30/08/2026
যাদের জন্য বৃত্তি সন্ধান করছি :-
১) মোঃ সাদিকুল ইসলাম সুমন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া (রেজাল্ট ভাল) - ভূমিহীন পিতা কোমরের হাড়, হাঁটু ও পিঠের ব্যথার কারণে ভারী কাজ করতে পারছেন না । ছোট ভাই হাফেজি পড়ে। বর্তমানে পরিবারে আয়ের কোনো উৎস নেই এবং ঋণ করে সুমনের পড়াশোনা চলছে। আর্থিক অনটনে দুই ভাইয়ের পড়াশোনা বন্ধ হতে বসেছে।
২) সজীব উদ্দিন, নাটোর, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, (রেজাল্ট ভালো)- ২০০৬ সালে বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে মা কোনোরকম সংসার চালাচ্ছেন। ওদের বসত ভিটা ছাড়া নিজস্ব কোন জমি জমা নেই। এখন মা নিজেও অসুস্থ হয়ে গেছে, সংসার চালাতে পারছেন না।
৩) হাসনাত হাবিব, ঠাকুরগাঁও, সমাজবিজ্ঞান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, (রেজাল্ট খুব ভালো)- মা মারা গেছেন অনেক আগে, বাবা নতুন সংসার করেছেন। সৎ মা পড়াশোনা করাতে চান না। বাবার কৃষিকাজ থেকে সামান্য আয় দিয়ে পড়াশুনার খরচ চালাতে পারছেন না, পড়াশুনা চালানো অনিশ্চিত।
৪) সানজিদা আক্তার, রংপুর, পশুপালন অনুষদ, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ময়মনসিংহ (রেজাল্ট খুব ভালো)- বাবর একটা দর্জির দোকান ছিল, তা দিয়ে মোটামুটি সংসার চলে যেত। কিন্তু বাবার চোখে সানি পড়ার কারণে আর দোকানটা চালাতে পারছেন না। মেয়েকে ভার্সিটিতে ভর্তি করতে গিয়ে সেলাই মেশিন বিক্রি করতে হয়েছে।
৫) তৌহিদ হাসান, বগুড়া, কৃষি অনুষদ, হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয়, দিনাজপুর,(রেজাল্ট ভালো)- বাবা ভ্যান চালক, তার বয়স হয়েছ্ প্রায় ই অসুস্থ থাকেন। পরিবারের সদস্য সংখ্যা 5 জন। ছেলেকে বিশ্ববিদ্যালয় এ ভর্তির টাকাটাও ঋণ করে সংগ্রহ করেছেন। এখন তিনি ঋণের ফাঁদে পড়েছেন, ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা চালিয়ে নেওয়া দিনদিন অসম্ভব হয়ে যাচ্ছে।
৬) আরিফ হোসেন, চুয়াডাঙ্গা, দর্শন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (রেজাল্ট খুব ভালো)- বাবা দিনমজুর ছিলেন, এখন ভ্যানচালক, সামান্য আয় দিয়ে ছেলেকে শহরে রেখে পড়াশোনার খরচ দিতে পারছেন না, ছেলেটি সকল GPA 5 পেয়ে ভার্সিটিতে ভর্তি হয়েও তা কন্টিনিউ করা কস্টকর হয়ে দাড়িয়েছে।
৭) মোছাঃ শ্রাবণী, যশোর, এ আই এস, গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় (রেজাল্ট খুব ভালো)- মেয়েটির বাবা মারা গেছে, সংসারে আয়ের তেমন পথ নেই, সে টিউশনি করে চলে, কিন্তু মফস্বল শহরে টিউশনি পাওয়া খুব দুষ্কর, সকল পরীক্ষায় GPA-5 পাওয়া মেয়েটার পড়াশুনা চালিয়ে যাওয়া কষ্টকর হয়ে দাড়িয়েছে।
( ভার্সিটি স্টুডেন্টদের বছরে বৃত্তি ২১৬০০ টাকা। )
আসুন একজম মেধাবী সন্তানের স্বপ্ন পূরণের সঙ্গী হই। একত্রে গড়ে তুলি নৈতিক সমাজ।