Out of Office

Out of Office কোন স্ট্যাটাস সম্পর্কিত সমস্যা থাকলে ইনবক্সে এডমিনকে বলতে পারেন।

02/06/2026

প্রকৃতির সুন্দর মূহুর্ত।



নক্ষত্রের বিদায়!💔😭
01/06/2026

নক্ষত্রের বিদায়!💔😭

30/05/2026

ঈদে গ্রামের বাড়িতে....


28/05/2026

EID Vibes....

゚viralシ

24/05/2026

কোরবানি ঈদের আমেজে ঢাকা এখন প্রায় ফাঁকা'র পথে....


゚viralシ

আন্দরকিল্লা থেকে বের হয়ে বাসায় ফেরার জন্য একটা রিকশা খুঁজছিলাম। দু’একটা অটোরিকশা চোখের সামনে দিয়েই চলে গেল। একটু পর একটা...
22/05/2026

আন্দরকিল্লা থেকে বের হয়ে বাসায় ফেরার জন্য একটা রিকশা খুঁজছিলাম। দু’একটা অটোরিকশা চোখের সামনে দিয়েই চলে গেল। একটু পর একটা অটো আসতেই হাত তুলে থামালাম। গন্তব্য বলতেই রাজি হলো, আমি উঠে বসলাম।

ড্রাইভারের পাশেই দেখি ছোট্ট একটা মেয়ে বসে আছে। বয়স হবে ছয় কিংবা সাত। নিষ্পাপ মুখ, ক্লান্ত চোখ, তবুও মাঝে মাঝে চারপাশ কৌতূহল নিয়ে দেখছে।

আমি হেসে জিজ্ঞেস করলাম,
“আপনার মেয়ে?”

লোকটা মাথা নেড়ে বললো,
“জ্বি স্যার, আমার মাইয়া।”

আমি আবার বললাম,
“ভালোই তো! মেয়েকে শহর ঘুরিয়ে দেখাচ্ছেন। এতে ও আনন্দও পাচ্ছে, আবার বাবার কষ্ট আর পেশা সম্পর্কেও ছোটবেলা থেকেই ধারণা হবে।”

আমার কথা শেষ হতেই লোকটার মুখে একটা অদ্ভুত অসহায় হাসি ফুটে উঠলো। তারপর খুব শান্ত গলায় বললো,

“স্যার, আসলে বিষয়টা ওইরকম না…
প্রথমে একটু আনন্দ পাইছিল, কিন্তু এখন অনেকক্ষণ ধইরা গাড়িতে বসে থাকতে থাকতে ও আর ভালো লাগতেছে না। তবুও সাথে রাখছি বাধ্য হইয়া।

ওর মা কাজে গেছে। বাসায় রাখার মতো কেউ নাই। এই সময় মাইয়া বাচ্চারে একা ঘরে রাখতে ভয় লাগে স্যার… খুব ভয় লাগে। তাই কষ্ট হলেও সাথে নিয়া বের হইছি।

গাড়িতে ঘুরতে কষ্ট হইবো, তবু চোখের সামনে থাকলে অন্তত মনে হয় মাইয়াটা নিরাপদ আছে…”

লোকটার শেষ কথাটা শুনে আমি আর কিছু বলতে পারিনি।

হঠাৎ করেই মনে হলো, আমরা এমন এক সময়ে এসে দাঁড়িয়েছি যেখানে একজন বাবা নিজের ছোট্ট মেয়েকে আনন্দ দেওয়ার জন্য নয়, নিরাপদে বাঁচিয়ে রাখার জন্য সারাদিন অটোরিকশায় পাশে বসিয়ে ঘুরে বেড়ায়।

জীবনটা সত্যিই কোথায় এসে দাঁড়ালো…!

♦♦সংগৃহীত

20/05/2026
চোখের সামনে আদরের দেড় বছরের সন্তানটি হঠাৎ নিস্তেজ হয়ে গেল—একজন বাবা-মায়ের জন্য এর চেয়ে বড় দুঃস্বপ্ন আর কী হতে পারে? প্রচ...
13/05/2026

চোখের সামনে আদরের দেড় বছরের সন্তানটি হঠাৎ নিস্তেজ হয়ে গেল—একজন বাবা-মায়ের জন্য এর চেয়ে বড় দুঃস্বপ্ন আর কী হতে পারে? প্রচণ্ড জ্বরে চলন্ত মেট্রোরেলেই শিশুটি নড়াচড়া বন্ধ করে দেয়। শাহবাগ স্টেশনে যখন দিশেহারা বাবা-মা সন্তানকে নিয়ে আর্তনাদ করছিলেন, তখন চারপাশের ভিড়ে সবাই যখন কেবল দর্শক, ঠিক তখনই দেবদূতের মতো আবির্ভূত হলেন আনসার সদস্য তরিকুল ইসলাম।
তিনি এক সেকেন্ড সময় নষ্ট না করে বাচ্চাটিকে নিজের কোলে টেনে নিলেন। নিজের পেশাদারিত্বকে ছাপিয়ে বড় হয়ে উঠল তার ভেতরের মানবিক সত্তা। তিনি বাচ্চাটির মুখে মুখ লাগিয়ে শ্বাস (Rescue Breath) দিতে শুরু করলেন। সেই আকুতি ছিল একজন বাবার মতো, সেই চেষ্টা ছিল একজন যোদ্ধার মতো।

কিছুক্ষণ পর শিশুটি যখন নড়ে উঠল, তখন যেন ওই বাবা-মায়ের সাথে সাথে পুরো পৃথিবী আবার প্রাণ ফিরে পেল। একটি পরিবারের নিভে যাওয়া প্রদীপকে তরিকুল ভাই নিজের দক্ষতায় আবার জ্বালিয়ে দিলেন।
স্যালুট তরিকুল ভাই! ইউনিফর্মের নিচে আপনার মতো এমন একটা বিশাল হৃদয় আছে বলেই আমরা স্বপ্ন দেখতে সাহস পাই। মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ এমন একজন দক্ষ ও মানবিক মানুষকে আমাদের সেবায় নিয়োজিত রাখার জন্য।
তরিকুল ভাই আমাদের অনুপ্রেরণা। সবাই এই বীরের জন্য একটু দোয়া করবেন। ❤️
Collected

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Out of Office posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category