Aawam Bin Miraj Al Aziz

Aawam Bin Miraj Al Aziz Be strong inside enough to think positive. Be content, be honest truly.

ফেরাউনের প্রাসাদের সেই ঈমানদার নারী!রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, মেরাজের রাতে আমি এক অপূর্ব সুঘ্রাণ অনুভব করলাম। আমি জিজ্ঞেস কর...
27/08/2026

ফেরাউনের প্রাসাদের সেই ঈমানদার নারী!

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, মেরাজের রাতে আমি এক অপূর্ব সুঘ্রাণ অনুভব করলাম। আমি জিজ্ঞেস করলাম,“হে জিবরাঈল! এই চমৎকার সুঘ্রাণ কিসের?”

জিবরাঈল (আ.) বললেন,“এটি ফেরাউনের কন্যার পরিচারিকা এবং তার সন্তানদের সুঘ্রাণ।”

আমি তার ঘটনা জানতে চাইলে জিবরাঈল (আ.) বললেন,

একদিন সে ফেরাউনের কন্যার চুল আঁচড়ে দিচ্ছিল। হঠাৎ তার হাত থেকে চিরুনিটি পড়ে গেল। তখন সে বলল,“বিসমিল্লাহ।”

ফেরাউনের কন্যা জিজ্ঞেস করল,“তুমি কি আমার বাবার নাম নিয়েছ?”

সে বলল,“না। বরং সেই আল্লাহর নাম নিয়েছি, যিনি আমার, তোমার এবং তোমার বাবারও রব।”

ফেরাউনের কন্যা বলল,“আমার বাবা ছাড়া তোমার কি অন্য কোনো রব আছে?”

সে বলল,“হ্যাঁ।”

কন্যা বলল,“আমি এই কথা আমার বাবাকে জানিয়ে দেব।”

সে বলল,“ঠিক আছে, জানাও।”

এরপর ফেরাউন তাকে ডেকে জিজ্ঞেস করল,“আমি ছাড়া তোমার কি কোনো রব আছে?”

সে বলল,“হ্যাঁ। আমার এবং আপনার রব সেই মহান আল্লাহ।”

তখন ফেরাউন একটি বিশাল পাত্রে পানি ভরে তা প্রচণ্ডভাবে গরম করার নির্দেশ দিল। এরপর তার সন্তানদের একে একে সেই উত্তপ্ত পানিতে নিক্ষেপ করা হতে লাগল।

এ অবস্থায় নারীটি ফেরাউনকে বলল,“আমার একটি শেষ ইচ্ছা আছে।”

ফেরাউন বলল,“তোমার ইচ্ছা কী?”

সে বলল,“আমার এবং আমার সন্তানদের হাড়গুলো যেন একই কাপড়ে পেঁচিয়ে একসঙ্গে দাফন করা হয়।”

ফেরাউন বলল,“তোমার এই ইচ্ছা পূরণ করা হবে।”

এরপর একে একে তার সন্তানদের নিক্ষেপ করা হতে লাগল। অবশেষে যখন তার দুগ্ধপোষ্য শিশুটির পালা এল, তখন মায়ের মমতায় তার অন্তর কিছুটা দুর্বল হয়ে গেল।

ঠিক তখন শিশুটি আল্লাহর কুদরতে কথা বলে উঠল,“মা! তুমি এগিয়ে যাও। কারণ দুনিয়ার শাস্তি আখিরাতের শাস্তির তুলনায় অতি সামান্য।”

সুবহানাল্লাহ!

একজন সাধারণ পরিচারিকা - কিন্তু তার অন্তরে ছিল অসাধারণ ঈমান। ফেরাউনের মতো পরাক্রমশালী শাসকের সামনে দাঁড়িয়েও সে নিজের রবের পরিচয় অস্বীকার করেনি।

তার সামনে ছিল দুইটি পথ - একদিকে ঈমান ত্যাগ করে দুনিয়ার জীবন, অন্যদিকে ঈমানের ওপর অটল থেকে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হওয়া। সে আল্লাহকেই বেছে নিয়েছিল।

আর সেই ঈমানদার নারী ও তার সন্তানদের সম্মান এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, মেরাজের রাতে রাসূলুল্লাহ ﷺ তাদের সুঘ্রাণ অনুভব করেছিলেন।

যে অন্তরে আল্লাহর মহব্বত সত্যিই জায়গা করে নেয়, দুনিয়ার ভয় তাকে সহজে টলাতে পারে না। কারণ মুমিন জানে, দুনিয়ার কষ্ট ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু আখিরাতের পুরস্কার চিরস্থায়ী।

সূত্র: মুসনাদে আহমাদ, ৩০৯৪; আত-তাবারানী, আল-মু‘জামুল কাবীর, ১২২৭৯; সহিহ ইবনে হিব্বান, ২৮৯২।
Salman Farsi

Guess the right answer in 10 seconds!
15/08/2026

Guess the right answer in 10 seconds!

Those who possess practical intelligence solve it in 10 seconds.What could the next number be?
15/08/2026

Those who possess practical intelligence solve it in 10 seconds.

What could the next number be?

No hintsNo clue Just pure logic...! What's your answer!!!
15/08/2026

No hints
No clue
Just pure logic...!
What's your answer!!!

Square roots are easy, but the order matters! 👀Can you calculate the correct answer? 🧠
15/08/2026

Square roots are easy, but the order matters! 👀

Can you calculate the correct answer? 🧠

It looks simple, but everyone gets it wrong!!What's the next number?
15/08/2026

It looks simple, but everyone gets it wrong!!

What's the next number?

Think you can crack this one? What number should replace the question mark?
15/08/2026

Think you can crack this one?

What number should replace the question mark?

If you can solve this in 10 seconds, it means you have practical intelligence!What is “b”?
15/08/2026

If you can solve this in 10 seconds, it means you have practical intelligence!

What is “b”?

✨ কোরআনের তিলাওয়াতে আসমান থেকে নেমে এলেন ফেরেশতারা: উসাইদ (রা.)-এর বিস্ময়কর রাত 📖🌙মদীনার এক নীরব রাত। চারপাশে গভীর নিস্ত...
13/08/2026

✨ কোরআনের তিলাওয়াতে আসমান থেকে নেমে এলেন ফেরেশতারা: উসাইদ (রা.)-এর বিস্ময়কর রাত 📖🌙

মদীনার এক নীরব রাত। চারপাশে গভীর নিস্তব্ধতা, আকাশজুড়ে অসংখ্য তারা। সেই শান্ত পরিবেশে সাহাবি হযরত উসাইদ ইবন হুজাইর (রা.) কোরআন তিলাওয়াত করছিলেন। তাঁর কণ্ঠে ধ্বনিত হচ্ছিল পবিত্র সূরা আল-বাকারা।

কাছেই বাঁধা ছিল তাঁর ঘোড়া। আর অদূরেই ঘুমিয়ে ছিল তাঁর ছোট্ট ছেলে ইয়াহইয়া।

🐎 ১. তিলাওয়াত শুরু হতেই ঘোড়ার অস্বাভাবিক আচরণ

উসাইদ (রা.) অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে কোরআন পড়ছিলেন। হঠাৎ তাঁর ঘোড়াটি অস্থির হয়ে উঠল। শান্ত প্রাণীটি আচমকা লাফাতে ও ছটফট করতে শুরু করল।

ঘোড়াটির এমন আচরণ দেখে তিনি তিলাওয়াত থামিয়ে দিলেন। আশ্চর্যের বিষয়—তিলাওয়াত বন্ধ করতেই ঘোড়াটিও শান্ত হয়ে গেল।

কিছুক্ষণ পর উসাইদ (রা.) আবার কোরআন পড়তে শুরু করলেন। এবারও ঘোড়াটি আগের মতো অস্থির হয়ে লাফাতে লাগল।

তিনি আবার থেমে গেলেন।

এভাবে কয়েকবার একই ঘটনা ঘটল। তখন উসাইদ (রা.) চিন্তিত হয়ে পড়লেন। তাঁর সবচেয়ে বড় ভয় ছিল—ঘোড়াটি যদি বাঁধন ছিঁড়ে ফেলে, তাহলে পাশে ঘুমিয়ে থাকা তাঁর ছোট্ট সন্তানটির ক্ষতি হতে পারে।

🌌 ২. মাথার ওপরে দেখা গেল আশ্চর্য এক নূর

সন্তানের নিরাপত্তার কথা ভেবে উসাইদ (রা.) তিলাওয়াত বন্ধ করে ছেলেকে একটু দূরে সরিয়ে নিলেন।

এরপর হঠাৎ তিনি আকাশের দিকে তাকালেন।

তখন তাঁর চোখে পড়ল এক বিস্ময়কর দৃশ্য!

আকাশের নিচে যেন একটি মেঘের মতো ছায়া নেমে এসেছে। সেই ছায়ার ভেতরে অসংখ্য প্রদীপের মতো উজ্জ্বল আলো জ্বলছিল। নূরের সেই অপূর্ব দৃশ্য ধীরে ধীরে ওপরে উঠতে লাগল।

উসাইদ (রা.) বিস্ময়ে তাকিয়ে রইলেন। সেই আলোকময় দৃশ্য শেষ পর্যন্ত আকাশের দিগন্তে মিলিয়ে গেল।

তিনি বুঝতে পারলেন, এই রাতের ঘটনাটি সাধারণ কোনো ঘটনা নয়।

🕌 ৩. রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে গেলেন উসাইদ (রা.)

পরদিন সকালেই উসাইদ ইবন হুজাইর (রা.) রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে উপস্থিত হলেন।

তিনি আগের রাতের পুরো ঘটনা বর্ণনা করলেন—কোরআন তিলাওয়াতের সময় ঘোড়ার অস্থির হয়ে ওঠা, বারবার তিলাওয়াত থামানো এবং তারপর আকাশে সেই আশ্চর্য নূর দেখার কথা।

সব শুনে রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন:

“হে ইবন হুজাইর! তুমি যদি পড়তে থাকতে! তুমি যদি পড়া বন্ধ না করতে!”

উসাইদ (রা.) বিনয়ের সঙ্গে বললেন, তাঁর সন্তান ঘোড়ার কাছেই ঘুমিয়ে ছিল। তাই সন্তানের নিরাপত্তার আশঙ্কায় তাঁকে তিলাওয়াত থামাতে হয়েছিল।

এরপর তিনি জানতে চাইলেন—আকাশে যে অসংখ্য উজ্জ্বল আলো তিনি দেখেছিলেন, সেগুলো কী ছিল?

👼 ৪. রহস্যের পর্দা সরিয়ে দিলেন নবীজি ﷺ

তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ জানালেন, সেই আলো সাধারণ কোনো আলো ছিল না।

তাঁরা ছিলেন আল্লাহর ফেরেশতা।

উসাইদ (রা.)-এর কোরআন তিলাওয়াত শুনতে ফেরেশতারা আসমান থেকে নেমে এসেছিলেন। তাঁর কণ্ঠে আল্লাহর কালামের তিলাওয়াত শুনে তারা সেখানে অবস্থান করছিলেন।

রাসূলুল্লাহ ﷺ আরও জানালেন—উসাইদ (রা.) যদি তিলাওয়াত চালিয়ে যেতেন, তাহলে ফেরেশতারা সকাল পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করতেন এবং মানুষও তাদের দেখতে পেত।

কী অপূর্ব সম্মান! একজন মুমিনের মুখ থেকে উচ্চারিত কোরআনের আয়াত শুনতে আসমান থেকে ফেরেশতারা নেমে এসেছিলেন!

🌿 এই ঘটনার শিক্ষা

📖 কোরআনের অসীম মর্যাদা:
আল্লাহর কালামের এমন মর্যাদা যে, এর তিলাওয়াত ফেরেশতাদেরও আকর্ষণ করে।

👼 ফেরেশতাদের সান্নিধ্য:
যে স্থানে আন্তরিকতার সঙ্গে আল্লাহর কোরআন পাঠ করা হয়, সেখানে ফেরেশতাদের উপস্থিতি ও আল্লাহর রহমতের আশা করা যায়।

❤️ কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক:
কোরআন শুধু পড়ার জন্য নয়—এর তিলাওয়াত মানুষের হৃদয়কে আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে নেয় এবং ঘরে বরকত নিয়ে আসে।

🌙 তাই আসুন, আমরা প্রতিদিন কোরআনের কিছু অংশ হলেও তিলাওয়াত করি। হয়তো আমাদের চোখে ফেরেশতাদের দেখা যাবে না, কিন্তু আল্লাহর রহমত ও তাদের উপস্থিতির বরকত থেকে আমরা বঞ্চিত হব না।

সূত্র: সহিহ বুখারি, হাদিস ৫০১৮।

Address

Dhaka

Telephone

+211959112152

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Aawam Bin Miraj Al Aziz posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Aawam Bin Miraj Al Aziz:

Shortcuts

Share