12/01/2026
নিপা ভাইরাসের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৯৮ সালে মালয়েশিয়ায় প্রথম শনাক্তকরণের মাধ্যমে, যা বাদুড়বাহিত একটি ভাইরাস এবং এটি মানুষ ও প্রাণীর মধ্যে উচ্চ মৃত্যুহারের কারণ হয়; এরপর বাংলাদেশসহ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এর প্রাদুর্ভাব দেখা যায়, বিশেষত খেজুরের রস পানের মাধ্যমে এবং এটি বাদুড় থেকে মানুষে সরাসরি বা দূষিত খাবার ও মানুষের মাধ্যমে ছড়ায়, যা মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে।
নিপা ভাইরাসের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
আবিষ্কার (১৯৯৮): ১৯৯৮ সালে মালয়েশিয়ার নিপা (Nipah) নামক স্থানে প্রথম এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়, যা থেকে এর নামকরণ করা হয়।
প্রধান বাহক: এটি প্রধানত বাদুড় (ফল-খাওয়া বাদুড়) দ্বারা বাহিত হয়, যাদের লালা, প্রস্রাব বা মলের মাধ্যমে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে।
সংক্রমণ পদ্ধতি:
বাদুড়ের খাওয়া ফল বা খেজুরের কাঁচা রস পান করলে।
সংক্রমিত প্রাণী (যেমন শূকর) থেকে মানুষে।
সরাসরি আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে।
প্রাদুর্ভাব: মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের পর বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এর মৌসুমী প্রাদুর্ভাব দেখা যায়, যেখানে খেজুরের রস পান একটি প্রধান কারণ।
মারাত্মকতা: এটি একটি অত্যন্ত মারাত্মক ভাইরাস যা মানুষে উচ্চ মৃত্যুহার ঘটায় এবং এ কারণে এটি নিয়ে বিশ্বব্যাপী গবেষণা চলছে।
গুরুত্বপূর্ণ দিক
প্রাণীবাহিত (Zoonotic): নিপা ভাইরাস প্রাণী থেকে মানুষে ছড়ায়।
মৌসুমী: বাংলাদেশে শীতকালে খেজুরের রস সংগ্রহকালে এর প্রাদুর্ভাব বাড়ে।
সংক্ষেপে, নিপা ভাইরাস ১৯৯৮ সালে আবিষ্কৃত হলেও বাংলাদেশসহ বিভিন্ন অঞ্চলে এটি একটি বড় স্বাস্থ্য ঝুঁকি হিসেবে পরিচিত, যা বাদুড় এবং মানুষের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।