সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ফ্যান ক্লাব ঢাকা

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ফ্যান ক্লাব ঢাকা

সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল   ফ্যান ক্লাব  ঢাকা It’s democracy and BNP political leader Syed Moazzem hossain Alal fan page.
(2)

বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিশোধ চেয়ারম্যান মেম্বার এসোসিয়েশন আয়োজিত স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করে  নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে ইউপি চে...
29/08/2026

বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিশোধ চেয়ারম্যান মেম্বার এসোসিয়েশন আয়োজিত স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে ইউপি চেয়ারম্যান মেম্বারদের করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভায় বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ভাই

এ্যাডঃ সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ভাই দেশপ্রেমের প্রতীক ঐক্য শৃঙ্খলা নিষ্ঠা ও কর্মঠ নেতৃত্বের প্রতীক ।Syed Moazzem Hossai...
27/08/2026

এ্যাডঃ সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ভাই দেশপ্রেমের প্রতীক ঐক্য শৃঙ্খলা নিষ্ঠা ও কর্মঠ নেতৃত্বের প্রতীক ।

Syed Moazzem Hossain Alal Tarique Rahman Bangladesh Jatiyotabadi Jubodal Bangladesh Nationalist Party-BNP Bangladesh Nationalist Publicity Party-BNP

ফ্যাসিস সরকারের অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কন্ঠস্বর ছিলেন প্রিয় নেতা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ভাই
27/08/2026

ফ্যাসিস সরকারের অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কন্ঠস্বর ছিলেন প্রিয় নেতা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ভাই

৩৫৭টি মামলা, ২৯ বার রিমান্ড, প্রায় ২,১৬০ দিন কারাবরণ!ত্যাগ, সততা ও অবিচল বিশ্বাসের অপর নাম- রাজপথের মেধাবী ও পরীক্ষিত নে...
26/08/2026

৩৫৭টি মামলা, ২৯ বার রিমান্ড, প্রায় ২,১৬০ দিন কারাবরণ!
ত্যাগ, সততা ও অবিচল বিশ্বাসের অপর নাম-
রাজপথের মেধাবী ও পরীক্ষিত নেতৃত্ব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ভাই।
অসংখ্য প্রতিকূলতা, নির্যাতন ও অন্যায়ের মুখেও যিনি আদর্শ ও দলের প্রতি অবিচল থেকেছেন, তিনি সত্যিই সংগ্রামী নেতৃত্বের এক অনন্য প্রতীক।
আপনার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও আগামী দিনের জন্য আন্তরিক শুভকামনা ও দোয়া।

24/08/2026
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল তিন শতাধিক মামলার আসামি। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় ভ...
23/08/2026

বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল তিন শতাধিক মামলার আসামি। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। আন্দোলন জোরালো করতে নেতাকর্মীদের নানাভাবে উৎসাহ দিয়েছেন। পিকেটিংসহ প্রতিটি মিছিল, মিটিংয়ে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন। বেশ কয়েকবার রাজপথ থেকে গ্রেফতারও হন। রিমান্ডে তার ওপর চলে অমানবিক নির্যাতন। রাত কাটিয়েছেন কারাগারের কনডেম সেলে। একদিকে রিমান্ডে নির্যাতন, অন্যদিকে কারাগারে বিনা চিকিৎসায় তার একটি কিডনি অকেজো হলে ফেলে দেওয়া হয়। ২০০১ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি মালিবাগে হরতাল চলাকালে বিএনপির শান্তিপূর্ণ মিছিলে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গুলিতে ৪ জন নিহত হন। ওই সময় মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল গুলিবিদ্ধ হন। তার মেরুদণ্ডে দুবার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। এখনো বয়ে বেড়াচ্ছেন গুলির সেই ক্ষত। মায়ের মৃত্যুর সময় ছিলেন কারাগারে। মৃত্যুর ৩ দিন পর ৮ ঘণ্টা প্যারোলে রংপুর থেকে বরিশালে নেওয়া হলেও মায়ের মুখ আর দেখতে পারেননি তিনি। সাড়ে ৩ বছর সাজার রায় দেওয়া হয়। এমন পরিস্থিতিতেও কারাগার থেকে তিনি আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার নানা বার্তা দিতেন নেতাকর্মীদের। অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে তাকেও এমপি, মন্ত্রী কিংবা দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে চেয়েছেন নেতারা। এত ত্যাগের পরও তাকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি।

বিএনপির যুগ্মমহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল সাড়ে চারশ মামলার আসামি হিসাবে দীর্ঘ সময় আদালত ও কারাগারে কাটিয়েছেন তিনি। প্রতিটি আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। তার অনুসারীদের প্রত্যাশা ছিল-গণ-অভ্যুত্থানের পর তিনি এমপি, মন্ত্রী, মেয়র কিংবা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে মূল্যায়িত হবেন। তবে কোনোটিই ঘটেনি।

আন্দোলনের সময় যাদের খুঁজে পাওয়া যায়নি, তারাই এখন প্রভাবশালী। আর যারা জীবনবাজি রেখে রাজপথে ছিলেন, তারা অবহেলিত। শুধু ক্ষমতায় আসাই শেষ কথা নয়, যারা এই পথ তৈরি করেছেন, তাদের মূল্যায়ন না হলে দলীয় ঐক্য ও ভবিষ্যৎ রাজনীতি হুমকির মুখে পড়তে পারে।

"সাময়িক পদ-পদবির চেয়ে ইতিহাসের পাতায় একনিষ্ঠ ত্যাগীর নাম খোদাই হওয়া অনেক বেশি গৌরবের"রাজনীতি শব্দটির গায়ে আজকাল খুব সহজে...
23/08/2026

"সাময়িক পদ-পদবির চেয়ে ইতিহাসের পাতায় একনিষ্ঠ ত্যাগীর নাম খোদাই হওয়া অনেক বেশি গৌরবের"

রাজনীতি শব্দটির গায়ে আজকাল খুব সহজেই লেগে যায় আরাম-আয়েশ, ক্ষমতা ও বিলাসী জীবনের ধুলোবালি। কিন্তু সুবিধার সমীকরণের বাইরেও রাজনীতির এক ভিন্ন রূপ আছে—যেখানে থাকে জীবনের সুসময় বিসর্জন দেওয়ার অদম্য স্পর্ধা, কারান্তরালের অন্ধকার আর স্বজন হারানোর অশ্রুসজল ইতিহাস। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ঠিক তেমনই এক পোড়খাওয়া, প্রতিবাদী ও ত্যাগী রাজনীতিকের প্রতিকৃতি।

ক্যারিয়ারের সূর্য যখন তুঙ্গে, প্রবাসের বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মানজনক শিক্ষকতার পেশা এবং আলোকোজ্জ্বল ভবিষ্যতের হাজারো হাতছানি—সবকিছুকে এক নিমেষে তুচ্ছ করেছিলেন সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। সুবিধার জীবনের বদলে তিনি বেছে নিয়েছিলেন রাজপথের অনিশ্চয়তা ও সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম। দল যখনই যেখানে দায়িত্ব দিয়েছে, নীতি ও আদর্শ থেকে বিচ্যুত না হয়ে নিষ্ঠার সাথে দাঁড়িয়েছেন সেখানে।

সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ২০০১ থেকে ২০০৬ মেয়াদে জাতীয় সংসদের সদস্য (এমপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। কিন্তু ক্ষমতার প্রভাব তাঁকে স্পর্শ করতে পারেনি। ১/১১-এর মঈন উদ্দিন-ফখরুদ্দিন সরকারের সময় যখন একের পর এক রাজনীতিকের নামে দুর্নীতির অভিযোগের পাহাড় জমছিল, তখনো আলালের দিকে দুর্নীতির কোনো আঙুল ওঠানো সম্ভব হয়নি। দুর্নীতির ছায়া না পেয়ে তৎকালীন সরকার তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছিল বিএনপির হয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে ১/১১ সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলার। লালমাটিয়ার বাসভবন থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়, আর তার পর শুরু হয় অমানবিক শারীরিক নির্যাতন ও এক কারাগার থেকে অন্য কারাগারে ঘোরানোর নিপীড়নকাব্য।

আইনি লড়াই শেষে হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পরও রাষ্ট্রযন্ত্রের নির্দয়তা থামেনি। রংপুর জেলগেট থেকে পুনরায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। টেলিভিশনের পর্দায় সন্তানের ওপর নেমে আসা এই অন্যায় পুনর্গ্রেপ্তারের দৃশ্য দেখে শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন তাঁর রত্নগর্ভা মা। সন্তানের নির্মম নির্যাতনের খবর সইতে না পেরে ওই রাতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

কারাগারের অন্ধ প্রকোষ্ঠে বন্দি সন্তান মায়ের শেষ দেখাটুকুও সময়মতো পাননি। ঘটনার দীর্ঘ তিন দিন পর মাত্র ১ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়ে যখন তিনি বাড়ি ফেরেন, তখন মায়ের কাফনের কাপড় সরিয়ে শেষ বিদায় জানাতে হয়েছিল। রাজনীতির পেছনের এই ব্যক্তিগত ও অপূরণীয় ক্ষতি আর করুণ মাশুল খুব কম মানুষই অনুধাবন করতে পারে।

এর পর কেটে গেছে দীর্ঘ ১৭টি বছর। কখনো অন্ধকার কারাগারের চার দেয়াল, আবার কখনো রাজপথে টিয়ার শেল ও বুলেটের মুখোমুখি হওয়া—এই ছিল তাঁর প্রাত্যহিক জীবন। ৫ই আগস্টের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের পর যখন নতুন ভোরের সূর্য উদিত হলো, তখনো রাজনীতিতে নিজের ব্যক্তিগত প্রত্যাশার চেয়ে দলের সিদ্ধান্তকেই তিনি উর্ধ্বে তুলে ধরলেন।

মনোনয়ন না পাওয়ার চাপা কষ্ট বুকে চেপেও তিনি পিছপা হননি; বরং হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে ‘ধানের শীষ’ প্রতীককে হৃদয়ে ধারণ করে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে গেছেন দলীয় প্রার্থীদের বিজয়ী করতে।

সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল মনে-প্রাণে বিশ্বাস করেন—বাংলাদেশের রাজনীতিতে জিয়া পরিবারের চেয়ে বেশি নির্যাতন ও ত্যাগের শিকার আর কেউ হয়নি। সেই ত্যাগের আদর্শেই তিনি নিজেকে গড়ে তুলেছেন একজন খাঁটি রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে।

আজকের তরুণ প্রজন্মের কাছে সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল এর জীবনের প্রতিটি অধ্যায় যেন এক একটি জ্বলন্ত শিক্ষা। পদ-পদবি বা ক্ষমতার মোহে নয়, বরং “করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”—এই স্লোগানকে ধারণ করে তিনি প্রমাণ করেছেন, সাময়িক পদ-পদবির চেয়ে ইতিহাসের পাতায় একনিষ্ঠ ত্যাগীর নাম খোদাই হওয়া অনেক বেশি গৌরবের। কারণ ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, রাজনীতিতে খাঁটি ত্যাগ কখনো বেইমানি করে না।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ফ্যান ক্লাব ঢাকা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ফ্যান ক্লাব ঢাকা:

Shortcuts

Share