PACE Crown Wears Pvt Ltd

PACE Crown Wears Pvt Ltd Personal Advancement & Career Enhancement
(Advancing Women to Advance The World)
P.A.C.E. Grdduaton Program Since Start In 24/08/2017.

বা‌ড়ি ও ক‌মিউ‌নি‌টি‌তে  যোগা‌যোগ‌কো‌কিল গ্রুপসহায়ক মু‌র্সিদা
24/09/2019

বা‌ড়ি ও ক‌মিউ‌নি‌টি‌তে যোগা‌যোগ
‌কো‌কিল গ্রুপ
সহায়ক মু‌র্সিদা

13/04/2019

Muse Daw Purono Bedona, Khule Daw Moneri Janala...Vule Jaw Bethar Gilani, Muse Felo Cokher Pani...Jhore Jak Dukkho Durdosa, Mone Jagaw Sob Notun Notun Asa..
শুভ নবর্বষ।

05/04/2019

কতগুলো ব্যান্ড ভেঙে গেছে। নতুন গান আসবে না। নতুন এলবাম আসবে না। আইয়ুব বাচ্চু মারা গেল। বেজবাবা অসুস্থ। জেমসের বয়সও তো কম হয়নি। মাইকেল জ্যাকসান মারা গেছে বহু দিন। চেস্টার বেনিংটন সুইসাইড করলো চোখের সামনে। নতুন ফানি ভিডিও বানাবে না আর মিস্টার বিন। হিথ লেজারকে আর কোনোদিন জোকার চরিত্রে দেখা যাবে না। শাহরুখ, সালমান, আমির বুড়ো হয়ে যাচ্ছে। শৈশবের হিরোরা এখন ফানি লাগে। অসুস্থ কন্টেন্টে ভরপুর ফেসবুক আর চালাতে ভালো লাগে না। আব্বু আম্মুর বয়স হয়ে যাচ্ছে। অসুস্থ থাকে। আম্মু আগের মত রান্না করার অবস্থায় নেই। প্রেশার, ডায়াবেটিস, হার্টে সমস্যা। আব্বু রিটায়ার্ড করেছে। অফিসে না গিয়ে সারাদিন বাসায় থাকলেও আর আগের মত ভয় লাগে না। ভাই বোন যার যার মত থাকে। একসাথে হাসি আনন্দ অথবা মারামারি, কোনোটাই হয় না।😊

আক্ষরিক অর্থেই আমরা এই পৃথিবীর সবচাইতে ভাগ্যবান জেনারেশন। নব্বইয়ের মাঝামাঝি থেকে দুই হাজার পাঁচ- ছয় সাল অব্দি আমরা যারা শৈশব কাটিয়েছি এই বাংলাদেশে তারা কি পাইনি! তিন গোয়েন্দা আর ‘দীপু নাম্বার টু’ পড়া দিয়ে শুরু। কিশোর মুসা রবিন আর জীনার সাথে আমাদের কী ভীষণ বন্ধুত্ব! তারপর একটু বড় হতেই মাসুদ রানার রোমাঞ্চকর জগতে প্রবেশ। সাথে এক হাতে বাংলা সাহিত্য এবং নাট্যজগত অন্যরকম ভালোলাগায় গড়ে দেয়া সেই মানুষটা। হিমু, মিসির আলী, শুভ্র, জহির, মুহিব, অপলা, জরী, তিলু, নীলু থেকে শুরু করে বাকের ভাই, মজিদ, টুনি, তিতলী- কঙ্কা, চৌধুরি খালেকুজ্জামান, চ্যালেঞ্জার, ফারুক, ডাক্তার এজাজ, রিয়াজ, স্বাধীন খসরু, সূবর্ণা মুস্তফা, হুমায়ূন ফরিদী, শাওন। আমরা সবকিছু পড়েছি, দেখেছি, হেসেছি, কেদেছি, ভালোবেসেছি। রোনালদো, রোনালদিনহো, জিদানের শেষটা দেখতে না দেখতেই প্রবেশ করেছি মেসি- রোনালদোর অতিমানবীয় জগতে। বছরের পর বছর ধরে কি দূর্দান্ত প্রতিযোগিতা, হাজার অর্জন, সবকিছু ছাড়িয়ে যাওয়া ম্যাজিক আর মুগ্ধতা। রাতদিন কত আলোচনা সমালোচনা ঝগড়া আর তর্ক।

অতিমানবীয় শচিন টেন্ডুলকারে শ্রেষ্ঠ সময় দেখেছি, শেষটা দেখেছি। অস্ট্রেলিয়ার অপ্রতিরোধ্য টিমের খেলা দেখেছি। লারা, ম্যাকগ্রা, মুরালীকে দেখেছি। তারপর প্রবেশ করেছি বিরাট কোহলির পারফেকশনের জগতে। প্রবেশ করেছি সাকিব-তামিম-মাশরাফির যুগে। একটা নড়বড়ে দলকে চোখের সামনে মাথা উচু করে দাঁড়াতে দেখছি। আমি নিশ্চিতকরে বলতে পারি কোনো একদিন বাংলাদেশ বিশ্বকাপ জিতে নিলেও আজকের এই জয়ের তীব্র আবেগটা থাকবে না। আমাদের সময়েই তো শুরুটা হচ্ছে। জেমস, আইয়ুব বাচ্চু, বেজবাবা, আর্টসেল, শিরোনামহীন, মাইলসের সবচাইতে সুন্দর সময়ের সাক্ষী আমরা। একের পর এক দূর্দান্ত গানে ভেসে যাওয়া জেনারেশন আমরা। আমরাই একমাত্র যারা বখে যাওয়া শৈশবে না, যৌবনের শেষের ক্লান্তিতেও না, খুব বেশি সহজলভ্য ইন্টারনেট যুগে প্রবেশ করেছি তারুণ্যে উজ্জ্বল সময়ে।

গুগল, ইউটিউব, ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম সবকিছু পেয়েছি। স্মার্টফোনে অসাধারণ সব ফিচার পেয়েছি। শাহরুখ – সালমান- আমিরের সময়ের মানুষ আমরা। সিনেমা দেখার ঠিকঠাক বয়সে আমরা হাতের কাছে পাচ্ছি দুনিয়ার সমস্ত সিনেমা কয়েক মিনিটে ডাউনলোড করে দেখার সুযোগ। আইএমডিবি রেটিং খুজে ফরেস্ট গাম্প, বিউটিফুল মাইন্ড, শশাঙ্ক রিডেম্পশান, ইন্টারস্টেলার দেখে মুগ্ধ হওয়ার সৌভাগ্য। আমাদের সময়ে সিনেমা বানাচ্ছে ক্রিস্টোফার নোলান নামের একজন মানুষ। আমরা সিনেমা শেষ করে তব্দা খেয়ে বসে থাকছি। শৈশবের সব সুপার হিরো নিয়ে পর্দায় এসেছে জাস্টিস লীগ আর এভেঞ্জার্স ইনফিনিটি ওয়্যার।

আমরা কি ভীষণ ভাগ্যবান একটা জেনারেশন। আমাদের গর্ব করার কত কিছু আছে। নস্টালজিক হওয়ার কত স্মৃতি আছে। আবেগে ভেসে যাওয়া কত মুহূর্ত আছে। মুগ্ধতায় ডুবে যাওয়া কত সৃষ্টি আছে। মায়ের হাতের সুস্বাদু খাবার খাওয়া শেষ জেনারেশন বোধহয় আমরা। বাবাকে জমের মত ভয় পাওয়া শেষ জেনারেশনও সম্ভবত আমরাই। নাম না জানা অসংখ্য সুস্বাদু পিঠেপুলি আর কয়টা শীতের সকালে খাওয়া হবে কে জানে!



টিভিতে আলিফ লাইলা, সিন্দাবাদ, রবিনহুড, গডজিলা শুরুর মিউজিক বাজলে আমাদের বুকের রক্ত যেভাবে ছলকে উঠতো সেই তীব্র আনন্দ আজকের নারুটো আর ড্রাগন বল জি দেখা বাচ্চারা কোনোদিনও বুঝবে না। শুক্রবার নামের আবেগটা শেষ আমরাই বোধহয় অনুভব করেছি।

আমরা যেমন ভাগ্যবান ঠিক, সাথে সাথে আমাদের দূর্ভাগ্যও কি কম? ভাবতে গেলে আর ভাবনা চালিয়ে যাওয়া যায় না। তিন গোয়েন্দা তো শেষ হয়েই গেছে একরকম, মাসুদ রানা এখন কে লিখে তার ঠিক নেই। সেই স্বাদ পাওয়া যায় না। কাজীদা নব্বই বছর পার করে ফেলেছে, আর কদ্দিন? হুমায়ূন আহমেদ চলে গেছেন। সব বই পড়া শেষ, সব নাটক দেখা শেষ। ভাবতে গেলে কেমন লাগে! প্রথম আলোর সাথে সোমবারে আলপিন দেয় না। বৃষ্টি হলে কাগজের নৌকা ভাসাই না বহুকাল।

আর অল্প কয়টা বছর। তারপর কোনোদিন ফুটবল মাঠে পায়ের ছোয়া পড়বে না মেসি-রোনালদোর। এই দুই অতিমানবের পায়ে সৃষ্টি হবেনা কোনো জাদুকরী মুহুর্ত। আর একটা বিশ্বকাপ। তারপর সাকিব, তামিম, মাশরাফিও কি বাংলাদেশের হয়ে মাঠে নামবে? ভাঙা পা নিয়ে দৌড়াতে গিয়ে কেউ আর পড়ে যাবে না, ভাঙা আঙুল নিয়ে কেউ দশ ওভার বল করবে না, হাতে ব্যান্ডেজ বেঁধে কেউ ব্যাটিংয়ে নেমে যাবে না। লিখতে গিয়ে এই মুহুর্তে আমার চোখে পানি চলে আসছে। পারফেক্ট মুশফিকের সাথে বিপদের বন্ধু মাহমুদুল্লাহ। এই পাঁচজন ছাড়া বাংলাদেশ মাঠে নেমেছে সেটা আমরা কিভাবে সহ্য করবো? কিভাবে!

আর কয়েক বছর পর মানুষ অনেক আধুনিক হবে। আধুনিক সমাজ প্রেমের ব্যাপারে অনেক উদার হবে। আমরাই শেষ জেনারেশন যাদের প্রেমিকার বিয়ে হয়ে গেছে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠিত ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা বিসিএস ক্যাডারের সাথে। একটা মানুষকে ভালোবেসেও শুধুমাত্র সমাজের কারণে একসাথে জীবন কাটানো হয়নি আমাদের।

আমরা একদিন হাজার হাজার স্মৃতি নিয়ে বুড়ো হয়ে যাবো। ভালো লাগা আর খারাপ লাগা দুই ধরনের স্মৃতির ওজনে ভারী হয়ে থাকবে আমাদের বয়সের বোঝা। কোনো এক ক্লান্ত সন্ধ্যার আলো আধারীতে বেলকনির বেতের চেয়ারে বসে আমরা দীর্ঘশ্বাস ফেলে ভাবব, ‘জীবনটা আসলে খারাপ ছিলো না!’


লিখাটি যিনি লিখেছেন তাকে অনেক ধন্যবাদ। এত বিস্তার বিষয় এত গুছিয়ে লিখার জন্য আলাদা প্রায়াস লাগে।
তারপর ও উনি সিন্দাবাদ , হারকিউলিস, রোবোকপ , ম্যাকগাইভার এর কথা বলতে ভুলে গিয়েছেন । ডাঙ্গাগুলি , মার্বেল , গুলতি , পোলো দিয়ে মাছ ধরা, পুকুরে বড়শি পাততে আমাদের টিকিট কিনতে হত না ; সাদা কালো টেলিভিশন ও গ্রামোফোন পাওয়া শেষ জেনারেশন। টিএন্ডটি তে ট্রাঙ্ক কল , প্রথম মোবাইল ফোন, ইনকামিং এ চার্জ , ২৫ পয়সা মিনিট , বাটন ফোন , সেবা , সিমেন্স , সনি সাইবার শট ............

27/10/2018
‌বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপল‌ক্ষে আমা‌দের ফ্যাক্টরীর কর্তৃপক্ষ  কর্তৃক আ‌য়োজ‌নে এবং M & S বায়া‌রের সৈাজ‌ন্যে ফ্যাক্টরীর ভি...
17/10/2018

‌বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপল‌ক্ষে আমা‌দের ফ্যাক্টরীর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আ‌য়োজ‌নে এবং M & S বায়া‌রের সৈাজ‌ন্যে ফ্যাক্টরীর ভিত‌রে এক‌টি র‌ে‌লির আ‌য়োজন করা হ‌য়ে‌ছিল।

14/10/2018

নারী শরীর মানেই আকর্ষণীয় কিছু। তেমনি নারীর অন্তর্বাস ও। তাই "নো ব্রা ডে" নিয়েও আছে বেশ ফিসফিস গল্প, কিছু ভুল ধারণা।

"নো ব্রা ডে" মানে কী?
ব্রা খুলে অশ্লীলতা প্রদর্শন করা?
না ব্যাপারটা মোটেও সেটা নয়। "নো ব্রা ডে" মানে তুমি মাসে অন্তত একবার তোমার বক্ষবন্ধনী খোলো আর নিজ হাতে সেগুলো পরীক্ষা করো। এখানে অশ্লীলতার কিছুই নেই।

১৫ থেকে ৪৪ বছর বয়সী নারীদের মাঝে অন্য যেকোন ক্যান্সারের চাইতে, ব্রেস্ট ক্যান্সারের প্রাদুর্ভাব বেশী। প্রাণঘাতী ব্রেস্ট ক্যান্সার সম্পর্কে সকলের মাঝে সচেতনতা গড়ে তুলতে ও ব্রেস্ট ক্যান্সারের লক্ষণসমূহ সম্পর্কে নারীদের সচেতন করতেই পালন করা হয় ‘নো ব্রা ডে’।

প্রাচীন গ্রীসে নারীরা একটি বিশেষ পোশাক পরিধান করতেন। একে বলতো অ্যাপোডিসমোস যার অর্থ ‘স্তন-বন্ধনী’। এক টুকরো কাপড় সামনে থেকে স্তন যুগলকে ঢেকে পিঠ বরাবর বাঁধা হতো। সেই থেকে সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য নারীদের মধ্যে বক্ষবন্ধনীর প্রচলন হয়।

খুব স্বাভাবিকভাবেই, আমাদের দেশের নারীরা ব্রেস্ট ক্যান্সার সম্পর্কে একেবারেই সচেতন নন। এমনকি ব্রেস্ট ক্যান্সার সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারণা নেই, এমন নারীর সংখ্যাও নেহাত কম নয়। অজ্ঞতা, অসচেতনতা, বিভ্রান্তিমূলক ধারণা, জড়তা ও সঠিক তথ্যের প্রচারণার অভাবে প্রতি বছর ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত নারীদের সংখ্যা বেড়ে চলছে ক্রমেই।

বলা হয়ে থাকে সঠিক চিকিৎসা ও নিয়মতান্ত্রিক জীবন ব্যবস্থা মেনে চলার মাধ্যমে ব্রেস্ট ক্যান্সার পুরোপুরি চিকিৎসা করে সুস্থ করা সম্ভব। অথচ প্রায় ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রেই প্রাথমিক অবস্থায় ব্রেস্ট ক্যান্সার নির্ণয় করা সম্ভব হয় না। যে কারণে নীরব ঘাতক ব্রেস্ট ক্যান্সারে অকালে প্রাণ হারাতে হয় অনেক ভুক্তভোগীকেই।
ব্রেস্ট ক্যান্সারের লক্ষণসমূহ জানা থাকলে একদম শুরু থেকেই সতর্ক হওয়া যায়। ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়ার আগেই চিকিৎসা শুরু করলে, সুস্থ হয়ে ওঠা যায়।

লক্ষণসমূহ হলো--

১. স্তন্য ও বগলের নিচের দিকে পিন্ড (লাম্প) বা চাকার মতো বোধ হওয়া।

২. স্তন্যের ত্বকের রঙ পরিবর্তন হওয়া।

৩. স্তন্যের আকার ও আকৃতিতে পরিবর্তন আসা।

৪. স্তন্যের ত্বক কুঁচকে যাওয়া।

৫. স্তন্যের বোঁটা (নিপল) ভেতরের দিকে ঢুকে যাওয়া।

৬. স্তন্য বোঁটা ও বোঁটার চারপাশে ফুসকুড়ি কিংবা র‍্যাশের মতো দেখা দেওয়া।

৭. বোঁটা থেকে সাদা কিংবা হলদেটে তরল বের হওয়া।

৮. স্তন্যে ব্যথাভাব দেখা দেওয়া।

জেনে রাখা ভালো যে, স্তন্যের ৯০ শতাংশ টিউমারই নিরীহ। সব টিউমারই ক্যান্সার নয়। তবে নিয়মিত স্তন পরীক্ষা করা জরুরি। প্রতি মাসে পিরিয়ডের প্রথম অথবা দ্বিতীয় দিন নিজেই হাত দিয়ে স্তন পরীক্ষা করলে প্রাথমিক পর্যায়েই এটা চিহ্নিত করা সম্ভব।

"নো ব্রা ডে" পালন করা শুরু হয় ২০১১ সালের ৯ জুলাই। প্রথম তিন বছর জুলাইয়ে নো ব্রা ডে পালন করা হলেও, পরবর্তিতে অক্টোবরের ১৩ তারিখ থেকে পালন করা হয়ে আসছে এই বিশেষ দিনটি। কারণ অক্টোবর হলো "ব্রেস্ট ক্যান্সার এওয়ারনেস মান্থ"। স্তন ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি করতেই মূলত এই নো ব্রা দিবস পালন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এবং অনেক বিশেষজ্ঞই মনে করেন ব্রা ব্যবহারের ফলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি একটু বেশিই বৃদ্ধি পায়। ব্রা ব্যবহার বন্ধ করতে পারলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকিটা কমে আসবে।

গবেষণায় দেখা গেছে, পশ্চিমা দেশগুলোর মহিলাদের মধ্যে ব্রা পরার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। কিন্তু আফ্রিকান মহিলারা তেমন একটা ব্রা পরেন না। সম্প্রতি আমেরিকার বিজ্ঞানীরা চার হাজার ৫০০ মহিলার ওপর জরিপ চালিয়ে এ তথ্য পেয়েছেন যে দীর্ঘক্ষণ ব্রা পরিধান করলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে।

প্রতিদিন নিয়মিত ১২ ঘণ্টা ব্রা পরে থাকলে মহিলাদের স্তন ক্যান্সারের আশঙ্কা ১১ শতাংশ বেড়ে যায়। ব্রা পরার ফলে স্তনের লসিকানালী সঙ্কুচিত বা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে তার ভেতর দিয়ে শরীর বিষাক্ত পদার্থগুলোকে দূর করতে পারে না। ফলে স্তনের কোষে তা জমা হয়ে কোষে অনিয়ন্ত্রিত বিভাজন হয় এবং ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

এখন কৌতূহলী হয়ে অনেকেই জানতে চাইবেন- ব্রেস্ট ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তুলতে নো ব্রা ডে কেনো? বিশেষত এই দিনটিতে সকল নারীদের স্তন পরীক্ষা করানোর প্রতি উদ্বুদ্ধ করা হয়। যার প্রতীকী রূপে দিনটিকে বলা হয়ে থাকে নো ব্রা ডে।

জড়তা ও লজ্জা ভেঙে প্রতিটি নারীকেই ব্রেস্ট ক্যান্সারের বিষয়ে সচেতন হতে হবে। একজন সচেতন নারী যদি আরও দশজনকে সচেতন করতে পারেন, তবেই বাড়বে সচেতনতা। কমবে ব্রেস্ট ক্যান্সারে মৃত্যুর হার।

"আমি সুন্দর" ভেবে আনন্দিত হবার চাইতে নারী যখন বলবে "আমি বাঁচতে চাই" তখনই নারী একজন নারী নয় শুধু, মানুষ হয়ে উঠবে।

@ Copy & Paste #

Punjabi Gift from Ha-Meem Group, Thank you very much Honorable Masud Sir and Mustafiz Bhai ..হা-মীম গ্রুপ থে‌কে পাঞ্জাবী...
09/09/2018

Punjabi Gift from Ha-Meem Group, Thank you very much Honorable Masud Sir and Mustafiz Bhai ..
হা-মীম গ্রুপ থে‌কে পাঞ্জাবী গিফট পে‌য়েছি, অ‌নেক অ‌নেক ধন্যবাদ মাসুদ স্যার ও মোস্তা‌ফিজ ভাই।

ক্রাউন ওয়্যারস (প্রাঃ) লিঃ স্প্যা‌রো  গ্রুপ এর সম্না‌নিত ব্যবস্থাপনা প‌রিচালক " জনাব শোভন ইসলাম" Commercially  Importa...
05/09/2018

ক্রাউন ওয়্যারস (প্রাঃ) লিঃ স্প্যা‌রো গ্রুপ এর সম্না‌নিত ব্যবস্থাপনা প‌রিচালক " জনাব শোভন ইসলাম" Commercially Important Person (CIP) হিসা‌বে নিবা‌চিত হওয়ায় ক্রাউন ওয়্যারস (প্রাঃ) লিঃ এর সক‌লের পক্ষ থে‌কে অান্ত‌রিক শু‌ভেচ্ছা ও অ‌ভিনন্দন জানা‌চ্ছি ।

বুলবু‌লি গ্রু‌পের শেষ ক্লা‌শের মাধ্য‌মে শেষ হল আমা‌দের P.A.C.E এর ১ম-২০১৭ ব্যা‌চের ক্লাশ। শেষ ক্লা‌শের দিন মে‌য়েরা কান্ন...
29/06/2018

বুলবু‌লি গ্রু‌পের শেষ ক্লা‌শের মাধ্য‌মে শেষ হল আমা‌দের P.A.C.E এর ১ম-২০১৭ ব্যা‌চের ক্লাশ। শেষ ক্লা‌শের দিন মে‌য়েরা কান্না কর‌তে কর‌তে গেল।

‌দো‌য়েল গ্রুপ এর শেষ ক্লাশ।
29/06/2018

‌দো‌য়েল গ্রুপ এর শেষ ক্লাশ।

‌কো‌কিল গ্রু‌পের ক্লো‌জিং সেশন শে‌ষে।
26/06/2018

‌কো‌কিল গ্রু‌পের ক্লো‌জিং সেশন শে‌ষে।

‌টিয়া গ্রু‌পের ক্লাশ শেষ আজ‌কে।
24/06/2018

‌টিয়া গ্রু‌পের ক্লাশ শেষ আজ‌কে।

Address

Jamirdia,bhaluka,mymensing
Jamirdia

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when PACE Crown Wears Pvt Ltd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category