জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র

জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র সংবিধিবদ্ধ সরকারি প্রতিষ্ঠান। অফিসিয়াল পেইজ
(1)

06/09/2026

মাসিক পাঠচক্র-৮

নজরুলের শতবর্ষী কবিতারা (অগ্নিবীনা, সাম্যবাদী, সর্বহারা)

অংশগ্রহণকারীর বক্তব্য

জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র এবং অআকখ এর যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত পাঠচক্র অনুষ্ঠানে।

#জাতীয়_গ্রন্থকেন্দ্র
#গল্প_আড্ডায়_বই #পাঠচক্র৮
#গ্রন্থকেন্দ্রঅআকখ_পাঠচক্র০৮ #বাংলাসাহিত্য

আবদুল মান্নান সৈয়দ ১৯৬০ সাল থেকে কবিতা লেখা শুরু করেন এবং পাঁচ দশক ধরে লেখা অব্যহত রাখেন। তাঁর প্রথম গ্রন্থ জন্মান্ধ কব...
05/09/2026

আবদুল মান্নান সৈয়দ ১৯৬০ সাল থেকে কবিতা লেখা শুরু করেন এবং পাঁচ দশক ধরে লেখা অব্যহত রাখেন। তাঁর প্রথম গ্রন্থ জন্মান্ধ কবিতাগুচ্ছ প্রকাশিত হয় ১৯৬৭ সালে। তাঁর কবিতায় কখনো মৃত্যুচেতনা, কখনো রোমান্টিকতা, কখনো সুররিয়ালিজম, প্রতীকধর্মী আবার কখনো এ্যাবসার্ডধর্মী ভাবনার প্রতিফলন লক্ষ করা যায়। একজন নিরীক্ষাধর্মী গবেষক হিসেবে আবদুল মান্নান সৈয়দ তাঁর লেখার বিষয় ও রচনা রীতিতে পুনঃপুন পরিবর্তন আনয়নে সচেষ্ট ছিলেন। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সাহিত্য সমালোচক ও সম্পাদক আবদুল মান্নান সৈয়দ জীবনানন্দ ও নজরুল সাহিত্যের অন্যতম গবেষক ছিলেন। তাছাড়া তিনি ফররুখ আহমদ, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, বিষ্ণু দে, সমর সেন, বেগম রোকেয়া, আবদুল গনি হাজারী, মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী, প্রবোধচন্দ্র সেন প্রমুখ কবি-সাহিত্যিক-সম্পাদককে নিয়ে গবেষণা করেছেন।

কবিতা, উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ-গবেষণা, কাব্যনাটক, স্মৃতিকথাসহ তাঁর গ্রন্থের সংখ্যা দেড় শতাধিক। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: কবিতা জন্মান্ধ কবিতাগুচ্ছ (১৯৬৭), নির্বাচিত কবিতা (১৯৭৫), কবিতা কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড (১৯৮২), পরাবাস্তব কবিতা (১৯৮২), পার্ক স্ট্রিটে এক রাত্রি (১৯৮৩), মাছ সিরিজ (১৯৮৪), নির্বাচিত কবিতা (২০০২); ছোটগল্প সত্যের মতো বদমাশ (১৯৬৮), চলো যাই পরোক্ষে (১৯৭৩), মৃত্যুর অধিক লাল ক্ষুধা (১৯৭৭); উপন্যাস পরিপ্রেক্ষিতের দাসদাসী (১৯৭৪),অ-তে অজগর (১৯৮২), গভীর গভীরতর অসুখ (১৯৮৩), ক্ষুধা প্রেম আগুন (১৯৪৪), শ্রাবস্তীর দিনরাত্রি (১৯৯৮); প্রবন্ধমূলক গবেষণা জীবনানন্দ দাশের কবিতা (১৯৭৪). নজরুর ইসলাম: কবি ও কবিতা, করতলে মহাদেশ (১৯৭৯), ছন্দ (১৯৮৫), রবীন্দ্রনাথ (২০০১), আবদুল গনি হাজারী (১৯৮৯), সৈয়দ মুর্তজা আলী (১৯৯০), প্রবোধচন্দ্র সেন ((১৯৯৪); নাটক/কাব্যনাটক চাকা (১৯৮৫),নাট্যগুচ্ছ (১৯৯১), কবি ও অন্যেরা (১৯৯৬); অনুবাদ কবিতা মাতাল মানচিত্র (১৯৭০); সম্পাদনা গ্রন্থ ফররুখ আহমদের শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৭৫), সমালোচনা সমগ্র: জীবনানন্দ দাশ (১৯৮৩), বাংলাদেশের কবিতা (যৌথ, ১৯৮৮), সমর সেনের নির্বাচিত কবিতা ((১৯৮৯), সুধীন্দ্রনাথ দত্তের সুনির্বাচিত কবিতা (১৯৯০), মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী রচনাবলী (প্রথম খন্ড-১৯৯০, ২য় খন্ড-১৯৯২), মাইকেল মধুসূদন দত্ত: শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৯২); শ্রেষ্ঠ প্রবন্ধ: বেগম রোকেয়া (২০০২)।

05/09/2026

অংশগ্রহণকারীর বক্তব্য-১৪
জাতীয়ভিত্তিক গ্রন্থপাঠ কার্যক্রমের পাঠ-উত্তর মৌখিক মুল্যায়ন
৮ জুন ২০২৬

#জাতীয়_গ্রন্থকেন্দ্র, #বই #সাহিত্য

‘আমি কবি যত কামারের আর কাঁসারির আর ছুতোরের, মুটে মজুরের,/ আমি কবি যত ইতরের!’প্রেমেন্দ্র মিত্র একজন কবি, কথাসাহিত্যিক, সা...
04/09/2026

‘আমি কবি যত কামারের আর কাঁসারির আর ছুতোরের, মুটে মজুরের,/ আমি কবি যত ইতরের!’

প্রেমেন্দ্র মিত্র একজন কবি, কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক, সম্পাদক। ১৯২৩ সালে প্রবাসীতে ‘শুধু কেরাণী’ ও ‘গোপন চারিণী’ নামে দুটি গল্প প্রকাশিত হয় এবং গল্প দুটি নিয়ে কল্লোল পত্রিকা গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করে। সাহিত্য-সাধনার প্রথমপর্বে তিনি ‘কৃত্তিবাস ভদ্র’ ছদ্মনামে লিখতেন। তিনি কল্লোল (১৯২৩) পত্রিকার একজন নিয়মিত লেখক ছিলেন। পরে মুরলীধর বসুর সহযোগিতায় কালিকলম (১৯২৬) পত্রিকা সম্পাদনা করেন।

কবিতা, উপন্যাস, গল্প ছাড়াও তিনি সৃজনশীল প্রবন্ধ, গান, চিত্রনাট্য, রম্যরচনা এবং গোয়েন্দা কাহিনি লিখেছেন। হাস্যকৌতুকের ধারায় তাঁর অমর সৃষ্টি ‘পরাশর বর্ম’। বাংলা শিশুসাহিত্যে তাঁর অতুলনীয় সৃষ্টি ‘ঘনাদা’। শিশুর মনোরাজ্যের রোমাঞ্চকর অনুভূতিগুলি তিনি ঘনাদা চরিত্রের মাধ্যমে অভিব্যক্ত করেন। ঘনাদা পড়ে প্রতিটি শিশু-কিশোর ঘনাদার ভিতর দিয়ে নিজেদের দেখতে উন্মুখ হয়ে ওঠে। প্রেমেন্দ্র মিত্রের এ ঘনাদা সৃষ্টি হয় প্রথম ‘মশা’ (১৯৩৭) গল্পের মাধ্যমে। কিশোর মনোরাজ্য অধিকারের জন্য ডিটেকটিভ ও রোমাঞ্চকর কাহিনি সৃজনে তিনি অসাধারণ শক্তির পরিচয় দেন। অপরদিকে তিনি বিজ্ঞানভিত্তিক কিশোর উপন্যাস কুহকের দেশে লিখে বাংলা ভাষায় এ ধারার সার্থকতা প্রতিষ্ঠা করেন।

প্রেমেন্দ্র মিত্র সাহিত্য সৃষ্টির ক্ষেত্রে যৌথভাবে রচনা করেন বিসর্পিল ও বনশ্রী নামে দুটি উপন্যাস। অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত ও বুদ্ধদেব বসু তাঁর এ সৃষ্টিকর্মের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। উপন্যাস দুটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৪ সালে।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্য: প্রথমা (১৯৩২), সম্রাট (১৯৪০), সাগর থেকে ফেরা (১৯৫৬), ফেরারী ফৌজ (১৯৫৮), হরিণ চিতা চিল (১৯৫৯), কখনো মেঘ (১৯৬১), অথবা কিন্নর (১৯৬৫), নদীর নিকটে (১৯৭২); গল্পগ্রন্থ : পঞ্চশর (১৯২৯), বেনামী বন্দর (১৯৩০), পুতুল ও প্রতিমা (১৯৩২), মৃত্তিকা (১৯৩২), অফুরন্ত (১৯৩৫), মহানগর (১৯৩৭), ধূলিধূসর (১৯৩৮), নিশীথ নগরী (১৯৩৮), কুড়িয়ে ছড়িয়ে (১৯৪৬), সামনে চড়াই (১৯৪৭), প্রেমেন্দ্র মিত্রের শ্রেষ্ঠগল্প (১৯৫২), সপ্তপদী (১৯৫৫), জল পায়রা (১৯৫৭), নানা রঙে বোনা (১৯৬০); উপন্যাস : পাঁক (১৯২৬), কুয়াশা (১৯৩০), মিছিল (১৯৩৩), উপনয়ন (১৯৩৩), আগামীকাল (১৯৩৪), প্রতিশোধ (১৯৪১), প্রতিধ্বনি ফেরে (১৯৬১), অন্য এক নাম (১৯৬২), পা বাড়ালেই রাস্তা (১৯৬২), পতাকা যারে দাও (১৯৬৩), স্তব্ধ প্রহর (১৯৬৩), মনুদ্বাদশ (১৯৬৪), অমলতাস (১৯৬৫), স্বপ্নতনু (১৯৬৫), দিগ্বলয় (১৯৬৭), যিনি বিধাতা (১৯৭০), সেই যে শহর রাজোলি (১৯৭২)।

ওয়াজেদ আলী ছিলেন একজন উদার ও প্রগতিশীল ব্যক্তিত্ব; প্রাবন্ধিক, গল্পলেখক ও ভ্রমণকাহিনী রচয়িতা। মননশীল চেতনা, ইতিহাস ও ন...
04/09/2026

ওয়াজেদ আলী ছিলেন একজন উদার ও প্রগতিশীল ব্যক্তিত্ব; প্রাবন্ধিক, গল্পলেখক ও ভ্রমণকাহিনী রচয়িতা। মননশীল চেতনা, ইতিহাস ও নীতিজ্ঞান এবং সত্য ও সুন্দরের মহিমায় তাঁর সাহিত্যকর্ম সমৃদ্ধ। লেখক হিসেবে গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, রম্যরচনা ও ভ্রমণকাহিনী রচনায় তিনি খ্যাতি অর্জন করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে: প্রবন্ধ জীবনের শিল্প (১৯৪১), প্রাচ্য ও প্রতীচ্য (১৯৪৩), ভবিষ্যতের বাঙালী (১৯৪৩), আকবরের রাষ্ট্র সাধনা (১৯৪৯), মুসলিম সংস্কৃতির আদর্শ; গল্প গুলদাস্তা (১৯২৭), মাশুকের দরবার (১৯৩০), বাদশাহী গল্প (১৯৪৪), গল্পের মজলিশ (১৯৪৪); উপন্যাস গ্রানাডার শেষ বীর (১৯৪০); ভ্রমণকাহিনী পশ্চিম ভারত (১৯৪৮), মোটর যোগে রাঁচী সফর (১৯৪৯) প্রভৃতি।

আবুল মনসুর আহমদের  তিনটি পরিচয় : সাহিত্যিক, সাংবাদিক এবং রাজনীতিবিদ এবং এই তিনের সমন্বয়ে তিনি একজন সৎ বুদ্ধিজীবী ও ভাব...
03/09/2026

আবুল মনসুর আহমদের তিনটি পরিচয় : সাহিত্যিক, সাংবাদিক এবং রাজনীতিবিদ এবং এই তিনের সমন্বয়ে তিনি একজন সৎ বুদ্ধিজীবী ও ভাবুক। তাঁর এই তিন সত্তার মধ্যে কোনো বিরোধ নেই – প্রত্যেকটি অন্য দুটির সঙ্গে সম্পর্কিত।

আবুল মনসুর আহমদ বেশ কয়েক ধারায় তাঁর গ্রন্থ রচনা করেছেন। যেমন- ব্যঙ্গাত্মক, আত্মজীবনী, রাজনৈতিক, উপন্যাস, প্রবন্ধ, সভ্যতা বিষয়ক, অনুবাদ, উপদেশমূলক ইত্যাদি বিষয়ক গ্রন্থ তিনি রচনা করেন। তবে তিনি সবচেয়ে বেশি খ্যাতি লাভ করেন ব্যঙ্গরচনাবলী। তাঁর ব্যঙ্গরচনাবলীর হলো-আয়না (১৯৩৬-১৯৩৭),ফুড কনফারেন্স (১৯৪৪),গালিভারের সফরনামা। এছাড়াও তাঁর সবয়েচে বিখ্যাত রাজনৈতিক আলোচনা বিষয়ক গ্রন্থ হচ্ছে-আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর (১৯৬৯)।আবুল মনসুর আহমদের আত্মকথা (১৯৭৮) গ্রন্থটি বেশ খ্যাতিলাভ করে, এটি তাঁর আত্মজীবনীগ্রন্থ।

আর বাংলা সাহিত্যের এ উজ্জ্বল নক্ষত্র বাংলা সাহিত্যে অমর ও উজ্জ্বল স্বাক্ষর ও বিশেষ অবদান রাখার জন্য, সাহিত্যের বিশেষ কয়েকটি পুরষ্কারে ভূষিত হন- বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬০), স্বাধীনতা দিবস পদক (১৯৭৯),নাসিরুদ্দীন স্বর্ণপদক।

02/09/2026

মাসিক পাঠচক্র-৯

নির্বাচিত গ্রন্থটি ছিলো-শওকত ওসমান এর `জননী’

জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র এবং অআকখ এর যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত নবম পাঠচক্র অনুষ্ঠানে নিয়ে অতিথি আলোচক আকিমুন রহমানের বক্তব্য

#জাতীয়_গ্রন্থকেন্দ্র
#গল্প_আড্ডায়_বই #পাঠচক্র৯
#গ্রন্থকেন্দ্রঅআকখ_পাঠচক্র০৯ #বাংলাসাহিত্য

01/09/2026

অংশগ্রহণকারীর বক্তব্য-১৬
জাতীয়ভিত্তিক গ্রন্থপাঠ কার্যক্রমের পাঠ-উত্তর মৌখিক মুল্যায়ন
৮ জুন ২০২৬

#জাতীয়_গ্রন্থকেন্দ্র, #বই #সাহিত্য

31/08/2026

অংশগ্রহণকারীর বক্তব্য-২৩
জাতীয়ভিত্তিক গ্রন্থপাঠ কার্যক্রমের পাঠ-উত্তর মৌখিক মুল্যায়ন
৮ জুন ২০২৬

#জাতীয়_গ্রন্থকেন্দ্র, #বই #সাহিত্য

Address

Grantha Bhaban, 5/C Shahid Abrar Fahad Avenue
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share