ভূমি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ - Ministry of Land, Bangladesh

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • ভূমি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ - Ministry of Land, Bangladesh

ভূমি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ - Ministry of Land, Bangladesh Ministry of Land is responsible for formulating and implementing national policy on land and cadastre
(9)

আপনার ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কে জানুন
১.১ ভূমিকা
বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। কৃষি হচ্ছে এ দেশের জাতীয় আয়ের অন্যতম একটি খাত এবং দেশের প্রায় ৪১ শতাংশ মানুষের জীবিকার অবলম্বন (২০১৫-১৬ অর্থবছর অনুযায়ী)। তাই এ দেশের ভূমি ও পানি সম্পদের গুরুত্ব অপরিসীম।তাই একটি যথাযথ পরিকল্পনা ও নীতির মাধ্যমে এ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার তথা সীমিত ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার সুনিশ্চিত করা সম্ভব। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে ভূমি মন্

ত্রণালয় হতে ভূমি ব্যবহার নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর নেতৃত্বে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ভূমি সংক্রান্ত সকল কার্যাদি সম্পাদনের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়। বর্তমানে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, ভূমি সংস্কার বোর্ড, ভূমি আপীল বোর্ড, ভূমি প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং হিসাব নিয়ন্ত্রক (রাজস্ব) দপ্তর ভূমি মন্ত্রণালয় এর অধীনে কাজ করছে। বিভাগীয় পর্যায়ে কমিশনার, জেলা পর্যায়ে কালেক্টর (জেলা প্রশাসক), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), রেভিনিউ ডেপুটি কমিশনার, ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা, উপজেলা পর্যায়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি), ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহশীলদারগণ) ভূমি সংক্রান্ত কার্যাদি সম্পাদনে নিয়োজিত রয়েছেন। সামগ্রিকভাবে ভূমি মন্ত্রণালয় এর কার্যক্রমকে চারভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হচ্ছেঃ
১। নীতি নির্ধারণী কার্যক্রম;
২। সংস্কারমূলক কার্যক্রম;
৩। উন্নয়নমূলক কার্যক্রম;
৪। মাঠ পর্যায়ে মনিটরিং কার্যক্রম।
এছাড়াও ভূমি উন্নয়ন কর ও রাজস্ব আদায়, খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত, জলমহাল ব্যবস্থাপনা, ভূমি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ এবং ভূমি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ ইত্যাদি বিষয় মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত কার্যক্রম হিসেবে গণ্য। ভূমি আইন ও বিধি প্রণয়ন, ভূমিহীন ছিন্নমূল জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন, ভূমি জোনিং কার্যক্রম, উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস নির্মাণ ও মেরামত, ভূমি রেকর্ড আধুনিকীকরণ, জনসাধারণকে স্বল্পতম সময়ে ভূমি সংক্রান্ত তথ্যাদি সরবরাহ কার্যক্রম ভূমি মন্ত্রণালয় কর্তৃক সম্পাদিত হয়।
১.২ মন্ত্রণালয়ের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
১৯৫০ সনে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন পাশের মাধ্যমে জমিদারী প্রথার বিলুপ্তির পর ভূমি রাজস্ব আদায় ও ভূমির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য সরকার রাজস্ব বিভাগ (Revenue Department) সৃষ্টি করে। তৎকালীণ রাজস্ব বিভাগকে সহায়তা করার জন্য প্রাদেশিক সরকারের অধীনে বোর্ড অব রেভিনিউ নামে একটি উচ্চ পর্যায়ের বোর্ড গঠন করা হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ভূমি সংক্রান্ত সকল কার্যাদি সম্পাদনের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়। বিভাগীয় পর্যায়ে কমিশনার, জেলা পর্যায়ে কালেক্টর (জেলা প্রশাসক), মহকুমা পর্যায়ে মহকুমা প্রশাসক, থানা পর্যায়ে সার্কেল অফিসার (রাজস্ব) ও ইউনিয়ন পর্যায়ে তহসিলদারগণ ভূমি সংক্রান্ত কাজ করতেন।বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সনে এ মন্ত্রণালয়ের নামকরণ করা হয় “ভূমি প্রশাসন এবং ভূমি সংস্কার” মন্ত্রণালয়।
১৯৭৫ সনে এই মন্ত্রণালয়ের পুনঃনামকরণ করে রাখা হয় আইন ও সংস্কার মন্ত্রণালয় যার দুইটি বিভাগ ছিল যথাঃ
· (ক) আইন এবং সংসদ বিষয়ক বিভাগ।
· (খ) ভূমি প্রশাসন এবং ভূমি সংস্কার বিভাগ।
১৯৭৬ সনে এই মন্ত্রণালয়ের পুন নামকরণ করা হয় ভূমি প্রশাসন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সময়ায় মন্ত্রণালয়। ১৯৭৮ সনে পুনরায় পরিবর্তন করে নামকরণ করা হয় ভূমি প্রশাসন এবং ভূমি সংস্কার মন্ত্রণালয়। ১৯৮২ সনে এই মন্ত্রণালয়ের নাম নতুনভাবে রাখা হয় ভূমি সংস্কার, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ১৯৮৪ সালে পুনরায় এই মন্ত্রণালয়কে নামকরণ করা হয় “ভূমি প্রশাসন ও ভূমি সংস্কার মন্ত্রণালয়”। পরবর্তীতে ১লা মার্চ ১৯৮৭ সালে নামকরণ করা হয় “ভূমি মন্ত্রণালয়” যা এখনো বলবৎ আছে।
১.৩ মন্ত্রণালয়ের মিশন-ভিশন
১.৩.১ রূপকল্প (Vision)
দক্ষ, স্বচ্ছ এবং জনবান্ধব ভূমি ব্যবস্থাপনা।
১.৩.২ অভিলক্ষ্য (Mission)
(১) স্বচ্ছ, দক্ষ, আধুনিক ও টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার এবং ভূমি সংক্রান্ত জনবান্ধব সেবা নিশ্চিতকরণ।
(২) বিজ্ঞানভিত্তিক ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভূমি ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন।
কৃষি জমি সুরক্ষা,পরিবেশ উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা সুরক্ষা ও দারিদ্র বিমোচনের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন।
(৩) অকৃষি জমির সুপরিকল্পিত ব্যবহারের মাধ্যমে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ জনগোষ্ঠীর বাসোপযাগী পরিবেশ সৃষ্টি ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি হ্রাস এবং ভূমি বিষয়ক সমস্যার সমাধান।

🌈 🌈 পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বিনির্মাণে সম্প্রীতির ডাক দিলেন ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দীন এমপি...
23/08/2026

🌈 🌈 পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বিনির্মাণে সম্প্রীতির ডাক দিলেন ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দীন এমপি

রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি পাহাড়ের সব সম্প্রদায়ের মধ্যে সুদৃঢ় সম্প্রীতি গড়ে তোলার মাধ্যমে সরকার ঘোষিত ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, শুধু অবকাঠামো নয়, দুর্গম ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং দক্ষতার বিকাশ অপরিহার্য।

🎁 অনুষ্ঠানের মূল কার্যক্রম ও অর্জন:

🎯 দক্ষতা ও স্বাবলম্বিতা: আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ৫০ জন নারীর মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ।

💻 ডিজিটাল শিক্ষা: ২৫০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী প্রদান।

🎓 প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ: তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদ বিতরণ।

🚀 তরুণদের জন্য নির্দেশনা ও সুসংবাদ:

🖥️ ফ্রিল্যান্সিংয়ে জোর: তরুণদের ঘরে বসে উপার্জনের জন্য ফ্রিল্যান্সিং ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণে দক্ষতা বাড়ানোর আহ্বান।

💰 করমুক্ত আয়: ফ্রিল্যান্সিং থেকে অর্জিত আয়কে সরকার করমুক্ত ঘোষণা করেছে।

🛍️ ই-কমার্স: ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের সুযোগ কাজে লাগিয়ে নতুন নতুন স্কিম গ্রহণের জন্য উন্নয়ন বোর্ডকে নির্দেশনা।

👨‍💼 সেবার মানসিকতা ও প্রশাসনিক সংস্কার:

🤝 কর্মকর্তা- কর্মচারীদের জনসেবার মানসিকতা নিয়ে নিষ্ঠার সাথে কাজ করার নির্দেশ।

🪜 বোর্ডের শূন্য পদ পূরণ, পেনশন সুবিধার কার্যকর উদ্যোগ এবং পাড়া কেন্দ্রের কর্মীদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ডিপিপি (DPP) সংশোধনের আশ্বাস।

🏗️ উদ্বোধন ও পরিদর্শন:

🗼 রাঙ্গামাটি শিশু পার্কের ওয়াচ টাওয়ার এবং জেলা পরিষদের ই-লার্নিং সেন্টার উদ্বোধন।

🌉 খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি সড়কে মহাপুরম খালের ওপর ব্রিজের উদ্বোধন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বতন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

🏢 "নাগরিকদের দুর্নীতিমুক্ত ও উন্নত সেবা দিতে সরকার শতভাগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ" — চট্টগ্রাম বিল্ড এক্সপো-২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠ...
23/08/2026

🏢 "নাগরিকদের দুর্নীতিমুক্ত ও উন্নত সেবা দিতে সরকার শতভাগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ" — চট্টগ্রাম বিল্ড এক্সপো-২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দীন, এমপি।

চট্টগ্রামের রেডিসন ব্লু অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই প্রদর্শনীতে টেকসই, আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

🌱 বক্তব্যের মূল বিষয়বস্তুসমূহ:

🗺️ ভূমি জোনিং ও দুর্নীতি নির্মূল: দেশের প্রতিটি অঞ্চলে সঠিক ভূমি জোনিং কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভূমি খাতের দুর্নীতি পুরোপুরি নির্মূল করার প্রত্যয়।

🌾 কৃষিজমি ও টপ সয়েল রক্ষা: অপরিকল্পিত ইটভাটা দ্বারা মাটির উর্বর উপরিভাগ (টপ সয়েল) ধ্বংসের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা এবং কৃষিজমি রক্ষায় টেকসই প্রযুক্তির ব্যবহারের আহ্বান।

🧱 পরিবেশবান্ধব ইট ও প্রযুক্তি: নির্মাণশিল্পে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি এবং বিকল্প ইট ব্যবহারের মাধ্যমে প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখার গুরুত্ব।

🏙️ টেকসই উন্নয়ন: শুধু ইট-পাথরের ভবন নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপদ বাসস্থানের জন্য সুপরিকল্পিত ও টেকসই কাঠামোর ওপর জোর প্রদান।

🏐 বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের স্মৃতিতে রাজশাহীতে জমকালো ভলিবল টুর্নামেন্ট!​তরুণ প্রজন্মকে মাদকমুক্ত ও ক্র...
22/08/2026

🏐 বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের স্মৃতিতে রাজশাহীতে জমকালো ভলিবল টুর্নামেন্ট!

​তরুণ প্রজন্মকে মাদকমুক্ত ও ক্রীড়ামুখী করতে এবং ভলিবল খেলার পুনরুজ্জীবনে আগামী ২১ থেকে ২৭ নভেম্বর রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ভলিবল টুর্নামেন্ট’। সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় এ তথ্য জানান ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু।

​🔥 টুর্নামেন্টের মূল আকর্ষণসমূহ:

​🏆 পুরুষ বিভাগ: বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিজিবি, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের চ্যাম্পিয়ন দল এবং রাজশাহী বিভাগীয় লিগের চ্যাম্পিয়ন দল অংশ নেবে।

​🏐 নারী বিভাগ (বিশেষ ম্যাচ): নারী ভলিবলকে উৎসাহিত করতে বাংলাদেশ পুলিশ নারী ভলিবল দল ও রাজশাহী জেলা নারী ভলিবল দলের প্রদর্শনী ম্যাচ।

​🏟️ ভেন্যু ও অবকাঠামো: খেলাগুলো রাজশাহীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া রাজশাহীতে স্পোর্টস প্রসারে সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে একটি ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণকাজ বাস্তবায়নাধীন।

​💰 বাজেট ও অর্থায়ন: প্রাক্কলিত ১২–১৪ লাখ টাকার বাজেট সম্পূর্ণ নিজস্ব তহবিল ও কর্পোরেট স্পন্সরের মাধ্যমে নির্বাহ করা হবে (কোনো প্রকার সাধারণ চাঁদা গ্রহণ করা হবে না)।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ স্মারক হিসেবে পুনঃস্থাপনকৃত ফলক উন্মোচন করেছেন ভূমিম...
22/08/2026

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ স্মারক হিসেবে পুনঃস্থাপনকৃত ফলক উন্মোচন করেছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, এমপি।

শনিবার (২২ আগস্ট) বেলা ১১টায় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি পুনঃস্থাপিত ফলকটি উন্মোচন করেন।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, ১৯৯১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া রাজশাহীবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সূচনা ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে আরএমপি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ঐতিহাসিক এই স্মৃতিকে ধরে রাখতে আরএমপির গৌরবময় ইতিহাসের স্মারক পুনঃস্থাপন করা হয়েছে।

তিনি রাজশাহী মহানগরীকে শান্ত, নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত রাখতে জুয়া, ভূমিদস্যুতা, মাদক ও অবৈধ চোরাচালানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আরএমপিকে নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, অপরাধ দমনে আইন নিজস্ব গতিতে চলবে এবং পুলিশকে কোনো ধরনের রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়তে হবে না।

মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ভূমিমন্ত্রী বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে মাদক ও অবৈধ পণ্য দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশের অপচেষ্টা প্রতিহত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবীর সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলী, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটনসহ প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

অনুষ্ঠানের শেষে রাজশাহীর শান্তি, শৃঙ্খলা ও সমৃদ্ধি কামনায় এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

📍 স্থান: রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কার্যালয়, রাজশাহী
📅 তারিখ: ২২ আগস্ট ২০২৬

#ভূমিমন্ত্রী #ভূমিমন্ত্রণালয় #আরএমপি #রাজশাহী #রাজশাহীমেট্রোপলিটনপুলিশ #আইনশৃঙ্খলা #মাদকবিরোধীঅভিযান #চোরাচালান #নিরাপদরাজশাহী #রাজশাহীরইতিহাস

রাজশাহী কলেজ কেবল একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, এটি উত্তরাঞ্চলের শিক্ষা ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক: ভূমিমন্ত্রীরাজশাহী কলেজের ...
21/08/2026

রাজশাহী কলেজ কেবল একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, এটি উত্তরাঞ্চলের শিক্ষা ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক: ভূমিমন্ত্রী

রাজশাহী কলেজের ১৫০তম বর্ষপূর্তি হবে ঐক্য, ঐতিহ্য ও আত্মপরিচয়ের উৎসব

ঢাকা, ২১ আগস্ট ২০২৬:

“রাজশাহী কলেজ কেবল একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, এটি উত্তরাঞ্চলের শিক্ষা ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক। রাজশাহী কলেজ আমাদের সবার মা।”

রাজশাহী কলেজের ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, মায়ের সন্তানদের মতো রাজশাহী কলেজের সব প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীকে এক ছাতার নিচে এনে দেড়শত বর্ষ উদযাপন করতে হবে। এ আয়োজন বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করবে এবং হয়ে উঠবে ঐক্য, ঐতিহ্য ও আত্মপরিচয়ের উৎসব।

দীর্ঘ ১৫০ বছরের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও ঐতিহ্যের মধ্য দিয়ে রাজশাহী কলেজ বহু প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে উল্লেখ করে তিনি দেশ-বিদেশে থাকা সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থীকে নিবন্ধনের মাধ্যমে এ আয়োজনে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। প্রয়োজনে মহাদেশভিত্তিক অ্যালামনাই কমিটি গঠন করে ঐতিহাসিক এই মিলনমেলাকে স্মরণীয় করে তোলার কথাও বলেন তিনি।

ভূমিমন্ত্রী আরও বলেন, দেড়শত বর্ষ উদযাপনকে আগামী প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় করে রাখতে স্মারক ভাস্কর্য তৈরি করা হবে। রাজশাহী কলেজের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস শুধু বাংলাদেশের নয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও সমানভাবে সমাদৃত। তাই এ আয়োজন হবে রাজশাহী কলেজ পরিবারের সব প্রজন্মের এক মহামিলনের উৎসব।

তিনি বলেন, সরকারের সহযোগিতায় রাজশাহী কলেজে আধুনিক বহুতল একাডেমিক ভবন, অত্যাধুনিক অডিটোরিয়াম, ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য নতুন আবাসন এবং ঐতিহাসিক খেলার মাঠের উন্নয়নসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইব্রাহিম আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, দুদক সচিব মো. সাইদুর রহমান খান, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম আজাদ সুইট এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব এস. এম. জহুরুল ইসলাম।

এছাড়া বর্তমান ও সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কলেজের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য, শিক্ষক, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুধীজন এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

#ভূমিমন্ত্রী #রাজশাহীকলেজ #রাজশাহীকলেজ১৫০বছর #১৫০তমবর্ষপূর্তি #রাজশাহী #শিক্ষা #ঐতিহ্য #অ্যালামনাই #শিক্ষাওসংস্কৃতি #ভূমিমন্ত্রণালয়

সরকারি জলমহাল ইজারা প্রদান সংক্রান্ত কমিটির ৯১তম সভা অনুষ্ঠিতজনস্বার্থ, পরিবেশ সংরক্ষণ ও দরিদ্র মানুষের জীবিকা রক্ষায় টে...
19/08/2026

সরকারি জলমহাল ইজারা প্রদান সংক্রান্ত কমিটির ৯১তম সভা অনুষ্ঠিত

জনস্বার্থ, পরিবেশ সংরক্ষণ ও দরিদ্র মানুষের জীবিকা রক্ষায় টেকসই জলমহাল ব্যবস্থাপনার নির্দেশ ভূমিমন্ত্রীর

ঢাকা, ১৯ আগস্ট ২০২৬:

আজ ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সরকারি জলমহাল ইজারা প্রদান সংক্রান্ত কমিটির ৯১তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ভূমিমন্ত্রী মো: মিজানুর রহমান মিনু। সভায় উপস্থিত ছিলেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ. এস. এম. সালেহ আহমেদ।

সভায় ভূমিমন্ত্রী বলেন, “জলমহাল কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, এটি জনগণের। জনগণের স্বার্থরক্ষা আমাদের অগ্রাধিকার।” জনস্বার্থ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং দরিদ্র মানুষের জীবিকা রক্ষায় মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও টেকসই জলমহাল ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। একইসঙ্গে সরকারের রাজস্বপ্রাপ্তি নিশ্চিত করারও নির্দেশনা দেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ‘জাল যার, জলা তার’ নীতিতে বিশ্বাসী সরকার। তিনি জলমহাল ইজারা প্রদানের ক্ষেত্রে বিদ্যমান জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতি যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশনা দেন।

ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন প্রচলিত আইন ও নীতিমালার আলোকে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের পরামর্শ নিয়ে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ইজারা মূল্যগুলো যুগোপযোগী করার এবং সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্বপ্রাপ্তি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।

সভায় বিভিন্ন জেলার জলমহাল ইজারা সংক্রান্ত প্রস্তাব পর্যালোচনা করা হয়। এর মধ্যে—

🔹 কিশোরগঞ্জ: ১২টির মধ্যে ৯টি জলমহালের প্রস্তাব অনুমোদন
🔹 খুলনা: ১২টির মধ্যে ৬টি জলমহালের প্রস্তাব অনুমোদন
🔹 হবিগঞ্জ: ৩০টির মধ্যে ২০টি জলমহালের প্রস্তাব অনুমোদন
🔹 সুনামগঞ্জ: ৫৪টির মধ্যে ৪৩টি জলমহালের প্রস্তাব অনুমোদন
🔹 পাবনা: ২৩টি জলমহাল উন্মুক্ত করার প্রস্তাব অনুমোদন

বাকি প্রস্তাবগুলো অধিকতর যাচাই-বাছাই করে পরবর্তীতে উপস্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। যেসব জলমহালের প্রস্তাবিত ইজারা মূল্য যথাযথ নয়, সেসব ক্ষেত্রে পুনঃইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়।

সভায় ভূমি মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসকগণ অনলাইনে সভায় যুক্ত ছিলেন।

#ভূমি_মন্ত্রণালয় #ভূমি_মন্ত্রী #জলমহাল #জলমহাল_ইজারা #জলমহাল_ব্যবস্থাপনা #জনস্বার্থ #পরিবেশ_সংরক্ষণ #জেলে_সম্প্রদায় #জীবিকা #সরকারি_জলমহাল #ভূমি_সেবা

🐟 রাজশাহীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ এর উদ্বোধন“রূপালি মৎস্য স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে র...
16/08/2026

🐟 রাজশাহীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ এর উদ্বোধন
“রূপালি মৎস্য স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজশাহীতে উদ্বোধন করা হয়েছে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬। -ভূমিমন্ত্রী

📍 স্থান: রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমি
📅 তারিখ: ১৬ আগস্ট ২০২৬
🎯 আয়োজন: জেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর, রাজশাহী।

ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, এমপি বলেছেন, মৎস্য সম্পদ বাংলাদেশের রূপালি সম্পদ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার মৎস্য খাতকে আরও আধুনিক ও স্বনির্ভর করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
আজ রবিবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণীতে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। এবারের প্রতিপাদ্য- 'রূপালি মৎস্য স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ'।
মাছের গুণগত মান ও নিরাপদ খাদ্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে ভূমিমন্ত্রী বলেন, মাছের খাদ্যের (ফিড) মান বজায় রাখতে হবে। অসাধু উপায়ে তৈরি বা বিদেশ থেকে আমদানিকৃত নিম্নমানের এবং অস্বাস্থ্যকর উপাদানে তৈরি ফিশ ফিড ব্যবহার থেকে মৎস্য চাষিদের বিরত থাকতে হবে। বিশেষ করে চিংড়ি মাছের মতো মূল্যবান সম্পদ যেন বিদেশের বাজারে ভাবমূর্তি না হারায়, সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি বলেন, রাজশাহীর জীবিত মাছকে বিশ্ববাজারে পৌঁছে দিতে রাজশাহী থেকে সিঙ্গাপুর ও দুবাইয়ে সরাসরি মাছ রপ্তানী জন্য কার্গো বিমান চলাচল এবং বিমানবন্দর সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ সময় তিনি রাজশাহীতে দ্রুত একটি অত্যাধুনিক মৎস্য টেস্টিং ল্যাব স্থাপন করার কথাও জানান।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, মিঠা পানিই হবে ভবিষ্যতের বড় শক্তি এবং বাংলাদেশ এই সম্পদে অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ২০২৭ সালের মধ্যে পদ্মা নদীর ওপর বাঁধ নির্মাণ এবং বরনাই নদীতে চাইনিজ রাবার ড্যাম তৈরির মাধ্যমে সারা বছর পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা হবে, যা মৎস্য চাষে বিপ্লব ঘটাবে।
মৎস্য চাষে মডেল হিসেবে রাজশাহীর সাকলাইন এর নাম উল্লেখ করে মন্ত্রী তরুণ প্রজন্মকে কৃষিকাজ ও মাছ চাষের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শিক্ষিত তরুণরা এই খাতে যোগ দিলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বাংলাদেশ বিশ্বে এক নম্বর স্থানে পৌঁছাতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, একসময় 'মাছ' ছিল আমার নির্বাচনী প্রতীক এবং আমি সবসময়ই সাধারণ মৎস্যজীবী ও শ্রমজীবী মানুষের পাশে থেকে তাদের হৃদয়ের ভাষা বোঝার চেষ্টা করি।
জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবীর, রাজশাহী মৎস্য বিভাগের পরিচালক মো. সাইফুদ্দিন ইয়াহিয়া এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান। স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম। অন্যান্যের মধ্যে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মৎস্যজীবী, মৎস্য ব্যবসায়ী, মৎস্য চাষি, ফিড মিল মালিক, সুধীজন এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে মৎস্য ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য সফল মৎস্য চাষি, ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ভূমিমন্ত্রী।
এর আগে মন্ত্রী রাজশাহী কালেক্টরেট পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন। পরে চিড়িয়াখানা চত্বর থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে শেষ হয় এবং একই স্থানে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে জাতীয় মৎস্য পক্ষ- ২০২৬ এর উদ্বোধন করেন। ......................................................

#জাতীয়মৎস্যপক্ষ২০২৬ #মৎস্যপক্ষ২০২৬ #ভূমিমন্ত্রী #ভূমিমন্ত্রণালয় #মৎস্যসম্পদ #মৎস্যচাষ #রাজশাহী #মৎস্যঅধিদপ্তর #মাছচাষ #মৎস্যখাত

সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে — প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলালহাটহাজারী (চট্টগ...
11/08/2026

সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে — প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম), ১১ আগস্ট ২০২৬ খ্রি.।

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেছেন, দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতি অর্জনে দক্ষ জনশক্তির কোনো বিকল্প নেই। তাই আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শুধু সনদসর্বস্ব বা প্রচলিত একাডেমিক শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবমুখী ও কর্মমুখী শিক্ষার দিকে মনোযোগী হতে হবে।

আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রাম হাটহাজারীর মীর নোয়াবুল হক মেমোরিয়াল হাই স্কুল-এ নবনির্মিত 'মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন একাডেমিক ভবন'-এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান উদ্বোধক হিসেবে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক মন্ত্রী, মেয়র ও রাষ্ট্রদূত মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন। শুভ উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থেকে নবনির্মিত একাডেমিক ভবনের ফলক উন্মোচন করেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি।

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি আরও বলেন, বর্তমান সময়ের চাহিদা ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষায় পারদর্শী করে তোলা অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দেশজুড়ে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা প্রসারে বৈপ্লবিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল আরও বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে যেভাবে ধ্বংস করেছে, বর্তমান সরকার তা সংস্কার করে একটি আধুনিক ও টেকসই শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে উন্নত ও শিক্ষিত জাতি গঠনের পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে সফল হতে হলে নিজেদের এখন থেকেই যোগ্য ও মানসম্মত নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। বক্তব্য শেষে তিনি বিদ্যালয়টি থেকে এসএসসি (সমমান) পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকারী শিক্ষার্থীকে উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করতে আগামী এক বছরের সম্পূর্ণ শিক্ষা খরচ ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে পুরস্কার হিসেবে প্রদানের ঘোষণা দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক মন্ত্রী, চট্টগ্রামের মেয়র ও রাষ্ট্রদূত মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন হাটহাজারীর স্মৃতিচারণ করে আবেগময় কণ্ঠে বলেন, হাটহাজারীর মাটির সাথে আমার রক্তের ও আত্মার সম্পর্ক। আমি এই হাটহাজারী হাই স্কুলেই পড়াশোনা করেছি। মাইলের পর মাইল হেঁটে কষ্ট করে স্কুলে গিয়েছি ও ফিরেছি। কিন্তু আমাদের পড়াশোনার প্রতি অগাধ শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও মনোযোগ ছিল।

অভিভাবক ও এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে সাবেক মন্ত্রী মীর নাছির বলেন, আপনারা আপনাদের সন্তানদের সৎ ও নীতিবান হিসেবে গড়ে তুলুন। তারা যেন কোনো প্রকার অন্যায় বা অপকর্মের সাথে জড়িয়ে না পড়ে। সততার সাথে জীবনযাপন করলেই তারা জীবনে উন্নতি করতে পারবে এবং দেশের কল্যাণে নিজেদের আত্মনিয়োগ করতে পারবে। সততা ও সুশিক্ষায় শিক্ষিত তরুণ প্রজন্মই সমাজের প্রকৃত আলো।

সাবেক মন্ত্রী মীর নাছির দৃঢ়তার সাথে আরও বলেন, আমাদের সমাজে অন্যায় কাজের কোনো স্থান নেই। আপনারা যদি কোথাও কোনো অন্যায় বা দুর্নীতি দেখতে পান, সরাসরি আমার কিংবা প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল-এর কাছে চলে আসবেন—আমরা তাৎক্ষণিক কঠোর আইনি প্রতিকারের ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ সেলিম উদ্দীন রেজা-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য ব্যারিস্টার ইসরাত নাজনীন নাছির, হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, চট্টগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী তানভীর ইসলাম।

এক আনন্দঘন পরিবেশের মধ্যে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের অংশগ্রহণে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

#মীরহেলাল #ব্যারিস্টারমীরহেলাল #মীরমোহাম্মদহেলালউদ্দীন #কারিগরিশিক্ষা #কর্মমুখীশিক্ষা #শিক্ষাউন্নয়ন #দক্ষজনশক্তি #দক্ষমানবসম্পদ #শিক্ষাব্যবস্থা #শিক্ষার্থীদেরভবিষ্যৎ #হাটহাজারী #চট্টগ্রাম #বাংলাদেশ

প্রচলিত আইনের কাঠগড়াতেই নিশ্চিত করা হবে বিগত সব নৃশংসতার বিচার: ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালচট্টগ্র...
07/08/2026

প্রচলিত আইনের কাঠগড়াতেই নিশ্চিত করা হবে বিগত সব নৃশংসতার বিচার: ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

চট্টগ্রাম, ০৭ আগস্ট ২০২৬ খ্রি.।

বিগত ১৭ বছরের গুম-খুন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত সব নৃশংসতার বিচার বিশেষ কোনো ট্রাইব্যুনাল নয়, বরং দেশের প্রচলিত আইনের মাধ্যমেই নিশ্চিত করা হবে বলে স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি।

আজ চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই বিপ্লব স্মৃতি হলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটান সাংবাদিক ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘ফ্যাসিবাদ, জুলাই বিপ্লব ও আজকের বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নিজেদের দীর্ঘ লড়াইয়ের কথা স্মরণ করে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, বিগত ১৭ বছরে তারা কেউ দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাননি; বরং তৎকালীন সরকারের সকল জুলুম-অত্যাচার ও নির্যাতন বুক পেতে সহ্য করে রাজপথেই লড়াই চালিয়ে গেছেন।

নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ এবং আত্মনির্ভরশীল মর্যাদা সম্পন্ন বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং দীর্ঘ ফ্যাসিস্ট শাসনামলে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়া যুবসমাজকে আলোর পথে ফিরিয়ে এনে দক্ষ সম্পদে রূপান্তর করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সম্মানিত সাংবাদিকবৃন্দ এবং বিশিষ্ট সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

প্রত্যেক অপরাধীর বিচার এ দেশেই হবে, সে যত শক্তিশালীই হোক না কেন”—চট্টগ্রামে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে প্রতিমন্ত্রী ব্যারি...
05/08/2026

প্রত্যেক অপরাধীর বিচার এ দেশেই হবে, সে যত শক্তিশালীই হোক না কেন”—চট্টগ্রামে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল

চট্টগ্রাম, ০৫ আগস্ট ২০২৬:

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি বলেছেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত অপরাধের সাথে জড়িত প্রত্যেক অপরাধীর বিচার এই দেশেই নিশ্চিত করা হবে, ইনশাআল্লাহ—সে যেই হোক না কেন। এটাই আমাদের সুদৃঢ় প্রতিজ্ঞা এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের স্পষ্ট নির্দেশনা।”

আজ বুধবার চট্টগ্রামে জেলা শিল্পকলা মিলনায়তনে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন আয়োজিত 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬' উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা এবং জুলাই শহীদ পরিবার ও বীর জুলাই যোদ্ধাদের সম্মাননা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল তাঁর বক্তব্যের সূচনায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, শহীদদের মহান আত্মত্যাগ কোনো অর্থ বা বস্তুতাত্ত্বিক প্রাপ্তি দিয়ে শোধ করা সম্ভব নয়। তাদের রক্তের প্রকৃত মূল্যায়ন তখনই সম্ভব হবে, যখন আমরা জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগ করে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব।

গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে মীর হেলাল জোর দিয়ে বলেন, এই ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান কোনো নির্দিষ্ট দল বা একক গোষ্ঠীর অর্জন নয়; বরং এটি দীর্ঘ বছরের জুলুম, নির্যাতন, গুম, খুন ও অর্থনৈতিক শোষণের বিরুদ্ধে ছাত্র, শিক্ষক, শ্রমিক, পেশাজীবীসহ দেশের আবালবৃদ্ধবনিতার এক অভূতপূর্ব ঐক্যবদ্ধ ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। জনগণের জন্য উৎসর্গীকৃত রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠাই হবে এই আন্দোলনের মূল সার্থকতা।

গণতন্ত্র ও মৌলিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, রাজনৈতিক বা আদর্শিক ভিন্নতা থাকলেও দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে আমাদের সবাইকে একসূত্রে গাঁথা থাকতে হবে। যেকোনো দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্য বজায় রাখা সময়ের দাবি।

রাষ্ট্রীয় সংস্কার প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল পুনর্ব্যক্ত করেন যে, সরকার 'জুলাই সনদ' বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইতিমধ্যে সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে বিশেষ কমিটি কাজ শুরু করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের সকল দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল ও অংশীজন গঠনমূলক মতামত প্রদানের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক রূপান্তর প্রক্রিয়ায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেন।

অনুষ্ঠানে যুবসমাজ ও তরুণ প্রজন্মকে দেশপ্রেম এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাষ্ট্র পুনর্গঠনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ইসরাফিল খসরু, চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী এবং চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমসহ বিভিন্ন স্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ, আহত ও বীর জুলাই যোদ্ধাগণ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা পর্ব শেষে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল জুলাই শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন এবং দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

Address

Bangladesh Secretariat, Abdul Gani Road
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ভূমি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ - Ministry of Land, Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to ভূমি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ - Ministry of Land, Bangladesh:

Shortcuts

Share