Press Institute Bangladesh - PIB

Press Institute Bangladesh - PIB The Press Institute Bangladesh (PIB) is an autonomous organization under the Ministry of Information and Broadcasting People's Republic of Bangladesh.

The Press Institute Bangladesh (PIB) was first conceptualized by the Bangabandhu Government in 1974. The decision of the government reported by the Daily Sangbad says, establishing of the National Press Institute including facilities such as hotel, cafeteria, auditorium and library with a view of enhancing journalism and training of journalists in the country is under government�s active considera

tion. Officially PIB was established on the 18th of August 1976 by a resolution through notification in the Bangladesh Gazette, Extraordinary, Registered No. DA-1, published by authority. The function of PIB was conceptualized in four distinct domains considering the needs and realities of the time. Thirty four years back the media horizon was limited, there were few journalists, communication and media technologies were traditional and people�s expectation from media and journalists was not as high as it is now-a-days. The present realities are different. A mediated society is going to emerge in Bangladesh. This changing perspectives demand new look out and programmatic interactions from PIB. The 'Vision 2021' of the present government along with its programmes on social change (Din Bodoler Karmasuchi) and Digital Bangladesh has added new dimension to the conceptual premise of PIB. Under the able policy guidelines of the Ministry of Information and Broadcasting, PIB has re-conceptualized its vision and functions.

04/06/2026

৪ জুন ২০২৬, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) আলোচনা সভা ও সংবাদপত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে। বক্তব্য রাখছেন ড. সফিকুর রহমান-পরিচালক, ব্রেইন।

04/06/2026

৪ জুন ২০২৬, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) আলোচনা সভা ও সংবাদপত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে।

বক্তব্য রাখছেন অনুষ্ঠানের মূল বক্তা মেজর জেনারেল (অব.) এ এন এম মুনিরুজ্জামান-সভাপতি, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ।

04/06/2026

৪ জুন ২০২৬, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) আলোচনা সভা ও সংবাদপত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে।

বক্তব্য রাখছেন অনুষ্ঠানের মূল বক্তা মেজর জেনারেল (অব.) এ এন এম মুনিরুজ্জামান-সভাপতি, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ।

04/06/2026

জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশ দেখেছে ধূমকেতুর মতো : ফারুক ওয়াসিফ

৪ জুন ২০২৬, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) আলোচনা সভা ও সংবাদপত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)-এর মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ।

04/06/2026

জিয়াউর রহমান কোনো শত্রু তৈরি না করে সর্বত্র মিত্র তৈরি করেছিলেন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

৪ জুন ২০২৬, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) আলোচনা সভা ও সংবাদপত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, এমপি।

04/06/2026

জিয়ার রাষ্ট্রীয় সংস্কার নিয়ে যা বললেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন

৪ জুন ২০২৬, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) আলোচনা সভা ও সংবাদপত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, এমপি।

04/06/2026

৪ জুন ২০২৬, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) আলোচনা সভা ও সংবাদপত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, এমপি।

জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও অস্তিত্ব একাকার হয়ে গেছিল: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরশহীদ রাষ্ট্রপতি জি...
04/06/2026

জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও অস্তিত্ব একাকার হয়ে গেছিল: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে পিআইবিতে আলোচনা সভা ও সংবাদপত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

ঢাকা, ৪ জুন ২০২৬: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) আলোচনা সভা ও সংবাদপত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে। সংবাদপত্র প্রদর্শনীতে ১৯৭৬ সাল থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত জাতীয় দৈনিক উপস্থাপন করা হয়। এছাড়া ছিল জিয়াউর রহমান ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে পিআইবি’র প্রকাশনা স্টল।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সভাপতিত্বে এবং পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজের অধ্যাপক ও অর্থনীতিবিদ ড. মুশতাক খান।

‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে জিয়াউর রহমানের স্বাধীন নির্জোট কূটনীতি’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) এ এন এম মনিরুজ্জামান। আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ডিফেন্স জার্নালের সম্পাদক আবু রূশদ এবং বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিষ্ঠান ব্রেইনের নির্বাহী পরিচালক ড. সফিকুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে বড় কাজটি করেছেন সেটি হল— বাংলাদেশের এ ভূ-খণ্ডের মানুষগুলোকে স্বকীয়তা দিয়েছেন, পরিচিতি দিয়েছেন, আইডেন্টিটি দিয়েছিলেন যে আমরা আলাদা। আমরা ওদের সঙ্গে এক নই, আমরা সম্পূর্ণ ভিন্ন। যা আমরা বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের মধ্যে দেখি৷’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিএনপি উদার গণতন্ত্রের প্রতিনিধিত্ব করে৷ বিএনপি ইজ এ পার্টি অফ লিবালের ডেমেক্রেসি৷ জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও অস্তিত্ব একাকার হয়ে গেছিল৷ জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর সেটা থাকবে কিনা তার জন্য মানুষ আতঙ্কিত হয়ে উঠছিল! আল্লাহর অশেষ রহমত বাংলাদেশের মানুষ সেখান থেকে সরে যায়নি৷ মানুষ বাংলাদেশকে হেফাজত করার জন্য সবসময় উঠেপড়ে লেগেছে৷ যেমন চব্বিশের জুলাইয়ে আবার উঠে দাড়িয়েছে, বাংলাদেশ উঠে দাঁড়াবার সুযোগ করে দিয়েছে’। তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কর্মসূচি ও কাজের মধ্যে জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি দেখতে পান বলেও মন্তব্য করেন।

সভাপতির বক্তব্যে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৫ এর আগের বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি, কূটনীতি, অর্থনীতি এবং একদলীয় শাসনব্যবস্থার কাঠামো থেকে বেরিয়ে বহুদলীয় শাসনব্যবস্থা, পশ্চিমমুখী অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার কাছে গ্রহণযোগ্যতা, মুসলিম বিশ্বের কাছে গ্রহণযোগ্যতা এবং সর্বশেষ বৃহৎ প্রতিবেশী ভারতকে সাথে নিয়ে সার্ক গঠন করা, দ্বিপাক্ষিক সমস্যাকে বহুপাক্ষিক ফোরামে নিয়ে সমাধান করার মাধ্যমে দেশকে সুসংহত করেচছেন।’

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে মেজর জেনারেল (অব.) এ এন এম মনিরুজ্জামান জিয়াউর রহমানের বড় শক্তিগুলোর সঙ্গে ভারসাম্য রক্ষা, অর্থনৈতিক স্বার্থ সংরক্ষণ, কৌশলগত স্বাধীনতা বজায় রাখা, সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়—নীতির বাস্তব প্রয়োগে গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি, পশ্চিমা দেশ, মুসলিম বিশ্ব এবং আঞ্চলিক প্রতিবেশীদের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বাধীন ও স্বতন্ত্র অবস্থান প্রতিষ্ঠার চেষ্টা এবং উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে পররাষ্ট্রনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ করে তোলেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ড. মুশতাক খান বলেন, ‘মুসলমানরা ভারত ভেঙেছে ৪৭ সালে, ভারত আমাদেরকে উদ্ধার করেছে ৭১ সালে তাই আমাদের প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে— এটা বাঙালি জাতীয়তাবাদের বয়ান। এ বয়ান ভেঙে বাঙালি জাতি ও বাঙালি মুসলমানকে মুক্তি দিয়েছে জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ।’

আলোচনায় অংশ নিয়ে আবু রূশদ বলেন, সবল প্রতিরক্ষানীতি ছাড়া সবল কুটনীতি হয় না। জিয়াউর রহমান একটা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে সামরিক ব্যবস্থার উন্নয়ন করে কূটনীতিকে শক্তিশালী করেছেন জিয়াউর রহমান৷ তাঁর আমলেই বাংলাদেশের সামরিক সক্ষমতা আগের চাইতে অনেকগুণ শক্তিশালী হয়।’

ড. সফিকুর রহমান বলেন, জিয়াউর রহমান গার্মেন্টস শিল্পকে গুরুত্ব দিয়েছেন, রপ্তানির ব্যবস্থা করেছেন। সার্ক গঠন করে রিজিওনাল ডেমোক্রেসিকে গুরুত্ব দিয়েছেন৷ উনি (জিয়াউর রহমান) একজন ন্যাশন বিল্ডার।

ফারুক ওয়াসিফ সূচনা বক্তব্যে বলেন, জিয়াউর রহমানকে দেশের একমাত্র মুক্তিযোদ্ধা শাসক ছিলেন। তাই তাঁকে সামরিক শাসক আখ্যায়িত করা একটা বিকৃত বয়ানমাত্র।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
তারিখ: ৪ জুন ২০২৬

03/06/2026

আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ ১ জুন রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ঢাকায় তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। ২ জুন ভোলায় জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। ভোলায় তাঁর জানাজাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।

একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, ভোলায় তোফায়েল আহমেদের জানাজায় সেনাবাহিনী বাধা দিলে জনতা সেনাবাহিনীর ওপর হামলা চালায়। অন্য একটি ভিডিওর ক্যাপশনে বলা হয়েছে, জানাজাকে কেন্দ্র করে ভোলা শহর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। আরেকটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, জানাজায় যেতে সাধারণ মানুষকে বাধা দিচ্ছেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা। ভিডিওগুলো আওয়ামীপন্থী বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করতে দেখা যায়।

বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ছড়ানো এই ভিডিওগুলোর সাথে তোফায়েল আহমেদের জানাজার কোনো সম্পর্ক নেই। পুরোনো ও ভিন্ন ভিন্ন ঘটনার ভিডিও দিয়ে তোফায়েল আহমেদের জানাজাকে কেন্দ্র করে ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে রাজনৈতিকভাবে সহানুভূতি পাওয়ার চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী: আলোচনা সভা ও সংবাদপত্র প্রদর্শনী
02/06/2026

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী: আলোচনা সভা ও সংবাদপত্র প্রদর্শনী

Address

3 Circuit House Road
Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+880241032913

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Press Institute Bangladesh - PIB posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Press Institute Bangladesh - PIB:

Share