CADDZone & Computer training Institute

CADDZone & Computer training Institute *CADD ZONE,( COMPUTER TRAINING CENTRE)* was established in 2008 and working as franchise of CADD ZONE,GAZIPUR.

CADD Zone is the Gazipur largest network of CAD (Computer Aided Design), CAM (Computer Aided Manufacturing), CAE (Computer Aided Engineering),

18/07/2022
15/02/2022

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং খুটিনাটি
t4tmSpm oJarh7nuarda9a6y ·
🔲 এক নজরে বাংলাদেশ : 🔲
১। প্রশ্নঃ বাংলাদেশের আয়তন কত?
উত্তর ঃ আয়তন: ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি:মি
২। প্রশ্নঃ বাংলাদেশে কত তারিখে নাম করন করা হয়?
উত্তরঃ 'বাংলাদেশ' নামকরণ করা হয়: ১৯৬৯ সালের ৫ডিসেম্বর
৩। প্রশ্ন ঃ বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় নাম কি?
উত্তরঃগনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
৪। প্রশ্ন ঃ বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ইংরেজি নাম কি?
উত্তরঃ The people's Republic of Bangladesh.
৫।প্রশ্নঃ বাংলাদেশে বিজয় দিবস কত তারিখে লাভ করে ছিলো?
উত্তরঃবাংলাদেশে বিজয় দিবস লাভ করেছিলো: ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেস্বর।
৬।প্রশ্নঃ বাংলাদেশে স্বাধীনতা শুরু হয় করে কত তারিখে?
উত্তরঃবাংলাদেশে স্বাধীনতা শুরু হয়: ২৬ মার্চ ১৯৭১ সালে।
৭। প্রশ্নঃ বাংলাদেশ কোন দেশের সাথে স্বাধীনতা লাভ করে?
উত্তরঃ বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে পাকিস্তানের কাছ থেকে।
৮। প্রশ্নঃ বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করে কত তারিখে?
উত্তরঃ বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর (২৯তম অধিবেশনে)।
৯। প্রশ্নঃ।বাংলাদেশের রাজধানীর নাম কি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের রাজধানী নাম ঢাকা।
১০। প্রশ্নঃ বাংলাদেশের বানিজ্যিক রাজধানীর নাম কি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের বানিজ্যিক রাজধানী নাম চট্টগ্রাম।
১১। প্রশ্নঃ বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষার নাম কি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষার নাম: বাংলা (৯৮শতাংশ)।
১২।প্রশ্নঃ বাংলাদেশের মুসলমান, হিন্দু,বৌদ্ধ,খ্রিস্টান ও অন্যান্য ধর্মের হার কত?
উত্তরঃ সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়: মুসলিম (৯০.৩৯%), হিন্দু (৮.৫৪%), বৌদ্ধ (০.৬২%), খ্রিষ্টান (০.৩১%) ও অন্যান্য (০.১৪%)।
১৩। প্রশ্নঃ বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি কি?
উত্তরঃ সরকার পদ্ধতি হচ্ছে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার।
১৪। প্রশ্নঃ বাংলাদেশের আইন সভা কি?
উত্তর ঃ বাংলাদেশের আইন সভা হচ্ছে জাতীয় সংসদ।
১৫। প্রশ্নঃ স্থানীয় সময় কি?
উত্তরঃ স্থানীয় সময় হচ্ছে গ্রিনিচ মান সময় ৬+ ঘন্টা।
১৬।প্রশ্নঃ জাতিসংঘ শান্তি মিশনে সৈন্য প্রেরনে স্থান কত?
উত্তরঃ জাতিসংঘ শান্তি মিশনে সৈন্য প্রেরণের স্থান ২য়।
১৭।প্রশ্নঃ বাংলাদেশে উপজাতি কয়টি?
উত্তরঃবাংলাদেশে মোট উপজাতি ৪৮ টি।
১৮।প্রশ্নঃ বাংলাদেশে সংসদের মোট আসন কতটি? উত্তরঃ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন : ৩৫০ টি (নির্বাচিত ৩০০টি এবং সংরক্ষিত মাহিলা আসন ৫০টি)
১৯।প্রশ্নঃ বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে কত বার?
উত্তরঃ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে ১১ বার।
২০।প্রশ্নঃ বাংলাদেশে আবহাওয়া কেন্দ্র কয়টি?
উত্তরঃ বাংলাদেশে আবহাওয়া কেন্দ্র ৪টি।
২১।প্রশ্নঃ বাংলাদেশে আবহাওয়া স্টেশন কয়টি?
উত্তর ঃ বাংলাদেশে আবহাওয়া স্টেশন ৩৫টি।
২২। প্রশ্নঃ এভারেস্ট জয়ী বাংলাদেশ কত তম?
উত্তরঃ এভারেস্ট জয়ী বাংলাদেশ ৬৭ তম।
২৩।প্রশ্নঃ ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঔতিহ্য বাংলাদেশের কয়টি ও কি কি?
উত্তরঃ ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য বাংলাদেশের ৩টি, ১।ষাট গম্বুজ মসজিদ, ২।পাহাড়পুর বৌদ্ধ ৩।বিহার ও সুন্দরবন।
২৪।প্রশ্নঃ বাংলাদেশের প্রশাসনিক বিভাগ কয়টি ও কি কি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের প্রশাসনিক বিভাগ ৮টি। যথাঃ- ১,ঢাকা ২, চট্রগ্রাম ৩,বরিশাল ৪,সিলেট ৫,রংপুর ৬,রাজশাহী ৭,খুলনা ৮, ময়মনসিংহ
২৫।প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জেলা কয়টি ও কি কি? (ইংরেজি ও বাংলায়)
উত্তরঃ বাংলাদেশের জেলা ৬৪টি। যেমন: 01. Brahmanbaria (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
02. Bandarban (বান্দরবন)
03. Barguna (বরগুনা)
04. Barisal (বরিশাল)
05. Bagerhat (বাগেরহাট)
06. Bhola (ভোলা)
07. Bogra (বগুড়া)
08. Chandpur (চাঁদপুর)
09. Chittagong (চট্টগ্রাম)
10. Chuadanga (চুয়াডাঙ্গা)
11. Comilla (কুমিল্লা)
12. Cox's Bazar (কক্সবাজার)
13. Dhaka (ঢাকা)
14. Dinajpur (দিনাজপুর)
15. Faridpur (ফরিদপুর)
16. Feni (ফেনী)
17. Gaibandha (গাইবান্ধা)
18. Gazipur (গাজীপুর)
19. Gopalganj (গোপালগঞ্জ)
20. Habiganj (হবিগঞ্জ)
21. Jaipurhat (জয়পুরহাট)
22. Jamalpur (জামালপুর)
23. Jessore (যশোর)
24. Jhalakathi (ঝালকাঠী)
25. Jhinaidah (ঝিনাইদাহ)
26. Khagrachari (খাগড়াছড়ি)
27. Khulna (খুলনা)
28. Kishoreganj (কিশোরগঞ্জ)
29. Kurigram (কুড়িগ্রাম)
30. Kushtia (কুষ্টিয়া)
31. Lakshmipur (লক্ষ্মীপুর)
32. Lalmonirhat (লালমনিরহাট)
33. Madaripur (মাদারীপুর)
34. Magura (মাগুরা)
35. Manikganj (মানিকগঞ্জ)
36. Meherpur (মেহেরপুর)
37. Moulvibazar (মৌলভীবাজার)
38. Munshiganj (মুন্সীগঞ্জ)
39. Mymensingh ( ময়মনসিংহ)
40. Naogaon (নওগাঁ)
41. Narayanganj (নারায়ণগঞ্জ)
42. Narsingdi (নরসিংদী)
43. Natore (নাটোর)
44. Nawabgonj (নওয়াবগঞ্জ)
45. Netrokona (নেত্রকোনা)
46. Nilphamari (নীলফামারী)
47. Noakhali (নোয়াখালী)
48. Norail (নড়াইল)
49. Pabna (পাবনা)
50. Panchagarh (পঞ্চগড়)
51. Patuakhali (পটুয়াখালী)
52. Pirojpur (পিরোজপুর)
53. Rajbari (রাজবাড়ী)
54. Rajshahi (রাজশাহী)
55. Rangamati (রাঙ্গামাটি)
56. Rangpur (রংপুর)
57. Satkhira (সাতক্ষীরা)
58. Shariyatpur (শরীয়তপুর)
59. Sherpur (শেরপুর)
60. Sirajgonj (সিরাজগঞ্জ)
61. Sunamganj (সুনামগঞ্জ)
62. Sylhet (সিলেট)
63. Tangail (টাঙ্গাইল)
64. Thakurgaon.(ঠাকুরগাঁও)
২৬। প্রশ্নঃ বাংলাদেশের সিটি কর্পোরেশন কয়টি?
উত্তরঃ বাংলাদেশে সিটি কর্পোরেশন ১২টি।
২৭।প্রশ্নঃ বাংলাদেশে পৌরসভা কয়টি?
উত্তরঃ বাংলাদেশে মোট পৌরসভা ৩২৮টি।
২৮। প্রশ্নঃ বাংলাদেশে উপজেলা কয়টি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের মোট উপজেলা ৪৯২ টি।
২৯।প্রশ্নঃবাংলাদেশের মোট থানা কয়টি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের মোট থানা ৬৫০ টি।
৩০। প্রশ্নঃ বাংলাদেশের ইউনিয়ন কয়টি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের মোট ইউনিয়ন ৪৫৬২ টি।
৩১। প্রশ্নঃ বাংলাদেশ গ্রাম কতটি?
উত্তরঃ বাংলাদেশে গ্রাম ৮৭১৯১ টি।
৩২। প্রশ্নঃ আয়তনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত তম?
উত্তরঃ আয়তনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান৯৪ তম।
৩৩।প্রশ্নঃ বাংলাদেশের ভূ-কম্পন পর্যাবেক্ষন কেন্দ্র কয়টি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের ভূ-কম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র ৪ টি।
৩৪।প্রশ্নঃ বাংলাদেশে নদী বন্দরের জন্য সতর্ক সংকেত কয়টি?
উত্তরঃ বাংলাদেশে নদী বন্দরের জন্য সতর্ক সংকেত ৪টি।
৩৫। প্রশ্নঃ বাংলাদেশে সমুদ্র বন্দরের জন্য সতর্ক সংকেত কয়টি?
উত্তরঃবাংলাদেশে সমুদ্র বন্দরের জন্য সতর্ক সংকেত ১১টি।
৩৬। প্রশ্নঃ বাংলাদেশে উপকূলীয় জেলা কয়টি?
উত্তরঃ বাংলাদেশে উপকূলীয় জেলা ১৯টি।
৩৭।প্রশ্নঃ বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য কয়টি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য ৫টি।
৩৮।প্রশ্নঃ বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জেলা কয়টি?
উত্তরঃবাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জেলা ৮টি।
৩৯।প্রশ্নঃ বাংলাদেশে জনসংখ্যায় বিশ্বে অবস্থান কত তম?
উত্তরঃ জনসংখ্যায় বিশ্বে অবস্থান ৮ম।
৪০।প্রশ্নঃ বাংলাদেশ জনসংখ্যায় এশিয়া মহাদেশের মধ্যে অবস্থান কত?
উত্তরঃ বাংলাদেশ জনসংখ্যায় এশিয়া মহাদেশের মধ্যে অবস্থান ৫ম।
৪১। প্রশ্নঃবাংলাদেশ জনসংখ্যায় দক্ষিন এশিয়ার মধ্যে অবস্থান কত তম?
উত্তরঃবাংলাদেশ জনসংখ্যায় দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে অবস্থান ৩য়।
৪২।প্রশ্নঃবাংলাদেশ জনসংখ্যায় মুসলিম বিশ্বে অবস্থান কত তম?
উত্তরঃবাংলাদেশ জনসংখ্যায় মুসলিম বিশ্বে অবস্থান: ৪র্থ।
৪৩।প্রশ্নঃবাংলাদেশ সীমান্তবর্তী দেশ কয়টি ও কি কি?
উত্তরঃ বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী দেশ ২টি।যথাঃ১. ভারত ২.মায়ানমার।
৪৪।প্রশ্নঃ বাংলাদেশে আদমশুমারি হয়েছে কয়বার?
উত্তরঃ বাংলাদেশে আদমশুমারি হয়েছে ৫বার।
৪৫। প্রশ্নঃ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা ছিল কতটি?
উত্তরঃবাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা ছিল ১১টি।
৪৬।প্রশ্নঃ বাংলাদেশের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কয়টি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ৪১টি।
৪৭। প্রশ্নঃ বাংলাদেশের ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র কয়টি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ৪টি।
৪৮।প্রশ্নঃ বাংলাদেশের অভিন্ন নদীর সংখ্যা কয়টি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের অভিন্ন নদীর সংখ্যা ৫৭টি।
৪৯।প্রশ্নঃ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মানের নদী কয়টি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মানের নদী ১টি (পদ্মা)
৫০।প্রশ্নঃ বাংলাদেশের সরকারী নোট কয়টি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের সরকারি নোট ৩টি (১টাকা, ২টাকা ও ৫ টাকা)
৫১।প্রশ্নঃ বাংলাদেশের ব্যাংক নোট কয়টি?
উত্তরঃবাংলাদেশের ব্যাংক নোট ৬টি (১০ থেকে ১০০০ টাকার নোট)
৫২। প্রশ্নঃ বাংলাদেশে শেয়ার বাজার কয়টি ও কি কি?
উত্তরঃ বাংলাদেশে শেয়ার বাজার ২টি ১,DSE ও CSE।
৫৩।প্রশ্নঃ বাংলাদেশের EPZ কয়টি?
উত্তরঃবাংলাদেশের EPZ ১০টি (সরকারি ৮টি ও বেসরকারি ২টি)।
৫৪।প্রশ্নঃ বাংলাদেশে গণভোট অনুষ্ঠিত হয় কয়বার?
উত্তরঃবাংলাদেশে গনভোট অনুষ্ঠিত হয় ৩বার (১৯৭৭, ১৯৮৫ ও ১৯৯১ সালে)
৫৫।বাংলাদেশে জরুরী অবস্থা ঘোষিত হয়েছে কয়বার?
উত্তরঃ বাংলাদেশে জরুরী অবস্থা ঘোষিত হয়েছে ৫বার।
৫৬।প্রশ্নঃ বাংলাদেশে উপজেলা নির্বাচন হয়েছে মোট কতবার?
উত্তরঃবাংলাদেশে উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে মোট ৫বার।
৫৭।বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কয়টি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৩টি।
৫৮।প্রশ্নঃ বাংলাদেশের মোবাইল ফোন অপারেটর কয়টি ও কি কি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের মোবাইল ফোন অপারেটর ৬টি ১,সিটিসেল ২, গ্রামীণ ফোন ৩, রবি ৪, বাংলালিংক ৫, টেলিটক ৬, এয়ারটেল।
৫৯।প্রশ্নঃ বাংলাদেশের সংবিধান অনুচ্ছেদ কয়টি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের সংবিধানের মোট অনুচ্ছেদ ১৫৩টি।
৬০।প্রশ্নঃ বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধিত হয়েছে কত বার ?
উত্তরঃ সংবিধান সংশোধিত হয়েছে ১৭ বার।
৬১।প্রশ্নঃ বাংলাদেশের ব্যাংকের শাখা কয়টি ?
উত্তর ঃবাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা ১০টি ।
৬২।প্রশ্নঃবাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধা কত জন?
উত্তরঃ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অবদানের জন্য খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধা ৬৭৭ জন।
৬৩।প্রশ্নঃবাংলাদেশের গ্যাস ক্ষেত্র কতটি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের গ্যাস ক্ষেত্র ২৭টি।
৬৪।প্রশ্নঃবাংলাদেশের সমুদ্রবন্দর কতটি ও কি কি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দর ৩টি। ১,চট্টগ্রাম ২, মংলা ৩,পায়রা
৬৫।প্রশ্নঃ বাংলাদেশের স্থল বন্দর কয়টি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের স্থল বন্দর ২৩টি।
৬৬।প্রশ্নঃ বাংলাদেশের মোট মন্ত্রনালয় কয়টি?
উত্তরঃবাংলাদেশের মোট মন্ত্রণালয় ৪১টি।
৬৭।প্রশ্নঃবাংলাদেশের চা বাগান কয়টি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের চা বাগান ১৬৬টি।
৬৮।প্রশ্নঃবাংলাদেশের সরকারি টেলিভিশন কতটি?উত্তরঃবাংলাদেশের সরকারি টেলিভিশন ২টি।
৬৯।প্রশ্নঃ বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় কতটি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ৪১টি।
৭০।প্রশ্নঃবাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় কতটি ও কি কি?
উত্তরঃবাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় ২টি। ১,এশিয়ান উইমেনস ইউনিভার্সিটি,(চট্টগ্রাম)এবং ২,ইসলামিক ইউনিভার্সিটি এন্ড টেকনোলজি, (গাজীপুর)
৭১।প্রশ্নঃবাংলাদেশের সরকারি মেডিকেল কলেজ কতটি?
উত্তরঃ সরকারি মেডিকেল কলেজ ৩১টি।
৭১।প্রশ্নঃবাংলাদেশের মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কতটি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ১টি। ১,বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২।প্রশ্নঃবাংলাদেশের ক্যাডেট কলেজ কতটি?
উত্তরঃক্যাডেট কলেজ ১২টি ১,ছেলেদের জন্য ৯টি
২, মেয়েদের জন্য ৩টি।
৭৩।প্রশ্নঃবাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র কততম?
উত্তরঃবাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র ১৩৬তম।
৭৪।প্রশ্নঃবাংলাদেশের OIC এর সদস্য রাষ্ট্র কততম?
উত্তরঃবাংলাদেশের OIC এর সদস্য রাষ্ট্র ৩২তম।
৭৫।প্রশ্নঃবাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা কতটি?
উত্তরঃবাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা ৩২টি। ১,ভারতের সাথে ৩০টি ২, মায়ানমার সাথে ২টি রাঙামাটির সাথে উভয় দেশের সীমান্ত রয়েছে।
৭৬।প্রশ্নঃ বর্তমান বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কত?
উত্তরঃ বর্তমান বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ৫২০ মার্কিন ডলার বা ৩৫,৯০৪ টাকা।
৭৭।প্রশ্নঃবাংলাদেশের কবে কোন সংস্থা পারমানবিক বিদুৎ কেন্দ্র স্থাপনের অনুমতি দেয়?
উত্তরঃবাংলাদেশকে ২৪ জুন ২০০৭ সালে আন্তর্জাতিক আনবিক শক্তি সংস্থাপারমানবিক বিদুৎ কেন্দ্র স্থাপনের অনুমতি দেয়।
৭৮।প্রশ্নঃবাংলাদেশের ব্যাংকের বর্তমান বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কত?
উত্তরঃবাংলাদেশের ব্যাংকের বর্তমান বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৭৫ কোটি ৬৬ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার।
৭৯।প্রশ্নঃবাংলাদেশের কতটি থানাকে মেডেল থানা হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে?
উত্তরঃবাংলাদেশের ২৫ টি থানাকে মেডেল থানা হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে?
৮০।প্রশ্নঃবাংলাদেশের প্রথম মডেল থানা হিসেবে কার্যক্রম চালু হয় কোনটি?
উত্তরঃবাংলাদেশের প্রথম মডেল থানা হিসেবে কার্যক্রম চালু হয় ময়মনসিংহের ভালুকায়।
৮১।প্রশ্নঃবাংলাদেশের দ্রুততম মানব ও মানবি কে?
উত্তরঃবাংলাদেশের দ্রুততম মানব মানবি হলোঃ ১,মানব-সামসুদ্দিন ২,মানবি-নাজমুন নাহার বিউটি।
৮২।প্রশ্নঃ স্বাধীনতা পুরুষ্কার ২০০৭ এ লাভ করে কে?
উত্তরঃস্বাধীনতা পুরুষ্কার ২০০৭ এ লাভ করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও ব্র‍্যাক।
৮৩। প্রশ্নঃ গনতন্ত্রের পথেয় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি গ্রন্থের লেখক কে?
উত্তরঃগনতন্ত্রের পথেয় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি গ্রন্থের লেখক ডাঃ মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন।
৮৪।প্রশ্নঃবাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি রেডিও চ্যানেল কোনটি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি রেডিও চ্যানেল রেডিও টুডে।
৮৫।প্রশ্নঃবাংলাদেশের বর্তমানে মোট ভোটের সংখ্য কত?
উত্তরঃ বাংলাদেশের বর্তমান মোট ভোটের সংখ্যা ৯ কোটি ৩০ লাখ ৮২হাজার ৪৪৯জন।
৮৬।প্রশ্নঃবাংলাদেশ থেকে কোন দেশে সবচেয়ে বেশি ঔষধ রপ্তানি হয়?
উত্তরঃবাংলাদেশ থেকে ব্রাজিল দেশে সবচেয়ে বেশি ঔষধ রপ্তানি হয়।
৮৭।প্রশ্নঃবাংলা কবিতায় প্রাণপুরুষ কবি শামসুর রহমান মারা যান কবে?
উত্তরঃ বাংলা কবিতায় প্রাণপুরুষ কবি শামসুর রহমান মারা যান ১৭ আগস্ট ২০০৬ সালে।
৮৮।প্রশ্নঃ বাংলাদেশের প্রথম কার্টুন সিরিজ এর নাম কি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের প্রথম কাটুন সিরিজের নাম রুকাটু।
৮৯।প্রশ্নঃবিল গেটস বাংলাদেশ সফরে আসেন কবে?
উত্তরঃ ৫ ডিসেম্বর ২০০৫ সালে।
৯০।প্রশ্নঃ বাংলাদেশ নিযুক্ত ইউনিসেফ এর প্রধান কে?
উত্তরঃ বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউনিসেফের প্রধান লুইস জর্জেস আর্মেনাট।
৯১।প্রশ্নঃ জাতীয় সংসদে কর ন্যইপাল বিল আইন পাশ হয় কবে?
উত্তরঃ জাতীয় সংসদের কর ন্যইপাল বিল আইন পাশ হয় ১০ জুলাই ২০০৫ সালে।
৯২।প্রশ্নঃ বাংলাদেশের বিশ্বব্যাংকের বিকল্প পরিচালক কে?
উত্তরঃ বাংলাদেশের বিশ্বব্যাংকের বিকল্প পরিচালক জাকির আহ্মেদ খান।
৯৩।প্রশ্নঃ পোশাক শিল্পে G.SP বা MPA সুবিধা শেষ হয়ে কবে?
উত্তরঃ পোশাক শিল্পে G.SP বা MPA সুবিধা শেষ হয় ৩১ ডিসেম্বর ২০০৪ সাল।
৯৪।প্রশ্নঃ জাতীয় সংসদে( সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন বিল -২০০৪ পাশ হয় কবে?
উত্তরঃজাতীয় সংসদে( সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন বিল -২০০৪ পাশ হয় ২৯ নভেম্বার ২০০৪ সালে।
৯৫।প্রশ্নঃ বাংলাদেশের প্রথম মহিলা কারাগার নির্মিত হচ্ছে কোথায়?
উত্তরঃবাংলাদেশের প্রথম মহিলা কারাগার নির্মিত হচ্ছে গাজীপুর জেলার কাশিমপুরে।
৯৬।প্রশ্নঃ প্রস্তাবিত পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কত হবে?
উত্তরঃ প্রস্তাবিত পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য হবে ৬.০৩ কিলোমিটার।
৯৭।প্রশ্নঃ বাংলা ভাষা বিশ্বের কততম প্রধান ভাষা?
উত্তরঃ বাংলা ভাষা বিশ্বের পঞ্চাশ তম প্রধান ভাষা।
৯৮।প্রশ্নঃ ঢাকা শহরে পলিথিন ব্যগ ব্যবহার নিসিদ্ধ হয় কবে?
উত্তরঃঢাকা শহরে পলিথিন ব্যগ ব্যবহার নিসিদ্ধ হয় ১ জানুয়ারী ২০০২ সালে।
৯৯।প্রশ্নঃবন্দর নগরী চট্রগ্রাম পলিথিন ব্যগ ব্যবহার নিসিদ্ধ হয় কবে?
উত্তরঃ বন্দর নগরী চট্রগ্রাম পলিথিন ব্যগ ব্যবহার নিসিদ্ধ হয় ২১ ফেব্রুয়ারি নেপালি ২০০২ সালে।
১০০।প্রশ্নঃ সারা বাংলাদেশে পলিথিন ব্যগ ব্যবহার নিসিদ্ধ হয় কবে?
উত্তরঃ সারা বাংলাদেশে পলিথিন ব্যগ ব্যবহার নিসিদ্ধ হয় ১ মার্চ ২০০২।
(যদি কোন ভুল হয়ে থাকলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন)

06/02/2022

নির্মাণের আগে মাটি পরীক্ষা কেন গুরুত্বপূর্ণ?
আপনার স্বপ্নের বাড়ি তৈরি করার আগে মাটির গুণমান পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ। যে মাটিতে আপনি আপনার স্বপ্নের বাড়ি বানানোর পরিকল্পনা করছেন, আপনার নির্মাণ কাজ শুরু করার আগে সেটির মাটির গুণমান পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।
ভারবহন ক্ষমতা পরীক্ষা করার জন্য প্রাথমিকভাবে মাটি পরীক্ষা করা হয়। এই প্রক্রিয়া চলাকালীন মাটির রাসায়নিক এবং শারীরিক গঠন পরীক্ষা করা হয়। মাটির অবশ্যই ভবনের ওজন সহ্য করার ক্ষমতা থাকতে হবে। মাটির গুণমান শুধুমাত্র ভারবহন ক্ষমতা নির্ধারণ করে না কিন্তু এটি কাঠামোর স্থিতিশীলতা নির্ধারণ নিশ্চিত করে। মাটির গুণমান বিভিন্ন কারণের উপর নির্ভর করে যেমন আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বিগত বছরগুলিতে জমিটি কী উদ্দেশ্যে স্থাপন করা হয়েছিল এবং আগে কী ছিল।
ভিত্তির সময় স্তম্ভের দৈর্ঘ্য এবং গভীরতা মাটির গুণমানের উপর নির্ভর করে। মাটির পানির স্তর শুধুমাত্র মাটি পরীক্ষা থেকে নির্ধারণ করা যেতে পারে। মাটি পরীক্ষার রিপোর্টের ভিত্তিতে উপাদানের গুণমান নির্ধারণ করা যেতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যদি আর্দ্রতার কারণে এলাকাটি ক্ষয় প্রবণ হয় তবে নির্মাণের জন্য শুধুমাত্র ক্ষয় প্রতিরোধী TMT বার বেছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
নির্মাণ শুরু করার আগে মাটি পরীক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। যদি মাটি পরীক্ষা না করা হয় তাহলে ভবনটি অজানা বিপদের সম্মুখীন হবে এবং শেষ পরিণতি মারাত্মক হতে পারে।
নির্মাণের জন্য বিভিন্ন ধরনের মাটি পরীক্ষা
মাধ্যাকর্ষণ পরীক্ষা
মাটির মাধ্যাকর্ষণ হল পানির সাথে মাটির কঠিন পদার্থের একক ওজনের অনুপাত।
বেশ কয়েকটি পদ্ধতি রয়েছে যার মাধ্যমে মাধ্যাকর্ষণ পরীক্ষা করা যেতে পারে তবে ঘনত্ব বোতল পদ্ধতি এবং পাইকনোমিটার পদ্ধতি সঠিক ফলাফল পেতে সবচেয়ে সহজ এবং সাধারণ। Pycnometer পদ্ধতিতে, ভার্টেক্স নির্দিষ্ট মাধ্যাকর্ষণ বোতল pycnometer নামে পরিচিত এটি 4 টি ভিন্ন ক্ষেত্রে ওজন করা হয় যা হল
খালি ওজন (M1)
খালি শুকনো মাটি (M2)
খালি জল শুকনো মাটি (M3)
পানিতে ভরা পাইকনোমিটার (M4)
কক্ষ তাপমাত্রায়. এই 4 ভর থেকে নির্দিষ্ট মাধ্যাকর্ষণ নীচের সূত্র দ্বারা নির্ধারিত হয়।
G = (M2 – M1) / (M2 – M1) – (M3 – M4)
আর্দ্রতা পরীক্ষা
এই পদ্ধতিতে সাইট থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং শুকানোর আগে চুলায় রাখার আগে ওজন করা হয়। ওজন নেওয়ার পর এটি ওভেনে বের করে 110o + 5oC তাপমাত্রায় শুকানো হয়।
24 ঘন্টা পরে এটি চুলা থেকে বের করে আবার ওজন করা হয়। দুটি ওজনের মধ্যে পার্থক্য উল্লেখ করা হয় এবং ওজনের পার্থক্য থেকে পানি বা আর্দ্রতা নির্ধারণ করা হয়।
Atterberg সীমা পরীক্ষা
মাটির উপর Atterberg সীমা পরীক্ষা 3 স্তরে সঞ্চালিত হয়। পরীক্ষার জন্য উপাদানটি সূক্ষ্ম দানাদার মাটি দিয়ে করা হয় এবং যদি জল থেকে কোন গুরুত্বপূর্ণ উপাদান থাকে তবে এটি দিয়ে এটি নির্ধারণ করা যেতে পারে। তিনটি সীমা মূল্যায়ন করা হয়:
তরল সীমা
প্লাস্টিক সীমা
সংকোচনের সীমা
* তরল সীমা পরীক্ষা
এই পরীক্ষার জন্য যে ডিভাইসটি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাসাগ্রান্ডের তরল সীমা ডিভাইস বলা হয়। এই ডিভাইসটি একটি কাপ নিয়ে গঠিত যা উপরে এবং নিচের দিকে সরানো প্রক্রিয়া। হাতলের সাহায্যে কাপটি উপরে এবং নীচে সরানো হলে খাঁজটি এক পর্যায়ে বন্ধ হয়ে যায়।
একবার মাটির জলের পরিমাণ নির্ধারণ করা হলে পদ্ধতিটি 3 বার পুনরাবৃত্তি করার প্রয়োজন হলে লগ N এবং মাটির জলের পরিমাণের মধ্যে একটি গ্রাফ আঁকা হবে। মাটির তরল সীমা N=25 এর সাথে সম্পর্কিত জলের পরিমাণ।
* প্লাস্টিক সীমা পরীক্ষা
এই পরীক্ষায় কিছু জল মিশিয়ে ছোট ছোট বল তৈরি করতে হবে। কিছুক্ষণ বিশ্রামের পর ছোট ছোট বলগুলোকে কাচের প্লেটে রেখে 3 মিমি ব্যাসের মধ্যে ঘুরিয়ে দিতে হবে।
যতক্ষণ না থ্রেডগুলি ভেঙ্গে যায় যখন এটি 3 মিমি থেকে কম ব্যাসের মধ্যে ঘূর্ণায়মান হয় তখন জলের পরিমাণ হ্রাস করতে হবে। এটি ফলস্বরূপ মাটির জলের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হয় যার মান প্লাস্টিকের সীমা ছাড়া কিছুই নয়।
* সংকোচন সীমা পরীক্ষা
মাটিতে বিদ্যমান পানি শূন্যস্থান পূরণের জন্য যথেষ্ট। নিচের সূত্রটি মাটিতে সংকোচন পরীক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয়।
Ws = (M2 – M1)n – (V1 – V2) Pw / M2
M1 = প্রাথমিক ভর
V1 = প্রাথমিক ভলিউম
M2 = শুষ্ক ভর
V2 = শুকানোর পর আয়তন
Pw = পানির ঘনত্ব
শুকনো ঘনত্ব পরীক্ষা
মাটিতে শুকনো ঘনত্ব পরীক্ষা 2 স্তরে সঞ্চালিত হয়
* কোর কাটার পদ্ধতি
নলাকার কোর কাটারের সাহায্যে স্ট্যান্ডার্ড ডাইমেনশনের মাটি থেকে মাটি কাটতে ব্যবহৃত হয় এবং নমুনাটি ওজন করে পরীক্ষা করা হয়। সেই নমুনা থেকে জলের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় এবং শুষ্ক ঘনত্ব নীচের সম্পর্ক থেকে গণনা করা হয়।
P = (M/V) / 1+w
* বালি প্রতিস্থাপন পদ্ধতি
এই পদ্ধতিতে খননের মাধ্যমে একটি গর্ত তৈরি করা হয় এবং তা দিয়ে মাটির শুকনো ঘনত্ব পরিমাপ করতে হয়। গর্তটি পরিচিত শুকনো ঘনত্বের অভিন্ন বালি দিয়ে ভরা। বালির শুকনো ঘনত্বের সাথে গর্তে ঢেলে দেওয়া বালির ভরকে ভাগ করলে গর্তের আয়তন পাওয়া যায়।
প্রক্টরের কম্প্যাকশন টেস্ট
মাটিতে কম্প্যাকশন হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলির মধ্যে একটি যা মাটিতে প্রক্টরের কম্প্যাকশন পরীক্ষার সময় খুঁজে পাওয়া যায়। এটি মাটিতে বায়ু শূন্যতা হ্রাস করে ঘনত্ব করতে হয়। কম্প্যাকশনের মাত্রা মাটির শুষ্ক বেধ পর্যন্ত অনুমান করা হয়

05/02/2022

ম্যাট_ফাউন্ডেশন:
ম্যাট ফাউন্ডেশন কি? এবং লক্ষ্যনীয় বিষয় সমূহঃ-
যখন বিল্ডিং এর সবগুলো কলাম কে একটি মাত্র ফুটিং দ্বারা সংযুক্ত করা হয় তখন তাকে ম্যাট বা র‍্যাফট ফাউন্ডেশন বলা হয়ে থাকে।
সাধারণত মাটির ভার বহন ক্ষমতা খুব কাছাকাছি না পাওয়া গেলে এবং সতন্ত্র ফুটিং ডিজাইনের ক্ষেত্রে বিল্ডিং এরিয়ার সিংহভাগ জায়গা সতন্ত্র ফুটিং কর্তিক দখলের সম্ভাবনা থাকলে এ ফাউন্ডেশন ডিজাইন করা হয়।
কাজ চলাকালীন লক্ষ্যনীয়ঃ
১. সর্ব প্রথম ড্রইং অনুযায়ী নির্দিষ্ট পুরুত্বের C.C. ঢালাই করতে হবে।
২. ৭-১০ দিন কিউরিং করতে হবে।
৩. রডের ডাবল জালি/নেট ব্যাবহার করা হলে, মাটির উর্দ্ধমূখী চাপের দরুন, নিচের নেটে লং বার নিচে শর্ট বার উপরে, উপরের নেটে শর্ট বার নিচে লং বার উপরে।
৪. দুইটি নেট ব্যাবহার করলে নেট দুটিকে পরস্পর পৃথক করার জন্য এদের মাঝে রিইনফোর্সমেন্ট চেয়ার ব্যাবহার করতে হবে।
৫. ল্যাপিং এর ক্ষেত্রে ড্রয়িং অনুসরন করতে হবে।
৬. প্রত্যেক পার্শ্বে ক্লিয়ার কভার ৩'' অথবা ড্রয়িং ফলো করতে হবে।
৬. বারগুলোর ডায়া এবং স্পেসিং চেক দিতে হবে।
৭. পাইলের রড বের হয়ে থাকলে তা কেটে দিতে হবে অথবা বেইজমেন্ট রডের সাথে বেকে দিয়ে কাস্টিং করা যেতে পারে।
৮. R.C.C. Wall থাকলে ওয়াল এর রড গুলো এবং রডের মাটাম ড্রয়িং অনুযায়ী চেক করতে হবে। ওয়াল এ দুইটি লেয়ার এ রড ব্যাবহার করার জন্য সেপারেটর দিতে হবে। অবশ্যই ফেসবার ব্যাবহার করতে হবে।
৯.ফাউন্ডেশন এবং কংক্রিট ওয়ালের জয়েন্টের স্থান সতর্কতার সাথে ঢালাই করতে হবে, যাতে কোনভাবে ভবিষ্যতে পানি চুয়ানোর সম্ভাবনা না থাকে।
১০. ঢালাইয়ের রেশিও ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শ বা ড্রইং অনুযায়ী ফলো করতে হবে।
১১.কলামের সেন্টার লাইন যথাযথভাবে চেক করে নিতে হবে।
১২. পুরুত্ব অনেক বেশি হলে কংক্রিট দুই লেয়ারে ঢালাই করতে হবে।
১৩. ২১-২৮ দিন পর্যন্ত কিউরিং করতে হবে।

25/01/2022

পুরকৌশল
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের মতো জটিল সব স্থাপনায় পুরকৌশলের সুগভীর জ্ঞান প্রয়োজন হয়।
A multi-level stack interchange, buildings, houses, and park in Shanghai, China.
Philadelphia City Hall in the United States is still the world's tallest masonry load bearing structure.
পুরকৌশল বা পূর্তকৌশল হলো পেশাদার প্রকৌশল ব্যবস্থার একটি শাখা যেখানে নকশা, নির্মাণ কৌশল, বাস্তবিক বা প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা পরিবেশের ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করা হয় যার মধ্যে সেতু, রাস্তা, পরিখা, বাঁধ, ভবন ইত্যাদি নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত। পৃথিবীর সর্বত্র পুরকৌশলীদের কাজ রয়েছে। [১][২][৩] সামরিক প্রকৌশল ব্যবস্থার পর পুরকৌশল হল সবচেয়ে পুরাতন প্রকৌশল ব্যবস্থা[৪] এবং তা বেসামরিক ও সামরিক প্রকৌশল ব্যবস্থার মধ্যে পার্থক্যকারী বিভাগ।[৫] পুরকৌশলকে ঐতিহ্যগতভাবে বেশ কিছু উপ-শাখায় বিভক্ত করা হয়, যেমন স্থাপত্য প্রকৌশল, পরিবেশ প্রকৌশল, ভূ-কারিগরি প্রকৌশল, ভূপ্রকৃতিবিদ্যা, ভূগণিত, নিয়ন্ত্রণ প্রকৌশল, সংগঠন প্রকৌশল, ভূমিকম্প প্রকৌশল, পরিবহণ প্রকৌশল, পৃথিবী বিজ্ঞান, বায়ুমণ্ডলীয় বিজ্ঞান, আদালত প্রকৌশল, নগর প্রকৌশল, পানি সম্পদ প্রকৌশল, উপকরণ প্রকৌশল, উপকূলবর্তী প্রকৌশল, মহাকাশ প্রকৌশল, পরিমাণ জরিপ[৪] মাপজোখ, পরিবেশবিজ্ঞান, ভূতত্ত্ব, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা, অবকাঠামো প্রকৌশল, বস্তুবিদ্যা, জলবিজ্ঞান, ভূমি জরিপ এবং নির্মাণ প্রকৌশল।[৬]

পরিচ্ছেদসমূহ
১ পুরকৌশল পেশার ইতিহাস
২ পুরকৌশলের ইতিহাস
৩ পুর-প্রকৌশলী
৩.১ শিক্ষা ও অনুমতিপত্র
৪ চিত্রশালা
৫ তথ্যসূত্র
৬ বহিঃসংযোগ
পুরকৌশল পেশার ইতিহাস
মানব সভ্যতার শুরু থেকে প্রকৌশল জীবন ব্যবস্থার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০০ এবং ২০০০ সালে প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা ও মেসোপটেমিয়ার সভ্যতা (প্রাচীন ইরাক) থেকে পুরকৌশলের যাত্রা শুরু বলে ধারণা করা হয়, ঠিক যখন থেকে মানুষ তাদের বসবাসের জন্য আবাস নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। সেই সময়ে চাকা এবং পাল আবিষ্কার হবার ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব দারুনভাবে বৃদ্ধি পায়।

বেশ কিছুদিন আগ পর্যন্তও পুরকৌশল এবং স্থাপত্যবিদ্যার মধ্যে কোন সুস্পষ্ট পার্থক্য ছিল না এবং প্রকৌশলী ও স্থপতি শব্দ দ্বারা ভৌগোলিক স্থানভেদে, মূলত একই ব্যক্তিকে বোঝান হত।[৭] মিশরের পিরামিডকে (খ্রিস্ট পূর্ব ২৭০০-২৫০০) বিশ্বের ইতিহাসে বড় কাঠামো নির্মাণের প্রথম দৃষ্টান্ত বিবেচনা করা হয়। অন্যান্য পুরকৌশল নির্মাণকাজের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে কানাত পানি ব্যাবস্থাপনা কৌশল (সবচেয়ে পুরানোটি ৩০০০ বছর পূর্বের ও প্রায় ৭১ কিলোমিটার লম্বা,[৮]),দ্যা অ্যাপেইন ওয়ে, চীনের গ্রেট ওয়াল ইত্যাদি। রোমানরা, তাদের সাম্রাজ্যজুড়ে নালা পোতাশ্রয়, সেতু বাঁধ, রাস্তাসহ অসংখ্য বেসামরিক স্থাপনা গড়ে তোলে।

১৮শ শতাব্দীতে পুরকৌশল শব্দটিকে সামরিক প্রকৌশলবিদ্যার বিপরীত হিসেবে ব্যবহার করা হত। বিশ্বের প্রথম স্বঘোষিত সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন জন স্মিয়াথন যিনি এডিস্টোন লাইটহাউস তৈরি করেছিলেন। ১৭৭১ সালে স্মিয়াথন ও তার কয়েকজন সহকর্মী মিলে স্মিয়াথন সোসাইটি অফ সিভিল ইঞ্জিনিয়ার নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন। যদিও তাদের কারিগরি বিষয় নিয়ে কিছু বৈঠক হয় তথাপিও এটি একটি সামাজিক সংগঠনের চেয়ে বেশি কিছু ছিল না।

১৮১৮ সালে লন্ডনে ইন্সিটিউট অফ সিভিল ইঞ্জিনিয়ার প্রতিষ্ঠিত হয়, ১৮২০ সালে থমাস টেলফোর্ড এর প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ১৮২৮ সালে প্রতিষ্ঠানটি রাজকীয় সনদ গ্রহণ করে যা পুরকৌশলকে একটি পেশা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

যুক্তরাষ্ট্রে নরউইচ ইউনিভার্সিটিতে প্রথম বেসরকারি কলেজ হিসেবে পুরকৌশল পড়ান শুরু করা হয়, ১৮১৯ সালে।[৯] যুক্তরাষ্ট্রে ১৮৩৫ সালে রেন্সিলেয়ার পলিটেকনিক ইন্সিটিউট থেকে পুরকৌশলে সর্বপ্রথম ডিগ্রি প্রদান করা শুরু হয়।[১০] ১৯০৫ সালে প্রথম নারী হিসেবে পুরকৌশলে সেই ডিগ্রী পান নোরা স্ট্যান্টোন ব্লাচ কর্নেল ইউনিভার্সিটি থেকে।[১১]

পুরকৌশলের ইতিহাস

আর্কিমিডিসের স্ক্রু, যা হাত দিয়ে পরিচালনা করা হত এবং এর সাহায্যে অত্যন্ত কার্যকরভাবে পানি তোলা যেত

পোন্ট দু গার্ড, ফ্রান্স, একটি রোমান পানি সরবরাহের কৃত্রিম প্রণালী যা আনুমানিক ১৯ খ্রিস্ট পূর্ব সালে তৈরি করা হয়েছিল
পুরকৌশল হচ্ছে সমাজের বিভিন্ন সমাধানের নিমিত্তে প্রাকৃতিক এবং বৈজ্ঞানিক ধারণা এবং নীতিগুলোর প্রয়োগ। গণিত ও পদার্থবিজ্ঞানের সূত্রকে অধিকতর বাস্তবভিত্তিক সমস্যা সমাধানে ব্যবহারের মধ্য দিয়ে পুরকৌশল পেশা আজকের অবস্থানে আসতে সক্ষম হয়েছে। যেহুতু পুরকৌশলের বিস্তৃতি অনেক ব্যপক, এর জ্ঞান কাঠামোবিদ্যা, বস্তুবিদ্যা, ভূবিজ্ঞান, ভূতত্ত্ব, মাটি, জলবিজ্ঞান, পরিবেশবিদ্যা, বলবিদ্যা এবং বিজ্ঞানের আর শাখার সাথে সংযুক্ত।

প্রাচীনকাল ও মধ্যযুগীয় সময়কালে সকল সকল স্থাপত্যের নকশা এবং নির্মাণ রাজমিস্ত্রি এবং কাঠমিস্ত্রি দ্বারা করা হত, যার ফলে একসময় স্থপতির প্রয়োজন অনুভব করায়। সকল জ্ঞান একদল বিশেষ গোষ্ঠীর কাছে মুষ্ঠিবধ্য ছিল এবং তা খুব কম সময়ই অন্যদের জানানো হত। এর ফলে একটি নির্দিষ্ট এলাকায় একই ধরনের স্থাপনা, রাস্তা ও অবকাঠামো দেখা যেত এবং তা আকারে ক্রমান্বয়ে আর বড় হতে থাকে। [১২]

পদার্থবিজ্ঞান এবং গণিতের সূত্রগুলিকে পুরকৌশলের জন্য ব্যবহার উপযোগী করে গড়ে তোলার প্রথম প্রচেষ্টাটি করেন আর্কিমিডিস তৃতীয় খ্রিস্টপূর্বাব্দ সালে, যার মধ্যে আর্কিমিডিসের তত্ত্ব অন্তর্গত ছিল, যা প্লবতা সম্পর্কে আমাদের ধারণা মজবুত করতে সাহায্য করে এবং আমাদেরকে বিভিন্ন ব্যবহারউপযোগী সমাধান যেমন আর্কিমিডিসের স্ক্রু বানাতে সাহায্য করে। ব্রহ্মগুপ্ত, একজন ভারতীয় গণিতবিদ, সপ্তম খ্রিস্টাব্দে হিন্দু-আরবিক সংখ্যাতত্ত্বের উপর ভিত্তি করে, পাটিগণিত ব্যবহার করে খননকৃত এলাকার আয়তন বের করবার পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।
পুর-প্রকৌশলী
শিক্ষা ও অনুমতিপত্র
মূল নিবন্ধ: পুর-প্রকৌশলী
পুর-প্রকৌশলী সাধারণত পুরকৌশল এর উপর একটি একাডেমিক ডিগ্রী নিয়ে থাকেন। এর শিক্ষাবর্ষ ৩ থেকে ৫ বছর হয়ে থাকে, এবং সম্পন্ন ডিগ্রী প্রকৌশল স্নাতক, বা বিজ্ঞান স্নাতক হিসেবে মনোনীত করা হয়। পুরকৌশল পাঠ্যক্রমে সাধারণত পদার্থবিদ্যা, গণিত, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা, নকশা এবং নির্দিষ্ট বিষয় অন্তর্ভুক্ত আছে। পুরকৌশলের প্রয়োজনীয় শাখায় প্রাথমিক কোর্স গ্রহণ করার পর, তারা উন্নতির সাপেক্ষে এক বা একাধিক শাখার উপর বিশেষত্ব লাভ করে থাকেন। যদিও স্নাতক ডিগ্রীর (বিএসসি) একজন ছাত্র শিল্প-স্বীকৃত(industry-accredited) যোগ্যতা সম্পন্ন হয়ে থাকে, আবার কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্নাতকোত্তর ডিগ্রী (এমএসসি) প্রদান করে, যা শিক্ষার্থীদের তাদের পছন্দের বিষয়ে আরও বিশেষজ্ঞ হওয়ার সুযোগ দিয়ে থাকে। অধিকাংশ দেশে, একটি স্নাতক ডিগ্রীই ইঞ্জিনিয়ারিং পেশাদারী সার্টিফিকেশন হিসেবে কাজ করে। প্রত্যায়িত ডিগ্রী কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর, একজন প্রকৌশলীকে প্রত্যয়িত হওয়ার পূর্বেই তার পরীক্ষার ফলাফল আশাতীত এবং কর্ম দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে। একবার প্রত্যায়িত হয়ে গেলে, প্রকৌশলী তখন পেশাদার হিসেবে বিবেচিত হবে। প্রাসঙ্গিক পেশাদারী সংস্থার মধ্যে, প্রকৌশলী জাতীয় সীমানা জুড়ে অনুশীলন বা হাতে কলমে শিক্ষা গ্রহণ করার বেপারে আন্তর্জাতিক চুক্তি আছে। প্রশংসাপত্রের সুবিধা অনেকাংশে তার অবস্থানের উপর নির্ভর করে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ক্যানাডাতে, শুধু মাত্র একজন প্রত্যায়িত পেশাদারী প্রকৌশলই পারবেন সরকারি এবং বেসরকারি কাজের জন্য, তার স্বাক্ষরকৃত প্রকৌশলী পরিকল্পনা (plan) এবং অঙ্কন(drawing) অনুমোদনের জন্য সরকারি কর্তৃপক্ষের নিকট জমা দিতে। যুক্তরাজ্য সহ অন্যান্য দেশেও পুরকৌশলের জন্য একই আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডে পুর-প্রকৌশলীদের রাষ্ট্রীয় অনুমোদনে বা লাইসেন্সে কিছুটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। প্রায় সকল প্রতায়িত সংস্থাই নীতিশাস্ত্র কোড(code of ethics) মেনে চলে, যা ওখানকার সকল সদস্যকে মেনে চলতে হবে একজন প্রকৌশলীকে অন্য পক্ষের সাথে, চুক্তি আইন সংবলিত চুক্তিমুলক বিষয়গুল অবশ্যই মেনে চলতে হবে। যদি একজন প্রকৌশলী তার কাররয ক্ষেত্রে অপারগ হয়, তবে তিনি আইনত দোষী সাব্বস্থ হতে পারে।"[১৭] একজন পুরকৌশলীকে আরও কিছু নিয়ম কানুন মেনে কাজ করতে হয়, সেটা হতে পারে বিল্ডিং কোড ও পরিবেশ গত আইন।

25/12/2021

সিভিল ইঞ্জিনিয়ার
একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্পের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে সাহায্য করে থাকেন। কারিগরি দক্ষতা আর সৃজনশীলতা থাকলে এ পেশায় সফলতা অর্জন করা খুবই সহজ। আবাসন খাত, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগ সহনশীল ও টেকসই শিল্পনির্ভর উন্নয়নের জন্য একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এক নজরে একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার
সাধারণ পদবী: সিভিল ইঞ্জিনিয়ার
বিভাগ: ইঞ্জিনিয়ারিং
প্রতিষ্ঠানের ধরন: সরকারি, বেসরকারি, প্রাইভেট ফার্ম/কোম্পানি
ক্যারিয়ারের ধরন: ফুল-টাইম
লেভেল: এন্ট্রি, মিড, টপ
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য অভিজ্ঞতা সীমা: ০ – ২ বছর
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য আয়: ৳২৫,০০০
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য বয়সসীমা: ২২ বছর
মূল স্কিল: গাণিতিক জ্ঞান, বিশ্লেষণী ক্ষমতা, কম্পিউটার মডেলিং সফটওয়্যার ব্যবহারে দক্ষতা
বিশেষ স্কিল: সৃজনশীলতা, আঁকাআঁকির দক্ষতা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের পেশা সম্পর্কিত প্রশ্ন
• একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার কোথায় কাজ করেন?
• একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের কাজ কী?
• একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের কী ধরনের যোগ্যতা থাকতে হয়?
• একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের কী ধরনের দক্ষতা ও জ্ঞান থাকতে হয়?
• কোথায় পড়বেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং?
• একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের মাসিক আয় কেমন?
• একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের ক্যারিয়ার কেমন হতে পারে?
একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার কোথায় কাজ করেন?
অবগকাঠামোগত নির্মাণের যেকোন কাজ ও প্রকল্পের সাথে সিভিল ইঞ্জিনিয়াররা যুক্ত থাকেন। যেমন:
• ব্যক্তিগত বাড়ি নির্মাণ
• আবাসন প্রকল্প
• অফিস নির্মাণ প্রকল্প
• বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ প্রকল্প
• সড়ক-মহাসড়ক নির্মাণ ও মেরামত প্রকল্প
• রেলপথ নির্মাণ ও মেরামত প্রকল্প
• সেতু নির্মাণ প্রকল্প
• বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প
• কলকারখানা নির্মাণ প্রকল্প
• বন্দর নির্মাণ প্রকল্প

আমাদের দেশে সরকারি বহু প্রতিষ্ঠানে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের পদ রয়েছে। যেমন:
 স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED)
 সড়ক ও জনপথ বিভাগ
 গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়
পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশনের মতো প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষও বিভিন্ন প্রকল্পে নিয়মিত সিভিল ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ দিয়ে থাকে। এছাড়া, সামরিক বাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।
বর্তমানে বহু নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ও শিল্পকারখানায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কাজ করতে পারবেন। বিশেষ করে আবাসন বা রিয়েল এস্টেট খাতে এ পেশাজীবীদের চাহিদা লক্ষণীয়।

একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের কাজ কী?
 অবকাঠামো নির্মাণের জন্য পরিচালিত জরিপের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করা
 সংগৃহীত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে প্রকল্প পরিকল্পনা তৈরি করা
 প্রকল্পের বাজেট, ঝুঁকি, পরিবেশের উপর প্রভাব ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় খতিয়ে দেখা
 প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সরকারি অনুমোদনের দরকার হলে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া
 কম্পিউটার মডেল বানানো
 প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কাঁচামালের খরচ, যন্ত্রপাতি ও প্রয়োজনীয় কর্মীসংখ্যার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষকে জানানো
 প্রকল্পের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য মাটির গুণাগুণ পরীক্ষা করা
 প্রয়োজনীয় নির্মাণসামগ্রীর মান নিশ্চিত করা
 প্রকল্প চলার সময় নির্মাণ সংক্রান্ত যাবতীয় কর্মকাণ্ডের তদারকি করা
 প্রকল্পে নিযুক্ত কর্মীদেরকে উপযুক্ত নির্দেশনা দেয়া
 প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত অবহিত করা
 প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে কর্তৃপক্ষকে কারিগরি পরামর্শ দেয়া
একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের কী ধরনের যোগ্যতা থাকতে হয়?
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে আপনার অবশ্যই বিএসসি ডিগ্রি থাকতে হবে। তবে ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীরা উপ-সহকারী ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে পারেন।
বয়সঃ প্রকল্পভেদে বয়সের সীমা নির্ধারিত হয়। সাধারণত আপনার বয়স কমপক্ষে ২২ বছর হতে হবে।
অভিজ্ঞতাঃ এ পেশায় অভিজ্ঞদের প্রাধান্য রয়েছে। বিশেষ করে বড় প্রকল্পগুলোতে কাজ করার জন্য অভিজ্ঞতার কোন বিকল্প নেই।
একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের কী ধরনের দক্ষতা ও জ্ঞান থাকতে হয়?
এ পেশায় কাজ করতে হলে গণিত ও পদার্থবিজ্ঞানে ভালো জ্ঞান থাকা আবশ্যক। পাশাপাশি নকশা ও মডেলিংয়ের কাজে ব্যবহৃত কম্পিউটার সফটওয়্যার ব্যবহারে দক্ষ হতে হবে আপনাকে। যেমন:
 AutoCAD
 AutoCAD Civil 3D
 3Ds Max
 Google sketchup
 Corel Draw
 Revit
 InfraWorks
 SAP
 ETABS
কারিগরি জ্ঞানের পাশাপাশি আরো কিছু দক্ষতা দরকার হবে আপনার। যেমন:
চিন্তাভাবনায় সৃজনশীলতা থাকা
আঁকাআঁকির দক্ষতা
বিশ্লেষণী ক্ষমতা
খুঁটিনাটি বিষয়ে মনোযোগ দিতে পারা
প্রকল্প ব্যবস্থাপনা
কর্মী ব্যবস্থাপনা
আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে কারিগরি সমস্যা সমাধানের দক্ষতা
জরুরি অবস্থায় মানসিক চাপ সামলে সিদ্ধান্ত নিতে পারা
কোথায় পড়বেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং?
বাংলাদেশের প্রায় সব সরকারি-বেসরকারি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ানো হয়। পাশাপাশি ভোকেশনাল বা পলিটেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটগুলো থেকে ডিপ্লোমা ডিগ্রি নেবার ব্যবস্থা রয়েছে। উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউট (IEB) অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে পড়া শ্রেয়। এর কারণ হলো, কিছু কিছু জায়গায় আইইবির অনুমোদনহীন সার্টিফিকেটধারী ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়োগ পেতে সমস্যা হয়।
একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের মাসিক আয় কেমন?
প্রতিষ্ঠান ও কাজ ভেদে এন্ট্রি লেভেলে একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের মাসিক আয় সাধারণত ৳২০,০০০ থেকে শুরু করে ৳৫০,০০০ পর্যন্ত হতে পারে। সরকারি খাতে জাতীয় বেতন স্কেল অনুসরণ করে সাধারণত ৯ম জাতীয় গ্রেডে ৳৩২,০০০ স্কেলে নিয়োগ দেয়া হয়, যা পরবর্তীতে পদোন্নতির সাথে সাথে বেড়ে যায়।
চাকরির পাশাপাশি অনেক সিভিল ইঞ্জিনিয়ার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করে মাসে কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত উপার্জন করে থাকেন। তবে এর জন্য কারিগরি কাজের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।
একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের ক্যারিয়ার কেমন হতে পারে?
সরকারি-বেসরকারি প্রায় সব প্রতিষ্ঠানে সহকারী ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে আপনার ক্যারিয়ার শুরু হবে। চাকরির ৩-৫ বছরের মধ্যে পদোন্নতি পাবেন। এ ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ পর্যায়ের সরকারি পদ হলো প্রধান প্রকৌশলী। প্রাইভেট ফার্ম বা কোম্পানির ক্ষেত্রে একজন ব্যবস্থাপনা নির্বাহী হিসাবে নিয়োগ পেতে পারেন।
বেসরকারি খাতে অনেকে কনসালট্যান্ট ফার্ম বা নির্মাণ প্রতিষ্ঠান তৈরি করে স্বাধীনভাবে কাজ করেন।
তথ্যসূত্র
 ‘সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ক্যারিয়ার’, দৈনিক যুগান্তর, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬।
 ‘সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ক্যারিয়ার’, দৈনিক আমাদের সময়, ৪ অক্টোবর ২০১৭।
 মোহনা কন্সট্রাকশন অ্যান্ড হাউজিং কনসালট্যান্সি লিমিটেড, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ: ১৪ মে ২০১৮, বিডিজবস ডট কম।
 কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার – কোডেক, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ: ১৪ মে ২০১৮, বিডিজবস ডট কম।
 আমিন মোহাম্মদ গ্রুপ, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ: ১৫ মে ২০১৮, বিডিজবস ডট কম।
 কাজী এন্টারপ্রাইজেজ লিমিটেড, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ: ১৫ মে ২০১৮, বিডিজবস ডট কম।

Address

456/9 Mullah Vila, DUET, Joydebpur
Gazipur
1700

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CADDZone & Computer training Institute posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to CADDZone & Computer training Institute:

Share

Category