02/10/2026
চরিত্র:
* আসিফ: একটু চঞ্চল ও সবসময় খাবারের চিন্তায় থাকে।
* রাহাত: শান্ত প্রকৃতির, আসিফের বেশ পুরোনো বন্ধু।
দৃশ্য ১: পার্কের রাস্তা
(বিকেলের মিষ্টি আলো। আসিফ বেঞ্চে বসে ফোনের দিকে তাকিয়ে ছিল। রাহাত এসে পেছন থেকে আসিফের কাঁধে হাত রাখল।)
রাহাত: কী রে আসিফ! কতদিন পর দেখা, অথচ এখনো ফোনের ভেতর ডুবে আছিস?
আসিফ: (এক গাল হেসে উঠে দাঁড়িয়ে রাহাতকে জড়িয়ে ধরে) আরে রাহাত! দূর থেকে দেখে চিনতেই পারিনি রে। কেমন আছিস বল?
রাহাত: এইতো চলছে কোনোমতে। পার্কের আবহাওয়াটা কিন্তু আজ দারুণ! চল, হাঁটতে হাঁটতে গল্প করি।
(দুজন পার্কের সবুজ ঘাসের ওপর দিয়ে হাঁটতে শুরু করে)
আসিফ: সত্যিই, আজকাল কাজের চাপে তোকে যে একটা ফোন দেব, সেই সময়টাও পাই না। আগের মতো সেই প্রতিদিনের আড্ডাগুলো সত্যি খুব মিস করি।
রাহাত: একদম তাই। শেষবার যখন দেখা হলো, তখন আমরা কলেজের লাস্ট ইয়ারে ছিলাম। তুই তো এখন পুরো কর্পোরেট অফিসার!
আসিফ: ধুর ছাই, ওসব কথা ছাড় তো! বাতাসে কিসের যেন একটা চমৎকার গন্ধ আসছে না?
রাহাত: (হেসে ফেলে) তোর কানের চেয়ে নাকের তেজ এখনো বেশি দেখছি! বাতাস না, রাস্তার ওপাশেই একটা ভালো রেস্টুরেন্ট আছে।
দৃশ্য ২: একটি উষ্ণ ও শান্ত রেস্টুরেন্ট
(টেবিলে আসিফ ও রাহাত মুখোমুখি বসে আছে। ওয়েটার মেনুকার্ড দিয়ে গেল।)
আসিফ: (মেনুকার্ডে চোখ বুলিয়ে) শোন, হেঁটে হেঁটে আমার পেট একদম ফাঁকা। আজ কোনো ডায়েট নয়, পুরোদমে খাব! বিফ কাচ্চি না কি বাটার চিকেন আর নান?
রাহাত: তোর যা ইচ্ছা অর্ডার দে। তবে গল্প বন্ধ করিস না। তোর সেই অফিস ডেস্কে বসে কাজ করার মজার গল্পটা বল তো...
আসিফ: (উৎসুক হয়ে) আরে শোন, প্রথম দিনেই আমি ম্যানেজারের চেয়ারে গিয়ে বসে পড়েছিলাম!
(উভয়ে একসাথে হেসে ওঠে। ওয়েটার এসে খাবারের অর্ডার নিয়ে যায়। ব্যাকগ্রাউন্ডে নরম মিউজিক বাজছে, আর দুই বন্ধু মেতে ওঠে পুরোনো দিনের স্মৃতি আর নতুন জীবনের রঙিন গল্পে...)