একটি আধুনিক ও আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নটর ডেম কলেজ জন্মলগ্ন থেকেই তার ছাত্রদের মনুষ্যত্বের বিকাশ, উন্নত জীবনবোধ, প্রকৃত জ্ঞান অর্জন, সৃজনশীলতার বিকাশ ও আদর্শ মানুষ রূপে গড়ে তুলতে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এলক্ষ্যে ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দের ২৯ আগস্ট এক শুভলগ্নে কলেজের তৎকালীন অধ্যক্ষ ফাদার জে.এস. পিশাতো সি.এস.সি.-র অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকায় এবং মানবিক বিভাগের কয়েকজন ছাত্রের আন্তরিক উৎসাহ ও প্রচেষ
্টায় "নটর ডেম মানবিক সংঘ" (Notre Dame Humanitarian Club) এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য :
১. বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের উপায় খুঁজে বের করা।
২. প্রাকৃতিক ও সামাজিক দুর্যোগ কালে আর্তমানবতার সেবায় ছাত্রদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করার মনোবৃত্তি গড়ে তোলা।
৩. শিক্ষার মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান সমাজ উন্নয়নমূলক কাজে প্রয়োগে উদ্বুদ্ধ করা।
৪. ছাত্রদের নৈতিক মূল্যবোধ ও মানবিক গুণাবলী অর্জনের মাধ্যমে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা।
কার্যক্রম :
১. বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা ইত্যাদি দুর্যোগ পরবর্তীকালীন ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ ও বিভিন্ন সহায়তা প্রদান।
২. শীতার্তদের শীতবস্ত্র বিতরণ।
৩. গরিবদের ঈদবস্ত্র বিতরণ।
৪. রোজার মাসে গরিবদের ইফতার প্রদান।
৫. রক্তদান কর্মসূচি পরিচালনা।
৬. সাম্প্রতিক বিষয়াবলী নিয়ে সেমিনার আয়োজন।
৭. বার্ষিক সাধারণ জ্ঞান কুইজ প্রতিযোগিতা "Hero of NDC" আয়োজন।
৮. বিভিন্ন জাতীয় দিবসে সক্রিয় অংশগ্রহণ।
৯. শিক্ষা সফর।
১০. সাপ্তাহিক ক্লাব-সভা ও কর্মশালা।
এছাড়াও ক্লাবটি বিভিন্ন মানবসেবা মূলক কর্মকান্ড অত্যন্ত সুচারুভাবে পরিচালনা করে আসছে।
প্রকাশনা :
ছাত্রদের সৃজনশীলতা বিকাশের লক্ষে মানবিক সংঘ নিয়মিত "অনির্বান" নামে একটি দেয়ালিকা প্রকাশ করে থাকে, এতে তরুণ লেখকদের গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ ইত্যাদি লেখা স্থান পায়।
এছাড়া, ক্লাবটি "প্রদাহ" নামে একটি বার্ষিক ম্যাগাজিন প্রকাশ করতো। বর্তমানে সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে ক্লাবের বার্ষিক মুখপত্র হিসেবে "মানববর্তা" প্রকাশের উদ্যোগ গৃহীত হয়েছে ।