Muhammad Najmul Hasan

Call Directions Website Contact the organization

Muhammad Najmul Hasan সাংবাদিকতা, সাহিত্যচর্চা, সমাজকর্ম ছাড়াও মানবিক আইনজীবী হওয়ার পথে নিরন্তর ছুটে চলা...

'আমি আপনাদের সাথে আছি, আমার সন্তানের সাথে নাই'প্রথমত আব্দুল আজিজের সাহস আছে। দ্বিতীয়ত সে একটু বোকাও। এক. সাহস না থাকলে ক...
28/10/2026

'আমি আপনাদের সাথে আছি, আমার সন্তানের সাথে নাই'

প্রথমত আব্দুল আজিজের সাহস আছে। দ্বিতীয়ত সে একটু বোকাও।

এক. সাহস না থাকলে কেউ এই জানাজায় যায়? যে জানাজা হচ্ছে মেইবি তার ছেলের কারণে।

মেইবি এই কারণে বললাম, তার ছেলে ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যায় জড়িত কিনা, সেটা প্রমাণ সাপেক্ষ। তবে অলরেডি তার ছেলে এরেস্ট, রিমান্ডে। পাবলিক ক্ষ্যাপা।

কেমন ক্ষ্যাপা জানাজার আগে স্থানীয়দের চিৎকার বলে দিচ্ছে সব। এমপি কথাই বলতে পারতেছিলেন না। পাবলিক চাইলেই মব করতে পারতো। এই কারণেই বললাম, সাহস আছে!

দুই. সে বোকা কিনা জানি না! নইলে কে এই জানাজায় ২০ লাখ টাকা অফার করতে পারে?

হ্যাঁ, শাকিলের পরিবারকে ২০ লাখ টাকা দেওয়ার ঘোষণা দিছেন এমপি। আদতে, এই ঘোষণা অনেকটা স্বীকার করে নেওয়ার মতো যে আমার ছেলেই দোষী। এটা আপসের পয়সা!

যাই হউক,

এমপি বলতেছেন, 'আমি আপনাদের সাথে আছি, আমার সন্তানের সাথে নাই।'

কিন্তু পাবলিক বুঝে এইসব কথা! তাই ভুয়া ভুয়া কইরা উনারে বিশাল লজ্জা দিলো।

অবশ্য আরও বড় লজ্জা নিয়াই জুলাইয়ে রাজপথে থাকা শাকিল বিদায় নিছে দুনিয়া থিকা!

-শাকিলের কাভার ফটো ওই এমপি আব্দুল আজিজের সাথেই;

-শাকিলের পিন পোস্টটাও ওই এমপি আব্দুল আজিজের সাথেই;

এ তো লজ্জারই। কার রাজনীতি করলেন এতদিন!

❤️❤️❤️ ইসরায়েলে ভোট বেশি পেলেই প্রধানমন্ত্রী হওয়া যায় না - আসল খেলা শুরু হয় ভোটের পর!আজ ইসরায়েলে নির্বাচন হলো, কিন্...
28/10/2026

❤️❤️❤️ ইসরায়েলে ভোট বেশি পেলেই প্রধানমন্ত্রী হওয়া যায় না - আসল খেলা শুরু হয় ভোটের পর!

আজ ইসরায়েলে নির্বাচন হলো, কিন্তু আপনি যদি ভাবেন সবচেয়ে বেশি ভোট পেলেই কেউ প্রধানমন্ত্রী হয়ে যাবে, তাহলে আপনি ইসরায়েলের রাজনীতি বুঝেননি।

❤️❤️ইসরায়েলের সিস্টেমটাই আলাদা।

১২০ সিটের Knesset, কিন্তু কেউ একা ৬১ পায় না
ইসরায়েলের পার্লামেন্টের নাম Knesset, সিট মোট ১২০টা। সরকার বানাতে লাগে ৬১টা।

কিন্তু ইসরায়েলের ইতিহাসে কোনো দল একা কখনো সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। সবচেয়ে বড় দলও সাধারণত ৩০টার মতো সিট পায়। মানে দরকারের অর্ধেক।
তাই সবাইকে জোট বানাতে হয়।

❤️দলগুলো কিভাবে জোট বানায়?

নির্বাচনের পর দলগুলো দুই ব্লকে ভাগ হয়ে যায় - নেতানিয়াহুর ব্লক আর বিরোধী ব্লক।
তারপর প্রেসিডেন্ট দেখেন কে সরকার বানাতে পারবে বলে মনে হয়। তাকে তিনি সরকার গঠনের দায়িত্ব দেন। তাকে পার্লামেন্টে ৬১ জনের সমর্থন জোগাড় করতে হয়। না পারলে অন্য কেউ সুযোগ পায়।

❤️❤️নেতানিয়াহুর ব্লক - ৪ বছর ধরে অটুট:

নেতানিয়াহুর ব্লকে আছে লিকুদ, কট্টর ডানপন্থী বেন-গভির আর স্মোট্রিচের দল, আর দুইটি অতি-অর্থোডক্স দল। গত ৪ বছর ধরে এই ব্লক নেতানিয়াহুর প্রতি একদম অনুগত। তাদের একটাই কথা - নেতানিয়াহুই নেতা।

এটা নেতানিয়াহুর সবচেয়ে বড় শক্তি। তার লোক ভাঙে না।

❤️❤️আইজেনকটের ব্লক - জগাখিচুড়ি জোট:

অন্যদিকে আইজেনকটকে যারা প্রধানমন্ত্রী বানাতে চায়, তারা একদম মিশ্র। এর মধ্যে আছে ডানপন্থী, মধ্যপন্থী, বামপন্থী - সবাই।

আইজেনকট নিজে সাবেক সেনাপ্রধান, তার দল Yashar। সাথে আছে লাপিদ, বেনেটের দল, ডেমোক্র্যাটরা।
যদি পোল সঠিক হয়, তাহলে আইজেনকটকে সরকার বানাতে আরব দলগুলোর সমর্থন লাগবেই। আরব ছাড়া ৬১ হবে না।
এটাই সবচেয়ে বড় সমস্যা। কারণ বিরোধীরা নির্বাচনের আগে বলেছিল তারা আরবদের সাথে সরকার বানাবে না। এখন সেই কথা রাখতে গেলে সরকারই হবে না।

❤️❤️ইতিহাস কি বলে? বেনেটের ১৩ মাসের সরকার:

এর আগে যে লোকটা নেতানিয়াহুকে সরিয়েছিল, তার নাম নাফতালি বেনেট। ২০২১ সালে বেনেটও ঠিক এইভাবেই ডান-বাম-আরব মিলিয়ে একটা জগাখিচুড়ি সরকার বানিয়েছিল।
সেই সরকার টিকেছিল মাত্র ১৩ মাস। তারপর ভেঙে গেছে।
এখন আইজেনকটও যদি একই রকম সরকার বানায়, সেটাও কি টিকবে? এটা নিয়ে সবার সন্দেহ আছে।

কি হতে পারে এঁদের মাঝে...
26/10/2026

কি হতে পারে এঁদের মাঝে...

24/10/2026
23/10/2026

১.যে স্বামী সকালে ঘুম থেকে উঠে স্ত্রীকে কমপক্ষে পাঁচ মিনিট জড়িয়ে ধরে রাখে তাঁর কর্মক্ষেত্রে বিপদের আশঙ্কা কম থাকে।.. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

২.বউয়েরা ঘরের লক্ষী। এদেরকে যত বেশি ভালোবাসা দেয়া হয়, তত বেশি সংসার এ শান্তি আসে।..হুমায়ুন আহমেদ।

৩.স্ত্রীকে যথেষ্ঠ পরিমাণ সময় দিন, না হয় যথেষ্ঠ পরিমাণ বিশ্বাস করুন। সংসার আর যুদ্ধক্ষেত্র মনে হবে না।..সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়।

৪.সেই পুরুষই কাপুরুষ, যে স্ত্রীর কাছে প্রেমিক হতে পারেনি।..কাজী নজরুল ইসলাম।

৫.প্রতিদিন একবার স্ত্রীকে " আমি তোমাকে ভালোবাসি" বললে মাথার সব দুশ্চিন্তা দূর হয় যায়।..সত্যজিৎ রায়।

৬.মন ভালো রাখতে বউকে ফেসবুক, ফোনবুক, নোটবুক সহ সব ধরনের এ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড দিয়ে দিন।..মার্ক জুকারবার্গ।

৭. মেয়েদের মন এ ভালোবাসা এবং অভিমান দুটোই থাকে বেশি। তাই অভিমানটাকে ভালোবাসার চেয়ে বড় করে দেখা যাবেনা। তাই স্বামীদের উচিত স্ত্রীর সব অভিমান ভালোবেসে ভাঙানো।.. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

৮.একটা শিশুকে দুনিয়ার মুখ দেখাতে মা যে কষ্ট সহ্য করে তা বাবা সারা জীবন ভালোবেসেও শোধ করতে পারেনা। তাই প্রত্যেকটা স্বামীর উচিৎ তার সন্তানের মাকে কোন রকম কষ্ট না দেয়।......জীবনানন্দ দাশ।

১৯৮৯ সালে সৌদি আরবের তৎকালীন বাদশাহ ফাহাদের জ্যেষ্ঠ পুত্র প্রিন্স ফয়সাল বিন ফাহাদের রিয়াদের প্রাসাদে মালি ও পরিচ্ছন্নতাক...
20/10/2026

১৯৮৯ সালে সৌদি আরবের তৎকালীন বাদশাহ ফাহাদের জ্যেষ্ঠ পুত্র প্রিন্স ফয়সাল বিন ফাহাদের রিয়াদের প্রাসাদে মালি ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন ক্রিয়াংক্রাই তেকামং নামের এক থাই শ্রমিক। প্রাসাদের নিরাপত্তার দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে তিনি ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের ব্যাগের ভেতর লুকিয়ে প্রায় ৯০ কেজি ওজনের রাজকীয় গহনা ও রত্ন চুরি করেন, যার বাজারমূল্য ছিল তখনকার সময়ে প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে সবচেয়ে মূল্যবান ছিল ডিমের আকারের ৫০ ক্যারেটের একটি অত্যন্ত দুষ্প্রাপ্য ‘নীল হীরা’।
সৌদি সরকারের চাপে থাই পুলিশ তেকামংকে গ্রেপ্তার করে এবং চুরি যাওয়া রত্ন উদ্ধার করে। কিন্তু বিপত্তি ঘটে তখন, যখন থাইল্যান্ডের উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা উদ্ধারকৃত রত্নগুলোর একটি বড় অংশ নিজেরা আত্মসাৎ করেন এবং আসল গহনার বদলে নকল গহনা মিশিয়ে ১৯৯০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে সৌদি আরবে ফেরত পাঠান। সৌদি রাজপরিবার পরীক্ষা করে দেখে, ফেরত পাঠানো গহনার অর্ধেকই নকল এবং সবচেয়ে মূল্যবান সেই ‘ব্লু ডায়মন্ড’টি উধাও! এর কিছুদিন পরই থাই মিডিয়ার ছবিতে দেখা যায়, থাইল্যান্ডের শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তাদের স্ত্রীরা বিভিন্ন পার্টিতে সৌদি রাজপরিবারের সেই হারানো গহনা পরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এতে সৌদি রাজপরিবার চরম অপমানিত ও ক্ষুব্ধ হয়।
চুরি যাওয়া আসল রত্ন এবং থাই পুলিশের দুর্নীতির তদন্ত করতে সৌদি সরকার ব্যাংককে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করে। কিন্তু এর পরপরই ঘটে ইতিহাসের অন্যতম রহস্যজনক হত্যাকাণ্ড, ৪ জানুয়ারি ১৯৯০ সালে ব্যাংককে সৌদি দূতাবাসের একজন কূটনীতিককে গুলি করে হত্যা করা হয়। এরপর ১লা ফেব্রুয়ারি ১৯৯০ সালে ব্যাংককের রাজপথে প্রকাশ্য দিবালোকে আরও তিনজন সৌদি কূটনীতিককে গুলি করে হত্যা করা হয়।এই হত্যাকাণ্ডগুলোর পেছনে থাইল্যান্ডের দুর্নীতিবাজ পুলিশ সিন্ডিকেট ও মাফিয়াদের হাত ছিল বলে ধারণা করা হয়, যারা হীরা আত্মসাতের প্রমাণ লোপাট করতে চেয়েছিল।
এই চুরি ও হত্যাকাণ্ডের পর সৌদি আরব এবং থাইল্যান্ড উভয় দেশেই রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক পর্যায়ে একে অপরের বিরুদ্ধে তীব্র বর্ণবাদী ও জাতিগত বিদ্বেষ ছড়িয়ে পড়ে, যা কূটনৈতিক সমাধানের পথ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। সৌদি মিডিয়া এবং সামাজিক পরিমণ্ডলে পুরো থাই জাতিকে ‘অকৃতজ্ঞ’, ‘চোর’ এবং ‘বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে চিত্রিত করা শুরু হয়। সৌদি সরকার তাদের নাগরিকদের থাইল্যান্ড ভ্রমণে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। অন্যদিকে থাইল্যান্ডের স্থানীয় মিডিয়া এবং জনগণের একটি অংশ সৌদিদের ‘উদ্ধত’, ‘বর্বর’ এবং ‘টাকার গরমে অন্ধ’ জাতি হিসেবে পাল্টা প্রচারণা চালায়। থাই মিডিয়ায় সৌদি প্রাসাদের ভেতরে প্রবাসী শ্রমিকদের সাথে দাসত্বমূলক আচরণ ও নির্যাতনের মুখরোচক গল্প প্রচার করে চুরির ঘটনাটিকে একধরনের ‘প্রশংসনীয় প্রতিশোধ’ হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয়, যা সৌদি রাজপরিবারকে আরও ক্ষিপ্ত করে তোলে। এর ফলে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ৩২ বছর বন্ধ থাকে। এবং আড়াই লাখ থাই শ্রমিকের জায়গায় ভারত, পাকিস্তান থেকে শ্রমিকদের এনে পূরণ করা হয়।
আজ কয়েকদিন ধরে আমাদের নিউজফিড সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদন্ডের ঘটনায় বেশ উত্তপ্ত। এবং বাংলাদেশের মানুষের রাগটা যৌক্তিক। তবে আমাদের একটু ঠাণ্ডা মাথায় বেশ কিছু বিষয় ভাবতে হবে। ২০১২ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অপরাধ প্রবণতা ও ভুয়া কাগজপত্রের অজুহাতে বাংলাদেশিদের ভিসা বন্ধ করে দেওয়া হয়। তখন স্থানীয় মিডিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের বিরুদ্ধে ব্যাপক নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হয়েছিল, যার পেছনে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের লবিস্টদের বড় ভূমিকা ছিল বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন। এর ফলে আমিরাতের শ্রমবাজারের সিংহভাগ দখল করে নেয় ভারত ও পাকিস্তান। এ টাইপের ঘটনা কিন্তু নিয়মিতই ঘটে। এবং এক দেশ ইচ্ছা করে আরেক দেশের বাজার দখল করতে এসব করে।
আমাদের মাথায় রাখতে হবে, বর্তমানে সৌদি আরবে প্রায় ৩৫ লাখ বাংলাদেশি কর্মরত। সামনেই সৌদি যুবরাজের মেগা প্রজেক্ট ‘ভিশন ২০৩০’ এবং ২০৩৪ সালের ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ। এই মেগা প্রজেক্টগুলোর জন্য আগামী কয়েক বছরে সৌদি আরবে লাখ লাখ নির্মাণ ও সেবা খাতের শ্রমিকের প্রয়োজন হবে, যা শত বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্সের বাজার।এই বিশাল বাজারের সিংহভাগ নিজেদের দখলে নিতে মরিয়া ভারতসহ নানা দেশ। কিন্তু সাধারণ শ্রমের বাজারে বাংলাদেশি শ্রমিকরা তুলনামূলকভাবে কম বেতনে কাজ করতে পারে বলে সৌদি নিয়োগকর্তাদের কাছে তাদের চাহিদা বেশি। তাই প্রতিযোগিতায় জিততে হলে বাংলাদেশি শ্রমিকদের গায়ে ‘নিরাপত্তা ঝুঁকি’ বা ‘সৌদি-বিদ্বেষী’ তকমা লাগিয়ে দেওয়াটা প্রতিদ্বন্দ্বীদের জন্য সবচেয়ে সহজ কৌশল। এটাকে কন্সপিরেসি থিওরি বলতে পারেন। তবে একেবারে উড়িয়ে দেওয়াটা ঠিক হবে না। কারণ, খেয়াল করে দেখুন। আমেরিকার বাজারে শুল্কমুক্ত ওষুধ প্রবেশের ঘোষণার মাঝেই আমাদের দুটো ওষুধ ফ্যাক্টরিতে রহস্যজনক আগুন লাগলো। এসব কি কাকতালীয়?
আমাদের সবার উচিত সৌদি ইস্যুতে সাবধান হওয়া। সরকার এরই মাঝে সৌদি রাষ্ট্রদূতকে ডেকেছে। এবং সত্যি বলতে আমাদের আসলে এর চেয়ে খুব একটা বেশি কিছু করার নেই। ভিক্টিমরা ডেড। তবে যা আমরা করতে পারি, তা হলো সতর্কতা অবলম্বন করতে পারি। কারণ, দেশের আশেপাশে আছে সেই পুরোনো শকুন।
--- Mehedi Hasan

👍
17/10/2026

👍

এগুলোকে বলে মানবিক কাজ:: বাবাকে রুটি এবং চা খাইয়ে দেওয়া সেই তুবাকে নিয়ে উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজ...
02/10/2026

এগুলোকে বলে মানবিক কাজ::

বাবাকে রুটি এবং চা খাইয়ে দেওয়া সেই তুবাকে নিয়ে উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজা আজ তুবার স্কুলে তুবাকে হাতে ধরে নিয়ে যান। যাতে অন্যান্য সহপাঠীরা তুবাকে খারাপ চোখে না দেখে।

উল্লেখ্য, বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলায় একটি গ্রামে চুরির অভিযোগে তুবার বাবাকে খুঁটির সাথে হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছিল! সেই অবস্থায় তুবা গিয়ে তাঁর বাবাকে রুটি ও চা খাইয়ে দিয়েছিল। সেই আবেগঘন ভিডিও দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়া ভাইরাল হওয়ায়, নেটি জেনদের হৃদয় জিতেছিলেন তুবা! তারপর তার বাবা ছাড়া পেল, দেশ-বিদেশের বহু মানুষ তার পাশে এসে দাঁড়ালো। সর্বশেষ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজা মহোদয় আরো একধাপ এগিয়ে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন!
এই মানবিক স্যারের প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

02/10/2026

হযরত শাহজালাল বিয়ে করেন নাই। বাংলার সবচেয়ে ইনফ্লুয়েন্সিয়াল ব্যক্তিদের একজন। হযরত শাহপরান বিয়ে করেন নাই। দুইজনের মাজারের উপর কোনো ছাদ নাই। একেবারে খোলা। আকাশ দেখা যায়। জেয়ারত করতে করতে বৃষ্টিতে ভেজা যায়। এমন সুন্দর বৃষ্টি পৃথিবীর কোথাও দেখি নাই। তপ্ত রোদের মধ্যেও শাহজালালের মাজারের পাশে বসে থাকতে আমার একটুও ক্লান্তি লাগে না।

শাহ সুলতান রুমির বাগদত্তা ছিল। রুমি যখন চলে আসলেন বাংলায়, তাঁর বাগদত্তা তাঁকে খুঁজতে খুঁজতে চলে আসছেন বাংলায়। প্রেমের টানে চীনা নারী ঢাকায় টাইপ জিনিস না কিন্তু! সিদ্ধান্ত নিলেন, টিকিট কাটলেন আর ইমিগ্রেশন পার হয়ে গেলেন। ইটস নট লাইট দ্যাট! পারস্য থেকে একজন নারী অলমোস্ট ৬ হাজার কিলোমিটার— ইয়েস, ৬ হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়েছেন তাঁর বাগদত্তার জন্য।

সুফিদের জীবনে বিয়েটা রহস্যময় ব্যাপার। এজ ওয়েল এজ দেয়ার আদার্স এক্টিভিটিজ। খাজা গরীবে নেওয়াজ বিয়ে করেছিলেন শেষ বয়সে; যতটুকু জানা যায়, তিনি আদিষ্ট হয়েছিলেন।

আবার, সুফিদের সুফি হবার ক্ষেত্রেও বিয়ের গুরুত্ব আছে। সালেহ বাবা মা পাওয়া একটা গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। হযরত আবদুল কাদের জিলানীর মা-বাবার ঘটনা কম-বেশি সবারই জানা।

কিন্তু বায়েজিদ বোস্তামীর মা-বাবার ঘটনা অলমোস্ট কেউই জানেন না।

বোস্তামীর বাবা যখন তাঁর মাকে তুলে আনেন, ৪০ দিন তিনি স্পর্শ করেননি। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, তিনি বাড়িতে হালাল খেয়েছেন কি-না আমি নিশ্চিত ন‌ই। এজন্য ৪০ দিন অপেক্ষা করেছি। আমি এখন নিশ্চিত তাঁর শরীরে হারামের লেশমাত্র নেই। সন্দেহমুক্ত হয়েই আমি তাঁকে স্পর্শ করেছি।

তাঁদের সন্তান বায়েজিদ বোস্তামী হবে— এটাই স্বাভাবিক।

শায়খ আঁখি সিরাজ— যাঁকে স্বয়ং নিজামুদ্দীন আউলিয়া 'আয়নায়ে হিন্দ' উপাধিতে ভূষিত করেছেন— তিনি মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন খলিফা আলাওল হকের সঙ্গে। যোগ্যতম শিষ্য ও খলিফার মাধ্যমে নিজের বংশধারা জারি রাখতে চেয়েছেন। অথচ, হযরত নূর কুতুবুল আলমের পর এই বংশের প্রভাবশালী কোনো সুফির পরিচয় জানা যায় না।

সৈয়দ মুজতবা আলীরা ছিলেন পীর বংশ। তাঁর দাদাও পীর ছিলেন। তাঁদের বাড়িতে যাতায়াত ছিল ভক্তদের। কিন্তু ঔপনিবেশিক বাস্তবতায় তাঁর বাবা আর এই পথে হাঁটেননি।

মুজতবা আলী বিয়ে করেছেন পরিণত বয়সে। শেষ বয়সে বিয়ে নিয়ে তিনি বলেছেন: “জীবনে তিনটা ভুল করেছি। ১. বিয়ে করে। ২. দেরিতে বিয়ে করে। ৩. ব‌উয়ের সঙ্গে একসাথে না থেকে।”

সৈয়দ সাহেবের দৃষ্টিতে, একটা ভুল আমিও করে ফেললাম!

রাত যত গভীর হয়, তোমার প্রতি আমার টানটাও তত নিঃশব্দে বেড়ে যায়। তোমার কাছে থাকার ইচ্ছে তখন আর শুধু ইচ্ছে থাকে না, সারাদিনে...
30/09/2026

রাত যত গভীর হয়, তোমার প্রতি আমার টানটাও তত নিঃশব্দে বেড়ে যায়। তোমার কাছে থাকার ইচ্ছে তখন আর শুধু ইচ্ছে থাকে না, সারাদিনের ব্যস্ততার মাঝেও বারবার তোমার কথাই মনে পড়তে থাকে। তোমার সামান্য আদর, একটু কাছে থাকা, কিংবা শুধু তোমার উপস্থিতির অনুভূতিটুকুই তখন মনকে অদ্ভুতভাবে শান্ত করে। এই টানটা কোনো গল্পের মতো নয়, খুব সাধারণ কিছু মুহূর্তেই বুঝতে পারি কতটা আপন হয়ে গেছো তুমি। আর সবচেয়ে সত্যি কথাটা হলো, তোমাকে যতটা ভুলে থাকার চেষ্টা করি, মনটা ততবারই নিজের অজান্তে তোমার কাছেই ফিরে যায়।

লেখায়ঃ রুদ্র চৌধুরী

Address

Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Muhammad Najmul Hasan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Muhammad Najmul Hasan:

Shortcuts

Share

Category