জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ বাস্তবায়ন
(983)

প্রেস বিজ্ঞপ্তি০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ঢাকাবিষয়: ঢাকা মহানগরসহ দেশের সকল বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে...
06/09/2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ঢাকা

বিষয়: ঢাকা মহানগরসহ দেশের সকল বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বিশেষ তদারকি কার্যক্রম

অদ্য ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ঢাকা মহানগরসহ দেশের সকল বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কর্তৃক নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এ কার্যক্রমের আওতায় পণ্যসামগ্রী ন্যায্যমূল্যে বিক্রয়, সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, অতিরিক্ত মূল্য আদায় প্রতিরোধ, অবৈধ মজুদ ও কৃত্রিম সংকট রোধ, ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণ ইত্যাদি বিষয়ে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে মনিটরিং করা হয়।

ঢাকা মহানগরসহ দেশের ৩০টি জেলায় অধিদপ্তরের ৪৪টি টিম কর্তৃক পরিচালিত তদারকিতে ৭৭টি প্রতিষ্ঠানকে ১০,২৬,৫০০ (দশ লক্ষ ছাব্বিশ হাজার পাঁচশত) টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়। জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভোক্তা ও ব্যবসায়ীবৃন্দের মধ্যে লিফলেট, প্যাম্ফলেট বিতরণসহ সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

সম্মানিত ব্যবসায়ীদের জন্য করণীয়:

১। দৃশ্যমান স্থানে হালনাগাদকৃত সঠিক মূল্যতালিকা লটকিয়ে প্রদর্শন করুন।
২। ধার্যকৃত মূল্য হতে অধিক মূল্য গ্রহণ করবেন না।
২। মজুতদারি ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি থেকে বিরত থাকুন।
৩। সঠিক ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিত করুন।
৪। নকল, ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রয় হতে বিরত থাকুন।
৫। পণ্য ক্রয়-বিক্রয়কালে রশিদ সংরক্ষণ ও প্রদান করুন।

সম্মানিত ভোক্তাদের প্রতি অনুরোধ:

১। প্রয়োজনের অতিরিক্ত পণ্য সামগ্রী ক্রয় করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করবেন না।
২। পণ্য ক্রয়ের পূর্বে মূল্য তালিকা যাচাই করুন এবং পণ্যের সঠিক পরিমাপ ও ওজন বুঝে নিন।
৩। সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য, উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ দেখে পণ্য ক্রয় করুন।
৪। ধার্য্যকৃত মূল্য অপেক্ষা অধিক মূল্য প্রদান করবেন না।
৫। পণ্য ক্রয়ের সময় বিক্রেতার নিকট থেকে ক্রয় ভাউচার সংগ্রহ করুন।
৬। পণ্য ক্রয়ে করে প্রতারিত হলে অধিদপ্তরের হটলাইন নম্বরে (১৬১২১) অভিযোগ জানান।

জনস্বার্থে অধিদপ্তর কর্তৃক এ ধরণের তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।

A safer market begins with stronger consumer rights.
06/09/2026

A safer market begins with stronger consumer rights.

Adulterated goods, market syndicates, artificially engineered price hikes, and shelves stocked with expired or chemically tainted products remain everyday hazards

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতারিখ:  ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিষয়: পাবনায় ভেজাল দুধ উৎপাদনের অপরাধে ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা জরিমানা এবং প...
06/09/2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
তারিখ: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিষয়: পাবনায় ভেজাল দুধ উৎপাদনের অপরাধে ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা জরিমানা এবং প্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে সিলগালা।

ভেজাল দুধ উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পাবনা জেলা কার্যালয়ে প্রাপ্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ ভোর আনুমানিক ৭:০০ ঘটিকায় পাবনা জেলার সাঁথিয়া উপজেলার নাগডেমড়া এলাকায় অবস্থিত জুই ডেইরি ফার্মে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পাবনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জনাব মো: মাহমুদ হাসান রনি-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে দুধের পরিমাণ ও ঘনত্ব কৃত্রিমভাবে বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে জেলিজাতীয় পদার্থ এবং দীর্ঘসময় দুধ সংরক্ষণের লক্ষ্যে হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড ব্যবহারের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়। অভিযানকালে ভেজাল উপাদান হিসেবে সংরক্ষিত ২ (দুই) ব্যারেল জেলিজাতীয় পদার্থ এবং প্রায় ২,৫০০ (আড়াই হাজার) লিটার ভেজাল দুধ জব্দ করা হয়, যা ঘটনাস্থলেই তা বিনষ্ট করা হয়।
উক্ত অপরাধে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪২, ৪৩ ও ৪৫ ধারা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের মালিক মো: মানিককে ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা জরিমানা করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানটি সাময়িকভাবে সিলগালা করা হয়েছে। অভিযান পরিচালনাকালে জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর জনাব মোঃ মাহমুদ আলম এবং আনসার ব্যাটালিয়নের একটি দল সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।

শিশুসহ ভোক্তা সাধারণের স্বাস্থ্যঝুঁকি! -

জেলিজাতীয় পদার্থ ও হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড মিশ্রিত ভেজাল দুধ গ্রহণে মানবদেহে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষত শিশুদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও তীব্র, কেননা তাদের পরিপাকতন্ত্র ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পূর্ণাঙ্গভাবে গড়ে ওঠে না। দীর্ঘমেয়াদে এ ধরনের ভেজাল দুধ গ্রহণে পাকস্থলী ও অন্ত্রের প্রদাহ, বমি, ডায়রিয়া, লিভার ও কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস এবং শিশুদের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও পুষ্টি গ্রহণে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা থাকে। এছাড়া বয়স্ক ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি।

ভোক্তা সাধারণের প্রতি অনুরোধ:

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ভোক্তা সাধারণকে দুধ ক্রয়ের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত বিষয়ে সতর্ক থাকার আহবান জানাচ্ছে:

প্রথমত, বিশ্বস্ত ও অনুমোদিত উৎস থেকে দুধ ক্রয় করুন এব দুধ ভালোভাবে ফুটিয়ে ব্যবহার করুন। দ্বিতীয়ত, দুধের রঙ, গন্ধ ও ঘনত্বে কোনো অস্বাভাবিকতা পরিলক্ষিত হলে তা ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। তৃতীয়ত, ভেজাল বা নিম্নমানের খাদ্যপণ্যের সন্ধান পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে অথবা জাতীয় হটলাইন ১৬১২১ নম্বরে অভিযোগ জানান।

দুধ বা খাদ্যপণ্য ব্যবসায়ীদের প্রতি বিশেষ সতর্কীকরণ:

খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বিপণনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে অবহিত করা যাচ্ছে যে,দুধ বা যেকোনো খাদ্যপণ্যে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ মিশ্রণ, ভেজাল প্রস্তুত অথবা নিম্নমানের পণ্য বাজারজাতকরণ একটি গুরুতর দণ্ডনীয় অপরাধ। ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে খাদ্য নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী এ ধরনের কার্যক্রমে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থদণ্ড, প্রতিষ্ঠান সিলগালাসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সকল ব্যবসায়ীকে নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বিপণনে যত্নবান হওয়ার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে ভেজাল, নকল ও অনিরাপদ খাদ্যপণ্যের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে এবং ভোক্তা-স্বার্থ সংরক্ষণে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।

05/09/2026

বিদেশী পণ্যে নেই আমদানীকারকের তথ্য।
স্থানঃ কেরানীগঞ্জ, ঢাকা।

05/09/2026

খোলা বাজারের পণ্যে নিজেরা বসাচ্ছেন আমদানিকারকের স্টীকার!
স্থানঃ ফেনী।

04/09/2026

মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যে নতুন করে মেয়াদ বসিয়ে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ।
স্থানঃ আগ্রাবাদ, চট্রগ্রাম।

04/09/2026

ভিটামিন এ সমৃদ্ধ মোড়কযুক্ত ও স্বাস্থ্যসম্মত বোতলজাত ফর্টিফাইড তেল ব্যবহার করুন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ঢাকাবিষয়: ঢাকা মহানগরসহ দেশের সকল বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে ডিম, চিনি ও ভোজ্যতেলের বাজারে...
03/09/2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ঢাকা

বিষয়: ঢাকা মহানগরসহ দেশের সকল বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে ডিম, চিনি ও ভোজ্যতেলের বাজারে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বিশেষ তদারকি কার্যক্রম

অদ্য ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ঢাকা মহানগরসহ দেশের সকল বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কর্তৃক নিয়মিত বাজার তদারকি কার্যক্রমের পাশাপাশি ডিম, ভোজ্যতেল ও চিনি ন্যায্যমূল্যে বিক্রয়, সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, অতিরিক্ত মূল্য আদায় প্রতিরোধ, অবৈধ মজুদ ও কৃত্রিম সংকট রোধ, ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণ ইত্যাদি বিষয়ে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিশেষ তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

ঢাকা মহানগরসহ দেশের ৩০টি জেলায় অধিদপ্তরের ৪৫টি টিম কর্তৃক পরিচালিত তদারকিতে ৭৮টি প্রতিষ্ঠানকে ৭,৬১,০০০ (সাত লক্ষ একষট্টি হাজার) টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়। জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভোক্তা ও ব্যবসায়ীবৃন্দের মধ্যে লিফলেট, প্যাম্ফলেট বিতরণসহ সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

তাছাড়া, একজন সাংবাদিকের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলাধীন মাওনা বাজারে তিল ও চিনাবাদাম দিয়ে তৈরি নাড়ু-জাতীয় খাদ্যপণ্যের বিষয়ে যাচাই ও অধিকতর তদন্তের লক্ষ্যে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, গাজীপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আফসানা পারভীনের নেতৃত্বে একটি দল উক্ত পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান খিদমা ফুড, প্রহলাদপুর, গাজীপুরে সরেজমিনে মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করে।

এ সময় খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকাজে নিয়োজিত কর্মচারীদের নির্ধারিত এপ্রোন, হ্যান্ডগ্লাভস ও মাস্ক ব্যবহার না করা এবং উৎপাদনস্থলে প্রয়োজনীয় পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ না করার বিষয়টি পরিলক্ষিত হয়। এ অনিয়মের কারণে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪৩ ধারা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান ও আদায় করা হয়। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণের জন্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়।

সম্মানিত ব্যবসায়ীদের জন্য করণীয়:

১। দৃশ্যমান স্থানে হালনাগাদকৃত সঠিক মূল্যতালিকা লটকিয়ে প্রদর্শন করুন।
২। সরকার নির্ধারিত মূল্য হতে অধিক মূল্য গ্রহণ করবেন না।
২। মজুতদারি ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি থেকে বিরত থাকুন।
৩। সঠিক ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিত করুন।
৪। নকল, ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রয় হতে বিরত থাকুন।
৫। পণ্য ক্রয়-বিক্রয়কালে রশিদ সংরক্ষণ ও প্রদান করুন।

সম্মানিত ভোক্তাদের প্রতি অনুরোধ:

১। প্রয়োজনের অতিরিক্ত পণ্য সামগ্রী ক্রয় করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করবেন না।
২। পণ্য ক্রয়ের পূর্বে মূল্য তালিকা যাচাই করুন এবং পণ্যের সঠিক পরিমাপ ও ওজন বুঝে নিন।
৩। সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য, উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ দেখে পণ্য ক্রয় করুন।
৪। ধার্য্যকৃত মূল্য অপেক্ষা অধিক মূল্য প্রদান করবেন না।
৫। পণ্য ক্রয়ের সময় অবশ্যই বিক্রেতার নিকট থেকে ক্রয় রশিদ গ্রহণ করুন।
৬। পণ্য ক্রয় করে প্রতারিত হলে অধিদপ্তরের হটলাইন নম্বরে (১৬১২১) অভিযোগ জানান।

জনস্বার্থে অধিদপ্তর কর্তৃক এ ধরণের তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।

03/09/2026

"জর্দার রং" এর নামে যা বিক্রি হচ্ছে!
স্থানঃ কাপ্তান বাজার, ঢাকা।

02/09/2026

অনুমোদনহীন নকল ঘি বিক্রয়।
স্থানঃ পাবনা।

Address

১ কারওয়ান বাজার, টিসিবি ভবন (৮ম তলা), ঢাকা।
Dhaka
1215

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর:

Shortcuts

Share