Support Awami league in Next Parliament Election

Support Awami league in Next Parliament Election জয় বাংলা , জয় বঙ্গবন্ধু

আওয়ামী লীগের ইতিহাস ও ঐতিহ্য..........................(সংক্ষিপ্তাকারে)
* পটভূমি : পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বাঙালি বিদ্বেষ, শোষণ বঞ্চনা রাষ্ট্রভাষা উর্দু করার চক্রান্ত....।
* ১৯৪৮ সালের ভাষা আন্দোলন। শেখ মুজিবের কারাবরণ।
* ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন। ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’ নামে পাকিস্তানের প্রথম বৈধ বিরোধী দল গঠন।
* ১৯৫২ : আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলন। কারাবন্দি শেখ মুজিবের নির্দেশনা।
* ১

৯৫৪ : যুক্তফ্রন্ট গঠন। আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ২১ দফা প্রণয়ন। নির্বাচনে বিজয়।
* ১৯৫৫ : মুসলিম শব্দ বাদ দিয়ে ধর্মনিরপেক্ষ দল হিসেবে আওয়ামী লীগের আত্মপ্রকাশ।
* ১৯৫৬-৫৭ : আওয়ামী লীগের মন্ত্রিসভা (৬ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রে, ২১ সেপ্টেম্বর প্রদেশে)

* ১৯৫৭ : ভাসানীর দল ত্যাগ ও ন্যাপ গঠন। শেখ মুজিব মন্ত্রিত্ব ত্যাগ করে দল সংগঠিত করার দায়িত্ব নেন।
* ১৯৫৭-’৬২ : মার্শাল ল। শেখ মুজিবসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ কারার্বদ্ধ। গণতন্ত্র নির্বাসিত।
* ১৯৬২ : সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলন।
* ১৯৬৪ : সামপ্রদায়িক দাঙ্গা। ‘বাঙালি র্বখিয়া দাঁড়াও’- শেখ মুজিবের নেতৃত্বে প্রতিরোধ।
* ১৯৬৬ : শেখ মুজিবের ৬-দফা উত্থাপন। তীব্র দমননীতি। গ্রেফতার। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা।
* ১৯৬৯ : ১১-দফার গণ অভ্যুত্থান। বঙ্গবন্ধুর মুক্তিলাভ।
* ১৯৭০ : সাধারণ নির্বাচন। ৬ দফার পক্ষে ম্যান্ডেট
* ১৯৭১ : মুক্তিযুদ্ধ- বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণা। গ্রেফতার। মুজিবনগর সরকার, বিজয়।
* ১৯৭২ : বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন। সংবিধান প্রণয়ন। যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠন। জাতীয় আন্তর্জাতিক চক্রান্ত। বাকশাল গঠন। ১৫ আগস্ট জাতির জনকের সপরিবারে হত্যাকান্ড। ৩ নভেম্বর কারাগারে ৪ জাতীয় নেতাকে হত্যা।
* ১৯৭৫-৮১ : জিয়ার শাসনামল। সংবিধান পরিবর্তন। পাকিস্তানি ধারায় ফিরে যাওয়া।
* ১৯৮১ : জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন। জিয়ার হত্যাকান্ড।
* ১৯৮২-৯০ :এরশাদের ক্ষমতা গ্রহণ। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ৯০-এর গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচারের পতন।
১৯৯১-৯৬ : সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা। খালেদা-বিএনপির স্বৈরশাসন। কারচুপি। শেখ হাসিনার তত্ত্ববধায়ক সরকারের ধারণা। গণআন্দোলন। খালেদার পদত্যাগ।
১৯৯৬-২০০১ : ১৯৯৬-এর ১২ জুন নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন। ২১ বছর পর আওয়ামী লীগের সরকার গঠন।
সরকারের সাফল্য : খাদ্যে আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন। গঙ্গা চুক্তি। পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি। স্থিতিশীল দ্রব্যমূল্য। ৬.৪% প্রবৃদ্ধি অর্জন। বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের বিচার শুর্ব ইত্যাদি।
* ২০০১-২০০৬ : ১ অক্টোবর কারচুপির নির্বাচন। বিএনপি-জামাত জোটের ক্ষমতা দখল। হত্যা, নির্যাতন, দুর্নীতি ও দুঃশাসনের কালো অধ্যায়। হাওয়া ভবনে সমান্তরাল ক্ষমতা কেন্দ্রের অকল্পনীয় লুটপাট। সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ কিবরিয়া, আহসানউল্লা মাস্টারসহ অগণিত হত্যা, জঙ্গিবাদের উত্থান, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং-এর প্র'তি।
- ২০০৪, ২১ আগস্ট জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা। আইভি রহমানসহ ২৪ জন নেতা-কর্মী নিহত। শেখ হাসিনার কানের পর্দা ফেটে গিয়ে আহত।
- ২০০৬, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিরুদ্ধে আন্দোলন।
- ২০০৭, ১১ জানুয়ারি আন্দোলনের মুখে বিএনপি-জামাতের নীলনকশার নির্বাচন বাতিল, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের স্বঘোষিত প্রধানের পদ থেকে ইয়াজউদ্দিনের পদত্যাগ। জরুরি অবস্থা ঘোষণা।
- ড. ফখরুদ্দিনের নেতৃত্বে নতুন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দায়িত্বভার গ্রহণ।
- শেখ হাসিনাকে রাজনীতি থেকে অপসারণের উদ্দেশ্যে ‘মাইনাস টু’ ফর্মুলা প্রদান। দেশে ফিরতে বাধাদান করে ব্যর্থ।
- ১৬ জুলাই জননেত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার।
- ২০০৮ : গণআন্দোলনের মুখে ‘মাইনাস টু’ ফর্মুলা ব্যর্থ। শেখ হাসিনাকে মুক্তি দান। ২৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত। ৩০০টির মধ্যে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের ২৬৪টি আসন লাভ।
- ২০০৯, ৬ জানুয়ারি জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মহাজোট সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ। ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার কর্মযজ্ঞ শুরু। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি। ২৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার দন্ডপ্রাপ্ত ৫ খুনির মৃত্যুদন্ড কার্যকর। জাতি কলঙ্কমুক্ত।
- সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বিডিআর বিদ্রোহ। বিদ্রোহের শান্তিপূর্ণ সমাধান।
- ২০০৯, ২৪ জুলাই আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত। জননেত্রী শেখ হাসিনা পুনরায় দলের সভাপতি এবং সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত।
- মহাজোট সরকারের প্রথম বাজেট বাস্তবায়ন ও দ্বিতীয় বাজেট প্রদান। বিশ্বমন্দা মোকাবিলা। দ্রব্যমূল্য হ্রাস ও জনগণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে স্থিতিশীল। কৃষিতে বিপুল ভর্তুকি, ধানের বাম্পার ফলন। সর্বকালের সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। প্রবৃদ্ধির হার ৬ শতাংশে উন্নীত।
- নতুন শিক্ষানীতি প্রণয়ন। বিনামূল্যে ১৯ কোটি বই প্রদান। প্রাথমিক স্তরে প্রথম সফল পাবলিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত।
- বিদ্যুৎ ও জ্বালানী সংকট সমাধানে জর্বরী পদক্ষেপ গ্রহণ।
- কর্মসংস্থান ও হত-দরিদ্র্যদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনি সমপ্রসারণ।
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু।
- ক্রীড়া ক্ষেত্রে সাফল্যের সূচনা। বাংলাদেশের তর্বণের এভারেস্ট জয়।
- উন্নয়নশীল বিশ্বে বাংলাদেশেই প্রথম সোনালী আঁশ পাটের জিন প্রযুক্তির আবিষ্কার। সম্ভাবনার স্বর্ণদুয়ার উন্মোচিত।
- জাতিসংঘ সহস্রাব্দ উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে সাফল্য। শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস। জাতিসংঘ কর্তৃক বাংলাদেশকে এমডিজি পুরস্কার প্রদান।
- বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের ভূমিকা পালন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভাবমূর্তি।
-দেশ হতে সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ নির্মূল। দুনীর্তি হ্রাস।

03/02/2026
01/02/2026
29/01/2026

*গ্যাস সংকটের নেপথ্যে ড: ইউনূস ও পিটার হাসের কোম্পানির ষড়যন্ত্র*

স্টাফ রিপোর্টার ।
বাংলাদেশে চলমান গ্যাস সংকট কেবল সরবরাহ বা প্রাকৃতিক ঘাটতির কারণে হয়নিএর পেছনে আছে সুক্ষ্ম কৌশলগত পরিকল্পনা। পিটার হাসের কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে ইউনূসের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং সরকারের স্বচ্ছতার অভাব এই সংকটকে আরও গভীর করেছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পিটার হাস আবার বাংলাদেশে ফিরে কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত এফএসআরইউতে ইউনূসের পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসেন। ওই আলোচনার পর আগামী ১৫ বছরের জন্য বাংলাদেশে ১ লাখ কোটি টাকার এলএনজি সরবরাহের চুক্তি সম্পন্ন হয়। ২০২৬ সাল থেকে পিটার হাসের কোম্পানি থেকে এলএনজি ক্রয় শুরু হবে বলে জানা গেছে।
তবে সংকটের নেপথ্য কৌশল শুরু হয়েছে এর আগেই। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে চট্টগ্রাম বন্দরের বহিনোঙ্গোরে দুটি জাহাজ সৌরভ ও জ্যোতি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর ১৩ অক্টোবর বঙ্গোপসাগরের কুতুবদিয়া অঞ্চলে মাদার ভ্যাসেল এমভি নিকোলাস এবং বাংলাদেশি লাইটার জাহাজ সোফিয়া আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নৌবাহিনী দুই দিন সময় নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
এছাড়া, নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার বুড়িগঙ্গা এলাকায় তিতাসের পাইপলাইন ফেটে যাওয়ার ঘটনা ব্যবহার করে সরকারি ও বেসরকারি সূত্রে গ্যাস সংকট তৈরি করা হয়েছে। একদিকে পাইপলাইন ফেটে যায়, অন্যদিকে সিলিন্ডার গ্যাসের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। সংকটের শুরুতে অনেক ভুক্তভোগী ৫,০০০ টাকা দিয়ে সিলিন্ডার কিনেছেন, বর্তমানে ১২০০ টাকার সিলিন্ডারের দাম ২,২০০–২,৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে না।
সচেতন মহলের মতে, এই সব ঘটনা মোটেও কাকতালীয় নয়। বর্তমান অবৈধ সরকারই ২০২৬ সাল থেকে পিটার হাসের কোম্পানি থেকে এলএনজি কিনবে। তাই গ্যাসের কৃত্রিম সংকট এবং দাম বৃদ্ধির উদ্দেশ্য স্পষ্ট—চাহিদা অনুযায়ী কোম্পানিকে উচ্চ দাম দিতে বাধ্য করা। আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট থেকেও পিটার হাসের কোম্পানিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

এই প্রেক্ষাপটে দেখা যাচ্ছে, গ্যাস সংকট কেবল অভ্যন্তরীণ সরবরাহ বা অব্যবস্থাপনার ফল নয়। এটি একটি সুক্ষ্ম কৌশল—অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সুবিধা অর্জনের জন্য তৈরি করা কৃত্রিম সংকট। সঠিক তদন্ত ও স্বচ্ছ নীতি ছাড়া দেশীয় জনগণ দীর্ঘমেয়াদে এ ধরনের সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

28/01/2026
25/01/2026

১২ ফেব্রুয়ারি কেউ ভোট দিতে যাবেন না: শেখ হাসিনার স্পষ্ট ঘোষণা ...

30/12/2025

“তাঁর মৃ*ত্যুতে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতিতে এবং বিএনপি নেতৃত্বের এক অপূরণীয় ক্ষতি হল।”

30/12/2025

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জননেত্রী শেখ হাসিনার শোক
------
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছি।

বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তাঁর অবদান অপরিসীম। তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতিতে এবং বিএনপি নেতৃত্বের এক অপূরণীয় ক্ষতি হলো। আমি বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

আমি তাঁর ছেলে তারেক রহমান ও পরিবারের অন‍্যান‍্য শোকাহত সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।

আশা করছি মহান আল্লাহ তার পরিবারের সদস্যদের এবং বিএনপির সবাইকে এই শোক কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করবেন।

30/12/2025

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

দেশের এই সংকটময় মুহূর্তে, যখন সাধারণ মানুষ নিরাপত্তার অভাবে ভুগছেন এবং দেশকে অস্থিতিশীল ও বিরাজনীতিকরণের অপচেষ্টা চলছে, তখন তাঁর এই চলে যাওয়া বাংলাদেশের উত্তরণের পথে এক গভীর প্রভাব ফেলবে।

অতীতের নানা বিরাজনীতিকরণ প্রক্রিয়ার শিকার হওয়া সত্ত্বেও, নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি অসংখ্য সাফল্য অর্জন করেছেন এবং দেশের জন্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারণ করেছেন। জাতি গঠনে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে; তবে তাঁর মৃত্যু বর্তমানে বাংলাদেশকে স্থিতিশীল করার প্রচেষ্টায় একটি বড় ধাক্কা।

তাঁর অসংখ্য সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি রইল আন্তরিক সমবেদনা।
-

Deep condolences to bereaved family members on the demise of BNP chairperson Begum Khaleda Zia. At such a critical time when countrymen are reeling from lack of safety with efforts are underway to destabilise and depoliticise the country, her passing away will leave a deep impact on the country’s transition.

Despite subjected to depoliticization process in the past, throughout her political career she achieved a host of successes and shaped several policies for the country. She will be remembered for her contributions in nation building but her death is a blow to stabilize Bangladesh.

Heartfelt prayers with her countless supporters and well-wishers.

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Support Awami league in Next Parliament Election posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Support Awami league in Next Parliament Election:

Share