Mawlana Tayeb Ashraf - মাওলানা তৈয়্যেব আশরাফ

Mawlana Tayeb Ashraf - মাওলানা তৈয়্যেব আশরাফ জীবনটাকে গড়া দরকার, আল্লাহমুখী করা দরকার,
পাপের অভ্যাস ও ভুল ত্রুটি গুলো দ্রুত সংশোধন করা দরকার!
(2)

01/09/2026

Model 3:34 PM
নবীজির সুন্নাহকে অবহেলা করা বা বাহানা দিয়ে এড়িয়ে যাওয়া ঈমানের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সাহাবিদের শিক্ষা ছিল—দুনিয়ার কারও সন্তুষ্টি বা সমালোচনার ভয়ে রাসূলে কারীম (সাঃ)-এর একটি সুন্নাতও বর্জন করা যাবে না। নফল ও সুন্নাতকে গুরুত্ব না দিয়ে ছেড়ে দেওয়ার এই মানসিকতাই মানুষকে একসময় ওয়াজিব ও ফরজ ত্যাগের দিকে নিয়ে যায়, যা ঈমান হারানোর অন্যতম বড় কারণ। সুন্নাহর ওপর শক্তভাবে অবিচল থেকে নিজেদের ঈমান হেফাজত করার এক দৃঢ় বার্তা দেওয়া হয়েছে এই বয়ানটিতে।

31/08/2026

আল্লাহ তাআলা কখনো ঘুমান না এবং তাঁর দয়ার দুয়ার ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে; যখন পুরো দুনিয়া কোনো মানুষের মুখ ফিরিয়ে নেয়, তখন মহান আল্লাহ নিজেই তার সহায় হয়ে যান। হযরত ওমর (রাঃ)-এর জামানার এক বৃদ্ধ ও অসহায় ব্যক্তির বাস্তব কাহিনীর মাধ্যমে এই বয়ানটিতে আল্লাহর অসীম দয়া ও করুণার চিত্র অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শী ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে। জীবনভর ভুলের পথে থেকে বৃদ্ধ বয়সে এসে যখন লোকটির আর কোনো উপার্জনের উপায় ছিল না, তখন চরম অনাহারে মদীনার এক কবরের পাশে বসে সে অশ্রুসজল চোখে একমাত্র আল্লাহর কাছে আকুতি জানায়। দুনিয়ার মানুষ যাকে অবহেলা করেছিল, দয়াময় আল্লাহ তাকে ফিরিয়ে দেননি; বরং খলিফা ওমর (রাঃ)-কে স্বপ্নে নির্দেশ দিয়ে সেই বিপন্ন মানুষের জন্য সরকারি বায়তুল মাল থেকে স্থায়ী জীবিকার ব্যবস্থা করে দেন। দুনিয়ার মানুষ স্বার্থপর—তারা কিছু পাওয়ার আশায় দেয়, কিন্তু মহান আল্লাহ নিঃস্বার্থভাবে বান্দাকে শুধু দিয়েই যান। তাই যেকোনো বিপদে হতাশ না হয়ে পরম করুণাময় আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা এবং অন্তরে তাঁর ভয় লালন করার মহান বার্তাই ফুটে উঠেছে এই আলোচনায়।

28/08/2026

মানুষ দুনিয়ার মানুষের চোখ ফাঁকি দিতে মুখে মুখুশ পরতে পারে, কিন্তু মহান আল্লাহ তাআলার অসীম কুদরত থেকে কোনো কিছুই গোপন করা সম্ভব নয়। এই বয়ানটিতে রস চুরির এক মজার বাস্তব ঘটনার মাধ্যমে জীবনের একটি গভীর সত্য তুলে ধরা হয়েছে। গাছে উঠে চুরি করার পর অন্ধকারের অজুহাতে চোরটি যার ভয়ে চুরি করছিল, ভুলবশত তার অর্থাৎ নিজের স্কুলের হেডমাস্টারের হাতেই চুরির হাঁড়ি তুলে দেয়! ঠিক তেমনি মানুষ দুনিয়ার বিচারকদের ভয় পেয়ে গোপনে পাপ করে বা আড়ালে পালায়, কিন্তু যিনি মূল বিচারক—সেই আল্লাহ তাআলা তো প্রতিটি মুহূর্তে আমাদের দেখছেন। এমনকি আমাদের পোশাকের নিচে মনের ভেতরে থাকা চিন্তা-ভাবনা ও কল্পনাও তাঁর অজানা নয়। কোরআনে আল্লাহ তাআলা স্পষ্ট স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে তিনি চিরঞ্জীব এবং তাঁর কোনো তন্দ্রা বা ঘুম নেই। তাই মানুষ থেকে লুকিয়ে পাপ করার কোনো সুযোগ নেই; সর্বাবস্থায় আল্লাহকে হাজির-নাজির জেনে জীবন পরিচালনা করার মহান শিক্ষাই ফুটে উঠেছে এই আলোচনায়।

পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠান ও তরবিয়তী মজলিসে আপনারা সকলেই আমন্ত্রিত বাদ আছর থেকেই মূল আলোচনা শুরু হবে ইনশাআল্লাহ। islahBD ...
22/08/2026

পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠান ও তরবিয়তী মজলিসে আপনারা সকলেই আমন্ত্রিত
বাদ আছর থেকেই মূল আলোচনা শুরু হবে ইনশাআল্লাহ।
islahBD অ্যাপ এ সরাসরি সম্প্রচারিত হবে ইনশাআল্লাহ।

হাদিয়া (উপঢৌকন) প্রদান ও গ্রহণের আদবআদাবে জিন্দেগীর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো-হাদিয়া বা উপঢৌকন দেওয়া ও গ্রহণের সুন্দর পদ...
21/08/2026

হাদিয়া (উপঢৌকন) প্রদান ও গ্রহণের আদব

আদাবে জিন্দেগীর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো-হাদিয়া বা উপঢৌকন দেওয়া ও গ্রহণের সুন্দর পদ্ধতি। এটি কেবল একটি সামাজিক রীতি নয়; বরং পারস্পরিক ভালোবাসা, আন্তরিকতা ও সম্পর্ককে মজবুত করার এক অনন্য মাধ্যম।

হাদিয়া দেওয়ার সঠিক পদ্ধতি

হাদিয়া দেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বিষয় হলো-যাকে দেওয়া হচ্ছে, তার পছন্দ ও প্রয়োজনকে প্রাধান্য দেওয়া। নিজের পছন্দ অনুযায়ী কিছু দেওয়া সবসময় উত্তম নয়; বরং এমন কিছু দেওয়া উচিত, যা তার কাজে আসে এবং তাকে প্রকৃত আনন্দ দেয়।

হাকীমুল উম্মত হযরত মাওলানা শাহ আশরাফ আলী থানভী (রহ.) বলেছেন-
উত্তম হাদিয়া হলো টাকা; কারণ এর মাধ্যমে গ্রহণকারী নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যয় করতে পারে।

ধরা যাক, আপনি আপনার বোনের বাসায় যাচ্ছেন। ১০ কেজি আম নিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে ২ কেজি আমের সাথে কিছু টাকা হাদিয়া করলে তা তার জন্য অধিক উপকারী হবে এবং সে বেশি খুশি হবে। এতে হাদিয়ার প্রকৃত উদ্দেশ্য-উপকার ও আনন্দ-আরও সুন্দরভাবে প্রকাশ পায়।

দাওয়াতের আদব

আমরা সাধারণত দাওয়াত দিই-নিজের বাড়িতে, নিজের নির্ধারিত সময়ে, এবং নিজের পছন্দের খাবার দিয়ে। এটি একটি প্রচলিত পদ্ধতি হলেও আরও উত্তম হলো-মেহমানের সুবিধা ও পছন্দকে গুরুত্ব দেওয়া।

তাকে জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে-
আপনি কোন দিন আসতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন?
কী খেতে পছন্দ করবেন?
অথবা প্রয়োজন হলে তার জন্য খাবার তার বাসায় পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাও করা যেতে পারে।

এতে আন্তরিকতা বাড়ে এবং সম্পর্ক আরও গভীর হয়।

হাদিয়া গ্রহণের আদব

হাদিয়া গ্রহণ করা সুন্নত, আর তা সম্মানের সাথে, হাসিমুখে গ্রহণ করা এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আমাদের মাঝে দুঃখজনকভাবে এমন প্রবণতা দেখা যায়-হাদিয়া পেয়ে কেউ কেউ বলে বসে,
“এগুলো কি এনেছে!”
“এগুলো তো কেউ খায় না!”

এই ধরনের কথা শুধু দাতার মনেই কষ্ট দেয় না, বরং নেয়ামতের অবমূল্যায়নও করে।

শুকরিয়ার বরকত

আল্লাহ তায়ালা কুরআন শরীফে ইরশাদ করেন-
لَئِن شَكَرْتُمْ لَأَزِيدَنَّكُمْ
অর্থাৎ, “তোমরা যদি শুকরিয়া আদায় করো, আমি অবশ্যই তোমাদের আরও বৃদ্ধি করে দেব।”

অতএব, হাদিয়া পেয়ে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা-এটি নেয়ামত বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

একটি হৃদয়স্পর্শী উদাহরণ

ভাবুন, আপনার ছোট সন্তান ঈদের নতুন জামা পরে আপনার সামনে এসে আনন্দভরা কণ্ঠে বলছে-
“বাবা, আমার খুব পছন্দ হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ, আমি অনেক খুশি!”

তখন আপনার হৃদয় আনন্দে ভরে যাবে, এবং আপনি স্বতঃস্ফূর্তভাবে বলবেন-
“মা, এখন তো রাত হয়ে গেছে। না হলে তোমাকে আরও কিছু কিনে দিতাম।”

ঠিক তেমনি, বান্দা যখন আল্লাহর দেওয়া নেয়ামতের ওপর খুশি হয়ে শুকরিয়া আদায় করে, তখন আল্লাহ তায়ালাও তার ওপর আরও বেশি দান করেন।

কৃতজ্ঞতার ইসলামী ভাষা

হাদিয়া পাওয়ার পর শুধু “ধন্যবাদ” বলার পরিবর্তে বলা উচিত-
“জাযাকাল্লাহ খাইরান”-অর্থাৎ, “আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।”

এটি ইসলামী সভ্যতা ও শিষ্টাচারের একটি সুন্দর অংশ।

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে এই সুন্দর আদবগুলোর উপর আমল করার তৌফিক দান করুন। আমীন।

আরেফ বিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ তৈয়্যেব আশরাফ সাহেব দামাত বারকাতুহুম এর বয়ান থেকে সংগৃহিত।

20/08/2026

হযরত মাওলানা শাহ তৈয়্যেব আশরাফ সাহেব এর বয়ান সরাসরি সম্প্রচারিত হচ্ছে।
লিংক কমেন্টে👇

19/08/2026

মোবাইল আসক্তি কেবল ছোটদের নয়, বয়স্কদের মাঝেও এটি আজ এক আশঙ্কাজনক সামাজিক ও আত্মিক ফিতনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই বয়ানটিতে আধুনিক জীবনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে এক গভীর অনুশোচনার কথা মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা সচরাচর ছোট ছেলেমেয়েদের মোবাইল ব্যবহারের দোষ দিই, অথচ দেখা যায় পরিবারে আশি-নব্বই বছর বয়সী মুরুব্বিরাও আজ সারা দিন সোশ্যাল মিডিয়ায় মগ্ন থাকেন। যে বয়সে কোরআন তেলাওয়াত, জিকির, তাহাজ্জুদ আর চোখের পানি ফেলে আখিরাতের প্রস্তুতি নেওয়ার কথা ছিল, সে বয়স যদি অহেতুক মোবাইলের স্ক্রিনে কেটে যায়, তবে তরুণ প্রজন্ম কীভাবে সঠিক পথ খুঁজে পাবে? জীবনের শেষ প্রান্তে এসে মুরুব্বিদের নিজেদের আমল ও আখিরাতের চিন্তায় মশগুল হওয়া উচিত, যাতে ছোটরাও তাদের দেখে সৎ পথের অনুপ্রেরণা পায়। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই ফিতনা থেকে হেফাজত করুন।

দ্বীনের আসল সৌন্দর্য: সম্মান, কল্যাণকামিতা ও কষ্ট দেয়া থেকে বিরত থাকাযার অন্তরে প্রকৃত দ্বীন প্রবেশ করে, তার মধ্যে একটি ...
18/08/2026

দ্বীনের আসল সৌন্দর্য: সম্মান, কল্যাণকামিতা ও কষ্ট দেয়া থেকে বিরত থাকা

যার অন্তরে প্রকৃত দ্বীন প্রবেশ করে, তার মধ্যে একটি স্পষ্ট গুণ প্রকাশ পায়-সে কাউকে কষ্ট দেয় না। তার কথা, আচরণ ও ব্যবহার এমন হয়, যাতে অন্যের জান, মাল ও সম্মান নিরাপদ থাকে। কারণ দ্বীন কেবল কিছু ইবাদতের নাম নয়; বরং এটি মানুষের সাথে সুন্দর আচরণ, কল্যাণ কামনা এবং সম্মান প্রদানের একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর অর্থবহ বাণী হলো- “الدين النصيحة”
অর্থাৎ, দ্বীন হচ্ছে কল্যাণকামিতার নাম।
এর মর্মার্থ হলো-মানুষের জন্য ভালো চাওয়া, তাদের ক্ষতি না করা, এবং তাদের জান, মাল ও সম্মানের হেফাজত করা।

সম্মান প্রদানের শিক্ষা

দ্বীন আমাদেরকে শেখায়-প্রত্যেক মানুষকে সম্মান দিতে হবে। তা সে নিজের স্ত্রী হোক, সন্তান হোক, কিংবা পরিবারের অন্য কেউ-এমনকি পুত্রবধূ (বউমা) হলেও। তাদের সাথে সুন্দর ভাষায়, নম্র আচরণে কথা বলা-এটাই দ্বীনের দাবি।

অনেক সময় দেখা যায়, ঘরের ভেতরে আমরা সেই আদব রক্ষা করি না, যা বাইরে অন্যদের সাথে করি। অথচ প্রকৃত দ্বীনদার সেই, যার ভেতর-বাহির এক, এবং যার নিকটতম মানুষগুলো তার উত্তম চরিত্রের সবচেয়ে বড় সাক্ষী।

সম্মানের যোগ্যতাই সম্মান দেওয়ার ভিত্তি

আমাদের পরম শ্রদ্ধেয় শায়েখ, হযরত মাওলানা শাহ তৈয়্যেব আশরাফ সাহেব দামাত বারকাতুহুম বলেন-
“সম্মান কেবল সেই করতে পারে, যে নিজে সম্মানের অধিকারী। যার নিজেরই সম্মান নেই, সে কিভাবে অন্যকে সম্মান করবে?”

অর্থাৎ, যার অন্তরে দ্বীনের নূর আছে, যার চরিত্রে শালীনতা ও মহত্ত্ব রয়েছে, সেই প্রকৃতপক্ষে অন্যকে সম্মান দিতে পারে। আর যে নিজেই আদব-আখলাক থেকে বঞ্চিত, তার পক্ষে অন্যকে যথাযথ সম্মান দেওয়া সম্ভব নয়।

-হযরত মাওলানা শাহ তৈয়্যেব আশরাফ সাহেব দামাত বারকাতুহুম এর বয়ান থেকে সংগৃহিত

18/08/2026

শয়তান সারা জীবন নানা মিষ্টি অজুহাত আর প্রলোভন দেখিয়ে মানুষকে পাপের পথে টানে, কিন্তু বান্দার খাঁটি তাওবা ও ইস্তিগফারের সামনে ইবলিসের বছরের পর বছরের সমস্ত চক্রান্ত এক মুহূর্তেই ধূলিসাৎ হয়ে যায়। যৌতুকলোভী এক ছেলের বাবার চতুরতার মজার গল্পের মাধ্যমে এই বয়ানটিতে বিষয়টিকে অত্যন্ত সহজ ও জীবনঘনিষ্ঠভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। যেভাবে মিষ্টি কথা দিয়ে সব সাজানোর পরও একটিমাত্র সঠিক সিদ্ধান্তে অন্যায় পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়া যায়, ঠিক তেমনি শয়তানও সারা জীবন মানুষকে নানাভাবে ভুল বুঝিয়ে পাপে নিমজ্জিত রাখে। তবে জীবনে যত ভুলই হয়ে থাকুক না কেন, একজন মানুষ যখনই নিজের অনুসূচনা থেকে আল্লাহর দরবারে ক্ষমা চায়, পরম করুণাময় আল্লাহ এক নিমেষেই তার জীবনের ৫০-৬০ বছরের সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেন। শয়তানের চক্রান্তের চেয়ে আল্লাহর রহমত যে কত বড় এবং তাওবার দুয়ার যে সবসময় খোলা—সেই পরম আশার বাণীই ফুটে উঠেছে এই আলোচনায়।

18/08/2026

হৃদয়ের মরিচা দূর করার ফিকির তৈরি হয়, আত্মার পরিশুদ্ধির স্বপ্ন জেগে ওঠে।
জীবনটাকে সাজানোর এক মিশন নিয়ে দেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে ছুটে আসে বহু হৃদয়।
অন্তরকে বদলে দেওয়ার, রবের দিকে ফিরে আসার এক অপূর্ব প্রত্যয়ে মুখরিত হয় মজলিসের পরিবেশ।

Address

6 Shahid Faruque Road, West Jatrabari
Gandaria
1206

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mawlana Tayeb Ashraf - মাওলানা তৈয়্যেব আশরাফ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Mawlana Tayeb Ashraf - মাওলানা তৈয়্যেব আশরাফ:

Shortcuts

Share