Jamal Tel 01

Directions Website

Jamal Tel 01 Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Jamal Tel 01, dhaka, Dhaka.

👉নতুন ইউজার সব সময় আমার সাথে থাকে👈

👉আমি নতুন ইউজার নিয়ে কাজ করতেছি 👈

👉ইনশাআল্লাহ সবাই ফেসবুকে সফল হবেন 👈

Reel-07:30am

Reel-10:30am
Photo-02:30
Text-03:00pm
Reel-08:30pm
Reel-10:30pm
Reel-11:30pm

02/10/2026

দৃশ্য: স্ক্রিনে আপনার ইউটিউব চ্যানেলের অ্যানিমেটেড থাম্বনেইল ভেসে উঠবে। চ্যানেল/ভিডিওর মূল বিষয়টি ফুটিয়ে তোলার জন্য একটি সুন্দর ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক বা ভয়েসওভার প্লে হবে।
ভয়েসওভার: "স্বাগতম আমাদের নতুন পর্বে! আজ আমরা দেখবো একটি ভালোবাসার ও আবেগের গল্প..."
দৃশ্য ২: প্রথম সিন (পারিবারিক বা মূল পটভূমি)
দৃশ্য: কার্টুন ক্যারেক্টারগুলোকে তাদের নিজস্ব পরিবেশে দেখা যাবে (যেমন: ঘরের ভেতর বা কোনো বিশেষ স্থান)। যেখানে গল্প বা পর্বের মূল বিষয়বস্তুর সূচনা ঘটবে।
অ্যানিমেশন অ্যাকশন: ক্যারেক্টারগুলো নিজেদের মধ্যে কথা বলছে বা মূল কাহিনীর সূচনা করছে।

02/10/2026

চরিত্র:
* আসিফ: একটু চঞ্চল ও সবসময় খাবারের চিন্তায় থাকে।
* রাহাত: শান্ত প্রকৃতির, আসিফের বেশ পুরোনো বন্ধু।
দৃশ্য ১: পার্কের রাস্তা
(বিকেলের মিষ্টি আলো। আসিফ বেঞ্চে বসে ফোনের দিকে তাকিয়ে ছিল। রাহাত এসে পেছন থেকে আসিফের কাঁধে হাত রাখল।)
রাহাত: কী রে আসিফ! কতদিন পর দেখা, অথচ এখনো ফোনের ভেতর ডুবে আছিস?
আসিফ: (এক গাল হেসে উঠে দাঁড়িয়ে রাহাতকে জড়িয়ে ধরে) আরে রাহাত! দূর থেকে দেখে চিনতেই পারিনি রে। কেমন আছিস বল?
রাহাত: এইতো চলছে কোনোমতে। পার্কের আবহাওয়াটা কিন্তু আজ দারুণ! চল, হাঁটতে হাঁটতে গল্প করি।
(দুজন পার্কের সবুজ ঘাসের ওপর দিয়ে হাঁটতে শুরু করে)
আসিফ: সত্যিই, আজকাল কাজের চাপে তোকে যে একটা ফোন দেব, সেই সময়টাও পাই না। আগের মতো সেই প্রতিদিনের আড্ডাগুলো সত্যি খুব মিস করি।
রাহাত: একদম তাই। শেষবার যখন দেখা হলো, তখন আমরা কলেজের লাস্ট ইয়ারে ছিলাম। তুই তো এখন পুরো কর্পোরেট অফিসার!
আসিফ: ধুর ছাই, ওসব কথা ছাড় তো! বাতাসে কিসের যেন একটা চমৎকার গন্ধ আসছে না?
রাহাত: (হেসে ফেলে) তোর কানের চেয়ে নাকের তেজ এখনো বেশি দেখছি! বাতাস না, রাস্তার ওপাশেই একটা ভালো রেস্টুরেন্ট আছে।
দৃশ্য ২: একটি উষ্ণ ও শান্ত রেস্টুরেন্ট
(টেবিলে আসিফ ও রাহাত মুখোমুখি বসে আছে। ওয়েটার মেনুকার্ড দিয়ে গেল।)
আসিফ: (মেনুকার্ডে চোখ বুলিয়ে) শোন, হেঁটে হেঁটে আমার পেট একদম ফাঁকা। আজ কোনো ডায়েট নয়, পুরোদমে খাব! বিফ কাচ্চি না কি বাটার চিকেন আর নান?
রাহাত: তোর যা ইচ্ছা অর্ডার দে। তবে গল্প বন্ধ করিস না। তোর সেই অফিস ডেস্কে বসে কাজ করার মজার গল্পটা বল তো...
আসিফ: (উৎসুক হয়ে) আরে শোন, প্রথম দিনেই আমি ম্যানেজারের চেয়ারে গিয়ে বসে পড়েছিলাম!
(উভয়ে একসাথে হেসে ওঠে। ওয়েটার এসে খাবারের অর্ডার নিয়ে যায়। ব্যাকগ্রাউন্ডে নরম মিউজিক বাজছে, আর দুই বন্ধু মেতে ওঠে পুরোনো দিনের স্মৃতি আর নতুন জীবনের রঙিন গল্পে...)

01/10/2026

অবশেষে কত বছর পর যে দেখা হলো! ❤️
আজকের ভিডিওটা একটু বেশিই স্পেশাল। আমার অনেকদিনের পুরানো বন্ধু বিদেশ থেকে দেশে

30/09/2026

বন্ধু ২: হ্যাঁ রে! চারপাশটা দেখেছিস? কী সুন্দর জঙ্গল! মনে হচ্ছে আমরা কোনো সিনেমার মধ্যে চলে এসেছি! 😂

28/09/2026

দৃশ্যপট: দুবাইয়ের রাস্তার পাশে ফুটপাত ধরে হাঁটতে হাঁটতে কথা বলছে দুই পুরনো বন্ধু—আলম আর জামাল। দুজনেই বেশ আনন্দিত।
আলম: (হাসিমুখে জামালকে জড়িয়ে ধরে) কত দিন পর তোর সাথে এভাবে দেখা হলো রে জামাল! বিশ্বাসই হচ্ছে না তুই আজ আমার সামনে দাঁড়িয়ে!
জামাল: একদম সত্যি কথা! শেষ কবে যে দেশে একসাথে বসেছিলাম, মনেই পড়ে না। প্রবাসের এই ব্যস্ত জীবনে তো নিজের জন্য সময় বের করাই কঠিন, আর আজ তোকে হঠাৎ পেয়ে মনটাই ভালো হয়ে গেল।
আলম: কাজের ঝামেলা তো সারা জীবনই থাকবে। চল আজ কোনো তাড়াহুড়ো নেই। গল্প করতে করতে সামনের ওই রেস্টুরেন্টটায় ঢুকি, আজ পেট পুরে খানা খাব আর চুটিয়ে আড্ডা দেব!
জামাল: বাহ্! দারুণ প্রস্তাব। অনেক দিন হলো দুবাইতে ভালো করে একবেলা একসাথে খাওয়া হয়নি। চল, আজ পুরো পুরনো দিনের স্মৃতির পাতাগুলো উল্টাব!

27/09/2026

বন্ধুর সাথে অনেকদিন পরে দেখা

27/09/2026

নদীর পাড়ে বন্ধুদেরকে নিয়ে হাঁটতে খুবই মজা

27/09/2026

দুপুরের রোদটা একটু থিতিয়ে আসতেই কামাল রেস্টুরেন্টের কাঁচের দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকলো। কোণার টেবিলটায় বসে ফোন ঘাঁটছিল জামাল। কামালকে দেখেই সে লাফিয়ে উঠে একটা জোর কোলাকুলি করলো। কত বছর পর দেখা!
"কিরে জামাল! চেহারা তো মাশাল্লাহ পুরো পাল্টে ফেলেছিস," হাসতে হাসতে বললো কামাল।
জামালও পিঠ চাপড়ে জবাব দিল, "তোর মাথার চুলগুলো যা কমেছে কামাল, তাতে তোকে চিনতেই আমার দুই সেকেন্ড বেশি লেগেছে!"
দুই বন্ধু চেয়ারে বসে গরম গরম পরোটা, ডিম ভাজি আর ঘন দুধ চা অর্ডার করলো। নাশতা আসার পর শুরু হলো স্মৃতির ঝাপি খোলা। স্কুলের স্যারদের নকল করা, পুরোনো বন্ধুদের খবর, আর নিজেদের বর্তমান ব্যস্ততা—সবকিছুর গল্পে যেন সময় এক পলকে থমকে গেল।
গরম চায়ে শেষ চুমুক দিয়ে জামাল টেবিলের বিল মেটাতে গেল। কিন্তু কামাল আগেই পকেট থেকে টাকা বের করে ওয়েটারের হাতে গুঁজে দিল।
"আজ একদম তর্ক করবি না, এই পাওনাটা অনেকদিনের জমা ছিল," কাচুমাচু মুখে কামাল হাসলো।

26/09/2026

অফিসের ভেতরের দৃশ্য (সকালবেলা)
(অ্যানিমেশন ভিউ): একটি আধুনিক ও সাজানো অফিস। টেবিলে ল্যাপটপ, কিছু পেপারস এবং কফির কাপ রাখা। রহিম ল্যাপটপে ঘাম মুছে শেষ ক্লিকটি করল।
(সাউন্ড ইফেক্ট): ল্যাপটপের কিবোর্ডের ঝড়ের মতো শব্দ, তারপর একটি মিষ্টি ‘ডিং’ শব্দ (প্রজেক্ট সাবমিট হওয়ার নোটিফিকেশন)।
রহিম: (বুক চিরে লম্বা একটা শ্বাস ছেড়ে, হাত দুটো ওপরে তুলে)
"যাক বাবা! বাঘের মুখ থেকে বেঁচে ফিরলাম! টানা তিন দিন, তিন রাত না ঘুমিয়ে অবশেষে 'মেগা প্রজেক্ট' সাবমিট হয়ে গেল! ঈশ্বর, তুমি আছো!"
(এমন সময় দরজায় সশব্দে প্রবেশ করলেন ম্যাডাম। হাতে স্টাইলিশ কফির কাপ, পরনে গাম্ভীর্যপূর্ণ স্যুট। চোখের চশমাটা আঙুল দিয়ে ওপরে তুললেন।)
বস (শারমিন): (গম্ভীর কণ্ঠে)
"কী রহিম সাহেব? একা একাই ঈশ্বরকে ডাকছেন? কাজ শেষ হয়েছে, নাকি খালি সার্ভিস সেন্টারের ফ্যানের মতো ঘুরছেন?"
রহিম: (চমকে উঠে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে)
"আরে বস! শুভ সকাল! একদম পারফেক্ট টাইমে এসেছেন! আপনি জাস্ট মাউসের ক্লিকটা দেখুন—আমাদের ক্লায়েন্টের পোর্টালে প্রজেক্ট সাবমিটেড! অল ডান ম্যাডাম!"

Address

Dhaka
Dhaka
DHAKA

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jamal Tel 01 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share