Amio mojumder

Amio mojumder "সত্যের জয় সর্বদা প্রজ্জ্বলিত " মানুষ ব্যথা পেলে বদলায় না,
মানুষ বদলায় নীরবে,গোপনে,অবহেলায়,আর প্রচন্ড অভিমানে।

05/04/2026

অপরিচিত থাকাটাই বোধহয় ভালো। পরিচয়ের সাথে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে, তৈরি হয় সম্পর্ক। সম্পর্কের মাঝে জন্ম নেয় অধিকার। অধিকার থেকে শুরু হয় অভিযোগের যাত্রা। আর সেই অভিযোগেরা একসময় বাড়তে বাড়তে এমন আকার ধারণ করে, যার ফলে সম্পর্কটাই টেকানোটা মু'শকিল হয়ে দাঁড়ায় তখন।

তি'ক্ততা নিয়ে সরে আসতে হয়, হয়তো নিজের ভালোর জন্য নয়তো অপর মানুষটাকে মুক্ত করে দেয়ার জন্য।
আর সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতা বয়ে বেড়াতে হয় জীবনভর। এর চেয়ে বরং ভালো অপরিচিত হয়ে বাঁচাটাই।

ভালোবাসাটা নাই-বা হলো, ঘৃ'ণা তৈরির তো আর সু্যোগ থাকলো না।

প্রকৃতির প্রতিশোধএকটি শিক্ষণীয় কল্পকাহিনী, সময় করে একবার পড়ুন…সিনেমা হল থেকে বের হচ্ছিলাম। হঠাৎ চোখে পড়লো! আমার এক ছাত্র...
19/08/2025

প্রকৃতির প্রতিশোধ
একটি শিক্ষণীয় কল্পকাহিনী, সময় করে একবার পড়ুন…

সিনেমা হল থেকে বের হচ্ছিলাম। হঠাৎ চোখে পড়লো! আমার এক ছাত্রী একজন ছেলের হাত ধরে বের হচ্ছে। চোখাচোখি হতেই মেয়েটা চমকে গেলো। আমি কিছু বললাম না, শুধু মাথা নিচু করে চলে গেলাম।

পরদিন যখন তার বাসায় পড়াতে গিয়েছিলাম, তার বাবা আমার শার্টের কলার চেপে ধরে জিজ্ঞেস করলেন,
— “তুমি এত সাহস কোথায় পাও, আমার মেয়েকে বাজে ইঙ্গিত দেওয়ার?”

আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম। জিজ্ঞেস করলাম,
— “কিন্তু চাচা, এই কথাটা কে বললো?”

উত্তর এলো এক থাপ্পড় দিয়ে। তিনি বললেন,
— “তোমার ছাত্রীই বলেছে।”

আমি নীরব হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম। শুধু ভাবলাম, শহরের মেয়েরা স্মার্ট হয় জানতাম—but এমন স্মার্ট?

আমার দোষ ছিলো, আমি ওকে হাতে-নাতে এক ছেলের সাথে দেখে ফেলেছিলাম। তাই নিজেকে বাঁচাতে, আমার নামে মিথ্যে অপবাদ দিয়ে দিলো ওর বাবা-মার কাছে। যাতে আমি কিছু বললেও কেউ যেন আমার কথা বিশ্বাস না করে।

কয়েক মাস পরে সামাজিক মাধ্যমে একটা অনুচিত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে আমার সেই ছাত্রী এবং তার ‘বন্ধু’ স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে।
আমি আকাশের দিকে তাকিয়ে শুধু একটা শান্ত মুচকি হাসি দিলাম...

আমি যে মেসে থাকতাম, সেখানে সবার অবস্থা ভালো, সবাই দামি মোবাইল ব্যবহার করে। একদিন আমার রুমমেটের ৪ হাজার টাকা হারিয়ে যায়। সবাই সন্দেহ করে আমাকে, কারণ আমি সেদিন একটা সাধারণ স্মার্টফোন কিনেছিলাম।

পাশের রুমের বড়ভাই সবার সামনে বললেন,
— “আমি নিজ চোখে দেখেছি, পিয়াস মামুনের ব্যাগে হাত দিয়েছে!”

আমি চুপচাপ রইলাম। কারণ, আমার পক্ষে দাঁড়ানোর মতো কেউ ছিল না। কেউই শুনবে না।

আমি দোকানে গিয়ে ফোনটা ফেরত দিয়ে সেই টাকা আমার রুমমেটকে দিয়ে দিলাম।

‘চোর’ হয়ে সেই মেস থেকে আমি বের হয়ে আসি…

৫ মাস পরে, হঠাৎ সেই বড়ভাই আমাকে আবার ডেকে মেসে নিয়ে আসে। সবার সামনে তিনি বললেন,
— “পিয়াস, আমাকে ক্ষমা করে দিস ভাই। সেদিন তোর নামে মিথ্যে বলেছিলাম। আসলে টাকাটা আমিই নিয়েছিলাম।”

তাকে দেখে চমকে যাই—তার শরীর অসুস্থ। ক্যান্সার ধরা পড়েছে। মৃত্যু ভয়ের ছাপ মুখে স্পষ্ট।

আমি তাঁর দিকে তাকিয়ে আবারো শান্তভাবে মুচকি হাসি দিলাম…

একদিন শ্রাবণী আমার মুখে পানি ছুঁড়ে মেরে বলেছিলো,
— “তোর মতো গরীব ছাত্র কীভাবে সাহস পায় আমাকে প্রেমের কথা বলার?”

সে আমার খুব ভালো বন্ধু ছিল। কিন্তু জানলাম, বন্ধুত্বটা ছিল শুধু আমার কাছ থেকে ভালো নোট পাওয়ার জন্য।

তিন বছর পর, সেই শ্রাবণী এসেছিলো থানায়—আমার সামনে বসে কাঁদছে। কারণ তার স্বামী তাকে প্রতিনিয়ত শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে।

আমি তখন এসআই পিয়াস। তার অভিযোগ আমি নীরবে শুনছিলাম এবং ডায়েরিতে লিখে রাখছিলাম।

এক পর্যায়ে সে কাঁদতে কাঁদতে বললো,
— “সেদিন যদি তোর ভালোবাসা বুঝতে পারতাম, তাহলে আজ আমার কপালে এত কষ্ট জুটতো না...”

আমি কিছু বললাম না। শুধু নিচের দিকে তাকিয়ে একটা গভীর অথচ শান্ত হাসি দিলাম।
যে হাসির অর্থ— জীবন কাউকে ছেড়ে দেয় না, প্রকৃতি সবার হিসাব জানে…

আজ খুব মনে পড়ছে—
মানুষ মানুষকে ভুল বুঝে ফেলে, মিথ্যে অপবাদ দেয়, অনেক সময় অন্যায়ের বিচার হয় না তখনই। কিন্তু প্রকৃতি সব দেখে… সময় হলে সে-ই একদিন প্রতিটা অন্যায়ের জবাব দিয়ে দেয়।

প্রকৃতির প্রতিশোধ থেকে কেউ রেহাই পায় না,
প্রকৃতি কাউকে ক্ষমা করে না।

আপনার চোখে যদি কখনো অন্যায়ের শিকার কেউ পড়ে, আগে নিশ্চিত হোন… কারণ সময় একদিন সত্যের পাশেই দাঁড়ায়।

#সংগৃহীত
#শিক্ষণীয়_গল্প





゚ ゚

রাস্তায় একটা দূর্ঘটনা ঘটলো.. একটি বাসের ধাক্কায় সিএনজির এক যাত্রী নিহত হলো। আহত হলো আরো চারজন। তারমধ্যে চালকের অবস্থা যা...
18/04/2025

রাস্তায় একটা দূর্ঘটনা ঘটলো..
একটি বাসের ধাক্কায় সিএনজির এক যাত্রী নিহত হলো। আহত হলো আরো চারজন। তারমধ্যে চালকের অবস্থা যায় যায়।

সবাই জটলা করছে। কেউ সেলফি তুলছে,কেউ লাইভ ভিডিও প্রচারে ব্যাস্ত।আর বেশীর ভাগ ব্যস্ত নিহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় নির্ধারণে।

এদের মাঝেই একজন বীর দর্পে এগিয়ে এলেন।চিৎকার করে বললেন,"আরে ভাই করছেন টা কি?চার জন মানুষ আহত হয়ে পড়ে আছে। এদের হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে।মৃত মানুষটার পরিচয় খুঁজে বের করে তার লাশ হস্তান্তর করতে হবে।আসুন সবাই হাত লাগিয়ে আহত মানুষগুলোকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করি। তাঁর ডাকে এগিয়ে এলো আরো কিছু মানুষ।দু'জন মানুষকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতেই উঠে দাঁড়ালেন।

বীর দর্পে এগিয়ে আসা মানুষটির ফোন পেয়ে ছুটে এলো দমকল কর্মীরা।আহত সিএনজি চালক কে নেয়া হলো জেনারেল হাসপাতালে।আহত অন্য যাত্রীকে চিকিৎসা দিতে ভর্তি করা হল স্থানীয় কমিউনিটি ক্লিনিকে। ইতোমধ্যে পরিচয় পাওয়া গেছে সেই নিহত মানুষটির।তিনি আর কেহ নন।এলাকার একজন জ্ঞান বিতরনকারী শিক্ষক।

আহতদের চিকিৎসার ব্যসস্থা করতে গিয়ে বীর দর্পে এগিয়ে আসা মানুষটি খেয়ালই করেন নি,লাশ হয়ে পড়ে থাকা মানুষটি তাঁরই জন্মদাতা।

নাহ্,তিনি গগন বিধারী চিৎকারে প্রকম্পিত করেন নি এলাকা। বরং অশ্রু সজল চোখে সবার দিকে তাকিয়ে শুধু বলেছেন," আপনারা আমাকে একটা গাড়ীর ব্যবস্থা করে দিন। আমি আমার বাবার লাশটা নিয়ে যাব। সৎকার করতে হবে যে।"

সেখানে সমবেত প্রায় হাজার খানেক জনতা ধন্য ধন্য করতে লাগলো সেই বীর দর্পে এগিয়ে আসা পিতৃহারা শোকার্ত মানুষটির।

বলুনতো এ গল্পে মানুষের সংখ্যা ছিলো কতজন?
আপনাদের সুচিন্তিত মতামত প্রত্যাশা করছি।

#সংগৃহীত
#শিক্ষণীয়_গল্প





゚ ゚

একদিন একটি গাধা অসাবধানতাবশত এক কুয়োর ভেতরে পড়ে গেল। বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রাণীটি জোরে জোরে কাঁদতে লাগল। গাধার...
29/03/2025

একদিন একটি গাধা অসাবধানতাবশত এক কুয়োর ভেতরে পড়ে গেল। বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রাণীটি জোরে জোরে কাঁদতে লাগল। গাধার মালিক তখন তাকে উদ্ধার করার জন্য কিছুক্ষণ চেষ্টা চালাল, কিন্তু তাতে কোনো লাভ হলো না।

হাল ছেড়ে দিয়ে তখন লোকটি ভাবলেন, যেহেতু গাধাটি বুড়ো আর একে দিয়ে কোনো কাজ করা যায় না এবং যেহেতু কুয়োটিও শুকিয়ে হয়ে গেছে আর এখান থেকে পানি তোলা যায় না, সেহেতু কুয়োটিকে মাটি ফেলে বুজিয়ে ফেলাই সঠিক সিদ্ধান্ত। কারণ কুয়ো থেকে গাধাটিকে তোলার যে খরচ, তাতে লাভের চেয়ে লসই বেশি!

সুতরাং, কুয়োটি ঢেকে দেবার জন্য সে গ্রামবাসীদের ডেকে আনল। তখন প্রত্যেকে একটি করে কোদাল নিয়ে কুয়োয় ময়লা ফেলতে লাগল।

কি ঘটছে বুঝতে পেরে গাধাটি তারস্বরে চিৎকার করতে লাগল। যে মালিকের জন্য সে সারা জীবন পরিশ্রম করে গেছে, তার অকৃতজ্ঞতায় গাধাটির চোখ দিয়ে দুফোঁটা অশ্রু গড়িয়ে পড়ল। তারপর, সবাইকে অবাক করে দিয়ে, সে গা থেকে ময়লা ঝেড়ে ফেলে একদম শান্ত হয়ে গেল।

তারপর যা ঘটল তা দেখে সবার চক্ষু ছানাবড়া। প্রতিটি বেলচা ময়লা নিচে ফেলার সাথে সাথে গাধাটি সেটা গা থেকে ঝেড়ে ফেলে সেই ময়লার উপর চড়ে বসছে।

খুব শীঘ্রই সবাই অবাক হয়ে দেখল গাধাটা কিভাবে কিভাবে জানি কুয়োর মুখে পৌঁছে গেছে। প্রাণীটি ছোট্ট একটা লাফ দিয়ে কুয়ো থেকে বের হয়ে আসলো। এরপর সে কাউকে ভ্রুক্ষেপ না করে বাকি জীবনটা স্বাধীনভাবে বাঁচার জন্য জঙ্গলের দিকে হাঁটা দিল।

👉শিক্ষা: আপনি যাদের জন্য গাধার মতো খাটছেন,
প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে তারাই আপনার থেকে মুখ
ফিরিয়ে নেবে, বিপদের দিনে আপনার পাশে না দাঁড়িয়ে
উল্টো আপনার ক্ষতি করার চেষ্টা করবে। আপনি সেখান
থেকে শিক্ষা নিন এবং অকৃতজ্ঞ মানুষ'কে পাশ কাটিয়ে
নিজের মতো করে বাঁচুন !!

সকলের জন্য শুভ প্রার্থনা

★সংগৃহিত

১. নিজেকে কখনো বড় করে প্রকাশ করবেন না। এতে      আপনি ছোট হবেন।২. ভুল স্বীকার করার মানসিকতা দেখান। "Thank you",     "Plea...
26/01/2025

১. নিজেকে কখনো বড় করে প্রকাশ করবেন না। এতে
আপনি ছোট হবেন।

২. ভুল স্বীকার করার মানসিকতা দেখান। "Thank you",
"Please" এই কথাগুলো বলতে দ্বিধা করবেন না।

৩. কারো কাছে নিজের সিক্রেট শেয়ার করবেন না বা
কাউকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করবেন না।

৪. অভিজ্ঞতা ছাড়া ব্যবসা করতে যাবেন না।

৫. পর্ণে আসক্ত হবেন না। এতে করে আপনি ক্ষণস্থায়ী
সুখের জন্য সুন্দর জীবন হারাবেন।

৫. পরচর্চা করবেন না। যে ব্যক্তি আপনার সামনে অন্যের
নিন্দা করে, সে নিশ্চিতভাবে অন্যের সামনে আপনার
নিন্দা করে।

৬. গাধার সাথে তর্ক করতে যাবেন না। তর্কের শুরুতেই গাধা
আপনাকে তার স্তরে নামিয়ে আনবে, তারপর আপনাকে
সবার সামনে অপদস্থ করবে।

৭. পরে করব ভেবে কোনো কাজ ফেলে রাখবেন না।
আপনি যদি তা করেন শতকরা ৮০ ভাগ সম্ভাবনা কাজটি
আপনি আর কখনোই করতে পারবেন না।

৮. 'না' বলতে ভয় পাবেন না।

৯. স্ত্রী / স্বামীর কারণে বাবা-মাকে বা বাবা মায়ের কারণে
স্ত্রী/স্বামীকে অবহেলা করবেন না।

১০. সবাইকে সন্তুষ্ট করতে যাবেন না। এতে আপনি আপনার
ব্যক্তিত্ব হারাবেন।

১১. ঝুঁকি ছাড়া সাফল্য আসে না। তাই জীবনে
ক্যালকুলেটেড রিস্ক নিতে ভয় পাবেন না।

১২. স্মার্টফোনে আসক্ত হবেন না। গুগলে জীবনের সব
প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাবেন না।

১৩. মনের ইচ্ছা প্রকাশ করতে দেরি করবেন না। কারণ, এই
একটি কাজের বিলম্বের জন্য আপনি সারাজীবন
পস্তাতে পারেন।

১৩. রিলেশনসিপে অসুখী হলে সেটা আঁকড়ে ধরে থাকবেন
না। যে সম্পর্ক মানসিক যন্ত্রণা দেয়, ভেতরে অশান্তি
সৃষ্টি করে তা জীবন থেকে দ্রুত মুছে ফেলুন।

১৪. আপনি কখনোই জানেন না যে আপনি স্বপ্নপূরণের
ঠিক কতটা কাছাকাছি। তাই, কখনোই লক্ষ্যের পিছু
ধাওয়া করা বন্ধ করবেন না। বেশিরভাগ মানুষ সাফল্য
লাভের কাছাকাছি গিয়ে হাল ছেড়ে দেয়।

১৫. অকারণে শত্রু বাড়াবেন না।

১৬. কারো ধর্মবিশ্বাসে আঘাত দিয়ে কোনো কথা বলবেন না
বা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করবেন না।

১৭. বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ডের সাথে একান্ত মুহূর্তের ছবি বা
ভিডিও করবেন না। তার সাথে আপনার বিয়ে হবেই বা
সে আপনাকে ভবিষ্যতে ব্ল্যাকমেইল করবে না এটা
আপনি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারেন না।

১৮. যে আপনার কথা শোনার জন্য প্রস্তুত নয়, তাকে কিছু
শেখাতে যাবেন না। সে ঠকবে, ভুল করবে, ধাক্কা খাবে;
তারপর একসময় ঠিকই আপনার মূল্য বুঝতে পারবে।

১৯. নিজের সম্মান বিসর্জন দিয়ে মানুষের সাথে সম্পর্ক
রক্ষা করবেন না। যেখানে আপনার সম্মান নেই সেখান
থেকে এখনই নিজেকে গুটিয়ে নিন।

২০. টাকার পেছনে দৌড়াতে গিয়ে প্রিয়জনদের বঞ্চিত
করবেন না।

২১. যেটা হাতছাড়া হয়ে গেছে সেটা নিয়ে আফসোস
করবেন না।

Address

Jhenida

Telephone

+8801721342617

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Amio mojumder posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Amio mojumder:

Share