পরিবেশ অধিদপ্তর-Department of Environment-DOE

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • পরিবেশ অধিদপ্তর-Department of Environment-DOE

পরিবেশ অধিদপ্তর-Department of Environment-DOE DOE's vision is to ensure sustainable environmental governance for achieving high quality of life for the benefit of present and future generation.
(2)

পরিবেশগত সংরক্ষণ আন্তর্জাতিকভাবে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় এক. পৃথিবীতে জীবনের অস্তিত্বের ক্রমাগত পরিবেশ দূষণের ফলে জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে কারণে হুমকির সম্মুখীন হয় . একটি দীর্ঘ সময়ের জন্য, বিশ্বজুড়ে পরিবেশবিদদের এই এবং অন্যান্য টিপে পরিবেশগত বিষয়ে বিশ্ব নেতাদের মনোযোগ ফোকাস করার চেষ্টা করেছি . প্রথম আন্তর্জাতিকভাবে সহযোগীতা প্রচেষ্টার একটি হল 1972 সালে হিউম্যান এনভায়রনমেন্ট নেভি

গেশন স্টকহোম সম্মেলন ছিল . এই প্রচেষ্টার রিও , ব্রাজিল মধ্যে আর্থ সামিট সঙ্গে 1992 সালে একটি নতুন উদ্দীপনা দেওয়া হয়. বিশ্বব্যাপী পরিবেশগত সমস্যা দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছে ছাড়াও, বাংলাদেশ স্থানীয় এবং আঞ্চলিক সমস্যার শিকার হয় . বাংলাদেশ প্রাকৃতিকভাবে এবং মানুষের দ্বারা সৃষ্ট যারা উভয় অনেক পরিবেশগত সমস্যার সম্মুখীন হবে. বাংলাদেশে প্রধান পরিবেশগত সমস্যা অতিরিক্ত জনসংখ্যা ও দারিদ্র্যের সমস্যা আঁকা করা যাবে . এইগুলি হল: তাই অরণ্যবিনাশ অধোগামী জলের গুণমান , প্রাকৃতিক বিপর্যয় , ভূমি ক্ষয় , লবণাক্ততা , অপরিকল্পিত নগরায়ন , চিকিত্সা নিকাশী এবং শিল্প বর্জ্য এর স্রাব , এবং .

বাংলাদেশে প্রথম পরিবেশগত কার্যক্রম শীঘ্রই 1972 সালে হিউম্যান এনভায়রনমেন্ট নেভিগেশন স্টকহোম সম্মেলন পরে তোলা হয়েছিল . স্টকহোম সম্মেলন একটি অনুসরণ পদক্ষেপ হিসেবে, বাংলাদেশ সরকার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের আশ্রয় অধীন এবং 27 একটি কর্মী স্তরের সঙ্গে এবং 1973 সালে পানি দূষণ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ জারির পর, তহবিল , একটি প্রকল্প প্রাথমিকভাবে জলের তলে দূষণ নিয়ন্ত্রণ. নীচের বর্ণনা অনুযায়ী পরবর্তী বছরগুলোতে, বিভিন্ন ঘটনা সংঘটিত হয়েছিল .

1977 সালে, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ 16 সদস্যদের সঙ্গে 26 প্রতিষ্ঠিত হয় কর্মীদের সম্পূরক সঙ্গে একটি পরিচালক নেতৃত্বে একটি পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য এবং পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ সেল নেতৃত্বে . এই বিভাগের দূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে 1985 সালে , পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প প্রতিষ্ঠার দ্বারা 1977 সালে অনুসরণ ও ছিল অবশেষে, 1989 সালে restructured ও পরিবেশ বিভাগের ( বিভাগ ) পালটে যার কার্যক্রম দ্বারা overseen হয় দ্বারা একটি মহাপরিচালক . বিভাগের একটি প্রধান কার্যালয় এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম , খুলনা , বগুড়া , বরিশাল ও সিলেটে অবস্থিত ছয়টি বিভাগীয় অফিসের মাধ্যমে তার দায়িত্ব নিষ্কাশনও . এর দশকের শেষ দিকে , সরকার 468 নতুন অবস্থানের সৃষ্টি করার জন্য জেলা পর্যায়ে 21 নতুন অফিস স্থাপন করা হয়েছে. এর ফলে, ডিওই কর্মীদের 735 থেকে বৃদ্ধি করা হয়েছে

গণশুনানির নোটিশ
13/09/2026

গণশুনানির নোটিশ

১০-০৯-২০২৬ তারিখ ঢাকার লালবাগ থানাধীন ইডেন কলেজ এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয় । এতে মোট ১০ ...
10/09/2026

১০-০৯-২০২৬ তারিখ ঢাকার লালবাগ থানাধীন ইডেন কলেজ এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয় । এতে মোট ১০ টি ডিজেল চালিত বাস এর গ্যাসীয় নিঃসরণ মাত্রা স্মোক ওপাসিটি মিটার (Smoke Opacity Meter) দ্বারা পরিমাপ করা হয় এবং পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক পরিবেশ সংরক্ষণ আইন-১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এর ধারা ৬(ক) লংঘন করায় একই আইনের ১৫ (১(৩)) নং ধারা অনুযায়ী ৬ টি মামলায় ১১,০০০/-(এগার হাজার) টাকা জরিমানা ধার্যপূর্বক আদায় করা হয়। মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, সদর দপ্তরের মনিটরিং এন্ড এনফোর্সমেন্ট উইং এর বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব ফয়জুন্নেছা আক্তার এবং প্রসিকিউশন প্রদান করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, সদর দপ্তরের প্রশাসন(সেবা) শাখার পরিদর্শক জনাব মোঃ সাখাওয়াত হোসাইন। অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তরের কয়েকজন কর্মচারী এবং ঢাকা পুলিশ লাইন্সের ০৬ জন সদস্য সার্বিক নিরাপত্তা ও অন্যান্য দায়িত্ব পালন করেন।

০৯-০৯-২০২৬ তারিখ ঢাকার বসিলা এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তরের মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে অবৈধভাব...
10/09/2026

০৯-০৯-২০২৬ তারিখ ঢাকার বসিলা এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তরের মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে অবৈধভাবে পরিচালিত গ্রীল ওয়ার্কশপ দ্বারা শব্দ দূষণ করায় বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এবং শব্দদুষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০২৫ এর বিধি ৯(২) লঙ্ঘন এবং দন্ড ১৯ (১) অনুযায়ী ০৭ টি মামলায় ৭৫,০০০/- টাকা জরিমানা ধার্যপূর্বক আদায় করা হয়।

উক্ত মোবাইল কোর্টে নেতৃত্ব প্রদান করেন পরিবেশ। অধিদপ্তরের বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব ফয়জুন্নেছা আক্তার। মোবাইল কোর্ট অভিযানে প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং এন্ড এনফোর্সমেন্ট শাখার পরিদর্শক জনাব গিয়াস উদ্দীন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এন এস আই এর সদস্যবৃন্দ, পুলিশ সদস্যবৃন্দ এবং পরিবেশ অধিদপ্তর এর অন্যান্য কর্মচারীবৃন্দ।

০৭.০৯.২০২৬ খ্রি. তারিখ ঢাকা মহানগরের  পাইকপাড়া , মিরপুর এলাকায় যানবাহনের কালোধোঁয়া নিয়ন্ত্রণে পরিবেশ অধিদপ্তর এর উদ্যোগ...
07/09/2026

০৭.০৯.২০২৬ খ্রি. তারিখ ঢাকা মহানগরের পাইকপাড়া , মিরপুর এলাকায় যানবাহনের কালোধোঁয়া নিয়ন্ত্রণে পরিবেশ অধিদপ্তর এর উদ্যোগে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত মোবাইল কোর্টে ১০টি যানবাহন পরীক্ষা করা হয়। এসময় মাত্রাতিরিক্ত কালোধোঁয়া নির্গমনকারী ০৩টি যানবাহন-কে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এর ৬(১) ধারায় ১২,০০০/-(বারো হাজার ) টাকা জরিমানা ধার্য্য ও আদায় করা হয়। উক্ত মোবাইল কোর্টে নেতৃত্ব প্রদান করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ রেজওয়ান-উল-ইসলাম এবং প্রসিকিউশন প্রদান করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, ঢাকা মহানগর কার্যালয়ের পরিদর্শক জনাব মুহাম্মদ মোতাহার হোসেন।

০৬.০৯.২০২৬ খ্রি. তারিখ ঢাকা মহানগরের  শেরেবাংলা নগর থানাধীন জাতীয় বেতার ভবনের সামনে যানবাহনের কালোধোঁয়া নিয়ন্ত্রণে একটি...
07/09/2026

০৬.০৯.২০২৬ খ্রি. তারিখ ঢাকা মহানগরের শেরেবাংলা নগর থানাধীন জাতীয় বেতার ভবনের সামনে যানবাহনের কালোধোঁয়া নিয়ন্ত্রণে একটি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত মোবাইল কোর্টে মাত্রাতিরিক্ত কালোধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহন-কে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এর ৬(১) ধারা মোতাবেক ০৪টি যানবাহনকে সর্বমোট ৬,০০০/-(ছয় হাজার) জরিমানা ধার্য্য ও আদায় করা হয়। উক্ত মোবাইল কোর্টে নেতৃত্ব প্রদান করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব ফয়জুন্নেছা আক্তার এবং প্রসিকিউশন প্রদান করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, ঢাকা মহানগর কার্যালয়ের পরিদর্শক জনাব নুসরাত জাহান এনি

04/09/2026
০৩.০৯.২০২৬ খ্রি. তারিখ ঢাকা মহানগরের  শেরেবাংলা নগর থানাধীন জাতীয় বেতার ভবনের সামনে যানবাহনের কালোধোঁয়া নিয়ন্ত্রণে একটি...
03/09/2026

০৩.০৯.২০২৬ খ্রি. তারিখ ঢাকা মহানগরের শেরেবাংলা নগর থানাধীন জাতীয় বেতার ভবনের সামনে যানবাহনের কালোধোঁয়া নিয়ন্ত্রণে একটি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত মোবাইল কোর্টে ১২টি যানবাহন পরীক্ষা করা হয়। এসময় মাত্রাতিরিক্ত কালোধোঁয়া নির্গমনকারী ০৩(তিন)টি যানবাহন-কে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এর ৬(১) ধারায় ৯,০০০/-(নয় হাজার) টাকা এবং একই সাথে হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহার করায় আরো ০২টি যানবাহনকে ৪,০০০/- (চার হাজার) টাকা সর্বমোট ১৩,০০০/-(তের হাজার) জরিমানা ধার্য্য ও আদায় করা হয়। উক্ত মোবাইল কোর্টে নেতৃত্ব প্রদান করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব ফয়জুন্নেছা আক্তার এবং প্রসিকিউশন প্রদান করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, ঢাকা মহানগর কার্যালয়ের পরিদর্শক জনাব মুহাম্মদ মোতাহার হোসেন।

“বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা ২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান” “জলবায়ু পরিবর্তন: আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরা...
02/09/2026

“বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা ২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান”

“জলবায়ু পরিবর্তন: আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ০৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা ২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে পরিবেশ অধিদপ্তরের নতুন ভবনের ৩য় তলাস্থ সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা ২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব আবদুল আওয়াল মিন্টু, এমপি, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম, অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ লুৎফর রহমান।
সকাল ১১.০০ ঘটিকায় পবিত্র কোরআন তেলওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের উপর তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) জনাব পারভেজ চৌধুরী স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বক্তব্য প্রদানকালে বলেন যে, অধিদপ্তর কর্তৃক এবছর বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি হিসেবে স্মরণিকা ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ, শিশু-কিশোর চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা আয়োজন, বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজন, পরিবেশ বিষয়ক প্রকল্প প্রস্তাব আহ্বান, পরিবেশ মেলায় অংশগ্রহণকারী শ্রেষ্ঠ স্টল নির্বাচন, পরিবেশ বিষয়ক সেমিনার আয়োজন, ঢাকা মহানগরীর ১০০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সহায়তা প্রদান এবং শিল্প উদ্যোক্তাদের নিয়ে সেমিনার আয়োজন করা হয়। এ সকল কর্মসূচি আয়োজনে নিয়োজিত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ। তিনি বলেন যে, আমাদের যেকোনো দিবস পালনের মূল লক্ষ্য হলো জনসচেতনতা সৃষ্টি করা। এ লক্ষ্যে প্রতি বছর একটি সুনির্দিষ্ট প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন করা হয়। এ বছরের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে “Climate Action”, যার বাংলা ভাবানুবাদ করা হয়েছে “জলবায়ু পরিবর্তন: আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা”। গত বছরের প্রতিপাদ্য ছিল প্লাস্টিক দূষণ নিয়ে। এরকম প্রতিবছর একেকটা করে প্রতিপাদ্য থাকে, যার উপর ভিত্তি করে আমরা সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে থাকি। দিবসটি উপলক্ষ্যে এ বছর শিশু-কিশোর চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, বিভিন্ন সভা-সেমিনার আয়োজন করা হয়েছে। প্রত্যেকটা অনুষ্ঠান আয়োজনে ফোকাস ছিল জলবায়ু পরিবর্তনে আমাদের বর্তমানে গৃহীত কার্যক্রম, যেন ভবিষ্যত প্রজন্মের মাঝে Adaptation এবং Resilience তৈরি করতে পারে। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব মোকাবেলায় সরকারের গৃহীত বিভিন্ন নীতি ও পরিকল্পনায় Adaptation এবং Mitigation Measures সমূহ যথাযথভাবে বাস্তবায়নের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
অত:পর অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব আবদুল আওয়াল মিন্টু, এমপি কর্তৃক যথাক্রমে শিশু-কিশোর চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, পরিবেশ বিষয়ক প্রকল্প প্রস্তাব প্রতিযোগিতা এবং পরিবেশ মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান/সংস্থাসমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠ স্থান অর্জনকারীদের মধ্যে পুরষ্কার প্রদান করা হয়। শিশু-কিশোর চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় ১২ জন বিজয়ীদের মধ্যে সনদ, ক্রেস্ট, প্রাইজবন্ড ও জলরং প্রদান করা হয়। তাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ স্থান অর্জনকারী ৩ জনের প্রত্যেককে ৩০০০/- টাকার প্রাইজবন্ড এবং উত্তম স্থান অজর্নকারী ৯ জনের প্রত্যেককে ২০০০/- টাকার প্রাইজবন্ড প্রদান করা হয়। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিক্যাল কলেজ অংশগ্রহ করে তার মধ্যে বিজয়ী দল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং রানার্স আপ হয় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়। বিজয়ী দলকে ৪০,০০০ টাকা এবং রানার্স আপ দলকে ৩০,০০০ টাকার প্রাইজমানি, ক্রেস্ট এবং সনদ প্রদান করা হয়। পরিবেশ বিষয়ক প্রকল্প প্রস্তাব প্রতিযোগিতায় ৮১টি আবেদন দাখিল করা হয়। যাচাই বাছাই শেষে ৩ জনকে বিজয়ী নির্ধারণ করা হয় এবং তাদের ১ম, ২য়, ৩য় স্থান অর্জনকারীদের মাঝে যথাক্রমে-৩০,০০০, ২৫,০০০, ২০,০০০ টাকা এবং সনদ প্রদান করা হয়। পরিবেশ মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান/সংস্থা সমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠ স্থান অর্জনকারী ৭ ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান কে বিজয়ী করা হয় এবং তাদেরকে ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করা হয়।
পুরস্কার প্রদান শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে মাননীয় মন্ত্রী জনাব আবদুল আওয়াল মিন্টু, এমপি বলেন যে, “টেকসই উন্নয়নের পূর্বশর্ত পরিবেশবান্ধব অর্থনীতি। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত গুরুত্বপূর্ণ যে তিনটি বিষয় জোরদার করতে হবে, তা হলো: পরিবেশগত সুরক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি। একবিংশ শতাব্দীর টেকসই উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় পরিবেশবান্ধব অর্থনীতিই হচ্ছে চালিকাশক্তি, যার মাধ্যমে সর্বনিম্ন কার্বন নিঃসরণ, সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব। পরিবেশবান্ধব অর্থনীতি নিশ্চিত করতে হলে দূষণমুক্ত উৎপাদন ব্যবস্থা, দারিদ্র বিমোচন এবং সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য আমাদের কাজ করতে হবে।”

বক্তব্যে তিনি আরো জানান “দীর্ঘমেয়াদে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় জাতিসংঘের UNFCCC-এর আওতায় বাংলাদেশের জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (NAP) ২০২৩-৫০ প্রণয়ন করেছে এবং বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (NDC 3.0) প্রণয়নপূর্বক তা UNFCCC-তে দাখিল করেছে।”

“জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলার পাশাপাশি সরকার দেশের শিল্পদূষণ, পানিদূষণ, শব্দদূষণ, বায়ুদূষণসহ বিভিন্ন দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রচলন ও ক্ষতিকর পলিথিন ও প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধে অগ্রাধিকার দিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়ন করেছে। নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে” মর্মে তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে অবহিত করেন।

সবশেষে তিনি পুস্কারপ্রাপ্তদের সবাইকে ভবিষ্যতে পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন।
পুরষ্কার বিতরণ শেষে অনুষ্ঠানের সভাপতি পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ লুৎফর রহমান বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা ২০২৬ সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের জন্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

৩০ আগস্ট ২০২৬— বাংলাদেশের বিদ্যালয়গুলোতে প্লাস্টিকের ব্যবহার ও দূষণ কমিয়ে পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও টেকসই পরিবেশ গড়ে তুলতে ‘প...
30/08/2026

৩০ আগস্ট ২০২৬— বাংলাদেশের বিদ্যালয়গুলোতে প্লাস্টিকের ব্যবহার ও দূষণ কমিয়ে পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও টেকসই পরিবেশ গড়ে তুলতে ‘প্লাস্টিকমুক্ত ক্যাম্পাস ম্যানুয়াল’ উদ্বোধন করেছে এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন - এসডো। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর সহযোগিতায় তৈরি এই ম্যানুয়ালটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য পরিবেশবিষয়ক নির্দেশিকা। পরিবেশ অধিদপ্তরের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, শেখ ফরিদুল ইসলাম, এমপি মহোদয়ের উপস্থিতিতে ম্যানুয়ালটির উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, উন্নয়নকর্মী, শিক্ষাবিদ, গণমাধ্যমকর্মী ও তরুণ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের বিদ্যালয়গুলোতে প্লাস্টিকের ব্যবহার ও দূষণ কমিয়ে পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও টেকসই পরিবেশ গড়ে তুলতে ২০২২ সাল থেকে চলমান ‘প্লাস্টিকমুক্ত ক্যাম্পাস’ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে আসছে এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডো)। দেশের ৮টি বিভাগজুড়ে বাস্তবায়িত এই উদ্যোগের প্রথম ধাপে ১৬টি বিদ্যালয়কে লক্ষ্য করে কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। দ্বিতীয় ধাপে এর আওতায় আরও ৭টি বিদ্যালয় যুক্ত হয়।
ব্যাপকভাবে একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকের উপস্থিতিতে, বাংলাদেশে পরিবেশগত সংকট ক্রমেই তীব্রতর হচ্ছে। এই সংকট মোকাবিলায় পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ কমাতে নীতিগত ও কাঠামোগত পরিবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে এসডো। ‘প্লাস্টিকমুক্ত ক্যাম্পাস’ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের পরিবেশবিষয়ক জ্ঞানকে বাস্তব জীবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে আচরণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব জীবনাচরণে অনুপ্রাণিত করা। পাঠ্যবই ও শ্রেণিকক্ষের গণ্ডি পেরিয়ে পরিবেশ শিক্ষাকে দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে যুক্ত করে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও কমিউনিটির মধ্যে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব অভ্যাস গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকের ব্যবহার কমিয়ে পর্যায়ক্রমে নিঃশেষ করাটাই এ উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য।
বিশেষজ্ঞদের মতামত ও পরামর্শের ভিত্তিতে ম্যানুয়ালটি তৈরি করা হয়েছে। এতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় (MoEFCC), জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB) এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের মতামত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক সহযোগী সংগঠন ব্রেক ফ্রি ফ্রম প্লাস্টিক (BFFP) ও প্লাস্টিক সলিউশনস ফান্ড (PSF) থেকে গবেষণাভিত্তিক পরামর্শ নেওয়া হয়েছে। ফলে পরিবেশ সুরক্ষায় আন্তর্জাতিকভাবে অনুসৃত কার্যকর উদ্যোগ ও অভিজ্ঞতাগুলোও ম্যানুয়ালটিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
এনভায়রনমেন্টাল পারফরম্যান্স ইনডেক্স (EPI)-এর উদ্বেগজনক ফলাফলের সময়ে ম্যানুয়ালটি প্রকাশ করা হলো। এই সূচকে ১৭৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৭৫তম। দেশের পরিবেশগত পরিস্থিতির উন্নয়নে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তাই এই চিত্র তুলে ধরে।
‘প্লাস্টিকমুক্ত ক্যাম্পাস’ উদ্যোগের লক্ষ্য শুধু প্লাস্টিক দূষণ কমানো নয়, বিদ্যালয় পর্যায়ে পরিবেশ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করে তোলা এবং পরিবেশবান্ধব অভ্যাস গড়ে তোলা। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্লাস্টিক দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জানানো হবে এবং একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার কমাতে উৎসাহিত করা হবে। পাশাপাশি, বিদ্যালয়গুলোতে টেকসই চর্চা চালু করা, শিক্ষার্থীদের পরিবেশ রক্ষায় নেতৃত্ব দিতে উৎসাহিত করা এবং সফল উদ্যোগগুলো দেশের অন্যান্য বিদ্যালয়ে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। প্রকল্পের পরবর্তী ধাপে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের বর্জ্য আলাদা করা, পরিবেশবান্ধব বিকল্প ব্যবহার এবং পরিবেশ রক্ষায় নেতৃত্ব দেওয়ার মতো ব্যবহারিক দক্ষতা শেখানো হবে। এর মাধ্যমে বিদ্যালয় ও দৈনন্দিন জীবনে জিরো-ওয়েস্ট চর্চা গড়ে তোলার চেষ্টা করা হবে।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, এমপি বলেন, “নফোর্সমেন্ট ছাড়া পরিবেশগত কাজ সফল করা সম্ভব নয়। সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে। গত সপ্তাহে ইপিআর (Extended Producer Responsibility) পাস হয়েছে, তাই প্লাস্টিক উৎপাদনকারীদেরও দায়িত্ব নিতে হবে। ছাত্ররা যদি স্কুল ও বাগান পরিষ্কার করে, পরিবেশের দায়িত্ব নেয়, তাহলে পরিবেশের ওপর তার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। কাঠ পুড়িয়ে কোনো ইটভাটা চালানো যাবে না। আমাদের মূল সমস্যা হলো, আমরা পরিবেশের চেয়ে ব্যবসায়িক লাভকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি, যা ঠিক নয়।”
এসডো-এর চেয়ারপারসন সৈয়দ মার্গুব মুর্শেদ বলেন, “পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একক কোনো উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। পরিচ্ছন্ন ও টেকসই বাংলাদেশ গড়তে সরকার, বেসরকারি খাত, সুশীল সমাজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও তরুণদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে।”
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ইনচার্জ ড. ফাহমিদা খানম বলেন, “যেসব শিক্ষার্থী স্কুলে ভালো করবে, তাদের পরিবেশ অ্যাম্বাসেডর বানানো উচিত এবং পাশের স্কুলে তাদের দিয়েই প্রশিক্ষণ দেওয়ানো উচিত। কারণ বন্ধুদের কথা শিক্ষার্থীরা বেশি শোনে। ফুডপান্ডায় খাবার অর্ডার করার সময় সিঙ্গেল-ইউজ প্লাস্টিক যেন না থাকে এবং প্যাকেট কাগজের হয়, এ কথা অর্ডারের সময়ই জানিয়ে দিতে হবে। পেপার ক্রাফট ব্যাগের চাহিদা আবার ফিরিয়ে আনতে হবে।”
পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো: লুৎফর রহমান বলেন, “শিক্ষার্থীরা যদি প্রত্যেকে দায়িত্বশীল হয়ে যায়, তাহলে আমাদের অনেক পরিবেশগত সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। এই প্রোগ্রামে যে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এসেছে, তারা যদি এখানকার জ্ঞান বাহিরে ছড়িয়ে দেয়, তবে তা পরিবেশ রক্ষায় ভালো ভূমিকা রাখবে। আমরা সচিবালয়ে এখন কোনো প্লাস্টিকের বোতল রাখি না, কাচের গ্লাস ব্যবহার করি”
এসডো-এর নির্বাহী পরিচালক সিদ্দীকা সুলতানা বলেন, “তরুণ শিক্ষার্থীদের কাছে পরিবেশ শিক্ষাকে আরও বাস্তব ও কার্যকর করে তুলতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা দেওয়ার মাধ্যমে বিদ্যালয়গুলোতে টেকসই অভ্যাস এবং পরিবেশবিষয়ক নেতৃত্ব গড়ে তুলতে চাই আমরা।”
জনাব উসমান রাশেদ মুইন, ডিএমডি ও জিসিআরও, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি বলেন, “পরিবেশ সচেতনতা ও টেকসই চর্চা গড়ে তোলার উদ্যোগে সহযোগিতা করতে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শিক্ষার মাধ্যমে তরুণদের পরিবেশ রক্ষার কাজে যুক্ত করা একটি দায়িত্বশীল ও পরিবেশবান্ধব সমাজ গড়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
‘প্লাস্টিকমুক্ত ক্যাম্পাস’ প্রকল্পটি দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ইতিবাচক ও দীর্ঘমেয়াদি আচরণগত পরিবর্তন আনতে পারে। এই উদ্যোগে বিদ্যালয়কে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে, যেখানে পরবর্তী প্রজন্মের নেতৃত্ব ও পরিবর্তনের মানসিকতা তৈরি হবে। তাই শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, উন্নয়ন সহযোগী এবং সুশীল সমাজের সংগঠনগুলোকে এই উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এসডো। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের ক্যাম্পাসগুলোকে আরও পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশবান্ধব করে তোলাই মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

Address

E-16, Poribesh Bhaban, Agargaon
Dhaka
1207

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পরিবেশ অধিদপ্তর-Department of Environment-DOE posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to পরিবেশ অধিদপ্তর-Department of Environment-DOE:

Shortcuts

Share