Police Bureau of Investigation

Police Bureau of Investigation মামলা তদন্ত সংক্রান্তে কোন অভিযোগ থাকলে Send Message অপশনে ইনবক্স করুন।
(2)

Police Bureau of Investigation-
A Specialised Investigation Unit of Bangladesh Police;

Maximises the use of scientific tools and modern equipment to investigate cases;

Gradual shifting from oral testimony to physical evidence based investigation;

Maintains good rapport with the court and the prosecution;

Keeping victim and/or complainant updated with the development of cases;

Investigation c

arried out relentlessly to avoid unnecessary delay and

Earns people’s confidence through free, fair and impartial investigation.

খুলনায় উচ্চ বেতনে কম্বোডিয়ায় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে মানব পাচার; পিবিআই খুলনা কর্তৃক সিআর মামলা তদন্তের পর আদালতের আদেশে থ...
04/08/2026

খুলনায় উচ্চ বেতনে কম্বোডিয়ায় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে মানব পাচার; পিবিআই খুলনা কর্তৃক সিআর মামলা তদন্তের পর আদালতের আদেশে থানায় মামলা রুজু, পিবিআই কর্তৃক রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ২, আদালতে স্বীকারোক্তি

খুলনার দৌলতপুরের বাসিন্দা মোঃ জিহাদ আলী লস্কর দীর্ঘদিন ধরে কম্বোডিয়ায় বসবাস করত। উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তার স্ত্রী সুমাইয়া সুমি @ সুমি আক্তারের মাধ্যমে তাদের প্রতিবেশী মোঃ মোসতাকীম হাসান কাজী ও শেখ মনিরুল ইসলাম মুকুল দ্বয়সহ ০৫ জনের নিকট থেকে জনপ্রতি ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা গ্রহণ করে কম্বোডিয়ায় পাঠায়। কম্বোডিয়ায় নিয়ে প্রতিশ্রুত চাকরি প্রদান করতে পারেননি। একপর্যায়ে কৌশলে পালিয়ে দেশে ফিরে ভুক্তভোগীরা আসামী মোঃ জিহাদ আলী লস্কর এবং তার স্ত্রী সুমাইয়া সুমি @ সুমি আক্তারের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে সিআর মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে পিবিআই খুলনা জেলা সিআর মামলা দুটি তদন্তপূর্বক বিজ্ঞ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। বিজ্ঞ আদালত থানায় মামলা রুজু নির্দেশ প্রদান করলে দৌলতপুর থানার মামলা নং-১৪, তাং ২৩/০৭/২০২৬ খ্রিঃ, ধারাঃ মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬ এর ৭/২২ এবং দৌলতপুর থানার মামলা নং-১৫, তাং-২৩/০৭/২০২৬ খ্রিঃ, ধারাঃ মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬ এর ৭/২২ ধারায় পৃথক দুটি রুজু হয়। গত ২৭/০৭/২০২৬ খ্রি. পিবিআই খুলনা স্ব-উদ্যোগে মামলা দুটির তদন্তভার গ্রহণ করে। বর্তমানে এসআই (নিঃ) রেজোয়ান এবং এসআই (নিঃ) মোঃ সোহানুর রহমান মামলা দুটি তদন্ত করছেন।

পিবিআই এর তদন্তকারী কর্মকর্তাদ্বয় গত ০৩ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সাভারের আলমনগর হাউজিং এলাকাস্থ ভাড়া বাসা থেকে আসামী মোঃ জিহাদ আলী লস্কর এবং সুমাইয়া সুমি @ সুমি আক্তারকে গ্রেফতার করে। উভয়েই বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

পিবিআই এর তদন্ত এবং গ্রেফতারকৃত আসামিদের জবানবন্দি থেকে জানা যায়, আসামী মোঃ জিহাদ আলী লস্কর এবং তার স্ত্রী সুমাইয়া সুমি @ সুমি আক্তার ভুক্তভোগীদ্বয়ের আত্মীয় স্বজনের সাথে ১ লক্ষ টাকা বেতনে চাকরির প্রলোভনে ভুক্তভোগীদ্বয়ের নিকট থেকে ১২,৪০,০০০/-(বার লক্ষ চল্লিশ হাজার) টাকা গ্রহণ করে ভুক্তভোগীদ্বয়কে কম্বোডিয়ায় নিয়ে যায়। প্রতিশ্রুত চাকরি না দিয়ে তাদেরকে মেয়ে সাজিয়ে ভয়েস পরিবর্তন করে ইউরোপ/আমেরিকার মধ্য বয়ষ্ক পুরুষদের সাথে অনলাইনে সেক্সুয়াল কথাবার্তা বলে বড় অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার প্রতারণাসহ বিভিন্ন ধরণের অবৈধ কাজ করতে বাধ্য করে। উক্ত কাজে ভিকটিমদের কোন বেতন দেওয়া হত না এবং ঠিকমত খেতে দেওয়া হত না। ভুক্তভোগীদ্বয় কৌশলে আসামী জিহাদের নিকট থেকে পালিয়ে গিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসে। ২০২৬ সালে মার্চ মাসে আসামী জিহাদও বাংলাদেশে ফিরে আসে। তারা তাদের টাকা ফেরত চাইলে আসামী জিহাদ এবং তার স্ত্রী সাভারে বাসা ভাড়া নিয়ে আত্নগোপন করে।

ঘটনার সাথে আরও কোন চক্র জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

পিবিআই মানিকগঞ্জ কর্তৃক সাগর আহমেদ হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার-০১, আদালতে স্বীকারোক্তি গত ২৭/০৭/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ...
02/08/2026

পিবিআই মানিকগঞ্জ কর্তৃক সাগর আহমেদ হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার-০১, আদালতে স্বীকারোক্তি

গত ২৭/০৭/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত আনুমানিক ৮টায় সাগর আহমেদ (২৪) তার বন্ধু শাহরিয়ার আলম স্বাধীন (২১)-কে সঙ্গে নিয়ে মানিকগঞ্জের পুটাইলস্থ নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। দুই দিন পর, গত ২৯/০৭/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ দুপুর আনুমানিক ২টায় মানিকগঞ্জ সদর থানাধীন ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের বাঘিয়া ঘাটের দক্ষিণ পাশে কালীগঙ্গা নদীর উত্তর তীর থেকে পানিতে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি সাগর আহমেদের বলে শনাক্ত করেন।

এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে এজাহারনামীয় ৬ জনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫/৬ জন আসামির বিরুদ্ধে মানিকগঞ্জ সদর থানার মামলা নং-৪১, তারিখ: ৩০/০৭/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ধারাঃ ৩০৪-ক/১৪৩/৩৪২/৩৮৫/৩৮৬/৫০৬(২) পেনাল কোডে একটি মামলা দায়ের করেন। গত ৩১/০৭/২০২৬ খ্রিস্টাব্দে পিবিআই মানিকগঞ্জ জেলা স্ব-উদ্যোগে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে। বর্তমানে এসআই (নিঃ) মো. ফরহাদ হোসেন মামলাটি তদন্ত করছেন।

পিবিআইয়ের তদন্তকারী কর্মকর্তা তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৩১/০৭/২০২৬ খ্রিস্টাব্দে মানিকগঞ্জ সদর থানার নবগ্রাম এলাকায় তার বোনের বাড়ি থেকে এজাহারভুক্ত ১ নম্বর আসামি আনোয়ার হোসেন আনু (৪১)-কে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত আসামি বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন।

পিবিআইয়ের তদন্ত এবং আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনায় জানা যায়, গত ২৭/০৭/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত আনুমানিক ৮টায় ভিকটিম সাগর আহমেদ তার বন্ধু শাহরিয়ার আলম স্বাধীনকে সঙ্গে নিয়ে চর ঘোস্তা খেয়াঘাটে যান। সেখানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আসামিরা তাদের তল্লাশি করে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। একপর্যায়ে প্রাণভয়ে সাগর পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে আসামিরা তাকে ধাওয়া করে। ধাওয়ার মুখে সাগর কালীগঙ্গা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ হন। স্থানীয় মাঝিরা তাৎক্ষণিকভাবে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হন। আসামিরা ভিকটিমের বন্ধু স্বাধীনকে জিম্মি করে তার পরিবারের কাছ থেকে ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা চাঁদা আদায় করে এবং ঘটনাটি কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়।

মামলার ঘটনায় জড়িত এজাহারনামীয় অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে।

গাজীপুরে ঘুমন্ত স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা: ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই প্রধান আসামি গ্রেপ্তারগাজীপুর মহানগরীর বাসন থানার পালেরপাড়া এল...
31/07/2026

গাজীপুরে ঘুমন্ত স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা: ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানার পালেরপাড়া এলাকায় ঘুমন্ত স্ত্রীকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। হত্যাকাণ্ডের মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান আসামি ও নিহতের স্বামী মো. আলম হোসেন (২৯)-কে বরিশাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে গাজীপুর জেলা পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রকিবুল আক্তার এ হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি জানান, প্রায় ছয় বছর আগে মিম আক্তার (২৮)-এর সঙ্গে আলম হোসেনের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে তিন বছর বয়সী একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। মিম স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। অন্যদিকে আলম পেশায় অটোরিকশা চালক হলেও তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন এবং নিয়মিত জুয়ায় জড়িত ছিলেন।

তদন্তে জানা যায়, গত ২৫ জুলাই মিম তার বেতনের ৫ হাজার টাকা ঘরের ড্রয়ারে রেখে দেন। পরে ২৭ জুলাই রাতে আলম কাউকে না জানিয়ে সেই টাকা নিয়ে জুয়া খেলেন এবং পুরো টাকাই হারিয়ে ফেলেন। পরদিন মিম ওষুধ কেনার জন্য টাকা খুঁজতে গিয়ে টাকা না পেয়ে আলমকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুজনের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে আলম ও তার মা জাহানারা বেগম (৪৭) মিলে মিমকে মারধর করেন। ভীত হয়ে সেদিন রাতেই মিম তার বোনের বাসায় চলে গেলেও পরে পরিবারের সদস্যদের অনুরোধে আবার স্বামীর বাড়িতে ফিরে আসেন।
পুলিশ সুপার আরও জানান, ২৮ জুলাই ভোর আনুমানিক ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে মিম ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় আলম হোসেন ও তার সহযোগীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথা, কপালসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। এরপর তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর বাসন থানায় মামলা (মামলা নং-৫১) দায়ের হলে পিবিআই গাজীপুর ছায়া তদন্ত শুরু করে। পিবিআই প্রধানের নির্দেশনা এবং গাজীপুর ইউনিটের বিশেষ তদারকিতে তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম জামানের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ৩০ জুলাই ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বরিশালের কোতোয়ালি থানার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে আলম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রকিবুল আক্তার বলেন, পারিবারিক কলহের পাশাপাশি আসামির মাদকাসক্তি ও জুয়ার প্রতি আসক্তিই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আলম হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

রাজনৈতিক কোন্দলে নৃশংস হত্যাকান্ড,পিবিআই কর্তৃক রহস্য উদঘাটনসহ আসামী গ্রেফতার, আদালতে স্বীকারোক্তি রাজনৈতিক কোন্দলের সূত...
31/07/2026

রাজনৈতিক কোন্দলে নৃশংস হত্যাকান্ড,পিবিআই কর্তৃক রহস্য উদঘাটনসহ আসামী গ্রেফতার, আদালতে স্বীকারোক্তি

রাজনৈতিক কোন্দলের সূত্র ধরে কুপিয়ে নৃশংস হত্যাকান্ড, হত্যা মামলার তদন্তে থানা পুলিশ কর্তৃক মাত্র ১ জন এজাহারনামীয় ও ১ জন তদন্তে প্রাপ্ত আসামীর বিরুদ্ধে চার্জশীট দাখিল করায় নারাজি দাখিল করা মামলার রহস্য উদঘাটনসহ মূল আসামী মো: রাব্বি (১৯)- কে গ্রেফতার করেছে পিবিআই পটুয়াখালী জেলা।

গত ১/১/২০২৫ তারিখ বরগুনা জেলার পাথরঘাটা থানা যুবদল সদস্য নাসির হাওলাদারকে থানা এলাকার একটি দুর্গম স্থানে কতিপয় সহিংস দুষ্কৃতিকারী ধাঁরালো অস্ত্র দ্বারা কুপিয়ে হত্যা করে যা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় থানায় ৬ জনকে এজাহারনামীয় আসামী করে একটি হত্যা মামলা(মামলা নং-১, তারিখ-১/১/২০২৫, ধারা ৩০২/৩৪, পেনাল কোড) রুজু হয়। থানা পুলিশ কর্তৃক তদন্তে মাত্র ১ জন এজাহারনামীয় আসামী ও অপর একজন তদন্তে প্রাপ্ত আসামীর বিরুদ্ধে চার্জশীট দাখিল করা হয় এবং মামলার প্রকৃত আসামীদেরকে অভিযোগ থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে বাদীর নারাজীর প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত মামলাটি পিবিআই, পটুয়াখালী কর্তৃক পুন:তদন্তের আদেশ প্রদান করেন। তদন্তকালে এই ঘটনার পরিকল্পনাকারী ও হত্যাকান্ডে সরাসরি অংশগ্রহণকারী একাধিক আসামীদের সংশ্লিষ্টতার স্বাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়। অত:পর গত ২৯/৭/২০২৬ তারিখ মামলার মূল আসামী মো: রাব্বি (১৯)- কে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারসাপেক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। উক্ত আসামী হত্যাকান্ডে সম্পৃক্ত অপরাপর আসামীদের নাম উল্লেখপূর্বক বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। সার্বিক তদন্তে জানা যায় যে, গত ১/১/২০২৫ তারিখ পাথরঘাটা উপজেলায় বিএনপি'র সমাবেশ শেষে মামলার ১ নং আসামী ও অপর গ্রুপের যুবদল কর্মী হাসান গাজী ডিসিস্ট নাসির হাওলাদারকে ৫ আগস্টের পরের নেতা বলায় তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ও হাতাহাতি হয়। পরবর্তীতে হাসান গাজী আসামী রাব্বির সাথে মিলে নাসরকে হত্যার পরিকল্পনা করে এবং সেই মোতাবেক ঘটনার তারিখে রাব্বি, হাসান গাজী, মাইনুল, হানিফ গাজী ও অজ্ঞাতনামা অপর সহযোগীর সাথে মোটরাসাইকেলযোগে রাম-দা, বগি-দা, লোহার রড, হাতুড়ি ইত্যাদি সহকারে ডিসিস্টকে গোপন স্থানে ওত পেতে থেকে আক্রমণ করে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম করে যার ফলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্য হয়।

মামলাটির তদন্ত ও অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের প্রচেষ্টা অব্যহত আছে।

কেরাণীগঞ্জে প্রেমের দ্বন্দ্বে কিশোরীকে গলা কেটে নৃশংস হত্যাকাণ্ড;  পিবিআই কর্তৃক ২৪ ঘণ্টায় হত্যা রহস্য উদঘাটন; ভিকটিমের...
30/07/2026

কেরাণীগঞ্জে প্রেমের দ্বন্দ্বে কিশোরীকে গলা কেটে নৃশংস হত্যাকাণ্ড; পিবিআই কর্তৃক ২৪ ঘণ্টায় হত্যা রহস্য উদঘাটন; ভিকটিমের লুটকৃত মোবাইল ও অলংকার উদ্ধার; গ্রেফতার-০১, আদালতে স্বীকারোক্তি

ঘটনার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ঢাকার কেরাণীগঞ্জে সংঘটিত কিশোরী মোসাঃ তানজিলা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনসহ হত্যাকারী মোঃ রানা হাওলাদারকে গ্রেফতার করেছে পিবিআই ঢাকা জেলা। গত ২৯/০৭/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকু, ভিকটিমের ব্যবহৃত স্মার্টফোন এবং তার ব্যবহৃত অলংকার উদ্ধার করা হয়েছে।

গত ২৭/০৭/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ দুপুরে কিশোরী মোসাঃ তানজিলা (১৭) দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের বাঘৈরে তার খালার বাসায় দুপুরের খাবার খেয়ে বিকেলে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে নিখোঁজ হয়। পরদিন গত ২৮/০৭/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ কেরাণীগঞ্জ মডেল থানার মদিনানগর এলাকা থেকে গলাকাটা অবস্থায় তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলে গিয়ে ভিকটিমের মা মরদেহটি তানজিলার বলে শনাক্ত করেন। এই ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে কেরাণীগঞ্জ মডেল থানার মামলা নং—৭৭, তারিখ—২৯/০৭/২০২৬খ্রিঃ ধারা—৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড দায়ের করেন। গত ২৯/০৭/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ পিবিআই ঢাকা জেলা স্ব—উদ্যোগে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে। বর্তমানে এসআই (নিঃ) মোঃ সাইদুল হক মামলাটি তদন্ত করছেন।

পিবিআই প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল-এর সার্বিক দিকনির্দেশনা এবং পিবিআই, ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এম. এন. মোর্শেদ, পিপিএম-এর তত্ত্বাবধানে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামি মোঃ রানা হাওলাদার (৩০)-কে ২৯/০৭/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ ভোর ৩:৩০ ঘটিকায় দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের রাজেন্দ্রপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি, ভিকটিমের দুটি স্মার্টফোন ও অলংকার উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

পিবিআই এর তদন্তে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত মোঃ রানা হাওলাদার কেরানীগঞ্জে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করত। ভিকটিম মোসাঃ তানজিলার সঙ্গে তার গত ৬/৭ মাস ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তানজিলা রানার কাছে ৩০ হাজার টাকা চাইলে তা দিতে না পারায় তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। গত ২৭/০৭/২০২৬ তারিখ বিকেলে রানা নিজ অটোরিকশায় তানজিলাকে নিয়ে কেরানীগঞ্জের কালিন্দী ইউনিয়নের মদিনানগর এলাকাস্থ ফাকা হাউজিং প্লটে নিয়ে যায়। সেখানে ঝগড়ার একপর্যায়ে রানা গলা চেপে ধরে ফল কাটার চাকু দিয়ে গলা কেটে তাকে হত্যা করে। পরে ভিকটিমের দুটি স্মার্টফোন, রূপার চেইন ও ব্রেসলেট নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে পিবিআই ঢাকা জেলার ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার জনাব এম. এন. মোর্শেদ, পিপিএম বলেন, “চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পিবিআই ঢাকা জেলার ক্রাইম সিন টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরবর্তীতে স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটি অধিগ্রহণ করা হয়। নিরলস, প্রযুক্তিনির্ভর ও তথ্যভিত্তিক তদন্তের মাধ্যমে আমরা ঘটনার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেফতার করতে সক্ষম হই।”

ঘটনার সাথে অন্য আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে ।

ফেসবুকে তান্ত্রিক সেজে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্নসাৎ, গ্রেফতার ৩, ২ জনের স্বীকারোক্তি মামলার বাদী ফেসবুকে "রহমত আলী কবি...
27/07/2026

ফেসবুকে তান্ত্রিক সেজে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্নসাৎ, গ্রেফতার ৩, ২ জনের স্বীকারোক্তি

মামলার বাদী ফেসবুকে "রহমত আলী কবিরাজ" নামের একটি আইডির মাধ্যমে কথিত এক তান্ত্রিকের সঙ্গে পরিচিত হন। স্বামীর পরকীয়া সম্পর্ক দূর করার প্রলোভন দেখিয়ে ওই তান্ত্রিক প্রথমে হাদিয়া বাবদ ১,৫০০ টাকা এবং পরে জালালী কবুতর কেনার অজুহাতে আরও ৩,৫০০ টাকা বিকাশের মাধ্যমে গ্রহণ করে। পরবর্তীতে জ্বীনের মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের কথা বলে ভুক্তভোগীকে পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট ও রসালো মিষ্টি কিনতে এবং ইমু ভিডিও কলে তার নির্দেশনা অনুযায়ী তা ব্যবহার করতে বলে। নির্দেশনা অনুসরণ করলে রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে ভুক্তভোগীর বাম হাতের তালুতে গুরুতর ক্ষত সৃষ্টি হয়। পরে ক্ষত সারিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে আরও ১৬,০০০ টাকাসহ সর্বমোট ২১,০০০ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোছাঃ সালমা আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে খিলক্ষেত থানার মামলা নং-১৯, তারিখ: ২১/০৬/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ২২(২) ধারায় মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে পিবিআই এসআইঅ্যান্ডও (উত্তর) স্ব-প্রণোদিত হয়ে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে এবং এসআই (নিঃ) মো. নাজমুল হক’কে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।

পিবিআই প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল এর সার্বিক দিক-নির্দেশনায় পিবিআই এসআইএন্ডও এর বিশেষ পুলিশ সুপার জনাব মোঃ ফজলে এলাহী এর তত্ত্বাবধানে ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ শিবলী নোমান, এসআইএন্ডও- উত্তর এর সহযোগীতায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তথ্য-প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের অবস্থান শনাক্ত করে। তদন্তকারী কর্মকর্তা গত ২৪ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখ রাত আনুমানিক ১২:০০ ঘটিকায় কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানাধীন হাড়িখোলা বিলের বাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অহিদ মিয়া ওরফে কুয়েত (২৪) এবং মাহে আলম (২৭)-কে গ্রেফতার করেন। তাদের হেফাজত থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও সিম কার্ড জব্দ করা হয়। একই দিন সকাল আনুমানিক ৭:৪০ ঘটিকায় নোয়াখালী জেলার সুধারাম থানাধীন পূর্ব এওজবালিয়া গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে মো. হাসান আলী (২০)-কে গ্রেফতার করা হয়। তার হেফাজত থেকেও প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন এবং একাধিক সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা প্রতারণার মাধ্যমে ভুক্তভোগীর অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি স্বীকার করে। পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালতে গ্রেফতারকৃত অহিদ মিয়া ওরফে কুয়েত (২৪) এবং মো. হাসান আলী (২০) ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

পিবিআই এর তদন্ত এবং গ্রেফতারকৃত আসামিদের জবানবন্দি থেকে জানা যায়, তারা একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য। চক্রটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে "তান্ত্রিক কবিরাজ", "হোসেন কবিরাজ", "আসমা কবিরাজ" এবং "রহমত আলী কবিরাজ" নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি ও ইমু অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে তান্ত্রিক পরিচয়ে ভুক্তভোগীসহ বিভিন্ন নারীর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করত। এরপর তারা পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট ও রসালো মিষ্টি একসঙ্গে হাতের তালুতে, নাভিতে নিয়ে কিছুক্ষণ ধরে রাখতে নির্দেশ দিত। এর ফলে সংঘটিত রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ভুক্তভোগীদের হাতে/নাভিতে গুরুতর ক্ষত সৃষ্টি হতো। পরে ওই ক্ষত জ্বীনের মাধ্যমে সারিয়ে দেওয়ার আশ্বাস এবং জ্বীনের ভয় দেখিয়ে বিকাশ ও নগদ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অর্থ আদায় করে প্রতারকরা ভুক্তভোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিত।

আর্থিক লেনদেন বিশ্লেষণে প্রতারণার মাধ্যমে আদায়কৃত অর্থের একটি অংশ অহিদ মিয়া ওরফে কুয়েতের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে স্থানান্তরের প্রমাণ পাওয়া যায়। এছাড়া মাহে আলম তার নিজ জাতীয় পরিচয়পত্রে নিবন্ধিত বিকাশ সিম ব্যবহার করে প্রধান অভিযুক্তকে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে সহায়তা করতেন। তদন্তে আরও জানা যায়, প্রতারক চক্রটি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও একই ধরনের ভুয়া ফেসবুক পেজ পরিচালনা এবং ভারতীয় মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করত। বিভিন্ন সমস্যা সমাধান ও তদবিরের নামে অর্থ গুগল পে (Google Pay)-এর মাধ্যমে গ্রহণ করে পরবর্তীতে হুন্ডির মাধ্যমে তারা সেই অর্থ বাংলাদেশে এনে আত্মসাৎ করত। তদন্তে আরও জানা যায়, প্রতারক চক্রটি তাদের পরিচালিত ভুয়া ফেসবুক পেজগুলো অধিকসংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে বিভিন্ন অ্যাড এজেন্সির মাধ্যমে নিয়মিত বুস্টিং করত, যাতে ভুয়া তান্ত্রিক সেবার প্রচারণা ছড়িয়ে দিয়ে নতুন নতুন ভুক্তভোগীকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলতে পারে।

পিবিআইর তদন্তে আরও জানা যায়, পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট ও রসালো মিষ্টির রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে ভুক্তভোগীসহ জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক মাস যাবৎ একই ধরনের রাসায়নিক ক্ষত নিয়ে অন্তত ২০০ জন ভুক্তভোগী গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন।

এ বিষয়ে পিবিআই,এসআইএন্ডও এর বিশেষ পুলিশ সুপার জনাব মোঃ ফজলে এলাহী বলেন, "প্রযুক্তির অপব্যবহার করে ধর্মীয় বিশ্বাস, কুসংস্কার ও মানুষের আবেগকে পুঁজি করে প্রতারণাকারী সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে পিবিআই জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। এ ধরনের অপরাধ দমনে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং জড়িত সকলকে আইনের আওতায় আনা হবে। সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করব, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত কথিত তান্ত্রিক, কবিরাজ বা অলৌকিক সমস্যা সমাধানের প্রলোভনে বিভ্রান্ত না হয়ে সচেতন থাকুন এবং প্রতারণার শিকার হলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করুন।"

মামলার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সহযোগীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। মামলার তদন্তও চলমান রয়েছে।

প্রেম থেকে পরিণতি মৃত্যু: বিয়ের চাপের জেরে গার্মেন্টসকর্মী সাদিয়াকে হত্যা, ১০ দিনের মধ্যেই পিবিআই কর্তৃক ঘাতক প্রেমিক গ্...
23/07/2026

প্রেম থেকে পরিণতি মৃত্যু: বিয়ের চাপের জেরে গার্মেন্টসকর্মী সাদিয়াকে হত্যা, ১০ দিনের মধ্যেই পিবিআই কর্তৃক ঘাতক প্রেমিক গ্রেফতার, আদালতে স্বীকারোক্তি

গত ১২ জুলাই ২০২৬ রাত ১১:৪০টা থেকে ১৩ জুলাই রাত ১০:০০টার পূর্বে যেকোনো সময় সাদিয়া আক্তারকে হত্যা করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয় পারিবারিক কলহের জেরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মো. রিয়াজ মোল্লা বাদী হয়ে নিহতের স্বামী মো. ইব্রাহিম (২৭), তার পিতা মো. মহি উদ্দিন, মাতা মোছা. তাসলিমা বেগম এবং অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার মামলা নং-২৫, তাং- ১৫/০৭/২০২৬খ্রি: জি.আর. নং-৩৭৩, ধারা- ৩০২/৩৪ পেনাল কোড-১৮৬০ দায়ের করেন। গত ১৬ জুলাই ২০২৬ খ্রি. তারিখ পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে। বর্তমানে পুলিশ উপ-পরিদর্শক (নিঃ) মোঃ রিয়াজ উদ্দিন রনি মামলাটির তদন্ত করছেন।

পিবিআই এর তদন্তকারী তথ্য-প্রযুক্তির বিশ্লেষণ ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে ১৬ জুলাই ২০২৬ রাতে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানাধীন কোনাপাড়া এলাকা থেকে এজাহারভুক্ত আসামি মো. ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তার করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২১ জুলাই ২০২৬ বিকেল হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি আব্দুর রাজ্জাক (২৫)-কে ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন জিঞ্জিরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেন এবং গত ২২ জুলাই ২০২৬ তারিখ বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

পিবিআইর তদন্তে এবং আসামির আব্দুর রাজ্জাকের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনায় জানা যায় যে, নিহত গার্মেন্টসকর্মী সাদিয়া আক্তারের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ১ জুলাই ২০২৬ থেকে তারা সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি বাতানপাড়ায় স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। ১২ জুলাই ২০২৬ সাদিয়া বিয়ের জন্য চাপ দিলে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আব্দুর রাজ্জাক সাদিয়ার গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং মরদেহ ভাড়া বাসায় রেখে আত্মগোপনে চলে যায়।

ঘটনার সাথে অন্য আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

21/07/2026
পরকীয়া থেকে নির্মম হত্যাকাণ্ড, দুই সপ্তাহেই সীমান্ত এলাকা থেকে আসামি গ্রেফতারএবং আসামির বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারো...
16/07/2026

পরকীয়া থেকে নির্মম হত্যাকাণ্ড, দুই সপ্তাহেই সীমান্ত এলাকা থেকে আসামি গ্রেফতারএবং আসামির বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান।

সাভারে পরকীয়ার জেরে ধর্ষণের পর হত্যা করে ভারতে পালানোর পথে ঘটনায় জড়িত আসামী মোঃ মাসুম ইসলামকে গ্রেফতারসহ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পিবিআই ঢাকা জেলা। গত ১৪/০৭/২০২৬ ইং তারিখ কুড়িগ্রাম জেলা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গত ২ জুলাই ২০২৬ খ্রি. তারিখ দুপুর আনুমানিক ১.৩০ টায় সাভার থানার বড়দেশী এলাকায় ভাড়া বাসায় ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার শিকার হন ভাড়াটিয়া মোছা. শারমিন আক্তার (৩৯) তাঁর শয়নকক্ষ হতে রক্তাক্ত অবস্থায় ডিসিস্ট মোছা. শারমিন আক্তারের লাশ উদ্ধার করা হয়এবং সিআইডির ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয় যে, পরকীয়াজনিত বিরোধের জেরে অভিযুক্ত তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের পর ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এই ঘটনায় নিহতের বাবা মো. শাওকাত হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানার মামলা নং-১৮, তারিখঃ ০৩/০৭/২০২৬ খ্রি., ধারাঃ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(২) ধারায় মামলা দায়ের করেন। গত ৮ জুলাই ২০২৬ খ্রি. তারিখ পিবিআই ঢাকা জেলা স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে। বর্তমানে পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) মো. খালেদ মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে তদন্ত পরিচালনা করছেন।

পিবিআই প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল এর সার্বিক দিক-নির্দেশনায় পিবিআই ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এম.এন. মোর্শেদ, পিপিএম-এর তত্ত্বাবধানে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাতথ্য-প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির অবস্থান শনাক্ত করে। গত ১৪/০৭/২০২৬ ইং তারিখ কুড়িগ্রাম জেলার সীমান্ত এলাকা থেকে ভারতে পালানোর পথে ঘটনায় জড়িত আসামী মোঃ মাসুম ইসলাম, পিতা-মোঃ ইউনুস মণ্ডল, সাং-ফুলখা মণ্ডলপাড়া, থানা-রাজারহাট, জেলা-কুড়িগ্রাম (বর্তমানেকাতলাপুর জনৈক আল-আমিন এর বাড়ির ভাড়াটিয়া, থানা-সাভার, জেলা-ঢাকা) কে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী মাসুম ঘটনার সাথে জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকার করে এবং বিজ্ঞ আদালতে ফৌঃ কাঃ বিঃ এর ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

পিবিআই এর তদন্তে, ঘটনাস্থল থেকে জব্দকৃত আলামত, এবং আসামীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনায় জানা যায় যে,গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ মাসুম ইসলাম প্রজাপতি পরিবহনের লাইনম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করত। পাশাপাশি সাভারের কাতলাপুর এলাকায় তাঁর পিতার চায়ের দোকানেও কাজ করত। ওই চায়ের দোকানের পেছনেই ভিকটিম মোছাঃ শারমিন আক্তার ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। সেখান থেকেই তাদের মধ্যে পরিচয় হয় এবং একপর্যায়ে উভয়ে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ভিকটিম সাভারের বড়দেশী এলাকায় নতুন বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করলে আসামি নিয়মিত সেখানে যাতায়াত করত।ঘটনার আগের রাতে পরকীয়াজনিত সম্পর্ককে কেন্দ্র করে মোবাইল ফোনে তাদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। ঘটনার দিন আসামি ভিকটিমের বাসায় গিয়ে তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। পরে পুনরায় মনোমালিন্যের একপর্যায়ে ভিকটিমের ব্যবহৃত ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে শারীরিক সম্পর্কের আলামত, একটি সিগারেটের খোসাসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আলামত জব্দ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পিবিআই ঢাকা জেলার ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার জনাব এম.এন. মোর্শেদ, পিপিএম বলেন, “চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার সংবাদ প্রাপ্তির পরপরই পিবিআই ঢাকা জেলার ক্রাইম সিন টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ছায়া তদন্ত অব্যাহত রাখে এবং স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটি অধিগ্রহণ করে। নিরলস তদন্তের মাধ্যমে আমরা মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে ঘটনার সাথে জড়িত আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেফতার করতে সক্ষম হই।”

এ সময় তিনি আরও বলেন, "পিবিআই বিশ্বাস করে-বিজ্ঞানভিত্তিক তদন্ত, পেশাদার দক্ষতা ও নিরলস প্রচেষ্টার কাছে অপরাধ যত দূরেই পালানোর চেষ্টা করুক না কেন, সত্য উদ্ঘাটিত হবেই, অপরাধী আইনের আওতায় আসবেই এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবেই।"ঘটনার সাথে অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

নওগাঁর পোরশায় বৃদ্ধ দম্পতিকে জিম্মি করে দস্যুতা; ৩২ লাখ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট। পিবিআইয়ের রহস্য উদ্ঘাটন, দুই আসামি গ্র...
13/07/2026

নওগাঁর পোরশায় বৃদ্ধ দম্পতিকে জিম্মি করে দস্যুতা; ৩২ লাখ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট। পিবিআইয়ের রহস্য উদ্ঘাটন, দুই আসামি গ্রেফতার, একজনের আদালতে স্বীকারোক্তি

নওগাঁ জেলার পোরশা উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে একই বাড়িতে বসবাসকারী আত্মীয় ফজলে আহমেদ ও তার স্ত্রী ফাতেমা খাতুন গত ১৬ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাতে এক বৃদ্ধ দম্পতিকে জিম্মি করে ৩২ লাখ টাকা ও ১১ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নেয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আমেনা বেগম বাদী হয়ে এজাহারনামীয় আসামি ফজলে আহমেদ, তার পিতা গোলাম সারোয়ার এবং ফজলে আহমেদের স্ত্রী ফাতেমা খাতুনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে পোরশা থানায় মামলা নং-০২, তারিখ: ০৪/০৭/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ধারাঃ ৩৯২/৫০৬(২)/৩৪ পেনাল কোডে রুজু এবং মামলার তদন্তভার পিবিআই নওগাঁ জেলার নিকট হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে পিবিআই নওগাঁ জেলার পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোঃ আসাদুজ্জামান মামলাটি তদন্ত করছেন।

পিবিআইয়ের তদন্তকারী কর্মকর্তা তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ১২ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ বেলা ২টা ৪০ মিনিটে নওগাঁ সদর থানার বালুডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে ফজলে আহমেদ ও গোলাম সারোয়ারকে গ্রেফতার করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফজলে আহমেদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এবং পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

পিবিআইয়ের তদন্ত এবং আসামির জবানবন্দি পর্যালোচনায় জানা যায়, ভুক্তভোগী নিঃসন্তান বৃদ্ধ দম্পতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে একই বাড়িতে বসবাস করতেন তাদের আত্মীয় ফজলে আহমেদ ও তার স্ত্রী ফাতেমা খাতুন। বৃদ্ধ দম্পতির বার্ধক্যজনিত অসুবিধার কথা বিবেচনা করে তাদের দোতলায় থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে গত ১৬ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে ফজলে আহমেদ ও ফাতেমা খাতুন বৃদ্ধ দম্পতির কক্ষে প্রবেশ করে ছুরির ভয় দেখিয়ে তাদের জিম্মি করে। পরে আলমারির চাবি নিয়ে জমি বিক্রির গচ্ছিত ৩২ লাখ টাকা এবং ১১ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে পালিয়ে যায়।

পলাতক আসামি ফাতেমা খাতুনকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

Address

House#16 , Road# 04 , Dhanmondi R/A
Dhaka
1206

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Police Bureau of Investigation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Police Bureau of Investigation:

Shortcuts

Share

Category