S H I B I R

S H I B I R BANGLADESH ISLAMI CHHATRA SHIBIR [বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশি? It is an independent edification center. The Holy Quran declares:
“O Messenger!

Bangladesh Islami Chhatra Shibir is an illuminated name, established in the independent Bangladesh, free from biased sycophancy. Starting their vocation from the central jam-e-masjid of Dhaka University during February 6, 1977, this organization has compiled a glorious history after exceeding a successive 33 years. Bangladesh Islami Chhatra Shibir has established an imperishable honor in the hear

t of crore of young men and among the general people as a constructive, fast rising democratic institute, as an educational academy - sole and distinctive, and as a workshop to generate human beings. The history of Bangladesh Islami Chhatra Shibir, during the last 33 years, can be considered from different point of views. It can be evaluated under the socio-economical, political and cultural circumstances of a developing country as Bangladesh. Again, the evaluation can be made in accordance with the fact that ours is the fourth largest country in the world, inhabited by Muslims. The history of past three decades of its origination, surely deserves a sensible, unbiased and precise consideration. The Objective & Goal Of Banladesh Islami Chhatra Shibir is that :
“Attaining Allah’s Satisfaction by Te-structuring overall Life in accordance with the Guideline set up by Allah and presented by Rasul (S).”

Our aim & objective is made according to Quran & Sunnah. Proclaim the message which hath been sent to thee from thy lord. If thou didst not, thou wouldst not have fulfilled and proclaimed His mission.” [Surah Maida : 70]


Bangladesh Islami Chhatra Shibir have set a Vision as :
"Promise to groom up citizens honest, skilled and above all steeped in patriotic zeal for the sake of building a prosperous Bangladesh."

31/12/2012
চট্টগ্রাম কলেজে শিবিরের উদ্যেগে শীতবস্ত্র বিতরণঅসহায় শীতার্ত মানুষদের পাশে দাড়তে হবে- মুহাম্মদ ইসমাঈলবাংলাদেশ ইসলামী ছাত...
31/12/2012

চট্টগ্রাম কলেজে শিবিরের উদ্যেগে শীতবস্ত্র বিতরণ
অসহায় শীতার্ত মানুষদের পাশে দাড়তে হবে- মুহাম্মদ ইসমাঈল


বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরী উত্তরের সভাপতি মুহাম্মদ ইসমাঈল বলেছেন- অসহায় দরিদ্র মানুষের পাশে সাহায্যের হাত বাড়ানো সমাজের প্রত্যেক সামর্থবান মানুষের দায়িত্ব। বাংলাদেশের অসংখ্য বৃদ্ধ ও শিশু শীত বস্ত্রের অভাবে প্রতিনিয়ত ঠক ঠক করে কাঁপছে। লাখো মানুষ শীতের যন্ত্রনায় ছটপট করলেও অসহায় মানুষের কল্যানে সরকারের পক্ষ থেকে অতীতের ধারাবাহিকতায় এবারো কোন কর্মসূচী চোখে পড়ছেনা। ইসলামী ছাত্রশিবির প্রতিষ্ঠার পর থেকে সামর্থ্যের আলোকে সর্বাস্তরের মানুষের বিপদে পাশে দাড়িয়েছে ভবিষ্যতেও পাশে থাকবে ইনশাআল্লাহ। কিন্তু দুর্ভাগ্য সরকারের ফ্যাসিবাদী আচরণের কারনে আমরা স্বাধীনভাবে অসহায় মানুষদের পাশেও থাকতে পারছিনা। তিনি সরকারকে রাষ্ট্রিয় ত্রান তাহবিল থেকে শীতার্ত মানুষদের শীত নিবারণের জন্য উদ্যেগ নেয়ার জোর দাবী জানান।
চট্টগ্রাম কলেজ শিবিরের সভাপতি হাফেজ আবদুল আজিজ মুঃ শোয়াইবের সভাপতিত্বে শীত বস্ত্র বিতরণী উদ্বোধন পূর্বক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আজ ( ৩১-১২-১২) এসব কথা বলেন। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন মুজিবুর রহমান, আ.স.ম রায়হান, কামাল উদ্দীন, ইমরানুল হক প্রমূখ। পরে প্রায় ২০০ মাুষদের হাতে কম্বল উঠিয়ে দেন প্রধান অতিথি। উল্লেখ্য যে শীত বস্ত্র বিতরণ অব্যাহত থাকবে।

We must move forward with the new oath in the New Year to save Islam, democracy and national independence-Re-elected Cen...
31/12/2012

We must move forward with the new oath in the New Year to save Islam, democracy and national independence
-Re-elected Central President

On the final session of the central Executive Council in 2012;
the re-elected Central President Md. Delwar Hussen said, “The country’s independence and sovereignty are now-a-days at stake. Democracy is now deported due to the Awami BAKSAL-y regime. A devastating conspiracy is going on against Islam and Islamic Movement. In such circumstances, we must move forward with the new oath in the New Year to save Islam, democracy and national independence.”

He said, “RAB nabbed two IU Shibir leaders named Al-Muqaddas and Waliullah who fell prey to enforced disappearance. Government-backed oppression of Shibir men now knows no bound. Badiujjaman in Joipurhat and Mujahid in Dinajpur were shot dead by the cops and martyred.”

He further said, “The government is now plotting against Islam and Islamic Movement and launching a farcical trial by keeping top Jamaat leaders behind bars. The whole monotheist segment of the people grew angry at this government for its anti-Islam activities.”

Shibir President urged the members of the Executive Council to streamline tougher movement with the student segment to counter the oppressive government.

স্বাধীনতা,ইসলাম ও গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে নতুন বছরে নতুনশপথ নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে --নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় সভাপতি২০১২ সেশন...
31/12/2012

স্বাধীনতা,ইসলাম ও গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে নতুন বছরে নতুন
শপথ নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে --নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় সভাপতি

২০১২ সেশনের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সমাপনী অধিবেশনে শপথ গ্রহণ পরবর্তী বক্তব্যে কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. দেলাওয়ার হোসেন বলেন, দেশের স্বাধীনতা,সার্বভৌমত্ব আজ হুমকির সম্মূখীন। বাকশালী শাসনের ফলে গণতন্ত্র আজ নির্বাসনে। ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনের বিরুদ্ধে চলছে সর্বগ্রাসী ষড়যন্ত্র। এ অবস্থায় দেশের স্বাধীনতা,ইসলাম ও গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে নতুন বছরে নতুন শপথ নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।
আওয়ামী সরকার দেশের আইন-শৃঙ্খলা, মানবাধিকার রক্ষায় পুরোপুরি ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। ধারাবাহিক খুন, গুমের ফলে মানুষ আজ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এইসব খুন, গুমের বেশিরভাগের ক্ষেত্রেই অভিযোগের আঙ্গুল সরকারের দিকেই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে একদিকে বিশ্বজিত হত্যার ঘটনা ঘটছে অন্যদিকে বিকাশের মত শীর্ষ সন্ত্রাসীদের জেল থেকে ছেড়ে দেয়া হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চালিয়ে সরকার মানবাধিকার লংঘনের ন্যাক্কারজনক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেই চলছে।
তিনি বলেন, ছাত্রশিবিরের ইবির দুই নেতা আল মুকাদ্দাস ও ওয়ালিউল্লাহকে এ বছরের শুরুতে র‌্যাব গ্রেফতার করে গুম করে ফেলে। শিবিরের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে সীমাহীন নির্যাতন চালানো হচ্ছে। পুলিশ গুলি করে জয়পুরহাটে বদিউজ্জামান ও দিনাজপুরে মুজাহিদকে শহীদ করেছে। সরকার বিডিআরের মত পুলিশকেও বিতর্কিত ও মর্যাদাহীন করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে তাদেরকে দলীয় ক্যাডারের মত ব্যবহার করছে। পুলিশকে সরকারী পেটোয়া বাহিনীতে রূপান্তরিত করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন. দেশ এক কঠিন সংকটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে না আনতে সরকারের একগুয়েমি দেশকে কঠিন পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ছাত্রলীগের সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি শিক্ষাঙ্গনকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার মাধ্যমে দেশকে মেধাশুন্য করার ষড়যন্ত্র চলছে। ছাত্রসমাজকে বিপথগামী করতে পরিকল্পিতভাবে ধর্মবিমুখ করা হচ্ছে। সরকার বিদেশী সংস্কৃতি আমদানীতে পৃষ্ঠপোষকতা করে দেশজ সংস্কৃতিকে ধ্বংস করছে। সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের ফলে অনৈতিকতার সয়লাবে দেশ ভেসে যাচ্ছে। নানা দিক থেকেই দেশকে সংকটের দিকে ঠেলে দেয়া এই সরকারকে দেশের মানুষ আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না।
শিবির সভাপতি বলেন, ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনের বিরুদ্ধে সরকার ভয়াবহ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। জামায়াত নেতৃবৃন্দকে কারাগারে আটকে রেখে অবৈধ ট্রাইবুনাল গঠন করে যে প্রহসন চালানো হচ্ছে তা আজ বিশ্ব বিবেককে নাড়া দিয়েছে। চারদিক থেকেই এই প্রহসনের বিচার বন্ধ করার দাবি উঠলেও সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে গোঁয়ারের মত পথ চলছে। এই সরকারের ইসলাম বিরোধী কর্মকাণ্ডে ইসলামপ্রিয় তাওহীদি জনতাসহ মুসলিম বিশ্ব আজ ক্ষুব্ধ। সরকারের ইসলাম বিরোধী অবস্থানের ফলে ইতোমধ্যেই মুসলিম বিশ্বের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের ভয়াবহ অবনতি ঘটেছে। বিদেশে বাংলাদেশ আজ শ্রমবাজার হারিয়ে ফেলছে। দেশকে পতনের তলানীতে নিতে থাকা এই সরকারকে আর কোনভাবেই ক্ষমতায় থাকতে দেয়া যায় না।
শিবির সভাপতি জালিম সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজকে সাথে নিয়ে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে কার্যকরী পরিষদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান।
সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. সেলিম উদ্দিন বলেন,গোটা দেশের মুক্তিকামী জনতা আজ ছাত্রশিবিরের পানে তাকিয়ে আছে। ছাত্রশিবিরকেই এই ঘুনে ধরা সমাজ ভেঙে ন্যায় ও সাম্যের ভিত্তিতে নতুন এক সমাজ বিনির্মাণের দায়িত্ব নিতে হবে। বিজয় আমাদের হবেই। কোন শক্তি আমাদের অগ্রযাত্রা রুখতে পারবেনা। ইনশাআল্লাহ।

২০১২ সেশনের সমাপনী অধিবেশনে শিক্ষা ব্যাবস্থার ওপর একটি প্রস্তাবনা এবং দেশের বিরাজমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর একটি ‘রাজনৈ...
31/12/2012

২০১২ সেশনের সমাপনী অধিবেশনে শিক্ষা ব্যাবস্থার ওপর একটি প্রস্তাবনা এবং দেশের বিরাজমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর একটি ‘রাজনৈতিক প্রতিবেদন’ সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।



এবারের শিক্ষাব্যবস্থার ওপর ছাত্রশিবিরের প্রস্তাবনার মধ্যে রয়েছে--

১. ইসলামী মূল্যবোধের আলোকে শিক্ষানীতি প্রনয়নকল্পে ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী ব্যক্তিদের সম্মিলনে শিক্ষা কমিশন গঠন করতে হবে।

২. সর্বপর্যায়ে ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষা ও স্ব-জাতীয় মূল্যবোধের শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে।

৩. উচ্চ শিক্ষার সকল ডিসিপ্লিনে সংশ্লিষ্ট ইসলামী ধারণ তথা সকল ক্ষেত্রে Islamization of Knowledge ধারণাটি কার্যকর করতে হবে।

৪. সমগ্র দেশে সরকারী ব্যায়ে ১ম শ্রেণী থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত বিজ্ঞান সম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা এবং সমাজ উন্নয়নের স্বার্থে প্রতিটি নাগরিকের শিক্ষা সুনিশ্চিত করা।

৫. মাদ্রসা ছাত্রদের উচ্চশিক্ষা গ্রহনের ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরও কিছু প্রতিষ্ঠানের অন্যায় ও বৈষম্যমূলক নীতি বন্ধে সরকারি পদক্ষেপ নিতে হবে।

৬. ইসলামী শিক্ষার বাস্তব মডেল উপস্থাপনের জন্য একটি স্বতন্ত্র আরবী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

৭. শিক্ষা, শিক্ষা অবকাঠামো, গবেষনাগার প্রতিষ্ঠা, স্বতন্ত্র পরীক্ষার হল নির্মাণ, ছাত্র/ছাত্রীদের আবাসনের সুবিধা বৃদ্ধি ও পাঠ্যপুস্তক খাতে জাতীয় বাজেটে বরাদ্দ বাড়াতে হবে।

৮. সরকারী ও বেসরকারী উভয় প্রতিষ্ঠানে গরীব ও মেধাবী ছাত্রদের কম বেতন বা বিনা বেতনে পড়ালেখার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।

৯. এইচ এস সি ও অনার্স পর্যায়ের ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য সরকারী কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে আসন সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য একাডেমিক ভবন নির্মাণ সহ যথাযথ উদ্যোগ নিতে হবে।

১০. উচ্চশিক্ষায় মাতৃভাষা বাংলার ব্যবহার বাড়াতে প্রয়োজনীয় পাঠ্যপুস্তক ও সহায়ক বই রচনার উদ্যোগ সরকারীভাবে নিতে হবে।

১১. প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকার লক্ষ্যে ইংরেজি ও আরবী ভাষা শিক্ষার উপযোগী পাঠ্যসূচী প্রণয়নে কার্যকরী উদ্যোগ নিতে হবে।

১২. শিক্ষাক্ষেত্রে সকল বিবেচনায় মেধাকে প্রাধান্য দিতে হবে। সকল স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থায় উচ্চশিক্ষার দ্বার উম্মুক্ত রাখতে হবে। যোগ্যতাকেই একমাত্র মানদন্ড হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

১৩. চাকুরীতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সকল প্রকার কোটা পদ্ধতি বাতিল করতে হবে।

১৪. মেয়েদের জন্য পৃথক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে। কোটা পদ্ধতি বা অন্য কোন কারণে ন্যূনতম যোগ্যতার শর্ত শিথিল না করা।

১৫. অনৈতিক-অনাকাঙ্খিত ঘটনা ও ইভটিজিং প্রতিরোধে শালীন ও মার্জিত একটি সার্বজনীন ড্রেসকোড প্রবর্তন করতে হবে।

১৬. সর্বস্তরে ইসলাম, বিজ্ঞান ও প্রযু্িক্ত এবং বাস্তবমুখী শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে হবে এবং টেকনিক্যাল প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা, সীট ও বরাদ্ধ বৃদ্ধি করতে হবে।

১৭. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, দলীয়করণ ও ভর্তিবাণিজ্য বন্ধের কার্যকরী উদ্যোগ নিতে হবে এবং বিধিমত শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখা।

১৮. শিক্ষাঙ্গনে সুস্থ ধারার ছাত্ররাজনীতি প্রবর্তন, ছাত্ররাজনীতির নামে অছাত্রদের রাজনীতি,চাঁদাবাজি ও সাধারণ ছাত্রদের হয়রানী বন্ধে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহন করতে হবে।

১৯. যে শিক্ষানীতি সরকার বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে তা দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর ঈমান-আকিদা ও মূল্যবোধের আলোকে প্রণিত হয়নি। তাই অবিলম্বে তা বাতিল করে ইসলামী মূল্যবোধের আলোকে শিক্ষানীতি প্রণয়ন করতে হবে।

২০. প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় কলেজগুলোতে সমৃদ্ধ লাইব্রেরী গড়ে তুলতে হবে।

২১. মাদ্রাসার সকল পর্যায়ে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনতে হবে। বর্তমান মাদ্রাসা ট্রেনিং ইনস্টিটিউটকে মানসম্পন্ন করা ও মহিলা শিক্ষিকাদের আলাদা ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতিটি বিভাগে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

Source : BANGLADESH ISLAMI CHHATRASHIBIR
www.shibir.org.bd

31/12/2012

পুননির্বাচিত প্রেস ক্লাব সভাপতি, সাধারণ সম্পাদককে শিবিরের অভিনন্দন

জাতীয় প্রেস ক্লাব নির্বাচনে সভাপতি হিসেবে কামাল উদ্দিন সবুজ ও সেক্রেটারী হিসেবে সৈয়দ আবদাল আহমদ পুননির্বাচিত হওয়ায় তাদের অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
এক যৌথ অভিনন্দন বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো.দেলাওয়ার হোসেন ও সেক্রেটারী জেনারেল মো. আবদুল জব্বার বলেন, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হিসেবে কামাল উদ্দিন সবুজ ও সেক্রেটারী হিসেবে সৈয়দ আবদাল আহমদ পুননির্বাচিত হওয়ায় তাদেরকে আমাদের আন্তরিক অভিনন্দন। আমরা আশা করি তাদের যোগ্য নেতৃত্বে জাতীয় প্রেস ক্লাব গণমাধ্যমের বিকাশ ও উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। অতীতের ন্যায় তারা যথযাথ দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও অবাধ তথ্য প্রবাহ সুনিশ্চিত রাখতে কাজ করবেন।
নেতৃবৃন্দ পুননির্বাচিত সাংবাদিক নেতাদ্বয় যেন যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন সেজন্য মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন।

31/12/2012

রফিকুল ইসলাম খানের পিতার ইন্তেকালে শিবিরের শোক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী জেনারেল ও ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা রফিকুল ইসলাম খানের পিতা বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা খোরশেদ আলম খানের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
এক যৌথ শোক বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো.দেলাওয়ার হোসেন ও সেক্রেটারী জেনারেল মো. আবদুল জব্বার বলেন, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খানের পিতার ইন্তেকালে আমরা গভীর শোকাহত। তাঁর ইন্তেকালে আমরা এক অভিভাবককে হারালাম। আমরা তাঁর শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।
নেতৃবৃন্দ মরহুমের সারা জীবনের নেক আমল কবুল করে তাঁকে জান্নাত নসীব করতে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।

30/12/2012

ভোরের কাগজে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে প্রকাশিত
প্রতিবেদনের তীব্র ও নিন্দা প্রতিবাদ

দৈনিক ভোরের কাগজে প্রকাশিত ‘শাহজাদপুরে যমুনার নির্জন চরাঞ্চলে জামায়াত শিবিরের প্রশিক্ষন ক্যাম্প’ শীর্ষক প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
এক যৌথ প্রতিবাদ বার্তায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. দেলাওয়ার হোসেন ও সেক্রেটারী জেনারেল আবদুল জববার বলেন, ছাত্রশিবিরের প্রশিক্ষন ক্যাম্প বলতে কিছু নেই। ছাত্রশিবিরের সকল কার্যক্রম কর্মপদ্ধতির আলোকে নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় পরিচালিত হয়। আর প্রতিবেদনে কোন নাম, পরিচয় ও সঠিক তথ্য প্রমান ছাড়াই মনগড়া গল্প তুলে ধরা হয়েছে। সচেতন পাঠক মাত্রই বুঝতে পারবেন প্রতিবেদনটি অসদুদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। ছাত্রশিবিরের সুনাম ক্ষুন্ন করার হীন মানসে এ ধরণের আষাঢ়ে গল্প বানিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে। মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য সংযোজিত করে প্রতিবেদন প্রকাশ এই পত্রিকার পক্ষপাতদুষ্ট নীতিকেই জাতির সামনে আবারো পরিস্কার করেছে।
নেতৃবৃন্দ এ ধরণের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন প্রতিবেদন প্রকাশ থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক ও গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান।

Address

Dhaka

Website

http://28october.co.cc/, http://www.youtube.com/ShibirTube, http://www.youtube.com/Bloody28oc

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when S H I B I R posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share