পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ-ঢাকা শাখা

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ-ঢাকা শাখা

পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ-ঢাকা শাখা The Greater Chittagong Hill Tracts Hill Students' Council or shortly known as P*P

স্নেহকুমার চাকমা। ভারতবর্ষের জুম্ম জনগোষ্ঠীর একজন স্বপ্নদর্শী নেতা। তিনি অবিসংবাদিত ও সংগ্রামী জননেতা, বৃটিশ বিরোধী আন্দ...
18/07/2026

স্নেহকুমার চাকমা। ভারতবর্ষের জুম্ম জনগোষ্ঠীর একজন স্বপ্নদর্শী নেতা। তিনি অবিসংবাদিত ও সংগ্রামী জননেতা, বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেতা, স্বদেশী আন্দোলনের নেতা। তিনি পাহাড়ি অধ‍্যুষিত পার্বত্য চট্টগ্রামকে ভারতের সাথে অর্ন্তভূক্তির জন্য জোর প্রচেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হন। ১৯৪৭ সালের ১৫ আগষ্ট থেকে ১৭ আগষ্ট এই তিন দিন পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটিতে ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে রাখেন।

১৯১৪ সালে বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি জেলার খবং পুজ্জি গ্রামে স্নেহকুমার চাকমা জন্মগ্রহণ করেন। পিতা শ্যামচন্দ্র চাকমার পেশায় ছিলেন কৃষক এবং চাকমা বর্ণমালার শিক্ষা দিতেন। মাতা মানকুমারী ছিলেন গৃহণী এবং বস্ত্র বুননের কাজ করতেন। ১৯২৭ সালে স্নেহ কুমার চাকমা রাঙামাটির সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯৩০ সালে অষ্টম শ্রেণীতে পড়ার সময়ে স্বদেশী আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ হয়ে স্কুলে প্রথম ছাত্র ধর্মঘটে নেতৃত্ব দেন। আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য স্কুল হতে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কৃত হন। তিনি ১৯৩২ সালে দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার হলে পুনঃরায় স্কুল থেকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কৃত হন।

১৯৩৩ সালে শিক্ষা কর্মকর্তা স্যার জেনকিন্সের সহযোগিতায় জেল হতে কয়েকদিনের মুক্তিতে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা দেন। মেট্রিক পরীক্ষায় রাঙামাটি জেলার মধ্যে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হন। ১৯৩৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে বিএ পাশ করেন। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে এমএ ভর্তি হন। ১৯৩৭ সালে স্নেহকুমার চাকমা সরকারি চাকরির সুযোগ হলেও যোগদান করে নাই।

কলেজ জীবনে সক্রিয় রাজনীতি করার সময় তিনি চাকমা যুব সংঘের প্রতিষ্ঠাতা ঘনশ্যাম দেওয়ানের সংস্পর্শে আসেন। মহেন্দ্র বড়ুয়া, চট্টগ্রাম অনুশীলন সমিতির সদস্য চারু বিকাশ দত্তসহ বৃটিশ বিরোধী বিপ্লবীদের সাথে কাজ করেন। ১৯৩০ সালের শেষ দিকে চট্টগ্রামের যাত্রামোহন সেন হলে নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর সাথে স্নেহ কুমার চাকমার প্রথম সাক্ষাৎ হয়। সাক্ষাতের পর স্নেহ কুমার চাকমা নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর ভক্ত হয়ে উঠেন। আজাদ হিন্দ ফৌজের কোহিমায় অবস্থানকাল পর্যন্ত নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর সাথে স্নেহকুমার চাকমা যোগাযোগ রাখেন।

১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারতবর্ষ ভাগ করে স্বাধীনতার সম্ভাবনা দেখা দিলে সিমলা সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে সর্বভারতীয় নেতৃবৃন্দের কাছে পার্বত্য চট্টগ্রামকে ভারতে রাখার অনুরোধ জানান। সেই সময় পার্বত্য চট্টগ্রামে মুসলিম জনসংখ্যার হার ছিল মাত্র তিন শতাংশ। স্নেহকুমার চাকমা সিমলায় পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু ও মাওলানা আবুল কালাম আজাদের সাথে আলাপ করে অনুরোধ জানান। তাঁরা স্নেহময় চাকমাকে আশ্বস্ত করেন। সেসময় মোহাম্মদ আলী জিন্নাহও পার্বত্য চট্টগ্রামকে পাকিস্তানের সাথে অন্তর্ভূক্ত করতে তেমন আগ্রহী ছিলেন না।

১৯৪৭ সালে ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীন হলে স্নেহকুমার চাকমা তাঁর বিশাল দলবল নিয়ে চট্টগ্রামের রাঙামাটিতে জেলা প্রশাসকের অফিসের সামনে ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। ১৯৪৭ সালের ১৭ আগস্ট এক বেতার বার্তায় জানানো হয় সীমানা নির্ধারণ কমিটির চেয়ারম্যান স্যার সিরিল রেডক্লিফ পার্বত্য চট্টগ্রামকে পাকিস্তানে অন্তর্ভূক্ত করেছেন। ২১ আগষ্ট পাকিস্তানের বেলুচ সেনাবাহিনীর রেজিমেন্ট পার্বত্য চট্টগ্রামে পাকিস্তানের পতাকা উত্তোলন করে।

স্নেহকুমার চাকমা অযৌক্তিকভাবে পার্বত্য চট্টগ্রামকে পাকিস্তানে অন্তর্ভূক্ত করাকে সহজে মেনে নিতে পারেন নি। ১৯৪৭ সালের ১৯ আগস্ট আটজন সশস্ত্র স্বেচ্ছাসেবককে নিয়ে স্নেহকুমার চাকমা রাঙামাটি ত্যাগ করে ত্রিপুরার উদ্দেশ্য রওয়ানা দেন। ২১ আগস্ট স্নেহকুমার চাকমা সাব্রুম পৌঁছান এবং বিদ্রোহের জন্য মনস্থির করেন। এরপর বল্লভভাই প্যাটেলের সাথে সাক্ষাত করেন। বল্লভভাই প্যাটেলের পরামর্শে স্নেহকুমার চাকমা ভারতের নুতন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুর সঙ্গে কথা বলেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহেরু স্নেহকুমার চাকমাকে কোন আশ্বাস দিতে পারেন নি।

১৯৫১ সালে স্নেহকুমার চাকমা ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের সদস্য হন। পার্বত্য চট্টগ্রাম ভারতভূক্তির স্বপ্ন চুরমার হয় গেলে স্নেহকুমার চাকমা আর নিজের জন্মস্থান পার্বত্য চট্টগ্রামে ফিরে আসেননি। তিনি ত্রিপুরায় অবস্থান নেন এবং সেখানে রাজনীতিতে যুক্ত হন। ত্রিপুরায় পিছিয়ে পড়া মানুষের অধিকার আদায় আর ধর্মীয় কাজকর্মের সাথে নিজেকে নিয়োজিত রেখে বুদ্ধ ধর্মের দর্শন ও চর্চা তথা বৌদ্ধ ধর্ম নিয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ নিবন্ধ রচনা করেন।

চাকমাদের মধ্যে স্নেহকুমার চাকমা প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭৪ সালে দ্য টেলিস্কোপ নামে এক সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশ করেন। ১৯৮৭ সালের ১৮ জুলাই স্নেহকুমার চাকমা মৃত্যুবরণ করেন।

আজ স্নেহ কুমার চাকমা'র ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী। এই অবিসংবাদিত নেতার মৃত্যু দিবসে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও লাল সালাম!

#পার্বত্যচট্টগ্রাম
#পাহাড়িছাত্রপরিষদ
#পূর্ণস্বায়ত্তশাসনপ্রতিষ্ঠারলড়াইয়েআপোষহীন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ৬ জুলাই ২০২৬ঢাকা। প্রয়াত আবুল কাসেম বজলুল হক পার্বত্য চট্টগ্রামের নিপীড়িত জনগণের লড়াইয়ের পাশে ছিলেন : ইউ...
06/07/2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
৬ জুলাই ২০২৬
ঢাকা।

প্রয়াত আবুল কাসেম বজলুল হক পার্বত্য চট্টগ্রামের নিপীড়িত জনগণের লড়াইয়ের পাশে ছিলেন : ইউপিডিএফ

প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক, রাষ্ট্রচিন্তাবিদ ও প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যতম আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) ও সহযোগী সংগঠন বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি), হিল উইমেন্স ফেডারেশন।

আজ সোমবার (৬ জুলাই ২০২৬) সকাল সাড়ে ১১ টায় ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মরদেহে ফুল দিয়ে এই শ্রদ্ধা জানান ইউপিডিএফের সদস্য অমল ত্রিপুরা, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সভাপতি সমর চাকমা ও ঢাকা মহানগর শাখা দপ্তর সস্পাদক অংসালা মারমা, হিল উইমেন্স ফেডারেশনের সদস্য দয়া চাকমা।

শ্রদ্ধার নিবেদনের পর অমল ত্রিপুরা ইউপিডিএফের হয়ে শোক মন্তব্য খাতায় লিখেন, প্রয়াত আবুল কাসেম স্যার আমাদের একজন প্রিয় মানুষ। পার্বত্য চট্টগ্রামের নিপীড়িত মানুষের লড়াইয়ে আমাদের পাশে ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে সমর্থন ও অনুপ্রেরণা দিয়েছিলেন। তিনি পাহাড়ের মুক্তিকামী জনগণের একজন বন্ধু হিসেবে পরিগণিত হবেন। তাকে আমরা স্মরণ করবো।

বান্দরবানে থানচিতে নিরপরাধ দুই আদিবাসী বম নাগরিকদের মুক্তি দিন ।
06/07/2026

বান্দরবানে থানচিতে নিরপরাধ দুই আদিবাসী বম নাগরিকদের মুক্তি দিন ।

তারিখ : ৫ জুলাই ২০২৬প্রেস বিজ্ঞপ্তিবান্দরবানে আটক দুই বম নাগরিকের মুক্তির দাবিতে ঢাকায় পিসিপির বিক্ষোভ সমাবেশবান্দরবানের...
05/07/2026

তারিখ : ৫ জুলাই ২০২৬
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বান্দরবানে আটক দুই বম নাগরিকের মুক্তির দাবিতে ঢাকায় পিসিপির বিক্ষোভ সমাবেশ

বান্দরবানের থানচি উপজেলায় সেনাবাহিনী কর্তৃক নিরীহ গ্রামবাসী চমখুপ বম ও জৌথোয়াং বমকে আটকের প্রতিবাদে এবং তাঁদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে ঢাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি), ঢাকা মহানগর শাখা।

আজ রবিবার (৫ জুলাই ২০২৬) বিকেল সাড়ে ৪টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সেনাশাসন প্রত্যাহার, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্বিচার গ্রেফতার ও ধরপাকড়সহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বন্ধের দাবি জানান। এছাড়াও পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে পাহাড়ে জনগণের দাবি পূর্ণস্বায়ত্তশাসের অধিকার প্রদানের জন্য সরকারে প্রতি আহ্বান জানান।

পিসিপি ঢাকা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক বাহাদুর ত্রিপুরার সভাপতিত্বে ও দপ্তর সম্পাদক অংসালা মারমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন পিসিপির কেন্দ্রীয় সভাপতি সমর চাকমা, গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের সভাপতি জিকো ত্রিপুরা ও হিল উইমেন্স ফেডারেশনের সদস্য রূপসী চাকমা। এছাড়াও সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর ঢাকা নগর শাখার সভাপতি তৈয়ব ইসলাম, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের ঢাকা নগর সংগঠক রাকিব উদ্দিন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মোজাম্মেল হক, বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের ঢাকা নগর শাখার সংগঠক নাইম উদ্দিন প্রমূখ।

বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে রাষ্ট্রীয় বাহিনী কর্তৃক বিচারবহির্ভূত হত্যা, গ্রেফতার, ধরপাকড়, নির্যাতন-সহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ২৪ জুন খাগড়াছড়ির রামগড়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা গুলি করে ইউপিডিএফের সদস্য ববিন ত্রিপুরাকে হত্যা করেছে। এছাড়া গত জুন মাসে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে ২৩ জন পাহাড়িকে গ্রেফতার করা হয়েছে, ২ জনকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে এবং একজনের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে।

বক্তারা আরও বলেন, ২০২২ সাল থেকে বান্দরবানে কুকি-চিন দমনের নামে পরিচালিত সামরিক অভিযানে বম জনগোষ্ঠীর বহু নারী, পুরুষ, শিশু ও বৃদ্ধকে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাদেরকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দীর্ঘ বছর ধরে বিনা বিচারে আটক রাখা হয়েছে, যা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। এদের মধ্যে কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনজন বম নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৮০ জন বম নাগরিক কারাগারে আটক রয়েছেন।

বক্তারা বলেন, এই রাষ্ট্র একটি জাতিকে ধ্বংস করতে একের পর এক ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ গত ২ জুলাই থানচি উপজেলার থাংদোয়াই পাড়া থেকে চমখুপ বম (৬৫) এবং সেরকর পাড়া থেকে জৌথোয়াং বমকে (৫৫) নিজ নিজ বাড়ি থেকে কুকি-চিন সন্দেহে আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে জৌথোয়াং বমকে কথিত "বন্দুক-কার্তুজ"সহ আটক দেখিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হলেও চমখুপ বমের অবস্থান সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য জানা যায়নি বলে বক্তারা অভিযোগ করেন।

সমাবেশ থেকে বক্তারা থানচিতে দুই বম নাগরিককে আটকের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে চমখুপ বম ও জৌথোয়াং বমসহ কারাগারে আটক সকল বম নাগরিকের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন।

বার্তা প্রেরক
অংসালা মারমা
দপ্তর সম্পাদক
পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ
ঢাকা মহানগর শাখা।

05/07/2026
05/07/2026

বান্দরবানের থানচিতে সেনাবাহিনীর কর্তৃক নিরীহ গ্ৰামবাসী চমখুপ বম ও জৌথোয়াং বমকে আটকের প্রতিবাদে এবং তাদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে
বিক্ষোভ সমাবেশ

কল্পনা চাকমাকে উদ্ধারে স্কুল ছাত্র রুপনের আত্মাহুতি ও সমর-সুকেশ-মনোতোষ গুম হওয়ার ৩০তম বার্ষিকীতে অনলাইন আলোচনা ............
27/06/2026

কল্পনা চাকমাকে উদ্ধারে স্কুল ছাত্র রুপনের আত্মাহুতি ও সমর-সুকেশ-মনোতোষ গুম হওয়ার ৩০তম বার্ষিকীতে অনলাইন আলোচনা ...........................................................
১৯৯৬ সালের ১২ জুন অপহৃত কল্পনা চাকমাকে উদ্ধারের দাবিতে ২৭ জুন বাঘাইছড়ি উপজেলায় অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়। অবরোধের সমর্থনে পিকেটিংয়ে অন্যান্যদের সাথে রাস্তায় নামে রূপকারী হাই স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র শহীদ রূপন চাকমা। অবরোধে সেনা- ভিডিপি-সেটলারদের হামলা রুঁখে দিতে গিয়ে আত্মবলিদান দেয় শহীদ রুপন। একই সময় অবরোধে যোগ দিতে আসার পথে মুসলিম ব্লক নামক স্থানে সেটলার কর্তৃক গুম হন সমর, সুকেশ ও মনোতোষ চাকমা।

আগামীকাল বোনকে উদ্ধার করতে ভাইদের আত্মবলিদানের ৩০ বছর পূর্ণ হবে। তাদের বীরত্বের গাঁথা স্মরণ করতে আগামীকালকের অনলাইন আলোচনা সভা। আলোচনাটি হিল উইমেন্স ফেডারেশনের ফেসবুক পেজ থেকে সরাসরি সম্প্রচারিত হবে।

২৭ জুন ২০২৬, শনিবার
সন্ধ্যা ৭.০০ টা

আলোচনার মাধ্যম : বাংলা।

★ সঞ্চালনায়: নীতি চাকমা, সভাপতি, হিল উইমেন্স ফেডারেশন।

★ আলোচনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন:
১. অংগ্য মারমা, মুখপাত্র, ইউপিডিএফ।
২. মারজিয়া প্রভা, সদস্য,রেড ফেমিনিস্ট ব্লক ।
৩. সমর চাকমা, সভাপতি, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ।

হিল উইমেন্স ফেডারেশন(এইচডব্লিউএফ)
বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ(পিসিপি)

#পার্বত্যচট্টগ্রাম
#অনলাইনআলোচনাসভা
#পাহাড়িছাত্রপরিষদ
#হিলউইমেন্সফেডারেশন
#কল্পনাচাকমা
#পূর্ণস্বায়ত্তশাসনপ্রতিষ্ঠারলড়াইয়েআপোষহীন

কল্পনা চাকমাকে উদ্ধারে আত্মবলিদানকারী বীর শহীদ রূপন, গুমের শিকার সমর-সুকেশ-মনতোষের স্মরণে রাঙামাটি সাজেকে পোস্টারিং-----...
26/06/2026

কল্পনা চাকমাকে উদ্ধারে আত্মবলিদানকারী বীর শহীদ রূপন, গুমের শিকার সমর-সুকেশ-মনতোষের স্মরণে রাঙামাটি সাজেকে পোস্টারিং
-----------------------------------
আগামী ২৭জুন ২০২৬, শহীদ রূপন চাকমা ও সমর-সুকেশ- মনোতোষের গুম হওয়ার ৩০ বছর পূর্ণ হবে। ১৯৯৬ সালে অপহৃত কল্পনা চাকমাকে উদ্ধারে বাঘাইছড়িতে ছাত্র-যুবসমাজের ডাকা অবরোধে তৎকালীন রুপকারী হাইস্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্র শহীদ রূপন চাকমা ও গুম হওয়া সমর-সুকেশ-মনোতোষ-এর স্মরণে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও হিল উইমেন্স ফেডারেশন, বাঘাইছড়ি উপজেলা শাখার উদ্যোগে হাতে লেখা পোস্টার করা হয়েছে।

এতে অপহৃত কল্পনা চাকমার বিচার, ছাত্র-যুবসমাজকে সংগ্রামে যুক্ত হওয়ার আহ্বান ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে লেখা হয়- নতুন দিনের ছাত্র সমাজ- এক হও, লড়াই করো! আমরা সবাই রুপন হবো, কল্পনাকে উদ্ধার করবো! রূপকারী স্কুলের গৌরব শহীদ রূপন, লও লও লাল সালাম! সমর, সুকেশ, মনোতোষ- লও লও লাল সালাম! অগ্নিকন্যা কল্পনা, আমরা তোমায় ভুলবো না! আমাদের বোন কল্পনাকে-লেঃ ফেরদৌস ফেরত দে! পাহাড়ের ছাত্র সমাজ- এক হও লড়াই কর।

এছাড়াও চাকমা ভাষায় লেখা হয় আমি বেক্কুন তাধি উদিবং, কল্পনারে ফেরত আনিবং! কল্পনারে ফেরত ন পেলে- ন খিমিবং, ন খিমিবং! এয বোন এয ভেই, জাদ বাজেবার লাড়েওদৎ উজে যেই! দরজা ভাঙি ঘরতুন মা-বোন টানি নিবাক, চেইন থেবং, চেই ন থেবং! আদাম ফুরি-সোমেই আমা বোন টানি নিবার, ন দিবং ন দিবং! কল্পনারে উদ্ধারদ্দেই রূপনে পরাণ দে, দরকার পল্লে আমিও দিবং! লো যোক, পরাণ যোক, ন খিমিবং ন খিমিবং মা-বোনর বাজেবং ইজ্জত বাজেবং!

সাজেকের মাচালঙ, নাকশাছড়ি দোকান, ১ নং কালভাদ, উজোবাজার, ধবাদা, বালুঘাটসহ গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু জায়গায় এ পোস্টারিং করা হয়েছে।

#পাহাড়িছাত্রপরিষদ

শহীদ রূপনের বীরত্বপূর্ণ আত্মবলিদানের চেতনায় এগিয়ে আসুন, প্রতিবাদ-প্রতিরোধে যুক্ত হোন!-----------------------------------...
25/06/2026

শহীদ রূপনের বীরত্বপূর্ণ আত্মবলিদানের চেতনায় এগিয়ে আসুন, প্রতিবাদ-প্রতিরোধে যুক্ত হোন!
------------------------------------------------

১৯৯৬ সালের ১২ জুন বাঘাইছড়ি উপজেলার নিজ বাড়ি নিউ লাল্ল্যাঘোনা থেকে তৎকালীন কজইছড়ি আর্মি ক্যাম্পের কমান্ডার লে.ফেরদৌসের নেতৃত্বে ভিডিপি প্লাটুন কমান্ডার সালেহ আহম্মেদ ও ভিডিপি নূরুল হক গঙ কর্তৃক অপহৃত হন হিল উইমেন্স ফেডারেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক কল্পনা চাকমা। যা দেশ ও আন্তর্জাতিক মহলে একটি আলোচিত ঘটনা। সেসময় এলাকার বোনকে রক্ষায় ব্যর্থতার গ্লানিতে ও ক্ষোভে বিক্ষুব্ধ ছাত্র- যুবসমাজ ৯৬ সালের ২৭ জুন কল্পনা চাকমাকে উদ্ধারের দাবিতে বাঘাইছড়ি উপজেলায় অবরোধ দেয়। অবরোধের সমর্থনে পিকেটিং-এ নেমে কল্পনা চাকমার গুণগ্রাহী রুপকারী হাই স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্র রূপন চাকমা ভিডিপি'র রাইফেল ছিনিয়ে নেয় এবং বীরত্বের সাথে শহীদ হয়। অন্যদিকে অবরোধে যোগ দেয়ার পথে কল্পনার সহযোদ্ধা সমর-সুকেশ-মনোতোষ মুসলিম ব্লকে গুম হয়। দীর্ঘ ৩০ বছর পরেও কল্পনা চাকমাসহ কারোর সন্ধান এই রাষ্ট্র দিতে পারেনি। বিচার তো বহু দূরুহ ব্যাপার, সঠিক রাষ্ট্রীয় তদন্ত পর্যন্ত হয়নি। যা রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক।

আগামী ২৭ জুন-২৬ শহীদ রূপনের বীরত্বপূর্ণ আত্মবলিদান ও গুম হওয়া সমর-সুকেশ- মনোতোষের ৩০ বছর পূর্ণ হবে।

তাই আসুন, শহীদের চেতনায় শাণিত হয়ে পূর্ণস্বায়ত্তশাসন সংগ্রাম জোরদারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করি।

১৯৮৩ সালের ১৪ই জুন পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক কলঙ্কিত অধ্যায়। এই দিন শান্তিবাহিনীর প্রশিক্ষক অমৃতলাল চাকমা...
14/06/2026

১৯৮৩ সালের ১৪ই জুন পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক কলঙ্কিত অধ্যায়। এই দিন শান্তিবাহিনীর প্রশিক্ষক অমৃতলাল চাকমা (বলী ওস্তাদ)-কে হত্যার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পাহাড়ে ভ্রাতৃঘাতি সংঘাতের সূচনা হয়। যার ফল হয় সুদূরপ্রসারী। লাম্বা-বাদী সংঘাত, দ্বন্দ্ব ও সংঘর্ষের এক পর্যায়ে ১০ নভেম্বর প্রাণ হারান জুম্ম জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা ও আন্দোলনের অগ্রনায়ক এম.এন লারমা। তৎকালীন সময়ের অস্থিতিশীল রাজনীতি ও সমসাময়িক পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিস্থিতি নিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে-

"পার্বত্য চট্টগ্রামে রক্তক্ষয়ী ভ্রাতৃঘাতী সংঘাতের সূচনা ও তার পরিণাম শীর্ষক"

অনলাইন আলোচনা সভা

১৪ জুন ২০২৬, রবিবার
সন্ধ্যা ৭.০০ টা।

★ সঞ্চালনায়: সোহেল চাকমা, সাধারণ সম্পাদক, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ।

★ আলোচনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন:

১. নুতন কুমার চাকমা, সহ-সভাপতি, ইউপিডিএফ।
২. মাইকেল চাকমা, সংগঠক, ইউপিডিএফ।
৩. সমর চাকমা, সভাপতি, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ।

বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি), কেন্দ্রীয় কমিটি।

#পার্বত্যচট্টগ্রাম #অনলাইনআলোচনাসভা #পাহাড়িছাত্রপরিষদ

Address

33/1 Topkhana Road
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ-ঢাকা শাখা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ-ঢাকা শাখা:

Shortcuts

Share