জামায়াতে ইসলামী গোসাইরহাট উপজেলা

জামায়াতে ইসলামী গোসাইরহাট উপজেলা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি ইসলামী আদর্শ ভিত্তিক রাজনৈতিক দল।

জাতীয় সংসদে কোরআন-সুন্নাহ বিরোধী সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন আইন পাশের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ। 🗓️ তারিখ: ০৭ সেপ্...
07/09/2026

জাতীয় সংসদে কোরআন-সুন্নাহ বিরোধী সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন আইন পাশের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ।

🗓️ তারিখ: ০৭ সেপ্টেম্বর'২৬ | সোমবার
⏱️সময়: বিকেল ৫টা
📍 স্থান: বায়তুল মোকাররম (উত্তর গেট)

আয়োজনে : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ঢাকা মহানগরী।

মাওলানা নিজামী পুত্র মাওলানা ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান ইজ ওয়ান ম্যান আর্মি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ নাকি একাই...
07/09/2026

মাওলানা নিজামী পুত্র মাওলানা ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান ইজ ওয়ান ম্যান আর্মি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ নাকি একাই বিরোধীদলের ৬৭ এমপিকে ট্যাকল দিয়ে থাকে। এই ন্যারেটিভের মূল ফ্যাক্ট এই যে, জামায়াতের ব্যারিস্টার নাজিবুরের বক্তব্যকে কাউন্টার দেওয়ার মতো যোগ্যতাও সালাউদ্দিন আহমেদের নেই। ব্যারিস্টার নাজিবুর অত্যন্ত চমৎকারভাবে সাংবিধানিক যুক্তি ও রেফারেন্স সংবলিত বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত পটু।

সালাউদ্দিন আহমেদ যদি নৈতিক জায়গা থেকে ব্যারিস্টার নাজিবুরের বক্তব্যকে কাউন্টার দেওয়ার সাহস করতো, তবে অবশ্যই সবক্ষেত্রে পরাজিত হতো। জাস্ট সংখ্যার আধিক্য দিয়ে সালাউদ্দিন আহমেদ নিজের যুক্তিকে উপরে রাখে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে, সালাউদ্দিন আহমেদের জায়গাটা নৈতিকতার বহির্ভূত; ব্যারিস্টার নাজিবুর যুক্তিতে বিজয়ী। আপাতদৃষ্টিতে সালাউদ্দিন আহমেদকে পটুত্বে বিজয়ী মনে হলেও; জনগণের ম্যান্ডেটে ব্যারিস্টার নাজিবুরের পটুত্ব গ্রহনযোগ্য।

যাইহোক, বিরোধীদলীয় নেতা ও আমীরে জামায়াতকে একটা জায়গায় স্ট্যান্ডার্ড সেটআপ করে রাখা বেটার মনে করতেছি। সালাউদ্দিন আহমেদকে জাস্ট ব্যারিস্টার নাজিবুরের উপরে ছেড়ে দেওয়া যৌক্তিক। বিরোধীদলীয় নেতা ও উপনেতার জায়গা থেকে সালাউদ্দিন আহমেদের হীন রাজনৈতিক বক্তব্যকে কাউন্টার না দেওয়া হোক। এই জায়গায় বরং ব্যারিস্টার নাজিবুর পারফেক্টলি ডেলিভারি দিতে পারবেন। গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং সংসদে উত্থাপিত বিভিন্ন বিলের উপরে ব্যারিস্টার নাজিবুর খুবই যুক্তিসঙ্গত বক্তব্য দিয়ে থাকেন। কিন্তু ইন্টারেস্টেড সাংবিধানিক অসাংবিধানিক দলটি তাঁর বক্তব্যগুলোকে জাস্ট সংখ্যার আধিক্য দিয়ে অপ্রাসঙ্গিক করে দেয়।

সালাউদ্দিন আহমেদ বিএনপির মুখপাত্র; ব্যারিস্টার নাজিবুর জামায়াতের মুখপাত্র। এক্ষেত্রে লড়াইটা এখানেই হোক। যুক্তিসঙ্গত ও নৈতিক লড়াইয়ে কে জিতে, তা জনগণ দেখবে; সরকার মূল্যায়ন না করলেও। এক্ষেত্রে আমীরের জায়গা থেকে সালাউদ্দিন আহমেদের কোন বক্তব্যকে স্পেস না দেওয়া বেটার মনে করি।

ব্যারিস্টার নাজিবুরকে বিরোধীদলীয় চীপ হুইপ বানানো প্রয়োজন ছিল। নাহিদ ইসলাম একটা দলের প্রধান হয়ে চীপ হুইপের পদে না আসাটাই বেটার ছিল। ব্যারিস্টার নাজিবুর এই পদে সবচেয়ে বেশি পারফরম্যান্স করতে পারতেন। কী নেই তার ভিতরে? আইনের উৎকর্ষ আছে, ইসলামী জ্ঞানে সমৃদ্ধতা আছে, কথার পটুত্ব আছে, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা রয়েছে। এক্ষেত্রে বিরোধীদলীয় চীপ হুইপ তাঁকেই বানানো প্রয়োজন ছিল। বেস্ট চয়েস হতো।

যাইহোক, ব্যারিস্টার নাজিবুর ইজ ওয়ান ম্যান আর্মি। একাই অনেক কাজের ভালো পারফরম্যান্স করতে সক্ষম হচ্ছেন। পিতার জায়গাটা পরিপূর্ণভাবে বুকে ধারণ করেছেন। আগামীতে আরো বড় হবেন; পিতার মতো জনগণের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নে সাহসী ভূমিকা রাখবেন। আমরা এই প্রত্যাশাই রাখি।

বাপকা বেটা, সিপাহী কা ঘোড়া। বাপ নিজামীর সুযোগ্য বেটা ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান; আমীরে জামায়াতের পরে সংসদের সবচেয়ে সুযোগ...
06/09/2026

বাপকা বেটা, সিপাহী কা ঘোড়া। বাপ নিজামীর সুযোগ্য বেটা ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান; আমীরে জামায়াতের পরে সংসদের সবচেয়ে সুযোগ্য এমপি। নাজিবুর রহমান এতটাই হাই লেভেলে পারফরম্যান্স করতেছে যে, সবগুলো কথা খুবই প্রাসঙ্গিক ও ইফেক্টিভ। কথার বাচনভঙ্গি ও কাউন্টার অ্যাটাকের ক্ষেত্রে নাজিবুর রহমান সর্বসেরা।

ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমানের সংসদে গুরুত্বপূর্ণ একটা দায়িত্ব আছেন। সংসদে বিরোধীদলের মুখপাত্র নিজামী পুত্র এই ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমানই। জামায়াতে ইসলামীর সংসদীয় সকল ইস্যু ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমানই ট্যাকল দিয়ে থাকেন। অত্যন্ত চমৎকারভাবে বিরোধীদলের মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

আজকে ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান আইনমন্ত্রীকে একেবারে ধুয়ে দিয়েছেন। সংসদে এখন পর্যন্ত যে কয়টা কুকিং হয়েছে; নাজিবুরের কুকিংটা সেরা হয়েছে। নাজিবুরের কুকিং শুনে সরকার দলের এমপিদের মধ্যে বেশ শুনশান নীরবতা দেখা গিয়েছে। আর জামায়াতের এমপিদের মধ্যে বেশ উচ্ছ্বাস চোখে পড়েছে। সংবিধানের ব্যাখ্যা, ঐতিহাসিক রেফারেন্স, অনৈতিক এমপিদের ভুল ব্যাখ্যার জবাব দিতে গিয়ে নাজিবুর রহমান এইভাবেই আলট্রা লেভেলে পারফরম্যান্স করতেছেন।

ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান এই সংসদীয় সেশনে সবচেয়ে প্রভাবশালী এমপিদের একজন হবে। সরকারের এমপিদের মধ্যেও কেউ নেই, ব্যারিস্টার নাজিবুরের যুক্তিকে খণ্ডন করবে; জাস্ট সংখ্যার জোরে তাঁর যুক্তিগুলোকে প্রায়োরিটি দেওয়া হচ্ছে না।

যাইহোক, বাপের জায়গটা পুরাপুরি নিজের করে নিতে সক্ষম হচ্ছেন আমাদের এমপি ব্যারিস্টার নাজিবুর। বাপের কথা শুনার জন্য যেভাবে আপামর জনতা চাতক পাখির মতো বসে থাকতো; বাপের বেটার কথা শুনার জন্যও সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকে। এই ক্ষেত্রে ঐ প্রবাদটা একেবারে প্রাসঙ্গিক হয়েছে- বাপকা বেটা, সিপাহী কা ঘোড়া। নিজামীর বেটা ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন হাফিজাহুল্লাহ।

06/09/2026

তারেক রহমান বলেছিলেন I have a plan! আর আর এখন সে জামাতের কাছে প্লান চাচ্ছে | বিরোধী দলীয় নেতা ডা শফিকুর রহমান

লং মার্চে ফেনীর পথসভা যেন জনসমুদ্র...গনরায়ের সাথে প্রতারণা করে কোনো মসনদ টিকে থাকবে না।
05/09/2026

লং মার্চে ফেনীর পথসভা যেন জনসমুদ্র...
গনরায়ের সাথে প্রতারণা করে কোনো মসনদ টিকে থাকবে না।

05/09/2026

আমিরে জামায়াত ডা শফিকুর রহমানকে
ধন্যবাদ গ্ৰেফতারকৃত সিফাতের মুক্তির জন্য কথা বলার জন্য।

ডা শফিকুর রহমান বলেন,সিফাতের মুখের ভাষা নয়।

সিফাত যেই বিষয়ে প্রতিবাদ করেছে
বাংলাদেশের 18 কোটি মানুষ প্রয়োজনে সিফাত হয়ে গর্জন করবে।

ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন।
যদি না ছাড়েন ভালোই ভালোই মনে রাখবেন

এক নূর হোসেন,এক ইয়াসমিন,এক ডা মিলন
অনেকের গদিকে একদম উলট পালট করে দিয়েছিলো।

কখনযে পঁচা শামুকে পা কাটবে কেউ বলতে পারবে না।

গ্যাস নাই,পানি নাই, বিদ্যুৎ নাই।

কিন্তু গ্যাসের বিল, বিদ্যুৎ এর ভুতুড়ে বিল যথারীতি আছে।

অতিষ্ঠ হয়ে বিরক্ত হয়ে পানির জন্য কথা
বলা যাবে না, বিদ্যুৎ এর ভুতুড়ে বিলের জন্য কথা বলা যাবে না।

সিফাত নামের তরুণকে গ্ৰেফতার করা
হয়েছে,তাঁকে দলীয় সন্ত্রাসীরা থানায় গিয়ে মব করেছে।

সিফাতকে দ্রুত ছেড়ে দিন।


৬ দফা দাবী আদায়ে ৫ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ১১ দলীয় ঐক্যের 'ঢাকা টু চট্টগ্রাম' লংমার্চ সফল হোক।
04/09/2026

৬ দফা দাবী আদায়ে ৫ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ১১ দলীয় ঐক্যের 'ঢাকা টু চট্টগ্রাম' লংমার্চ সফল হোক।

04/09/2026

বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসনের দাবিতে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম লংমার্চ সফল করুন।

❝বৈষম্যমূলক বিধান রেখে স্থানীয় নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না❞-মিয়া গোলাম পরওয়ার১ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) বেলা ১১টায় রাজধানীর ...
01/09/2026

❝বৈষম্যমূলক বিধান রেখে স্থানীয় নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না❞
-মিয়া গোলাম পরওয়ার

১ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) বেলা ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনের বিষয়ে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৈঠক শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি জনাব মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল আজ প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় করেছে। আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে নয় দফা দাবি লিখিতভাবে হস্তান্তর করেছি এবং সেগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ দাবি হলো, এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষকদের স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে; দেশে এ ধরনের ৩০ হাজারের বেশি শিক্ষক রয়েছেন। তাঁরা অতীতে বিভিন্ন নির্বাচনে ভোট দিতে ও প্রার্থী হতে পেরেছেন। অথচ তাঁদের স্থানীয় নির্বাচনে অযোগ্য করার যে সুপারিশ করা হয়েছে, আমরা তার তীব্র ও প্রতিবাদ জানিয়েছি। একজন ব্যক্তি সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন, কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না এটি বৈষম্যমূলক এবং সংবিধানের ২৭ ও ২৮ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আমরা এই সুপারিশ বাতিলের দাবি জানিয়েছি।

দ্বিতীয়ত, যেসব রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ, সেই দলের কোনো নেতা বা পদধারী ব্যক্তি স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে সেটিকে রাজনৈতিক কার্যক্রম হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। তাই নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের পদধারীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়ার দাবি জানিয়েছি।

তৃতীয়ত, সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ পাওয়া অতিরিক্ত সচিব শামসুল আলমের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিয়ে আমরা উদ্বেগ জানিয়েছি। তিনি অতীতে একটি রাজনৈতিক দলের নির্বাচনবিষয়ক কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেছেন বলে আমাদের কাছে তথ্য ও প্রমাণ রয়েছে। আমরা নির্বাচন কমিশনকে বলেছি, একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে এমন নিয়োগ থাকা উচিত নয়, যা প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন সৃষ্টি করে। কমিশন জানিয়েছে, আমাদের উদ্বেগের বিষয়টি তারা সরকারকে জানাবে।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, এ ছাড়া সম্প্রতি বিভিন্ন জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, সিটি কর্পোরেশন ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসহ স্থানীয় সরকারি প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিকভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগের বিষয়েও আমরা আপত্তি জানিয়েছি। আমাদের আশঙ্কা, এসব নিয়োগের মাধ্যমে তাঁদের স্থানীয় নির্বাচনের মাঠ প্রস্তুতের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। তাই যারা এসব প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তাঁদের আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ না দেওয়ার দাবি জানিয়েছি তফসিল ঘোষণার পর পদত্যাগ করলেও নয়।

আমরা আরও দাবি জানিয়েছি, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ব্যক্তিরা যেন স্থানীয় নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিতে না পারেন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নতুন আচরণবিধিতে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

আমাদের নয় দফা দাবির কিছু বিষয় নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে বিবেচনায় নিয়েছে এবং কিছু বিষয়ে তারা ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে। আবার কিছু বিষয় সরকারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে জানিয়েছে।

সেক্রেটারি জেনারেল সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, এই মুহূর্তে নির্বাচন বর্জনের কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। আমরা এখনো আশাবাদী। তবে নির্বাচন কমিশনের ওপর দলীয় সরকারের চাপ রয়েছে কি না এমন একটি বিষয় তাদের কথাবার্তা ও আচরণ থেকে আমাদের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে। আমরা চাই নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করুক এবং একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করুক।

স্থানীয় নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হয় না। তাই জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে দলীয় প্রতীকে প্রার্থী দেওয়ার প্রশ্ন নেই। তবে আমরা স্থানীয় শাখাগুলোকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে এবং সম্ভাব্য প্রার্থী মনোনয়নের কাজ করতে বলেছি। ১১ দলীয় ঐক্য কেবল জাতীয় নির্বাচনের জন্য ছিল; স্থানীয় নির্বাচনে প্রত্যেক দল নিজ নিজভাবে প্রার্থী দিতে পারবে।

আমাদের নয় দফা দাবির মূল লক্ষ্য হলো নির্বাচনের মাঠে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা এবং জনগণের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।

জামায়াত প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ এমপি, জনাব আবদুর রব ও জনাব মোবারক হোসাইন, ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন এমপি এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি জনাব ইয়াছিন আরাফাত।

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ সফল করতে জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তুতিমূলক বৈঠক অনুষ্ঠিতগণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, ...
31/08/2026

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ সফল করতে জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তুতিমূলক বৈঠক অনুষ্ঠিত

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধসহ ৬ দফা দাবিতে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ সফল করতে আজ ৩০ আগস্ট ২০২৬ রোববার রাজধানীর মগবাজারস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তুতিমূলক এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল (সাবেক এমপি) মিয়া গোলাম পরওয়ার। বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে দিক নির্দেশনা প্রদান করেন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা, আমীরে জামায়াত ও মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল (সাবেক এমপি) ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ ও মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য জনাব মোবারক হোসাইন ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও অফিস সেক্রেটারি মাওলানা আ ফ ম আব্দুস সাত্তার ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জনাব মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মো. কামাল হোসেন এমপি, ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, মু. আতাউর রহমান সরকার, এনডিএফ নেতা ডা. মাহমুদ হোসেন, শিল্পী সাইফুল্লাহ মানছুর, ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম, ডা. জিএম ফারুকসহ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিভাগ, প্রচার, আইটি, চিকিৎসা বিভাগসহ বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বশীলরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী ৫ সেপ্টেম্বরের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত ১১ দলের লংমার্চ বাস্তবায়নের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিভিন্ন বিভাগের প্রস্তুতির বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বৈঠকে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে লক্ষাধিক লোকের উপস্থিতিতে সমাবেশের মাধ্যমে লংমার্চ শুরুর প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের অংশগ্রহণে লংমার্চ সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতির বিষয় নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়। দেশবাসীকে লংমার্চ সফল করে জনগণের ন্যায্য দাবি আদায়ে শামিল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

Address

Goshairhat
8050

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জামায়াতে ইসলামী গোসাইরহাট উপজেলা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share