সাইতাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস, চিরিরবন্দর, দিনাজপুর

  • Home
  • Bangladesh
  • Dinajpur
  • সাইতাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস, চিরিরবন্দর, দিনাজপুর

সাইতাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস, চিরিরবন্দর, দিনাজপুর দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর উপজেলার সাইতাড়া ইউনিয়নের ভূমি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ‌্যাবলি পাওয়া যাবে এই পেইজ থেকে।

📚একই জমি দুইবার বিক্রি বা রেজিস্ট্রি হলে করণীয়​আপনার অজান্তে বা জালিয়াতি করে কোনো জমি যদি একাধিক ব্যক্তির নামে দলিল (রেজ...
04/08/2026

📚একই জমি দুইবার বিক্রি বা রেজিস্ট্রি হলে করণীয়

​আপনার অজান্তে বা জালিয়াতি করে কোনো জমি যদি একাধিক ব্যক্তির নামে দলিল (রেজিস্ট্রি) করা হয়, তবে আইনত কে হবে জমির আসল মালিক?

উত্তরটা খুব সহজ—
"যে আগে দলিল করেছে, জমি তারই!"

​তবে এর পেছনে আইন ও হাইকোর্টের শক্ত নজির বা সিদ্ধান্ত রয়েছে।

​আইন কী বলে?

​১। হস্তান্তর আইন (Transfer of Property Act, 1882) এর ৪৮ ধারা:

এই ধারায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, একই সম্পত্তি যদি একাধিকবার হস্তান্তর করা হয়, তবে যেটি পূর্বে (Prior in time) সম্পাদিত বা রেজিস্ট্রি হয়েছে, সেটির দাবি পরবর্তী দলিলের দাবির চেয়ে অগ্রাধিকার পাবে।

কারণ- বিক্রেতা একবার জমি বিক্রি করে ফেললে সেই জমিতে তার আর কোনো অধিকার বা স্বত্ব থাকে না। পরবর্তীতে আবার সেই জমি বিক্রি করলে সেই দ্বিতীয় দলিলের কোনো আইনী মূল্যায়ণ থাকে না।

​২। রেজিস্ট্রেশন আইন (Registration Act, 1908) এর ৪৭ ধারা:

দলিল নিবন্ধনের তারিখ যা-ই হোক না কেন, দলিল সম্পাদনের (Ex*****on) তারিখ থেকেই তা কার্যকর বলে গণ্য হবে।

অর্থাৎ, আপনি যদি আজ চুক্তিপত্র বা দলিলে সই করেন এবং মাসখানেক পর রেজিস্ট্রি করেন, তবে দলিলের কার্যকারিতা আজ থেকেই শুরু হবে।

উচ্চ আদালতের নজির (Landmark Precedents):

​38 DLR (AD) 165 (Abdul Ghani vs. Sahadat Hossain):

আপিল বিভাগ রায় দিয়েছেন যে, আইন অনুযায়ী প্রথম সম্পাদিত দলিলটিই অগ্রাধিকার পাবে। প্রথম বিক্রির পর বিক্রেতার হাতে আর কোনো স্বত্ব বা অধিকার থাকে না যা তিনি দ্বিতীয় ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করতে পারেন।

​52 DLR 543:
পূর্বে সম্পাদিত রেজিস্ট্রিকৃত দলিল সবসময়ই পরবর্তীতে সম্পাদিত দলিলের ওপর অগ্রাধিকার (Priority) পাবে।

সংক্ষিপ্ত সারকথা:
​১। প্রথম দলিল টিকবে:
আইন অনুযায়ী প্রথম বৈধ দলিলটিই কার্যকর ও টেকসই হবে।

২। দ্বিতীয় দলিল বাতিলযোগ্য:
দ্বিতীয় দলিলটি আইনি পরিভাষায় Void বা বাতিলযোগ্য।

৩। প্রতিকার: দ্বিতীয় দলিল গ্রহীতা প্রতারণার শিকার হলে তিনি প্রতারক বিক্রেতার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা (Penal Code 420/468/471) করতে পারবেন এবং দেওয়ানি আদালতে গিয়ে 'দলিল বাতিলের মামলা' (Cancellation of Deed) দায়ের করতে পারবেন।

মেহেদী হাসান প্রামাণিক

ঈদ মোবারক
27/05/2026

ঈদ মোবারক

নাবালকের আইনগত অভিভাবক এবং নাবালকের সম্পত্তি বিক্রয়ের পদ্ধতিঃ নাবালক কাকে বলে?সাবালকত্ব আইন ১৮৭৫ এর ৩ ধারা অনুযায়ী ১৮ বছ...
25/05/2026

নাবালকের আইনগত অভিভাবক এবং নাবালকের সম্পত্তি বিক্রয়ের পদ্ধতিঃ

নাবালক কাকে বলে?
সাবালকত্ব আইন ১৮৭৫ এর ৩ ধারা অনুযায়ী ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে সবাই নাবালক এবং কোন নাবালকের জন্য যদি গার্ডিয়ান এন্ড ওয়ার্ডস এ্যাক্টের অধীনে আদালত কর্তৃক অভিভাবক নিযুক্ত করা হয় তাহলে সেই নাবালকের বয়স ২১ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত সে নাবালক হিসেবে গন্য হবে। অর্থাৎ সাধারণভাবে ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে সবাই নাবালক।

এখন, ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ১১ ধারা এবং ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী নাবালক নিজে কোন চুক্তি করতে পারে না কিংবা সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে না।

অপরদিকে, রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর ৩৫ ধারা মতে কোন নাবালক দলিল সম্পাদন করতে পারে না।

মুসলিম নাবালকের অভিভাবক:
মুসলিম পারিবারিক আইন, ১৯৬১ অনুযায়ী নাবালকের স্বাভাবিক অভিভাবক হলেন পিতা। তবে নাবালকের সার্বিক কল্যাণের কথা চিন্তা করে, মাকে নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত সন্তানের জিম্মাদারের অধিকার দেওয়া হয়েছে। ছেলে শিশুকে ৭ বছর এবং মেয়ে শিশুকে তার বয়ঃসন্ধিকাল পর্যন্ত মা জিম্মায় রাখার অধিকারী।

নাবালকের সম্পত্তির অভিভাবকের ক্ষেত্রে পিতা, পিতা কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি, দাদা, দাদা কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি এভাবে পর্যায়ক্রমে অগ্রগণ্য হবে।

হিন্দু নাবালকের অভিভাবক:
হিন্দু নাবালকের স্বাভাবিক অভিভাবক পিতা এবং মাতা উভয়ই। তবে পিতা যদি তার জীবদ্দশায় কাউকে অভিভাবক নিযুক্ত করে যায় তাহলে মায়ের তুলনায় সেই অভিভাবকের দাবি অগ্রগণ্য হবে।

এছাড়া কেউ চাইলে আদালতের মাধ্যমে গার্ডিয়ান এন্ড ওয়ার্ডস এ্যাক্টের অধীনে হিন্দু ও মুসলিম নাবালকের শরীর ও সম্পত্তির অভিভাবক নিযুক্ত হতে পারেন।

নাবালকের সম্পত্তি হস্তান্তর:
নাবালকের সম্পত্তি বিক্রি বা হস্তান্তর করতে পারেন দুই ধরনের ব্যক্তি-

১। নাবালকের স্বাভাবিক অভিভাবক:
নাবালকের স্বাভাবিক অভিভাবক আদালতের অনুমতি ছাড়াই নাবালকের সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন। যেহেতু মুসলিম নাবালকের স্বাভাবিক অভিভাবক পিতা এবং হিন্দু নাবালকের স্বাভাবিক অভিভাবক পিতা এবং মাতা উভয়ে সেহেতু মুসলিম নাবালকের ক্ষেত্রে কেবল পিতা এবং হিন্দু নাবালকের ক্ষেত্রে পিতা এবং মাতা উভয়ে আদালতের পারমিশন ছাড়াই নাবালকের কল্যাণে নাবালকের সম্পত্তি বিক্রি বা হস্তান্তর করতে পারেন।

২। আদালত কর্তৃক নিযুক্ত অভিভাবক:
গার্ডিয়ান এন্ড ওয়ার্ডস এ্যাক্টের ২৯ ধারা অনুযায়ী আদালত কর্তৃক নিযুক্ত অভিভাবক আদালতের পূর্বনুমতি ছাড়া নাবালকের সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন না। তাই আদালতের মাধ্যমে নিযুক্ত অভিভাবক বিক্রয়ের অনুমতি নিয়ে নাবালকের সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন।

নামজারি আবেদন নামঞ্জুর হওয়ার সাধারণ কারণসমূহঃঅনেকেই মনে করেন, দলিল থাকলেই নামজারি হয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবে কিছু আইনগত ও ...
25/05/2026

নামজারি আবেদন নামঞ্জুর হওয়ার সাধারণ কারণসমূহঃ
অনেকেই মনে করেন, দলিল থাকলেই নামজারি হয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবে কিছু আইনগত ও প্রক্রিয়াগত ত্রুটির কারণে নামজারি আবেদন নামঞ্জুর হতে পারে। তাই আবেদন করার আগে কিছু বিষয় সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।

নামজারি আবেদন নামঞ্জুর হওয়ার সাধারণ কারণসমূহঃ
১। জমির মালিকানা ও হস্তান্তরের ধারাবাহিকতা স্পষ্ট না থাকা।
২। একই জমি নিয়ে আদালতে মামলা বা বিরোধ চলমান থাকা।
৩। দলিল, খতিয়ান, পর্চা বা ওয়ারিশ সনদে তথ্যগত অসঙ্গতি থাকা।
৪। দাগ, খতিয়ান বা জমির পরিমাণে ভুল বা গরমিল থাকা।
৫। বিক্রেতার মালিকানা সঠিকভাবে প্রমাণিত না হওয়া।
৬। নাবালকের সম্পত্তি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে আইনগত অনুমতি না থাকা।
৭। জাল/সন্দেহজনক দলিল বা প্রতারণার অভিযোগ থাকা।
৮। সরকারি খাস জমি, রাস্তা, জলাশয় বা নিষিদ্ধ শ্রেণির জমি হওয়া।
৯। পূর্বের নামজারি বা হোল্ডিং সংক্রান্ত জটিলতা থাকা।
১০। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্য প্রদান করা।

মনে রাখবেন:
নামজারি কোনো মালিকানা সৃষ্টিকারী দলিল নয়; এটি মূলত ভূমি রেকর্ড হালনাগাদের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। তাই আবেদন করার আগে জমির কাগজপত্র ও মালিকানার ধারাবাহিকতা ভালোভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

✅ সঠিক তথ্য ও বৈধ কাগজপত্র থাকলে নামজারি প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত হয়।

⚖️ সচেতন হোন, ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা এড়িয়ে চলুন।

ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ৮ ধারায় দখল পুনরুদ্ধার:জমি জোরপূর্বক দখল, ভয়ভীতি প্রদর্শন করে উচ্ছেদ কিংবা ব...
25/05/2026

ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ৮ ধারায় দখল পুনরুদ্ধার:

জমি জোরপূর্বক দখল, ভয়ভীতি প্রদর্শন করে উচ্ছেদ কিংবা বেআইনিভাবে দখল পরিবর্তনের ঘটনা এখন গ্রাম-বাংলায় একটি বড় সমস্যা। অনেকেই মনে করেন, জমির দখল হারালে শুধুমাত্র দীর্ঘ দেওয়ানি মামলাই একমাত্র পথ। কিন্তু বাস্তবে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এ এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিকার রাখা হয়েছে।

আইনের ৮ ধারা অনুযায়ী, কেউ যদি বেআইনিভাবে অন্যের জমি দখল করে বা প্রকৃত দখলদারকে উচ্ছেদ করে, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি আদালতের মাধ্যমে দখল পুনরুদ্ধারের আবেদন করতে পারেন। আদালত অভিযোগ ও প্রমাণ পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারেন।

এ ক্ষেত্রে সাধারণত যেসব বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে—
১। বৈধ দখলের প্রমাণ
২। খতিয়ান, দলিল ও ভূমি উন্নয়ন করের রসিদ
৩। সরেজমিন পরিস্থিতি
৪। জোরপূর্বক দখল বা উচ্ছেদের প্রমাণ

শুধু মালিকানা থাকলেই হবে না, বাস্তব দখল ও ঘটনার প্রমাণও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই জমি সংক্রান্ত কাগজপত্র সংরক্ষণ এবং দখল সংক্রান্ত তথ্য প্রমাণ ঠিক রাখা অত্যন্ত জরুরি।
মনে রাখতে হবে, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া নয়—আইনের আশ্রয় নেওয়াই সচেতন নাগরিকের পথ।
ভূমি বিরোধে প্রতারণা, জবরদখল ও হয়রানি রোধে আইন সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ুক।

#ভূমি_আইন ুনরুদ্ধার #ভূমি_অপরাধ_ও_প্রতিকার_আইন #ভূমি_সচেতনতা

23/05/2026

ভূমিসেবা পেতে ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্রে আসুন।

এক অ্যাপে সকল সেবা পেতে এখুনি 'ভূমি'/'Bhumi' মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন।
22/05/2026

এক অ্যাপে সকল সেবা পেতে এখুনি 'ভূমি'/'Bhumi' মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন।

নামজারি কেন করবেন?
22/05/2026

নামজারি কেন করবেন?

ভূমিসেবা এখন হাতের নাগালেডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় ভূমিসেবাও এখন আরও সহজ, দ্রুত ও জনবান্ধব। নামজারি আবেদন, ভূমি উন্...
21/05/2026

ভূমিসেবা এখন হাতের নাগালে

ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় ভূমিসেবাও এখন আরও সহজ, দ্রুত ও জনবান্ধব। নামজারি আবেদন, ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ, খতিয়ান ও মৌজা ম্যাপ সংগ্রহসহ বিভিন্ন সেবা এখন অনলাইনের মাধ্যমে গ্রহণ করা যাচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষকে আগের মতো বারবার অফিসে ঘুরতে হচ্ছে না, সময় ও অর্থ—দুটিই সাশ্রয় হচ্ছে।

ভূমি অফিসের লক্ষ্য এখন হয়রানিমুক্ত, স্বচ্ছ ও দ্রুত সেবা নিশ্চিত করা। জনগণের দোরগোড়ায় ভূমিসেবা পৌঁছে দিতে সরকার বিভিন্ন ডিজিটাল উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছে। নাগরিকরা ঘরে বসেই আবেদন করতে পারছেন এবং আবেদন অগ্রগতিও অনলাইনে দেখতে পাচ্ছেন।

সচেতন নাগরিক হিসেবে নিজের জমির কাগজপত্র সঠিক রাখা, নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করা এবং সরকারি অনলাইন সেবা ব্যবহার করা আমাদের দায়িত্ব।
ভূমিসেবা হোক সহজ, স্বচ্ছ ও মানুষের আস্থার জায়গা।

21/05/2026

ভূমিসেবা মেলা-২০২৬

Address

সাইতাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস, চিরিরবন্দর, দিনাজপুর।
Dinajpur
5241

Opening Hours

Monday 09:00 - 05:00
Tuesday 09:00 - 05:00
Wednesday 09:00 - 05:00
Thursday 09:00 - 05:00
Sunday 09:00 - 05:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সাইতাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস, চিরিরবন্দর, দিনাজপুর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share