টিকর্তা হলেন শক্তিমান মহান আল্লাহতালা এবং হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) উনার বার্তাবাহক এই বিশ্বাস ধর্মপ্রান মুসলমানদের বিশ্বাস রাখতেই হবে। এবি ওয়াক্ফ এস্টেট (হাজী আমলানেছা বিবি ওয়াক্ফ এস্টেট) হল মানব কল্যানকর ফি সাবিলিল্লাহ ইসলামীক প্রতিষ্ঠান এবং এক সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহতালার উপর বিশ্বাস এবং নবীকরিম হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) উনার বার্তা বাহক এই বিশ্বাস অন্তরে নিয়ে মহান আল্লাহাতালার সন্তোষ্টি অর্জনের জন্য ধর্মীয় পবিত্র দাতব্য কাজে ১৯১১ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান মোতওয়াল্লী কালেমা শাহাদাত অন্তরে লালন করে মহান আল্লাহতালার সন্তোষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে কালেমা শাহাদাত এর দাওয়াত সহ ইসলামীক অর্থনীতির সম্পৃক্ততায় ইসলামীক শরীয়া মোতাবেক দারিদ্র বিমোচন সহ কর্মসংস্থান এবং এতিম, অসহায়, দুস্ত, চিকিৎসা বঞ্চিতদের সুবিধা প্রদান সহ প্রাকৃতিক দুযোগে সহায়ক ভুমিকা পালন করে যাচ্ছে।
সালাহ বা নামাজ
মহান আল্লাহতালা মুসলমানদের জন্য ফজর, যোহর, আসর, মাগরিব ও এশা এই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করেছেন। এবি ওয়াক্ফ এস্টেট ১৯১১ সাল থেকে মহান আল্লাহ তালার নির্দেশনা অনুযায়ী মুসলিম উম্মার খেদমতের লক্ষ্যে উক্ত সেবা প্রদান করে আসছে। খন্দকার পরিবারের বংশধরেরা অথার্ৎ মোতওয়াল্লী পরিবার মহান আল্লাহতালার সন্তোষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে মুসল্লী ও মুসলিম উম্মার জন্য খতিব, ঈমাম, মোয়াজ্জেন ও হাফেজ কর্তৃক খেদমত করে আসছেন। সাথে সাথে ঈদউল ফিতর ও ঈদ উল আযহা নামাজ আদায় এর জন্য মুসল্লিদের খেদমত করে আসছেন। বর্তমান মোতওয়াল্লীও মহান আল্লাহতালার সন্তোষ্টি অর্জনের জন্য এস্টেট এর কাজে নিয়োজিত খেদমত দানকারী সম্মানীত খতিব, ঈমাম, মোয়াজ্জেন ও হাফেজদের যুগউপযোগী সম্মানীত সহ মহান আল্লাহ তালার রাস্তার প্রকৃত সেবাদানকারীদেরকেও সম্মানীত মর্যদার আসনের কর্মসংস্থানের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন এবং ইসলামীক দাওয়াত প্রচার করে আসছেন।

রমজান / রোজা
মহান আল্লাহতালা বলেন ----
হে মুমিনগন, তোমাদের উপর সিয়াম ফরজ করা হয়েছে, যেভাবে ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর। খাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বন কর। (সুরা বাকারা আয়াত ১৮৩)।
রমজানের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট হলো আল্লাহতালা এ মাসটি স্বীয় ওহি সহিফা ও আসমানি কিতাব নাজিল করার জন্য মনোনীত করেছেন। অধিকাংশ কিতাব এ মাসেই নাজিল হয়েছে।
মহান আল্লাহতালা আলকুরআনে বলেছেন --------

রমজান মাস যাতে কোরআন নাজিল করা হয়েছে আর কোরআন মানবজাতির জন্য পথের দিশা, সৎপথের সুস্পষ্ট নিদর্শন, হক বাতিলের পার্থক্যকারী। অতএব তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এ মাসটি পাবে সে এতে রোজা রাখবে , যদি সে অসুস্থ হয়ে পড়ে কিংবা সফরে থাকে সে পরবর্তী সময়ে গুনে গুনে সেই পরিমান দিন পুরন করে দেবে। আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজ করতে চান, তোমাদের জন্য কঠিন করতে চান না। যাতে তোমরা গননা পুরন করো এবং তোমাদের হিদায়াত দান করার দরুন আল্লাহর মহত্ব বর্ণনার পর কৃতজ্ঞ স্বীকার করো (সুরা বাকারা আয়াত-১৮৫)।

প্রিয় নবীজি হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর প্রিয় সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেছেন রাসুল (সাঃ) এরশাদ করেছেন যখন রমজান মাস আসে আসমানের দরজাগুলো খুলে দেওা হয় এবং দোজখের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয় আর শয়তানকে শৃঙ্খলিত করা হয় (বুখারী মুসলিম)।

হাজী আমলা নেছা বিবি ওয়াক্ফ এস্টেট (এ বি ওয়াক্ফ এস্টেট) রমজান মাসটি বিশেষ গুরুত্ব সহকারে ১৯১১ সাল হতে মুসল্লী ও মুসলিম উম্মার সকল সুবিধার্থে বিশেষ সেবা প্রদান করে যাচ্ছে।

সেবা সমুহ

০১। সম্মানীত হাফেজ কর্তৃক তারাবীর নামাজ এর ব্যাবস্তা ।
০২। সম্মানীত খতিব, ঈমাম, হাফেজ ও মোয়াজ্জেনদের বিশেষ সুবিধা প্রদান সহ সেহরী ও ইফতারীর সুব্যাবস্তা চলমান রাখা।
০৩। অসহায়, এতিম, গরীব ও সুবিধা বঞ্চিতদের ইফতারীর ব্যাবস্তা চলমান রাখা।
০৪। মুসাফিরদের ইফতারী প্রদান করা।
০৫। এলাকাবাসিদের সঠিক সময়ে সেহরীর জন্য জাগ্রত করন সহ ইফতারীর সময়ে মাইক ও সাইরেন এর মাধ্যমে সচেতন করা।
০৬। মসজিদে আগত মুসল্লীদের ইফতারী প্রদান সহ আগত মেহমানদের
সামর্থ অনুযায়ী খাবার পরিবেশন করা ।
মহান আল্লাহতালার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য অন্যান্য মাস অপেক্ষা রমজান মাসে বেশি বেশি দান, অনুদান প্রদান চলমান রাখা।


হজ্জ
হজ্জ ইসলামের অন্যতম রুকন ও ইসলামের পঞ্চম স্তম্ভ। এটি একটি ফরজ ইবাদত। যা সমার্থবান ব্যক্তিদের উপর ফরজ। পৃথিবীতে যত নেক আমল রয়েছে তন্মধ্যে হজ্জ শ্রেষ্ঠতম।

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) অন্য সকল আমলের উপর হজ্জের মর্যদাকে পূর্ব ও পশ্চিম দগিন্ত দূরত্বের সাথে তুলনা করেছেন।

মহান আল্লাহতালার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে হজ্জ পালনকারীকে গুনহামুক্ত নবজাতের ন্যায় বলা হয়েছে। কবুল হজ্জের পুরস্কার জান্নাত।

মহান আল্লাহতালা বলেন-
আর আল্লাহর উদ্দেশ্যে এ গৃহের হজ্জ করা ঐ ব্যক্তির উপর ফরজ করা হল, যারা এখানে আসার সামর্থ রয়েছে। আর যে ব্যক্তি তা অস্বীকার করে সে জেনে রাখুক যে আল্লাহ জগদ্বাসী থেকে মুখাপেক্ষাহীন। (সুরা আলে ইমরান আয়াত-৩/৯৭)।
মহান আল্লাহতালা আরো বলেন-
আর তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে হজ্জ ও ওমরাহ পূর্ন কর। কিন্তু যদি তোমরা বাধাপ্রাপ্ত হও তাহলে যা সহজলভ্য হয়, তাই কুরবানী কর, (সুরা বাকারা আয়াত ২/১৯৬)।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্নিত তিনি বলেন একদা আকরা বিন হাবেস নবী করীম (সাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলেন হে আল্লাহর রাসুল ! হজ্জ কি প্রতি বছর ফরজ না জীবনে একবারই ফরজ ! তিনি বললেন না বরং হজ্জ জীবনে একবার ফরজ। যে অধিকবার করবে তা তার জন্য নফল হবে।
এবি ওয়াক্ফ এস্টেট মহান আল্লাহতালার নির্দেশ এবং নবী করিম রাসুলুল্লাহ (সাঃ) হাদিস মোতাবেক সকল মুসলিম উম্মার নিকট হজ্জ এর গুরুত্ব ও ফজিলত এর দাওয়াত প্রচার এর কাজ চলমান রেখেছে।

আল্লাহতার সন্তুষ্টি অর্জন এর জন্য এবি ওয়াক্ফ এস্টেট বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলে দক্ষ সেবা দানকারীর মাধ্যমে বিশে^র সকল মুসলিমদের একত্রিত হওয়ার সুযোগ লাভ এবং পবিত্র ফরজ ইবাদত হজ্জ পালনের ক্ষেত্রে সকল প্রকার পরামর্শ ও সহযোগীতা ও সঠিক দিক নিদের্শনার মাধ্যমে মানবতায় সেবায় কাজ করে যাচ্ছে।

যাকাত

ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে অন্যতম একটি হল যাকাত। পবিত্র কুরআনের যেখানেই নামাজের কথা বলা হয়েছে সেখানেই পর পর যাকাতের কথা বলা হয়েছে। তাই যাকাতের গুরুত্ব যে কত তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
কুরআনে বলা হলে হয়েছে অথার্ৎ তোমরা নামাজ কায়েম কর এবং যাকাত আদায় কর।
শরিয়তের পরিভাষায়
সাধারনত সাড়ে সাত তোলা সোনা বা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপা বা এর সমপরিমান অর্থ সম্পদ থাকলে তা থেকে বার্ষিক আয়ের ২.৫০% অংশ আল্লাহর নির্ধারিত পথে দান করে দেওয়ার নাম যাকাত। এতে সম্পদ হালাল ও পবিত্র হয়।
রাসুল (সাঃ) বলেছেন যে ব্যক্তি যাকাত দিল তার থেকে যেন শয়তান নির্মুল হয়ে গেল।
যাকাত এর ব্যাপারে পবিত্র কুরআন একাধিকবার অথার্ৎ ৩২টি আয়াত আছেঃ-

সুরা হাজ্জে বলা হয়েছে ---
আমি যদি তাদেরকে পৃথিবীতে রাজত্ব দান করি, তাহলে তারা সালাত কায়েম করবে, যাকাত আদায় করবে, সৎ কাজের আদেশ দিবে এবং অসৎ কাজ হতে বিরত থাকবে। আর সব কাজের চুড়ান্ত পরিনতি একান্তই আল্লাহর ইচছাধীন (সুরা হাজ্জ আয়াত-৪১)।
সুরা বাকারায় যাকাত সম্পর্কে বলা হয়েছে ঃ-
এটা (যাকাত) প্রাপ্য যেসব অভাবগ্রস্ত লোকদের যারা আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠায় নিয়োজিত থাকায় জীবিকার জন্য জমিনে পদচারনা কারতে পারে না এবং (আত্মসম্মানের কারণে) কারো নিকট হাত পাতে না বলে অজ্ঞ লোকেরা তাদেরকে অভাবমুক্ত মনে করে। তোমরা তাদের (দারিদ্রের) লক্ষন দেখে চিনতে পারবে। তারা মানুষের নিকট মিনতি করে যাচনা করে না। আর যে কল্যানকর কিছু তোমরা ব্যয় কর, নিশ্চয় আল্লাহ তা সবশেষ অবহিত (সুরা বাকারা-আয়াত-২৭৩)।
নিশ্চয়ই ছাদাক্কাহ (যাকাত) হচ্ছে ফকীর ও মিসকীনদের জন্য এবং এতে নিয়োজিত কর্মচারীদের জন্য আর যাদের অন্তর আকৃষ্ট করতে হয় তাদের জন্য (তা বন্টন করা যায়) দাস আযাদ করার ক্ষেত্রে ঋণগ্রস্তদের মধ্যে আল্লাহর রাস্তায় এবং মুসাফিরদের মধ্যে । এটি আল্লাহর পক্ষ হতে নির্ধারিত আর আল্লাহ মহাজ্ঞানী প্রজ্ঞাময় (সুরা তওবা আয়াত ৯/৬০)।
উক্ত আয়াতে মহান আল্লাহতালা যাকাত প্রদানের ৮টি খাত উল্লেখ করেছেন
ফকীর

নিঃসম্বল ভিক্ষাপ্রার্থী। যাকে আল্লাহতালা যাকাতের ৮ টি খাতের প্রথমেই উল্লেখ করেছেন আমাদের রাসূলাল্লাহ (সাঃ) প্রতিনিয়ত দারিদ্র থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। তিনি বলতেন হে আল্লাহ ! আমি আপনার নিকট কুফরী ও দারিদ্র থেকে আশ্রয় চাচ্ছি। অতএব ফকীর যাকাতের মাল পাওয়ার হকদার।
আল্লাহতালা বলেন----
তোমরা যদি প্রকাশ্যে ছাদাক্কাহ প্রদান কর তবে উহা ভাল আর যদি তা গোপনে কর এবং দরিদ্রদেরকে দাও তা তোমাদের জন্য আরো ভাল (সুরা বাকারাহ আয়াত ২/২৭১)।
হাজী আমলানেছা বিবি ওয়াক্ফ এস্টেট মহান আল্লাহতালার নিদের্শনা অনুযায়ী এবং মহানবী (সাঃ) বানী অনুযায়ী (আল্লাহতালা তাদের উপর তাদের সম্পদে ছাদাক্কাহ (যাকাত) ফরজ করেছেন। যেটা তাদের ধনীদের নিকট থেকে গৃহিত হবে আর তাদের দরিদ্রের মাঝে বন্টন হবে) নিঃসম্বল ভিক্ষাপ্রার্থী ব্যক্তিকে যাকাতের অর্থ নিয়ে দারিদ্রতা লাঘব এবং সাবলম্বী করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে ।

মিসকীন
যাকাত প্রদানের ৮টি খাতের মধ্যে দ্বিতীয় খাত হিসাবে মহান আল্লাহতালা মিসকীনকে উল্লেখ করেছেন আর মিসকীন হল ঐ ব্যক্তি যে নিজের প্রয়োজন মিটাতেও পারে না। মুখ ফুটে চাইতেও পারে না। বাহিক্যভাবে তাকে সচ্ছল বলেই মনে হয়।
হাদিসে এসেছে-
আবু হুরায়বাহ (রাঃ) হতে বর্নিত রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন এমন ব্যক্তি মিসকীন নয় যে এক মুঠা- দু মুঠ্যে খাবার এর জন্য বা দুই একটি খেজুরের জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ায় এবং তাকে তা দেওয়া হলে ফিরে আসে বরং প্রকৃত মিসকীন হল সেই ব্যক্তি যার প্রয়োজন পুরন করার মত যথেষ্ট সঙ্গতি নেই। অথচ তাকে চেনাও যায় না যাতে লোকে তাকে সাদাক্কাহ করতে পারে এবং সে নিজেও মানুষের নিকট কিছু চায় না।
এবি ওয়াক্ফ এস্টেট মহান আল্লাহতালার নিদের্শনা এবং রাসুলুল্লাহ (সাঃ) হাদিস মোতাবেক প্রকৃত মিসকীনদের মাঝে যাকাত এর অর্থ দিয়ে অথার্ৎ ঐ ব্যক্তি যে নিজের প্রয়োজন মিটাতে পারে এবং মুখ ফুটে চাইতেও পারে না এমন ব্যক্তিদেরকে খুজে এবং চিনে তাদের প্রয়োজন মেটানো সহ সমাজে সচ্ছল ভাবে জীবনযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যাবস্তা গ্রহন সহ মহান আল্লাহতালার সন্তোষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে ।

যাকাত আদায়কারী ও হেফাযতকারী

আল্লাহতালা যাকাত প্রদানের তৃতীয় খাত হিসাবে ঐ ব্যক্তিকে উল্লেখ করেছেন যে ব্যক্তি যাকাত আদায়, হেফাযত ও বন্টনের কাজে নিয়োজিত। অতএব উক্ত ব্যক্তি সম্পদশালী হলেও সে চাইলে যাকাতের অংশ গ্রহন করতে পারবে
হাদীসে এসেছে-
ইবনু সায়েদী আল-মালেকী (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, ওমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) আমাকে যাকাত আদায়কারী হিসাবে নিযুক্ত করলেন। যখন আমি কাজ শেষ করলাম এবং তার কাছে পৌছিয়ে দিলাম তখন তিনি নিদের্শ দিলেন আমাকে পারিশ্রমিক দেওয়ার জন্য। আমি বললাম আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যই আমি ইহা করেছি সুতরাং আমি আল্লাহর নিকট থেকেই এর প্রতিদান নেব। তিনি বললেন আমি যা দিচ্ছি তা নিয়ে যাও। কেননা আমিও রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর সময় যাকাত আদায়কারীর কাজ করেছি। তখন তিনিও আমাকে পারিশ্রমিক প্রদানের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তখন আমিও তোমার মত এরুপ কথা বলেছিলাম রাসুল (সাঃ) আমাকে বলেছিলেন, যখন তুমি না চাওয়া সত্তে¡ও তোমাকে কিছু দেওয়া হয়, তখন তুমি তা গ্রহন কর। তুমি তা নিজ খাতে অথবা ছাদাক্কাহ কর।
হাজী আমলা নেছা বিবি ওয়াক্ফ এস্টেট একটি স্বচ্ছ ইসলামীক সেবা দানীকারী প্রতিষ্ঠান। উক্ত প্রতিষ্ঠানটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম মন্ত্রনালয় এর অধীনে বাংলাদেশ ওয়াক্ফ প্রশাসন কর্তৃক নিয়ন্ত্রীত এবং প্রতিবছর এস্টেট এর আয় ও ব্যয় বাধ্যাতমুলক ভাবে সরকারের নিকট হিসাব দাখিল করে আসছে। কমিশনার অফ ওয়াকফস বেঙ্গল, কলিকাতা, ইন্ডিয়া কর্তৃক তালিকা ভুক্ত হয়ে আজ অব্দি অর্থাৎ ১১১ বছর ধরে মানবতার সেবায় কাজ করে যাচ্ছে। যাকাত আদায় ও হেফাজতের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার মাধ্যমে এবি ওয়াকফ এস্টেট মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশ এবং নগদ এর সহযোগীতায় যাকাত প্রদানকারীদের জন্য স্বচ্ছ ও সহজ পদ্ধতির মাধ্যমে যাকাত প্রদানের সঠিক পথ তৈরী করেছেন এবং মহান আল্লাহতালার সন্তোষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে আল্লাহতালার নির্ধারীত পথে সঠিক বন্টন ও সঠিক স্থানে প্রয়োগ করে যাচ্ছে ।

ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য কোন অমুসলিমকে যাকাত প্রদান করা

ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে অথবা কোন অনিষ্ঠ বা কাফেরের ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়ার লক্ষ্যে কোন অমুসলিমকে যাকাতের অর্থ প্রদান করা যায়। এবি ওয়াক্ফ এস্টেট হাদিস মোতাবেক অমুসলিমকে ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট এবং কাফেরের ক্ষতি ও অনিষ্ঠ হতে রক্ষার্থে যাকাতের অর্থ দিয়ে সঠিক সময়ে সঠিক স্থানে প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করে যাচ্ছে ।

দাস মুক্তির জন্য
যারা লিখিত কোন চুক্তির ভিত্তিতে দাসে পরিনত হয়েছে, তাদেরকে মালিকের নিকট থেকে ক্রয়ের মাধ্যমে মুক্ত করার লক্ষ্যে যাকাতের অর্থ প্রদান করা যায়। অনুরুপভাবে বর্তমানে কেন মুসলিম ব্যক্তি অমুসলিমদের হাতে বন্দি হলে সে ব্যক্তিও এই খাতের অর্ন্তভুক্ত হবে।
হাজি আমলা নেছা বিবি ওয়াকফ এস্টেট জাকাত প্রদানের নির্ধারিত খাতের মধ্যে দাস মুক্তি অর্থাৎ উক্ত খাতের জন্য সঠিক সময় সঠিক স্থানে যুগপোযোগী ব্যবস্থা চলমান রেখেছে।
হাজি আমলা নেছা বিবি ওয়াকফ এস্টেট ইসলামিক অর্থনীতির মুল চাবি কাঠি জাকাত এর সঠিক প্রয়োগ এর মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত দারিদ্র বিমোচন ও কর্মসংস্থান গড়ে তোলা সহ ইসলামিক শরিয়া ভিত্তিক ভাবে সেবা প্রদান চলমান রেখেছেন।

ঋণ গ্রস্ত ব্যাক্তি

ঋণ গ্রস্ত ব্যাক্তি কে তার ঋণ থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে জাকাত প্রদান করা যাবে।
হাদিসে এসেছে
কাবিছা ইবনু মাখাবেক রাহমাতুল্লাহ হতে বর্ণিত -- তিনি বলেন একবার আমি কিছু ঋণের জিম্মাদার হয়েছিলাম। অতএব এ বেপারে আমি রাসুল্লাহ এর নিকট গেলাম। তিনি আমাকে বললেন ( মদিনায় ) অবস্থান করো যতক্ষণ পর্যন্ত আমার নিকট জাকাতের মাল না আসে। তখন আমি তা হতে তোমাকে কিছু দেওয়ার নির্দেশ দান করবো। অতঃপর রাসূলাল্লাহ (সাঃ) বললেন হে কাবিছা ! তিন ব্যাক্তি ব্যাতিত অন্য কারো জন্য (জাকাতের মাল হতে ) সাহায্য চাওয়া হালাল নয়।
১. যে ব্যাক্তি কোনো ঋণের জিম্মাদার হয়েছে তার জন্য ( জাকাতের মাল হতে ) সাহায্য চাওয়া হালাল যতক্ষণ না সে তা পরিশোধ করে। তারপর তা বন্ধ করে দিবে।
২. যে ব্যাক্তি কোনো বলা মুসিবতে আক্রান্ত হয়েছে যাতে তার সম্পদ ধ্বংস হয়ে গেছে তার জন্য ( জাকাতের মাল হতে ) সাহায্য চাওয়া হালাল যতক্ষণ না তার প্রয়োজন পূর্ণ করার মতো অথবা তিনি বলেছেন বেঁচে থাকার মতো কিছু লাভ করে এবং
৩. যে ব্যক্তি অভাবগ্রস্ত হয়েছে এমনকি তার প্রতিবেশীদের মধ্যে কোন বুদ্ধি সম্পন্ন তিন জন ব্যক্তি তার দারিদ্রের ব্যাপারে স্বাক্ষী প্রদান করেছি তার জন্য (যাকাতের মান থেকে) সাহায্য চাওয়া হালাল যতক্ষন না সে তার জীবিকা নির্বাহের মত অথবা তিনি বলেছেণ বেঁচে থাকার মত কিছু লাভ করে। হে কাবিছা : এরা ব্যতীত যার (যাকাতের মাল থেকে) চায় তারা হারাম খাচ্ছে ।
এবি ওয়াক্ফ এস্টেট মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর হাদীস মোতাবেক উপরে উল্লেখিত বিবরনের ঋণগ্রস্ত ব্যক্তিকে যাকাতের অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে ও গভীরভাবে পর্যালোচনা করে প্রকৃত ও সঠিক ঋণগ্রস্ত ব্যক্তিকে সহযোগীতা ও সঠিক বন্টন এর কাজ সুষ্ঠুভাবে করে যাচ্ছে ।
আল্লাহর রাস্তায়
আল্লাহর দ্বীনকে সমুন্নত করার লক্ষ্যে যে কোন ধরনের প্রচেষ্টা ফী সাবাল্লিাহ বা আল্লাহর রাস্তায় অর্ন্তভুক্ত জিহাদ দ্বীনী ইলম অর্জনের যাবতীয় পথ এবং দ্বীন প্রচারের যাবতীয় মাধ্যম ও এ খাতের অন্তভুক্ত।
হাদীসে এসেছে
আতা ইবনু ইয়াসার (রাঃ) হতে বর্নিত রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন সম্পদশালী ব্যক্তির জন্য যাকাত গ্রহন হালাল নয়। তবে পাঁচ শ্রেনীর ধনীর জন্য তা জায়েয।
০১। আল্লাহর পথে জিহাদরত ব্যক্তি।
০২। যাকাত আদায়ে নিয়োজিত কর্মচারী।
০৩। ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি।
০৪। যে ব্যক্তি যাকাতের মাল নিজ মাল দ্বারা ক্রয় করেছে।
০৫। মিসকীন প্রতিবেশীর তার প্রাপ্ত যাকাত থেকে ধনী ব্যক্তিকে উপটোকন দিয়েছে ।
এবি ওয়াক্ফ এস্টেট আল্লাহর দ্বীনকে সমুন্নত করার লক্ষ্যে আল্লাহর রাস্তায় ১৯১১ সাল থেকে অন্তভুক্ত এবং জিহাদ, দ্বীনী ইলম অর্জনের যাবতীয় পথ এবং দ্বীন প্রচারের যাবতীয় কাজ উক্ত খাতে সুন্দর ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে চলমান রেখেছেন।


মুসাফির
সফরে গিয়ে যার পাথেয় শেষ হয়ে গেছে ব্যক্তিকে যাকাতের অর্থ প্রদান করে বাড়ী পর্যন্ত পৌছানোর ব্যাবস্তা করতে যাকাতের অর্থ দান করা যাবে। এক্ষেত্রে উক্ত মুসাফির সম্পদশালী হলেও তাকে যাকাত প্রদান করা যাবে। এবি ওয়াক্ফ এস্টেট উক্ত খাতের ক্ষেত্রে সঠিক মুসাফির ও সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্তা চলমান রেখেছে।

ভিশন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে
এবি ওয়াক্ফ এস্টেট এর ২য় মিশন

খাদ্য
মানুষের বেঁচে থাকার মৌলিক একটি চাহিদা হল খাদ্য। বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রদান দেশ। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কর্মসংস্থানের খাত এবং দরিদ্র বিমোচন, মানব সম্পদ উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক ও সামাজিক শক্তির মতো প্রধান সামষ্টিক অর্থনৈতিক লক্ষ্যগুলির উপর এই সেক্টর এর কর্মক্ষমতা একটি অপ্রতিবোধ প্রভাব ফেলে। জনসংখ্যার চাপ উৎপাদনশীল ক্ষমতার উপর একটি গুরুতর বোঝা চাপিয়ে চলেছে। খাদ্য ঘাটতি তৈরী করছে। বৈদেশিক সহায়তা এবং বাণিজ্যিক আমদানী শুন্যস্থান পুরন করে। এবি ওয়াক্ফ এস্টেট এর মোতওয়াল্লী ইসলামীক অর্থনীতির সুব্যাবস্থার মাধ্যমে কৃষি ক্ষেত্রে উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আমদানির উপর নির্ভরতা কমিয়ে কর্মসংস্থান এর সুযোগ তৌরি করে দারিদ্র বিমোচন উপর কাজ যাচ্ছে। ওপর দিকে পরিবেশ গত সমস্যা যেমন কীটনাশক, জলাবাবস্থাপনা ,দূষণ এবং ভূমির অবক্ষয় সমস্যা গুলো লাঘব করে কৃষি ক্ষেত্র থেকে সকল খাদ্যর চাহিদা পূরণ এর জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

বস্ত্র
বস্ত্র আমাদের মৌলিক চাহিদার অপুরনীয় একটি। হাজী আমলা নেছা বিবি ওয়াক্ফ এস্টেট এর মোতওয়াল্লী ইসলামীক অর্থনীতির পথযাত্রায় যুগউপযোগী চাহিদার মাধ্যমে অর্থনীতির চাকা সচল রাখার উদ্দেশ্যে মহান আল্লাহতালা থেকে প্রদত্ত প্রাকৃতিক কৃষিজাত পাট ও তুলার মাধ্যমে বস্ত্র শিল্পে যথেষ্ঠ ভুমিকা পালন করবে বলে আশা রাখে। পাট ও তুলার সংমৃশনে ও সাশ্রয়ী মুল্যে সুতা কাপড় ও তৈরী পোষাক এবং পাট জাত থেকে তৈরী দড়ি, ব্যাগ, বস্তা, গৃহস্থলি ব্যবহার্য বিভিন্ন বস্ত্র ও মালামাল দিন দিন বাংলাদেশ সহ বিশে^র বাজারে চাহিদা বাড়ছে। এবি ওয়াক্ফ এস্টেট পাঠ ও তুলা উৎপাদন এর মাধ্যমে উক্ত সেক্টরে কর্মসংস্থান সুযোগ সৃষ্টি করে দারিদ্র বিমোচন সহ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখার কাজ করে যাচ্ছে।


বাসস্থান
বাসস্থান, আবাসন, গৃহায়ন, গৃহনির্মান বলতে মানুষের বসবাসের জন্য স্থায়ী আশ্রয়ের বন্দোবস্তকে বোঝায়। এবি ওয়াক্ফ এস্টেট সামার্থ অনুযায়ী প্রকৃত গৃহনীনদেরকে মাথা গোজার ঠাঁই দেওয়ার কাজ চলমান রেখেছে


শিক্ষা
আমরা জানি, শিক্ষায় জাতীর মেরুদন্ড। আর পরিকল্পিত শিক্ষার মাধ্যমে একটি জাতি মান সম্পদে পরিনত হয়। পরিকল্পিত শিক্ষার সঙ্গে অর্থনৈতিক উন্নয়নের নিবিড় যোগসুত্রে রয়েছে এবং শিক্ষা হলো দরিদ্র বিমোচন সহ কর্মসংস্থান এর প্রধান হাতিয়ার। সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা একটি দেশকে অর্থনৈতিকভাবে সম্পদশালী করতে স্বনির্ভর অর্থনীতি প্রয়োজন অথার্ৎ কৃষি, শিল্প ও বিজ্ঞান প্রযুক্তি উন্নয়ন সর্ম্পকৃত কারিগরি শিক্ষার ভুমিকা সমপরিসীম। এবি ওয়াক্ফ এস্টেট এর মোতওয়াল্লী দেশের অর্থনীতিকে স্বনির্ভর অর্থনীতিতে সামান্য অবদান রাখার উদ্দেশ্যে দারিদ্র বিমোচন, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, আত্নকর্মসংস্থান, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও উৎপাদন শীলতা বৃদ্ধিতে সাধারণ ও ইসলামীক শিক্ষা ব্যাবস্থার পাশাপাশি যুগউপযোগী কারিগরি শিক্ষার উপর গুরুত্ব দিয়ে মহান আল্লাহতালার উপর আস্থা ও বিশ্বাস নিয়ে দক্ষ মানসম্পদ তৈরীর মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখার কাজ করে যাচ্ছে।

চিকিৎসা
মানুষের মৌলিক চাহিদার অন্য একট হল চিকিৎসা। চিকিৎসা হল এক বা একাধিক স্বাস্থসেবা প্রদানকারীর দ্বারা স্বাস্থসেবা এবং সংশ্লিষ্ট পরিষেবার গুলির বিধান, সমন্বয় বা ব্যাবস্থাপনা। হাজী আমলা নেছা বিবি ওয়াক্ফ এস্টেট এর মোতওয়াল্লী মহান রাব্বুল আলআমীন এর উপর আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপন করে এতিম অসহায়, দুস্থ ও চিকিৎসা বঞ্চিতদের কে চিকিৎসা সেবা প্রদান সহ আল্লাহর সন্তোষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে চিকিৎসা প্রদান করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সামান্য অবদান রাখার উদ্দেশ্যে উক্ত সেক্টরে নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি সহ দারিদ্র বিমোচনে গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত এবি ওয়াক্ফ এস্টেট মানুষের মৌলিক চাহিদা অথার্ৎ চিকিৎসা সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। শুধু তাই নয় যুগউপযোগী উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদান করার উদ্দেশ্যে দেশী এবং বিদেশী বিশেষ ডাক্তার দ্বারা মানবতার সেবায় চিকিৎসা সেবা প্রদান করে যাচ্ছে।

04/08/2025

Local online News:
(মসজিদ ভাঙচুর )

আলহামদুলিল্লাহ!
সত্য এর পক্ষে অর্থাৎ মহা গ্রন্থ পবিত্র আল কুরআন এর (সূরা বাকারার ১১৪ ) আয়াত কে বুকে ধারণ করে মসজিদ ভাঙচুর কারী অর্থাৎ জালিমদেরকে সমগ্র মুসলিম বাসির কাছে তুলে ধরেছেন
কোটচাঁদপুর সকল সম্মানিত সাংবাদিক ভাইয়েরা।

হাজি আমলা নেসা বিবি ওয়াকফ এস্টেট এর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করিলাম।

04/08/2025
13/09/2024

কিয়ামত অতি সন্নিকটে!! মসজিদ ভাঙচুর!!
ভাঙচুর সিসি ক্যামেরার ফুটেজ আনোয়ানে চেষ্টা করতেছে স্পেশাল আইটি টিম।
আল্লাহ তালা আমাকে সফল করুন ও সবার দোয়া চাই।

জালিম ও সন্ত্রাসী কর্তৃক হাজি আমলা নেসা বিবি ওয়াকফ এস্টেট এর মসজিদ ভাঙচুর,ওয়াকফ সম্পদ বিনষ্ট, টাকা লুটপাট ও অগ্নি সংযোগ কারীদের বিচার চাই।

Local News paper :সকালের খোঁজখবর (মসজিদ ভাঙচুর )আলহামদুলিল্লাহ!সত্য এর পক্ষে অর্থাৎ মহা গ্রন্থ পবিত্র আল কুরআন এর (সূরা ...
11/09/2024

Local News paper :
সকালের খোঁজখবর
(মসজিদ ভাঙচুর )

আলহামদুলিল্লাহ!
সত্য এর পক্ষে অর্থাৎ মহা গ্রন্থ পবিত্র আল কুরআন এর (সূরা বাকারার ১১৪ ) আয়াত কে বুকে ধারণ করে মসজিদ ভাঙচুর কারী অর্থাৎ জালিমদেরকে সমগ্র মুসলিম বাসির কাছে তুলে ধরেছেন
কোটচাঁদপুর সকল সম্মানিত সাংবাদিক ভাইয়েরা।

হাজি আমলা নেসা বিবি ওয়াকফ এস্টেট এর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করিলাম।

Local News paper :বাংলার ভোর (মসজিদ ভাঙচুর )আলহামদুলিল্লাহ!সত্য এর পক্ষে অর্থাৎ মহা গ্রন্থ পবিত্র আল কুরআন এর (সূরা বাকা...
11/09/2024

Local News paper :
বাংলার ভোর (মসজিদ ভাঙচুর )

আলহামদুলিল্লাহ!
সত্য এর পক্ষে অর্থাৎ মহা গ্রন্থ পবিত্র আল কুরআন এর (সূরা বাকারার ১১৪ ) আয়াত কে বুকে ধারণ করে মসজিদ ভাঙচুর কারী অর্থাৎ জালিমদেরকে সমগ্র মুসলিম বাসির কাছে তুলে ধরেছেন
কোটচাঁদপুর সকল সম্মানিত সাংবাদিক ভাইয়েরা।

হাজি আমলা নেসা বিবি ওয়াকফ এস্টেট এর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করিলাম।

Local News paper :যশোর বাত্রা(মসজিদ ভাঙচুর)আলহামদুলিল্লাহ!সত্য এর পক্ষে অর্থাৎ মহা গ্রন্থ পবিত্র আল কুরআন এর (সূরা বাকার...
11/09/2024

Local News paper :
যশোর বাত্রা(মসজিদ ভাঙচুর)

আলহামদুলিল্লাহ!
সত্য এর পক্ষে অর্থাৎ মহা গ্রন্থ পবিত্র আল কুরআন এর (সূরা বাকারার ১১৪ ) আয়াত কে বুকে ধারণ করে মসজিদ ভাঙচুর কারী অর্থাৎ জালিমদেরকে সমগ্র মুসলিম বাসির কাছে তুলে ধরেছেন
কোটচাঁদপুর সকল সম্মানিত সাংবাদিক ভাইয়েরা।

হাজি আমলা নেসা বিবি ওয়াকফ এস্টেট এর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করিলাম।

Address

House-8-10, Block-G, Road-3, Banasree
Dhaka
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when A B Waqf Estate posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to A B Waqf Estate:

Share