Jamaat Online Library

Jamaat Online Library This is the official page of Jamaat Online Library.
(1)

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে জন্ম নেয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতা, ভূখণ্ডীয় সার্বভৌমত্ব ও ইসলামী মূল্যবোধ রক্ষার প্রতিজ্ঞা নিয়ে কাজ শুরু করে। সূচনা লগ্ন থেকে জামায়াতে ইসলামী আল্লাহর সন্তোষ অর্জন এবং পরকালীন মুক্তি পাওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশকে একটি ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্যে আল্লাহ প্রদত্ত, রাসূল (সা) প্রদর্শিত বিধান মোতাবেক কাজ করে

যাচ্ছে।

জামায়াতে ইসলামী অভ্যান্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা নিশ্চিতকরণ ও বহিঃশক্তির হুমকি বা আক্রমন প্রতিহত করার লক্ষ্যে জাতীয় ঐক্য সুসংহত করণ ও ইসলামী মূল্যবোধ জাগ্রত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

আল্লাহর উপর অবিচল আস্থা ও বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে জামায়াতে ইসলামী গনতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠাকরণ, ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কায়েম, মানবাধিকার রক্ষা এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের মৌলিক চাহিদা তথা খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা এবং চিকিৎসা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একদল দায়িত্বশীল নাগরিক এবং সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব তৈরীর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

জামায়াতে ইসলামী বিশ্ব মুসলিম ভ্রাতৃত্ব শক্তিশালীকরণ এবং পারষ্পরিক শ্রদ্ধা ও ন্যায়নীতির ভিত্তিতে বিশ্বের সকল দেশের সাথে সুসম্পর্ক প্রতিষ্টা করতে আগ্রহী।

ইসলামের পূর্ণ প্রতিষ্ঠার জন্য জামায়াতে ইসলামী সকল নাগরিকদের মাঝে ইসলামের বাস্তব ছবি তুলে ধরা, তাদের চিন্তাধারা পবিত্র করা, তাদের হৃদয় ও মনে বাস্তব জীবনের সকল ক্ষেত্রে ইসলামের অনুসরণের গুরুত্ব সম্পর্কে চেতনা জাগ্রত করার চেষ্টা করছে। জামায়াতে ইসলামী ন্যায়বান ব্যক্তিদের সংগঠিত করার এবং তাদের দক্ষ ব্যক্তিত্বে উন্নীত করার কাজ করছে।

জামায়াতে ইসলামী শান্তিপূর্ণ এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সরকার ও প্রশাসনের মধ্যে একটা পরিবর্তন আনয়ন করার লক্ষ্যে জীবনের সব স্তরে প্রতিশ্র“তিরক্ষাশীল নেতৃত্ব গড়ার চেষ্টা করছে।

জামায়াতে ইসলামী এর অভ্যন্তরীণ সাংগঠনিক নির্বাচনে গণতন্ত্র চর্চা করে। এই প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব এর সদস্যদের ভোট দ্বারা নির্ধারিত হয়, যারা নেতৃবৃন্দের সততা, দক্ষতা এবং সাংগঠনিক বিচক্ষণতার দিকে দৃষ্টি রেখে তাদের ভোট দেন।

পরিচিতি
০১.ইসলামী জ্ঞান চর্চার এক নিখুঁত পরিকল্পনা

০২.উন্নত চরিত্র গঠনের এক মজবুত সংগঠন

০৩.জনসেবা ও সমাজ সংস্কারের এক বাস্তব কর্মসূচি

০৪.জনকল্যাণমুখী আদর্শ রাষ্ট্র ও সরকার গঠনের নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন

ইকামাতে দ্বীনের দায়িত্ব

আল্লাহ্‌ তা'আলা তাঁর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা.) কে মূলত যে কাজটি করার জন্য দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন তা কুরআনের তিনটি সূরায় স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেছেন :

"তিনিই সে মহান সত্তা (আল্লাহ) যিনি তাঁর রাসূলকে হিদায়াত ও আনুগত্যের একমাত্র সত্য বিধান (দ্বীনে হক) সহ পাঠিয়েছেন, যেন (রাসূল) তাকে (ঐ বিধানকে) আর সব বিধানের উপর বিজয়ী করেন।"

(সূরা আত্‌ তাওবা : ৩৩, সূরা আল ফাত্‌হ : ২৮, সূরা আস সাফ : ৯)

রাসূল (সা.) আল্লাহ্‌র দ্বীনকে কায়েম করেই এ দায়িত্ব পালন করেছেন। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র, আইন, শাসন, বিচার, ব্যবসা-বাণিজ্য ইত্যাদি সব ক্ষেত্রেই তিনি আল্লাহ্‌র বিধানকে চালু করে প্রমাণ করেছে যে, ইসলামই দুনিয়ার জীবনে শান্ত্মির একমাত্র উপায়। তাই দ্বীন ইসলাম কায়েমের দায়িত্ব পালন করা অত্যন্ত্ম গুরম্নত্বপূর্ণ কাজ। সাহাবায়ে কিরামও রাসূল (সা.)-এর সাথে এ দায়িত্বই পালন করেছেন। মুসলিম হিসেবে আমাদের সবারই এ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা কর্তব্য। এ দায়িত্ব অবহেলা করে আল্লাহ্‌র সন্ত্মুষ্টি হাসিল করা কিছুতেই সম্ভব নয়।

জামায়াতবদ্ধ জীবনের গুরুত্ব

ইসলাম কায়েমের এ মহান দায়িত্ব একা একা পালন করা নবীর পক্ষেও সম্ভব ছিল না। তাই যারাই নবীর প্রতি ঈমান এনেছেন তাদেরকেই সংঘবদ্ধ করে নবীগণ ইসলামী আন্দোলন করেছেন। যে সমাজে ইসলাম কায়েম নেই সেখানে ব্যক্তি জীবনেও পুরোপুরি মুসলিম হিসেবে জীবন যাপন করা কঠিন। আর আল্লাহ্‌র দ্বীনকে সমাজ জীবনে কায়েম করার কাজ তো জামায়াতবদ্ধভাবে ছাড়া কিছুতেই সম্ভব নয়।

নবী করীম (সা.) বলেছেন, মেষের পাল থেকে আলাদা একটি মেষকে যেমন নেকড়ে বাঘ সহজেই ধরে খায়, তেমনি জামায়াত থেকে বিচ্ছিন্ন একজন মুসলিম সহজেই শয়তানের খপ্‌পরে পড়ে যায়। তাই

জামায়াতবদ্ধ জীবনই ঈমানের অনিবার্য দাবী।

জামায়াতে ইসলামী কোন ধরনের দল

জামায়াতে ইসলামী প্রচলিত অর্থে শুধুমাত্র ধর্মীয়, রাজনৈতিক, সামাজিক বা সাংস্কৃতিক দল নয়। ইসলামে ধর্মীয় জীবনের গুরম্নত্ব আছে বলেই জামায়াত ধর্মীয় দলের দায়িত্ব পালন করে। রাজনৈতিক শক্তি ছাড়া ইসলামী আইন চালু হতে পারে না বলেই জামায়াত রাজনৈতিক ময়দানে কাজ করে। সমাজ সেবা ও সামাজিক সংশোধনের জোর তাকিদ ইসলাম দিয়েছে বলেই জামায়াত সমাজ সেবা ও সমাজ সংস্কারে মনোযোগ দেয়। এ অর্থেই জামায়াতে ইসলামী একটি পূর্ণাঙ্গ ইসলামী আন্দোলন।

জামায়াতের বুনিয়াদী আকিদা-বিশ্বাস

০১.আল্লাহ্‌ তা'আলাই মানব জাতির একমাত্র রব, বিধানদাতা ও হুকুমকর্তা।

০২. কুরআন ও সুন্নাহ্‌ই মানুষের জন্য পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান।

০৩.মহানবীই (সা.) মানব জীবনের সর্বক্ষেত্রে অনুসরণযোগ্য আদর্শ নেতা।

০৪. ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্দোলনই মুমিন জীবনের লক্ষ্য।

০৫. আল্লাহ্‌র সন্ত্মুষ্টি ও আখিরাতের মুক্তিই মুমিন জীবনের কাম্য।

জামায়াতে ইসলামীর সংগঠন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দীন ইসলাম কায়েম করতে চায় বলেই সংগঠনের মাধ্যমে যোগ্য লোক তৈরি করছে। ইসলামী সমাজ, রাষ্ট্র ও সরকার কায়েম করতে হলে এ বিরাট কাজের উপযোগী লোক যোগাড় করতেই হবে। এ লোক আসমান থেকে নাযিল হবে না, বা বিদেশ থেকেও আমদানী করা যাবে না। দাওয়াত ও সংগঠনের মাধ্যমে।

বিশ্বনবী (সা.) যেমন লোক যোগাড় করেছিলেন তেমনি জামায়াতে ইসলামী এ দেশের মানুষ থেকেই উপযুক্ত লোক তৈরি করছে।

জামায়াতের ৩ দফা দাওয়াত

কুরআন ও হাদীস থেকে জানা যায়, নবীগণ (আ.) মানুষকে এই বলে দাওয়াত দিয়েছিলেন :

"হে দেশবাসী, একমাত্র আল্লাহ্‌র দাসত্ব কর। তিনি ছাড়া তোমাদের আর কোন হুকুমকর্তা (ইলাহ্‌) নেই।"

(সূরা আল আ'রাফ)

শেষ নবীর এ দাওয়াত যারা কবুল করেছেন তারা সবাই এ ঘোষণা দিয়ে ইসলামে প্রবেশ করেছেন :

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ্‌

"আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ্‌ নেই, মুহাম্মাদ (সা.)

আল্লাহ্‌র রাসূল।"

জামায়াতে ইসলামী কালেমা তাইয়্যেবার এই ঘোষণাকে

তিন দফা দাওয়াত আকারে পেশ করছে :

১. দুনিয়ায় শান্ত্মি ও আখিরাতে মুক্তি পেতে হলে জীবনের সর্বক্ষেত্রে আল্লাহ্‌ তা'আলাকে একমাত্র ইলাহ্‌ (হুকুমকর্তা) ও মুহাম্মাদকে (সা.) একমাত্র আদর্শ নেতা মেনে নিন।

২. আপনি যদি সত্যি তা মেনে নিয়ে থাকেন তাহলে আপনার বাস্তব জীবন থেকে ইসলামের বিপরীত চিন্ত্মা, কাজ ও অভ্যাস দূর করম্নন এবং আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূল (সা.)-এর বিরম্নদ্ধে কারো আনুগত্য না করার সিন্ধান্ত্ম নিন।

৩. এ দুটো নীতি অনুযায়ী খাঁটি মুসলিম হিসেবে জীবন যাপন করতে চাইলে জামায়াতবদ্ধ হয়ে অসৎ লোকদেরকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দিন এবং সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল স্ত্মরে ঈমানদার, আল্লাহভীরম্ন, সৎ ও যোগ্য লোকদের হাতে নেতৃত্ব তুলে দিন।

জামায়াতের ৪ দফা কর্মসূচি

১. দাওয়াতের মাধ্যমে চিন্ত্মার পরিশুদ্ধি ও পুনর্গঠনের কাজ :

জামায়াত কুরআন ও সুন্নাহর সঠিক শিক্ষাকে বলিষ্ঠ যুক্তির সাহায্যে তুলে ধরে জনগণের চিন্ত্মার বিকাশ সাধন করছে। তাদের মধ্যে ইসলামকে অনুসরণ ও কায়েম করার উৎসাহ ও মনোভাব জাগ্রত করছে।

২. সংগঠন ও প্রশিক্ষণের কাজ :

ইসলাম কায়েমের সংগ্রামে আগ্রহী ব্যক্তিদেরকে সুসংগঠিত করে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠার যোগ্য করে গড়ে তুলছে।

৩. সমাজ সংস্কার ও সেবার কাজ :

ইসলামী মূল্যবোধের ভিন্ডিতে সমাজের সংশোধন, নৈতিক পুনর্গঠন ও সমাজসেবামূলক কাজের মাধ্যমে জামায়াত সমাজের উন্নয়ন ও কল্যাণ সাধন করছে।

৪. সরকার সংশোধনের কাজ :

জামায়াত শাসন ব্যবস্থার সকল স্ত্মরে অযোগ্য ও অসৎ নেতৃত্বের বদলে আল্লাহভীরম্ন, সত ও যোগ্য নেতৃত্ব কায়েমের জন্য গণতান্ত্রিক পন্থায় চেষ্টা চালাচ্ছে।

জামায়াতে ইসলামীর কর্মনীতি :

১.লোক তৈরির কর্মনীতি

ইসলামী সমাজের উপযোগী বলিষ্ঠ ঈমান ও চরিত্র সৃষ্টির জন্য ইসলামী আব্দোলনই একমাত্র উপায়। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় কায়েমী স্বার্থের বিরম্নদ্ধে আন্দোলনের মাধ্যমেই উপযুক্ত লোক তৈরি হয়। তাই জামায়াত এ পন্থায়ই লোক তৈরি করছে। ত্যাগী ও নিঃস্বার্থ কর্মী এভাবেই তৈরি হয়ে থাকে।

২. সরকার গঠনের কর্মনীতি

হুজুগ, সন্ত্রাস ও বিশৃঙ্খলার মাধ্যমে জাতিগঠনমূলক ও সমাজ পরিবর্তনের কাজ হতে পারে না। তাই জামায়াত নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক পথেই সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নিতে চায়। ইসলামী আদর্শ জোর করে জনগণের উপর চাপাবার বিষয় নয়। জনসমর্থন নিয়েই ইসলামের সত্যিকার বিজয় সম্ভব।

জামায়াতে ইসলামীর অবদান

১. বাংলা ভাষায় ইসলামী সাহিত্যের ব্যাপক প্রসার।

২. রাজনৈতিক অঙ্গনে শক্তিশালী ইসলামী ধারা সৃষ্টি ও জাতীয় রাজনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা পালনে গুরম্নত্বপূর্ণ অবদান।

৩. মাদরাসা ও সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত লোকদের যোগ্যতা বৃদ্ধি করে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ ও জনগণের খেদমত করার পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।

৩. একদল নিষ্ঠাবান, সত ও যোগ্য লোক তৈরী করেছে এবং সততা ও স্বচ্ছতার দৃষ্টান্ত্ম স্থাপন করে যাচ্ছে।

ইসলামের বিজয়ের জন্য শর্ত

আল্লাহ্‌ তা'আলা সরাসরি শক্তি প্রয়োগ করে ইসলাম কায়েম করেন না। আল্লাহ্‌র খিলাফতের দায়িত্ব পালনের জন্য যারা চেষ্টা করে আল্লাহ্‌ এ কাজে তাদেরকেই সাহায্য করেন। আল্লাহ্‌র যমীনে আল্লাহ্‌রদ্বীন কায়েম করার যোগ্য লোক তৈরি হলে তিনি তাদের হাতে ক্ষমতা তুলে দেন।

- সূরা আন্‌ নূর : ৫৫

আপনি কি ইসলামের বিজয় চান ?

আপনি নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌র দ্বীনকে বিজয়ী দেখতে চান। তাহলে আসুন জামায়াতে শামিল হোন। নিজেকে ঈমান, ইলম, আখলাক ও আমলে সজ্জিত করম্নন। এ উদ্দেশ্যে জামায়াতে ইসলামী যে কর্মনীতি গ্রহণ করেছে তা আপনাকে এ পথে এগিয়ে দেবে।

জামায়াতে শামিল হওয়ার জন্য

১. প্রথমে সহযোগী সদস্য ফরম পূরণ করম্নন।

২. ইসলামী জ্ঞান ও চরিত্র অর্জনের জন্য সাপ্তাহিক বৈঠকে নিয়মিত হাজির হোন।

৩. পবিত্র কুরআনের তাফসির, হাদীস ও ইসলামী সাহিত্য এবং পত্র -পত্রিকা ভাল করে পড়ুন।

৪. ইসলামের যতটুকু ইলম হাসিল হয় সে অনুযায়ী আমল করুন এবং বিবেকের বিরুদ্ধে কোন কাজ না করার মজবুত সিদ্ধান্ত নিন।

৫. যোগ্যতার সাথে দ্বীনী দায়িত্ব পালন করতে হলে জামায়াতের সদস্যপদ গ্রহণ করুন।

আসুন, আপনিও জামায়াতের পতাকাতলে সমবেত হয়ে নিজেকে গড়ে তুলুন সুন্দর ও যোগ্যতম ব্যক্তি হিসেবে। শরীক হোন ইহকাল ও পরকালের মুক্তিকামী মানুষের এই কাফেলায়।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে জানতে হলে পড়ুন

জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্র
জামায়াতে ইসলামীর সংগঠন পদ্ধতি
জামায়াতে ইসলামীর কার্যবিবরণী
জামায়াতে ইসলামীর মাসিক ইংরেজি বুলেটিন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী ইশতেহার ডাউনলোড করুন।
11/02/2026

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী ইশতেহার ডাউনলোড করুন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী ইশতেহার ডাউনলোড করুন।

15/10/2025

মানুষের তৎপরতা যত বৃদ্ধি পায়, যত অধিক গুরুত্ব অর্জন করে, সেখানে শয়তানের হস্তক্ষেপও ততই ব্যাপকতর হতে থাকে।

17/09/2025

আলহামদুলিল্লাহ্‌,

bjilibrary.com এ
১। কর্মী সিলেবাস
২। রুকন সিলেবাস (স্বল্প শিক্ষিত)
৩। রুকন সিলেবাস (শিক্ষিত)
এর সকল বই text আকারে পাওয়া যাচ্ছে।

পরিচিতিবাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
08/09/2025

পরিচিতি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি আদর্শভিত্তিক ইসলামী আন্দোলন, যা কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ, কল্যাণ.....

03/09/2025

📘 স্ট্যাটাস অব উইমেন ইন ইসলাম
✍️ ড. ইউসুফ আল কারযাভী
✍️ অনুবাদ : আলী আহমাদ মাবরুর

বইটিতে ইসলামে নারীর মর্যাদা, অধিকার ও দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লেখক প্রথমেই প্রাচীন সমাজে নারীর অবস্থা (আরব, হিন্দু, ইহুদি, খ্রিস্টান ইত্যাদি সমাজে) তুলনা করে দেখিয়েছেন যে ইসলাম আগমনের আগে নারী ছিল উপেক্ষিত, অবমূল্যায়িত ও শোষিত। ইসলাম এসে নারীদের মানবিক মর্যাদা দিয়েছে এবং তাদের অধিকার নিশ্চিত করেছে।

আলোচিত মূল বিষয়সমূহ:

- নারীর সামাজিক মর্যাদা
-- ইসলাম নারীদের স্বাধীন ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
-- কন্যাসন্তানকে বোঝা নয়, বরং রহমত হিসেবে গণ্য করেছে।

- নারীর শিক্ষা ও জ্ঞান অর্জনের অধিকার
-- ইসলামে পুরুষের মতো নারীকেও শিক্ষা অর্জনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
-- নারীরা প্রাথমিক ইসলামি যুগে জ্ঞানচর্চা ও হাদিস প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

- অর্থনৈতিক অধিকার
-- নারীরা সম্পত্তির মালিক হতে পারে, নিজের উপার্জন ভোগ করতে পারে।
-- মোহরানা, উত্তরাধিকার, দান-সদকা ইত্যাদির মাধ্যমে তাদের আর্থিক অধিকার সংরক্ষিত।

- বৈবাহিক অধিকার
-- নারীর ইচ্ছা ছাড়া বিয়ে বৈধ নয়।
-- তারা তালাকের আবেদন করার অধিকার রাখে (খুলা)।
-- স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দায়িত্ব ও কর্তব্য ন্যায্যভাবে ভাগ করা হয়েছে।

- নারীর রাজনৈতিক ও সামাজিক অংশগ্রহণ
-- প্রাথমিক যুগে নারীরা যুদ্ধ, চিকিৎসা, শিক্ষাদান, রাজনৈতিক পরামর্শসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অংশ নিয়েছেন।

- আধুনিক যুগের চ্যালেঞ্জ
-- পাশ্চাত্য সভ্যতা নারীকে ভোগ্যপণ্য বানিয়েছে।
-- ইসলাম নারীকে সম্মানজনক, মর্যাদাপূর্ণ ও সুরক্ষিত অবস্থান দিয়েছে।

সংক্ষেপে, বইটি প্রমাণ করে যে ইসলাম নারীকে সর্বোচ্চ মর্যাদা, স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা দিয়েছে, যা অন্য কোনো ধর্ম বা সমাজ এত পরিস্কারভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি।

বইটির লিংক কমেন্টে 👇

22/08/2025

📘 ইসলামী আন্দোলনের পথে আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার উপযুক্ত হওয়াই আমাদের কাজ
✍️ মকবুল আহমাদ

এই গ্রন্থে লেখক ইসলামী আন্দোলনের চ্যালেঞ্জ, ইতিহাস, সংগ্রাম ও সফলতার পথ তুলে ধরেছেন। মূল বক্তব্য হলো—আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার জন্য মুমিনদের ধৈর্য, ত্যাগ, ঈমানী দৃঢ়তা ও নৈতিক চরিত্রের অধিকারী হতে হবে।

প্রধান বিষয়বস্তু:

১। হক-বাতিলের চিরন্তন সংঘাত
- সকল যুগেই নবী-রাসূল ও তাঁদের অনুসারীদের ওপর নির্যাতন এসেছে।
- জুলুম-নিপীড়নের মধ্যেও তাঁরা দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজে অটল ছিলেন।

২। রাসূল (সা.)-এর জীবন থেকে শিক্ষা
- মক্কায় নির্যাতন, কারাবরণ, তায়েফের দাওয়াত, অপপ্রচার ও হত্যাচেষ্টা—সবই ইসলামী আন্দোলনের পথে সংগ্রামের দৃষ্টান্ত।
- সাহাবায়ে কেরাম অকল্পনীয় কষ্ট সহ্য করে দ্বীন প্রতিষ্ঠায় আত্মত্যাগ করেছেন।

৩। শাহাদাতের মর্যাদা
- সাহাবীদের রক্ত ও ত্যাগ ইসলামী আন্দোলনের ভিত্তি।
- কুরআন ও হাদীসে শহীদের মর্যাদা ও জান্নাতের প্রতিশ্রুতি বর্ণিত হয়েছে।

৪। ইতিহাসের আলোকবর্তিকা
- ইমাম আবু হানিফা, ইমাম মালেক, ইমাম আহমদ, ইবনে তাইমিয়া, সাইয়্যেদ কুতুব, সাইয়্যেদ মওদূদী প্রমুখ আলেমদের উপর নির্যাতন—সত্যপন্থীদের সংগ্রামের ধারাবাহিকতা।

৫। আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার শর্ত
- ধৈর্য (সবর) ও স্থিরতা।
- নৈতিক চরিত্র ও সত্যবাদিতা।
- তাকওয়া ও আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা (তাওয়াক্কুল)।
- নামাজ ও দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা।
- প্রতিহিংসা নয়, বরং ক্ষমা, সহনশীলতা ও দয়ার মাধ্যমে বিজয়ী হওয়া।

৬। সমসাময়িক প্রেক্ষাপট
- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কঠিন দমন-নিপীড়নের মুখে দাঁড়িয়ে ইসলামী আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।
- সরকার ও বিরোধী শক্তির ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও এ আন্দোলন অগ্রসরমান।
- যুদ্ধাপরাধ ইস্যুকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের নেপথ্য বিশ্লেষণ।

৭। চূড়ান্ত উপসংহার
- পৃথিবীতে হক ও বাতিলের সংঘর্ষ চলবেই।
- মুমিনদের জন্য পরীক্ষার আগুন অনিবার্য।
- ধৈর্য, তাকওয়া ও নৈতিক শক্তি অর্জন করলে আল্লাহর সাহায্য অবশ্যই নাযিল হবে।
- সত্যপন্থীদের বিজয় সুনিশ্চিত, ইনশাআল্লাহ।

👉 সারকথা, বইটি মুসলিম কর্মীদের জন্য একটি সংগ্রামী প্রেরণা ও ঈমানদারী দৃঢ়তার বার্তা—যাতে তারা যেকোনো পরিস্থিতিতে ইসলামী আন্দোলনের পথে অটল থাকতে পারে।

বইটির লিংক কমেন্টে 👇

20/08/2025

📘 ইসলামী আদাবে জিন্দেগী
✍️ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী

এই বইতে মানব জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামী আদব বা শিষ্টাচারের গুরুত্ব ও প্রয়োগ ব্যাখ্যা করা হয়েছে। লেখক দেখিয়েছেন যে ইসলাম কেবল একটি ধর্ম নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা; যেখানে ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনের সব দিকের জন্যই সুনির্দিষ্ট আদব ও আচরণবিধি নির্ধারিত আছে।

মূল বক্তব্যসমূহ:

১। মানুষের মর্যাদা ও দ্বায়িত্ব

- মানুষ আল্লাহর সৃষ্টির সেরা জীব; তার বিবেক, নৈতিকতা ও আল্লাহর হেদায়াত অনুসরণের মাধ্যমেই সে আশরাফুল মাখলুকাত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

- মুসলিম উম্মাহর দায়িত্ব হলো ন্যায়-ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা, সৎকাজের আদেশ দেয়া ও অসৎকাজ থেকে বিরত রাখা।

২। কুরআন ও সুন্নাহর প্রতি আদব

- কুরআন মানবতার পূর্ণ জীবন নির্দেশিকা। এর প্রতি সম্মান প্রদর্শন মানে এর শিক্ষা গ্রহণ ও জীবনে প্রয়োগ করা।

- রাসূল ﷺ এর সীরাত ও সুন্নাহ কুরআনের জীবন্ত ব্যাখ্যা, তাই মুসলিম জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সেগুলো অনুসরণ করা অপরিহার্য।

৩। পারিবারিক জীবনের আদব

- স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক অধিকার ও কর্তব্য আদায়।

- সন্তানদের আল্লাহভীরু করে গড়ে তোলা।

- পিতা-মাতার সেবা ও সম্মান, ভাই-বোনের মধ্যে পারস্পরিক স্নেহ ও শ্রদ্ধা।

৪। সামাজিক ও ব্যক্তিগত আদব

- সালাম ও মুসাফাহা (করমর্দন) ইসলামী ভ্রাতৃত্বের প্রকাশ।

- প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন, অসুস্থ ব্যক্তির সেবা, অতিথি আপ্যায়ন, জানাযায় অংশগ্রহণ—এসব মুসলিম সমাজকে একীভূত ও কল্যাণকর করে তোলে।

- মজলিস, সফর, খাবার-পোশাক, মসজিদে উপস্থিতি—প্রত্যেক ক্ষেত্রেই ইসলামী আদব মানা জরুরি।

৫। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও শালীনতা

- পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অংশ, পবিত্রতা ঈমানের অর্ধেক।

- দেহ, পোশাক, বাসস্থান ও সমাজ পরিচ্ছন্ন রাখা ইসলামের মৌলিক শিক্ষা।

- পোশাক হবে শালীন, লজ্জাস্থান আবৃতকারী এবং তাকওয়ার প্রতিফলনকারী।

৬। আদব মানার সুফল

- ইসলামী আদব ব্যক্তি ও সমাজকে পাশবিকতা থেকে মুক্ত করে মানবিকতা প্রতিষ্ঠা করে।

- এগুলো চর্চা করলে পরিবার শান্তির নীড়ে পরিণত হয়, সমাজে ভ্রাতৃত্ব ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়, এবং মুসলমানরা আল্লাহর নিকট জবাবদিহির জন্য প্রস্তুত হয়।

সারমর্ম:

“ইসলামী আদাবে জিন্দেগী” গ্রন্থটি মূলত মুসলমানদের জন্য এক নির্দেশনামূলক বই, যেখানে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে কীভাবে শিষ্টাচার মানতে হবে তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা রয়েছে। লেখক বোঝাতে চেয়েছেন, ইসলামী আদব কেবল আনুষ্ঠানিক ভদ্রতা নয়, বরং এটি হলো একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনধারা, যা মানুষকে আল্লাহভীরু, নৈতিক ও সভ্য সমাজ গঠনে সক্ষম করে।

বইটির লিংক কমেন্টে 👇

Address

48/1-A, Purana Paltan
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jamaat Online Library posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Jamaat Online Library:

Share

Category