দালাল মুক্ত বিএনপি

দালাল মুক্ত বিএনপি সংগঠনেই শক্তি, শক্তিতে সংগ্রাম, সংগ্র?

পলাতক পুলিশ কর্মকর্তা এবং অভিযুক্ত স্বর্ণ চোরাকারবারি বনজ কুমার মজুমদার – যিনি একসময় পিবিআই প্রধান ছিলেন – তার সম্পর্কে ...
23/08/2026

পলাতক পুলিশ কর্মকর্তা এবং অভিযুক্ত স্বর্ণ চোরাকারবারি বনজ কুমার মজুমদার – যিনি একসময় পিবিআই প্রধান ছিলেন – তার সম্পর্কে নতুন তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

বনজ কুমার মজুমদার তার বড় ভাই মিহির কান্তি মজুমদারের সঙ্গে দেশে সোনা চোরাচালান ও হুন্ডি কার্যকলাপের নিয়ন্ত্রক হিসেবে ভূমিকা পালনের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন। বনজ কুমার মজুমদারকে ভারতে সোনা চোরাচালানের মূল হোতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। পুলিশসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে দেখা গেছে, চাকরি করার সময় বনজ কুমার মজুমদার চট্টগ্রামের রিয়াজউদ্দিন বাজারের সোনা চোরাচালান সিন্ডিকেটের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলেন। পরে তিনি দেশের বৃহত্তম সোনার পাইকারি বাজারের নিয়ন্ত্রক হয়ে ওঠেন। তার নেতৃত্বে বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে দেশ থেকে ভারতে অবৈধভাবে সোনা পাচার করা হতো।

তিনি আসলে ভারতীয় পাসপোর্টধারী নাগরিক ছিলেন এবং ভারতের ভোটার হিসেবেও নাম নিবন্ধিত ছিল। অতিরিক্ত আইজিপি থেকে তাকে যখন পদোন্নতি দিয়ে পিবিআই প্রধান করা হয়, তখনই বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে তার নাগরিকত্ব নিয়ে লিখিত আপত্তি জানানো হয়েছিল। কিন্তু তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কোনো প্রশ্ন না করেই সরাসরি পদোন্নতি অনুমোদন দেন এবং নির্দেশ দেন ডিস্টার্ব না করতে।”মনে রাখতে হবে, সে সময় পুলিশের পদোন্নতি, বদলি ও উচ্চপদে নিয়োগ হতো সম্পূর্ণভাবে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি তত্ত্বাবধানে – নিয়ম-কানুনকে উপেক্ষা করেই।

আজ প্রশ্ন উঠছে

বাংলাদেশের পুলিশের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি সংস্থার প্রধান আসনে বসানো হলো একজন বিদেশি নাগরিককে?
কেন এই সত্য গোপন করা হয়েছিল?
আর কত অন্ধকার রহস্য লুকিয়ে আছে আমাদের প্রশাসনের ভেতরে?

--------------------------------

দুই ভাই মিহির কান্তি মজুমদার ও বনজ কুমার মজুমদার

বণিক বার্তা
২০ এপ্রিল ২০২৫

রাজধানীর ধানমন্ডির ৫ নম্বর রোডের ২০ নম্বর বাড়ি (প্লট নম্বর ৫৭)। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সরকারি বাসভবনের পাশেই এর অবস্থান। পুরনো তিনতলা সাদা রঙের এ বাড়িতে একসময় অফিস করতেন ব্যাংক ও আর্থিক খাতের আলোচিত লুটেরা প্রশান্ত কুমার হালদার (পিকে হালদার)। দেশের চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও পুঁজিবাজার থেকে যিনি ১০ হাজার কোটি টাকারও বেশি অর্থ লোপাট করে ভারত পালিয়ে যান।

পিকে হালদারের রেখে যাওয়া অফিসের হাল ধরেছেন আলোচিত সাবেক সচিব মিহির কান্তি মজুমদার। অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে শত শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সরকারের সাবেক এ আমলা নিয়মিতই ধানমন্ডির ওই বাড়িতে অফিস করছেন। মিহির কান্তি মজুমদারের আপন ছোট ভাই আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা বনজ কুমার মজুমদার। বড় ভাইয়ের মতো সাবেক এ অতিরিক্ত আইজিপির বিরুদ্ধেও আছে গুরুতর অভিযোগ। দেশের স্বর্ণ চোরাচালান ও হুন্ডি তৎপরতার নিয়ন্ত্রক হিসেবে ভূমিকা রাখার অভিযোগ রয়েছে বনজের বিরুদ্ধে।

সংজ্ঞার বিবেচনায় পিকে, মিহির ও বনজ—তিনজনই হোয়াইট কলার অপরাধী। ‘হোয়াইট কলার অপরাধ’ শব্দটিতে ব্যক্তি, ব্যবসা ও সরকারি পেশাজীবীদের মাধ্যমে সংঘটিত আর্থিকভাবে অনুপ্রাণিত, অহিংস বা অপ্রত্যক্ষভাবে সহিংস অপরাধকে বোঝায়। অপরাধগুলো আর্থিক লাভের জন্য মধ্যবিত্ত বা উচ্চবিত্ত ব্যক্তিদের মাধ্যমে সংঘটিত বলে বিবেচনা করা হয়।

দেশের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা ও বণিক বার্তার নিজস্ব অনুসন্ধানের তথ্য বলছে, পিকে, মিহির ও বনজ একই চক্রের সদস্য। প্রতিটি আর্থিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তারা ছিলেন একে অপরের সহযোগী। এ চক্র দেশের ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, পুঁজিবাজার, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে বিপুল অর্থ লোপাট করেছে। লোপাটকৃত সেই অর্থ ব্যবহার হয়েছে স্বর্ণ চোরাচালান ও হুন্ডি তৎপরতায়। ভারতসহ বিভিন্ন দেশে অর্থ পাচারের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক রয়েছে তাদের। এ নেটওয়ার্কে দেশের প্রভাবশালী আরো বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী ও সরকারি কর্মকর্তাও যুক্ত রয়েছেন বলে জানা গেছে।

পিকে হালদার ভারতে পালিয়ে যান ২০২২ সালের মে মাসে। এরপর তিনি ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) হাতে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে যান। জামিনে বের হয়ে পিকে হালদার এখন কলকাতায় রাজকীয় জীবন যাপন করছেন। তার পথ অনুসরণ করে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তা বনজ কুমার মজুমদারও। গত বছরের ৩০ জুলাই অবসরে যাওয়ার পর পরই বিদেশে পাড়ি জমান পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সাবেক এ প্রধান। তবে শত শত কোটি টাকার অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেও এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন মিহির কান্তি মজুমদার। আলোচিত এ তিন ব্যক্তিরই পাসপোর্ট বাতিল করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

একসময় পিকে হালদারের অফিস হিসেবে ব্যবহৃত ধানমন্ডির ওই বাড়িটিও অনেকটাই রহস্যে ঘেরা। প্রায় এক বিঘা জমির ওপর পুরনো তিনতলা বাড়ি। আশপাশের বাড়িগুলো আবাসিক হিসেবে ব্যবহার হলেও দীর্ঘদিন ধরে এটি ব্যবহার হচ্ছে অফিস হিসেবে। কিন্তু ঠিক কোন প্রতিষ্ঠানের অফিস তার কোনো নেমপ্লেট নেই। গত দুদিন বাড়িটির দিকে নজর রাখে বণিক বার্তার অনুসন্ধানী দল। এতে দেখা যায়, সেখানে মানুষের চলাচল অনেকটাই সীমিত। নির্দিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া ওই বাড়িতে অন্যদের প্রবেশাধিকার নেই বললেই চলে।

গণমাধ্যম কর্মী পরিচয়ে গতকাল বণিক বার্তার প্রতিবেদক বাড়িটিতে প্রবেশ করতে চাইলে তাকে সে সুযোগ দেয়া হয়নি। পরে অন্য এক প্রতিবেদক ভিন্ন পরিচয়ে মিহির কান্তি মজুমদারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাইলে তাকে প্রবেশ করতে দেয়া হয়। তবে বেলা ১টার সময় গিয়ে বাড়িটিতে আলোচিত ওই সচিবকে পাওয়া যায়নি। অফিসের একাধিক কর্মী জানান, তিনি বিকালে আসবেন। যদিও বিকালে গেলে আর ঢুকতে দেয়া হয়নি। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র বলছে, নিরিবিলি ওই বাড়িটি মূলত বাংলাদেশ থেকে টাকা পাচার ও হুন্ডি তৎপরতা পরিচালনার জন্য ব্যবহার হয়। সেখানে অফিস করেন ২০-২৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী।

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে ওই অফিসে কর্মরত একজন কর্মী বলেন, ‘সাবেক সচিব মিহির কান্তি মজুমদার এখানে নিয়মিত অফিস করেন। সকালে স্যারকে আনতে গাড়ি গেছে। তবে স্যার এখনো অফিসে আসেননি। আদাবরে স্যারের আরেকটি অফিস রয়েছে। একসময় এটি পিকে হালদারের অফিস ছিল।’

অভিযোগের বিষয়ে বারবার চেষ্টা করেও পিকে হালদার ও বনজ কুমার মজুমদারের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। তবে এ বিষয়ে মিহির কান্তি মজুমদারের সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে কথা হয় বণিক বার্তার। তিনি বলেছেন, ‘আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা নেই। আমি নিজেই উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করতে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আবেদন জানিয়েছি।’

পিকে হালদারের ব্যবহৃত অফিসের হাল ধরার বিষয়ে জানতে চাইলে মিহির কান্তি মজুমদার বলেন, ‘পিকে হালদারের সঙ্গে আমার কোনোকালেই কোনো সম্পর্ক ছিল না। এ অফিসও তার নয়। পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় পিকে হালদার আমার পেছনে ঘুরেছে। বিভিন্ন ব্যাংকে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ৪ হাজার কোটি টাকা সঞ্চয় ছিল। আমরা একটা টাকাও তাকে দিইনি।’

এ অফিসে কী ধরনের কাজ হয়, কেন বসেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এমনিতেই বসি। উদ্দীপনে থাকাকালীন এখানে আমাকে অফিস করার জন্য বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’ তবে উদ্দীপন কর্মকর্তাদের থেকে জানা যায়, ধানমন্ডিতে তাদের এ ধরনের কোনো দপ্তর কখনই ছিল না।

আওয়ামী লীগ সরকারের প্রথম মেয়াদে ২০১১ সালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব হন মিহির কান্তি মজুমদার। এরপর ২০১৪ সালে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান। চাকরি থেকে অবসরে যাওয়ার পর সরকারের শীর্ষ মহলের সঙ্গে যোগসাজশ রেখে বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের (এনজিও) শীর্ষ পদ দখল করতে শুরু করেন তিনি। পিকে হালদারের সহযোগী হিসেবে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি ওই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ, বিদেশে পাচার, জমি-ফ্ল্যাটসহ বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

মিহির কান্তি মজুমদার সর্বশেষ বেসরকারি এনজিও উদ্দীপনের চেয়ারম্যান পদে ছিলেন। সে সময় তিনি ক্ষুদ্র ঋণ আইনকে তোয়াক্কা না করে প্রতিষ্ঠানটিকে ১৭টি প্রকল্পে যুক্ত করেন। এর মাধ্যমে এনজিওটি থেকে অন্তত ২৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। চেয়ারম্যানের আর্থিক অনিয়ম ও আইন লঙ্ঘনের বিষয়টি উঠে এসেছে মাইক্রোক্রেডিট অথরিটির (এমআরএ) প্রতিবেদনেও। সুশাসনের ঘাটতি ও আর্থিক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় উদ্দীপনে প্রশাসক বসিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে এর পর্ষদ থেকে মিহির কান্তি মজুমদারকে অপসারণ করা হয়েছে। উদ্দীপনের পক্ষ থেকে আত্মসাৎকৃত অর্থ উদ্ধারে মিহির কান্তি মজুমদার ও পর্ষদের অন্য কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

অনুসন্ধানে আলোচিত অর্থনৈতিক দুর্বৃত্ত পিকে হালদারের সঙ্গে মিহির কান্তি মজুমদারের যোগসাজশের বিষয়টিও উঠে এসেছে। মিহির কান্তি মজুমদার উদ্দীপনের চেয়ারম্যান হওয়ার পর সংস্থাটি পিকে হালদারের মালিকানাধীন বহুল আলোচিত কুমিরের খামারটি কিনে নেয়। যদিও ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠানের আইনে এ ধরনের প্রকল্পে অর্থ বিনিয়োগ করার কোনো বিধানই নেই। উদ্দীপনের কর্মকর্তারা বলছেন, ময়মনসিংহের ভালুকায় কুমিরের খামারটি কিনেছিলেন পিকে হালদার। এজন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকে ৫৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিলেন তিনি। এরপর খামারটি থেকে কোনো আয় না থাকলেও পিকে হালদারের কাছ থেকে উদ্দীপনের নামে এটি কিনে নেন মিহির কান্তি মজুমদার। মূলত এর মাধ্যমে পিকে হালদারের হাতে উদ্দীপনের টাকা তুলে দেয়া হয়েছে। আর ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকে নেয়া ঋণও পিকে হালদার আত্মসাৎ করেছেন। কুমিরের ওই খামারের পেছনে উদ্দীপনের ৪২ কোটি টাকার বেশি খরচ হয়েছে।

কুমিরের খামারের মতো বিভিন্ন কাগুজে প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ অনুমোদন দিয়ে উদ্দীপন থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন মিহির কান্তি মজুমদার। যেমন ভারতীয় প্রতিষ্ঠান প্রোবের সঙ্গে ২০১৯ সালে উদ্দীপনের একটি চুক্তি সই হয়। চুক্তির আলোকে উদ্দীপনের কর্মীদের প্যাথলজিক্যাল সার্ভিস দেয়ার কথা ছিল। যদিও চুক্তি অনুযায়ী উদ্দীপনের কর্মীরা সেই সেবা পাননি। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের অভিযোগ, প্রকল্পটির আওতায় ভারতীয় নাগরিক বিজয় দাসের মাধ্যমে প্রায় ৩০ কোটি টাকা ভারতে পাচার করা হয়েছে। ওই প্রকল্পের টাকা কোথায়, কীভাবে ব্যয় হয়েছে তার কোনো হদিস নেই।

অনিয়ম-দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের কারণে মিহির কান্তি মজুমদারের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান উদ্দীপনের প্রশাসক ও সাবেক সচিব এএইচএম নুরুল ইসলাম। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, ‘চেয়ারম্যান পদে থাকা অবস্থায় মিহির কান্তি মজুমদার উদ্দীপনের বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি করেছেন। এরই মধ্যে আমরা তাকে শোকজ এবং তার উদ্দীপনে সাধারণ সদস্যপদ বাতিল করেছি। আর্থিক এসব অপরাধের কারণে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করার জন্য আইনজীবীর পরামর্শ নেয়া হচ্ছে। তার আর্থিক অপরাধ সম্পর্কে আমরা সরকারকে জানিয়েছি। একই সঙ্গে দুদকেও লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। কিছু প্রকল্পের নামে উদ্দীপন থেকে যেসব অর্থ বের করে নেয়া হয়েছে, সেগুলো বিদেশে পাচার হয়েছে বলে আমরা মনে করছি। কিছু প্রকল্পে ব্যবহৃত এসব অর্থ আর ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনাও দেখছি না।’

দুর্নীতিতে সিদ্ধহস্ত মিহির কান্তি মজুমদার বরগুনার তালতলী উপজেলায় বিপুল পরিমাণ জমি দখলে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। আর এ কাজে ব্যবহার করেছেন ভাই বনজ কুমার মজুমদারের ক্ষমতা। গড়েছেন বাংলো বাড়ি, মাছের ঘের, গরুর খামার, ঢাকায় একাধিক প্লট-ফ্ল্যাট, হাউজিং কোম্পানিসহ আরো অনেক কিছু। স্ত্রী গীতা রানী মজুমদারের নামেও রয়েছে একাধিক ফ্ল্যাট।

মিহির কান্তি মজুমদারের মতোই সরকারি চাকরিতে থেকে বিভিন্ন ধরনের অপরাধে জড়িয়েছেন তার ছোট ভাই বনজ কুমার মজুমদার। তাকে ভারতে স্বর্ণ চোরাচালানের অধিপতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেয়ার পর কর্মজীবনের বড় অংশই তিনি কাটিয়েছেন চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে। পুলিশসহ একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে দেখা যায়, চাকরিকালে চট্টগ্রামের রিয়াজউদ্দিন বাজারের স্বর্ণ চোরাচালান সিন্ডিকেটের সঙ্গে সখ্য গড়ে ওঠে বনজ কুমার মজুমদারের। পরবর্তী সময়ে দেশের সবচেয়ে বড় এ স্বর্ণ পাইকারি বাজারের নিয়ন্ত্রক হয়ে ওঠেন তিনি। তার নেতৃত্বে দেশ থেকে কয়েকটি সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে স্বর্ণ পাচার করা হতো।

প্রভাবশালী বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে যোগসাজশে দ্রুততম সময়ে অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবেও পদোন্নতি পান বনজ কুমার। এরপর টানা আট বছর নেতৃত্ব দেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই)। এ সময়ের মধ্যে স্বর্ণ চোরাচালানের টাকায় ঢাকার পাশাপাশি বরগুনা ও কুষ্টিয়ায় বিপুল সম্পদ গড়েছেন তিনি। তবে এতসব অবৈধ সম্পদের মালিক হলেও বনজ কুমারের বিরুদ্ধে এখনো কোনো পদক্ষেপ দৃশ্যমান নয়। স্বর্ণ চোরাচালান, হুন্ডিসহ নানা অনিয়মে যুক্ত থাকায় চলতি বছরের শুরুতে বনজ কুমারের পাসপোর্ট বাতিল করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

পুলিশের দায়িত্বশীল একাধিক কর্মকর্তা বণিক বার্তাকে জানান, চট্টগ্রামে বনজ কুমারের বেশ কয়েকটি ফিশিং ট্রলার রয়েছে। এ ট্রলারগুলোকে তিনি স্বর্ণ চোরাচালানের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতেন। পুলিশের প্রভাবশালী কর্মকর্তা হওয়ায় বনজ কুমারের এসব ফিশিং ট্রলারকে কখনই তল্লাশির মুখে পড়তে হতো না।

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, অবসরে যাওয়ার পর বনজ কুমার মজুমদার কিছুদিন ভারতে ছিলেন। তবে বর্তমানে তিনি সপরিবারে কানাডায় অবস্থান করছেন। স্বর্ণ চোরাচালান ও হুন্ডির অবৈধ টাকায় দেশে-বিদেশে তিনি বিপুল পরিমাণ সম্পদ গড়েছেন। এর মধ্যে শ্বশুরবাড়ি চট্টগ্রামের রুমঘাটায় বনজ কুমারের বিলাসবহুল একটি বাড়ি রয়েছে।

পুলিশের শীর্ষ পদে থেকে স্বর্ণ চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ কিংবা সাবেক সচিব হয়ে পিকে হালদারের মতো দুর্বৃত্তের অফিসের হাল ধরার বিষয়টি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিস্ময়কর নয় বলে মনে করেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, ‘গত দেড় দশকজুড়ে বাংলাদেশে যে ধরনের শাসন ব্যবস্থা ছিল, তার পরিপ্রেক্ষিতে এগুলো অবাক হওয়ার মতো কিছু নয়। আমরা গবেষণা করে দেখেছি, এমন কোনো আইনের লঙ্ঘন নেই যেটার সঙ্গে পুলিশের একাংশের সংযুক্ততা ছিল না। অর্থ পাচার, মাদক ব্যবসা বা স্বর্ণ চোরাচালান এগুলো ক্রিমিন্যাল অফেন্স এবং দুর্নীতির ফসল। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণের নামে অনেকেই এগুলোতে জড়িয়ে গেছে। অর্থ পাচার বা স্বর্ণ চোরাচালান কীভাবে হয়, সেগুলো আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানতে হয়। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে তারা এসব অপরাধে পারদর্শী হয়ে উঠেছে।’

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘চৌর্যতন্ত্র বলতে যা বোঝায়, গত ১৫ বছরে সেটিই ছিল। সেই কারণে সর্বক্ষেত্রেই অপরাধীদের বিকাশ ঘটেছে। এ ধরনের যোগসাজশে অপরাধের একেকটি ক্লাস্টার তৈরি হয়েছে এবং সে অনুযায়ী বহুমাত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অপরাধগুলো সংঘটিত হয়েছে। একসময় এসব অপরাধী ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিল, তবে এখন তাদের নিয়ন্ত্রণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।’

কি পরিমান খাই গেছে আওয়ামিলীগ সরকার?২৪ হাজার কোটি নয়, প্রায় ২৩ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক ঋণ: দেশের ১১তম রাষ্ট্রপ্রধ...
23/08/2026

কি পরিমান খাই গেছে আওয়ামিলীগ সরকার?

২৪ হাজার কোটি নয়, প্রায় ২৩ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক ঋণ: দেশের ১১তম রাষ্ট্রপ্রধান কতটা সফল হতে পারবেন?

বাংলাদেশ আজ এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে। নতুন নেতৃত্বের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো—একটি ঋণগ্রস্ত অর্থনীতি, দুর্নীতিতে ক্ষতবিক্ষত প্রশাসন এবং আন্তর্জাতিক সূচকে পিছিয়ে পড়া একটি রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে পুনর্গঠন করা।

১৫/০২/২০২৬ ইং তারিখে দেশ এমন এক পরিস্থিতিতে এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে ডঃ মুহাম্মদ ইউনূস এবং শেখ হাসিনার আমলের রেখে যাওয়া দুর্নীতি, ঋণ এবং দুর্বল প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন রাষ্ট্রপ্রধানের জন্য এক ভয়াবহ বোঝা হয়ে উঠেছে।
প্রশ্ন উঠছে—
এত বিশাল বৈদেশিক ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে দেশের ১১তম রাষ্ট্রপ্রধান কতটুকু সফলতা অর্জন করতে পারবেন?
বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তব চিত্র (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)

✅ বৈদেশিক ঋণ বাকি

📌 ২৩ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা
এই বিশাল ঋণ শুধু সংখ্যায় বড় নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ঘাড়ে এক ভয়ঙ্কর দায়। এই ঋণের সুদ ও কিস্তি পরিশোধ করতে গিয়ে রাষ্ট্রকে উন্নয়ন বাজেট কমাতে বাধ্য হতে হবে—যা সরাসরি জনগণের জীবনমানের উপর প্রভাব ফেলবে।

✅ দুর্নীতিতে অবস্থান

📌 ১৩তম (অর্থাৎ দুর্নীতি তালিকায় উচ্চ অবস্থান)
দুর্নীতির এই অবস্থান প্রমাণ করে, রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা দুর্বল। বিনিয়োগকারীদের আস্থা নষ্ট হয়, প্রশাসন অকার্যকর হয় এবং উন্নয়ন প্রকল্পগুলো লুটপাটের উৎসে পরিণত হয়।

✅ রিজার্ভ

📌 ৩৩.৩৪ বিলিয়ন ডলার
রিজার্ভ সংখ্যা শুনতে ভালো মনে হলেও প্রশ্ন হলো—
এই রিজার্ভের কতটুকু প্রকৃত অর্থে ব্যবহারযোগ্য?
কারণ অনেক সময় রিজার্ভের বড় অংশ থাকে ঋণ বা ডলার সোয়াপের মাধ্যমে সাময়িকভাবে ধরে রাখা।
অর্থনীতি টিকিয়ে রাখতে হলে রিজার্ভকে শুধু সংখ্যায় নয়, বাস্তব সক্ষমতায় শক্তিশালী করতে হবে।

✅ সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা

📌 ১৪৯তম
একটি রাষ্ট্রে গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৪৯তম অবস্থান প্রমাণ করে দেশে মত প্রকাশের পরিবেশ সংকুচিত হয়েছে এবং গণতন্ত্র দুর্বল হয়েছে।

✅ মানব উন্নয়ন সূচকে অবস্থান

📌 ১২৯তম
মানব উন্নয়ন সূচকে পিছিয়ে থাকার অর্থ হলো—
শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আয় এবং জীবনমান এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। উন্নয়নের বড় বড় প্রকল্প থাকলেও সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নত হয়নি, এটি স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে এই সূচকে।

✅ গণতান্ত্রিক সূচকে অবস্থান

📌 ৭৫তম
৭৫তম অবস্থান বোঝায়, বাংলাদেশ গণতন্ত্রের কাঠামো ধরে রাখলেও এর মান ও কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ। নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার বিভাগ, মত প্রকাশ, রাজনৈতিক সহনশীলতা—সবকিছুতেই সংস্কার প্রয়োজন।

✅ বৈশ্বিক অর্থনীতির সূচকে অবস্থান

📌 ৩৬তম
এখানে কিছুটা ইতিবাচক দিক আছে। অর্থনীতি একটি বড় অবস্থানে থাকলেও সমস্যাটা হলো—
এই অবস্থান ধরে রাখতে হলে দুর্নীতি কমানো এবং সুশাসন নিশ্চিত করা জরুরি।

✅ অর্থনীতির আকার

📌 ৪৫০–৪৫৫ বিলিয়ন ডলার
অর্থনীতির আকার বড় হলেও তা টেকসই উন্নয়নের নিশ্চয়তা দেয় না। কারণ অর্থনীতির বড় অংশ যদি নির্ভর করে ঋণ, আমদানি নির্ভরতা ও অদক্ষ ব্যবস্থাপনার উপর, তাহলে তা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।

✅ মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ

📌 ৭৮ হাজার টাকা
এই পরিমাণ মাথাপিছু ঋণ প্রমাণ করে, প্রতিটি নাগরিক কার্যত ঋণের বোঝা বহন করছে। শিশু জন্ম নেওয়ার পর থেকেই সে ঋণের অংশীদার হয়ে যাচ্ছে—যা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক বার্তা।
নতুন রাষ্ট্রপ্রধানের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী?
এই বিশাল ঋণ ও দুর্নীতির বোঝা নিয়ে দেশের ১১তম

রাষ্ট্রপ্রধানের সামনে কয়েকটি বড় চ্যালেঞ্জ দাঁড়িয়ে আছে—

১) ঋণ পরিশোধ ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা
বৈদেশিক ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধ করতে গিয়ে উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ কমতে পারে, যা জনগণের জীবনমানের ওপর চাপ ফেলবে।

২) দুর্নীতি দমন ছাড়া উন্নয়ন অসম্ভব

দুর্নীতি যদি বন্ধ না হয়, নতুন কোনো ঋণ বা উন্নয়ন প্রকল্পই ফলপ্রসূ হবে না। টাকা আসবে কিন্তু আবার লুট হয়ে যাবে।

৩) আন্তর্জাতিক আস্থা ফিরিয়ে আনা
সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং মানবাধিকার সূচকে উন্নতি না হলে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হবে।

৪) জনগণের প্রত্যাশা পূরণ

জনগণ এখন শুধু স্লোগান চায় না, চায় বাস্তব কাজ। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, চাকরি, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষার মান—এসবই হবে সফলতার মাপকাঠি।

তাহলে কি সফল হওয়া সম্ভব?
এই কঠিন বাস্তবতায় সফল হওয়া অসম্ভব নয়, তবে সহজও নয়।
সফল হতে হলে রাষ্ট্রপ্রধানকে অবশ্যই—
কঠোরভাবে দুর্নীতি দমন করতে হবে
প্রশাসনে সংস্কার আনতে হবে
বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে
রপ্তানি আয় বৃদ্ধি করতে হবে
অর্থনীতিকে আমদানি নির্ভরতা থেকে বের করতে হবে
গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে হবে।

উপসংহার
বাংলাদেশ আজ এমন এক পর্যায়ে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে অতীতের ভুল সিদ্ধান্ত, দুর্নীতি ও ঋণের বোঝা নতুন নেতৃত্বকে এক কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলেছে।
২৩ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক ঋণ, দুর্নীতিতে শীর্ষ অবস্থান, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় ১৪৯তম স্থান—এসবই প্রমাণ করে দেশকে নতুন করে গড়তে হলে শুধু সরকার পরিবর্তন নয়, প্রয়োজন রাষ্ট্রব্যবস্থার আমূল সংস্কার।

দেশের ১১তম রাষ্ট্রপ্রধান সফল হবেন কি না—তা নির্ভর করবে তার সাহসিকতা, স্বচ্ছতা এবং জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার উপর।

কারণ ইতিহাস বলে—
দেশ বড় হয় স্লোগানে নয়, দেশ বড় হয় ন্যায়ের শাসনে।আমি আশা করি ইনশাআল্লাহ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের জনগণের আশা পূরণ করতে সক্ষম হবেন, ইনশাআল্লাহ।

21/08/2026

ভারতকে দৌড়ের উপর রাখতে বাংলাদেশ, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা ও নেপাল মিলে ভারতের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠি গুলোকে সাহায্য করা উচিত । হোগায় আগুন লাগলে, তখন পাছা ঘসাতেই ব্যাস্ত থাকবে !! আংগুল দেওনের সময় কৈ ??

গোলামের  সামনে মালিকেরা পায়ের উপর পা তুলেই বসে এতে রাগ করার কিছু নাই। দিনেশ সাহেব আজ আপনাদের অর্থমন্ত্রী (পড়ুন গোলাম) খস...
21/08/2026

গোলামের সামনে মালিকেরা পায়ের উপর পা তুলেই বসে এতে রাগ করার কিছু নাই। দিনেশ সাহেব আজ আপনাদের অর্থমন্ত্রী (পড়ুন গোলাম) খসরুর সাথে দেখা করেছে বসার স্টাইল বলে দিচ্ছে অর্থনৈতিক দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় কে দিবে আর কে নিবে।

আমাদের আফসোস থেকে গেলো জুলাই পরবর্তী আমরা মেরুদণ্ড সোজা একটি মন্ত্রীও পেলাম না৷ সেই পুরানো গোলাম মনিব সম্পর্ক আফসোস লজ্জা। বড় দুঃখ লাগে পুরানো গোলাম দের আবার চেয়ারে বসলাম আমরা।

আপনারা কেউ কি চিন্তা করেছেন, ভারত কেনো তারেক রহমানকে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে নয়াদিল্লীতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল.? কিংবা ...
19/08/2026

আপনারা কেউ কি চিন্তা করেছেন, ভারত কেনো তারেক রহমানকে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে নয়াদিল্লীতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল.? কিংবা বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদী কেনো বারবার বলছেন: দুই পিপলস প্রাইম মিনিস্টার একসাথে বসলে সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে.? কি এমন সমস্যা যা সমাধান করার জন্য ভারত এত মরিয়া.?

এরজন্য প্রথমেই ছোট্ট করে জানা থাকা দরকার যে বিমসটেক কি.?

BIMSTEC বা (Bay of Bengal Initiative for Multi Sectoral Technical and Economic Cooperation) হলো বঙ্গোপসাগর কেন্দ্রিক একটি আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা, যার মূল লক্ষ্য সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক, প্রযুক্তিগত, যোগাযোগ ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। বিশেষভাবে বঙ্গোপসাগরকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলকে কেন্দ্র করে ব্লু ইকোনমি, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, মৎস্যসম্পদ ও সামুদ্রিক পরিবেশ নিয়ে সহযোগিতা বাড়ানো।

ভারতের মূল ভূখন্ড থেকে ১২০০ কিলোমিটার দূরে বঙ্গোপসাগরে প্রায় ৮০০ ছোট বড় দ্বীপ নিয়ে গঠিত আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ বর্তমানে ভারতের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। আর এই মাথা ব্যথার কারণ হলো আন্দামান নিকোবর থেকে মাত্র ৫৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মিয়ানমারের কোকো আইল্যান্ড।

কোকো আইল্যান্ডে রয়েছে চীনের সামরিক উপস্থিতি। যেমন: আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম, লং রেঞ্জ এয়ার সার্ভাইল্যান্স রাডার ইত্যাদি। যদিও চীন তা কখনই স্বীকার করেনা।

আন্দামান নিকোবরের মাত্র ৫৫ কিলোমিটারের মধ্যে চীনের সামরিক উপস্থিতির কারণে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন ভারত। এজন্য আন্দামান নিকোবরে ভারতও চীনকে মোকাবিকায় জোরকদমে কাউন্টারমেজর তৈরীর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তবে মিলিটারি কাউন্টারমেজরের পাশাপাশি ভারত ডিপ্লোম্যাটিক এন্ড পলিটিক্যাল কাউন্টারমেজরও দাড় করানোর চেষ্টা করছে। আর সেই পলিটিক্যাল কাউন্টারমেজরই হলো তারেক রহমানকে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে নয়াদিল্লীতে আমন্ত্রণ জানানো।

ধরুন, তারেক রহমান বঙ্গোপসাগরীয় নিরাপত্তা জোটের চেয়ারম্যান হিসেবে ভারত সফর করেছেন এবং সেই জোটেরই একজন সদস্য হিসেবে ভারত কনসার্ন ফিল করে বিমসটেকের চেয়ারম্যানের কাছে আবদার করে বসলো যে: আমি তো আন্দামান নিকোবরে চাপ অনুভব করছি, তুমি তো জোটের চেয়ারম্যান! তুমি আমাকে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিকভাবে সমর্থন দাও।

আপনার কি মনে হয় তারেক রহমান ডিনাই করতে পারতেন.? কোনোভাবেই না। যখনই তিনি নূন্যতম মৌন সমর্থনও জানাতেন ভারতের প্রতি, সাথে সাথেই সেটাকে মিডিয়ার মাধ্যমে ফলাও করে প্রচার করা হতো যে বঙ্গোপসাগরে চীনা আধিপত্যের বিরুদ্ধে ভারতের পাশে আছে বাংলাদেশ!

ঠিক এজন্যই, বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে নয় বরং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ পেতে চেয়েছেন তারেক রহমান।

ভারত মূলত তারেক রহমানকে দিল্লীতে ডেকে নিয়ে এই আলোচনাই করতে চায় এবং সেটা এখনও।

শুধু যে বঙ্গোপসাগর নিয়েই ভারতের চিন্তা তাই কিন্তু নয়, বরং ভারত মহাসাগরে চীনের উপস্থিতি নিয়েও উদ্বিগ্ন ভারত।

চীন ভারত মহাসাগরের সমুদ্রতল, হাইড্রোগ্রাফিক ও ওশানোগ্রাফিক তথ্য সংগ্রহের জন্য নিয়মিতভাবে প্রায় ৬৪টি রিসার্চ শিপের একটি বহর মোতায়েন করেছে। এছাড়াও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ ও সংকীর্ণ প্রণালীর কাছাকাছি ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইন থেকে চীনা গ্লাইডার এবং এএইউভি উদ্ধার করা হয়েছে।

চীন তার বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভের আন্ডারে String Of Pearls বা মুক্তার মালা হিসেবে পাকিস্তানের গোয়াদার, শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা, মিয়ানমারের কিয়াউফকিউ বন্দরকে ইতিমধ্যে কানেক্ট করে ফেলেছে। বাকি আছে বাংলাদেশ। আরো নির্দিষ্ট করে বললে চিটাগাং এবং মংলা পোর্ট।

ভারত কোনোভাবেই চাচ্ছে না, চীন ভারত মহাসাগর এবং বঙ্গোপসাগরে তার উপস্থিতি বাড়াক। কারণ ইতিমধ্যেই ভারত মহাসাগরের চারপাশ থেকে চীন ঘিরে ফেলেছে। এশিয়ার বাইরে একমাত্র আফ্রিকার একটি বন্দরেই আছে চীনের সামরিক ঘাটি।

এই মুহূর্তে বাংলাদেশের পোর্ট যদি চীনের হাতে চলে যায়, তাহলে সেটা ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্র— উভয়ের জন্যই হুমকি।

এই জন্যই আপনি দেখতে পাবেন, গতকাল ভারত যুক্তরাষ্ট্র থেকে জরুরি ভিত্তিতে দুটি এমকিউ-৯ সী ড্রাগন ড্রোন ১৯৪৩ কোটি রূপি বা ২০৩ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে লীজ নিয়েছে। ভালো করে খেয়াল করুন, ভারত কিন্তু ক্রয় করেনি, বরং লীজ নিয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্রও দিয়েছে।

এই সময়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এমন কি জরুরী প্রয়োজন পড়লো যে, ২০২৪ সালে সাড়ে তিন বিলিয়ন ডলারের ৩১টি এমকিউ-৯ ড্রোন ক্রয়ের চুক্তি থাকা সত্বেও এই মুহূর্তে লীজ নিতে হলো.?

এখানেই আসল খেলা

জরুরি প্রয়োজনটা হলো: ভারত মহাসাগর এবং বঙ্গোপসাগরে চীনা উপস্থিতির উপর নজরদারি বাড়ানো। ভারত দেখতে চায় যে, চীনের String of pearls এর সমুদ্র বন্দরগুলো কি আসলেই বাণিজ্যিক পারপাসে ব্যবহৃত হচ্ছে নাকি সেখানে মিলিটারি এক্টিভিটিও আছে.!

যদি মিলিটারি এক্টিভিটি থাকে তাহলে মেরিটাইম আইনের জালে ফেলে চীনকে আটকানো যাবে। আর এই মহান কাজের দায়িত্ব পেয়েছে ভারত এবং সেই দায়িত্ব তাকে বুঝিয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

আপনারা অনেকেই হয়ত মনে করতে পারেন, যুক্তরাষ্ট্র তো কিছুদিন আগেই এই অঞ্চলের ইন্দো প্যাসিফিক স্ট্রাটেজি/কমান্ড এর নাম পরিবর্তন করে এশিয়া প্যাসিফিক কমান্ড রেখেছিল। এর মাধ্যমে তো এই অঞ্চলে ভারতের গুরুত্বও কমেছিল। তাহলে এখন আবার কেনো ভারতকে দায়িত্ব দিচ্ছে.?

এখানেই রয়েছে আরেকটা খেলা। এই খেলার নাম হলো: Denial Strategy (ডিনায়াল স্ট্রাটেজি) বা অদৃশ্যমান নেতৃত্বের মাধ্যমে অস্বীকারের কৌশল।

আপনি যদি ২০২৫ সালে প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্ট্রাটেজি খেয়াল করেন তাহলে দেখতে পাবেন সেখানে ডিনায়াল স্ট্রাটেজির ব্যাপারে খুব স্পষ্ট করে বলা আছে এবং এ কথাও বলা হয়েছে যে, ইন্দো প্যাসিফিকের দেশগুলো ইউরোপের দেশিগুলির মত নিজেরাই চাইনিজ হেজিমনির বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ হয় তাহলে যুক্তরাষ্ট্র সেখানে সহযোগিতার হাত বাড়াবে।

অর্থাৎ, কলকাঠি উনিই নাড়বেন এবং আপনি সেটা অনুভবও করতে পারবেন, কিন্তু কিছু বলতে পারবেন না। আপনার মনে হবে, জনসিনা আপনার দিকে তাকিয়ে বলছে: ‘You can't see me'

যুক্তরাষ্ট্রের এই ডিনায়াল স্ট্রাটেজির জনক হলেন ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার এর আন্ডার সেক্রেটারি এলব্রিজ কোলবি। তিনি তার The Strategy of Denial: American Defense in an Age of Great Power Conflict বইয়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত লিখেছেন।

যাইহোক লেখা আর দীর্ঘ করবো না, শুধু এতটুকুই বলতে চাই যে- তারেক সাহেব যে কারণ দেখিয়ে ভারত যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন, এখন সেই সমস্যার সমাধান হওয়া সত্বেও তিনি যদি ভারত সফর করেন, তবুও তাকে সেই একই প্রশ্ন বা আলোচনার সম্মুখীন হতে হবে। এটাই মূল ইস্যু।

এখন উনাকে এবং উনার লোকজনকে ভারত মহাসাগর, দক্ষিণ চীন সাগর এবং বঙ্গোপসাগরের রাজনীতি নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে হবে।
(সংগৃহীত)

বিএনপিকে মানবিকতা শেখাতে আসবেন না। বিএনপি মানবিক বাংলাদেশ গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দীপু মনিদের আমলে আমাদের সাবেক এমপি মন্ত্...
19/08/2026

বিএনপিকে মানবিকতা শেখাতে আসবেন না। বিএনপি মানবিক বাংলাদেশ গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

দীপু মনিদের আমলে আমাদের সাবেক এমপি মন্ত্রিরা মা বাবার জানাজা পড়তে পারেনি। দীপু মনিদের আমলে অনেকে প্যারোলে মুক্তিও পাননি।

বিএনপির সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু প্যারোলে মুক্তি পেয়েও মায়ের মুখ দেখতে পারেনি। ২০১৮ সালে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লৎফুজ্জামান বাবার ভাইয়ের আম্মা মারা গেলেও প্যারোলে মুক্তি পাননি। নিজের মায়ের জানাজায় অংশ নিতে পারেনি।

আজিজুল বারী হেলাল ভাই কারাগারে থাকাকালীন ওনার বাবা মারা যান। কিন্তু প্যারোলে মুক্তি পাননি। বাবার জানাজাও পড়তে পারেননি। বিএনপি নেতা আলীজম প্যারোলে মুক্তি পেলেও না ছাড়ার কারনে বাবার জানাজা পড়তে পারেননি।

এরকম আরো বহু উদাহরণ বিএনপিতে আছে। সাধু সাবধান! বিএনপিকে মানবিকতা শেখাতে আসবেন না। বিএনপি মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

শেখ হাসিনাকে তুরুপের তাস বানানোর দিল্লির নতুন কৌশল! “শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে কি না, শেষ পর্যন্ত ভারতের আদ...
19/08/2026

শেখ হাসিনাকে তুরুপের তাস বানানোর দিল্লির নতুন কৌশল!

“শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে কি না, শেষ পর্যন্ত ভারতের আদালতই নির্ধারণ করবে।” ভারতের এই বক্তব্য নতুন করে বড় প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

সহজ অর্থ হলো, দিল্লি এখন বোঝাতে চাইছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যার্পণ কোনো রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক সিদ্ধান্তে রাতারাতি হবে না; এটি ভারতের আইন ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই এগুবে।

কিন্তু এখানেই আসল প্রশ্ন। ভারতের Extradition Act, 1962 এবং বাংলাদেশ–ভারত প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী আদালতের ভূমিকা অবশ্যই আছে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে ভারত সরকারের কোনো ভূমিকা নেই।

বরং প্রত্যর্পণের পুরো প্রক্রিয়াতেই ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার গুরুত্বপূর্ণ পক্ষ। বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ গ্রহণ, সেটি পরীক্ষা করা, আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া এবং শেষ পর্যন্ত প্রত্যর্পণ কার্যকর করার বিভিন্ন ধাপে সরকারের সরাসরি ভূমিকা রয়েছে।

তাই শুধু “আদালত সিদ্ধান্ত নেবে” বলে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক দায় থেকে দিল্লির সম্পূর্ণ সরে যাওয়ার সুযোগ নেই।

আর এখানেই আমার প্রশ্ন: দিল্লি কি আইনি প্রক্রিয়ার কথা বলে সময় কিনছে? শেখ হাসিনা এখন সাধারণ কোনো রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থী নন। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাঁর বিরুদ্ধে রায় হয়েছে এবং বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁকে ফেরত চাইছে।

অন্যদিকে ভারতও এক কঠিন রাজনৈতিক সমীকরণের সামনে। দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক মিত্র শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দিলে দক্ষিণ এশিয়ার অন্য মিত্রদের কাছে দিল্লির রাজনৈতিক বার্তা কী হবে?

আবার তাঁকে অনির্দিষ্টকাল ভারতে রেখে দিলে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের ওপর তার মূল্যও কম নয়।

এই দুই বাস্তবতার মাঝখানে “আইনি ও বিচারিক প্রক্রিয়া” দিল্লির জন্য একটি সুবিধাজনক ঢাল হয়ে উঠতে পারে।

কারণ আদালত ও আইনি প্রক্রিয়ার কথা সামনে থাকলে দিল্লি একদিকে বলতে পারবে, “আমরা প্রত্যর্পণ প্রত্যাখ্যান করিনি”; অন্যদিকে তাৎক্ষণিকভাবে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়ার রাজনৈতিক দায়ও নিতে হবে না।

এ কারণেই আমার কাছে বিষয়টি শুধু আইনি নয়, একই সঙ্গে গভীরভাবে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক। আর পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে দিল্লিতে অবস্থান করে শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক প্রকাশ্য রাজনৈতিক বক্তব্য। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে এসব বক্তব্য নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর এখন সম্পুর্ন অনিশ্চিত। ঢাকা বলছে, সফরের জন্য একটি অনুকূল রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পরিবেশ প্রয়োজন এবং শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রশ্নটি সেই পরিবেশ তৈরির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সুতরাং দিল্লির সামনে এখন সিদ্ধান্তের সময়। আইনি প্রক্রিয়া চলুক, কিন্তু সেই প্রক্রিয়া যেন অনির্দিষ্টকালের রাজনৈতিক সময়ক্ষেপণের হাতিয়ার না হয়।

কারণ শেখ হাসিনাকে ঘিরে দিল্লির প্রতিটি সিদ্ধান্ত এখন শুধু একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করছে না; এর সঙ্গে জড়িয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যৎও।

দিল্লি যদি বিষয়টিকে দীর্ঘদিন ঝুঁলিয়ে রাখে, তাহলে শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ক্ষতি হতে পারে দুই প্রতিবেশী দেশের পারস্পরিক আস্থা ও সম্পর্কের। হাসিনা কি এখন দিল্লির হাতে বাংলাদেশের সঙ্গে দরকষাকষির ‘তুরুপের তাস’? এই প্রশ্নটিই সম্ভবত এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

শুনতেছি আপা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন,বড় বড় নেতারা বিশাল প্লেনের বহর নিয়ে আগেই দেশে ঢুকবে।কিন্তু আওয়ামী লীগের কয়লা ও কারেন্ট...
19/08/2026

শুনতেছি আপা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন,বড় বড় নেতারা বিশাল প্লেনের বহর নিয়ে আগেই দেশে ঢুকবে।কিন্তু আওয়ামী লীগের কয়লা ও কারেন্ট মন্ত্রী ফ্রান্সে রাজনৈতিক আশ্রয় চায় কেন? উনি কি আপার কথা বিশ্বাস করে না? বিশ্বাস করলে রাজনৈতিক আশ্রয় চাইবে কেন?

মন্ত্রী, এমপি, এপিএস ডিপিএস সাহেবদের মত
বড় নেতাদের বিশ্বাস/ঈমান এতটা কম কেন?
ধোঁকাবাজির এই খেলা কতদিন চলেবে?
কর্মীদের অন্ধবিশ্বাস ও আবেগ নিয়ে খেলাধুলা কি বন্ধ হবে না!

19/08/2026

মাননীয় প্রধানমন্ত্রি Tarique Rahman PMO Bangladesh - প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অনুরোধ ভারতকে বিশ্বাস করবেন না।ওরা আজন্ম মিথ্যেবাদি

পলাতক পুলিশ কর্মকর্তা বনজ কুমার মজুমদার – যিনি একসময় পিবিআই প্রধান ছিলেন – তার সম্পর্কে নতুন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। তিনি আসল...
19/08/2026

পলাতক পুলিশ কর্মকর্তা বনজ কুমার মজুমদার – যিনি একসময় পিবিআই প্রধান ছিলেন – তার সম্পর্কে নতুন তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

তিনি আসলে ভারতীয় পাসপোর্টধারী নাগরিক ছিলেন এবং ভারতের ভোটার হিসেবেও নাম নিবন্ধিত ছিল।

অতিরিক্ত আইজিপি থেকে তাকে যখন পদোন্নতি দিয়ে পিবিআই প্রধান করা হয়, তখনই বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে তার নাগরিকত্ব নিয়ে লিখিত আপত্তি জানানো হয়েছিল।

কিন্তু তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কোনো প্রশ্ন না করেই সরাসরি পদোন্নতি অনুমোদন দেন এবং নির্দেশ দেন ডিস্টার্ব না করতে।”

মনে রাখতে হবে, সে সময় পুলিশের পদোন্নতি, বদলি ও উচ্চপদে নিয়োগ হতো সম্পূর্ণভাবে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি তত্ত্বাবধানে – নিয়ম-কানুনকে উপেক্ষা করেই।

আজ প্রশ্ন উঠছে
বাংলাদেশের পুলিশের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি সংস্থার প্রধান আসনে বসানো হলো একজন বিদেশি নাগরিককে?
কেন এই সত্য গোপন করা হয়েছিল?

🤔 আর কত অন্ধকার রহস্য লুকিয়ে আছে আমাদের প্রশাসনের ভেতরে?

এ ঘটনা প্রমাণ করে, দেশের স্বার্থ নয় – বরং রাজনৈতিক ইচ্ছাই হয়ে উঠেছিল নিয়োগ ও পদোন্নতির একমাত্র মানদণ্ড।

Address

নয়াপল্টন রোড
Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দালাল মুক্ত বিএনপি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to দালাল মুক্ত বিএনপি:

Shortcuts

Share