02/09/2026
নেপচুনে সরকারি রাস্তা কাটার প্রতিবাদে থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
এলাকাবাসীর সংবাদ সম্মেলন
নিজস্ব প্রতিনিধি, ফটিকছড়ি উত্তর
ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার ভূজপুর থানাধীন নেপচুন চা বাগান এলাকায় সরকারি রাস্তা কেটে নালা তৈরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে চা বাগান কর্তৃপক্ষ ও এলাকাবাসীর মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষ ভূজপুর থানায় পৃথক লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসী সংবাদ সম্মেলনও করেছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেল ৫টায় নেপচুন চা বাগান সংলগ্ন বাগান বাজারে ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মো. মোজাম্মেল হোসেন অভিযোগ করেন, নেপচুন চা বাগানের সহকারী ব্যবস্থাপক মো. আল মুহিত শেখ স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের চলাচলের রাস্তা কেটে নালা তৈরির উদ্যোগ নেন। এতে স্থানীয়রা বাধা দিলে ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে তিনি মোজাম্মেল হোসেনসহ এলাকার ১২ জনের বিরুদ্ধে ভূজপুর থানায় অভিযোগ করেন।
মোজাম্মেল হোসেন আরও অভিযোগ করেন, এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি, আজাদ, জলিল, মিজান ও দুলাল ড্রাইভাররা চা বাগান কর্তৃপক্ষকে প্ররোচিত করে প্রতিবাদী এলাকাবাসীকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা ও সাজানো অভিযোগ দায়ের করিয়েছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, ১ সেপ্টেম্বর দুপুরে চা গাছ রক্ষার জন্য শ্রমিকদের দিয়ে নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ওই সেকশনে ড্রেন তৈরির কাজ শুরু করা হয়। এ সময় অভিযুক্তরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিকদের কাজে বাধা দেন এবং তাদের হাতে থাকা কোদাল কেড়ে নেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, খবর পেয়ে বাগান কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য শ্রমিকরা ঘটনাস্থলে গেলে অভিযুক্তরা গালমন্দ ও হুমকি দেন। পরে একই দিন দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে বাগান অফিস প্রাঙ্গণে শ্রমিকদের ওপর হামলার অভিযোগ করা হয়। এতে কয়েকজন শ্রমিক আহত হন এবং দুজন গুরুতর আহত হওয়ায় তাদের নাজিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বাগান কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিকদের নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন মো. আল মুহিত শেখ।
অপরদিকে, লট-নেপচুন খামার ভিটা এলাকার বাসিন্দা মো. আবুল কালাম ভূজপুর থানায় দেওয়া পৃথক অভিযোগে বাগান।
🖋সংবাদিক আজগর সালেহ।