Library TechPower

Library TechPower Who reads, He leads

এআই অর্থাৎ আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। এআইয়ের উদ্ভাবনের মধ্য দিয়ে মানুষের মননশীলতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক ক...
05/06/2024

এআই অর্থাৎ আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। এআইয়ের উদ্ভাবনের মধ্য দিয়ে মানুষের মননশীলতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মকাণ্ডে ব্যপক অংশিদারিত্ব দাবী করছে। পক্ষান্তরে কায়িক শ্রমের কাজগুলিতে অর্থাৎ যে কাজগুলিতে মননশীলতা নেই সেখানে এআই কিভাবে কাজ করতে পারে সেগুলিতে মনোযোগী হতে হবে। মানুষকের উন্নততর প্রাণী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত রাখতে মননশীলতাকেই যে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। এটার দায়ভার মানুষকেই রাখতে হবে। অন্যের হাতে তুলে দেয়া কোন প্রজ্ঞাবান সিদ্ধান্ত হতে পারে না। নীচের কথাটা খুব মনে ধরেছে।

20/05/2024

রাষ্ট্র যদি ব্যক্তি এবং তাদের সম্পত্তি রক্ষায় ব্যর্থ হয়, পুঁজি সেখান থেকে এমন রাষ্ট্রে স্থানান্তরিত হয়, যেখানে আইনের শাসন এবং ব্যক্তি অধিকার সংরক্ষিত হয়। -ইয়ুভাল নোয়াহ হারারি

তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য। যেকোনো চাকুরীর পরীক্ষা সহযোগী হিসেবে এই বইটি দেখা যেতে ...
02/05/2024

তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য। যেকোনো চাকুরীর পরীক্ষা সহযোগী হিসেবে এই বইটি দেখা যেতে পারে।

জাহিদ হাসান, কোলকাতা আলিয়ার পিএইচডি গবেষক। লাইব্রেরীতে তথ্যসেবা পেয়ে আনন্দিত।
04/04/2024

জাহিদ হাসান, কোলকাতা আলিয়ার পিএইচডি গবেষক। লাইব্রেরীতে তথ্যসেবা পেয়ে আনন্দিত।

01/04/2024

যখন মানুষগুলি চলে যায়, নীরবতা নেমে আসে
কোলাহল ভেঙে যায়, এক এক করে খালী হয়ে যায় প্রাঙ্গণ
তখন আমি আসি এখানে, পিতার পাশে দু’দণ্ড বসি
অনুভব করি, শ্রদ্ধায় মাথা নুইয়ে প্রণাম করি
বাড়ীর আঙিনায়, ঘরে দেয়ালে, যত্রতত্র
বুলেটের বিদ্ধ দাগ, এলোপাথারি গুলি যেন অনল বর্ষণ।
আহা! কী দর্শন লালন করে এগিয়ে গিয়েছেন
বাঙালীর ইতিহাসে প্রথম স্বশাসিতের সুযোগ দান
সেই মুক্তি, স্বাধীনতা আর্থিক সাম্যতা
আর জাতি ভেদাভেদ ভুলে অসাম্প্রদায়িক চেতনা
এই দর্শনকে ধারণ করেই কণ্ঠে তুলেছিলেন উচ্চস্বর
“এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম”।
সেই মানুষটির লাশ পড়ে আছে
নীরবতা নিঃশব্দতায় জড়িয়ে আছে চারদিক
স্তম্ভিত দেশ, স্তম্ভিত জাতি
ঠিক এইখানে কান্না বিজড়িত কণ্ঠে দু’হাত তুলি
পরম করুনাময়ের কাছে প্রার্থনা করি
পিতার পাশে বসে পিতার দর্শনের উৎস খুজি
পিতাকে জিজ্ঞাসিতাম, কোথায় পেয়েছিলে এ মহান বার্তা।
অতপর খুঁজে পাই এক বিশাল ভাণ্ডার
রয়েছে হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খিষ্টের মহান বাণী
চার খলিফা, স্বামী বিবেকানন্দ, অনুকূল দেব
জওহার লাল নেহরু, নেতাজী সুভাষ বসু
যারা যুগে যুগে এই পৃথিবীকে দিয়ে গেছে অনন্ত প্রাণ
রয়েছে কার্ল মাক্স, ফ্রেডরিক এঙ্গেল, লেলিন বাদের সকল সিরিজ
রবীন্দ্রনাথ, কাজী নজরুল ঈশ্বরচন্দ্র, শরৎচন্দ্র সকল সাম্যবাদী
এহেন অপরিমেয় ভাণ্ডারের সাথে যার
ঐকান্তিক যোগাযোগ, তার দর্শন কতটা সুদৃঢ়
রাষ্ট্র সংগ্রাম, স্বাধীনতা তার কতটা আপন
দেশের মানুষের ভালবাসা তার কতটা শীরধার্য
এমন উচ্চমার্গীয় দার্শনিক দেহখানা পড়ে আছে
সিড়ি বেয়ে রক্তের ফোটা গড়িয়ে যাচ্ছেে এখনও জীবন্ত
আর কোলাহলে ভীড়ের মধ্যে সশব্দে দ্রুত চলে গেলে
উপলব্ধি হবে কি কোনভাবে?
তুমি এসো, নীঃশব্দে এসো, কোন অঞ্জলী লাগে না
শুধু উন্মুক্ত মন নিয়ে তুমি এসো পিতার কাছে।

গ্রন্থের নামঃ মির্জা গালিবলেখকঃ মোস্তাক শরীফ স্যারপ্রকাশকঃ বাতিঘর, ঢাকা। 2024মূল্যঃ 400 টাকাএই গ্রন্থটি মূলত মির্জা আসাদ...
12/03/2024

গ্রন্থের নামঃ মির্জা গালিব
লেখকঃ মোস্তাক শরীফ স্যার
প্রকাশকঃ বাতিঘর, ঢাকা। 2024
মূল্যঃ 400 টাকা
এই গ্রন্থটি মূলত মির্জা আসাদুল্লাহ বেগ খান গালিবের বায়োগ্রাফি। তিনি উর্দু ভাষার এক সনামধন্য কবি। ফার্সি ভাষায়ও ছিল অগাধ পান্ডিত্য। যতদিন জীবিত ছিলেন লিখেছেন। লিখেছেন মানুষের আবেগের কথা, লিখেছেন মানুষের ভালবাসার কথা। নানান চড়াই উৎরাই পেরিয়ে, অভাব অনটন ক্লেশের মধ্য দিয়ে জীবনের ইতি টেনেছেন। পুরুসময়টা জুড়ে গালিবকে সঙ্গ দিয়েছেন উমরাও বেগম।
গালিবের একে একে সাতটি সন্তান জন্ম লাভ করলেও সকলে শিশুকালে মৃত্যু বরণ করে। অবশেষে উমরাও বেগমের বোনে ছেলে আরিফকে লালনপালন করে। কিন্তু সেই আরিফও দুটি সন্তান রেখে পরপারে পারি জমান।
ফারসি ভাষায় দক্ষতার কারণে দিল্লীর কলেজে ফারসি বিভাগে শিক্ষতার ডাক পান। পালকি করে সেখানে যান মির্জা গালিব। কিন্তু কোম্পানী বাহাদুরের সচিব মি. টম্পসন অভ্যর্থনা না জানিয়ে আর্দালী অভ্যর্থনা জানালে গালিব অসন্তুষ্ট হন। তিনি আশা করেছিলেন যেহেতু টম্পসনের ইনভাইটেশনে এখানে এসেছেন, তাই টম্পসন সাহেবই অভ্যর্থনা জানাবেন। এই ঘটনায় মির্জা গালিবের চারিত্রিক দৃঢ়তা পাওয়া যায়। কিন্তু এই বইয়ের শেষের দিকে যখন 1857 এর বিপ্লবে সিপাহীরা পরাজিত হয়, তখন দেখা যায় গালিব ইংরেজদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলতে দস্তামবু লিখেছেন। এবং কথোপকথনেও কিছুটা নমনীয় চরিত্র ফুটে উঠেছে। সত্যি বলতে, কবির পুরোটা জীবন জুড়েই কিছুটা দ্বিচারিতা রয়েছে।
গ্রন্থটি মির্জা গালিবের বায়োগ্রাফি হলেও লেখক অত্যন্ত চমৎকারভাবে মোঘল শাসনের শেষ সময়ে অসাধারণ বর্ণনা দিয়েছেন। বাহাদুর শাহের আত্মোপলব্ধি ফুটিয়ে তুলেছেন। ক্রমশ ভারতে মোগলদের শাসন যেন বিলুপ্তি পথে। কীভাবে যমুনার পানি পরিবর্তন হয়ে গেল এ উপন্যাসে যেকোনো পাঠকে চমৎকৃত করবে।
যমুনার এই পাড়ে মোগলদের সারি সারি রাজকীয় বাড়ীর আলো একে নিভে যাচ্ছে আর ওদিকে রাজকীয় বাড়ী হয়ে যমুনার আলোতে ঝলকানি ছড়াচ্ছে মেটকাফের বাড়ীর আলো। অথচ সেসময়ও আলো নিভে যাওয়া মোগলতে বাড়ীতে চলছে ষড়যন্ত্রের খেলা। বিলাসিতায় মত্ত।
এই গ্রন্থে লেখকের লেখনীতে চমৎকারভাবে বিবৃত হয়েছে দিল্লীর শহুরে-গ্রামীণ সামাজিক পরিবেশ। বিবৃত হয়েছে 1857 সালের বিপ্লবের সময় সিপাহীদের বিশৃঙ্খলতার কথা। সিপাহীরা গ্রামে গঞ্জে লুটপাট চালায়। সাধারণ মানুষের জীবন উৎকণ্ঠায় ফেলে দিয়েছিল। ব্যপক সংখ্যা বিদ্রোহী গোষ্ঠী থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র অবিন্যস্ত ও মতানৈক্য থাকার কারণে ইংরেজদের কাছে পরাজয় বরণ করে। শেষ পর্য ন্ত সমস্ত ভারতীয় কচুকাটার শিকার হয়।
যেসমস্ত পাঠকেরা একসময়ের ভারতবর্ষের প্রভাবশালী শাসক মোঘলদের শেষ সময়গুলি জানতে আগ্রহী তাদের গল্পে গল্পে আনন্দদায়ক ভাষায় ইতিহাস শোনাবে এই বইটি। আর মির্জা গালিবের জীবনের দিনগুলি আগ্রহ বাড়াবে সমানতালে।

পরম শ্রদ্ধেয়, আমার শিক্ষাগুরু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের গ্রন্থাগারিক, রেজিস্ট্রারড গ্রেজুয়েট কর্তৃক নির্বাচিত ঢাক...
22/02/2024

পরম শ্রদ্ধেয়, আমার শিক্ষাগুরু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের গ্রন্থাগারিক, রেজিস্ট্রারড গ্রেজুয়েট কর্তৃক নির্বাচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট মেম্বার অধ্যাপক ড. মো. নাসিরউদ্দিন মুন্সী স্যারের হাতে “গ্রন্থাগার ও তথ্যবিজ্ঞানের মৌলিক পাঠ” গ্রন্থখানা তুলে দিতে পেরে নিজেকে ধন্য অনুভব করছি। স্যারের কাছে যখন এই বইটি নিবেদন করছিলাম, তখন আমি কিছুটা লজ্জা অনুভব করছিলাম। কেননা, এ যেন এক সমুদ্রে একফোটা জল প্রদান। যাই হোক, সব ভুল ত্রুটি মার্জনা করে স্যার সবসময়ই আমাজে সাহস যুগিয়েছেন।

জয়তী পাবলিশার্স, স্টল নং 279-79, বইমেলা, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা।
20/02/2024

জয়তী পাবলিশার্স, স্টল নং 279-79, বইমেলা, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা।

জয়তী পাবলিশার্স,  স্টল নং ২৭৮-৭৯. তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের বন্ধু, শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীরা শেয়ার ...
11/02/2024

জয়তী পাবলিশার্স, স্টল নং ২৭৮-৭৯. তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের বন্ধু, শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীরা শেয়ার করে বইটির বহুল প্রচার নিশ্চিত করবে বলে আশা প্রকাশ করছি।

জয়তী পাবলিশার্স।  স্টল নং ২৭৮-৭৯
09/02/2024

জয়তী পাবলিশার্স। স্টল নং ২৭৮-৭৯

চার বছরের পুরোনো ছবি। একসাথে জিমে যেতাম, সে ছবিটা পাঠালো।
08/02/2024

চার বছরের পুরোনো ছবি। একসাথে জিমে যেতাম, সে ছবিটা পাঠালো।

Address

Sheikh Russel Tower, Shahid Minar Sharak, Dhaka University Campus, Dhaka
Dhaka
1000

Telephone

+8801552654769

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Library TechPower posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Library TechPower:

Share

Category