হাজী আলীম স্মৃতি সংসদ

হাজী আলীম স্মৃতি সংসদ social work

সয়াবিন তেল আমাদের রান্নায় বহুল ব্যবহৃত হলেও, অতিরিক্ত বা ভুল উপায়ে সয়াবিন তেল ব্যবহার করলে স্বাস্থ্যের কিছু ক্ষতি হতে পা...
05/07/2026

সয়াবিন তেল আমাদের রান্নায় বহুল ব্যবহৃত হলেও, অতিরিক্ত বা ভুল উপায়ে সয়াবিন তেল ব্যবহার করলে স্বাস্থ্যের কিছু ক্ষতি হতে পারে। নিচে প্রধান ক্ষতিকারক দিকগুলো আলোচনা করা হলো:
১. অতিরিক্ত ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ইনফ্লামেশন
সয়াবিন তেলে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। আমাদের শরীরের জন্য ওমেগা-৩ এবং ওমেগা-৬ এর ভারসাম্য থাকা জরুরি। কিন্তু খাবারে ওমেগা-৬ এর পরিমাণ খুব বেশি হয়ে গেলে শরীরে দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহ বা ইনফ্লামেশন (Inflammation) তৈরি হতে পারে, যা হৃদরোগ, বাতের ব্যথা এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়।
২. হৃদরোগের ঝুঁকি (অক্সিডেশন ও ট্রান্স ফ্যাট)
* অক্সিডেশন: সয়াবিন তেল উচ্চ তাপমাত্রায় গরম করলে খুব দ্রুত ভেঙে যায় এবং অক্সিডাইজড হয়ে মুক্ত মৌল বা 'ফ্রি র‍্যাডিকেল' তৈরি করে। এই ফ্রি র‍্যাডিকেল ধমনীর ক্ষতি করে।
* ট্রান্স ফ্যাট: এই তেল রিফাইন বা পরিশোধনের প্রক্রিয়ায় এবং অতিরিক্ত হাই-হিটে (যেমন ডুবো তেলে ভাজা) বারবার ব্যবহার করলে ক্ষতিকর ট্রান্স ফ্যাট তৈরি হতে পারে, যা রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) বাড়ায় এবং ভালো কোলেস্টেরল (HDL) কমায়।
৩. ওজন বৃদ্ধি ও মেদ জমা
সয়াবিন তেল অত্যন্ত ক্যালরি-সমৃদ্ধ। অতিরিক্ত সয়াবিন তেলে রান্না করা খাবার নিয়মিত খেলে শরীরের ওজন দ্রুত বাড়তে পারে এবং বিশেষ করে পেটে চর্বি জমার সম্ভাবনা থাকে।
৪. লিভারের কার্যক্ষমতায় প্রভাব
অতিরিক্ত ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড ফ্যাটি লিভারের সমস্যা তৈরি করতে পারে। প্রক্রিয়াজাত সয়াবিন তেল অতিরিক্ত গ্রহণের ফলে লিভারে চর্বি জমে এর স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ব্যাহত হতে পারে।
৫. প্রসেসিং ও কেমিক্যালের ব্যবহার
বাজারের সাধারণ সয়াবিন তেল নিষ্কাশন ও পরিশোধনের (Refining) সময় উচ্চ তাপমাত্রা এবং বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান (যেমন হেক্সেন) ব্যবহার করা হয়। এর ফলে তেলের প্রাকৃতিক পুষ্টিগুণ অনেকাংশেই নষ্ট হয়ে যায়।
> টিপস: রান্নায় ক্ষতি এড়াতে অতিরিক্ত তেল খাওয়া কমানো উচিত। এছাড়া সয়াবিন তেলের পাশাপাশি রান্নায় মাঝেমধ্যে সরিষার তেল, রাইস ব্র্যান অয়েল বা এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল (হালকা রান্নার জন্য) ব্যবহার করে তেলের উৎসে বৈচিত্র্য আনা স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী

রিযিক বরকতের দোয়া।  #রিযিক
05/07/2026

রিযিক বরকতের দোয়া।
#রিযিক

04/07/2026

মালেশিয়ার সুন্দর একটি মসজিদ চারপাশে কৃতিম তৈরি লেক।

১৯২০ সালের ঢাকার বূড়িগিঙ্গা নদীর একটা অংশ।
04/07/2026

১৯২০ সালের ঢাকার বূড়িগিঙ্গা নদীর একটা অংশ।

১৮ই রমজান মানেই লালবাগের ইতিহাসের এক বিষাদময় ও কলঙ্কিত অধ্যায়, যা আজও এলাকাবাসীর হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটায়। ১৯৯৬ সালের ৮ই ফেব...
08/03/2026

১৮ই রমজান মানেই লালবাগের ইতিহাসের এক বিষাদময় ও কলঙ্কিত অধ্যায়, যা আজও এলাকাবাসীর হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটায়। ১৯৯৬ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারি, পবিত্র রমজান মাসের সেই ১৮তম দিনে যখন সারা বাংলার ধর্মপ্রাণ মানুষ ইফতারের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, ঠিক সেই মুহূর্তে লালবাগের মাটি ভিজেছিল তাদের প্রিয় নেতা, ২৬ নং ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার হাজী আলিমের রক্তে। ইফতারের আগমুহূর্তে চান তারা মসজিদের সামনে একদল নৃশংস ঘাতক ওত পেতে ছিল মানবতার এই সেবককে চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য। অত্যন্ত নির্মমভাবে তাঁকে কুপিয়ে ও গুলি করে রাজপথেই হত্যা করা হয়, যা কেবল একজন ব্যক্তি হাজী আলিমের মৃত্যু ছিল না, বরং ছিল লালবাগের আপামর জনগণের আস্থার এক অতলস্পর্শী বিনাশ। তিনি ছিলেন সাধারণ মানুষের বিপদের বন্ধু, যাঁর কাছে গেলে কেউ কোনোদিন খালি হাতে ফিরত না; অথচ ঘাতকের বুলেট ও ধারালো অস্ত্র তাঁকে সময় দেয়নি পরিবারের সাথে শেষ ইফতারি করার। দীর্ঘ কয়েক দশক পেরিয়ে গেলেও আজও লালবাগের অলিগলি হাজী আলিমের সেই অমায়িক হাসি আর নিঃস্বার্থ জনসেবার স্মৃতি বয়ে বেড়ায়। প্রতি বছর ১৮ই রমজান এলে তাঁর অভাব যেন আরও তীব্রভাবে অনুভূত হয়, বুকফাটা আর্তনাদ ওঠে স্বজন ও ভক্তদের হৃদয়ে। ঘাতকরা তাঁকে শারীরিকভাবে সরিয়ে দিলেও লালবাগের মানুষের হৃদয় থেকে তাঁর নাম মুছে ফেলতে পারেনি; বরং প্রতিটি ইফতারের মোনাজাতে আজও হাজারো মানুষ চোখের জলে স্মরণ করে তাদের প্রিয় এই নেতাকে। হাজী আলিমের ৩০তম শাহাদাত বার্ষিকীতে আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি এবং প্রার্থনা করি যেন পরকালে তিনি জান্নাতুল ফেরদাউসের সর্বোচ্চ মাকাম লাভ করেন—এই শোকাতুর দিনে তাঁর আদর্শই হোক আমাদের আগামীর প্রেরণা।

11/02/2026

বাংলাদেশের ৫০ শতাংশ মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে মেটাকুলাশ ডিজাইন নির্বাচন সবাই বর্জন করুন।

✨ পবিত্র শবে বরাতের মহিমা ও শুভেচ্ছা ✨"হে আল্লাহ, এই বরকতময় রাতে আমাদের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দিন এবং আমাদের রিজিক ও হায়াত...
04/02/2026

✨ পবিত্র শবে বরাতের মহিমা ও শুভেচ্ছা ✨
"হে আল্লাহ, এই বরকতময় রাতে আমাদের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দিন এবং আমাদের রিজিক ও হায়াতে বরকত দান করুন। আমীন।"

আজ সেই মহিমান্বিত রাত, যা আমাদের ক্ষমা ও ইবাদতের বার্তা নিয়ে আসে। শবে বরাত বা লাইলাতুল বরাত হলো মুক্তির রাত, তওবার রাত এবং আল্লাহর অশেষ রহমত পাওয়ার রাত। 🌙

এই রাতের গুরুত্ব:
ক্ষমার সুযোগ: এই রাতে মহান আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের প্রতি বিশেষ রহমত বর্ষণ করেন এবং তওবাকারীদের ক্ষমা করেন।

ইবাদত ও দোয়া: নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত এবং জিকিরের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের অন্যতম সময়।

পরস্পরের জন্য দোয়া: আসুন আজ আমরা নিজের জন্য, পরিবারের জন্য এবং পুরো উম্মাহর শান্তির জন্য দুআ করি।

"আল্লাহ তাআলা মধ্য শাবানের রাতে তাঁর সৃষ্টির প্রতি দৃষ্টিপাত করেন এবং মুশরিক ও হিংসুক ব্যতীত সকলকে ক্ষমা করে দেন।" (ইবনে মাজাহ)

সবাইকে পবিত্র শবে বরাতের আন্তরিক মোবারকবাদ। আসুন, হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে আমরা একে অপরের কল্যাণে কাজ করি এবং আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন হই।

আপনার ও আপনার পরিবারের জন্য রইল অনেক অনেক দোয়া। আমাদের জন্য দোয়া করবেন। 🤲✨

05/08/2025

ফজরের নামাজের (সুবহে সাদিকের পর) সাথে শারীরিক ও মানসিক প্রশান্তির একটি গভীর সম্পর্ক রয়েছে, যা শুধু ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকেই নয় বরং আধুনিক বিজ্ঞান থেকেও প্রমাণিত হয়েছে। নিচে এ বিষয়ে বিস্তারিত দেওয়া হলো:



🔹 ইসলামিক দৃষ্টিকোণ:
1. আল্লাহর নিকটবর্তী হওয়া: ফজরের সময় ইবাদত করা মানুষকে আল্লাহর আরও নিকটবর্তী করে, যা মানসিক প্রশান্তি আনে।
2. বরকতের সময়: হাদীসে বলা হয়েছে, ফজরের সময় বরকতের সময়। এ সময়ের দোয়া কবুল হয়।
3. দিনের শুরু আল্লাহর স্মরণে: দিন শুরু হয় স্রষ্টার স্মরণে, যা মানসিক স্থিরতা আনে।



🔹 বিজ্ঞান কী বলে?

✅ ১. সার্কাডিয়ান রিদম ও ঘুমের বিজ্ঞান:
• ফজরের নামাজ সকালে ওঠার অভ্যাস তৈরি করে, যা সার্কাডিয়ান রিদম বা জীবঘড়ির সাথে মিল রেখে চলে।
• বিজ্ঞান বলছে, ভোরে ওঠা ও সূর্যোদয়ের সময় আলো দেখার মাধ্যমে মস্তিষ্কে সেরোটোনিন নিঃসরণ হয়, যা আমাদের মেজাজ ভালো রাখে এবং মানসিক চাপ কমায়।

✅ ২. মানসিক স্বাস্থ্য ও স্ট্রেস হ্রাস:
• নামাজ একটি ধ্যানময় প্রক্রিয়া। এতে শ্বাসপ্রশ্বাস, মনোযোগ এবং একাগ্রতা বাড়ে।
• গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত নামাজ পড়েন, বিশেষ করে ফজরের সময়, তাদের মধ্যে স্ট্রেস, উদ্বেগ (anxiety), এবং বিষণ্নতা (depression) কম থাকে।

✅ ৩. শরীরচর্চার মতো উপকার:
• ফজরের নামাজে রুকু, সিজদা, কিয়াম ইত্যাদি শারীরিক অঙ্গচালনা হয়, যা হালকা শরীরচর্চার মতো কাজ করে।
• এতে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, পেশি সক্রিয় হয় এবং শরীর চনমনে থাকে।

✅ ৪. সকালে ধ্যান ও প্রশান্তি:
• গবেষকরা বলছেন, সকালে ৫–৭টার মধ্যে ধ্যান বা প্রার্থনা করলে মন এবং মস্তিষ্ক বেশি সক্রিয় হয়।
• নামাজ একধরনের সক্রিয় ধ্যান (active meditation), যার মাধ্যমে মানসিক শক্তি বাড়ে।



🔬 বৈজ্ঞানিক গবেষণার কিছু সূত্র:
• Harvard Medical School ও Stanford University-এর গবেষণায় প্রমাণিত, সকালে ধ্যান, প্রার্থনা বা নামাজ মস্তিষ্কে ডোপামিন বাড়ায়, যা আনন্দের অনুভূতি জাগায়।
• Journal of Religion and Health-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যারা নিয়মিত প্রার্থনা করে তাদের মানসিক স্থিতি ও সামাজিক আচরণ উন্নত হয়।

শোক সংবাদপলাশি নিবাসি হাজী আহমেদ ইন্তেকাল করেছেন।আল্লাহ মরুহুম জান্নাতবাসী করুন।
20/04/2025

শোক সংবাদ
পলাশি নিবাসি হাজী আহমেদ ইন্তেকাল করেছেন।
আল্লাহ মরুহুম জান্নাতবাসী করুন।

শহীদ হাজী আব্দুল আলিম ঈদগাহ মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতর ঈদের জামাত সকাল ৭ টায় অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৬:৩০ টায় খুতবা শুরু হবে।
29/03/2025

শহীদ হাজী আব্দুল আলিম ঈদগাহ মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতর ঈদের জামাত সকাল ৭ টায় অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৬:৩০ টায় খুতবা শুরু হবে।

Address

Lalbag Road
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হাজী আলীম স্মৃতি সংসদ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share