Be Human

Be Human Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Be Human, Social service, Dhaka.

ছবিতে থাকা ওষুধটি হলো **Helminticide-L**, যা বিড়াল এবং কুকুরের কৃমিনাশক (Dewormer) হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিড়ালের শরীরের ওজন...
11/07/2026

ছবিতে থাকা ওষুধটি হলো **Helminticide-L**, যা বিড়াল এবং কুকুরের কৃমিনাশক (Dewormer) হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিড়ালের শরীরের ওজন অনুযায়ী এই ট্যাবলেটের সঠিক ডোজ নিচে দেওয়া হলো:
# # # ওজনের পরিমাপ ও ওষুধের ডোজ
* **১.২ থেকে ৩ কেজি ওজন:** \frac{১}{৪} অংশ (চার ভাগের এক ভাগ) ট্যাবলেট।
* **৩.১ থেকে ৬ কেজি ওজন:** \frac{১}{২} অংশ (অর্ধেক) ট্যাবলেট।
* **৬.১ থেকে ৯ কেজি ওজন:** \frac{৩}{৪} অংশ (চার ভাগের তিন ভাগ) ট্যাবলেট।
* **১০ কেজি বা তার বেশি ওজন:** ১টি পুরো ট্যাবলেট।
# # # কিছু জরুরি সতর্কতা:
* **খাওয়ানোর নিয়ম:** ট্যাবলেটটি সরাসরি বিড়ালের মুখে বা অল্প খাবারের সাথে মিশিয়ে খাওয়াতে পারেন। এর জন্য বিড়ালকে খালি পেটে রাখার কোনো প্রয়োজন নেই।
* **নিয়মিত ডোজ:** সাধারণত প্রতি ৩ মাস পর পর কৃমির ওষুধ দিতে হয়। তবে বিড়ালের যদি অতিরিক্ত কৃমির সমস্যা থাকে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শে ২ সপ্তাহ পর ডোজটি পুনরায় দেওয়া লাগতে পারে।
* **বমি হলে:** ওষুধ খাওয়ার পর বিড়াল যদি বমি করে দেয়, তবে আতঙ্কিত হবেন না। ১২ ঘণ্টা অপেক্ষা করে হালকা খাবার দেওয়ার পর আবার চেষ্টা করতে পারেন।
* **গর্ভবতী বিড়াল:** বিড়াল গর্ভবতী হলে কৃমির ওষুধ দেওয়ার আগে অবশ্যই একজন রেজিস্টার্ড ভেটেরিনারি ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন।

❌ভুলেও❌ ভুলেও বিড়ালকে গরুর মাংস দিবেন না! সব ভেটেনারী এখন বন্ধ! নিজের বাচ্চাকে নিজের দোষের জন্যে হারাবেন না!
30/05/2026

❌ভুলেও❌

ভুলেও বিড়ালকে গরুর মাংস দিবেন না! সব ভেটেনারী এখন বন্ধ! নিজের বাচ্চাকে নিজের দোষের জন্যে হারাবেন না!

04/01/2026

বিড়ালের শরীরে কৃমি সংক্রমণ একটি অত্যন্ত সাধারণ কিন্তু ভয়ানক স্বাস্থ্য সমস্যা। অনেক সময় বাহ্যিকভাবে খুব বেশি লক্ষণ না দেখা গেলেও ভিতরে ভিতরে কৃমি বিড়ালের জীবন ও স্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে বাচ্চা বিড়াল, অসুস্থ বিড়াল এবং স্ট্রিট রেসকিউ বিড়ালদের ক্ষেত্রে কৃমি সংক্রমণ প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।

#বিড়ালে কৃমি কীভাবে ক্ষতি করে?
🔴 কৃমি মূলত বিড়ালের অন্ত্র, ফুসফুস, হৃদপিণ্ড বা রক্তনালিতে বাস করে
🔴 শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি শোষণ করে নেয়
🔴 রক্তস্বল্পতা (Anemia) সৃষ্টি করে
🔴 বমি, ডায়রিয়া ও ওজন কমিয়ে দেয়
🔴 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে
🔴 দীর্ঘমেয়াদে লিভার, অন্ত্র ও হৃদযন্ত্রের ক্ষতি করে

#বিড়ালের কৃমিনাশক (Deworming) শিডিউল

🐾 বাচ্চা বিড়াল (Kitten)
🚩 ২ সপ্তাহ বয়স থেকে কৃমিনাশক শুরু
🚩 প্রতি ২ সপ্তাহ পর পর → ২, ৪, ৬, ৮ সপ্তাহ বয়সে
🚩 এরপর ৩ মাস বয়স পর্যন্ত মাসে ১ বার

🐾 প্রাপ্তবয়স্ক বিড়াল
🚩 প্রতি ৩ মাসে ১ বার নিয়মিত কৃমিনাশক
🚩 বাইরে যাওয়া বা কাঁচা খাবার খেলে ২–৩ মাসে ১ বার

🐾 মা বিড়াল (গর্ভবতী/দুধ খাওয়ানো)
🚩 ভেটেরিনারির পরামর্শ অনুযায়ী
🚩 সাধারণত বাচ্চা জন্মের ২–৩ সপ্তাহ পর কৃমিনাশক দেওয়া হয়

⚠️ মনে রাখবেন: সব কৃমির জন্য একই ওষুধ কাজ করে না। সঠিক ডোজ ও সঠিক ওষুধ নির্বাচন করতে অবশ্যই ভেটেরিনারিয়ান এর পরামর্শ প্রয়োজন।

Dr. Hasanul Haque
DVM(BSMRAU), PGT(BVPGI)
SMALL ANIMAL PRACTITIONER

Available at South Banasree Pet Care (Block k, House 75, Main Road, Opposite Of FUOCO,ফাল্গুনি চেকের মোড়, South Banasree, Dhaka 1219)

‎বিড়ালকে কি আসলেই ভাত খাওয়ানো উচিৎ? আসুন তার আগে বিড়াল সম্পর্কে একটু জেনে নেই। মানুষের তুলনায় বিড়ালের স্বাদ বোঝার ক্ষমতা...
01/10/2025

‎বিড়ালকে কি আসলেই ভাত খাওয়ানো উচিৎ?

আসুন তার আগে বিড়াল সম্পর্কে একটু জেনে নেই।

মানুষের তুলনায় বিড়ালের স্বাদ বোঝার ক্ষমতা অনেক কম। আমাদের জিভে প্রায় ৯,০০০ টেস্ট বাড থাকে, কিন্তু বিড়ালের মাত্র ৪৭৩টা। এই টেস্ট বাড বা স্বাদ গ্রহণ করার ক্ষুদ্র অংশ জিভের আগা আর পাশের দিকে বেশি থাকে। জিভের পেছনের দিকে আবার বিশেষ ধরনের কাপ-আকৃতির অংশ থাকে।

‎বিড়াল টক, তিতা আর নোনতা স্বাদ বুঝতে পারে। কিন্তু তারা একদমই মিষ্টি স্বাদ পায় না। কারণ প্রকৃতিতে তারা কেবল মাংস খেয়ে বেঁচে থাকে, তাই মিষ্টি বোঝার দরকারও নেই।

‎তাদের জিভটা একটু খসখসে আর ছোট ছোট কাঁটার মতো দাঁতের মতো অংশে ভরা। এই জিভ দিয়েই তারা শিকার থেকে লোম বা পালক তুলে ফেলে, হাড় থেকে মাংস চেটে নেয় আর নিজের শরীর পরিষ্কার করে। পানি খাওয়ার সময়ও জিভটা এক ধরনের চামচের মতো কাজ করে—একসাথে কয়েকবার চেটে নিয়ে তারপর গিলে ফেলে।

‎বিড়ালের স্বাদের অনুভূতি কম হলেও ঘ্রাণশক্তি (smell) অনেক তীব্র। আসলে স্বাদ আর ঘ্রাণ দুইটাই তাদের মস্তিষ্কের একই জায়গায় কাজ করে। এজন্য ঠান্ডা খাবারের চেয়ে হালকা গরম বা গন্ধ বের হওয়া খাবার বিড়ালের কাছে বেশি আকর্ষণীয় লাগে।



‎বিড়ালের মৌলিক পুষ্টি চাহিদা

‎বিড়ালকে Obligate Carnivore বলা হয়, মানে তারা একদমই মাংসাশী। বনে তাদের প্রাকৃতিক খাবার ছিলো ইঁদুর। একেকটা ইঁদুরে থাকে প্রায় ৪০% প্রোটিন, ৫০% চর্বি (ফ্যাট), আর মাত্র ৩% কার্বোহাইড্রেট।

‎বিড়ালের শরীর কুকুরের চেয়ে ২-৩ গুণ বেশি প্রোটিন চায়। তাই বিড়ালকে কখনও কুকুরের খাবার দেওয়া যাবে না—এতে তাদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাওয়া যাবে না। অনেকেই বাসায় কুকুর আর বিড়াল একসাথে রাখেন। সেক্ষেত্রে অবশ্যই একজনের খাবার অন্য জনের নাগালের বাইরে রাখতে হবে।

‎তাদের শরীর প্রোটিন আর ফ্যাট ভেঙে শক্তি নেয়, কার্বোহাইড্রেট নয়। এজন্য অসুস্থ অবস্থায় যদি বিড়াল খাওয়া কমায়, খুব দ্রুতই প্রোটিনের ঘাটতি হয়ে যায়। প্রাপ্তবয়স্ক বিড়ালের খাবারে ন্যূনতম ২৬% প্রোটিন থাকা দরকার। আর ফ্যাট দরকার অন্তত ৯%, কারণ এটা শুধু শক্তিই দেয় না, বরং স্নায়ুতন্ত্র, ত্বক ও শরীরের নানা প্রক্রিয়ার জন্যও দরকার।

‎কার্বোহাইড্রেট বিড়ালের শরীর খুব ভালোভাবে হজম করতে পারে না, কারণ তাদের এনজাইম (amylase) কম। তাই বেশি কার্বোহাইড্রেট খেলে প্রোটিন হজম কম হয় আর রক্তে সুগারের মাত্রাও বেড়ে যায়।

‎তাহলে আমরা যারা বিড়াল কে মাছ বা মাংসের সাথে ভাত আর আলু মিশিয়ে খাওয়াই তারা মোটেও ঠিক করছি না। বিড়ালের জন্য কার্বোহাইড্রেট এড়িয়ে চলাই ভালো।

তথ্যসূত্র : Cat Owner’s Home Veterinary Handbook (chapter 18: page 491)

Authors: Debra M. Eldredge, DVM; Delbert G. Carlson, DVM; Liisa D. Carlson, DVM; James M. Giffin, MD

Edited by Beth Adelman

Edition: Third Edition

Publisher: Wiley Publishing Inc. 111 River Street, Hoboken, New Jersey 07030, USA

Publication Year: 2007

28/09/2025
এগুলো কোন র*ক্ত নয়, বিড়ালের পী। অবিশ্বাস্য হলেও এটাই বাস্তব।নিম্নমানের ক্যাটফুড খাওয়ানোর কুফল।তাই, পোষাপ্রাণী প্রেমীদ...
22/09/2025

এগুলো কোন র*ক্ত নয়, বিড়ালের পী।
অবিশ্বাস্য হলেও এটাই বাস্তব।
নিম্নমানের ক্যাটফুড খাওয়ানোর কুফল।
তাই, পোষাপ্রাণী প্রেমীদের জন্য পরামর্শ হচ্ছে, দরকার হলে চিকেন বা মাছ খাওয়ান। তবুও নিম্নমানের ক্যাটফুডকে না বলুন।।

09/07/2025

🐾 বৃষ্টির দিনে বিড়ালের যত্নের ৫টি টিপস! ☔🐱

১ শুকনো আর নরম শুয়ার জায়গা দিন:
বৃষ্টির দিনে ঠান্ডা ও ভেজা ঘর বিড়ালের জন্য আরামদায়ক না। নরম তোয়ালে বা কম্বলে ওকে শোয়ান।

২ পা মুছে দিন:
বিড়াল বাইরে গেলে ভেজা পা মাটি থেকে ইনফেকশন আনতে পারে। তাই ঘরে ঢোকার সময় পা পরিষ্কার করে দিন।

৩ গরম খাবার বা চিকেন স্টক:
ঠান্ডায় ওদের শরীর গরম রাখতে একটু গরম চিকেন স্টক বা হালকা উষ্ণ খাবার দিতে পারেন।
(লবন-মশলা ছাড়া!)

৪ ভালোবাসার আদর:
বৃষ্টির দিনে ওরা একটু বেশি ঘুমায় আর আদর চায়। একটু কোলে নিয়ে সময় কাটান — ওর মন ভালো থাকবে।

৫ খেয়াল রাখবেন যাতে ঠান্ডা না লাগে:
বৃষ্টি ও ঠান্ডায় সহজেই সর্দি-কাশি হতে পারে। বেশি হাঁচি দিলে ভেটের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

📌 বিড়ালও আমাদের মতোই অনুভব করে। বৃষ্টির দিনে একটু যত্ন মানেই অনেক ভালোবাসা।

You may need it🤷‍♂️If you like it pls follow our channel for more💁‍♂️
28/06/2025

You may need it🤷‍♂️
If you like it pls follow our channel for more💁‍♂️

23/01/2025

Red Alert!!!
বিড়ালের ফ্লু ভাইরাস সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। সবাই খুব সতর্ক থাকুন! বাঁচার সম্ভাবনা কমে ৩০% এ দাঁড়িয়েছে!!

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Be Human posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category