01/04/2018
# HSC 2018 পরীক্ষার্থীদের জন্য কিছু ফাইনাল টিপস
১. প্রশ্ন পাওয়ার ধান্দায় থেকো না, পেলেও সেটার ভরসায় থেকো না।
২.পরিক্ষায় দেখাদেখি করলে কোন গুনাহ নাই এবং বউ বাচ্চা কুৎসিত হবে নাকি সেটা পরীক্ষায় দেখা দেখির উপর না
প্রথম প্রথম কোন দেখাদেখি নাই। নিজে যা পারো লিখে ফেলো। কিছুক্ষন পর পরীক্ষকরা এটা সেটা নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে যায়। শুরু করে দাও এই মহৎ কাজ দেইখা ফাডায়া লাও । তবে একটা কথা, আমরা শিক্ষকদের যতটা বোকা ভাবি,তারা ততটা বোকা না। তারা সব দেখে। কে ঘাড় ঘুরাও না ঘুরাও,কিছুই তাদের চোখ এড়ায়না। তারা শুধু দেখে যে তুমি তাদের সম্মান দিয়ে দেখাদেখি করছো,নাকি গুন্ডার মত 'আই ডোন্ট কেয়ার' মুডে দেখাদেখি করছো। ইউ হেব টু শো ছাম রেসপেক্ট। টিচারের চোখে চোখ পরলেই দেখাদেখি বন্ধ করে সুবোধ বালক হয়ে যাবা। অকা?নাইলে কপাল মন্দ।
৩.নিজে উত্তর না পারলে, দেখা দেখি, করতে না পারলে সাদা খাতা জমা না দিয়ে গরুর রচনা হলেও খাতায় কালি মাইখা আসবা।
৪.মাজার টাজারে যাওয়া বাদ দাও। মৃত ব্যাক্তির কোন ক্ষমতা নাই। প্রভুর কাছে যা ডিমান্ড আছে করে ফেল।
৫.লিখবার সময় কিছু ভুলে গেলে আল্লাহ্ র নাম নিতে থাকো।আল্লাহ্ ভরসা।
৬.মেক ফ্রেন্ডস। পাশের সিটের গুলারে ফ্রেন্ড বানাই ফেলবা
৭.সুন্দরী মেয়ে অথবা হেন্ডসাম ছেলেদের দিকে তাকানো বন্ধ করো। এইটা বিয়া করার মন্ডব না,জান বাচানোর ময়দান। আগে বাঁচো। গেবনে বাস স্টপের বাসের মতন অনেক সুন্দর ছেলে,সুন্দরী মেয়ে আসবে যাবে।
৮."টেনশন কইরা কোন লাভ নাই,সো টেনশন করোনা"-এই কথাটা আমি জীবনেও কাউকে বলবোনা। কারো সাধ্য নাই যে টেনশন দূর করতে পারবে। পরীক্ষার সময় টেনশন হবেই।
৯.পরিক্ষা যেমনই হোক,বাসায় এসে বলবা ভালো হয়েছে । কারন ভুলেও যদি বলে ফেলো যে ভালো হয়নাই,ফ্যামিলি থেকে তোমাকে যে পরিমানে প্রেশার দেওয়া হবে তাতে পরবর্তী পরিক্ষাও শেষ
১০.জ্বর টর বাধিওনা। এই এক মাস দুধ ডিম কলা ইত্যাদি খাও।
১১. পরীক্ষা দিয়া আইসা উত্তর মিলানো নিয়া বেশীক্ষন তাং ফাং না(সময় অপচয়
) কইরা ঘুম দিবা, কারন খাতায় যেটা লিখে আসছো অইটাই পাইবা তাং ফাং করলে খাতায় লেখা শুদ্ধ হবে না। না ঘুমাইলে মাথার ভিতরে অনেক চিন্তা ঘুরবে আর পড়তে বসলে মাথা ব্যাথা করবে পরীক্ষার হলে কি জাদু দেখলা নাকি করলা ইত্যাদি নিয়া।
১২) আগেই রাইত্তে ফোন এ রোমান্স করা হারাম তাহলে পরীক্ষায় অইগুলাই মনে পড়ে। পড়ার সময় ফোন বন্ধ। জলদি ঘুমাইয়া যাবা নইলে পরীক্ষার হলে মাথা ব্যাথা করবে।
১৩) পরীক্ষার মাসে গফ/বফ এগুলা ভুলে যাও নইলে ফেল করলে এগুলা কিছু পাবা না কিন্তু ভালো কইরা পাশ করলে তাদের বাপ মা তোমার হাতে পায়ে ধরবে বিয়ে করতে
।
১৪) বাবা -মার অথবা আপন জনের দোয়া নিতে ভুইলো না, সন্তানের জন্যে বাবা-মার দোয়া আর বাবা-মার জন্যে সন্তানেয় দোয়া প্রভুর কাছে আগে কবুল হয়।
১৫) পরীক্ষার হলে যা যা নেওয়া লাগে, কলমের কালি আর সব কিছু ঠিক ঠাক আসে নাকি রাতেই গুছায়ে রাইখো নইলে সকালে তারা হুরায় কিছু না কিছু বাদ পরে যেতে পারে।
:)সালামি /প্রণামি তুলতে ভুইলো না অই টাকা দিয়া পরীক্ষার পরে চিল করবা
জীবনে প্রচুর চিল করতে হবে
অনেক কথায় বলা হলো।কিছু ইনফরমাল কথা আছে তার জন্য সরি। একটু অন্যভাবে বলার চেষ্টা করেছি যাতে তোমরা বোরিং ফিল না করো,এমনিতেই যথেষ্ট টেনশনে আছো!যাই হোক,কথাগুলা মনে রেখে পরীক্ষার হলে যাবা আশা করি কোন প্রব্লেম হবেনা।অল দ্যা বেস্ট.