Muhammad Najmul Hasan

Muhammad Najmul Hasan সাংবাদিকতা, সাহিত্যচর্চা, সমাজকর্ম ছাড়াও মানবিক আইনজীবী হওয়ার পথে নিরন্তর ছুটে চলা...

জীবন এমনিতেই অনেক সুন্দর, যখন আমরা তা সহজভাবে দেখি।
22/08/2026

জীবন এমনিতেই অনেক সুন্দর, যখন আমরা তা সহজভাবে দেখি।

আচ্ছা রেস্টুরেন্টে খাওয়ার পর ওয়েটার কে বকশিস দেওয়াটাকে কিভাবে দেখেন??পজিটিভ ভাবে নাকি নেগেটিভ ভাবে?তাদেরকে বকশিস দেওয...
21/08/2026

আচ্ছা রেস্টুরেন্টে খাওয়ার পর ওয়েটার কে বকশিস দেওয়াটাকে কিভাবে দেখেন??

পজিটিভ ভাবে নাকি নেগেটিভ ভাবে?

তাদেরকে বকশিস দেওয়ার রীজন টা কি?? আপনার মন্তব্য কমেন্টে জানাতে পারেন

উনি জাস্ট খাবার টা শেফ থেকে আপনার পর্যন্ত এনে দিচ্ছে তাই?? তাইলে যে শেফ চুলার গরমে দাঁড়িয়ে রান্না করে,তিনিই তো আরো বেশি কষ্ট করে। তাইলে উনিও তো বকশিশ ডিসার্ভ করে। ইনফ্যাক্ট ওয়েটারের থেকে উনি যোগ্য দাবিদার। দিছেন কখনো শেফ কে বকশিস?

উনাদের তো বেতন দেওয়া হয়।এই কাজ করার জন্যই তো উনাদের রাখা হয়েছে।

যদি কায়িক পরিশ্রমের কারণেই বকশিস দিতে হয়, তাইলে রিক্সাওয়ালা কে কেন বকশীস দেন না?

আপনার বাড়ির "পরিষ্কার ওয়ালা" কে কেনো বকশিস দেন না।

আপনার বাড়ির দারোয়ান কে কেনো বকশিস দেন না?

আপনার বাড়ির কাজের বুয়াকে কেন বকশিস দেন না?

আপনার মা কে/ বউকে কেনো কয়দিন বকশিস দিছেন রান্নার জন্য?

আসলে ভেবে দেখলে, "বকশিস" কালচারটা একটা অদ্ভুত সামাজিক দ্বিচারিতা ও লোকদেখানো মানসিকতা ছাড়া আর কিছুই নয়।

রেস্টুরেন্টের ঝকঝকে পরিবেশ আর ওয়েটারের টাই-শার্টের চাকচিক্য দেখে আমরা পকেট থেকে ৫০-১০০ টাকা অনায়াসে বের করে দিই, শুধু লোকলজ্জার ভয়ে বা নিজেকে 'স্মার্ট' প্রমাণ করতে।

কিন্তু রোদে পুড়ে ভিজে যে রিকশাওয়ালা আপনাকে গন্তব্যে পৌঁছে দিল, তার সাথে ৫ টাকা ভাড়ার জন্য আমরা হেসেল করি।

সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, এই "বকশিস" সংস্কৃতির কারণে রেস্টুরেন্ট মালিকরা তাদের কর্মচারীদের ন্যায্য বেতন দেওয়া থেকে পার পেয়ে যায়। তারা কম বেতন দিয়ে ওয়েটারদের আয়ের দায়িত্বটা গ্রাহকের পকেটের ওপর চাপিয়ে দেয়।

অথচ একজন শেফ, ওয়েটার কিংবা ক্লিনারের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করাটা মালিকের দায়িত্ব, গ্রাহকের দয়া নয়।

তাই দিনশেষে প্রশ্ন থেকেই যায়, বকশিস কি আসলেই ভালো সেবার জন্য সম্মান, নাকি এটি আমাদের সমাজের একধরনের অন্ধ অনুকরণের ফসল? আপনার মতামত কী? কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না।

মোঃ মেহেদী হাসান সাগর

21/08/2026

😊

একজন মানুষের সঙ্গে সারাজীবন কাটানোর স্বপ্ন দেখা খুব সহজ। কঠিন হলো, সেই মানুষটার ভেতরের ছোট্ট ছোট্ট পৃথিবীটাকে জানতে চাওয়...
21/08/2026

একজন মানুষের সঙ্গে সারাজীবন কাটানোর স্বপ্ন দেখা খুব সহজ। কঠিন হলো, সেই মানুষটার ভেতরের ছোট্ট ছোট্ট পৃথিবীটাকে জানতে চাওয়া।আমরা কখনো কখনো একজন মানুষকে নিয়ে গোটা জীবনের হিসাব কষে ফেলি। তার সঙ্গে কতদূর যাব, কোথায় থাকব, কেমন হবে আমাদের ভবিষ্যৎ এসব নিয়ে কত পরিকল্পনা করি। অথচ যে মানুষটাকে নিয়ে এত বড় একটা জীবন ভাবি, তার ছোট্ট ছোট্ট পছন্দ অপছন্দগুলোই হয়তো জানি না।

তার প্রিয় গান কোনটি, বৃষ্টি নামলে সে জানালার পাশে দাঁড়াতে ভালোবাসে, নাকি বারান্দায় বসে বৃষ্টির শব্দ শুনতে? মন খারাপ হলে সে কথা বলতে চায়, নাকি নিঃশব্দে একটু একা থাকতে চায়? কষ্ট পেলে তার চোখ আগে ভিজে ওঠে, নাকি সে আরও স্বাভাবিক হয়ে যাওয়ার অভিনয় করে?

এসব কি খুব ছোট বিষয়? হয়তো.....

কিন্তু একজন মানুষকে ভালোবাসা তো শুধু তার বড় বড় স্বপ্নগুলো জানার নাম নয় তার ছোট ছোট অভ্যাস, নীরবতা, অস্বস্তি, আনন্দ এসবের ভেতর দিয়ে তাকে চিনে নেওয়ার নামও ভালোবাসা।আপনি যার পাশে সারাজীবন থাকার কথা ভাবছেন, তার মন খারাপের ভাষাটুকু যদি না বোঝেন, তার নীরবতার অর্থ যদি না পড়তে পারেন, তাহলে তার পাশে থাকা আর তার কাছে পৌঁছে যাওয়ার মধ্যে একটা সূক্ষ্ম পার্থক্য থেকেই যায়।

আপনি তার সঙ্গে আছেন কিন্তু তার ভেতরের মানুষটার কাছে কতটা পৌঁছাতে পেরেছেন?
একজন মানুষকে জানতে হলে শুধু তার মুখের কথাগুলো শুনলেই হয় না। কখন সে চুপ করে যায়, কোন কথায় তার চোখের আলো বদলে যায়, কোন স্মৃতিতে সে হঠাৎ অন্যমনস্ক হয়ে পড়ে এসবও খেয়াল করতে হয়।

হয়তো সে বই পড়তে ভালোবাসে, হয়তো কোনো কবিতায় তার মন আটকে থাকে। হয়তো বৃষ্টি নামলে তার ভেতরটা অকারণে ভালো হয়ে যায়, আবার হয়তো রোদের দুপুরে বারান্দায় বসে থাকাই তার সবচেয়ে প্রিয় একাকিত্ব। হয়তো চুল এলোমেলো হয়ে গেলে সে বিরক্ত হয়, কিংবা মন খারাপের সময় অকারণে একই গান শুনতে থাকে।

এই ছোট ছোট বিষয়গুলোই তো একজন মানুষকে অন্য সবার থেকে আলাদা করে।
কিন্তু মানুষের এখন বড় তাড়া। সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলার সময় আছে, অথচ মানুষটার বর্তমানটা জানার সময় নেই। একসঙ্গে থাকার পরিকল্পনা আছে, অথচ একে অপরের চোখের দিকে কিছুক্ষণ চুপ করে তাকিয়ে থাকার অবকাশ নেই।

আমরা তার সঙ্গে থাকতে চাই, কিন্তু তাকে বুঝতে চাই না।
তার হাতটা ধরে রাখতে চাই, কিন্তু তার মনের ভেতরটা ধরতে চাই না।তার জীবনে নিজের জন্য একটা জায়গা চাই, অথচ তার ভেতরে আমাদের জন্য জায়গাটা কীভাবে তৈরি হচ্ছে সেটা জানতে চাই না।
অথচ ভালোবাসা হয়তো ঠিক এখানেই।

ভালোবাসা মানে শুধু কাউকে পাওয়া নয় তার ভেতরের ছোট্ট পৃথিবীটাকে ধীরে ধীরে চিনে নেওয়া। তার হাসির কারণ জানা, তার নীরবতার ভাষা বোঝা, তার ভয়গুলোকে তুচ্ছ না করা, তার আনন্দগুলোকে নিজের আনন্দের মতো করে দেখতে শেখা।

কারণ একজন মানুষকে সত্যি ভালোবাসলে তার বড় স্বপ্নের পাশাপাশি ছোট্ট অভ্যাসগুলোর প্রতিও মায়া জন্মায়।

তখন তার প্রিয় ফুলটাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তার প্রিয় বইয়ের নামটাও মনে থাকে। কোন বিকেলে সে একা থাকতে চায়, কোন রাতে কথা বলতে চায় সেটাও অজান্তেই বুঝে ফেলতে ইচ্ছে করে।

আর তখন পাশে থাকা শুধু পাশে থাকা থাকে না।একজন মানুষ আরেকজন মানুষের জীবনের ভেতর ধীরে ধীরে মিশে যেতে থাকে।

মানুষ চিরকাল সঙ্গ চেয়েছে। কিন্তু শুধু সঙ্গী পাওয়া আর কারও সঙ্গ হয়ে ওঠা এক কথা নয়।কারও পাশে বসে থাকা সহজ তার নীরবতার পাশে বসে থাকা কঠিন।কারও হাত ধরে রাখা সহজ তার ভেতরের ভয়গুলোকে না ভয় পেয়ে ধরে রাখা কঠিন।কারও সঙ্গে ভবিষ্যৎ কল্পনা করা সহজ প্রতিদিনের ছোট ছোট মুহূর্তে তাকে নতুন করে চিনে নেওয়া কঠিন।

তবু সত্যিকারের ভালোবাসা বোধহয় এই কঠিন কাজটাই করতে শেখায়।

কারণ ভালোবাসা শুধু একজন মানুষকে নিজের জীবনে রাখার নাম নয় ভালোবাসা হলো তার ছোট্ট ছোট্ট পৃথিবীটাকেও নিজের যত্নের ভেতর জায়গা করে দেওয়া।

লেখায়ঃ রুদ্র চৌধুরী

মা চাকরি করলে সন্তানের উপর কি কি নেতিবাচক প্রভাব পড়ে, এবং এর সমাধান কী?একজন মা যখন চাকরি করেন, তখন তিনি শুধু নিজের জন্য ...
18/08/2026

মা চাকরি করলে সন্তানের উপর কি কি নেতিবাচক প্রভাব পড়ে, এবং এর সমাধান কী?

একজন মা যখন চাকরি করেন, তখন তিনি শুধু নিজের জন্য কাজ করেন না—অনেক সময় পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা, সন্তানের ভবিষ্যৎ, স্বামীর পাশে দাঁড়ানো এবং নিজের আত্মসম্মানের জন্যও কাজ করেন। তাই “মা চাকরি করেন বলেই সন্তান অবহেলিত হবে”—এমন ধারণা একেবারেই ঠিক নয়।

তবে এটাও সত্যি, মায়ের কর্মজীবনের সঙ্গে যদি সন্তানের প্রয়োজনীয় সময়, ভালোবাসা, শাসন ও মানসিক উপস্থিতির ভারসাম্য না থাকে, তাহলে সন্তানের মধ্যে কিছু নেতিবাচক পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

সবচেয়ে বড় বিষয় হলো—সমস্যা চাকরিতে নয়, সমস্যাটা হতে পারে সময় ও মনোযোগের ঘাটতিতে।

একজন মা সারাদিন অফিসে থাকার কারণে সন্তান যদি দিনের পর দিন মায়ের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ না পায়, নিজের কথা বলার মানুষ না পায়, মায়ের কাছ থেকে স্নেহ ও নিরাপত্তার অনুভূতি না পায়, তাহলে ধীরে ধীরে তার মনে একটা শূন্যতা তৈরি হতে পারে।

সন্তান হয়তো মাকে খুব ভালোবাসে, কিন্তু মনে মনে ভাবতে শুরু করতে পারে—
“মায়ের কাছে আমার জন্য সময় নেই।”

এই অনুভূতি দীর্ঘদিন চলতে থাকলে সন্তান বাবা-মায়ের কাছ থেকে দূরে সরে গিয়ে অন্য কারও কাছে মানসিক আশ্রয় খুঁজতে পারে। কখনো বন্ধু, কখনো মোবাইল ফোন, কখনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, আবার কখনো এমন মানুষের কাছেও, যার প্রভাব তার জন্য ভালো নাও হতে পারে।

দ্বিতীয় সমস্যা হলো সন্তানের আচরণগত পরিবর্তন।

ছোট শিশু মায়ের মনোযোগ পাওয়ার জন্য জেদ করতে পারে, অকারণে কান্না করতে পারে, রাগ দেখাতে পারে কিংবা স্কুলে মনোযোগ হারাতে পারে। একটু বড় সন্তান আবার নিজের সমস্যাগুলো মায়ের সঙ্গে শেয়ার না করে নিজের মধ্যেই রেখে দিতে পারে।

আর কিশোর বয়সে এই দূরত্ব আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

কারণ এই বয়সে সন্তান শুধু খাবার, পোশাক কিংবা পড়াশোনার যত্ন চায় না—সে চায় একজন মানুষ, যার কাছে নিজের ভয়, কষ্ট, প্রেম, বন্ধুত্ব, ব্যর্থতা, অপমান কিংবা গোপন কথাগুলো নির্ভয়ে বলতে পারে।

তৃতীয় সমস্যা হতে পারে সন্তানের অতিরিক্ত মোবাইল নির্ভরতা।

মা-বাবা দুজনই ব্যস্ত থাকলে অনেক পরিবারে শিশুকে ব্যস্ত রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হয়ে যায় মোবাইল ফোন। প্রথমে হয়তো কার্টুন দেখানোর জন্য ফোন দেওয়া হয়, পরে গেম, তারপর ইউটিউব, ফেসবুক, টিকটক কিংবা অন্যান্য অনলাইন কনটেন্ট।

একসময় দেখা যায়, সন্তান মায়ের সঙ্গে কথা বলার চেয়ে মোবাইলের সঙ্গে বেশি সময় কাটাচ্ছে।

তবে এখানে আবারও মনে রাখতে হবে—মা চাকরি করেন বলেই সন্তান মোবাইল আসক্ত হবে, এমন নয়। বাবা-মায়ের সময় ব্যবস্থাপনা, পারিবারিক পরিবেশ এবং সন্তানের প্রতি নজরদারিও এখানে বড় ভূমিকা রাখে।

চতুর্থ সমস্যা হতে পারে সন্তানের পড়াশোনায় নজরদারির ঘাটতি।

চাকরির ব্যস্ততায় অনেক মা সন্তানের পড়াশোনা, স্কুলের খবর, বন্ধুদের সঙ্গে সম্পর্ক, পরীক্ষার প্রস্তুতি কিংবা শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়গুলো নিয়মিত খেয়াল রাখতে পারেন না।

ফলে সন্তান পড়াশোনায় পিছিয়ে গেলেও অনেক সময় সেটা পরিবারের নজরে আসে দেরিতে।

আর সন্তান যখন বুঝতে পারে—
“আমার পড়াশোনা কেউ দেখছে না”—
তখন তার দায়িত্ববোধও ধীরে ধীরে কমে যেতে পারে।

পঞ্চম সমস্যা হলো মানসিক দূরত্ব।

মা সারাদিন বাইরে থাকলেন, অফিসের চাপ সামলালেন, বাসায় ফিরে ক্লান্ত হয়ে গেলেন। সন্তান সারাদিন মায়ের অপেক্ষায় ছিল। কিন্তু মা বাসায় ফিরে যদি শুধু বলেন,
“পড়তে বসেছো?”
“খেয়েছো?”
“হোমওয়ার্ক করেছো?”
তারপর আবার নিজের কাজে ব্যস্ত হয়ে যান—তাহলে সন্তান মাকে ধীরে ধীরে একজন “নিয়ম-কানুনের মানুষ” হিসেবে দেখতে শুরু করতে পারে।

অথচ সন্তানের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হতে পারে মাত্র দশ মিনিটের একটি প্রশ্ন—

“আজ তোমার দিনটা কেমন গেল?”

এই প্রশ্নটাই কখনো কখনো শিশুর মনে মায়ের জন্য আজীবন নিরাপত্তা তৈরি করে।

তাহলে কি মায়েদের চাকরি ছেড়ে দেওয়া উচিত?

না।

বরং প্রয়োজন হলো চাকরি ও মাতৃত্বের মধ্যে সুন্দর ভারসাম্য তৈরি করা।

মা চাকরি করবেন, নিজের স্বপ্ন পূরণ করবেন, পরিবারের পাশে দাঁড়াবেন—এটা সন্তানের জন্যও গর্বের বিষয় হতে পারে। কিন্তু সেই সঙ্গে সন্তান যেন কখনো মনে না করে, “আমার মায়ের জীবনে আমি সবচেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ।”

এর জন্য কিছু বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ।

প্রথমত—প্রতিদিন সন্তানের জন্য নির্দিষ্ট সময় রাখুন।

সময়টা অনেক বড় হতে হবে না। প্রতিদিন ২০-৩০ মিনিটও যদি হয়, সেই সময়টুকু শুধু সন্তানের জন্য রাখুন। ফোন দূরে রাখুন, টেলিভিশন বন্ধ রাখুন এবং তার সঙ্গে কথা বলুন।

দ্বিতীয়ত—সন্তানের কথা শুনুন, শুধু উপদেশ দেবেন না।

সে কোনো ভুল করলে সঙ্গে সঙ্গে বকাঝকা না করে আগে জিজ্ঞেস করুন—
“কেন এমন করেছো?”

কারণ অনেক সময় শিশুর ভুল আচরণের পেছনে থাকে কোনো অভিমান, ভয়, একাকিত্ব কিংবা মনোযোগ পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা।

তৃতীয়ত—সপ্তাহে অন্তত একটি দিন সন্তানের সঙ্গে বিশেষ সময় কাটান।

একসঙ্গে হাঁটতে বের হওয়া, পার্কে যাওয়া, গল্প করা, রান্নায় সাহায্য করা, একসঙ্গে সিনেমা দেখা কিংবা শুধু ছাদে বসে গল্প করাও হতে পারে সেই সময়ের অংশ।

শিশুর মনে দামি খেলনা যতটা স্মৃতি তৈরি করে, তার চেয়ে অনেক বেশি স্মৃতি তৈরি করে—মায়ের সঙ্গে কাটানো সময়।

চতুর্থত—শিশুকে শুধু গৃহকর্মী বা আত্মীয়ের কাছে রেখে দায়িত্ব শেষ মনে করবেন না।

যদি অন্য কেউ সন্তানের দেখাশোনা করেন, তাহলে মা নিয়মিত তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন এবং সন্তানের দৈনন্দিন জীবন সম্পর্কে জানবেন।

পঞ্চমত—বাবার ভূমিকা বাড়াতে হবে।

সন্তান শুধু মায়ের দায়িত্ব নয়। বাবা-মা দুজনেরই দায়িত্ব সন্তানকে সময় দেওয়া, তার পড়াশোনা দেখা, তার সঙ্গে কথা বলা এবং তার মানসিক বিকাশের দিকে নজর রাখা।

একজন মা চাকরি করবেন, আর বাবা বলবেন “বাচ্চা সামলানো তোমার দায়িত্ব”—এটা কোনো ভারসাম্যপূর্ণ পরিবার নয়।

ষষ্ঠত—সন্তানের সামনে মায়ের চাকরিকে কখনো বোঝা হিসেবে তুলে ধরবেন না।

বরং তাকে বোঝান—

“তোমার মা কাজ করেন, কারণ তিনি তোমাকে ভালো ভবিষ্যৎ দিতে চান। আর কাজের পাশাপাশি তোমার জন্যও তার সময় আছে।”

এতে সন্তান মায়ের চাকরিকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নয়, মায়ের সংগ্রামের অংশ হিসেবে দেখতে শিখবে।

সবশেষে একটা কথা মনে রাখা দরকার—

একজন মা সারাদিন সন্তানের পাশে থেকেও সন্তানের প্রতি অবহেলাশীল হতে পারেন। আবার একজন কর্মজীবী মা অল্প সময়ের মধ্যেও সন্তানের জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় হতে পারেন।

তাই সন্তানের জন্য শুধু মায়ের উপস্থিতি নয়, মায়ের মানসিক উপস্থিতিটাও জরুরি।

মা চাকরি করবেন কি করবেন না—এটা মূল প্রশ্ন নয়।

মূল প্রশ্ন হলো—

মা যতক্ষণ সন্তানের সঙ্গে থাকেন, সেই সময়টুকুতে সন্তান কি মায়ের ভালোবাসা, নিরাপত্তা, মনোযোগ এবং গুরুত্ব অনুভব করতে পারে?

কারণ সন্তানের কাছে মায়ের দেওয়া সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস টাকা নয়, দামি খেলনা নয়, বড় বাড়ি নয়—

মায়ের সময়, মায়ের কথা শোনা, মায়ের স্পর্শ এবং এই নিশ্চয়তা—
“যাই হোক না কেন, আমার মা আমার পাশে আছে।”

এই অনুভূতিটুকু যদি একটি সন্তান পায়, তাহলে কর্মজীবী মায়ের সন্তান হওয়া তার জন্য দুর্বলতা নয়; বরং মায়ের সংগ্রাম দেখে বড় হয়ে ওঠা তার জীবনের অন্যতম শক্তি হয়ে উঠতে পারে।

শিশুরা আমাদের মুখের উপদেশের চেয়ে আমাদের চরিত্র ও আচরণ দেখে বেশি শেখে! 👣✨ আপনার প্রতিটি পদক্ষেপই ওদের কাছে জীবনের প্রথম প...
18/08/2026

শিশুরা আমাদের মুখের উপদেশের চেয়ে আমাদের চরিত্র ও আচরণ দেখে বেশি শেখে! 👣✨ আপনার প্রতিটি পদক্ষেপই ওদের কাছে জীবনের প্রথম পাঠশালা। সন্তানকে যেমন বানাতে চান, আগে নিজে তা হয়ে দেখান। ❤️👨‍👦

তাড়াহুড়ো করে ভালো কিছু আসেনা।ধৈর্য্য ধরে পরিশ্রম করে যাও, সফলতা আসবেই। #নিজেকে_ভালোবাসো ❤️🖤
18/08/2026

তাড়াহুড়ো করে ভালো কিছু আসেনা।
ধৈর্য্য ধরে পরিশ্রম করে যাও, সফলতা আসবেই।

#নিজেকে_ভালোবাসো ❤️🖤

কেউ কেউ স্বাধীনতার চাবির চেয়ে এক টুকরো রুটিকেই বেশি গুরুত্ব দেয়। কারণ রুটি নিশ্চিত, কিন্তু স্বাধীনতার পথ অনিশ্চিত।একটি...
18/08/2026

কেউ কেউ স্বাধীনতার চাবির চেয়ে এক টুকরো রুটিকেই বেশি গুরুত্ব দেয়। কারণ রুটি নিশ্চিত, কিন্তু স্বাধীনতার পথ অনিশ্চিত।
একটি চাকরি আপনাকে মাসের শেষে একটি নির্দিষ্ট বেতন দেবে। কিন্তু একটি ব্যবসা আপনাকে নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা দিতে পারে।

ব্যবসা মানেই রাতারাতি সফলতা নয়। ব্যবসা মানে ঝুঁকি, ব্যর্থতা, শিক্ষা এবং বারবার নতুন করে শুরু করার সাহস। সবাই এই পথ বেছে নিতে পারে না। কারণ ব্যবসার পথে কোনো নিশ্চয়তা নেই।

অনেক মানুষ নিরাপদ চাকরির গণ্ডির মধ্যেই সারাজীবন কাটিয়ে দেয়। আবার কেউ কেউ নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত থাকে।

চাকরি খারাপ নয়, ব্যবসাও সবার জন্য নয়। কিন্তু যদি আপনার স্বপ্ন বড় হয়, যদি আপনি নিজের সময়ের মালিক হতে চান, যদি আপনি নতুন কিছু সৃষ্টি করতে চান, তাহলে ব্যবসা আপনার জন্য একটি নতুন দরজা খুলে দিতে পারে।

আজ আপনি যে সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটাই আগামী দিনে আপনার পরিচয় তৈরি করবে। তাই শুধু রুটির কথা ভাববেন না, সেই চাবির কথাও ভাবুন, যা আপনার জীবনের বন্ধ দরজাগুলো খুলে দিতে পারে।

কারণ জীবনে সবচেয়ে বড় কারাগার লোহার শিক নয়, বরং নিজের সামর্থ্যকে চিনতে না পারা।

উদ্যোক্তা হওয়া মানে শুধু একটি ব্যবসা শুরু করা নয়; উদ্যোক্তা হওয়া মানে একটি স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার সাহস দেখানো।

একজন উদ্যোক্তা শুধু নিজের জন্য কাজ করেন না; তিনি অন্যদের জন্যও নতুন সুযোগ তৈরি করেন। তিনি সমস্যাকে বাধা হিসেবে দেখেন না, বরং সম্ভাবনা হিসেবে দেখেন।
মনে রাখবেন, ব্যবসায় সফল হওয়ার জন্য বড় পুঁজি নয়, বড় মানসিকতার প্রয়োজন। কারণ একজন সত্যিকারের উদ্যোক্তা ব্যর্থতাকে ভয় পান না; তিনি প্রতিটি ব্যর্থতা থেকে নতুন শিক্ষা গ্রহণ করেন।

হয়তো পথটা কঠিন হবে, হয়তো অনেক বাধা আসবে, কিন্তু নিজের স্বপ্নের প্রতি বিশ্বাস হারাবেন না। কারণ আজকের ছোট একটি উদ্যোগই আগামী দিনের বড় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে পারে।

রুটির জন্য কাজ করা মানুষ অনেক আছে, কিন্তু নতুন পথ তৈরি করার সাহস সবার থাকে না। উদ্যোক্তা হোন, নিজের পরিচয় নিজেই তৈরি করুন।

রুটি ক্ষুধা মেটায়, কিন্তু ব্যবসা স্বপ্নকে ডানা দেয়।

— Saiful Lanju




⚪⚫ নেইমার ন্যানো সেকেন্ডের মধ্যে যে এসিস্টটা করলো তা বর্তমান ব্রাজিল দলের খেলোয়াড়রা তো বটেই, ফুটবল দুনিয়ারই খুব কম খেলোয়...
14/08/2026

⚪⚫ নেইমার ন্যানো সেকেন্ডের মধ্যে যে এসিস্টটা করলো তা বর্তমান ব্রাজিল দলের খেলোয়াড়রা তো বটেই, ফুটবল দুনিয়ারই খুব কম খেলোয়াড় করতে পারবে। বলটা পেয়েই নেইমার সরাসরি গ্যাব্রিয়েলকে না দিয়ে তার বহু সামনে বক্সের মধ্যে ফাঁকা জায়গায় দিলো এবং বলের পজিশনটা এমনভাবে ছিলো যে গ্যাব্রিয়েলকে মার্ক করা ২ জন ডিফেন্ডার প্রচন্ড চেষ্টা করেও গ্যাব্রিয়েলের আগে বলের কাছে পৌঁছাতে পারলো না!

এটাকে বলে প্রতিভা, এটাকেই বলে ফুটবলের ম্যাজিক মোমেন্ট এবং এই কারণেই নেইমাররা স্পেশাল ❤️

✈️ বিদেশ ভ্রমণের সময় কথা বলতে ১০০টি প্রয়োজনীয় ইংরেজি বাক্য🌍 বিদেশ ভ্রমণে ইংরেজি বলতে আর ভয় নয়!বিদেশে গেলে বিমানবন্দর, ইম...
09/08/2026

✈️ বিদেশ ভ্রমণের সময় কথা বলতে ১০০টি প্রয়োজনীয় ইংরেজি বাক্য

🌍 বিদেশ ভ্রমণে ইংরেজি বলতে আর ভয় নয়!

বিদেশে গেলে বিমানবন্দর, ইমিগ্রেশন, হোটেল, রেস্টুরেন্ট, শপিং কিংবা জরুরি পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১০০টি ইংরেজি বাক্য একসঙ্গে সাজিয়ে দিলাম।

✈️ Airport & Immigration

১. চেক-ইন কাউন্টার কোথায়?
➡️ Where is the check-in counter?
২. আমি আমার ফ্লাইটের জন্য চেক-ইন করতে চাই।
➡️ I'd like to check in for my flight.
৩. আমি কি জানালার পাশের একটি সিট পেতে পারি?
➡️ Can I have a window seat?
৪. আমি কি আইলের পাশের একটি সিট পেতে পারি?
➡️ Can I have an aisle seat?
৫. ইমিগ্রেশন কাউন্টার কোথায়?
➡️ Where is the immigration counter?
৬. এই নিন আমার পাসপোর্ট।
➡️ Here is my passport.
৭. এই নিন আমার বোর্ডিং পাস।
➡️ Here is my boarding pass.
৮. আমি কয়টি ব্যাগ চেক-ইন করতে পারি?
➡️ How many bags can I check in?
৯. আমার ফ্লাইট কি সময়মতো আছে?
➡️ Is my flight on time?
১০. আমার ফ্লাইট কি দেরি হয়েছে?
➡️ Has my flight been delayed?
১১. বোর্ডিং কখন শুরু হবে?
➡️ What time does boarding start?
১২. আমাকে কোন গেটে যেতে হবে?
➡️ Which gate should I go to?
১৩. আমার গেটটি খুঁজে পেতে কি সাহায্য করবেন?
➡️ Could you help me find my gate?
১৪. আমার শুধু হ্যান্ড লাগেজ আছে।
➡️ I have only carry-on luggage.
১৫. আমার কি ল্যাপটপ বের করতে হবে?
➡️ Do I need to remove my laptop?
১৬. আমার কি জুতা খুলতে হবে?
➡️ Do I need to take off my shoes?
১৭. এটি কি নিরাপত্তা তল্লাশির লাইন?
➡️ Is this the line for security?
১৮. ডিপার্চার লাউঞ্জ কোথায়?
➡️ Where is the departure lounge?
১৯. মাফ করবেন, গেট ১৫ কোথায়?
➡️ Excuse me, where is Gate 15?
২০. ধন্যবাদ। আপনার দিনটি ভালো কাটুক।
➡️ Thank you. Have a nice day.

🧳 Customs & Baggage

২১. আমার লাগেজ কোথায় পাব?
➡️ Where can I collect my luggage?
২২. আমার ব্যাগটি আসেনি।
➡️ My bag hasn't arrived.
২৩. আমার লাগেজ হারিয়ে গেছে।
➡️ My luggage is missing.
২৪. এই ব্যাগটি আমার।
➡️ This bag is mine.
২৫. আমার কিছু ঘোষণা করার নেই।
➡️ I have nothing to declare.
২৬. এটি ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য।
➡️ It's for personal use.
২৭. আমার ব্যাগটি কি পরীক্ষা করতে হবে?
➡️ Does my bag need to be inspected?
২৮. আমি কি এখন যেতে পারি?
➡️ May I leave now?
২৯. ব্যাগেজ ট্রলি কোথায় পাব?
➡️ Where can I get a baggage trolley?
৩০. আমার ব্যাগটি খুব ভারী।
➡️ My bag is very heavy.

🚕 Taxi & Transportation

৩১. ট্যাক্সি কোথায় পাব?
➡️ Where can I get a taxi?
৩২. আমাকে এই ঠিকানায় নিয়ে যান।
➡️ Please take me to this address.
৩৩. ভাড়া কত হবে?
➡️ How much is the fare?
৩৪. মিটার চালু করুন।
➡️ Please use the meter.
৩৫. এখানে থামান।
➡️ Please stop here.
৩৬. আমাকে বিমানবন্দরে নিয়ে চলুন।
➡️ Please take me to the airport.
৩৭. সবচেয়ে কাছের বাসস্টপ কোথায়?
➡️ Where is the nearest bus stop?
৩৮. এই বাস কি শহরের কেন্দ্রে যায়?
➡️ Does this bus go to the city center?
৩৯. পরবর্তী ট্রেন কখন?
➡️ When is the next train?
৪০. একটি টিকিট দিন।
➡️ I'd like one ticket, please.
৪১. রিটার্ন টিকিট চাই।
➡️ I'd like a return ticket.
৪২. এই ট্রেন কি সময়মতো?
➡️ Is this train on time?
৪৩. আমাকে এখানে নামিয়ে দিন।
➡️ Please drop me off here.
৪৪. কতক্ষণ লাগবে?
➡️ How long will it take?
৪৫. যানজট আছে কি?
➡️ Is there heavy traffic?

🏨 Hotel Check-in

৪৬. আমার একটি বুকিং আছে।
➡️ I have a reservation.
৪৭. আমি চেক-ইন করতে চাই।
➡️ I'd like to check in.
৪৮. আমার পাসপোর্ট এখানে।
➡️ Here's my passport.
৪৯. আমার রুম নম্বর কত?
➡️ What's my room number?
৫০. ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড কী?
➡️ What's the Wi-Fi password?
৫১. নাস্তা কি অন্তর্ভুক্ত?
➡️ Is breakfast included?
৫২. চেক-আউট কখন?
➡️ What time is check-out?
৫৩. আমি একটি অতিরিক্ত তোয়ালে চাই।
➡️ I'd like an extra towel.
৫৪. এয়ার কন্ডিশনার কাজ করছে না।
➡️ The air conditioner isn't working.
৫৫. গরম পানি আসছে না।
➡️ There's no hot water.
৫৬. আমার রুম পরিষ্কার করা যাবে?
➡️ Could you clean my room?
৫৭. একটি শান্ত রুম কি পাওয়া যাবে?
➡️ Could I have a quiet room?
৫৮. আমি আরও এক রাত থাকতে চাই।
➡️ I'd like to stay one more night.
৫৯. বিলটি দিন।
➡️ Could I have the bill, please?
৬০. আমি চেক-আউট করতে চাই।
➡️ I'd like to check out.

🍽️ Restaurant & Food

৬১. একটি টেবিল পাওয়া যাবে?
➡️ May I have a table?
৬২. দুইজনের জন্য একটি টেবিল চাই।
➡️ A table for two, please.
৬৩. মেনুটা দিন।
➡️ May I see the menu?
৬৪. আপনি কী সুপারিশ করবেন?
➡️ What do you recommend?
৬৫. আমি এটি অর্ডার করতে চাই।
➡️ I'd like to order this.
৬৬. এটি ঝাল কি?
➡️ Is it spicy?
৬৭. আমি ঝাল খেতে পারি না।
➡️ I can't eat spicy food.
৬৮. নিরামিষ খাবার আছে?
➡️ Do you have any vegetarian dishes?
৬৯. পানি দিন।
➡️ Could I have some water, please?
৭০. আরেকটি কফি দিন।
➡️ I'd like another coffee.
৭১. বিলটা দিন।
➡️ Could I have the bill, please?
৭২. কার্ডে পেমেন্ট করা যাবে?
➡️ Can I pay by card?
৭৩. নগদে পরিশোধ করব।
➡️ I'll pay in cash.
৭৪. খাবারটি খুব সুস্বাদু।
➡️ The food is delicious.
৭৫. ধন্যবাদ, সবকিছু দারুণ ছিল।
➡️ Thank you. Everything was great.

🛍️ Shopping

৭৬. এটার দাম কত?
➡️ How much is this?
৭৭. একটু কম হবে?
➡️ Can you give me a discount?
৭৮. আরেকটি রং আছে?
➡️ Do you have this in another color?
৭৯. বড় সাইজ আছে?
➡️ Do you have a larger size?
৮০. ছোট সাইজ আছে?
➡️ Do you have a smaller size?
৮১. আমি এটা ট্রাই করতে চাই।
➡️ I'd like to try this on.
৮২. ফিট হচ্ছে না।
➡️ It doesn't fit.
৮৩. আমি এটা নেব।
➡️ I'll take it.
৮৪. কার্ডে পেমেন্ট করা যাবে?
➡️ Can I pay by card?
৮৫. রসিদটি দিন।
➡️ Could I have the receipt, please?

🆘 Emergency & Asking for Help

৮৬. আমাকে সাহায্য করুন।
➡️ Please help me.
৮৭. আমার সাহায্য দরকার।
➡️ I need help.
৮৮. আমি পথ হারিয়ে ফেলেছি।
➡️ I'm lost.
৮৯. আপনি কি আমাকে সাহায্য করতে পারেন?
➡️ Could you help me?
৯০. নিকটতম হাসপাতাল কোথায়?
➡️ Where is the nearest hospital?
৯১. একজন ডাক্তার দরকার।
➡️ I need a doctor.
৯২. পুলিশকে ডাকুন।
➡️ Please call the police.
৯৩. আমার ফোন হারিয়ে গেছে।
➡️ I've lost my phone.
৯৪. আমার মানিব্যাগ হারিয়ে গেছে।
➡️ I've lost my wallet.
৯৫. আমি আমার পাসপোর্ট হারিয়েছি।
➡️ I've lost my passport.
৯৬. এখানে কি ফার্মেসি আছে?
➡️ Is there a pharmacy nearby?
৯৭. আপনি কি একটু ধীরে বলবেন?
➡️ Could you speak more slowly, please?
৯৮. আমি ইংরেজি ভালো বলতে পারি না।
➡️ I don't speak English very well.
৯৯. আপনি কি এটা লিখে দিতে পারবেন?
➡️ Could you write it down, please?
১০০. আপনার সাহায্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
➡️ Thank you very much for your help.

💾 পোস্টটি Save করে রাখুন। বিদেশে যাওয়ার আগে এটি আপনার সবচেয়ে দরকারি গাইড হতে পারে।
📤 যিনি বিদেশে পড়তে, কাজ করতে বা ঘুরতে যেতে চান, তাকে অবশ্যই শেয়ার করুন।

Address

Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Muhammad Najmul Hasan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Muhammad Najmul Hasan:

Shortcuts

Share

Category