30/04/2026
পার্বতীপুর, দিনাজপুর। সময় দুপুর ১টা ১৭ মিনিট।
একটি সাধারণ নলকূপ—মাত্র ৬০ ফুট গভীরতায়—হঠাৎ অস্বাভাবিক কিছু ঘটল। পানি নয়, উপচে উঠতে লাগল কেরোসিনের মতো তরল।
সরকারি বক্তব্য ছিল শান্ত: “সামান্য তেল নিঃসরণ, নিরাপত্তার জন্য এলাকা সিল করা হয়েছে।”
কিন্তু গ্রামবাসীর চোখে দৃশ্যটা ছিল ভিন্ন—
“আমাদের মাটিই যেন জ্বালানির রক্ত ঝরাচ্ছে!”
তারপর শুরু হলো তৎপরতা—
পুলিশ, দমকল, খনি বিভাগের লোকজন দ্রুত পৌঁছে গেল। নমুনা পরীক্ষা করে পাওয়া গেল হাইড্রোকার্বনের উপস্থিতি। কিন্তু এরপর? জায়গাটি কংক্রিট দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হলো। কোনো গভীর অনুসন্ধান নয়, কোনো আধুনিক জরিপ নয়। ফাইল ঢাকায় পাঠানো হলো—আর তারপরই নিস্তব্ধতা।
এই ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে আছে আরও পুরনো এক রহস্য। প্রায় ৩৫ বছর আগে, তেঁতুলিয়ায় একটি বিদেশি কোম্পানি বাণিজ্যিকভাবে তেলের সন্ধান পেয়েছিল। কয়েকদিন ধরে আগুন জ্বলেছিল সেখানে। তারপর এক রাতের অন্ধকারে—হেলিকপ্টার, সিমেন্ট, আর সবকিছু চাপা পড়ে যায় চুপচাপ।
আজ প্রশ্নগুলো আবার সামনে আসছে—
কেন সম্ভাবনাময় স্থানগুলোতে পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান হয় না?
কেন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনগুলো অদৃশ্য হয়ে যায়?
আমরা কি সত্যিই নিজের সম্পদের ওপর বসে থেকেও আমদানির ওপর নির্ভরশীল?
একদিকে সম্ভাব্য বিশাল জ্বালানি মজুদ, অন্যদিকে প্রতি বছর বিপুল অর্থ খরচ করে আমদানি—এই দ্বন্দ্বের উত্তর কোথায়?
আপনার কী মনে হয়—এগুলো শুধুই কাকতালীয়, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে বড় কোনো অজানা গল্প?
#কপি পোস্ট।