12/09/2026
আমাদের হাতে বর্তমানে ১৫০ টি আবেদন আছে; তার মধ্য থেকে বাছায় ও ভ্যারিফাই করে এই আবেদন গুলো আমাদের মাঝে শেইয়ার করছি। এই অদম্য মেধাবী ছেলেমেয়েগুলোর পড়াশুনা চালানো অনিশ্চিত হয়ে দাড়িয়েছে।
যদি সম্ভব হয়- কমপক্ষে একজন স্টুডেন্টের স্বপ্ন পূরণের সহযোগী হোন!
এখন যাদের জন্য বৃত্তি খুঁজছি (ভার্সিটি)
১) মোঃ সাদিকুল ইসলাম সুমন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া (রেজাল্ট ভাল) - ভূমিহীন পিতা কোমরের হাড়, হাঁটু ও পিঠের ব্যথার কারণে ভারী কাজ করতে পারছেন না । ছোট ভাই হাফেজি পড়ে। বর্তমানে পরিবারে আয়ের কোনো উৎস নেই এবং ঋণ করে সুমনের পড়াশোনা চলছে। আর্থিক অনটনে দুই ভাইয়ের পড়াশোনা বন্ধ হতে বসেছে।
২) মাইমুনা আক্তার, বাগেরহাট, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ (রেজাল্ট ভালো—SSC GPA 5.00, HSC GPA 4.50, বিশ্ববিদ্যালয়ে CGPA প্রায় 3.78) —মাইমুনার মা মারা গেছেন এবং ৭০ বছরের বেশি বয়সী বাবা এখন নিয়মিত কাজ করতে পারেন না। ভাইয়েরা স্বল্প আয়ে গার্মেন্টসে কাজ করলেও নিজেদের সংসার চালিয়ে মাইমুনার পড়াশোনার ব্যয় বহন করা তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে।
৩) হাসনাত হাবিব, ঠাকুরগাঁও, সমাজবিজ্ঞান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, (রেজাল্ট খুব ভালো)- মা মারা গেছেন অনেক আগে, বাবা নতুন সংসার করেছেন। সৎ মা পড়াশোনা করাতে চান না। বাবার কৃষিকাজ থেকে সামান্য আয় দিয়ে পড়াশুনার খরচ চালাতে পারছেন না, পড়াশুনা চালানো অনিশ্চিত।
৪) তৌহিদ হাসান, বগুড়া, কৃষি অনুষদ, হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয়, দিনাজপুর,(রেজাল্ট ভালো)- বাবা ভ্যান চালক, তার বয়স হয়েছ্ প্রায় ই অসুস্থ থাকেন। পরিবারের সদস্য সংখ্যা 5 জন। ছেলেকে বিশ্ববিদ্যালয় এ ভর্তির টাকাটাও ঋণ করে সংগ্রহ করেছেন। এখন তিনি ঋণের ফাঁদে পড়েছেন, ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা চালিয়ে নেওয়া দিনদিন অসম্ভব হয়ে যাচ্ছে।
৫) রিয়াজুল ইসলাম, চট্টগ্রাম, মার্কেটিং, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (রেজাল্ট মুটামুটি ভালো)- ছেলেটির বাবা দিনমজুর, তিনি নিজে দীর্ঘদিন অসুস্থ, বাড়িতে মা এবং বোন ও অসুস্থ, তাদের দ্রুত চিকিৎসা করা প্রয়োজন। টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেনা, ছেলেটির পড়ালেখা বন্ধ হওয়ার পথে।
৬) মোঃ সুজন ইসলাম, নীলফামারী, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, দিনাজপুর, (রেজাল্ট খুব ভালো—এসএসসি ও এইচএসসিতে GPA 5.00) — পাঁচ সদস্যের পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস বাবার কৃষিকাজের মজুরি। অতিরিক্ত পরিশ্রমের কারণে বাবা কোমরের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ায় চিকিৎসায় অনেক টাকা খরচ হচ্ছে এবং আগের মতো কাজও করতে পারছেন না। ফলে তিন ভাই-বোনের পড়াশোনার খরচ ও সংসার চালানো বাবার পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
৭) মোঃ শামীম হোসেন, নওগাঁ, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ, পরিসংখ্যান বিভাগ (রেজাল্ট খুব ভালো—SSC ও HSC-তে GPA 5.00) — প্রায় ৬০ বছর বয়সী অসুস্থ বাবা একজন ফেরিওয়ালা, তিনি গ্রামে ঘুরে ঘুরে জিনিস বিক্রি করেন; সেই আয়েই সংসার ও শামীমের পড়াশোনার খরচ চালাতে গিয়ে পরিবার ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছে। অনেক কষ্টে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত আসা শামীমের থাকা-খাওয়া ও পড়াশোনার ব্যয় বহন করা এখন পরিবারের পক্ষে প্রায় অসম্ভব।
( ভার্সিটি স্টুডেন্টদের বছরে বৃত্তি ২১৬০০ টাকা। )
এখন যাদের জন্য বৃত্তি খুঁজছি –(স্কুল-কলেজ)
১) দিদার হোসেন , আব্দুল কাদির কলেজ , নরসিংদী, ১১শ শ্রেণী - বাবা অতি দরিদ্র কৃষক, জমি জমা তেমন নেই, সামান্য ইনকাম দিয়ে সংসার চালানোর পাশাপাশি ছেলের পড়াশোনার খরচ দিতে পারছেন না। (বছরে বৃত্তি ১১৮০০ টাকা)
২) আয়েশা সিদ্দিকা, নীলফামারী, মেনাবর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (SSC, GPA 5.00—রেজাল্ট খুব ভালো) — দিনমজুর বাবার সীমিত আয়ের পরিবারে স্কুলের শিক্ষক ও বড় বোনের সহযোগিতায় আয়েশা পড়াশোনা চালিয়ে GPA 5.00 পেয়েছে। ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে এখন কলেজে ভর্তি হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে, কিন্তু আর্থিক সংকট তার পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। (বছরে বৃত্তি ১১৮০০ টাকা)