Nasrin Hamid

Nasrin Hamid "Capturing the essence of every fleeting moment—nature, travel, recitations, and aesthetic beauty. A journey through sights, sounds, and serenity.
(4)

Let’s embrace the art of the present”

06/09/2026

কোথাও কেউ
____তসলিমা নাসরিন

কোথাও না কোথাও বসে ভাবছো আমাকে;
আমাকে খুব দেখতে ইচ্ছে করছে তোমার ।
মনে মনে আমাকে দেখছো;
আমার কথা বলছো, হাঁটছো আমার সঙ্গে ।
হাত ধরছো, হাসছো।
এমন যখন ভাবি,
এত একা আমি আমার আর একা লাগে না।
ঘাসগুলোকে আগের চেয়ে আরও সবুজ লাগে;
গোলাপকে আরো লাল ।
স্যাঁতস্যাঁতে দিনগুলোকেও মনে হয় ঝলমলে!
কোথাও না কোথাও আমার জন্য কেউ আছে,
এই ভাবনাটি আমাকে নির্ভাবনা দেয়।
ঘোর কালো দিনগুলোয় আলো দেয় ।
আর যখন ওপরে ওপরে দেখাই যে পায়ের তলায় খুব মাটি আছে,
আসলে নেই,আসলে পা তলিয়ে যাচ্ছে,
তখন মাটি দেয় ।
যখন মনে হয় ভীষণ এক ঝড়ো হাওয়ায় উল্টে যাচ্ছি,
যেন একশো শকুন আমার দিকে উড়ে
আসছে!
হিংস্র হিংস্র মানুষ দৌড়ে আসছে আমাকে খুবলে খাবে অসহায় আমিটিকে,
ভাবনাটি নিরাপত্তা দেয়।
কেউ ফিরে তাকায় না,কেউ স্পর্শ করে না,ভালোবাসে না দেখেও আমি যে ভেঙে পড়ি না,আমি যে ভেসে যাই না, আমি যে কেঁদে ভাসাই না–
সেতো তোমার কারণেই!
কোথাও না কোথাও তুমি আছো বলে।
আছো, কোথাও আছো ।
যেকোনো দিন আমি ইচ্ছে করলেই তোমাকে পেতে পারি,
এই ভাবনাটি তোমার কাছ থেকে দূরে রাখতে পারছে আমাকে ।
আমাকে বাঁচিয়ে রাখতে পারছে।

যে নারীকে গোটা পৃথিবী ভালোবেসেছিল, তাঁর ব্যক্তিগত জীবনও সবসময় ততটা আলোয় ভরা ছিল না। 💔১৯৯৭ সালে Titanic মুক্তির পর কেট উই...
06/09/2026

যে নারীকে গোটা পৃথিবী ভালোবেসেছিল, তাঁর ব্যক্তিগত জীবনও সবসময় ততটা আলোয় ভরা ছিল না। 💔

১৯৯৭ সালে Titanic মুক্তির পর কেট উইন্সলেট রাতারাতি বিশ্বজুড়ে পরিচিত হয়ে ওঠেন। কোটি মানুষের ভালোবাসা, খ্যাতি আর সাফল্য—সবকিছুই যেন একসঙ্গে এসে ধরা দিয়েছিল তাঁর জীবনে।

কিন্তু তার পরের কয়েক বছর ছিল ব্যক্তিগত জীবনে নানা পরিবর্তন ও কঠিন সময়ের।

১৯৯৮ সালে তিনি জিম থ্রিপলটনকে বিয়ে করেন। তাঁদের সংসার টিকে ছিল প্রায় তিন বছর; ২০০১ সালে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।

তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—একজন মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের কষ্টকে বাইরে থেকে আমরা যতটা সহজে বিচার করি, বাস্তবতা অনেক সময় তার চেয়েও জটিল।

কেটের গল্প আমাদের তাই অন্য একটি প্রশ্নের সামনে দাঁড় করায়—

একজন নারী যখন নিজের পরিচয়, ক্যারিয়ার ও স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যেতে চান, তখন কি তাঁকে একই সঙ্গে স্ত্রী, মা এবং সমাজের প্রত্যাশার ভারও বহন করতে হবে?

একজন নারী স্ত্রী বা মা হওয়ার আগে একজন স্বাধীন মানুষ—নিজস্ব স্বপ্ন, ইচ্ছা, সত্তা ও সম্মান নিয়ে।

আর সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোর একটি হলো—পারস্পরিক সম্মান ও মানসিক সমর্থন।

কেট উইন্সলেটের জীবন আমাদের মনে করিয়ে দেয়, পর্দায় একজন মানুষ যতই সফল বা শক্তিশালী দেখাক না কেন, ব্যক্তিগত জীবনের অনুভূতি ও সংগ্রাম সম্পূর্ণ আলাদা হতে পারে।

আর সেই কারণেই হয়তো পৃথিবীর কোটি মানুষের কাছে পরিচিত একজন নারীর গল্পও আমাদের মনে করিয়ে দেয়—

ক্যামেরার বাইরে অসংখ্য সাধারণ নারীও প্রতিদিন এমন কিছু লড়াই লড়েন, যার কোনো দর্শক নেই, কোনো সংবাদ শিরোনাম নেই, কোনো করতালি নেই।

তাঁদের নীরবতাও একটি গল্প।
তাঁদের সম্মানও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
আর তাঁদের নিজের জীবন বেছে নেওয়ার অধিকারও আছে। ❤️

05/09/2026

হে আল্লাহ,
আমার মনের সব অপ্রকাশিত কথাও তুমি জানো।
যা কিছু আমার জন্য কল্যাণকর, তা আমার জন্য সহজ করে দাও এবং তার সুন্দর পরিণতি দাও।
আর যা কিছু আমার জন্য কল্যাণকর নয়, তা থেকে আমার মনকে শান্ত করে দাও, আমার হৃদয়কে মেনে নেওয়ার শক্তি দাও এবং তার চেয়েও উত্তম কিছু আমার জন্য লিখে দাও।

আমার চাওয়ার চেয়েও তোমার সিদ্ধান্ত যেন সুন্দর হয়।
আমিন। 🤍

03/09/2026

সকাল সকাল বড় বাচ্চাটাকে স্কুলে দিয়ে এসেছি। ছোটটাকে বাসায় রেখে, বাইরে থেকে দরজা লক করে ভেতরে একটা চাবি রেখে আম্মাকে নিয়ে ছুটে এসেছি হাসপাতালে। আবার ডাক্তার, আবার পরীক্ষা-নিরীক্ষা—আজ MRI করাতে এসেছি।

দিনের পর দিন আম্মাকে নিয়ে হাসপাতাল, ক্লিনিক আর ডাক্তারদের কাছে এই ছোটাছুটি চলছে। আম্মা নিজেও এখন আর এসব করতে চান না। বারবার বলেন,
“আমি মরে গেলে মরে যাব। আমার আর ভালো লাগে না—ডাক্তার, হাসপাতাল, পরীক্ষা-নিরীক্ষা…”

কী উত্তর দেব তাঁকে?

এক সময় আমার চারপাশে অসংখ্য মানুষের আনাগোনা ছিল। কত মানুষ, কত পরিচিত মুখ, কত সম্পর্ক… অথচ জীবনের কঠিন সময়গুলো খুব নিঃশব্দে একটা হিসাব বুঝিয়ে দেয়—প্রয়োজনের সময় পাশে থাকা মানুষের সংখ্যা আসলে কত।

আজ সেই সংখ্যাটা শূন্য।

একদিকে আম্মার কষ্ট, অন্যদিকে তাঁকে ভালো রাখার জন্য আমার এই ছুটে চলা। কখনো কখনো মনে হয়, প্রিয় একজন মানুষকে সুস্থ রাখার চেষ্টাটাও কতটা অসহায় হতে পারে।

এত পরীক্ষা, এত হাসপাতাল, এত দৌড়ঝাঁপের শেষে যদি আম্মার কষ্টটা একটু কমত… যদি তিনি একটু শান্তিতে থাকতে পারতেন—তাহলেই হয়তো আমার এই ক্লান্ত মনটাও একটু শান্তি পেত।

মায়ের কষ্ট নিজের চোখের সামনে দেখা যায়, অথচ সেই কষ্টটা নিজের শরীরে নেওয়া যায় না। এই অসহায়ত্বটাই বোধহয় পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন অনুভূতিগুলোর একটি।

একটা ভীষণ একার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি।

সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন—আমার শক্তিটুকু যেন ফুরিয়ে না যায়।

কখনো যদি ক্লান্ত হয়ে পড়ি, প্রভু, আমাকে ক্ষমা করো। আবার উঠে দাঁড়ানোর শক্তিটুকু দিও।

ক্লান্তি আমার ক্ষমা করো, প্রভু।
এই কঠিন পরীক্ষায় আমি যেন একশোতে একশো পেয়ে উত্তীর্ণ হতে পারি।

নাম তার LUKA।চেহারা দেখে মনে হয়—আল্লাহ সৌন্দর্য দেওয়ার সময় একটু বেশিই উৎসাহে ছিলেন! 😭🔥বিলিয়নিয়ার ডন। বাইরে থেকে এমন লুক,...
02/09/2026

নাম তার LUKA।
চেহারা দেখে মনে হয়—আল্লাহ সৌন্দর্য দেওয়ার সময় একটু বেশিই উৎসাহে ছিলেন! 😭🔥

বিলিয়নিয়ার ডন। বাইরে থেকে এমন লুক, মনে হয় ১০ কিলোমিটার দূর থেকেও মেয়েরা Wi-Fi ছাড়াই কানেক্ট হয়ে যাচ্ছে। 😂

কিন্তু নিজের বউয়ের সামনে?
একেবারে অন্য মানুষ! 🥹❤️

বউয়ের চুলে বাতাস লাগলেও তার অনুমতি লাগে—
“WHO LET THE WIND TOUCH MY WIFE?” 😭😂

বউ একটু কাশলেই ডাক্তার, গাড়ি, হাসপাতাল, তিনজন বডিগার্ড—সব ready!
আর কেউ বউয়ের দিকে দুই সেকেন্ড বেশি তাকালে Luka এমনভাবে তাকায়, লোকটা নিজের অস্তিত্ব নিয়েই সন্দেহে পড়ে যায়। 💀

Problem একটাই…

এমন পুরুষ পৃথিবীতে পাওয়া যায় না।
আর Luka তো দূরের কথা—Luka-কে তৈরি করেছে AI! 😭😭

আমরা প্রেমিক চাইতে গিয়ে এখন AI-এর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নেমে গেছি!
REAL MEN: “কোথায় আছো?”
LUKA: “আমি তোমার location, heartbeat আর mood—সব জানি।”

01/09/2026

এক জীবনে মানুষের কত রকম ইচ্ছে থাকে!

বুকের ভেতর কত রঙের কত কথা জমে থাকে—কত গল্প, কত অনুভূতি, কত না-বলা কথা। অথচ এক জীবনে কাউকে সেসব দু-কলম লিখে পাঠানোই হয়ে ওঠে না।

আমার খুব ইচ্ছে ছিল, কাউকে চিঠি লিখব। অকারণে লিখব, কারণে লিখব। দিনের গল্প, মন খারাপ, হঠাৎ ভালো লাগা—যা খুশি লিখব। আর কোনো একদিন ডাকপিয়ন এসে বলবে,
“আপনার জন্য একটা চিঠি এসেছে।”

প্রেমের চিঠি হতে হবে না। কোনো স্বীকারোক্তিও নয়। শুধু ওপাশের একজন মানুষ তার বুকের ভেতর থেকে দু-কলম আমার জন্য লিখবে—এইটুকুই।

হয়তো কোনো একদিন সত্যিই আমার নামে একটা খাম আসবে। আর চিঠির কথাগুলো পড়ার আগেই আমি একটু হেসে ফেলব—

কারণ কেউ একজন আমাকে লিখেছে।

আজ চিঠি দিবস।
তাই এই ছোট্ট লেখাটা রেখে দিলাম।
আর ঠিকানাটাও দিয়ে দিলাম—কখনো ইচ্ছে হলে, দু-কলম লিখে পাঠিয়ে দিও।

Nasrin Hamid

01/09/2026

আপনি আমার সঙ্গে একমত হোন বা না হোন—এটা সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত observation।

আমার দেখা ও অভিজ্ঞতায়, বেশিরভাগ অতিরিক্ত ধার্মিক মানুষের মাঝে একজন মানুষের স্বাভাবিক যে মানবিক আচরণ বা মনুষ্যত্ব থাকার কথা, সেটাই অনেক সময় দেখা যায় না।

অন্যদিকে, যাদের বাইরে থেকে খুব একটা ধার্মিক বলে মনে হয় না, তাদের মধ্যেই অনেক সময় দেখেছি অসাধারণ সহমর্মিতা, উদারতা আর মানুষের প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসা।

তাই মানুষকে তার ধর্মীয় পরিচয়ে নয়, তার আচরণে বিচার করি।

কারণ আমার কাছে শেষ পর্যন্ত—
ভালো মানুষ হওয়াটাই সবচেয়ে বড় পরিচয়।

31/08/2026

বাহির আমায় টানে—
অচেনা পথ, দূরের আকাশ,
নতুন কোনো শহরের আলো।
মনে হয়, এই চেনা দেয়াল পেরিয়ে
একদিন হেঁটে যাব বহুদূর—
যেখানে আমাকে কেউ চেনে না,
শুধু আমি নিজেকে নতুন করে চিনব।

30/08/2026
জীবনটা সত্যিই অদ্ভুত…একসময় যে মা দুহাতে আমাদের জন্য সবকিছু করেছেন, সকালে উঠে সেই মাকেই আমি প্রতিদিনের মতো গ্যাসের ওষুধ খ...
30/08/2026

জীবনটা সত্যিই অদ্ভুত…

একসময় যে মা দুহাতে আমাদের জন্য সবকিছু করেছেন, সকালে উঠে সেই মাকেই আমি প্রতিদিনের মতো গ্যাসের ওষুধ খাওয়ালাম, ইনসুলিন দিলাম। তারপর ১৫–২০ মিনিট পাশে বসে থেকে নাশতা খাওয়ালাম। আম্মা খুব একটা খেতে পারেন না—মুখে যেন কোনো স্বাদই নেই।

নাশতা শেষে ওষুধগুলো খাইয়ে দিলাম। তারপর নখ কেটে দিলাম। এরপর বাচ্চাদের মতো করে আম্মাকে শাওয়ার করালাম।

শাওয়ার করাতে গিয়ে হঠাৎ মনে হলো—আম্মা কতটা বদলে গেছেন!
যে মানুষটা একসময় আমাদের সব কাজ করে দিয়েছেন, আজ তিনি নিজেই যেন একটা ছোট্ট বাচ্চা।

শরীরে শক্তি নেই। নিজের অনেক কিছুই আর করতে পারেন না। অথচ আশ্চর্যের বিষয়, এত অসুস্থতার মধ্যেও আমাকে নিয়েই তাঁর চিন্তা!

বারবার বলছেন,
“তুই দুর্বল হয়ে যাবি। ভালো করে খা। বেশি করে খা। তুই খাবার একদম কম খাস, তুই কোনো খাবারই খাস না।”

আমি মায়ের দিকে তাকিয়ে ভাবি—
মায়েরা বুঝি এমনই হয়। নিজের শরীর ভেঙে গেলেও সন্তানের জন্য চিন্তা করতে ভোলে না।

আর একটা বিষয় আমাকে ভীষণ কষ্ট দেয়।

আম্মার এখন শরীরে কোনো শক্তি নেই। তবু তাঁর ভেতরটা যেন এখনো বিশ্বাস করে—তিনি আগের মতোই হঠাৎ উঠে দাঁড়াবেন, হাঁটবেন, দৌড়াবেন, ঘরের কাজ করবেন। সেই আগের আম্মা হয়ে যাবেন।

তাই মাঝে মাঝে তাঁকে দেখি উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন। কিন্তু শরীর আর সায় দেয় না। কিছুক্ষণ পর আবার বসে পড়েন, কখনো শুয়ে পড়েন।

এই দৃশ্যটা দেখতে আমার খুব খারাপ লাগে।

আমার মেয়েটাও মাঝে মাঝে বলে,
“মাম্মি, নানু না… চেষ্টা করে আগের মতো সব কাজ করতে চায়, কিন্তু পারে না। ওনার তো কোনো শক্তিই নেই।”

কথাটা শুনে বুকের ভেতরটা কেমন করে ওঠে।

সময় কত অদ্ভুতভাবে মানুষকে বদলে দেয়!

একদিন মা আমাদের হাত ধরে হাঁটতে শিখিয়েছেন।
আজ আমরা মায়ের হাত ধরে হাঁটতে শেখাচ্ছি।

একদিন মা আমাদের খাইয়ে দিয়েছেন, গোসল করিয়েছেন, নখ কেটে দিয়েছেন।
আজ আমরা মায়ের মুখে খাবার তুলে দিই, ওষুধ খাওয়াই, নখ কেটে দিই, গোসল করিয়ে দিই।

জীবন যেন নিঃশব্দে একটা বৃত্ত সম্পূর্ণ করে।

তবে জীবন সবার জন্য একই গল্প লেখে না।
কেউ খুব তাড়াতাড়ি চলে যায়, কেউ অনেকটা পথ থেকে যায়। কেউ প্রিয় মানুষকে হারানোর আগেই হারিয়ে ফেলে, কেউ আবার শেষ বয়স পর্যন্ত পাশে থাকার সুযোগ পায়।

তাই হয়তো যতদিন আমাদের প্রিয় মানুষগুলো আমাদের পাশে আছে, ততদিন তাদের যত্ন নেওয়াটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া।

আজ আমার আম্মা আমার কাছে শুধু আমার মা নন—
তিনি আমার বড় হয়ে যাওয়া ছোট্ট বাচ্চা।

আর তাঁকে যত্ন করতে করতে প্রতিদিন মনে হয়—
জীবন সত্যিই অদ্ভুত…
কখন যে মা থেকে সন্তান, আর সন্তান থেকে মায়ের অভিভাবক হয়ে যাই—টেরই পাওয়া যায় না।

আজ আবার কিছু টেস্ট বাকি আছে। সেগুলো করাব। তারপর ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্টও নিয়েছি।

এই তো জীবন—একদিন একরকম, পরদিন আরেকরকম। তবু সবকিছুর মাঝেই আমরা বেঁচে থাকি, ভালোবাসি, যত্ন করি, আর সামনে এগিয়ে যাই।

ভালো থাকুন সকল মায়েরা।
আল্লাহ পৃথিবীর প্রতিটি মাকে সুস্থতা, শান্তি ও দীর্ঘ নেক হায়াত দান করুন। ❤️

আলহামদুলিল্লাহ, সবকিছুর জন্য।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nasrin Hamid posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share