22/07/2026
সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধী আজকে সিজেপির অনশন স্থলে এসেছেন। গতকাল তামিলনাড়ুর সিএম বিজয় থেলাপাতি আসছেন। বিজয়কে কিছু না করলেও রাহুল আর সোনিয়াকে গদি প্রশাসন গ্রেফতার করেছে। গতকালকের সমাবেশে মমতাও ঘোষণা দিয়েছে দিল্লি আসার।
তামিল মুভির খলনায়ক প্রকাশ রাজ অলরেডি চার পাঁচদিন হয়েছে এখানে অনশনস্থলে অবস্থান করছে।আসাম ও মধ্যপ্রদেশের কৃষকেরা গরু মহিষ নিয়েই দিল্লি রওয়ানা করেছে।
ইন্ডিয়ার বেশ কয়েকজন নামি দামি শিল্পী, পলিটিশিয়ান, শিক্ষক, দিন মজুর, কৃষক, সাংবাদিক, ইনফ্লুয়েনসার এই আন্দোলনের পিছনে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। উৎসাহ দিচ্ছে মানুষকে এঙ্গেজড হওয়ার জন্য। পোস্ট, ভিডিও বার্তা, পত্রিকা সহ বিভিন্ন ভাবে মানুষকে ডাকছে। হয়তো এই আন্দোলন শেষে কেউ দাবি করবেও না যে তারা কেউ এটার মাস্টারমাইন্ড। তারা এই আন্দোলন কে সাকসেস করেছে।
কিন্তু বাংলাদেশে জুলাই হয়েছে কোনো হোমরাচোমরার একটা পোস্ট নাই, ভিডিও নাই, রাজপথের ছবি নাই। এমনকি কেউ কেউ অস্বীকারও করেছে। আন্দোলন শেষে মাঠে বয়ান ছাড়লো তারা নাকি মাস্টারমাইন্ড। তারা নাকি এই আন্দোলনের রুহ। শুধু এটাও না। তাদের অনেকেই আবার বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে বক্তব্যে বিবৃতিতে তারেক রহমানকে আবার কখনো নাহিদ ইসলামকে ইমাম ও মাস্টারমাইন্ড ঘোষণা করে এসেছে।
অথচ পীর সাহেব চরমোনাইকে দেখেন। এই পর্যন্ত কোথাও একথা একটিবারের জন্যেও বলেন নাই যে এই আন্দোলনের প্রাণপুরুষ আমি। অথচ দেখেন ৪তারিখ ছাত্র আন্দোলন , ৯তারিখ ইসলামী আন্দোলন আন্দোলনে সংহতি জানিয়েছে, আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকে শায়খ ও আমীর সহ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রায় সকল নেতাই বিভিন্ন ভাবে এর প্রতিবাদ জানিয়েছে, আন্দোলন সমর্থন জানিয়েছে।
১৮ তারিখ মাঠে নেমে ৭ই মার্চের মতো আরেকটা বিপ্লবের ডাক দিলেন, মুক্তির আওয়াজ উঠালেন, মানুষকে যার যা আছে তা নিয়ে রাস্তায় নেমে আসার আহ্বান জানালেন দ্যা সুপ্রিম লিডার - The Supreme Leader পীর সাহেব চরমোনাই।
২ তারিখে সকল সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে মিটিংয়ে বসলেন, সবাই এক দফার আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়ার জন্য শায়খকে চাপ দিলেন। Khayrul Ahsan Marzan এর সেদিনের বক্তব্যটা দেখেন গিয়ে তার ওয়ালেই আছে হয়তো। সিদ্ধান্ত হলো যে ৩ তারিখ থেকে ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে সামনের দিন গুলোতে আন্দোলনের নেতৃত্ব দিবেন দ্যা লায়ন অব বাংলাদেশ - the lion of Bangladesh মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করিম শায়খে চরমোনাই।
যে কথা সেই কাজ। ৩ তারিখ গণ মিছিল হলো, ৪ তারিখ শাহবাগ পর্যন্ত আসলো, ৫তারিখ সকালে হাজার হাজার মানুষ নিয়ে কারফিউ ভাঙলো শায়খে চরমোনাইয়ের মিছিল। তারপরেও দেখবেন চরমোনাই পীরের দল কিছুই না।
আসলে জুলাই আমাদেরকে অনেক মানুষ চিনিয়েছে, অনেক অভিজ্ঞতা দিয়েছে, অনেক স্মৃতি দিয়েছে, অনেক শিক্ষা দিয়েছে।
আগামীর বাংলদেশ নতুন করে জনমানুষের বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাথে যুক্ত থাকুন। আমরা আছি এদেশের প্রতিটি মানুষের পাশে।