Ministry of Cultural Affairs

Ministry of Cultural Affairs Official page of the Ministry of Cultural Affairs, Bangladesh

 # নন্দশিল্প একাডেমির আয়োজনে ‘নন্দিত শিল্পযাত্রা’  #রাজধানীর বাংলাদেশ মহিলা সমিতির ড. নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে নন্দশি...
30/07/2026

# নন্দশিল্প একাডেমির আয়োজনে ‘নন্দিত শিল্পযাত্রা’ #
রাজধানীর বাংলাদেশ মহিলা সমিতির ড. নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে নন্দশিল্প একাডেমি আয়োজিত ‘নন্দিত শিল্পযাত্রা’ অনুষ্ঠানে নবীন শিল্পীদের পরিবেশনায় মুখর হয়ে ওঠে সাংস্কৃতিক অঙ্গন।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তিনি শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে নবীন শিল্পীদের অংশগ্রহণ ও পৃষ্ঠপোষকতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
সঙ্গীত, নৃত্য ও শিল্পচর্চার মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্মের প্রতিভা বিকাশ এবং গুণীজনদের সম্মাননা প্রদানের লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান দর্শক-শ্রোতাদের আন্তরিক প্রশংসা অর্জন করে। এ ধরনের উদ্যোগ দেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে সম্মিলিত উদ্যোগই গড়ে তুলবে একটি সৃজনশীল ও মানবিক বাংলাদেশ।

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক জুলাই অভ্যুত্থানের বীরত্বগাথা, আত্মত্যাগ এবং নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নকে সুরের মূর্ছনায় ধা...
30/07/2026

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক জুলাই অভ্যুত্থানের বীরত্বগাথা, আত্মত্যাগ এবং নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নকে সুরের মূর্ছনায় ধারণ করতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো বিশেষ সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘গানে গানে জুলাই’।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব নিতাই রায় চৌধুরী, এমপি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মানীত সচিব জনাব কানিজ মওলা।স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ।

২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান আমাদের জাতীয় জীবনে সাহস, আত্মত্যাগ, ঐক্য ও গণআকাঙ্ক্ষার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। সেই ইতিহাসকে সঙ্গীতের ভাষায় নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এ আয়োজন। সংস্কৃতি শুধু অতীতের স্মৃতি সংরক্ষণই নয়, বরং ভবিষ্যৎ নির্মাণেরও শক্তিশালী অনুষঙ্গ। তাই জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে একটি মানবিক, গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক, সৃজনশীল ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাংস্কৃতিক চর্চাকে আরও গতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

আগামীর বাংলাদেশ হবে এমন এক বাংলাদেশ—যেখানে ইতিহাস থেকে শক্তি, সংস্কৃতি থেকে প্রেরণা এবং তরুণদের সৃজনশীলতা থেকে জাতি পাবে উন্নয়ন, সম্প্রীতি ও অগ্রযাত্রার নতুন দিকনির্দেশনা। এই প্রত্যয়েই জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে সাংস্কৃতিক জাগরণকে দেশ গঠনের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

আয়োজনে: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি
পৃষ্ঠপোষকতায়: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।

To commemorate the heroism, sacrifice, and aspirations for a new Bangladesh inspired by the historic July Uprising of students and the public in 2024, the Bangladesh Shilpakala Academy organized a special musical programme titled “Songs of July.”

The programme was graced by Hon’ble Minister for Cultural Affairs Mr. Nitai Roy Chowdhury, MP, as the Chief Guest. The event was chaired by Kaniz Moula, Hon’ble Secretary of the Ministry of Cultural Affairs. At the same time, the Director General of Bangladesh Shilpakala Academy, Mr. SK Rezauddin Ahmed, delivered the welcome address.

The July Uprising of 2024 stands as a remarkable symbol of courage, sacrifice, unity, and the collective aspirations of the people. Through the universal language of music, the programme sought to inspire the younger generation by preserving the spirit and legacy of this historic movement. Recognizing culture as a powerful force for shaping the future, the Ministry of Cultural Affairs remains committed to promoting a dynamic and inclusive cultural environment that supports the vision of a humane, democratic, creative, and discrimination-free Bangladesh.

Organized by: Bangladesh Shilpakala Academy
Patronized by: Ministry of Cultural Affairs, Government of the People’s Republic of Bangladesh

সংস্কৃতি মন্ত্রীর সাথে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বঢাকা, ২৯ জুলাই ২০২৬:...
29/07/2026

সংস্কৃতি মন্ত্রীর সাথে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্ব

ঢাকা, ২৯ জুলাই ২০২৬:
বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী ও বন্ধুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও সুসংহত ও বেগবান করার লক্ষ্যে একটি নতুন ‘সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি (Cultural Exchange Programme - CEP)’ দ্রুত চূড়ান্ত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জনাব নিতাই রায় চৌধুরী এমপি। আজ (বুধবার) বাংলাদেশ সচিবালয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রীর দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত এইচ.ই. মিস লিস্টোয়াতীর (H.E. Ms. Listyowati) সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এমপি, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ্ কানিজ মওলা, এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মিজ্ ইলিয়া সুমনা।

অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক সহযোগিতার বহুমুখী ক্ষেত্র নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। সংস্কৃতি মন্ত্রী জনাব নিতাই রায় চৌধুরী এমপি রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়া দুটি বন্ধুপ্রতীম দেশ, যারা ওআইসি-র সদস্য এবং বঙ্গোপসাগরের মাধ্যমে পারস্পরিক ঐতিহ্যে যুক্ত। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের এই বন্ধুত্ব অত্যন্ত গভীর ও ঐতিহাসিক; দ্বাদশ শতাব্দীতে বিক্রমপুরের অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান সুবর্ণদ্বীপে (আজকের সুমাত্রা) গিয়ে বিদ্যাচর্চা করেছিলেন, যা দুই দেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্কের অনন্য এক ভিত্তি।

বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রসারে ১৯৭৯ সালের ‘শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা’ চুক্তির আওতায় পূর্বের প্রথম সিইপি-র (২০০৪-২০০৭) ধারাবাহিকতা স্মরণ করা হয়। তৎকালীন চুক্তির নিয়ম অনুযায়ী এটি কার্যকর থাকলেও, বর্তমান সময়ের উপযোগী করে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ইতোমধ্যেই ২০২৫-২০২৯ মেয়াদের একটি নতুন খসড়া সিইপি তৈরি করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইন্দোনেশিয়া সরকারের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।

মাননীয় মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, খসড়াটি দ্রুত চূড়ান্ত প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ২০২৬ সালের মধ্যেই যেন একটি নতুন সিইপি স্বাক্ষরিত হতে পারে। এ বিষয়ে যেকোনো কারিগরি দিক দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে উভয় দেশের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের প্রস্তাবও উপস্থাপন করা হয়।

নতুন সিইপি-র আওতায় বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার সাংস্কৃতিক বিনিময় আরও সমৃদ্ধ করতে মন্ত্রী বেশ কিছু নতুন প্রস্তাব তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে: দুই দেশের শিল্প ও সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি দলের বিনিময় (Reciprocal troupes); ইউনেস্কোর স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ঐতিহ্য বাটিক এবং জামদানি শিল্পের সুরক্ষায় কারিগর ও বিশেষজ্ঞদের পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়; প্রত্নতত্ত্ব ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে যৌথ কাজ (যেমন- বোরোবুদুরের সংরক্ষণ অভিজ্ঞতাকে পাহাড়পুর, মহাস্থানগড় ও বাগেরহাটের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানে কাজে লাগানো); দুই দেশের জাতীয় জাদুঘরের মধ্যে সরাসরি স্মারক চুক্তি ও প্রদর্শনী আয়োজন; এবং বাংলাদেশের জাতীয় লোক ও চলচ্চিত্র উৎসবে ইন্দোনেশিয়ার অংশগ্রহণ। এছাড়া বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্দোনেশীয় শিল্প, নৃত্য ও ভাষা শিক্ষায় বৃত্তির সুযোগ বৃদ্ধির বিষয়টিও এতে স্থান পায়।

ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত মিস লিস্টোয়াতী বাংলাদেশের সংস্কৃতি মন্ত্রীর এই প্রস্তাবনাগুলোকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং নতুন সিইপি চুক্তি বাস্তবায়নে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠকের শেষ পর্যায়ে সংস্কৃতি মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলোতে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানান এবং সিইপি স্বাক্ষরের জন্য জাকার্তা সফরের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সংস্কৃতি মন্ত্রীর সাথে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ: দ্বিপাক্ষিক সংস্কৃতি বিনিময় ও যৌথ উদ্যোগ সম্প্রসারণে গুরুত্বার...
28/07/2026

সংস্কৃতি মন্ত্রীর সাথে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ: দ্বিপাক্ষিক সংস্কৃতি বিনিময় ও যৌথ উদ্যোগ সম্প্রসারণে গুরুত্বারোপ

ঢাকা, ২৮ জুলাই ২০২৬:
আজ মঙ্গলবার সকাল ১১:৩০ ঘটিকায় বাংলাদেশ সচিবালয়স্থ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে মাননীয় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী জনাব নিতাই রায় চৌধুরী এম.পি. এর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত এইচ. ই. মি. ইয়াও ওয়েন (H.E. Mr. YAO WEN) এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। এই বৈঠকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এম.পি., সচিব মিজ্ কানিজ মাওলা এবং যুগ্মসচিব মিজ্ ইলিয়া সুমনা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া চীনা প্রতিনিধি দলে রাষ্ট্রদূতের সাথে অংশ নেন চীন দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সিলর মি. লি শাওপেং (Mr. LI SHAOPENG) এবং তৃতীয় সচিব মি. সিয়া দাওজিং (Mr. XIA Daojing)।

বৈঠকের শুরুতেই মাননীয় সংস্কৃতি মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মহোদয় চীনা রাষ্ট্রদূত এবং তাঁর প্রতিনিধি দলকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এ সময় গত ৫ থেকে ১১ জুলাই ২০২৬ তারিখে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের চীন সফরকালে প্রদান করা চমৎকার আতিথেয়তা ও আন্তরিক সহযোগিতার জন্য চীনা সরকার, আনহুই প্রদেশের ভাইস গভর্নর এবং মাসান (Ma'anshan) সিটির মেয়রের প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

বৈঠকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফরের আলোকে দুই দেশের সমৃদ্ধ অংশীদারিত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক খাতসমূহকে আরও সমৃদ্ধ করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এর অংশ হিসেবে চীনের আনহুই প্রদেশের উহু (Wuhu) শহরের বিখ্যাত ও ঐতিহ্যবাহী 'আইরন পেইন্টিং' (Iron Painting)-এর ওপর সোনারগাঁও লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের কারিগরদের চীনা অভিজ্ঞ চীনা মাস্টার ক্রাফটসম্যানদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পাশাপাশি বিশ্বকমি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী সাহিত্যকর্মসমূহ চীনা ভাষায় এবং চীনের বিখ্যাত কবি লি বাই (Li Bai)-এর সাহিত্যকর্ম বাংলা ভাষায় অনুবাদের লক্ষ্যে একটি স্থায়ী 'যৌথ অনুবাদ ও গবেষণা সেল' (Joint Translation and Research Cell) গঠনের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

এছাড়া চীনের ঐতিহ্যবাহী ‘কিংইয়াং অপেরা’ (Qingyang Opera)-র আদলে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ যাত্রাপালাকে আধুনিকায়ন করা এবং দেশের প্রতিটি জেলায় প্রশিক্ষিত যাত্রাদল গঠনের বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে চীনের লিংজিয়াতান (Lingjiatan) প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান ও আনহুই প্রোভিন্সিয়াল মিউজিয়ামের আদলে মহাস্থানগড়, পাহাড়পুর, ময়নামতি এবং লালবাগ কেল্লায় ৩ডি ম্যাপিং (3D Mapping), এআর/ভিআর (AR/VR) ডিসপ্লে ও বৈজ্ঞানিক সংরক্ষণ প্রযুক্তি প্রয়োগের বিষয়ে চীনা সহযোগিতার কথা বলা হয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও 'Voice-to-Text' প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক দলিলপত্র ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষার সাহিত্য ডিজিটালাইজড ও সংরক্ষণ করার পাশাপাশি আনহুই নরমাল ইউনিভার্সিটিতে সমাপ্য 'আর্কাইভস অ্যান্ড লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট' প্রশিক্ষণের মতো নিয়মিত উন্নত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালুর আহ্বান জানানো হয়। সর্বোপরি, বেইজিংস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে একটি শক্তিশালী 'কালচারাল উইং' স্থাপন ও দ্বিপাক্ষিক সাংস্কৃতিক সমঝোতা স্মারক (MoU) আধুনিকায়নের অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বৈঠকটি শেষ হয়।

Chinese Ambassador Calls on Cultural Affairs Minister: Emphasis Placed on Expanding Bilateral Cultural Exchange and Joint Initiatives

Dhaka, 28 July 2026:
His Excellency Mr. YAO WEN, Ambassador of the People's Republic of China to Bangladesh, paid a courtesy call on the Honorable Minister for Cultural Affairs, Mr. Nitai Roy Chowdhury, MP, today at 11:30 AM at the Bangladesh Secretariat. The high-level meeting was attended by the Honorable State Minister for Cultural Affairs, Mr. Ali Newaz Mahmud Khayam, MP, Secretary Ms. Kaniz Maula, and Joint Secretary Ms. Ilia Sumna. The Chinese delegation accompanying the Ambassador included Cultural Counselor Mr. LI SHAOPENG and Third Secretary Mr. XIA Daojing from the Embassy of the People's Republic of China in Dhaka.

At the outset of the meeting, the Honorable Minister and State Minister extended a warm welcome to the Chinese Ambassador and his delegation. Special thanks and heartfelt gratitude were conveyed to the Government of China, the Vice Governor of Anhui Province, and the Mayor of Ma'anshan City for their extraordinary hospitality during the official visit of the Bangladesh delegation led by the Honorable State Minister to Anhui Province from July 5–11, 2026.

Building upon the insights from the State Minister’s recent official visit, detailed discussions were held regarding bilateral collaboration to enhance and modernize Bangladesh's cultural heritage. Under a joint initiative, Bangladeshi artisans—particularly from the Sonargaon Folk Art and Crafts Foundation—will receive specialized hands-on training in the historic Wuhu Iron Painting of Anhui Province under the direct supervision of Chinese master craftsmen. Furthermore, both sides emphasized establishing a permanent 'Joint Translation and Research Cell' to translate the works of Chinese poet Li Bai into Bengali, and the literary masterpieces of World Poet Rabindranath Tagore and National Poet Kazi Nazrul Islam into Chinese.

The discussions also focused on modernizing Bangladesh's traditional folk Jatra art inspired by China's Qingyang Opera and forming trained performing teams in every district. To upgrade Bangladesh's archaeological preservation, scientific conservation methodologies, 3D mapping, and AR/VR displays will be introduced at Mahasthangarh, Paharpur, Mainamati, and Lalbagh Fort, modeled after the Lingjiatan Archaeological Site and Anhui Provincial Museum. In addition, the agenda covered the preservation of historical documents and indigenous languages using Artificial Intelligence and Voice-to-Text technology, the continuation of annual capacity-building training at Anhui Normal University, securing Chinese support to establish a dedicated 'Cultural Wing' at the Embassy of Bangladesh in Beijing, and modernizing the existing bilateral Cultural Memorandum of Understanding (MoU).

সংস্কৃতি মন্ত্রীর সাথে ইউনেস্কো প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ: ডিজিটাল সংরক্ষণ ও অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য নিয়ে জোরদার ত...
27/07/2026

সংস্কৃতি মন্ত্রীর সাথে ইউনেস্কো প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ: ডিজিটাল সংরক্ষণ ও অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য নিয়ে জোরদার তাগিদ

ঢাকা, ২৭ জুলাই ২০২৬:
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব নিতাই রায় চৌধুরীর সাথে আজ সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে তাঁর কার্যালয়ে ইউনেস্কো (UNESCO) ঢাকা অফিসের প্রধান ও বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. সুসান ভাইজ (Dr. Susan Vize)-এর নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

দ্বিপাক্ষিক এই বৈঠকে ইউনেস্কো বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিষয়ক প্রধান মিজ্ কিজি তাহনিন (Ms. Kizzy Tahnin) উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ্ কানিজ মওলা এবং যুগ্ম সচিব মিজ্ ইলিয়া সুমনা উপস্থিত ছিলেন।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মাননীয় মন্ত্রী বাংলাদেশ ও UNESCO-এর মধ্যে সংস্কৃতি খাতে বিদ্যমান সহযোগিতা জোরদার এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, সৃজনশীল অর্থনীতি (Creative Economy) ও আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক বিনিময় বিষয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করেন। মাননীয় মন্ত্রী UNESCO-প্রতিনিধির সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ সহযোগিতার জন্য তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

বৈঠকে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনে UNESCO-এর সহযোগিতার ভূয়সী প্রশংসা করা হয়। মাননীয় মন্ত্রী নতুন অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য (Intangible Cultural Heritage - ICH) এবং বিশ্ব ঐতিহ্য (World Heritage) মনোনয়নে UNESCO-এর কারিগরি সহায়তা কামনা করেন। এছাড়াও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ডিজিটাল সংরক্ষণ, জাদুঘর উন্নয়ন, সৃজনশীল অর্থনীতি এবং সংস্কৃতি খাতে দক্ষতা উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

মাননীয় মন্ত্রী ভবিষ্যতেও UNESCO-এর সঙ্গে এই ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করেন। অন্যদিকে, ইউনেস্কো ঢাকা অফিসের প্রধান ড. সুসান ভাইজ বৈশ্বিক সংস্কৃতি নীতি নির্ধারণে বাংলাদেশের সক্রিয় ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক খাতের সামগ্রিক উন্নয়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে ইউনেস্কোর সর্বাত্মক কারিগরি সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক শুভেচ্ছা স্মারক বিনিময় করা হয়।

UNESCO Delegation Calls on Cultural Affairs Minister: Push for Digital Archiving and Intangible Cultural Heritage Expansion

DHAKA, 27 July 2026:
A high-level delegation from the UNESCO Dhaka Office, led by Dr. Susan Vize, Head of Office and UNESCO Representative to Bangladesh, paid a courtesy call on the Hon’ble Minister for Cultural Affairs, Mr. Nitai Roy Chowdhury, at his office in the Bangladesh Secretariat this morning.

The UNESCO delegation included Ms. Kizzy Tahnin, Head of Culture at UNESCO Bangladesh. Ms. Kaniz Moula, Secretary of the Ministry of Cultural Affairs, and Ms. Elia Sumana, Joint Secretary, were also present during the official meeting.

During the meeting, the Hon’ble Minister exchanged views on bolstering existing cooperation between Bangladesh and UNESCO in the cultural sector, preserving cultural heritage, fostering the creative economy, and expanding international cultural exchanges. The Hon’ble Minister expressed his deep gratitude and appreciation to the UNESCO representative for the long-standing, friendly, and fruitful partnership.

The Minister lauded UNESCO’s continuous support in safeguarding Bangladesh’s rich cultural heritage and achieving international recognition. He sought UNESCO’s technical support for new nominations to the Intangible Cultural Heritage (ICH) and World Heritage lists. Furthermore, the discussion emphasized joint initiatives for digital heritage archiving, museum modernization, creative economy development, and capacity building in the cultural sector.

Reaffirming the Ministry’s commitment to maintaining close cooperation with UNESCO in the future, the Minister highlighted Bangladesh’s constitutional priorities. Dr. Susan Vize commended Bangladesh’s active role in global cultural governance and assured continued technical cooperation from UNESCO to enhance the country's cultural ecosystem.

The meeting concluded with a ceremonial exchange of mementos and warm greetings.

কৃষি ও ক্রীড়ার প্রসারে মাগুরার মহম্মদপুরে 'এডিপি'র উপকরণ বিতরণ করেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী​মাগুরা জেলার মহম্ম...
25/07/2026

কৃষি ও ক্রীড়ার প্রসারে মাগুরার মহম্মদপুরে 'এডিপি'র উপকরণ বিতরণ করেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী

​মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে সংযোজিত হলো নতুন মাত্রা। আজ ২৫ জুলাই ২০২৬ তারিখে উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত 'এডিপি-র উপকরণ বিতরণ' অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী।

​অনুষ্ঠানে স্থানীয় কৃষকদের অর্থনৈতিক ও উৎপাদনশীল কার্যক্রমে সহায়তার লক্ষ্যে তাদের হাতে আধুনিক স্প্রে মেশিন এবং তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে ফুটবল ও ভলিবল বিতরণ করা হয়।

এসময় মহম্মদপুর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

​বিতরণকালে কৃষকদের স্বস্তি ও শিক্ষার্থীদের আনন্দঘন মুহূর্ত এক অনুপ্রেরণাদায়ী পরিবেশের সৃষ্টি করে। তৃণমূল পর্যায়ে কৃষি, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি চর্চার এই সমন্বিত বিকাশ আমাদের সমাজকে আরও সমৃদ্ধ ও সুদৃঢ় করবে।
​ #মাগুরা #মহম্মদপুর #সংস্কৃতিবিষয়কমন্ত্রণালয় #কৃষি_উন্নয়ন #ক্রীড়া_উন্নয়ন #এডিপি #নিতাইরায়চৌধুরী #উন্নয়ন

"সবুজে সবুজে ভরবো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ"মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা অনুযায়ী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ ...
25/07/2026

"সবুজে সবুজে ভরবো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ"

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা অনুযায়ী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে মাগুরা জেলা পুলিশ এবং গ্রিনভিউ সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট-এর যৌথ উদ্যোগে ১০ হাজার গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৫ জুলাই ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে (১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ) মাগুরা পুলিশ লাইন্সে এই বর্ণাঢ্য আয়োজনের ব্যবস্থা করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব নিতাই রায় চৌধুরী, এমপি। আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি জনাব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, মাগুরার জেলা প্রশাসক জনাব মোতাকাব্বীর আহমেদ, মাগুরা জেলা পরিষদের প্রশাসক জনাব আলী আহম্মেদ, পৌর বিএনপির সভাপতি জনাব মোঃ মাসুদ হাসান খান কিজিল এবং গ্রিনভিউ সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট-এর সভাপতি জনাব মোহাম্মদ আশরাফুল আলম খান। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাগুরার পুলিশ সুপার জনাব মোল্লা আজাদ হোসেন, পিপিএম-সেবা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জেলা পুলিশ মাগুরার পক্ষ থেকে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়কে পুষ্পস্তবক দিয়ে উষ্ণ সংবর্ধনা জানানো হয়। পরবর্তীতে অতিথিবৃন্দ আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন এবং মাননীয় সংস্কৃতি মন্ত্রী মহোদয় প্রধান অতিথির দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
আলোচনা সভা শেষে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে মাননীয় মন্ত্রী জনাব নিতাই রায় চৌধুরী নিজ হাতে জলপাই গাছের চারা রোপণ করে শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। পাশাপাশি বিশেষ অতিথিবৃন্দ কদবেলসহ বিভিন্ন ধরনের ফলদ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করেন। কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাধারণ মানুষ ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করতে তাদের হাতে গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।

সংগীতের উজ্জ্বল নক্ষত্র বরেণ্য শিল্পী রুনা লায়লাকে 'বিশেষ সম্মাননা' প্রদানআজ ২৪ জুলাই ২০২৬ইং ​বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি...
24/07/2026

সংগীতের উজ্জ্বল নক্ষত্র বরেণ্য শিল্পী রুনা লায়লাকে 'বিশেষ সম্মাননা' প্রদান

আজ ২৪ জুলাই ২০২৬ইং ​বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজিত হলো "রুনা লায়লা সম্মাননা ও একক সঙ্গীত অনুষ্ঠান"।
​অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বরেণ্য কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লা-কে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব নিতাই রায় চৌধুরী, এমপি।

​এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, এমপি, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ্ কানিজ মওলা এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন স্টালিন।

​উল্লেখ্য, এই আয়োজনের টিকিট বিক্রয়লব্ধ অর্থ বন্যার্তদের সহায়তায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে প্রদান করা হবে।

আজ ২২ জুলাই ২০২৬ সকালে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এমপি এর সাথে তাঁর কার্যালয়...
22/07/2026

আজ ২২ জুলাই ২০২৬ সকালে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এমপি এর সাথে তাঁর কার্যালয়ে চায়না হারবার ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড (CHEC)-এর প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করেছেন।
​এ সময় দুই দেশের সাংস্কৃতিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং অবকাঠামোগত সহায়তার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

আজ ১৯ জুলাই ২০২৬ ঢাকার গেন্ডারিয়াস্থ আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) স্বামীবাগ আশ্রমে শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের রথযাত্রা...
19/07/2026

আজ ১৯ জুলাই ২০২৬ ঢাকার গেন্ডারিয়াস্থ আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) স্বামীবাগ আশ্রমে শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব-২০২৬ উপলক্ষে এক বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী জনাব নিতাই রায় চৌধুরী, এমপি।

উক্ত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারিন্দা মাধ্ব গৌড়ীয় মঠের শ্রীমৎ ভক্তি স্বরূপ পদ্মনাভ মহারাজ, ঢাকা রামকৃষ্ণ মঠের ম্যানেজার স্বামী দেবধ্যানানন্দ মহারাজ, ঢাকা শ্রীশ্রী প্রণব মঠের সম্পাদক স্বামী সঙ্গীতানন্দ মহারাজ এবং বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের জেনারেল সেক্রেটারি ভিক্ষু সুনন্দপ্রিয়। এছাড়াও ঢাকা আর্চবিশপ হাউসের পরিচালক ফাদার আলবার্ট রোজারিও, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের অধ্যাপক ও জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. অসীম সরকার এবং সম্মিলিত সনাতন পরিষদ বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক শ্রী হীরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সম্প্রীতিময় এই আলোচনা সভায় আমন্ত্রিত অন্যান্য অতিথিবৃন্দ, দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং অগণিত ভক্তবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Address

Bangladesh Secretariat
Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ministry of Cultural Affairs posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Ministry of Cultural Affairs:

Shortcuts

Share