02/06/2026
ঢাকা শহরের অনেক মানুষই নীরবে ভেঙে পড়ছে।
বাইরে থেকে দেখলে কিছুই বোঝা যায় না।
সবকিছু স্বাভাবিক।
গাড়ি চলছে। মানুষ হাঁটছে।
চায়ের দোকানে আড্ডা হচ্ছে।
কেউ হাসছে। কেউ ছবি তুলছে।
কিন্তু ভেতরে ভেতরে, হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন একটু একটু করে ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছে।
ঢাকার কোনো একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দাঁড়ান।
অনেক ছেলে-মেয়েকে দেখবেন,
যারা নিজেদের ভবিষ্যত নিয়ে ভয় পাচ্ছে।
ফ্যামিলির এক্সপেকটেশন,
ক্যারিয়ারের প্রেশার, রিলেশনশিপের সমস্যা,
নিজেকে প্রমাণ করার যুদ্ধ,
সব একসাথে নিয়ে সে টিকে থাকার চেষ্টা করছে।
তারপর যান কোনো কর্পোরেট এলাকার দিকে।
গুলশান, বনানী বা মতিঝিল।
সুন্দর শার্ট প্যান্ট পরা, ল্যাপটপ বাগ কাঁধে নিয়ে হাঁটা অনেক মানুষকে দেখবেন।
বাইরে থেকে দেখে মনে হবে, সব ঠিক আছে।
কিন্তু তাদের অনেকেই এমন একটা জীবনে আটকে আছে, যেটা তারা নিজেরাও পছন্দ করে না।
আবার রাতে কোনো রেস্টুরেন্টে যান।
চারপাশে অনেক মানুষ। হাসাহাসি।
ছবি তোলা হচ্ছে। স্টোরি আপলোড চলছে।
তবুও অদ্ভুতভাবে, অনেক মানুষ ভীষণ একা।
ঢাকা শহরের সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হলো,
এখানে মানুষ চুপচাপ কাঁদতে শিখে গেছে।
কারণ এই শহর থামে না।
আপনি ভেঙে পড়লেও,
পরের দিন সকালে জ্যাম হবে।
সবকিছু আবার নরম্যাল হয়ে যাবে।
হয়তো এজন্যই, এই শহরের সবচেয়ে রেয়ার জিনিস এখন, মানসিক শান্তি...