জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল মোবাইল : ০১৭১৩০৬৩৭৭৬

12/06/2026

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল
কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ
কার্যালয় : ২২/১, তোপখানা রোড, ঢাকা - ১০০০
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

১২ই জুন ২০২৬

১৭ই জুন ঢাকায় ও ২৩শে জুন সারাদেশে বিক্ষোভ

সীমান্তে ভারতের অবৈধ পুশ ইনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন ---- জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক বৈঠক গতকাল ১১ই জুন অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী ফয়জুল হাকিমের সভাপতিত্বে এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সজীব রায়, ভুলন ভৌমিক, কাজী ইকবাল, আমীর আব্বাস, মিনহাজ আহমেদ,সাজ্জাদ সুমন ও মিতু সরকার।

বৈঠকে বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ কর্তৃক বেআইনিভাবে ভারতের বাংলাভাষী বাঙালিদের বাংলাদেশের ভিতরে পুশ ইন করার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলা হয়, সাম্রাজ্যবাদী ভারত আন্তর্জাতিক আইন, নিয়ম-কানুন লংঘন করে এই মানবতাবিরোধী কাজ করে চলেছে। এই পরিস্থিতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নীরাবতার কঠোর সমালোচনা করা হয়।

বৈঠকে নেতৃবৃন্দ বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারকে সীমান্তে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কথা বলতে হবে।বৈঠকে ভারতের নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ফ্যাসিস্ট ভারত সরকার ও ভারতের সাউথ ব্লক যেভাবে ভারত এবং সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ায় জনগণের মনোজগতে উগ্র হিন্দুত্ববাদের সাম্প্রদায়িক বিষবাস্প ছড়িয়ে দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের বৃহত্তর ঐক্য বিনষ্ট করতে লিপ্ত আছে তা রুখে দাঁড়ানোর জন্য দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের প্রতি ঐক্যবদ্ধ হবার আহবান জানান হয়।

বৈঠকে আরও বলা হয়,অতীতে বৃটিশ ঔপনিবেশিক শাসকেরা যেভাবে সাম্প্রদায়িক দ্বন্দ্বকে ব্যবহার করে ঔপনিবেশিক শাসন জারী রাখতে চেয়েছিল তেমনি বর্তমানে দিল্লির শাসকেরা সাম্প্রদায়িকতা সৃষ্টি করে দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে তাদের আধিপত্য বিস্তারের চক্রান্ত চালাচ্ছে।বাংলাদেশের জনগণকে দোষারোপ করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অব্যাহতভাবে বাংলাদেশ বিরোধী অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। ২০২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ভারতের পদলেহী ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকার উচ্ছেদ হয়ে যাবার পর বর্তমানে ভারতে বাংলাদেশ বিরোধী প্রচারণা নজিরবিহীন। সম্প্রতি ভারতের পশ্চিম বঙ্গের বিধান সভা নির্বাচনের সময় তা নগ্নভাবে প্রকাশিত হয়েছে।

বৈঠকে বলা হয়, বহু বছর ধরে ভারতের বিএসএফ সীমান্তে গুলি করে বিচার বহির্ভূতভাবে বাংলাদেশী নাগরিক হত্যা করে এলেও এইসব হত্যাকাণ্ডের কোনো বিচার হয়নি।অতীতে বাংলাদেশের কোনো সরকারই এই বিচারের দাবী নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের শরণাপন্ন হয়নি।

বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতের অবৈধ পুশ ইনের বিরুদ্ধে সীমান্তবর্তী জনগণের প্রতিরোধ সংগ্রামের প্রতি বৈঠকে অভিনন্দন জানিয়ে বলা হয়,ভারতসহ সকল সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

বৈঠকে বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র ৩ দিন পূর্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদনের কঠোর সমালোচনা করে বলা হয়,বর্তমান বিএনপি সরকারকে এই অসম অধীনতামূলক চুক্তি বাতিল করতে হবে।জাতীয় সংসদে এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা হতে হবে।

বৈঠকে বলা হয়,পতিত ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলে ভারতের সাথে সম্পাদিত সামরিক চুক্তি ও এমওইউ বাতিল করতে হবে।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন কোয়াড জোটে বাংলাদেশকে যুক্ত করা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক চুক্তি সম্পাদনের কোনো উদ্যোগ জনগণ মেনে নেবে না।

বৈঠকে অবৈধ পুশ ইন,সীমান্ত হত্যা ও ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আগামী ১৭ই জুন বিকেলে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ও ২৩শে জুন সারাদেশে এক বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করার কর্মসূচী নেয়া হয়।

বার্তা প্রেরক
মিতু সরকার

07/06/2026

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল
কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ
কেন্দ্রীয় কার্যালয়: ২২/১ তোপখানা রোড, ঢাকা ১০০০

তারিখ : ৭ ই জুন ২০২৬

বিবৃতি

ভারত আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করে পুশইন করছে
বাংলাদেশ সরকারকে পুশইনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পরিসরে প্রতিবাদ জানাতে হবে

--- জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী ফয়জুল হাকিম এক বিবৃতিতে ভারত কর্তৃক বাংলাভাষী ভারতীয়দের বাংলাদেশের ভিতরে পুশইনের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, এর মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের প্রতি ভারতীয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হয়েছে।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ মুখে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের কথা বলে আসলেও বাস্তবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশকে ভারতের অধীনস্থ হিসেবে দেখতে চায়। সেজন্যই বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বিএসএফ বাংলাদেশী নাগরিকদের অব্যাহতভাবে গুলি করে বিচারবহির্ভূত হত্যা করে সীমান্তে নিম্নমাত্রার যুদ্ধ জারী রেখেছে।

বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, ২০২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রামী জনগণ ভারতের পদলেহী ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারকে উচ্ছেদ করেছিল। ভারত পতিত ফ্যাসিস্ট ও মানবতাবিরোধী অপরাধী শেখ হাসিনা, ও তার দোসরদের মেহমান হিসেবে ভারতে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছে। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ অব্যাহতভাবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধান সভার নির্বাচনে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার, শাসক দল বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ শাখা লাগামহীনভাবে বাংলাদেশ বিরোধী অপপ্রচার চালিয়ে সেখানকার জনমনে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ঘৃণা উৎপাদন করেছে। এসব তারা শুধুমাত্র বিধানসভা নির্বাচনের জন্য করেনি, এটা তাদের নীতি।

বিবৃতিতে বলা হয়, পুশইন ইস্যু, সীমান্ত হত্যা সবকিছুই সাম্রাজ্যবাদী ভারতের সম্প্রসারণবাদী চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ। বৃহত্তর ভারত কায়েমের পরিকল্পনার অংশ।

বিবৃতিতে বলা হয়, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ যাদের পুশইন করছে তাদের পরিচয় যাচাই করছে এবং এন্ট্রি করে রাখছে। কিন্তু বাংলাদেশকে এই সংক্রান্ত কোনো তথ্য দিচ্ছে না বরং পুশইন করছে। আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করে ভারত এই কাজ করে চলেছে। বাংলাদেশ সরকারকে পুশইনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পরিসরে প্রতিবাদ জানাতে হবে এবং আন্তর্জাতিক ফোরামে উত্থাপন করতে হবে।

বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নীরাবতার কঠোর সমালোচনা করে সীমান্তে ভারতের বিএসএফ কর্তৃক পুশইনের বিরুদ্ধে জনগণকে প্রতিবাদ সংগঠিত করার আহবান জানান হয়।

বার্তা প্রেরক
মিতু সরকার

31/05/2026

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল
কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ
কেন্দ্রীয় কার্যালয় : ২২/১ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০

বিবৃতি

৩১শে মে ২০২৬

গণসঙ্গীতকে শ্রেণী সংগ্রামের হাতিয়ার করে তুলেছিলেন কামরুদ্দীন আবছার....... জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী ফয়জুল হাকিম এক বিবৃতিতে গণসঙ্গীত শিল্পী কামরুদ্দীন আবছারের জীবনাবসানে গভীর শোক প্রকাশ করে বলেছেন, তাঁর মৃত্যু এদেশের গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক আন্দোলনের বড় ক্ষতি।গণসঙ্গীতকে শ্রেণী সংগ্রামের হাতিয়ার করে তুলেছিলেন কামরুদ্দীন আবছার।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, কামরুদ্দীন আবছার গত শতাব্দীর আশির দশকে বাঙলাদেশ লেখক শিবিরের গণসঙ্গীত দলের নেতৃত্ব দিয়ে অনেক সংগ্রামী গান গেয়েছিলেন। উপমহাদেশের প্রখ্যাত গণসঙ্গীত শিল্পী হেমঙ্গ বিশ্বাসের গাওয়া বহু গান তিনি এদেশের শ্রমজীবী জনগণের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন। 'থাকিলে ডোবা খানা,জমে কচুরি পানা,মরি স্বভাব তবু যাবে না ', 'নাম তার ছিল জন হেনরী', 'তোর কাস্তেটারে দিও জোরে শান,কিষাণ ভাইরে' এ রকম শ্রেণী সংগ্রামের বহু গান তিনি ঢাকায় এবং দেশের বিভিন্ন কৃষক অঞ্চলে কৃষক সমাবেশে গেয়েছিলেন। গণসঙ্গীতকে শ্রেণী সংগ্রামের হাতিয়ার বানানোর ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছিলেন।তিনি সেসময় ছিলেন বাংলাদেশ কৃষক ফেডারেশনের সাংস্কৃতিক সম্পাদক।
বাঙলাদেশ লেখক শিবির তাঁর গণসঙ্গীত নিয়ে আশির দশকে 'মে দিবসের গান' নামে ক্যাসেট প্রকাশ করেছিল।শেষের দিকে তিনি সংগঠনের প্রকাশনা বিক্রয়ের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। নব্বুইয়ের দশকের শেষে এসে তিনি সংগঠন থেকে বিযুক্ত হয়ে পড়েন।২০১১ সালে উচ্চ রক্তচাপ জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ( স্ট্রোক করে) তিনি শয্যাশায়ী হ'ন।এ বছরের মে মাসের প্রথমার্ধে জ্বর শ্বাসকষ্ট নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন এবং গতকাল ৩০শে মে রাতে মৃত্যুবরণ করেন।
আমরা তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছি ও তাঁর পরিবার-স্বজনদের প্রতি জানাই গভীর সমবেদনা।

বার্তা প্রেরক
মিতু সরকার

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল ঢাকা অঞ্চল কার্যালয় : ২২/১ তোপখানা রোড, ঢাকা -১০০০তারিখ: ১৯শে মে ২০২৬বিবৃতিঅবিলম্বে শ্যামকুল দাস ও...
19/05/2026

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল
ঢাকা অঞ্চল
কার্যালয় : ২২/১ তোপখানা রোড, ঢাকা -১০০০

তারিখ: ১৯শে মে ২০২৬

বিবৃতি

অবিলম্বে শ্যামকুল দাস ও অনুকূল দাসের ওপর হামলাকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার কর

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল, ঢাকা অঞ্চল সমন্বয়ক মিতু সরকার এক বিবৃতিতে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল, কুতুবপুর ইউনিয়নের সভাপতি শ্যামকুল দাসের উপর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই হামলা স্থানীয় জনগণকে হেনেস্তাকারী,নারী হেনস্তাকারী দুর্বৃত্ত ফার্মেসীর দোকানী ধনীলাল বিধানের নানা অপরাধের বিরোধিতা করার ফলাফল।
উল্লেখ্য গত ১৭ মে সন্ধ্যায় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ফতুল্লার লালখা বাজারে শ্যামকুল দাসের বড়ভাই অনুকুল দাসকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ৫ জন গুন্ডা দিয়ে মারধোর করে জখম করে মাথা ফাটায়। শ্যামকুল দাস খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে তাকেও সন্ত্রাসীরাআক্রমণ করে এবং হাতের আঙ্গুল কেটে নেয়। পরবর্তীতে গুরুতর আহত শ্যামকুল দাস ও তার ভাই স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় হাসপাতালে যাওয়ার পথে সন্ত্রাসীদের লোকেরা রিক্সা আটক করে চিকিৎসা নিতে বাধা দেয় এবং মিথ্যা বয়ান দিয়ে ফতুল্লা থানায় জিডি করে। হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শ্যামকুল এবং তার পরিবারের সদস্যরা গতকাল ফতুল্লা থানায় গিয়ে মামলা দারের করে। অন্যদিকে এই সন্ত্রাসী চক্র দুজন জলজ্যান্ত মানুষকে প্রাণে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে গুরুতর আক্রান্ত করার পরেও বুক ফুলিয়ে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। এ ঘটনা শ্যামকুলের পরিবার এবং স্থানীয় জনগণের জন্য বিরাট হুমকি এবং নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করেছে।
মিতু সরকার বলেন, দাঁতের চিকিৎসক নামধারী ধনীলাল এলাকায় ফার্মেসি ব্যবসার আড়ালে তার সহযোগীদের নিয়ে দীর্ঘদিন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে আসছিল। গার্মেন্টস কর্মীরা মাস শেষে বেতন পাওয়ার সাথে সাথে তাদের কাছে অযৌক্তিকভাবে টাকা দাবি করে, তরুন তরুণীদের নাজেহাল করে চাঁদাবাজি করে ইত্যাদি । গত ২ মাস আগে এমনি একটি ঘটনার প্রতিবাদ করায় এই দুর্বৃত্ত চক্র শ্যামকুল দাস এবং তার ভাইয়ের উপর এই সন্ত্রাসী হামলা চালায় বলে জানা যায়।
আমরা অবিলম্বে শ্যামকুল দাস ও অনুকূল দাসের ওপর হামলাকারী সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেফতার এবং বিচারের দাবী জানাই।

বার্তা প্রেরক
এহতেশাম ইমন
সদস্য, ঢাকা অঞ্চল
জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী ফয়জুল হাকিম লালা এবং ঢাকা অঞ্চলের সমন্বয়কারী মিতু সরকার আহত সহোযোদ্ধাদের সাথে আলাপকালে।

19/05/2026

হাওর নিয়ে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সমাবেশে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল ঢাকা অঞ্চলের সমন্বয়কারী মিতু সরকারের বক্তব্য......
#জাতীয়মুক্তিকাউন্সিল #মিতুসরকার #হাওর #হাওরঅঞ্চল

16/05/2026

হাওর ও হাম নিয়ে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী ডা. ফয়জুল হাকিম লালার বক্তব্য......
#জাতীয়মুক্তিকাউন্সিল #হাওর #হামসংক্রমন

১৬ই মে ২০২৬ফারাক্কা লং মার্চের ৫০বছর পূর্তিতে আলোচনা সভায় বক্তারাভারতের পানি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন........ মুক্...
16/05/2026

১৬ই মে ২০২৬

ফারাক্কা লং মার্চের ৫০বছর পূর্তিতে আলোচনা সভায় বক্তারা

ভারতের পানি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে
সোচ্চার হোন........ মুক্তি কাউন্সিল

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের উদ্যোগে আজ ১৬ই মে বিকেল ৫-৩০ ফারাক্কা লং মার্চের ৫০বছর পূর্তিতে এক আলোচনা সভা ২২/১ তোপখানা রোড কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী ফয়জুল হাকিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন মুহাম্মদ কাইয়ুম, মুঈনুদ্দীন আহমেদ, মিতু সরকার, মনোয়ারুল ইসলাম, এডভোকেট আবুল কালাম প্রমুখ।

ফয়জুল হাকিম বলেন, ভারত পানি আগ্রাসনের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণকে শায়েস্তা করতে চায়।ফারাক্কা বাধ তার অন্যতম দৃষ্টান্ত।১৯৭৫ সাল থেকে এই বাধের কারণে বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে মেরুকরণ হয়ে আসছে।ফসল উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে,জীবিকা হারিয়ে মানুষ বাস্তচ্যুত হয়ে আসছে।
তিনি বলেন, ফারাক্কা বাধের বিরুপ প্রতিক্রিয়ার কথা ভেবেই মওলানা ভাসানী ১৯৭৬ সালে লং মার্চ করে রাজনৈতিক কর্মসূচী হিসেবে পানি ও পরিবেশের প্রশ্নকে সামনে নিয়ে এসেছিলেন। কৃষকের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন। ভারতীয় আধিপত্যের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন।
ফয়জুল হাকিম আরও বলেন, জনগণের সার্বিক মুক্তির লক্ষ্যে পানি সম্পদকে কাজে লাগাতে হলে দেশে শ্রমিক কৃষক নিপীড়িত জাতি ও জনগণের সরকার কায়েমের রাজনৈতিক সংগ্রামকে জোরদার করতে হবে।

05/05/2026
02/05/2026

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল
কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ
কেন্দ্রীয় কার্যালয় : ২২/১ তোপখানা রোড, ঢাকা- ১০০০

২রা মে ২০২৬

বিবৃতি

৮ই মে ঢাকায় সমাবেশ
অবিলম্বে হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের
সরকারী সহায়তা দিতে হবে ...... জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী ফয়জুল হাকিম এক বিবৃতিতে সুনামগঞ্জ নেত্রকোনা মৌলভীবাজার কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে বোরো ধান নষ্ট হবার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, এর ফলে ব্যাপক কৃষক নিঃস্ব হয়ে যাবেন। বোরো ধানের এই ফসলের উপরই নির্ভর করে আছে কৃষকদের জীবন। সন্তানের পড়াশোনা, বিয়েসহ সব খরচই এই ফসলের উপর নির্ভরশীল।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, এই মুহূর্তে সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের ৯০ ভাগ ধান পানির নিচে রয়েছে। কৃষকরা যে অল্প পরিমাণ ধান কেটেছিলেন তা রোদের অভাব, বৃষ্টি ও জলাবদ্ধ পানি থেকে বাঁচিয়ে রাখার মত ছাউনির অভাবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

অধিকাংশ কৃষকই ঋণ করে ধান চাষ করেছেন । তাঁরা বিনিয়োগকৃত টাকা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। এছাড়া গবাদি পশুর খাদ্য খড় সংগ্রহ করতে না পারায় অনেকেই চাষের গরু কম দামে বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে অপরিকল্পিত ও ত্রুটিপূর্ণ বাঁধ নির্মাণের ফলে এই পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন। চার সপ্তাহ ধরে হাওরের পানি বৃদ্ধি পেতে থাকা সত্ত্বেও সরকারের তরফ থেকে পর্যাপ্ত আগাম প্রস্তুতি না নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহি করতে হবে।

সরকার কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ৩ মাসের খাদ্য সহায়তা প্রদানের ঘোষণা উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা যাতে এই সহায়তা পান তা সরকারকেই নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কৃষি ঋণ সম্পূর্ণ মওকুফ, বিনামূল্যে পশু খাদ্য সরবরাহ, বাঁধের পানি নিস্কাশনের সুনির্দিষ্ট জায়গা চিহ্নিত করে স্লুইস গেট (জলকপাট) নির্মাণ করতে হবে।
আগামী ৮ই মে বিকেল ৪টায় হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তার দাবীতে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল ঢাকায় এক বিক্ষোভ সমাবেশ করবে।

বার্তা প্রেরক
মিতু সরকার

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ কার্যালয় : ২২/১ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০প্রেস বিজ্ঞপ্তি ২৪শে এপ্রিল ২০২৬শ্র...
24/04/2026

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল
কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ
কার্যালয় : ২২/১ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

২৪শে এপ্রিল ২০২৬

শ্রমিক গণহত্যার বিচারের দাবীতে সোচ্চার হোন --- মুক্তি কাউন্সিল

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের উদ্যোগে আজ ২৪ এপ্রিল সকাল ১০ টায় রানা প্লাজা ভবন ধসের ১৩ বছর পূর্তিতে সাভারের রানা প্লাজাস্থ শ্রমিক স্মৃতি সৌধে সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানিয়ে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়।জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী ফয়জুল হাকিমের নেতৃত্বে পুস্পস্তবক অর্পণে অংশগ্রহণ করেন মিতু সরকার,আব্দুস সামাদ,সৌরভ রায়,মোহাম্মদ বুরহান প্রমুখ।

নেতৃবৃন্দ ভবন ধসে,আগুনে পুড়ে শ্রমিক গণহত্যার সাথে জড়িতদের বছরের পরে বছর বিচার করে শাস্তি না দেয়ার ঘটনার কঠোর সমালোচনা করে বলেন, শাসক শ্রেণীর বিচারহীনতার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে শ্রমিক শ্রেণীকে সোচ্চার হতে হবে।

Address

22/1, Topkhana Road, 403 No. Room
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল:

Shortcuts

Share