Ministry of CHT Affairs

Ministry of CHT Affairs Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ministry of CHT Affairs, Government Official, Bangladesh Secretariat, Dhaka.

প্রত্যেক অপরাধীর বিচার এ দেশেই হবে, সে যত শক্তিশালীই হোক না কেন”—চট্টগ্রামে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে প্রতিমন্ত্রী ব্যারি...
05/08/2026

প্রত্যেক অপরাধীর বিচার এ দেশেই হবে, সে যত শক্তিশালীই হোক না কেন”—চট্টগ্রামে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল

চট্টগ্রাম, ০৫ আগস্ট ২০২৬:

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি বলেছেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত অপরাধের সাথে জড়িত প্রত্যেক অপরাধীর বিচার এই দেশেই নিশ্চিত করা হবে, ইনশাআল্লাহ—সে যেই হোক না কেন। এটাই আমাদের সুদৃঢ় প্রতিজ্ঞা এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের স্পষ্ট নির্দেশনা।”

আজ বুধবার চট্টগ্রামে জেলা শিল্পকলা মিলনায়তনে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন আয়োজিত 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬' উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা এবং জুলাই শহীদ পরিবার ও বীর জুলাই যোদ্ধাদের সম্মাননা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল তাঁর বক্তব্যের সূচনায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, শহীদদের মহান আত্মত্যাগ কোনো অর্থ বা বস্তুতাত্ত্বিক প্রাপ্তি দিয়ে শোধ করা সম্ভব নয়। তাদের রক্তের প্রকৃত মূল্যায়ন তখনই সম্ভব হবে, যখন আমরা জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগ করে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব।

গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে মীর হেলাল জোর দিয়ে বলেন, এই ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান কোনো নির্দিষ্ট দল বা একক গোষ্ঠীর অর্জন নয়; বরং এটি দীর্ঘ বছরের জুলুম, নির্যাতন, গুম, খুন ও অর্থনৈতিক শোষণের বিরুদ্ধে ছাত্র, শিক্ষক, শ্রমিক, পেশাজীবীসহ দেশের আবালবৃদ্ধবনিতার এক অভূতপূর্ব ঐক্যবদ্ধ ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। জনগণের জন্য উৎসর্গীকৃত রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠাই হবে এই আন্দোলনের মূল সার্থকতা।

গণতন্ত্র ও মৌলিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, রাজনৈতিক বা আদর্শিক ভিন্নতা থাকলেও দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে আমাদের সবাইকে একসূত্রে গাঁথা থাকতে হবে। যেকোনো দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্য বজায় রাখা সময়ের দাবি।

রাষ্ট্রীয় সংস্কার প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল পুনর্ব্যক্ত করেন যে, সরকার 'জুলাই সনদ' বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইতিমধ্যে সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে বিশেষ কমিটি কাজ শুরু করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের সকল দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল ও অংশীজন গঠনমূলক মতামত প্রদানের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক রূপান্তর প্রক্রিয়ায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেন।

অনুষ্ঠানে যুবসমাজ ও তরুণ প্রজন্মকে দেশপ্রেম এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাষ্ট্র পুনর্গঠনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ইসরাফিল খসরু, চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী এবং চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমসহ বিভিন্ন স্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ, আহত ও বীর জুলাই যোদ্ধাগণ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা পর্ব শেষে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল জুলাই শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন এবং দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

জনআকাঙ্ক্ষা ও জুলাই সনদের আলোকে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ- প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলালচট্টগ্...
05/08/2026

জনআকাঙ্ক্ষা ও জুলাই সনদের আলোকে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ- প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল

চট্টগ্রাম, ০৫ আগস্ট ২০২৬ খ্রি.।

ঐতিহাসিক 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস' উপলক্ষে চট্টগ্রাম নিউমার্কেট মোড়ে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি।

আজ বুধবার সকালে স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহান শহীদদের স্মৃতির প্রতি এই শ্রদ্ধা জানান। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে প্রতিমন্ত্রী শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং বিপ্লবের চেতনাকে সমুন্নত রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে গণমাধ্যমের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-শ্রমিক-জনতার অভূতপূর্ব ঐক্যের মাধ্যমে দেশ পুনরায় গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে এসেছে। এই ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্যই ছিল বাংলাদেশের প্রান্তিক মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন, শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং সমাজ থেকে সকল ধরনের বৈষম্য চিরতরে দূর করা। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নেতৃত্বে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার জনগণের সে লক্ষ্য বাস্তবায়নেই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল।

রাষ্ট্রীয় সংস্কার ও সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, "জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ঘোষিত 'জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫'-এর আলোকেই বিএনপি সরকার যাবতীয় সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে। ইতিমধ্যেই সরকারের গঠিত সংবিধান সংশোধন কমিটি তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জনগণের কাছে দায়বদ্ধ একটি রাজনৈতিক দল। ফলে কোনো ধরনের তাড়াহুড়া বা হটকারী সিদ্ধান্ত না নিয়ে, সকল অংশীজন ও সাধারণ মানুষের সাথে পরামর্শ ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সংবিধান সংশোধন গ্রহণ করা হবে।"

সংবিধান সংশোধন প্রক্রিয়ার শুভসূচনার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল ঐতিহাসিক জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া ২০২৪ সালের সকল বীর জুলাইযোদ্ধা ও সাধারণ জনগণকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানান।

উক্ত শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক, সিএমপি পুলিশ কমিশনার, চট্টগ্রাম জেলা রেঞ্জের ডিআইজি সহ স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

অহেতুক প্রকল্প নয়, পাহাড়িদের জীবনমান উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীরঢাকা, ০৩ আগ...
03/08/2026

অহেতুক প্রকল্প নয়, পাহাড়িদের জীবনমান উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

ঢাকা, ০৩ আগস্ট, ২০২৬ খ্রি.।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের কৃষকদের চাষাবাদ ও দৈনন্দিন জীবনে পানির সংকট একটি বড় সমস্যা। রাঙ্গামাটির দুর্গম এলাকায় ১২০০ ফুট নিচে নেমে স্বাধীনতা-পরবর্তী সময় থেকে নারীদের খাবার পানি সংগ্রহের কষ্টের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, বিষয়টি জানার সাথে সাথেই রাঙ্গামাটির মুখ্য নির্বাহীকে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয় এবং তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে তাদের এ দীর্ঘদিনের কষ্ট লাঘব সম্ভব হয়েছে।

অতীতে প্রকল্প গ্রহণ করেও কাজ না করার সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, "অহেতুক অতিরিক্ত প্রকল্প না নিয়ে স্থানীয় জনসাধারণের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এমন বাস্তবসম্মত প্রকল্প আমাদের গ্রহণ করতে হবে।"
ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স ভবনের সভাকক্ষে আজ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের চলমান ও 'সবুজ পাতা'য় অন্তর্ভুক্ত প্রকল্পসমূহের এক পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি। এ সভায় সম্মানীত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, এমপি।

পার্বত্য অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দীন এমপি, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা ও পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। কৃষি ও ফল প্রসেসিংসহ অর্গানিক ফলের বাগান বাড়ানো, কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণ এবং ড্রাই ফ্রুটস প্রসেসিং-এর ব্যবস্থা করা, যা স্থানীয় পর্যায়ে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী।

পার্বত্য চট্টগ্রামের ২৬টি উপজেলার পাড়াকেন্দ্রের নারীদের জন্য ওয়াশরুম সুবিধা নিশ্চিত করা এবং পাড়াকেন্দ্রের বিদ্যালয়গুলোতে মেয়েদের জন্য সামাজিক ও শিক্ষামূলক পরিবেশ গড়ে তোলাসহ মডেল পাড়াকেন্দ্র তৈরির মাধ্যমে এসব সমস্যা সমাধানের প্রকল্প গ্রহণ করার উপর গুরুত্বারোপ করেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল।

পার্বত্য চট্টগ্রামে আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার বিস্তার প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, সেন্ট্রাল স্যাটেলাইটের মাধ্যমে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ও মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরে রেকর্ড করা ক্লাসের মাধ্যমে দূরবর্তী এলাকায় গণিত, বিজ্ঞান ও ইংরেজি শিক্ষকের অভাব পূরণ করা সম্ভব হবে। এ ধরনের উদ্যোগ সবুজ পাতায় অন্তর্ভুক্ত করার ওপর জোর দেন তিনি।
ক্রীড়া উন্নয়নে জেলাভিত্তিক স্টেডিয়াম নির্মাণের পাশাপাশি খেলোয়াড়দের নিয়মিত প্রশিক্ষণ অব্যাহত রাখতে উপজেলা পর্যায়ে খেলার মাঠ বা স্টেডিয়াম তৈরির পরিকল্পনার কথা সভায় তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, এমপি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে কোল্ড স্টোরেজ, স্বাস্থ্যসেবা, সুপেয় পানি এবং টয়লেট সুবিধা নিশ্চিত করা অতীব জরুরি। তিনি এসডিজি (SDG) লক্ষ্য অর্জনে সংশ্লিষ্টদের বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অন্তত ৫টি নতুন প্রকল্প প্রস্তাব করার অনুরোধ করেন।

রিভিউ সভায় মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- তুলা চাষ বৃদ্ধি ও কৃষক দারিদ্র্য বিমোচন প্রকল্প; রাঙ্গামাটিতে সংযোগ সড়কসহ আরসিসি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ; ক্লাইমেট রেসিলিয়েন্ট লাইভলিহুড ইম্প্রুভমেন্ট অ্যান্ড ওয়াটারশেড ম্যানেজমেন্ট (CRLIWM-CHT) প্রকল্প; টেকসই সামাজিক সেবা প্রদান (২য় পর্যায়) প্রকল্প; খাগড়াছড়িতে মহালছড়ি-বাঘমারা ও হেমরঞ্জন পাড়া সড়ক নির্মাণ এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মাণ (১ম সংশোধিত) প্রকল্প।

তাছাড়া, সবুজ পাতায় বাছাইকৃত ২১টি প্রকল্পের মধ্য থেকে সরকারের বর্তমান ইশতেহারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ১৬টি গৃহীত প্রকল্প নিয়ে বিশদ পর্যালোচনা হয়। সংস্থাভিত্তিক এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের জন্য ১২টি (প্রাক্কলিত ব্যয় ১,১৫৬ কোটি টাকা), বান্দরবান জেলা পরিষদের জন্য ১টি (ব্যয় ৪২ কোটি টাকা), রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের জন্য ৪টি (ব্যয় ১৯৫ কোটি টাকা) এবং খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের জন্য ৪টি (ব্যয় ১৯৬ কোটি টাকা) বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম, যুগ্মসচিব মোহাম্মদ মমিনুর রহমান, অতুল সরকার, কাজী তোফায়েল হোসেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, পার্বত্য তিন জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

সভায় প্রকল্পসমূহের মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ডিসপ্লে ও বিস্তারিত উপস্থাপনা পরিচালনা করেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম।

আমরা মালিক নই, দেশের ১৮ কোটি জনগণের সেবক: ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলালবাঁশখালী, চট্টগ্রাম, ০২ আগস্ট ২০২৬ খ্রি...
02/08/2026

আমরা মালিক নই, দেশের ১৮ কোটি জনগণের সেবক: ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল

বাঁশখালী, চট্টগ্রাম, ০২ আগস্ট ২০২৬ খ্রি.।

জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তারা দেশের মালিক নন, বরং তারা দেশের ১৮ কোটি জনগণের প্রকৃত সেবক বলে মন্তব্য করেছেন ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, চেয়ারে বসলে নিজেকে দেশের মালিক মনে করার ভুল ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে প্রকৃত সেবকের মনোভাব নিয়ে জনগণের কল্যাণে কাজ করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

আজ বিকালে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন-এর উদ্যোগে বন্যাকবলিত দেড় শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে গৃহনির্মাণ সামগ্রী, চাল, ধানবীজ, সার ও কীটনাশকসহ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, বিগত ১৯ বছর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বাইরে থাকা অবস্থায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা চরম হামলা, মামলা, নির্যাতন, গুম ও খুনের শিকার হয়েও সর্বদা মানবসেবায় নিজেদের নিয়োজিত রেখেছেন। নিজেদের স্বউদ্যোগ ও সামর্থ্যকে মানুষের সেবায় এবং একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার কাজে লাগাতে পারলে তার চেয়ে বড় সওয়াবের কাজ আর কিছু হতে পারে না।

বন্যায় সরকারের ভূমিকা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান গত ২ জুলাই থেকে শুরু হওয়া ভয়াবহ বন্যায় প্রথম থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ভারী বর্ষণের পর থেকেই নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত করা, জরুরি ত্রাণ বিতরণ এবং পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদার করতে নানামুখী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল নিজে এবং দলীয় নেতাকর্মী, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সেবকেরা পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও চট্টগ্রাম জেলায় সার্বক্ষণিক নিয়োজিত থেকে সরকারি ত্রাণ ভাণ্ডার থেকে তাৎক্ষণিক নগদ অর্থ ও খাদ্যশস্য সহায়তা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করেছেন।

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল আরও জানান, দুর্যোগ মোকাবেলায় সেনাবাহিনী, বিজিবি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিরলস সেবায় নিয়োজিত ছিলেন। বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় সাইক্লোন সেন্টার ও আশ্রয়কেন্দ্র গড়ে তোলার ফলে মানুষের প্রাণহানি ব্যাপকভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। এ অভূতপূর্ব কৃতিত্বের জন্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এবং দেশের সকল সেবকদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

ব্যক্তিগত ও সামাজিক উদ্যোগের গুরুত্ব জোর দিয়ে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের মতো দেশব্যাপী যদি আরও স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগ তৈরি হয়, তবে সরকারি সাহায্যের ওপর নির্ভরতা বহুলাংশে কমে আসবে। আমরা অপ্রয়োজনে যে বিপুল অর্থ ব্যয় করি, তার দশ ভাগের একভাগও যদি দেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পেছনে ব্যয় করা হতো, তবে দারিদ্র্যের হার অনেক আগেই হ্রাস পেত।

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে সরকারের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দৃঢ় প্রত্যয় নেয়ার অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যতক্ষণ না পর্যন্ত দেশের সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমানের সামগ্রিক পরিবর্তন আসছে, ততক্ষণ পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। সরকারের সদস্য, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রজাতন্ত্রের সকল সেবকদের উদ্দেশ্যে তিনি আহ্বান জানান, সবাই যেন এমনভাবে সেবাদান নিশ্চিত করেন যেন জনগণ মানসিকভাবে ও বাস্তবে অনুভব করতে পারেন যে তারাই এ দেশের প্রকৃত মালিক।

যৌতুক ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে নিজের পরিবার থেকেই পরিবর্তনের সূচনা করতে হবে: ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রীসামাজিক ...
02/08/2026

যৌতুক ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে নিজের পরিবার থেকেই পরিবর্তনের সূচনা করতে হবে: ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী

সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় রূখে দিতে আলেম-ওলামা, শিক্ষক ও অভিভাবকদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের আহ্বান ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দীনের

চট্টগ্রাম, ০২ আগস্ট ২০২৬ খ্রি.।

যৌতুক ও মাদককে সমাজের জন্য অত্যন্ত ভয়ংকর সামাজিক ব্যাধি উল্লেখ করে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেছেন, সমাজ পরিবর্তন করতে হলে সবার আগে নিজেদের মনের ইচ্ছা, মন-মানসিকতা ও চিন্তা-ভাবনার পরিবর্তন আনতে হবে। ব্যক্তিবিশেষ বা অন্যের মুখাপেক্ষী হয়ে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়; যৌতুক ও মাদকের ভয়াবহতা থেকে সমাজকে রক্ষা করতে হলে নিজের ঘর ও পরিবার থেকেই পরিবর্তনের সূচনা করতে হবে।

গতকাল রাতে চট্টগ্রাম নগরীর ষোলশহরে এলজিইডি ভবন মিলনায়তনে আঞ্জুমানে রজরিয়া ট্রাস্ট কর্তৃক আয়োজিত ‘যৌতুক ও মাদক মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় আমাদের করণীয়’ শীর্ষক কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা একদিকে দীন ও মানবিকতার কথা বলি, আবার অন্যদিকে বিয়েতে যৌতুক ও অতিরিক্ত বরযাত্রীর অজুহাতে কন্যাপক্ষকে চাপে ফেলি—যা অত্যন্ত দুঃখজনক। যৌতুকের কারণে প্রতিনিয়ত আমাদের আশেপাশেই নারীরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। আমরা নিজেদের মেয়ের সাথে যে সম্মানজনক ও মানবিক আচরণ করি, ঠিক একই আচরণ যদি ছেলের স্ত্রীর সাথেও করি, তবে সমাজ থেকে যৌতুকের নিপীড়ন চিরতরে দূর হবে। যে ভালো কাজ অন্যকে করার নসিহত করছি, তা আগে নিজের পরিবারে বাস্তবায়ন করতে হবে।

যুবসমাজ ও সামাজিক মূল্যবোধ রক্ষা প্রসঙ্গে ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দীন আরও বলেন, মাদক সমাজকে পুরোপুরি বিশৃঙ্খল ও ধংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিগত ১৭ বছরে আমাদের নীতি, নৈতিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধের যে চরম অবক্ষয় হয়েছে, তা থেকে বের হতে হলে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা ছাড়া কোনো উপায় নেই। পাড়া, মহল্লা ও গ্রামে অপরাধীদের পরিচয় গোপন থাকে না। এমনকি নিজের সন্তানও যদি মাদকের সাথে জড়িয়ে পড়ে, তাকেও আইনের হাতে তুলে দিতে হবে।

জনসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যকর মাধ্যম তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ইউটিউব, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম), বেতার-টেলিভিশন ও পথনাটক দিয়ে সচেতনতামূলক প্রচার বাড়াতে হবে। একইসাথে আলেম-ওলামাগণ ওয়াজ মাহফিল ও শুক্রবারের খুতবায় যৌতুক ও মাদকের ভয়াবহতা নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে জনমত গড়ে তুলতে পারেন। সমাজকে কলুষমুক্ত করতে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি প্রসারিত করে ধর্মীয়, সামাজিক, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিকভাবে সকলকে সম্মিলিতভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে।

মুহাম্মদ আবুল কাশেম নূরী (মু.জি.আ)-র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত কনফারেন্সে বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট আলেম-ওলামা ও স্থানীয় সামাজিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

দল-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য                                                     ...
02/08/2026

দল-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য
-- ভূমি প্রতিমন্ত্রী
হাটহাজারী (চট্টগ্রাম), ১৭ শ্রাবণ (১ আগস্ট):

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, সরকারের মূল লক্ষ্য হলো আর্তপীড়িত দুঃখী মানুষের সেবা করা এবং দেশবাসীকে মূল মালিক হিসেবে বিবেচনা করে তাদের মৌলিক অধিকার বাস্তবায়ন করা। দল, ধর্ম, বর্ণ ও গোত্র নির্বিশেষে সকল বাংলাদেশির সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান কাজ।

আজ চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারীতে সরকার হাটে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘প্রত্যাশী’ আয়োজিত সংস্থার সংগঠিত সদস্য ও ক্ষতিগ্রস্ত বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অতীতের ত্যাগের ইতিহাস তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, বিগত ১৯ বছর ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও এর অঙ্গসংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন ও নিপীড়ন চালানো হয়েছে। চরম প্রতিকূলতা ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়েও দলের প্রতিটি ইউনিয়ন, থানা, উপজেলা, পৌরসভা ও জেলা পর্যায়ের সদস্যরা সর্বদা দুঃখী, অসহায় ও পীড়িত মানুষের পাশে থেকে সেবা ও সহযোগিতা নিশ্চিত করেছে। তিনি দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন, আমাদের রাজনীতিতে কোনো বাছ-বিচার নেই। আমরা সম্মিলিতভাবে দল-মত ও ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে প্রতিটি বাংলাদেশি নাগরিকের পাশে দাঁড়াতে চাই এবং সেবা করতে চাই।

হাটহাজারীর সাম্প্রতিক দৃশ্যমান অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বাসিন্দাদের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই সাড়ে পাঁচ মাসে হাটহাজারীতে সাড়ে চারশ’র বেশি উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৩৮০টি উন্নয়ন কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বা শেষের পথে রয়েছে। বিগত ১৯ বছরে হাটহাজারীতে এমন অভূতপূর্ব বিশাল কর্মযজ্ঞ কখনোই হয়নি।

প্রতিমন্ত্রী আরো মনে করিয়ে দেন, আজ থেকে ১৯ বছর আগে হাটহাজারীর সড়ক ও অবকাঠামোগত অবস্থা এতটাই বেহাল ছিল যে আমাদের মা-বোনদের চলাচলে চরম কষ্ট পোহাতে হতো। বর্তমান সরকার সেই সব চলাচলের সড়ক প্রশস্তকরণ এবং যানজট নিরসনে পরিকল্পিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখতে তিনি হাটহাজারীর সর্বস্তরের জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

পরে প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন আনুষ্ঠানিকভাবে ‘প্রত্যাশী’ সংস্থার সংগঠিত সদস্য ও এলাকাভুক্ত বন্যার্ত মানুষের হাতে ত্রাণ সহায়তা তুলে দেন।

‘প্রত্যাশী’ সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মনোয়ারা বেগমের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

জনগণই দেশের আসল মালিক, দল-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সেবা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল•...
02/08/2026

জনগণই দেশের আসল মালিক, দল-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সেবা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল
• ১৬৫ দিনে হাটহাজারীতে সাড়ে চারশ’র বেশি উন্নয়ন কাজের জোয়ার

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম), ০১ আগস্ট ২০২৬ খ্রি.:

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও সরকারের মূল আদর্শ হলো আর্তপীড়িত দুঃখী মানুষের সেবা করা এবং দেশবাসীকে মূল মালিক হিসেবে বিবেচনা করে তাদের মৌলিক অধিকার বাস্তবায়নে দল, ধর্ম, বর্ণ ও গোত্র নির্বিশেষে সকল বাংলাদেশীর সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

প্রতিমন্ত্রী আজ চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার সরকার হাটস্থ গনি কমিউনিটি সেন্টারে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘প্রত্যাশী’ আয়োজিত সংস্থার সংগঠিত সদস্য ও ক্ষতিগ্রস্ত বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল তাঁর বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্পষ্ট নির্দেশনার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন,আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এ নির্বাচনের মাধমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করি। দায়িত্ব নেওয়ার পরই প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় সকল সেবা প্রদানকারী সংস্থা, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেছেন আমাদের দেশের প্রকৃত মালিক হচ্ছে সাধারণ জনগণ। কাজেই জনগণের সেবা সবার আগে নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের প্রত্যেকের মূল দায়িত্ব হলো জনগণের সেবা নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রের মালিক এই সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকারগুলো বাস্তবায়নে নিরলস সহায়তা করা।

অতীতের ত্যাগের ইতিহাস তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত ১৯ বছর ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও এর অঙ্গসংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন ও নিপীড়ন চালানো হয়েছে। চরম প্রতিকূলতা ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়েও দলের প্রতিটি ইউনিয়ন, থানা, উপজেলা, পৌরসভা ও জেলা পর্যায়ের সদস্যরা সর্বদা দুঃখী, অসহায় ও পীড়িত মানুষের পাশে থেকে সেবা ও সহযোগিতা নিশ্চিত করেছে।

প্রতিমন্ত্রী এসময় উল্লেখ করেন, আমাদের রাজনীতিতে কোনো বাছ-বিচার নেই। আমরা সম্মিলিতভাবে দল-মত ও ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে প্রতিটি বাংলাদেশী নাগরিকের পাশে দাঁড়াতে চাই এবং সেবা করতে চাই।
হাটহাজারীর সাম্প্রতিক দৃশ্যমান অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই সাড়ে পাঁচ মাস বা (১৬৫ দিনে) হাটহাজারীতে সাড়ে চারশ’র বেশি উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে, এরমধ্যে প্রায় ৩৮০টি উন্নয়ন কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বা শেষের পথে রয়েছে। বিগত ১৯ বছরে কি হাটহাজারীতে এমন অভূতপূর্ব বিশাল কর্মযজ্ঞ হয়েছে? হয়নি।

প্রতিমন্ত্রী আরো মনে করিয়ে দেন, আজ থেকে ১৯ বছর আগে হাটহাজারীর সড়ক ও অবকাঠামোগত অবস্থা এতটাই বেহাল ছিল যে আমাদের মা-বোনদের চলাচলে চরম কষ্ট পোহাতে হতো। বর্তমান সরকার সেইসব চলাচলের সড়ক প্রশস্তকরণ এবং যানজট নিরসনে পরিকল্পিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। চলমান উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখতে তিনি হাটহাজারীর সর্বস্তরের জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

বক্তব্য শেষে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন আনুষ্ঠানিকভাবে 'প্রত্যাশী' সংস্থার সংগঠিত সদস্য ও এলাকাভুক্ত বন্যার্ত মানুষের হাতে ত্রাণ সহায়তা তুলে দেন।

'প্রত্যাশী' সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মনোয়ারা বেগম-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন, স্থানীয় পুলিশ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অপরাধীদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই, অন্যায় করলে কঠোর ব্যবস্থা: হাটহাজারীতে আইনশৃঙ্খলা সভায় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মী...
02/08/2026

অপরাধীদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই, অন্যায় করলে কঠোর ব্যবস্থা: হাটহাজারীতে আইনশৃঙ্খলা সভায় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম), ৩০ জুলাই, ২০২৬ খ্রি.।

অপরাধী যে দলের বা পরিচয়েরই হোক না কেন, কোনো ধরনের অন্যায় ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে কখনোই আপোষ করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি। তিনি বলেন, অপরাধী যত শক্তিশালীই হোক, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। দুর্বৃত্তায়ন কিংবা চাঁদাবাজির মতো অপরাধে কারো রাজনৈতিক পরিচয় লাইসেন্স হিসেবে গণ্য হবে না।
গতকাল রাতে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, রাষ্ট্র ও সরকার অপরাধ দমনে অত্যন্ত শক্ত অবস্থানে রয়েছে। হাটহাজারী অঞ্চল ঐতিহ্যগতভাবেই আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে অগ্রগামী। সম্প্রতি হাটহাজারীতে ঘটা একটি চাঁদাবাজির ঘটনায় স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপে ৪ জন অপরাধীকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। এ ঘটনার সাথে জড়িত বাকি অপরাধীদেরও দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল আরও বলেন, বিগত ১৭ বছর যারা আমার সাথে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে ছিলেন, তাদের প্রতি আমার পূর্ণ ধারণা ও আস্থা রয়েছে। তবে কেউ যদি রাজনৈতিক পরিচয়ের অপব্যবহার করে অন্যায় বা অপরাধে লিপ্ত হওয়ার চেষ্টা করে, দলীয় কিংবা আইনি—কোনোভাবেই তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। কারণ সন্ত্রাস ও অপরাধীর কোনো দল, বর্ণ বা সমাজ নেই; তাদের পরিচয় কেবলই অপরাধী।

বিভিন্ন দল ও সামাজিক পরিচয়ের আড়ালে যারা অপকর্ম ও দুবৃত্তায়ন চালানোর অপচেষ্টা করছে, তাদের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, রাজনৈতিক দল বা সামাজিক পরিচয় ভাঙ্গিয়ে যারা শান্ত জনপদকে অশান্ত করার চেষ্টা করবে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে কঠোর থেকে কঠোরতর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তিনি চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে তৎপর থাকার আহ্বান জানান।

হাটহাজারীবাসীর প্রতি গভীর আবেগ ও অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ১৯ বছর ধরে যেমন হাটহাজারীর মানুষের সুখে-দুঃখে ও বিপদে-আপদে পাশে ছিলাম, ইনশাআল্লাহ আমৃত্যু আপনাদের একজন সন্তান ও ভাই হিসেবে যেকোনো প্রয়োজনে পাশে পাবেন।

হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত এ বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, সাংবাদিকবৃন্দ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মাত্র ১২৫ টাকায় তদবির ছাড়া চাকরি পাওয়া গত ২০ বছরের ইতিহাসে বিরল’: ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর...
02/08/2026

মাত্র ১২৫ টাকায় তদবির ছাড়া চাকরি পাওয়া গত ২০ বছরের ইতিহাসে বিরল’: ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল

ঢাকা, ২৮ জুলাই:

বাংলাদেশের বিগত ২০ বছরের ইতিহাসে কোনো প্রকার তদবির বা উৎকোচ ছাড়া মাত্র ১২৫ টাকা খরচে অত্যন্ত স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু প্রক্রিয়ায় সরকারি চাকরি সম্পন্ন হওয়ার কোনো নজির নেই বলে মন্তব্য করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি।

আজ সোমবার (২৮ জুলাই) ঢাকার তেজগাঁও ভূমি ভবনের ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় সেমিনার হল রুমে নবযোগদানকৃত কর্মচারীদের (পেশকার) ওরিয়েন্টেশন শীর্ষক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবুল হাছানাত এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, এমপি।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, কোনো ধরনের তদবির ছাড়াই মাত্র ১২৫ টাকা খরচ করে আপনারা যারা চাকরি পেয়েছেন এবং আপনাদের অভিজ্ঞতার যে বর্ণনা দিয়েছেন, তা সত্যিই আমাদের মুগ্ধ করেছে। বিগত ২০ বছর ধরে এ দেশ দুর্নীতি ও অনিয়মে জর্জরিত ছিল। মাঠ পর্যায়ে কর্মরত গুটিকয়েক দুষ্টু লোকের দুর্নীতির বোঝা পুরো ভূমি ব্যবস্থাপনাকে টানতে হয়। তাই সকলকে দুর্নীতিমুক্ত থেকে পরম সততার সাথে কাজ করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল আরও উল্লেখ করেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠনের প্রথম দিন থেকেই জনগণের প্রতি তাঁর দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। নির্বাচনের আগে ঘোষিত ৩১ দফা অনুসরণ করেই সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেশে সর্বপ্রথম ১৮০ দিনের বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়নে আত্মনিয়োগ করেছে।

জনগণের অধিকার ও সেবা প্রদান প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, "মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবসময় বলে থাকেন—যারা সরকারি সেবা নিতে অফিসে আসেন, সেই জনগণই হলো এদেশের প্রকৃত মালিক। কাজেই আপনাদের অনুভব করতে হবে এই জনগণই প্রজাতন্ত্রের মালিক এবং তাদের সর্বোচ্চ সেবা প্রদান করতে হবে।" এ সময় বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দিতে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ চেতনা অন্তরে ধারণ করে একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমি মন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, এমপি বলেন, সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় মেধার ভিত্তিতে চাকরিতে যোগদানকারী নতুন পেশকারদের সততা ও মনোভাব প্রশংসনীয়। সমাজে শ্রেণী বৈষম্য দূর করা, দুঃখী মানুষের কল্যাণ সাধন এবং দুর্নীতিমুক্ত কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। মন্ত্রী নবযোগদানকৃতদের নিজ নিজ বাবা-মা ও শিক্ষকদের সম্মান রক্ষা করে সততার সাথে দেশের ও জনগণের কল্যাণে কাজ করার পরামর্শ দেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে অন্যান্য বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, ভূমিসংক্রান্ত সেবায় এসে জনগণ যাতে কোনোভাবেই হয়রানির শিকার না হন, সেদিকে কড়া নজর রাখতে হবে। সরকার জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে ‘সিটিজেন সার্ভিস’ চালু করেছে এবং দীর্ঘদিন আটকে থাকা কানুনগো পদে পদোন্নতি প্রদান নিশ্চিত করেছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে নবযোগদানকৃত কর্মচারীদের পক্ষে মোছা. ফারহানা খাতুন, মো. শিহাব উদ্দিন ও শাকিল আহমদ আবেগজড়িত কণ্ঠে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত প্রক্রিয়ায় চাকরি পাওয়ায় সরকারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ, ভূমি আপীল বোর্ডের চেয়ারম্যান (সচিব) মো. আবদুল্লাহ আল বাকী, ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান (সচিব) এ জেড এম সালাহউদ্দিন নাগরীসহ ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

বিএনপির শাসনামলে শুরু হওয়া বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্বের ঐতিহ্য ধরে রেখে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্...
27/07/2026

বিএনপির শাসনামলে শুরু হওয়া বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্বের ঐতিহ্য ধরে রেখে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: মীর হেলাল

চট্টগ্রাম, ২৭ জুলাই, ২০২৬:

বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অক্ষুণ্ন রাখতে বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি। তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী পদক্ষেপে দুই দেশের মধ্য রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার যে সুদৃঢ় ভিত্তি তৈরি হয়েছিল, বর্তমান সরকার তা আরও বেগবান করছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের (সিইআইজেড) শুভ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল তাঁর বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, আনোয়ারায় এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে দুই দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক মেলবন্ধন এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাল। তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল ও গতিশীল করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

প্রকল্পটির দ্রুত বাস্তবায়নের প্রশংসা করে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেন, বিগত দীর্ঘ সময় ধরে এই সিইআইজেড প্রকল্পের কাজ শুরুর প্রচেষ্টা থাকলেও তা থমকে ছিল। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মোটেই ফাঁকা বুলিতে বিশ্বাসী নন, তিনি কাজে বিশ্বাস করেন। দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র পাঁচ মাসের মাথায় এই মেগা প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনই তাঁর বাস্তবমুখী পদক্ষেপের প্রমাণ।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনও এই দ্রুত অগ্রগতির সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গত প্রায় দুই বছর ধরে এ নিয়ে নানা আলোচনা হলেও নির্বাচিত নতুন সরকার আসার মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সম্ভব হয়েছে। এর মাধ্যমে দুই দেশের শিল্পখাতে সহযোগিতার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের আমলে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের যে স্বর্ণযুগ শুরু হয়েছিল, তা পরবর্তীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময়েও একইভাবে বেগবান ছিল। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বলিষ্ঠ দিকনির্দেশনায় দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক মেলবন্ধন আরও কার্যকর রূপ পাচ্ছে।

উক্ত ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিইআইজেডের চেয়ারম্যান ওয়াং বেনচিয়ান, স্থানীয় সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, আবু সুফিয়ান, সরওয়ার জামাল নিজাম ও হুমাম কাদের চৌধুরী। অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে উপস্থিতি ছিলেন চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক, চট্টগ্রাম কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এসএম সাইফুল আলম এবং এমএম. ইস্পাহানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান মির্জা সালমান ইস্পাহানিসহ প্রমুখ।

Address

Bangladesh Secretariat
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ministry of CHT Affairs posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share