PBI Jashore

Directions

PBI Jashore Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from PBI Jashore, Government Official, PBI OFFICE, Old Kosba, Palbari Mor, Jessore.

প্রেস রিলিজপিবিআই যশোর জেলাযশোরে সন্তানের হাতে মা খুন, ১৭ ঘন্টার মধ্যে হত্যাকারী মামুনুর রশিদ(৪৩) কে গ্রেফতার করলো পিবিআ...
28/08/2026

প্রেস রিলিজ

পিবিআই যশোর জেলা

যশোরে সন্তানের হাতে মা খুন, ১৭ ঘন্টার মধ্যে হত্যাকারী মামুনুর রশিদ(৪৩) কে গ্রেফতার করলো পিবিআই, যশোর।

যশোর জেলার কোতয়ালী থানাধীন বাজেদূর্গাপুর সানিস্থ অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মোঃ আলতাফ হোসেনের স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন (৫৫) পেশায় একজন গৃহিনী। গত ২৭/০৮/২০২৬ খ্রিঃ বিকাল অনুমান ০৪.০০ ঘটিকার সময় আনোয়ারা খাতুনের বড়ছেলে মোঃ মামুনুর রশিদ (৪৩) যশোর শহর হতে বাড়ীতে আসে এবং তার মা আনোয়ারা খাতুনের নিকট গোসল করার জন্য গামছা চায়। আনোয়ারা খাতুন গাছমা দিয়ে সন্তানের ভালো মন্দ শুনে খাবার গোছানোর জন্য ঘরের দিকে যাওয়ার জন্য পেছনে ঘোরার সাথে সাথে মামুনুর রশিদ পাশে থাকা ধারালো তরকারি কাটা বটি নিয়ে আনোয়ারা খাতুনের পিঠের উপর স্বজরে কোপ মারে। তখন ভিকটিম আনোয়ারা খাতুন মাটিতে পড়ে গেলে মামুনুর রশিদ ভিকটিমের মুখমন্ডলে এলোপাতাড়ি কোপসহ মাথার মাঝ বরাবর, পিঠ এবং বাম হাতে একাধিক কোপ মারে। সর্বশেষ মামুনুর রশিদ ভিকটিম আনোয়ারা খাতুনকে জবাই করে শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে ফেলে রেখে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। কোতয়ালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ভিকটিমের মৃতদেহের সুরতহাল প্রস্তুত করতঃ ময়না তদন্তের নিমিত্তে মৃতদেহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, যশোর প্রেরণ করে। উক্ত ঘটনা সংক্রান্তে পিবিআই, যশোর জেলার ক্রাইমসিন টিম তাৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে গমণপূর্বক ছায়া তদন্ত অব্যাহত রাখে। ঘটনা সংক্রান্তে ভিকটিমের অপর ছেলে মঞ্জুর হাসান বাদী হয়ে অফিসার ইনচার্জ, কোতয়ালী মডেল থানা, যশোর বরাবরে অভিযোগ দায়ের করলে কোতয়ালী মডেল থানার মামলা নং-১১৭, তারিখ-২৮/০৮/২০২৬ খ্রিঃ, ধারা-৩০২ পেনাল কোড রুজু হয়। পরবর্তীতে পিবিআই যশোর জেলা স্ব-প্রণোদিত হয়ে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে এবং এসআই (নিঃ) রতন মিয়া’কে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত করে।

পিবিআই প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল এর সার্বিক দিক-নির্দেশনায় পুলিশ সুপার (অ্যাডিশনাল ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) জনাব মোঃ কামরুজ্জামান, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন(পিবিআই), যশোর জেলা এর তত্ত্বাবধানে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তথ্য-প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামীর অবস্থান শনাক্ত করে এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই(নিঃ) রতন মিয়া, এসআই(নিঃ) মোঃ বাবুল ইসলামসহ পিবিআই যশোর জেলার চৌকস দল কর্তৃক পুলিশি অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে অদ্য ২৮/০৮/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ সকাল ০৯:০০ ঘটিকার সময় আসামী ০১। মোঃ মামুনুর রশিদ(৪৩), পিতা-মোঃ আলতাফ হোসেন, সাং-বাজেদূর্গাপুর, থানা-কোতয়ালী, জেলা-যশোরকে যশোর কোতয়ালী থানাধীন ৮নং দেয়াড়া ইউনিয়নস্থ তেঘরিয়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত আসামী অত্র মামলার হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত মর্মে স্বীকার করে।

পিবিআই এর তদন্ত এবং গ্রেফতারকৃত আসামীর জবানবন্দি থেকে জানা যায়, ধৃত আসামী মোঃ মামুনুর রশিদ (৪৩) লাউজানি এন.এম. মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঝিকরগাছা, যশোর এর ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক। আসামী ৭/৮ বছর পূর্বে প্রথমে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে বিবাহ করে। কিন্তু পরিবারের লোকজনের সাথে বনিবনা না হওয়ার কারণে আসামীর ১ম স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যায়। পরবর্তীতে ধৃত আসামী প্রায় ৩/৪ বছর পূর্বে ২য় বিয়ে করে। কিন্তু পূর্বের ন্যায় পরিবারের লোকজনের সাথে বনিবনা না হওয়ায় ২য় স্ত্রীও আসামীকে ছেড়ে চলে যায়। স্ত্রী চলে যাওয়ার পর আসামী তার নিজ বাড়ি ছেড়ে আসামীর কর্মস্থলের পাশে বাসা ভাড়া নিয়ে একা বসবাস করতো ও মাঝেমধ্যে বাড়িতে আসতো। দুইজন স্ত্রী চলে যাওয়ার জন্য ধৃত আসামী ভিকটিমকে দায়ী করে আসছিলো এবং উক্ত ধারণা থেকেই গত ২৭/০৮/২০২৬ তারিখ বিকাল অনুমান ০৪:০০ ঘটিকার দিকে আসামী তার নিজ বাড়িতে এসে বাড়ির উঠানে দাড়িয়ে আসামীর মা ভিকটিম আনোয়ারা খাতুন(৬৫) এর নিকট গোসলের জন্য গামছা চায়। ভিকটিম আনোয়ারা খাতুন(৬৫) তখন আসামীর সাথে ভালো মন্দ কথা বলে। ঐ সময় ভিকটিম আনোয়ারা খাতুন(৬৫) এর সহিত বসত বাড়ির উঠানে আসামী মামুনুর রশিদ এর পূর্বের দুই স্ত্রী আসামীকে ছেড়ে চলে যাওয়ার পিছনে তার মাকে দায়ী করে তর্কবিতর্ক হয়। তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে ভিকটিম আনোয়ারা খাতুন(৬৫) ঘরের দিকে যাওয়ার জন্য পিছনে ঘোরার সাথে সাথে আসামী মোঃ মামুনুর রশিদ(৪৩) পাশে থাকা তরকারী কাটা বটি দিয়ে ভিকটিম আনোয়ারা খাতুন(৬৫) এর পিঠের উপরে স্বজোরে কোপ মারে। তখন ভিকটিম আনোয়ারা খাতুন(৬৫) মাটিতে পড়ে গেলে আসামী মোঃ মামুনুর রশিদ(৪৩) একই বটি দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপ মেরে ভিকটিমের মুখমন্ডল, মাথায় ও পিঠসহ বাম হাতে একাধিক কোপ মারে এবং সর্বশেষ একই বটি দিয়ে জবাই করে ভিকটিম আনোয়ারা খাতুন(৬৫) এর শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে ফেলে ঘটনাস্থল পালিয়ে যায় মর্মে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়।

এ বিষয়ে পিবিআই, যশোর জেলা ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার জনাব মোঃ কামরুজ্জামান বলেন, অত্র মামলার ধৃত আসামী পেশায় একজন স্কুল শিক্ষক। পরিবারের লোকজনের সাথে বনিবনা না হওয়ার কারণে ধৃত আসামীর ১ম এবং ২য় স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যাওয়ায় আসামী বিষয়টা স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে পারেনি। যার প্রেক্ষিতে আসামী তার নিজের বাড়ি ছেড়ে তার কর্মস্থলে বাসাভাড়া করে থাকতে শুরু করে। ধৃত আসামীর স্ত্রীদ্বয় তাকে ছেড়ে চলে যাওয়ার পেছনে তার মায়ের (ভিকটিমের) ভূমিকা রয়েছে মর্মে ধারণা হয় এবং উক্ত বিষয় নিয়ে ধৃত আসামী বাড়িতে আসলে প্রায়ই ভিকটিমের সাথে ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত হতো। এর প্রেক্ষিতে অত্র মামলার ঘটনার দিন ও সময়ে ধৃত আসামী বাড়িতে এসে তার মাকে (ভিকটিম) তরকারী কাটা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপিয়ে এবং দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে হত্যা করে পালিয়ে যায়। ধৃত আসামী হত্যাকান্ড সংঘটিত হওয়ার পরপরই তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেয় এবং আত্মগোপনে চলে যায়। স্থানীয় তদন্ত ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকান্ড সংঘটিত হওয়ার ১৭ ঘন্টার মধ্যেই আসামী মামুনুর রশিদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদশেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।

মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে।

প্রেস রিলিজপিবিআই যশোর জেলাযশোর কোতয়ালী থানা এলাকার ব্যবসায়ী আল-আমিন (২৯) হত্যা মামলার রহস্য উন্মোচন-হত্যাকান্ডের অন্যতম...
26/08/2026

প্রেস রিলিজ

পিবিআই যশোর জেলা

যশোর কোতয়ালী থানা এলাকার ব্যবসায়ী আল-আমিন (২৯) হত্যা মামলার রহস্য উন্মোচন-হত্যাকান্ডের অন্যতম আসামী গোলাম রসুল (৩০) কে গ্রেফতার করলো পিবিআই,যশোর।

যশোর জেলার কোতয়ালী থানাধীন পূর্ব বারান্দীপাড়া, মাঠপাড়া সাকিনের আক্কাস আলীর পুত্র আল-আমিন হোসেন (২৯) পেশায় একজন স্বর্ণের ব্যবসায়ী। সে গত ২০/০৮/২০২৬ খ্রিঃ বিকাল ০৩.৩০ ঘটিকার সময় কোতয়ালী থানাধীন চৌরাস্তা মোড়স্থ তার দোকান হতে বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে বারান্দীপাড়া লিচুতলায় পৌছাইলে অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতিকারীরা আল আমিন (২৯) কে হত্যা করে যশোর জেলার কোতয়ালী থানাধীন পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডস্থ পূর্ব বারান্দীপাড়া লিচুতলা মাদ্রাসার পিছনে জনৈক বাবুর মেহগনি বাগানের মধ্যে ফেলে রাখে। পরবর্তীতে ঐদিনই বিকাল অনুমান ০৪:১৫ ঘটিকার সময় আল-আমিন (ভিকটিম) এর মা সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তার ছেলে তথা অত্র মামলার ভিকটিম আল আমিন (২৯) এর রক্তাক্ত মৃতদেহ দেখতে পায়। কোতয়ালী থানা পুলিশকে সংবাদ দিলে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ভিকটিমের মৃতদেহের সুরতহাল প্রস্তুত করতঃ ময়না তদন্তের নিমিত্তে মৃতদেহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, যশোর প্রেরণ করে। উক্ত ঘটনা সংক্রান্তে পিবিআই, যশোর জেলার ক্রাইমসিন টিম তাৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে গমণপূর্বক ছায়া তদন্ত অব্যাহত রাখে। ঘটনা সংক্রান্তে ভিকটিম আল-আমিনের মা বাদী হয়ে অফিসার ইনচার্জ, কোতয়ালী মডেল থানা, যশোর বরাবরে অভিযোগ দায়ের করলে কোতয়ালী মডেল থানার মামলা নং-৮৬, তারিখ-২১/৮/২০২৬ খ্রিঃ, ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড রুজু হয়। পরবর্তীতে পিবিআই যশোর জেলা স্ব-প্রণোদিত হয়ে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে এবং এসআই (নিঃ) মো. মাসুদ’কে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত করে।

পিবিআই প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল এর সার্বিক দিক-নির্দেশনায় পিবিআই যশোর জেলা এর পুলিশ সুপার (অ্যাডিশনাল ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) জনাব মোঃ কামরুজ্জামান, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন(পিবিআই), যশোর জেলা এর তত্ত্বাবধানে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তথ্য-প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামীর অবস্থান শনাক্ত করে এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা কর্তৃক অদ্য ২৬/০৮/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ ভোর আনুমান ০৪:২৫ ঘটিকার সময় আসামী ১। গোলাম রসুল (৩০), পিতা- লিয়াকত শেখ, মাতা-মৃত শাহানারা বেগম, সাং-পূর্ব বারান্দীপাড়া, ডাকঃ যশোর সদর, থানা-কোতয়ালী, জেলা-যশোরকে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানাধীন পুইশুর ইউপিস্থ ০৮ নং ওয়ার্ডস্থ পুইশুর সাকিনে জনৈক বাসু সিকদারের বসতঘর হতে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত আসামী অত্র মামলার হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত মর্মে স্বীকার করে।

পিবিআই এর তদন্ত এবং গ্রেফতারকৃত আসামীর জবানবন্দি থেকে জানা যায়, অত্র মামলার ভিকিটম আল-আমিন এবং ধৃত আসামী গোলাম রসুলসহ অন্যান্য পলাতক আসামীদের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যবসা এবং ব্যক্তিগত বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। উক্ত বিরোধের জেরে ধৃত আসামী গোলাম রসুল আল-আমিনকে হত্যার পরিকল্পনা করে এবং উক্ত পরিকল্পানুযায়ী সুযোগ খুঁজতে থাকে। ঘটনার দিন গত ২০/০৮/২০২৬ খ্রিঃ আল-আমিন যশোর চৌরাস্তা মোড়স্থ তার নিজের দোকানে কাজ করছিল। ঐদিনই দুপুর অনুমান ০৩:২০ ঘটিকার সময়ে ধৃত আসামী গোলাম রসুল (৩০) এবং তদন্তেপ্রাপ্ত পলাতক অপর আসামীসহ তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে ভিকটিমের ফোনে একাধিকবার কল করে আল আমিন (২৯) কে যশোর জেলার কোতয়ালী থানাধীন পূর্ব বারান্দীপাড়া লিচুতলা মাদ্রাসার পিছনে জনৈক বাবু’র মেহগনি বাগানে ডেকে নিয়ে যায় এবং সেখানে ধৃত আসামীসহ অন্যান্য আসামীরা ভিকটিম আল-আমিনকে চাকু দিয়ে কুপিয়ে ও ইট দ্বারা শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। উক্ত আঘাতের ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ভিকটিম আল আমিন (২৯) ঘটনাস্থলেই মারা যায় মর্মে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়।

এ বিষয়ে পিবিআই, যশোর জেলা ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার জনাব মোঃ কামরুজ্জামান বলেন, অত্র মামলার ভিকটিম আল-আমিন (২৯) এর সাথে ধৃত আসামী গোলাম রসুলসহ অন্যান্য পলাতক আসামীদের বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে বিরোধে চলে আসছিল। উক্ত বিরোধের জের ধরেই এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। অত্র মামলার ঘটনা সংঘটিত হওয়ার পরপরই ধৃত আসামীকে ঘটনাস্থলের আশাপাশ হতে তাড়াহুড়া করে এলাকা ত্যাগ করতে দেখা যায়। বিষয়টি ঘটনাস্থলের আশেপাশে থাকা সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় পিবিআইয়ের নজরে আসে। তাছাড়া ধৃত আসামী হত্যাকান্ড সংঘটিত হওয়ার পরপরই তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেয় এবং আত্মগোপনে চলে যায়। স্থানীয় তদন্ত ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ভিকটিম আল-আমিন হত্যাকান্ডে জড়িত আসামী গোলাম রসুল(৩০) কে অদ্যই গ্রেফতারপূর্বক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

মামলার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সহযোগীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে।

সাফল্য: পিবিআই যশোর জেলা।ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎকারী ০৩ প্রতারককে গ্রেফতার ও আলামত উদ্ধার করল...
06/07/2026

সাফল্য: পিবিআই যশোর জেলা।

ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎকারী ০৩ প্রতারককে গ্রেফতার ও আলামত উদ্ধার করলো পিবিআই যশোর।

যশোর জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন মোঃ আলতাফ হোসেনের ছেলে মোঃ ইকবাল হোসেন (৫৪) পেশায় একজন ব্যবসায়ী। যশোর শহরে তার ফটোকপি মেশিনের দোকান আছে এবং সে ফটোকপি মেশিনের মেরামতের কাজও করে থাকে। কয়েক মাস পূর্বে ইকবাল হোসেন ব্যবসায়ীক কাজে খুলনা শহরে যান এবং সেখানে ১। মনিরুল ইসলাম (৪০), ০২। মোঃ হাফিজুর রহমান (৪৭) ও ০৩। ইমতিয়াল আহম্মেদ @ সুজা (৩০) দের সাথে তার পরিচয় হয়। ইকবাল হোসেনের কাছে তারা নিজেদেরকে ফটোকপি মেশিনের পার্টস সাপ্লাইয়ার হিসেবে পরিচয় দেয় এবং পরবর্তীতে ইকবাল হোসেনের নিকট থেকে প্রতারণার মাধ্যমে ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা আত্মসাৎ করে। ঘটনায় জড়িত ১। মনিরুল ইসলাম (৪০), ০২। মোঃ হাফিজুর রহমান (৪৭) ও ০৩। ইমতিয়াল আহম্মেদ @ সুজা (৩০) দের গ্রেফতার ও আলামহ উদ্ধার করলো পিবিআই যশোর।

মোঃ ইকবাল হোসেন ব্যবসায়ীক প্রয়োজনে খুলনা শহরে গেলে মনিরুল ইসলাম, মোঃ হাফিজুর রহমান ও ইমতিয়াল আহম্মেদ @ সুজা নামক তিন ব্যাক্তি সাথে তার পরিচয় হয়। তারা নিজেদেরকে ফটোকপি মেশিনের পার্টস সাপ্লাইয়ার হিসেবে পরিচয় দেয় এবং মোঃ মনিরুল ইসলাম তার মোবাইল নম্বর ০১৯৪৬-৭৬২৩০৩ ও ০১৭৬৩-৯০৬৪৭০ দিয়ে ইকবাল হোসেনের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে ফোন করে কথা বলতে থাকে এবং তার কোন মালামাল প্রয়োজন হলে তাকে জানাতে বলে। তারই ধারাবাহিকতায় ইকবাল হোসেন গত ০২/১২/২০২৫ খ্রিঃ তারিখে মনিরুল ইসলামকে ফোন করে ফটোকপি মেশিনের মেমোরি কার্ড এবং থার্মোস্টার অর্ডার করলে ১। মনিরুল ইসলাম (৪০) ও ২। মোঃ হাফিজুর রহমান (৪৭) দ্বয় ইকবাল হোসেনকে উক্ত অর্ডারকৃত মালামাল যথাযথভাবে সরবরাহ করে এবং ইকবাল হোসেনও উক্ত মালামালের মূল্য বাবদ নগদ ১,০০০/- (এক হাজার) টাকা এবং আসামীদ্বয়ের প্রদত্ত রকেট নম্বর ০১৭৬৩৯০৬৪৭০০ তে ৯০০/- (নয়শত) টাকা প্রেরণ করে। এরপর আসামী মনিরুল ইসলাম ও মোঃ হাফিজুর রহমান মোল্যাদ্বয় ইকবাল হোসেনের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করতো। তারই ধারাবাহিকতায় ইকবাল হোসেনের দোকানের জন্য মনিরুল ইসলামের ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বার ০১৯৪৬৭৬২৩০৩ তে কল করে ফটোকপি মেশিনের মাদারবোর্ড, পাওয়ার বোর্ডসহ আরো কিছু মালামালের দরদাম জেনে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকার মালামালের অর্ডার করে। অর্ডার করার পরে গত ২২/১২/২০২৫ খ্রিঃ তারিখে সকাল ১০.০০ ঘটিকার সময় মোটর সাইকেলযোগে ১। মনিরুল ইসলাম (৪০) ২। মোঃ হাফিজুর রহমান (৪৭) এবং ৩। ইমতিয়াল আহম্মেদ @ সুজা (৩০) যশোর কোতয়ালী থানাধীন পুলিশ লাইন রোডস্থ কদমতলা এলাকায় ইকবাল হোসেনের বন্ধুর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘মোহনা টাইপ রাইটার সার্ভিস এ আসে। তারা ইকবাল হোসেনের সাথে বিভিন্ন কথাবার্তা বলার একপর্যায়ে ব্যবসায়িক প্রয়োজনে তাদের ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা জরুরী প্রয়োজন মর্মে জানিয়ে অর্ডারকৃত মালামালের মূল্য হিসেবে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকাসহ পরবর্তীতে মালামাল দিয়ে পরিশোধ করার কথা বলে নগদ ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা নিয়ে যায় এবং ঐদিন সন্ধ্যার সময় ইকবাল হোসেনের অর্ডারকৃত মালামাল বাদীর দোকানে পৌছে যাবে বলে চলে যায়। পরবর্তীতে নির্ধারিত সময়ে ইকবাল হোসেনের অর্ডারকৃত মালামাল না পেয়ে তিনি মনিরুল ইসলামের মোবাইল নাম্বার ০১৯৪৬-৭৬২৩০৩ এবং ০১৭৬৩৯০৬৪৭০ তে একাধিকবার ফোন দিলে উক্ত মোবাইল নম্বর বন্ধ পায়। উক্ত ঘটনা সংক্রান্তে ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলে যশোর জেলার কোতয়ালী থানার মামলা নং-৬৭, তারিখ-১৯/০৫/২০২৬ খ্রিঃ, ধারা-৪০৬/৪২০ পেনাল কোড রুজু হয়।

উক্ত মামলাটি পিবিআই যশোর জেলা স্বউদ্যোগে গ্রহণ করে মামলার তদন্তভার এসআই (নিঃ) মোঃ মাসুদ এর উপর অর্পণ করে। তদন্তকালে স্থানীয় তদন্ত ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় প্রতারণায় জড়িত আসামী মোঃ মনিরুল ইসলাম এর অবস্থান নিশ্চিত হয়ে পিবিআই প্রধান জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল, অ্যাডিশনাল আইজিপি, বাংলাদেশ পুলিশ এর সঠিক তত্ত্বাবধান ও দিক নির্দেশনায়, পিবিআই যশোর জেলা ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার (অ্যাডিশনাল ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) মোঃ কামরুজ্জামান এর নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক রিপন কুমার সরকার, এসআই(নিঃ) মোঃ মাসুদ, এসআই(নিঃ)/ রতন মিয়া, এসআই(নিঃ) মোঃ মিলন মিয়াসহ পিবিআই, যশোর জেলার চৌকস দল কর্তৃক পুলিশি অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে অদ্য ০৬/০৭/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ০২.১৫ ঘটিকার সময় আসামী ০১। মোঃ মনিরুল ইসলাম (৪০), পিতা-মোঃ দাউদ সরদার, মাতা-মোছাঃ রোকেয়া বেগম, সাং-বরনপাড়া, পূর্বপাড়া, দামোদর ইউপি, থানা-ফুলতলা, জেলা-খুলনাকে তার নিজ বাড়ি হতে গ্রেফতার করা হয় এবং ধৃত আসামীর উপস্থাপন মতে তার হেফাজত হতে প্রতারণা করার কাজে ব্যবহৃত (র) একটি আকাশী-নীল রঙের Samsung Guru Music-2 মডেলের বাটন ফোন, যার চারপাশে হলুদ রঙের বর্ডার আছে। যাহার IMEI-1: 355043119423623, IMEI-2: 355044119423621, Slot-1: 01953677888, Slot-2: 01629813839, (ii) একটি কালো রঙের Itel it2171B বাটন ফোন যাহার IMEI-1: 354725684044989, IMEI-2: 354725684044997, Slot-2: 01974409713 সংযুক্ত উদ্ধারপূর্বক জব্দতালিকা মূলে জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে ধৃত আসামী মনিরুল ইসলামের দেওয়া তথ্যানুযায়ী অত্র মামলার ঘটনায় জড়িত অপর সহযোগী আসামী ০২। মোঃ হাফিজুর রহমান মোল্যা (৪৭), পিতা- আঃ গফুর মোল্যা, মাতা- সাহিদা বেগম, সাংÑ বরনপাড়া, পূর্বপাড়া, দামোদর ইউপি, থানা- ফুলতলা, জেলা- খুলনাকে ঐদিনই রাত ০২.৫০ ঘটিকার সময় তার নিজ বসতঘর হতে গ্রেফতার করা হয় এবং ০৩। ইমতিয়াল আহমেদ @ সুজা (৩০), পিতা-হায়দার আলী, বরনপাড়া, এমসিএসকে গেইট নং-০১, দামোদর ইউপি, থানা- ফুলতলা, জেলা-খুলনাকে রাত ০৩.১০ ঘটিকায় ফুলতলা থানাধীন দামোদর ইউপিস্থ বরনপাড়া সাকিনস্থ তার শশুর বাবলু সরদার এর বসতঘর হতে গ্রেফতার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, অত্র মামলার ধৃত আসামী মোঃ মনিরুল ইসলাম (৪০), মোঃ হাফিজুর রহমান মোল্যা (৪৭) ও ইমতিয়াল আহমেদ @ সুজা (৩০) গণ একটি সক্রিয় প্রতারক চক্রের সদস্য। তারা খুলনাসহ বিভিন্ন জেলা শহরের ব্যবসায়ীদেরকে টার্গেট করে প্রতারণা করে থাকে। কোন ব্যবসায়ীর সাথে তাদের পরিচয় হলে তারাও নিজেদেরকে ব্যবসায়ী হিসেবে উক্ত ব্যবসায়ীর সংশ্লিষ্ট পণ্যের হোলসেলার হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রতরাণা করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় অত্র মামলার কিছুদিন পূর্বে অত্র মামলার বাদী মোঃ ইকবাল হোসেন ব্যবসায়ীক প্রয়োজনে খুলনা শহরে যান এবং সেখানে ধৃত আসামীদের সাথে তার পরিচয় হয়। তারা নিজেদেরকে ফটোকপি মেশিনের পার্টস সাপ্লাইয়ার হিসেবে পরিচয় দেয় এবং মোঃ মনিরুল ইসলাম তার মোবাইল নম্বর ০১৯৪৬৭৬২৩০৩ ও ০১৭৬৩৯০৬৪৭০ দিয়ে প্রায়ই ইকবাল হোসেনের সাথে কথা বলতে থাকে। একপর্যায়ে গত ০২/১২/২০২৫ খ্রিঃ তারিখে ইকবাল হোসেন ধৃত আসামী মনিরুল ইসলামকে ফোন করে ফটোকপি মেশিনের মেমোরি কার্ড এবং থার্মোস্টার অর্ডার করলে তারা অর্ডারকৃত মালামাল যথাযথভাবে সরবরাহ করে। এর প্রেক্ষিতে বাদীর ধৃত আসামীদের প্রতি বিশ্বাস তৈরী পুণরায় সে ফটোকপি মেশিনের মাদারবোর্ড, পাওয়ার বোর্ডসহ আরো কিছু মালামালের দরদাম জেনে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকার মালামালের অর্ডার ধৃত আসামীরা গত ২২/১২/২০২৫ খ্রিঃ তারিখে যশোরে এসে বাদীর সাথে দেখা করে এবং ব্যবসায়িক প্রয়োজনে তাদের ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা জরুরী প্রয়োজন মর্মে জানিয়ে অর্ডারকৃত মালামালের মূল্য হিসেবে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকাসহ পরবর্তীতে মালামাল দিয়ে পরিশোধ করার কথা বলে নগদ ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা নিয়ে যায় মর্মে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামী ০১। মোঃ মনিরুল ইসলাম (৪০), পিতা- মোঃ দাউদ সরদার, মাতা- মোছাঃ রোকেয়া বেগম, সাং- বরনপাড়া, পূর্বপাড়া, দামোদর ইউপি, থানা- ফুলতলা, জেলা- খুলনা, ০২। মোঃ হাফিজুর রহমান মোল্যা (৪৭), পিতা- আঃ গফুর মোল্যা, মাতা- সাহিদা বেগম, সাং-বরনপাড়া, পূর্বপাড়া, দামোদর ইউপি, থানা- ফুলতলা, জেলা- খুলনা ও ০৩। ইমতিয়াল আহমেদ @ সুজা (৩০), পিতা- হায়দার আলী, বরনপাড়া, এমসিএসকে গেইট নং-০১, দামোদর ইউপি, থানা-ফুলতলা, জেলা-খুলনাদেরকে অদ্য ০৬/০৭/২০২৬ খ্রিঃ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন(পিবিআই)
যশোর জেলা।

প্রেস রিলিজচাঞ্চল্যকর ইউনুস আলী (৪৭) হত্যাকান্ডের অন্যতম প্রধান আসামী সোহেল রানা গ্রেফতার, ফাঁস দিয়ে হত্যার গামছা উদ্ধার...
25/05/2026

প্রেস রিলিজ

চাঞ্চল্যকর ইউনুস আলী (৪৭) হত্যাকান্ডের অন্যতম প্রধান আসামী সোহেল রানা গ্রেফতার, ফাঁস দিয়ে হত্যার গামছা উদ্ধার ও আসামীর ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান।

অত্র মামলার ভিকটিম ইউনুস আলী (৪৭) বেনাপোল পোর্ট থানাধীন গাতিপাড়া গ্রামস্থ তার শ্বশুর বাড়িতে তার মা এবং স্ত্রী তাসলীমা খাতুনের সাথে বসবাস করতো। এই মামলার ঘটনার তিনদিন পূর্বে তাসলীমা খাতুন তার মেয়েকে সাথে নিয়ে খুলনাস্থ মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে যায়। গত ২২/০৪/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ ইউনুস আলী এবং তার মা বাড়িতে থাকা অবস্থায় ঐদিনই দুপুর অনুমান ১৫:০০ ঘটিকার সময় ধৃত আসামী তরিকুল ইসলাম ইউনুস আলীকে তার বাড়ি হতে কাজের উদ্দেশ্যে ডেকে নিয়ে রহমতপুর সাকিনস্থ অত্র মামলার তদন্তে প্রাপ্ত পলাতক আসামী রানা এর বাড়িতে নিয়ে যায়। তথায় অত্র হত্যাকান্ডের মূল আসামী আনোয়ার হোসেন এবং তার সাথে থাকা রানা ইউনুস আলীকে পেয়ে ধাক্কাতে ধাক্কাতে রুমের ভিতরে নিয়ে যায় এবং সেখানেই ইউনুস আলীকে মারপিট এবং শারীরিক নির্যাতনসহ শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের মৃতদেহ অপর ধৃত আসামী সবুজের মোটর সাইকেল যোগে অত্র মামলার ঘটনাস্থল বেনাপোল পোর্ট থানাধীন বেনাপোল টু পুটখালী রোডস্থ চারা বটতলা নামক স্থানে ফেলে আসে। বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ মৃতদেহের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করতঃ মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, যশোর মর্গে প্রেরণ করেন। উক্ত ঘটনা সংক্রান্তে ভিকটিমের ভাই ইউসুফ আলী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলে যশোর জেলার বেনাপোল পোর্ট থানার মামলা নং-১৫, তারিখ-২৩/০৪/২০২৬ খ্রিঃ, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড রুজু হয়।

উক্ত মামলাটি পিবিআই যশোর জেলা স্বউদ্যোগে গ্রহণ করে মামলার তদন্তভার এসআই (নিঃ) রতন মিয়া এর উপর অর্পণ করে। তদন্তকালে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হত্যাকান্ডে জড়িত আসামী ০১। মোঃ তরিকুল ইসলাম (৪০) ও ০২। মোঃ সবুজ হোসেন (২১) দ্বয়কে গত ২৭/০৪/২০২৬ খ্রিঃ গ্রেফতারপূর্বক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করলে, আসামী তরিকুল ইসলাম বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। অত্র মামলার ঘটনার পরপরই হত্যাকান্ডের অন্যতম আসামীসহ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চয়ে যায়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা স্থানীয় তদন্ত ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মামলার অন্যতম আসামীর অবস্থান নিশ্চিত হয়ে পিবিআই প্রধান জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল, অ্যাডিশনাল আইজিপি, বাংলাদেশ পুলিশ এর সঠিক তত্ত্বাবধান ও দিক নির্দেশনায়, পিবিআই যশোর জেলা ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার (অ্যাডিশনাল ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) মোঃ কামরুজ্জামান এর নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক রিপন কুমার সরকার, এসআই(নিঃ)/ রতন মিয়া, এসআই(নিঃ) মোঃ মাসুদসহ পিবিআই, যশোর জেলার চৌকস দল কর্তৃক পুলিশি অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে গত ২৪/০৫/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ১১.১৫ ঘটিকার সময় আসামী ০১। মোঃ সোহেল রানা(২৬), পিতা-মোঃ কুদ্দুস সিকদার, মাতা-মৃত রিজিয়া পারভীন, সাং-রহমতপুর, ডাকঘর-বালুন্ডা, থানা-বেনাপোল পোর্ট, জেলা-যশোরকে যশোর জেলার শার্শা থানাধীন গোগা এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত আসামী সোহেল রানা এর স্বীকারোক্তি এবং দেখানো মতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত গামছা তদন্তেপ্রাপ্ত পলাতক আসামী আনোয়ার হোসেনের বসত ঘর থেকে সাক্ষীদের সম্মুখে উদ্ধারপূর্বক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ধৃত আসামী সোহেল রানা, তদন্তেপ্রাপ্ত পলাতক আসামী আনোয়ার হোসেন ও পূর্বে গ্রেফতারকৃত আসামী তরিকুল ইসলামগণ মিলে গত ২২/০৪/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ অত্র মামলার ভিকটিম ইউনুস আলীকে ধৃত আসামী রানা এর বসত ঘরের ভিতর গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং ঘটনার দিন রাতেই লাশ গোপন করার উদ্দেশ্যে তদন্তেপ্রাপ্ত আসামী সবুজ হোসেনের মোটরসাইকেলযোগে মৃতদেহ অত্র মামলার ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে আসে মর্মে স্বীকার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামী ০১। মোঃ সোহেল রানা (২৬), পিতা-মোঃ কুদ্দুস সিকদার, মাতা-মৃত রিজিয়া পারভীন, সাং-রহমতপুর, ডাকঘর-বালুন্ডা, থানা-বেনাপোল পোর্ট, জেলা-যশোরকে অদ্য ২৫/০৫/২০২৬ খ্রিঃ বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ৪র্থ আদালতে সোপর্দ করলে আসামী ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারা মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে হত্যাকান্ডে জড়িত মর্মে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

১। তদন্ত তদারকী কর্মকর্তাঃ মোঃ কামরুজ্জামান, পুলিশ সুপার, (অ্যাডিশনাল ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত)
পিবিআই, যশোর জেলা, মোবাঃ ০১৩২০-০৩২৯৮০।
২। তদন্তকারী কর্মকর্তাঃ এসআই(নিঃ)/ রতন মিয়া, তদন্তকারী কর্মকর্তা, পিবিআই, যশোর জেলা, মোবাঃ ০১৮৪৯৭৩৮১৩২।

Address

PBI OFFICE, Old Kosba, Palbari Mor
Jessore
7400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when PBI Jashore posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share