সংক্ষিপ্ত জীবনী
মোঃ আল আমিন শেখ জামালপুর জেলার মেলান্দহ থানার মহিরামকুল গ্রামে ১৯৯৮ সালে পরিবারের প্রথম সন্তান হিসেবে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মোঃ আঃ জলিল শেখ পেশায় একজন মোটর সাইকেল মেকানিক এবং মা মোছাঃ আমেনা বেগম একজন গৃহিনী। শৈশব কেটেছে মহিরামকুল গ্রামের মেঠো পথ প্রান্তরে। তেঘরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হন ২০০১ সালে, পরবর্তীতে চতুর্থ শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়ে আবার জামালপুরের সবচাইত
ে স্বনামধন্য বিদ্যাপীঠ জামালপুর জিলা স্কুলে ভর্তি হন ২০০৫ সালে, সেখান থেকেই জামালপুর শহরে বেড়ে উঠা।
পিতার কর্মস্থল সুবাদে বিদেশ গমনে তিনি শহরের পাশেই ব্রহ্মপুত্র নদের কোল ঘেঁষা নাওভাঙা গ্রামে বসবাস করেন, পরবর্তীতে দীর্ঘসময় এখানেই জীবনযাপন করেন, স্কুলে পড়াকালীন সময় থেকেই তার কবিতা লেখার আগ্রহ এবং নতুন কিছু সৃষ্টির উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। একই সাথে তিনি ছোটখাটো সমাজ সেবামূলক সংস্থার সাথেও সক্রিয় ছিলেন। তিনি বাঁশি বাজানো ও কবিতা আবৃত্তিতে পারদর্শী। ২০১০ সালে তিনি স্কুলে যোগ দেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর বিএনসিসি এর সাথে, স্কুল জীবনে বিভিন্ন বিএনসিসি প্রশিক্ষণ চলমান অবস্থায় ২০১৩ সালে এসএসসি পাশ করলে তিনি ভর্তি হন সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজে। সেখান থেকেও বিএনসিসিতে তার কর্মনিষ্ঠা পরিশ্রম দ্বারা ক্যাডেট সার্জেন্ট পদবী পর্যন্ত উত্তীর্ণ হন। কলেজের বিএনসিসি প্লাটুনের সম্মাননা ফলকে তার নাম উল্লেখ রয়েছে।
২০১৬ সালে বিবিএস পড়াকালীন তার চাকরি হয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে।
এক আত্মকেন্দ্রিক কবি বাঁধা পড়েন সেনা জীবনের শৃঙ্খলে। প্রশিক্ষণ চলাকালীন তার প্রথম যৌথ প্রকাশন কবিতার বই "দ্বিপ শিখা" প্রকাশিত হয় নব সাহিত্য প্রকাশনীর হাত ধরে।
বান্দরবানের গহীন পাহাড়ে দায়িত্বপালনের মাঝে তিনি কঠিন জীবনের বৈচিত্র সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করেন। পরবর্তীতে তার কবিতায় এসব লক্ষ্য করা যায়।
তিনি ২০১৮ সালে সৈয়দপুর এ বদলী হন,
২০১৯ সালে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং ২০২২ সাল হতে দেশের উত্তরাঞ্চল সৈয়দপুরে অদ্যবধি স্বপরিবারে বসবাস করছেন। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে
যুদ্ধ প্রশিক্ষণ এর অংশ হিসেবে চষে বেড়ান উত্তরবঙ্গের জেলা সমুহ, এর মাঠ ঘাট প্রান্তর।
সামরিক প্রশিক্ষণে তিনি পরপর দুইটি **** প্রশিক্ষণে প্রথম স্থান অধিকার করার গৌরব অর্জন করেন,
সেই সাথে তিনি তার আবৃত্তি ও বাঁশি চর্চাকে ধরে রেখেছেন, সম্প্রতি ২০২৩ সালের সেনা সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতায় রংপুর অঞ্চলে ২য় স্থান ও আন্তঃ অঞ্চল সেনা সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতায় দেশবরেণ্য আবৃত্তিশিল্পীবৃন্দের বিচারে সেনাবাহিনী পর্যায় ৫ম স্থান অধিকার করেন।